ইউজার লগইন
ব্লগ
আত্মমগ্ন কথামালা-৪
স্বর্গফর্গ ইত্যাদি লইয়া চিন্তা ভাবনা বাদ্দিছি বহুদ্দিন হইলো। অনেক দিন আগের চিন্তায় স্বর্গটা বেশ রইদ ঝলমলা আছিলো।
মৃত্যু এবং তারপর...
মুঠোফোনের শব্দে ঘুম ভাঙ্গলো। যথারীতি আপাদমস্তক কম্বলের নীচে আমি, পুরা মরা মানুষের মত। কোন মতে এক হাত বের করে সাইড টেবিল থেকে মুঠোফোনটা টেনে নিলাম কম্বলের নীচে। হ্যালো বলতেই বন্ধু-কলিগের বাবার মৃত্যু-সংবাদ। সত্তর পেরোনো, নানা রোগে ভুগে স্বাভাবিক মৃত্যু। যে দেশে বাস করি, সেখানে স্বাভাবিক মৃত্যুও যে কারও জন্য আজকাল একটা বিশেষ অর্জন!
আমার অধিকাংশ “সত্যায়িত” ছবি, সার্টিফিকেট, চারিত্রিক সনদ এনার মাধ্যমেই করা। খুব জটিল একটা স্বাক্ষর করতেন, তাছাড়া অতি সহজ, সরল এই মানুষটিতে আর কোন জটিলতা দেখিনি। সেজন্যই জীবনে তেমন কিছুই করা সম্ভব হয়নি তার। এই ধরনের মানুষদের এই সমাজে কিছু করতে পারার কথা না।
দিনে দিনে বয়স বাড়ে...
জানুয়ারী মাসটা আমার খুব প্রিয় মাস। স্কুলে ঠিকঠাক মতো ক্লাস হতো না চলতো স্পোর্টস। আর এই চান্সে আমরা আমাদের মতো খেলাধুলায় মত্ত থাকতাম। কিন্তু সবাই না বেশীর ভাগই ছেলে স্কুলে যেয়ে প্যারেডের জন্য কাজ করতো। ঐখানেই থাকতো। আমাদের হাউজ সিস্টেম ছিলো অনেকে ছিলো হাউজের নেতা। তখন তো আর বছরের প্রথম দিনেই বই দিতো না শেখ হাসিনার মতো তাই আমাদের দিন কাটতো খেলাধুলা আর হাসি তামাশা আড্ডা দিয়ে। কিন্তু প্রিন্সিপাল কমান্ডার মোসলেউদ্দিন সাহেব ছিলেন এক পিস তিনি তার জিপ হাকিয়ে আমাদেরকে খুজতেন। মাঝে মধ্যেই ধরা খেতাম। আর খাইলেই সেই মুহুরতেই মাইর স্টার্ট এরপর কলেজে নিয়ে গিয়েই বাস্কেটবল গ্রাউন্ডে দাড় করিয়ে রাখা। এরপর কিছু দিন এই অপমানে মন খারাপ থাকতো। এমন সব অপমান করা মুহুর্তেই আসতো আমার জন্মদিন। খুব মেজাজ খারাপ থাকতো। স্কুলের জীবনে কোন কালেই আমি জন্মদিন নিয়ে খুব একটা ভাবতাম না। বাসাতেও তাই ছিলো জন্মদিন মানেই ভালো মন্
নিঝুমশৃঙ্গার
এই ভাষা তোমাকে দিয়েছিলো দূর পাহাড়ের ওপারে জেগে থাকা একলা এক কাঠঠোকরা পাখি। তুমি হাতের নখের ভিতর লুকিয়ে রেখেছিলে গ্রামের সবচেয়ে শীতল পুকুরটির মানচিত্র। সে কাউকে দেখতে পায় না। এদিক ওদিক তাকায়। একদিন সে কবিতা লিখতো। তার দুয়েকটা কবিতা কয়েকটা ছোটোকাগজে ছাপাও হয়েছিলো। তার সংগ্রহে নেই। কেননা তার চটের একটি ছেড়া ব্যাগে বুকশেল্ফ ধরে না। আজও সে বাসে চেপে পাশের শহরে গিয়েছিলো। তার ভাড়া লাগে না। শহরের একফালি ঘরে আছে হেমলতার বিকলাঙ্গ স্মৃতি। সে দেখতে পারে না। অথবা হয়তো তার নৌকো ছিলো নদীযান। সে তাকে টেনেছিলো এবং গাছ পর্যন্ত তাদেরকে ঝাঁকুনি দিয়েছিলো। আমি মাঠের অন্যান্য আইল থেকে পর্যবেক্ষণ করেছিলাম এবং তাদেরকে ভালোবেসেছিলাম।
রোদ্দুরের কবিতা
দিনশেষে ঘরে ফিরতেই হারে রেরে রেরে করে তেড়ে আসে রোদ্দুর
মিহি বাতাসে তার ঘরবাড়ি উড়ে গেছে, জনপদে ছেয়ে গেছে ধুলোবালিময়
চায়ের গেলাস; চুপসে যাওয়া মানুষেরা চুপচাপ চুমুকে চুমুকে
খেয়ে যায় মেকী উষ্ণতারে, ভরপেট মদিরায় ডুবে গেলে ভালো ছিলো ভেবে
স্বপ্ন নামের দুঃস্বপ্নগুলোকেই ভাসালো এবার কুশিয়ারা কিম্বা তুরাগের বুকে...
যেইভাবে দূর্গাদেবী ডুবে যায় আগামীর বারতায়; বোকা মানুষেরা জানে নাই
দূর্গা চলে গেলে কখনোই ফেরে নাই ভূমণ্ডলে। প্রক্সি দিয়ে যায় সুধীর পাল ও
তার দলবল...রঙতুলিময় দেবী ফাঁকি দিয়ে ভক্তি নিয়ে চলে গেছে দূরে।
অভিযোগের তালিকা মেলে দিয়ে রোদ্দুর, ফোলানো গালে বসে আছে
ঘরের দাওয়ায়। তার চোখ থেকে গড়ানো অশ্রুর রেখায় রেখায় বরফের শ্বেত
শুভ্রতা উজ্জ্বল জ্বলে উঠে।
নিশিমনের নৌকাযাত্রা
পর্ব: ২
শুকনায় লেখা
প্রথমে শুরু হ'লো নাম পড়া দিয়ে। তারপর নামের উপর মাউসপয়েন্টার ধরে ইউয়ারএল দেখা। তারপর ইউয়ারেলের নাম দেখে, সেই নাম নেবার সময় ইউজারের মানসিক অবস্থা কেমন চিন্তা করা। তারপর ইউজারের চেহারা কেমন তা নিয়ে চিন্তা করা। তারপর নাম নেবার মুহুর্তে এরকম মানসিক অবস্থা কেন ছিলো তার কারণ অনুসন্ধান। তারপর বাসা-বাড়ি ছোটবেলা-বড়বেলা, প্রেমিক-প্রেমিকা......... এভাবেই শুরু আগামী গল্পের।
কনফেশন- শুকনা খায়া, সামুতে ঢুইকা অনলাইনে লিস্টি দেখতে দেখতে মাথায় কথা গুলা আইলো। আর চরাচর যেহেতু স্লো হইয়া গেছে। চিন্তার দৌড়ঝাঁপও সেরকমই স-ল-ল-ল-ল--ল--ল---ল---ল-ও----ও---------ও হইয়া গেছে। এইরকম অনুভুতির উপর এক্সপেরিমেন্টের জন্য এই লেখার ড্রাফট.................................
আত্মমগ্ন কথামালা-৩
অস্থিরতাটাকে কেমন জানি উপভোগের পর্যায়ে নিয়া চইলা গেছি। অস্থির না থাকলেই শালার কেমন কেমন লাগে। কে জানে? হয়তো সাইকোলজিতে এইটারও কোনো গালভরা নাম আছে। যখন অস্থির থাকি ভিতরে, তখন বাইরে বাইরে খুব স্থির কুউউল একটা ভাব ধইরা থাকার চেষ্টা করি। মজাই লাগে। বেশ মজা।
বহুতদিন ভিক্ষুকদের গ্রুপ ধইরা ভিক্ষা করতে দেখিনা। সবার মধ্যেই এখন ইন্ডিভিজ্যুয়ালিজম চইলা আসছে। দুইদিন আগে, হঠাৎ এক রাস্তায় দেখলাম তিনচার জন ভিক্ষুক সেই পুরানো স্টাইলে ভিক্ষা করতেছে। তবে আগের ভিক্ষুক গ্রুপের ভিতর যেই বৈচিত্র থাকতো, সেইটা এদের ভিতর নাই। সবাই একই রকমের। ভালোলাগলেও আসলে সেরম ভালোলাগেনাই।
মাথার ভিতর ঘুরঘুর করতেছে। ভাল্লাগতেছে না। এই কথাগুলা এখন পুরানা হইয়া গেছে। নতুন কিছু ভাইবা নেওয়া দরকার। আলসিতে সেইটাও হইতেছে না।
কয়দিন পর মন আবার ১৮০ ডিগ্রী ঘুরান দিবো কে জানে।
আবোল তাবোল -৭
# # # # #
বিষয়ঃ 'সুরের ধারা:রবীন্দ্র উৎসব' ও অন্যান্য কথকতা।
# # # # #
মন ভাল নেই, মন ভাল হয়না..
প্রত্যেকটা দিন একই রকম নিস্তরঙ্গ জীবনযাপন। খাওয়া- দাওয়া- ঘুম। মুভি- মিওজিক- গেম।
কখনও কখনও ঘরোয়া আড্ডা আর বন্ধুদের সাথে ঘুরাঘুরি। মন চাইলে গল্পের বইয়ের পাতায় ডুব।
মাঝে মাঝে প্রচণ্ড বিরক্তি জাগে নিজের উপর, এই বেঁচে থাকার উপর।
অবসর সময়টা খুব বেশি পেয়ে বসলে ভাল লাগেনা, ভয়ংকর একটা অস্থিরতা ভর করে সব কিছুতেই।
খুব ছোট ছোট কারনে আজকাল মন খুব বেশি খারাপ হয়ে যায়। ভাল লাগে না।
মন খুব বেশি খারাপ হলে মন একটু ভাল করতে কি করা যায়? সকলের পরামর্শ প্রার্থনীয়!
# # # # #
অনেক দিন কিছু লেখা হয়না, আজ একটু নিজের উপর জোর খাঁটিয়েই লিখতে বসলুম!
এবি আসি প্রায় প্রতিদিন-ই, কিন্তু কেন জানি কিছুই লেখা হয়না।
অনেক লেখাই পড়তে ভাল লাগে। ভাবি, একটা কিছু বলব। লগইন করা হয়না।
ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থান এবং বুদ্ধিজীবিগণ
ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থান সংবাদের বিষয়বস্তু হিসেবে নিতান্তই গৌন, গতকালের সাম্ভাব্য সেনা অভ্যুত্থানের বিষয়টি তারচেয়েও কম গুরুত্ব পেয়েছে। বিশাল সংবাদ সম্মেলন করে পঁচা ইঁদুরের বিবর্ধিত ছবি দেখানোর আয়োজনটুকু চমৎকার হলেও ইঁদুর শেষ পর্যন্ত ইঁদুরই, তার ছুঁচালো মুখ কখনই মাংসাশী আকার পায় না।
পরিস্থিতি বিবেচনা করলে বিডিআর বিদ্রোহপরবর্তী সেনা অসন্তোষ এর চেয়ে গুরুতর ছিলো, সে সময়ের সেনা বিক্ষোভ দক্ষ হাতে সামলানোর কৃতিত্বটুকু দিতে হবে মইন উ আহমেদকে। সে পরিস্থিতির তুলনায় জনৈক মেজর জিয়ার ই মেইল এবং বক্তব্য যতটা আয়োজন করে প্রকাশ হলো সেটা নিতান্তই হাস্যকর।
সার্ভার পরিবর্তন ও ব্লগ প্রবেশে সাময়িক সমস্যা সংক্রান্ত
আমরা বন্ধু ব্লগের সার্ভার পরিবর্তন করা হয়েছে। ব্লগের মূল ডোমেইন-এর ডিএনএস সার্ভার-ও পরিবর্তন করা হয়েছে যার কারনে হয়ত ব্লগ ব্যবহারকারীরা ব্লগে ঢুকতে কিছুটা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। ইতিমধ্যে ব্লগ নতুন সার্ভার থেকে চালু করা হয়েছে সম্পূর্ণভাবে।
সার্ভার পরিবর্তনের কারনঃ এবি আস্তে আস্তে বড় হচ্ছে, ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়ছে দিন দিন, যার জন্য প্রয়োজন অতিরিক্ত সার্ভার রিসোর্স। ব্লগ ব্যবহারে ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতা আরো সুখকর করার জন্য এবং ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখেই ব্লগ কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
আপনাদের এই সাময়িক সমস্যার জন্য এবি'র টেকনিকাল টিমের পক্ষ থেকে আমরা আন্তরিক ভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।
সানশাইন অন মাই শোল্ডার...
................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................
শেয়ারবাজারও কি আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠন ?
শওগাত আলী সাগর
দেশের অর্থনীতি নিয়ে আতংক ছড়ানোর রাজনৈতিক অরাজনৈতিক প্রচেষ্টাটা শেষ হতে না হতেই আতংকজনক কিছু ঘটনাই ঘটে গেলো বাংলাদেশে। ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃপক্ষ নিজেরা সিদ্ধান্ত নিয়ে হঠাত করেই একদিনের জন্য বন্ধ রাখলেন শেয়ারবাজারের লেনদেন। সরকারি দুটি সিদ্ধান্তের জের ধরেই শেয়ারবাজারের লেনদেন বন্ধ রাখা হয়েছে সেটি পরিষ্কার। তবে যে কথাটি পরিষ্কারভাবে কেউ বলছেন না, সেটি হলো – সরকারকে বিশেষ একটি বার্তা দেওয়ার প্রচেষ্টা রয়েছে স্টক এক্সচেঞ্জের এই সিদ্ধান্তে।সেই বার্তাটি কি তা সরকারের খতিয়ে দেখার বিষয়,অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা যারা করেন, তারাও এ ব্যাপারে আগ্রহী হতে পারেন। তবে একদিন শেয়ারবাজারের লেনদেন বন্ধ রেখে বিনিয়োগকারীদের,দেশের সাধারন জনগোষ্ঠীর মনে একটা আতংকভাব তৈরি করা গেছে। আর বিদেশে,আন্তর্জাতিক বাণিজ্যজগতে একটা প্রশ্নবোধক বার্তা পাঠানো গেছে। এটিও হয়তো কেউ কেউ চাচ্ছিলেন।
রাতের রেশম অন্ধকার
আজ সন্ধ্যায়, চায়ের কাপেরা অনেক বেশিই ব্যাস্ত ছিলো
হাতে-হাতে
ঠোঁটে-ঠোঁটে
স্পর্শে এবং অবহেলায়।
বহমান নদী, পথভুলে, নাগরিক যানজটে হারিয়েছিলো
জীবনের অনেকটা গান।
টেলিভিশনের রঙচঙে পর্দায়,
মুখোশের আড়ালে, শত শত চোখ, লোলুপ তাকিয়েছিলো
রেশমী কিংখাবে ছড়ানো ছিটানো তারাদের দিকে।
রাত নেমে আসে শহরের শরীরে
নদীর ভেজা বাতাসে
কুয়াশা ছোঁয়া নিঃশ্বাসে এবং প্রশ্বাসেও।
ক্লান্ত আমি,
অন্ধকারের রেশম রেশম আবেশে ভিজিয়ে নেই দু'টি পা।