ইউজার লগইন
ব্লগ
কি অদ্ভূত এই সমীকরণ ?
এখন সময়ের সমীকরণটা বড় অদ্ভুত - শুধু সামনের দিকে যাও - বর্তমানে থাক - সম্মুখে তাকাও - চেষ্টা কর - উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য - শেকড়কে ভুলে যাও - পিতার প্রশস্ত কাঁধ বয়সের ভারে ন্যুজ - পিছে ফেলে যাও তাকে - তোমার গতিময় যাত্রায় তিনি এখন অপ্রয়োজনীয় স্পিডব্রেকার - টপকে যাও তাকে - জননী বলে আছেন কেউ - নির্বোধ তিনি - সারা জীবন উনুন ঠেলেছেন - নিজেকে বঞ্চিত করে বার বার তোমার পাতে মাছের মাথাটা ঠেলে দিয়েছেন - মমতার নির্বোধ আচঁলে তোমাকে ঢেকেছেন - ভুলে যাও তাকে - তিনি যে আজ প্রায়ান্ধ বোঝা - তোমার এখন অন্য জীবন - পাশে আধুনিকা স্ত্রী - কিংবা ক্যারিয়ারিস্ট বর- সামনে যাও প্রিয় বন্ধু - সামনে যাও প্রিয় বান্ধবী আমার - তোমাদের সময় এখন - ভুলে যাও অতীত - কার হাত ছুয়ে কি কথা দিয়েছিলে - সব ভুলে যাও - বিগত প্রেমিকের বুক ভাঙ্গা দীর্ঘশ্বাস - নষ্ট হওয়া এলোমেলো জীবন - জোর করে ছুড়ে ফেলা প্রেমিকার লুকানো বাসর কান্না - সব ভুলে য
অন্য রকম জয় - ২৯শে জুলাই ১৯১১
ভারত উপমহাদেশ ইংরেজদের শাসনাধীন (শোষনাধীন) ছিল ১৯০ বছর (১৮৫৮ - ১৯৪৭)।
ঐ সময়কালে দক্ষিণ এশিয়ার ব্রিটিশ শাসনাধীন অঞ্চলকে বৃটিশ ভারত বা ব্রিটিশ রাজ বলা হত। ১৮৭৬ সালে সমগ্র অঞ্চলটিকে সামগ্রিকভাবে ভারতীয় সাম্রাজ্য ঘোষণা করা হয়। ১৮৫৮ সালে এই অঞ্চলের শাসনভার রাণী ভিক্টীরিয়া নিজ হাতে শাসনভার তুলে নেন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী হতে ব্রিটিশ রাজ শক্তির নিয়ন্ত্রনে।

ছবিঃ ব্রিটিশ রাজ এর তৎকালীন পতাকা
পুরণ হওয়া আর না হওয়া শখেরা
ছোট বেলায় খুব মনে হতো, উকিল হব। যুক্তি তর্ক দিয়ে ফাটিয়ে দেবো। সব মামলাতেই আমি জিতবো। প্রতিদিন পকেট ভরে টাকা কামাই করবো। এরপর একটু বড় হবার পর মনে হলো- দুর, কিসের ওকালতি ! আমি পুলিশ হব। গাড়ি থামাবো। চোর বাটপার ধরবো। মানুষরে ভয় দেখাবো। মেলা টাকা কামাই হবে। আসলে সেসময় টাকাটাই আমার কাছে মূখ্য ছিলো। অন্য সব কিছু গৌণ।
আস্তে আস্তে বুঝে গেলাম, জীবনে টাকাটাই সব নয়। স্বাধীনতাটাই হচ্ছে আসল কথা। একটা বাউন্ডুলে ব্যাপার-স্যাপার না থাকলে কিসের কী ? নিজের একটা মোটর সাইকেল থাকবে। সারাদিন সেটায় চড়ে ঘুরে বেড়াবো দেশের এ মাথা থেকে সে মাথা। সে আশা আমার পরবর্তীতে পূরণ হয়েছে। মোটর সাইকেলে না হলেও সারা দেশের কানাচে কানাচে ঘুরে বেড়ানোর দুর্লভ সুযোগ হয়েছে।
অন্যরকম মানুষেরা
কিছু মানুষ জন্মায় - একাকিত্বের বীজমন্ত্র নিয়ে - জীবন তাদেরকে খেলায় - নাকি তারা জীবন কে নিয়ে খেলে - বোঝা দায় - সম্পর্ক - সেটা বন্ধুত্বের হোক - হোক ভালবাসার কিংবা রক্তের - তারা এড়িয়ে চলে - কিংবা কে জানে - বন্ধনে জড়ানোর যোগ্যতা হয়ত প্রকৃতি তাদের কে দেয়নি - অর্থহীন জীবন - মাঝরাতে দুঃস্বপ্ন দেখে জেগে ওঠা - তারপর অঘুমো বিভীষিকাময় মুহূর্ত গুলো - তবু কাউকে ডাকা নয় - ডাকার জন্য যে প্রণোদনা লাগে তারা তা হারিয়ে ফেলেছে - শুধু ভোরের প্রতীক্ষা - যদিও জানে - ভোর আসবে না - এসব মানুষের জীবনে ভোর আসেনা- আসতে নেই - প্রসারিত কোনো হাতেই এরা হাত রাখে না - বিশ্বাস এদের নড়ে গেছে শুরুতেই - যেন সিজোফ্রেনিয়ার রোগী - এক বিচিত্র জগৎ - কোনো বন্ধন নেই - ভুল হলো- একটি বন্ধন আছে - থাকে - বিধাতার সাথে - সে বন্ধনে কখনো প্রার্থনা থাকে - কখনো ঘৃণা - কখনো অসম লড়াই - আর কখনো সীমাহীন - ব্যাখ্যাতীত অভিমান.
ঘুড়িরা উড়ে যায় বাতাবী উঠোনে
এক ঠোঙা ভালবাসা চিবুচ্ছে গরম দুপুর কিংবা মাঘের শীত
শালিখের প্রেমালাপ থেমে যাবে অজানা সূর্যের উলম্ব চুম্বনে
টিনের চালজুড়ে উচ্ছল বাতাস নেচে বেড়াবে সাথে নিয়ে বকুলের ডাল
আকাশ বদলের খেলায় নিংড়ে নেব তোমার ভালবাসা জমি।
খনিতে কি হবে ডাকিনী কুহক!
উরুর পেশীতে যদি খেলা করে বিষধর সাপ
নেউলের নধর হতে কেড়ে নেব বিষের ভাণ্ড
পেয়ালায় আজলা ডুবিয়ে দেখিয়ে দেব নকল সমীকরণ আর
অবেলার বাতাসে কাঁপা বাতাবীলেবুর ডাল।
দুমুখো বাতাসে হা হা বুক
উথাল পাথাল করে মরুক বেগানা শাড়ীর আঁচলে
ফিঙের ঠোঁটে হাসুক একরত্তি কদবেল
কাজলের মায়ায় বাঁধো যদি পথভোলা খেয়ালী পথিক
মরুর স্নিগ্ধ বাতাসে পাবে গোলাপের মিষ্টি হাসির ঝিরিঝিরি ঢেউ।
৩* শিরোনামহীন
হুড়মুড় বাতাসে ভিজে যায় স্বপ্নহীন সময়;
হলদেটে দুপুর, অট্টালিকার কার্ণিশে হাঁটে উদাস পায়ে।
বিষাদের রঙ ছড়িয়ে গেলে,
আটপৌরে শাড়িও ছোপ ছোপ অশ্রুময়।
পেরিয়ে যাওয়া সীমানার দিগন্তে অপেক্ষা করে থাকে আরো সীমানা প্রাচীর
এবং আরো আরো অনেক প্রতিবন্ধক
এগুতে চেয়েও হয়না এগিয়ে যাওয়া।
বুকপকেটে জমিয়ে রাখা একাধিক অদৃশ্য ফুলের গন্ধে
চিন্তারা ভারী হয়ে আসে ক্রমশ
দেখবার চোখ, শুনবার চোখ আর বলবার চোখে জমা হয় বিবিধ ঘষা কাচের আস্তর।
জলফড়িঙেরা কখনো ছুঁয়ে যায়না গড়িয়ে যাওয়া অশ্রু
প্রজাপতিরা উড়ে বেড়ায়না অদৃশ্য ফুলের আকর্ষণে।
জীবনের মুখ!
তবুও খুব করে ঝরে গেলো এক চোট আজ সকাল বেলায়, আসলে অনেক ভেবে ভেবে আর কড়া যুক্তি খাড়া করে কাটিয়েই দিচ্ছিলাম বেশ দুপুর গুলো আর রাত্রিরা যদিও এখনও গোঁড়া কিছুটা তথাপি চাঁদের সাথে রোজ ঝগড়া করে তোমার উপর থেকে মনটাকে খানিকটা বিষিয়ে তুলতে পারি কখনও; কিন্তু এতো দিন পর আজ হঠাৎ কি হয়ে গেল...
স্মৃতিকাতরতা আমার কর্ম না!
আজ দুপুরেই এসএসসির রেজাল্ট দিবে। টিভি চ্যানেলগুলা পত্রিকা গুলা সব ঝাপিয়ে পড়বে মেধাবীদের ছবি তুলতে তাদের সফলতার গভীরতা নির্নয়ে। আমি এসএসসি দিলাম ২০০৩ মানে ৯ বছর আগে তাহলে কতগুলো সময় ভেতর দিয়ে চলে গেলো। কিন্তু পাবলিকের মতো স্মৃতির ডানা ঝাপটানো আমার ভাল লাগে না কোনো কালেই। কারন এতো খারাপ ছাত্র ছিলাম বাবা মা কোনোদিন ভাবে নাই যে ম্যাট্রিক পরীক্ষা কোনও বাধা ছাড়া এগিয়ে যাবো। তাই যখন এসএসসি দিলাম তখন সবার চোখে মুখে বিস্ময়। পরীক্ষার সিট ছিলো আগ্রাবাদ বয়েজে। নেভীর বাসে করে চলে যেতাম চিল্লাপাল্লা গান গাইতে গাইতে তখন কিসের পড়া কিসের টেনশন। কিন্তু আমি গেঞ্জামটা করতাম গোল্লা পুরন করে যে ফর্মটা পুরন করতে হয় সেখানে যেয়ে। হয় রোল নাম্বারের জায়গায় রেজিস্ট্রেশন নাম্বার লিখছি কিংবা প্রশ্নের সেটে ভুল করছি গোটা চারেক বার। আমাদের সাথে বাসে যাইতো দিদার স্যার উনি আমারে বলতো সারাদিন তো দেখি ব্যাপক ফড়ফড় করো বন্ধুদে
এক স্মৃতিকাতর গোধূলিবেলায় মনে পড়া কিছু খুব অপ্রয়োজনীয় কথা
একেকজনের পুরো জীবনটাই হতে পারে- একটা ভুলে ভরা জীবন। আমাদের কোন কাজটি যে আমাদের জন্য সঠিক আর কোনটি বেঠিক, সেটা কোনোকিছু দিয়েই নির্ধারণ করা যায় না। আমরা অনেক চেষ্টা করি নানাভাবে আগামী দিনের পূর্বাভাস পাবার, কিন্তু তাতে খুব বেশি লাভ হয় না। একেবারে যে হয় না, তা না। সততা, পরিশ্রম ইত্যাদির আবেদন চিরন্তন। তবে এই জিনিসগুলো জীবনের বিশাল ভবিষ্যতের খুব কম অংশকেই নিয়ন্ত্রণ করে। জীবনের বড় অংশটা নিয়ন্ত্রণ করতে হয় যাপনকারীকেই। স্বহস্তে, নিজের জন্য নির্ধারিত চালকের আসনটিতে বসে।
তুচ্ছ পাতাটিও বাঁশি হয়ে উঠে তোমার খেয়ালে
সেই তো পথ। উড়ে যাও হলুদ বিকেল! শৈশবের ঘুড়ি। সন্ধ্যা হলে ঘুমিয়ে যাবে গ্রাম, শহরে প্রথমা তুমি থাকো- তোমার বাড়ী জ্যোৎস্না নামে। আমার ঘরে জোনাকি ঢুকে রবীন্দ্র রূপে।
শীত-বসন্তের গান আজ আর হয় না গাওয়া। ঝাপসা হয়ে আসে চোখ; দৃশ্য পুড়ার শোকে। অনেকগুলো রাত চলে গেছে বাতাসের হাত ধরে। অনেক অসহ্য চাঁদ নিভে গেছে তার মতোই করে। কেউ কারো খেয়ালে শিস কাটিনি আমরা। জেগে উঠিনি কেউ চেনা ধ্যান ভাঙা সুরে... অথচ তুচ্ছ পাতাটিও বাঁশি হয়ে উঠে তোমার খেয়ালে।
একটি প্রজাপতি জানে মন কোণে অভিমানে কে কত হয়েছে নীল। আমরা কেউ জানি না। না নদী না আমি না তুমি। আমরা শুধু দূরত্ব নিয়ে এসেছি নিকটে। কত নিকটে ছিলেম দূরত্ব ছাড়া এই সত্য আজ জানে না আর কোন দূত। ফিরে না আসা পথে ভেসে যায় মেঘ, মাটির টান নেই, বুকে ধরেছে পাথর...
ফ্রেমবন্দী অনুভব: ২
ক. প্রফেসর ব্রায়ানের সাথে যাচ্ছি কিছু ইন্টারভিউ নিতে, সুনামগঞ্জের কোনো এক জেলেপাড়ায়। তিনি একজন নৃতাত্ত্বিক, সম্প্রতি বাংলাদেশের সাক্ষরতার উন্নতি এবং এর সাথে মোবাইল ফোনের বিস্তৃতি তাঁর মনোযোগ কেড়েছে। একজন নিরক্ষর মানুষ কীভাবে প্রচলিত অক্ষর কিংবা সংখ্যার সাথে পরিচিত না হয়েও সাবলীলভাবে মোবাইল ব্যবহার করে যাচ্ছে- এটি তার বিস্ময়ের অন্যতম উৎস! গাড়িতে তিনি একের পর এক প্রশ্ন করে চলেছেন, আমি যথাসম্ভব উত্তর দিচ্ছি নিজের মতো করে এবং যেহেতু ছবি তোলার চেয়ে তাঁর প্রশ্ন করায় উৎসাহ বেশি এবং উল্টোদিকে আমার উত্তর দেয়ার চেয়ে ছবি তোলায় উৎসাহ বেশি- সুতরাং তাঁর ক্যামেরা এবারো আমার হাতে। তবে ব্রায়ানের ক্যামেরায় আমার ছবি তোলার এটাই শেষ পর্ব।
অশ্রু বিনিময়
খুব বৃষ্টি হচ্ছে বাইরে, মনে আর দুচোখের কোণে,
গভীর রাত বসে আছি জানালার পাশে দৃষ্টি আকাশ পানে,
এইতো সেই জানালা;
যার সামনে বসে কত কথা বলেছি প্রিয়ার সাথে মনের সুখে,
আজ সেই জানালার কাঁদছি মনের সীমাহীন দুখে,
টিপ টিপ পড়ছে বৃষ্টির জল সিক্ত মাটির বুকে,
আর আমার চোখের জল পড়ছে আমার মরু বুকে,
আকাশ তুইও কাঁদিস আমিও কাঁদি দুজনার মাঝে আদ্ভুত মিল,
আমিও কাঁদি দুখে তুইও কাঁদিস দুখে,
আমার প্রিয়া যাবে অন্যের ঘরে তোর বৃষ্টি যাবে সাগরের বুকে,
ওরে আকাশ তোর কান্না সবাই দেখে রে,
অথচ আমার কান্না কেউ দেখে নারে,
ওরে আকাশ তুই কেমনে পারিস এত করে কাদতে?
তোর চোখে এত জল কেন রে?
আমি আর পারিনা কাঁদতে,
আমায় এক শ্রাবণ জল ভাগ দেনা রে,
আমি এমন কাঁদতে চাই;
যেন প্রিয়ার হৃদয় ভিজে যায়,
আমি এমন কাঁদতে চাই;
যেন তার মা বাবা ভাই ভোনের চোখে স্নেহের অশ্রু ঝড়ায়,
যদি আমায় দিতে না পারিস তোর একটু জল,
তবু হারিয়ে যাওয়াটাই শ্রেয়
তবু হারিয়ে যাওয়াটাই শ্রেয় - অকারণ
ক্ষণস্থায়ী পাওয়ার চিরায়ত ভ্রান্ত সমীকরণ
আরো একবার সংশোধিত হতেই পারে ,
অতীতের ব্যুহময় অন্ধকারে
অনর্থক ক্ষীণপ্রাণ জ্যোতি
চীরতরে ঘুঁচে গেলেই কী ক্ষতি ।
সীমাহীন আকাশ ছোঁবার
বৃথা আড়ম্বর নাইবা করলাম আর ।
আকাশ বীরদর্পে হেসে আবার থমকে দাঁড়ায় ,
যদিবা ছিন্নমূল ব্যথারা উর্ধ্বপানে হারাতে চায় ;
কিন্তু শূণ্য জীবন এক চরম মাধ্যাকর্ষণ -
টান দেয় রক্তাক্ত সুতোয় , বনেদী তাঁতীর মতন
বুনে চলে নিশ্ছিদ্র বাস্তবতার জালক ।
কোথায় পালাবে হে নাদান পলাতক !
হয়তো পালানোর পথটা অননুমেয়
তবু হারিয়ে যাওয়াটাই শ্রেয় ।
দ্বৈরথঃ'ওঙ্কার-বাঙলা' আহমদ ছফা ও শহীদুল ইসলাম খোকন
''বাংলাদেশের কোন উপন্যাস ক্ল্যাসিকের মর্যাদা পাবে বলে আপনি মনে করেন ? আহমদ ছফা’র ‘ওঙ্কার’'
আত্মমগ্ন কথামালা ১২
কাইল্কা শাহবাগ থিকা ফিরনের পথে ঝড়ে আর বৃষ্টির ভিত্রে পড়লাম। রিক্সায়। উরে মা রে মা। কি যে ঠান্ডা পানি। এক্কেরে গুলির মত বিধতেছিলো। পকেটের ম্যাচ গেছে ভিজা। লগের জনের থিকা বিড়ি লইয়া বিড়িও ধরাইতে পারিনা। লগের জনের কাছে আছিলো লাইটার সেইটাও ঠান্ডা হইয়া গেসে। শেষ্মেষ বাসার নিকটে যখন পৌছাইলাম দুইহাতে কোনো সাড় নাই, থরথর কইরা কাপ্তেছি। রাস্তা পার হইতে গিয়া দেখি পায়ের উপ্রেও কন্ট্রোল নাই।
কয়দিন হইলো কি জানি হইছে বাল। ঝিমাইতে বেশী ভাল্লাগে
ব্লগে সবার লেখা পড়তেছি। ভালো লাগতেছে। কিন্তু লগিন কইরা কইতে মন চাইতেছে না
নিজেরে নিয়া বড়ই হতাশ।
অঞ্জন দত্ত বুইড়ায় ভালোই গান টান গাইতেছে। ইদানীং তার গানাবাজনা শুনতেছি। এই ব্যাটার গান শুনলে অল্টাইম নিজের ভিত্রে বিশাল বিশাল সাইজের ডিপ্রেসনের মেঘ জমা হইতে থাকে। সেই মেঘগুলারেই ঘুরাইয়া ফিরাইয়া দেখি নিয়মিত।