ইউজার লগইন
ব্লগ
নিশিমনের নৌকাযাত্রা
পর্ব: ২
শুকনায় লেখা
প্রথমে শুরু হ'লো নাম পড়া দিয়ে। তারপর নামের উপর মাউসপয়েন্টার ধরে ইউয়ারএল দেখা। তারপর ইউয়ারেলের নাম দেখে, সেই নাম নেবার সময় ইউজারের মানসিক অবস্থা কেমন চিন্তা করা। তারপর ইউজারের চেহারা কেমন তা নিয়ে চিন্তা করা। তারপর নাম নেবার মুহুর্তে এরকম মানসিক অবস্থা কেন ছিলো তার কারণ অনুসন্ধান। তারপর বাসা-বাড়ি ছোটবেলা-বড়বেলা, প্রেমিক-প্রেমিকা......... এভাবেই শুরু আগামী গল্পের।
কনফেশন- শুকনা খায়া, সামুতে ঢুইকা অনলাইনে লিস্টি দেখতে দেখতে মাথায় কথা গুলা আইলো। আর চরাচর যেহেতু স্লো হইয়া গেছে। চিন্তার দৌড়ঝাঁপও সেরকমই স-ল-ল-ল-ল--ল--ল---ল---ল-ও----ও---------ও হইয়া গেছে। এইরকম অনুভুতির উপর এক্সপেরিমেন্টের জন্য এই লেখার ড্রাফট.................................
আত্মমগ্ন কথামালা-৩
অস্থিরতাটাকে কেমন জানি উপভোগের পর্যায়ে নিয়া চইলা গেছি। অস্থির না থাকলেই শালার কেমন কেমন লাগে। কে জানে? হয়তো সাইকোলজিতে এইটারও কোনো গালভরা নাম আছে। যখন অস্থির থাকি ভিতরে, তখন বাইরে বাইরে খুব স্থির কুউউল একটা ভাব ধইরা থাকার চেষ্টা করি। মজাই লাগে। বেশ মজা।
বহুতদিন ভিক্ষুকদের গ্রুপ ধইরা ভিক্ষা করতে দেখিনা। সবার মধ্যেই এখন ইন্ডিভিজ্যুয়ালিজম চইলা আসছে। দুইদিন আগে, হঠাৎ এক রাস্তায় দেখলাম তিনচার জন ভিক্ষুক সেই পুরানো স্টাইলে ভিক্ষা করতেছে। তবে আগের ভিক্ষুক গ্রুপের ভিতর যেই বৈচিত্র থাকতো, সেইটা এদের ভিতর নাই। সবাই একই রকমের। ভালোলাগলেও আসলে সেরম ভালোলাগেনাই।
মাথার ভিতর ঘুরঘুর করতেছে। ভাল্লাগতেছে না। এই কথাগুলা এখন পুরানা হইয়া গেছে। নতুন কিছু ভাইবা নেওয়া দরকার। আলসিতে সেইটাও হইতেছে না।
কয়দিন পর মন আবার ১৮০ ডিগ্রী ঘুরান দিবো কে জানে।
আবোল তাবোল -৭
# # # # #
বিষয়ঃ 'সুরের ধারা:রবীন্দ্র উৎসব' ও অন্যান্য কথকতা।
# # # # #
মন ভাল নেই, মন ভাল হয়না..
প্রত্যেকটা দিন একই রকম নিস্তরঙ্গ জীবনযাপন। খাওয়া- দাওয়া- ঘুম। মুভি- মিওজিক- গেম।
কখনও কখনও ঘরোয়া আড্ডা আর বন্ধুদের সাথে ঘুরাঘুরি। মন চাইলে গল্পের বইয়ের পাতায় ডুব।
মাঝে মাঝে প্রচণ্ড বিরক্তি জাগে নিজের উপর, এই বেঁচে থাকার উপর।
অবসর সময়টা খুব বেশি পেয়ে বসলে ভাল লাগেনা, ভয়ংকর একটা অস্থিরতা ভর করে সব কিছুতেই।
খুব ছোট ছোট কারনে আজকাল মন খুব বেশি খারাপ হয়ে যায়। ভাল লাগে না।
মন খুব বেশি খারাপ হলে মন একটু ভাল করতে কি করা যায়? সকলের পরামর্শ প্রার্থনীয়!
# # # # #
অনেক দিন কিছু লেখা হয়না, আজ একটু নিজের উপর জোর খাঁটিয়েই লিখতে বসলুম!
এবি আসি প্রায় প্রতিদিন-ই, কিন্তু কেন জানি কিছুই লেখা হয়না।
অনেক লেখাই পড়তে ভাল লাগে। ভাবি, একটা কিছু বলব। লগইন করা হয়না।
ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থান এবং বুদ্ধিজীবিগণ
ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থান সংবাদের বিষয়বস্তু হিসেবে নিতান্তই গৌন, গতকালের সাম্ভাব্য সেনা অভ্যুত্থানের বিষয়টি তারচেয়েও কম গুরুত্ব পেয়েছে। বিশাল সংবাদ সম্মেলন করে পঁচা ইঁদুরের বিবর্ধিত ছবি দেখানোর আয়োজনটুকু চমৎকার হলেও ইঁদুর শেষ পর্যন্ত ইঁদুরই, তার ছুঁচালো মুখ কখনই মাংসাশী আকার পায় না।
পরিস্থিতি বিবেচনা করলে বিডিআর বিদ্রোহপরবর্তী সেনা অসন্তোষ এর চেয়ে গুরুতর ছিলো, সে সময়ের সেনা বিক্ষোভ দক্ষ হাতে সামলানোর কৃতিত্বটুকু দিতে হবে মইন উ আহমেদকে। সে পরিস্থিতির তুলনায় জনৈক মেজর জিয়ার ই মেইল এবং বক্তব্য যতটা আয়োজন করে প্রকাশ হলো সেটা নিতান্তই হাস্যকর।
সার্ভার পরিবর্তন ও ব্লগ প্রবেশে সাময়িক সমস্যা সংক্রান্ত
আমরা বন্ধু ব্লগের সার্ভার পরিবর্তন করা হয়েছে। ব্লগের মূল ডোমেইন-এর ডিএনএস সার্ভার-ও পরিবর্তন করা হয়েছে যার কারনে হয়ত ব্লগ ব্যবহারকারীরা ব্লগে ঢুকতে কিছুটা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। ইতিমধ্যে ব্লগ নতুন সার্ভার থেকে চালু করা হয়েছে সম্পূর্ণভাবে।
সার্ভার পরিবর্তনের কারনঃ এবি আস্তে আস্তে বড় হচ্ছে, ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়ছে দিন দিন, যার জন্য প্রয়োজন অতিরিক্ত সার্ভার রিসোর্স। ব্লগ ব্যবহারে ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতা আরো সুখকর করার জন্য এবং ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখেই ব্লগ কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
আপনাদের এই সাময়িক সমস্যার জন্য এবি'র টেকনিকাল টিমের পক্ষ থেকে আমরা আন্তরিক ভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।
সানশাইন অন মাই শোল্ডার...
................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................
শেয়ারবাজারও কি আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠন ?
শওগাত আলী সাগর
দেশের অর্থনীতি নিয়ে আতংক ছড়ানোর রাজনৈতিক অরাজনৈতিক প্রচেষ্টাটা শেষ হতে না হতেই আতংকজনক কিছু ঘটনাই ঘটে গেলো বাংলাদেশে। ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃপক্ষ নিজেরা সিদ্ধান্ত নিয়ে হঠাত করেই একদিনের জন্য বন্ধ রাখলেন শেয়ারবাজারের লেনদেন। সরকারি দুটি সিদ্ধান্তের জের ধরেই শেয়ারবাজারের লেনদেন বন্ধ রাখা হয়েছে সেটি পরিষ্কার। তবে যে কথাটি পরিষ্কারভাবে কেউ বলছেন না, সেটি হলো – সরকারকে বিশেষ একটি বার্তা দেওয়ার প্রচেষ্টা রয়েছে স্টক এক্সচেঞ্জের এই সিদ্ধান্তে।সেই বার্তাটি কি তা সরকারের খতিয়ে দেখার বিষয়,অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা যারা করেন, তারাও এ ব্যাপারে আগ্রহী হতে পারেন। তবে একদিন শেয়ারবাজারের লেনদেন বন্ধ রেখে বিনিয়োগকারীদের,দেশের সাধারন জনগোষ্ঠীর মনে একটা আতংকভাব তৈরি করা গেছে। আর বিদেশে,আন্তর্জাতিক বাণিজ্যজগতে একটা প্রশ্নবোধক বার্তা পাঠানো গেছে। এটিও হয়তো কেউ কেউ চাচ্ছিলেন।
রাতের রেশম অন্ধকার
আজ সন্ধ্যায়, চায়ের কাপেরা অনেক বেশিই ব্যাস্ত ছিলো
হাতে-হাতে
ঠোঁটে-ঠোঁটে
স্পর্শে এবং অবহেলায়।
বহমান নদী, পথভুলে, নাগরিক যানজটে হারিয়েছিলো
জীবনের অনেকটা গান।
টেলিভিশনের রঙচঙে পর্দায়,
মুখোশের আড়ালে, শত শত চোখ, লোলুপ তাকিয়েছিলো
রেশমী কিংখাবে ছড়ানো ছিটানো তারাদের দিকে।
রাত নেমে আসে শহরের শরীরে
নদীর ভেজা বাতাসে
কুয়াশা ছোঁয়া নিঃশ্বাসে এবং প্রশ্বাসেও।
ক্লান্ত আমি,
অন্ধকারের রেশম রেশম আবেশে ভিজিয়ে নেই দু'টি পা।
অধরা
কিন্নর পাখির দেশে, উত্তর-পশ্চিম অবশেষে
কোথা আর যাবো প্রিয়তমা?
নির্লিপ্ত জল সাক্ষি
নদী-নেত্র ময়ুরাক্ষী
প্রমিত প্রেম হয়ে থাক জমা..
{(c)MNI, 18.01.12}
আত্মমগ্ন কথামালা-২
কোনো ভন্ড মানুষরে কেন যে ভন্ড বলতে পারি না, সেইটা একটা প্রবলেম। একান্ত নিজস্ব প্রবলেম। একবার বলে এইটা আমার পছন্দ না, আবার ঠিক তার পরের মিনিটেই সেই অপছন্দের জিনিস করবার স্বপক্ষে যুক্তিও মারায়। তার চোখে এইটাই জগতের সেরা যুক্তি। উদাস দৃষ্টিতে তাকাইয়া তার ভন্ডামী দেখি। আসলে উদাসী হইয়া যাওনের ভিতর মনেহয় মহান টাইপের ঝিলমিলি আছে। একেবারে রাইতের বেলা দূর থিকা বিয়াবাড়ির মরিচ বাতি গুলা দেইখা যেমন উৎসবের আমেজ আসে সেরকমই।
লোকজন যখন বুঝতে ভুল করে, সেইটা বড়ই পেইনদায়ী। ফল? বিটকেলে টেস্টের কোনো একটা হইবো, যেইটা আমার ভাল্লাগেনা। যেরম- এলাচ কিংবা কাঁচা পিয়াজ কাঁচা রসুনের মিক্সড একটা ফ্লেভার আর টেস্ট।
খুব কইরা চেষ্টা করতেছি একটা জিনিস খুঁজার, কিন্তু সবদিকেই কংক্রীটের দেয়ালে মাথা ঠুইকা যাইতেছে। নগরায়নের কুফল আর কি। তারপরেও চেষ্টা জারি রাখতেছি। দেখি কি হয়।
খুব শীগ্রই লিখবো
প্রিয় বন্ধুরা অনেকদিন পর বাসায় বসে লিখতে পারছি। কোন কিছুই যেন সহজে পাওয়া আমার জন্য নয়। জীবনের সাথে সবকিছু মিলিয়ে ঝিলিযে দেখেছি। ভাই প্রমাণিত। জানিনা কেমন করে যে কি হয়ে গেল। এখন বোধহয় প্রতিদিনই আপনাদের সঙ্গে কথা বলতে পারবো । বন্ধুরা মনে হচ্ছে খুশির চোটে ধিন ধিন করে নাচি। কি যে ভালো লাগছে। আহা! কি শান্তি।
ভালো আছেন এই মধ্যরাত্রিতে। আশা করি সকলে ভালোই আছেন। ভালো থাকুন এই প্রত্যাশা রইলো। খুব শীগ্রই লিখবো।
আউট অফ দ্য বক্স
পৃথিবীর কতোজন গহ্বর খুলে চলে গেছে অনাহারে?
কতোজন ধুলোবালি হলো বলিহারী রক্তস্রোতে
এমনো অনেকে ভেসে যায় লবনাক্ত ঢেউ ঢেউ জোছনায়
সমুদ্র যাদের ফিরিয়ে দিয়েছে আবার লোকালয়ে।
কোনো ভোরে চমকালো একজন চতুর্দশী, মৃত্যুময়
ব্যর্থতায় কুকড়ে যাওয়া যুবকের অলস চাহনী দেখে,
যার চোখ নেভে নাই মরনের আগে, অথবা জলের
ভেতরেই চন্দ্রালোক ভেঙে যায়, ভেঙে যায় নীরবতা
আর চাঁদের রূপালী শরীর কেমন রেশম কোমল দোলে।
মৃত্যুর ঠিকানা লিখে রেখে স্টিকি নোটে, কানা ভোরে
সবুজ ঘাসের গায়ে পদছাপ আঁক তুলে হেটে গেছে
যে তরুণ, তার দেহের প্রতিটি ভাঁজে কেমন অপার
ঘ্রাণ ছেয়ে থাকে, ভালোবেসে ঘ্রাণ অনায়াসে চেনা যায়।
আমি ঠিক প্রতিরাতে এমন মৃত্যুর আবেশ টের পেলে
হাতটাকে কাছে এনে দেখি...খানিক্ষণ আগে মৃত্যু
এইখানে ছুঁয়ে গেছে। সমনের কপিখানা পৌছে গেলো
তবে...ফুরিয়েছে বছরের গুণিতক, মাসের গণিত
শুরু হলো আজ থেকে; দিনের গণিত প্রত্যাশায় এলে
হে আল্লাহ, তুমি এত নিষ্ঠুর কেনো ?
আমরা ৬ ভাই বোন। সবার বড় ভাইয়া, তারপর আপা, আমি, আমার ছোট দুই ভাই, সব ছোট এক বোন। সবাই এখন ঢাকায় পরবাসী। আপার ৩ ছেলে। বড়টির নাম তূর্য। এবার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ শেষ করলো। অনার্স, মাস্টার্স দুটোতেই প্রথম শ্রেণী পেয়েছে। গত মাসে একটা প্রাইভেট কোম্পানিতে জয়েন করেছে। আপা চাকুরী করেন অগ্রণী ব্যাংকে। দুলাভাই একমি ল্যাবরেটরিতে। আপার মেজো ছেলে প্রত্যয়। আমরা ডাকি প্রত্যু বলে। দারুন ব্রিলিয়েন্ট ছেলে। বড়টার চেয়েও বেশি। এসএসসি আর এইচএসসিতে গোল্ডেন এ পেয়েছে। ওর বড় স্বপ্ন ছিলো বুয়েটে পড়বে। এইচএসসিতে গোল্ডেন এ পাওয়া স্বত্বেও কোন্ একটা বিষয়ে মাত্র ৩ নম্বর কম পাওয়ায় বুয়েটে পরীক্ষা দিতেই পারলোনা। খুব মন খারাপ হলো- প্রত্যুর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আর জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয় দুইটাতেই পরীক্ষা দিলো। চান্স পেলো দুটাতেই ভর্তি হবার। মাকে বললো, ঢাকাতে নয় আমি ভর্তি হবো জাহাঙ্গীর নগর বিশাববিদ্যালয়ে। আই.টি