ইউজার লগইন
ব্লগ
হায় আমাদের চৈতন্যের দীনতা
বাংলাদেশে যুদ্ধাহত নারীদের বিষয়টি কোনো আলোচনায় উত্থাপিত হলে তাদের প্রতি শাররীক আগ্রাসনের বিষয়টির পুরুষতান্ত্রিক আহাজারি শুরু হয়, আজ একটি আলোচনা সভায় নাসির উদ্দীন ইউসুফ বেশ আবেগমথিত ভাষায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছিলেন, বিষয়টির পুরুষতান্ত্রিকতা ক্ষণে ক্ষণে বিব্রত করছিলো।
তিনি যখন বিবৃত করেন সম্ভ্রমহানির যন্ত্রনাটুকু প্রতিদিন একজন যুদ্ধবিক্ষত নারীকে মৃত্যুর আস্বাদ দেয় তখন তার পেছনে একজন পুরুষের উদ্যত থাবা দৃশ্যমান থাকে যে থাবায় নারীর সতীত্বের প্রতি সম্মান ও সম্ভ্রম বিদ্যমান। তার বক্তব্যে প্রকাশিত হয় যুদ্ধবিক্ষত নারীর গ্লানিবোধ করবার প্রয়োজন আছে। এ বিষয়টি হারানোর শোক-সন্তাপ এবং হাহাকার তার পুরুষতান্ত্রিক মানসকে তৃপ্ত করে হয়তো।
টুকটুক গল্প-৮
যেইদিন থেকে একা থাকা শুরু সেইদিন থেকেই আমার এই বাসস্থানে আমার ছড়িয়ে ছিটিয়ে অগোছালোভাবে বসবাস । দিনশেষে, সবকাজ শেষে এখানেই আমি ফিরে আসি। এটা আমার ঘর নয়, বাসস্থান।কর্তব্যের খাতিরে, প্রয়োজনে, সুবিধা-অসুবিধায় বাসস্থান বদলায় মানুষ। একদিন আমিও আমাদের ছোট্র বাড়ীটা ছেড়ে এসেছিলাম ইট কাঠের এই মমতাহীন শহরে। কিন্তু আমার সেই বাড়িতে আমি আজীবন বারবার ফিরে যেতে পারব, সেটা আমারই। তাই হয়ত খুব বেশী কষ্ট হয়নি।বাবার সাথে খন কোয়ার্টারে থাকতাম , সেখানে থাকতে থাকতে সবাই পরিচিত হয়ে উঠেছিলো, সমবয়সীদের সাথে বন্ধুত্বও হলো। বাবার চাকরী শেষে যখন চলে আসলাম তখন কষ্ট হয়েছে বলে মনে পড়ে না। আমার এই একা থাকার জায়গা ছেড়ে যখন অন্য কোথাও যাব এই জায়গাটাতে আমার মন পড়ে থাকবে।এখানকার সবকিছু আমি চিনি, জানি। ঘুটঘুটে অন্ধকারেও কোথায় কি আছে প্রতিটা জিনিস খুঁজে পাব, প্রতিটা সিঁড়ি, চলার পথ সবকিছুই প্রতিটা ইন্দ্রিয় সেট করে নিয়েছে।। যখন ভ
দাম্পত্য
নারী এবং পুরুষের পারস্পরিক যৌনাকর্ষণের বিষয়ে অনেক বেশী সচেতন ধর্ম। ধর্ম যেহেতু সামাজিক স্থিরতার লক্ষ্যে বিভিন্ন সামাজিক অনুশাসন তৈরি করে সুতরাং ধর্ম যৌনাচার বিধি তৈরি করে দিয়েছে, একই সাথে কিছুটা খোলা জানালাও তৈরি করেছে। ধর্ম নিয়মতান্ত্রিক ভাবে বহুগামীতার ক্ষেত্র তৈরি করেছিলো একটা সময়, উপমহাদেশের পৌরাণিক ইতিহাসের ভিত্তি হিসেবে রামায়ন মহাভারতের কথা বিবেচনা করলে দেখা যাবে সেখানেও এক একজন নৃপতি সাহসী পুরুষের একাধিক প্রনয়ী, স্ত্রী বিদ্যমান, তাদের ভেতরে মেয়েলী ক্ষমতার সংঘাত বিদ্যমান। প্রয়োজনে তারা মিত্রের বাসায় গিয়ে সুন্দরী দাসীর সাথেও শাররীক চাহিদা পুরণ করছে। তেমন যৌনতা বিষয়ক বাধ্যবাধকতা সেখানে নেই।
শিশুর আত্মবিশ্বাস বাড়াতে অতি উৎসাহ নয়, প্রয়োজন সঠিক অভিভাবকত্ব
মেরুদণ্ডহীন মানুষ নাকি কীটের সমান। তাই মেরুদণ্ডটা সোজা থাকা সবার জন্য জরুরি। এখন প্রশ্ন হল, মেরুদণ্ড কখন সোজা থাকে? যখন নাকি মানুষের ভেতর থাকে, আত্ম-বিশ্বাস এবং আত্মমর্যাদা বোধ। এটা আক্ষরিক অর্থেই সত্যি যে, আত্ম-বিশ্বাস বা আত্মমর্যাদা
(একজন মানুষকে সমাজে মানুষ হিসেবে, সুস্থ ও সুন্দরভাবে বাঁচতে শেখায় এবং আত্ম-বিশ্বাস বা আত্মমর্যাদা(একজন মানুষের সাফল্যের মূল চাবি-কাঠি।
আত্ম-বিশ্বাস / আত্মমর্যাদাকে, মনোবিজ্ঞানীরা শিশুর সারা জীবনের মানসিক স্বাস্থ্য বা সুখী থাকার পাসপোর্ট হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
পুরুষ ভাবনা এবং নারী
আমার একজন বন্ধু তার কিছু ভাবনা ফে বু তে শেয়ার করে। তার ভাবনা গুলো নিন্ম রূপ যার শিরোনাম ছিল “Thoughts from Man's heart ( পুরুষের মন প্রসূত ভাবনা)”।
When we are born, our mothers get the compliments and the flowers.
(সন্তান জন্ম গ্রহণ করার পর মায়েরাই সব শুভেচ্ছা আর ফুল পায়)
When we are married, our brides get the presents and the publicity.
(বিয়ের সময় বধূরাই সব উপহার আর প্রচারণা লাভ করে)
When we die, our widows get the life insurance.
( আমাদের মৃত্যুর পর জীবন বীমার মালিক হোম স্বামী প্রয়াত নারীরা)
সর্বশেষে তার প্রশ্ন-
What do women want to be liberated from?
(নারীরা এর কোনটি থেকে মুক্তি চায়?)
দাঁড়াই জলের অতলে
আকাশের নৃত্য; নৃত্যময় আকাশে নিত্য নতুন খবর আসে
জলদকণা সিঞ্চিত ও সঞ্চিত।
বারতা পাঠিয়েছে মেঘ জীবন থাকুক আমার সোল্লাসে
ঘ্রাণে মত্ত মাতাল মৌতাতে
পূর্ণিমা রাত সশব্দে থমকে
হাইহিল স্কার্টে নগ্ন উঠে উথলে সজীব কৈশোর কোলাহল
ওদিকে দাঁড়ায় এক মসলিন চাতক পাতক ইশারায়
বুকের কিনারায় সরু সরু মাস্তুল শাবল খর চালায়
রৌদ্র আকাশে ঝিরিঝিরি হাওয়া মৃদু বহে দু'কূল
ছন্দহারা বণিক কি নেবে বাকিতে তার ভুল?
আদিগন্ত আমি ছুটি মাঠে জোনাকি জ্বলানো পথে
অন্ধ আর্তনাদ ভাসাই প্লাবনে আঁধার মধ্যাহ্নের দেহে
প্রাণান্ত বাঁচতে দিই লম্ফ আরো গভীরে খাই খাবি
ডুবে মরা জলে দেখা মেলে আলোর অতলে দাঁড়াই আসি।
যাপিত জীবনের গল্প-২(স্বার্থপরতা)
মাঝে মাঝে নিজেকে খুব স্বার্থপর মনে হয়। তখন নিজের কাছেই খুব লজ্জা লাগে। মনে হতে থাকে কেন আমি এত স্বার্থপর। অথচ এই ভাবনা নিয়েই আমি বেড়ে উঠছি। একটু ও শোধরাতে পেরেছি বলে মনে হয়না ।
মুরুব্বীদের মুখে একটা কথা অনেক শুনেছি , সেটা হল
যার হয়না নয় এ তার হয়না ৯০ তে
। আমার ৯ বছর পেরিয়ে গেছে অনেক আগেই। অতএব মনে হচ্ছে ৯০ পর্যন্ত আর হবেনা। তাই খুব করে চাইছি যাতে ৯১ বছর বাঁচি! তাতেও যদি পরিবর্তন হই।
নিজেকে সবচেয়ে স্বার্থপর মনে হয় যখন কারো ভালো একটা গল্প লেখা পড়ি। অথবা কারো ভালো একটা পোস্ট পড়ি।
দেখা গেলো শরৎ এর কোনো উপন্যাস পড়ে খুব ভালো লাগলো। তখন মনে হয় ইসশ! আমি যদি এমন একটা লেখা লিখতে পারতাম। আমি একটু শরৎভক্ত কিনা তাই শরৎ এর কথাই আগে বললাম। এটাও তো এক ধরনের স্বার্থপরতা! কেনো শরৎ আগে লিখতে হবে?
পরকীয়া
একটা সময়ে চলচিত্রে পরকীয়া প্রমের চরম আগ্রাসন ছিলো, বিবাহিত নায়কের সুন্দরী প্রেয়সী, বিবাহিত নায়ক আর সুন্দরী প্রেয়সীর রোমান্টিক আলোচনা, বৌয়ের সন্দেহ আর নায়কের আশ্বাস, আবেগ উথলে পরা গান, শেষ দৃশ্যে ভিলেনের হাত থেকে নায়ককে বাঁচাতে গিয়ে প্রেয়সীর মৃত্যু, অপরাধবোধে দগ্ধ হওয়া বৌয়ের আরও কিছু আবেগী সংলাপ, বিবাহিত প্রেমের প্রতি অটল আস্থা, সুন্দরী প্রেয়সী ছেড়ে চলে যেতেও পারে কিন্তু পতিব্রতা স্ত্রী কখনও স্বামীর দুর্দিনে স্বামীর সঙ্গ ত্যাগ করে না, বিভিন্ন রমকের ভাবনা উস্কে দেওয়া চলচিত্রগুলো এখন অতীত।
চলমান থ্রেডের একটি বিচ্ছিন্ন অংশ- ১৬
ভেতরে যখন রক্তক্ষরণ চলে
অশ্রু কি তখন সে রঙ ধারণ করতে পারে?
যখন খুঁজে পাই না একটাও মোবাইল নাম্বার
তখন ঠোঁট কামড়ে নিজেকে সামলাই,
কখনো হতাশ, কখনো শূন্য
মনের অনুভূতি রাখার কোটরে
সাজিয়ে রেখে পুরোনো স্মৃতিগুলো,
আবেগশূন্যতার দাবি জানাই।
আর দিনশেষে খুঁজে ফিরি
মোবাইলের ফোনবুকে কোনো
এক পরিচিত নাম্বার।
এইতো এইভাবে কেটে যায়
এইসব দিন। শুধু রাতগুলো কাটে না।
গল্প : কোয়ান্দ এল এতে সিউল
রাত্রি দ্বিপ্রহর। পাশের ঘরে ঘুমিয়ে আছে আমার স্ত্রী, নীলা। ও ঘুমের সময় নৈঃশব্দ চায়। নাহলে ঘুমুতে পারে না। যে কারণে আমি কখনো শোবার ঘরে বসে অফিসের কাজ করি না। অবশ্য এমনিও রাতে আমার তেমন কোনো কাজ করা হয় না। কাজের বাহানায় নিজের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটানো হয় বড়জোর। হয়তো প্রথমে মিনিট পাচেঁক বা কোনো কোনো দিন আরেকটু বেশি সময় ওয়ার্ড আর এক্সেলে ডেটাশীট তৈরি করি। তখন কী-বোর্ডে একটু খুটুর-খাটুর শব্দ হয়। এরপরে ‘ধ্যূৎ কালকেরটা কালকে দেখা যাবে’ বলে একটা শ্রাগ করে ফাইলগুলো বন্ধ করে দিই। রাতের সুনসান ভাবটা আমার কাছেও বেশ প্রিয়। তবে আমি সেটা ঘুমিয়ে উপভোগের পক্ষপাতি নই। অবশ্য আমার একটা সুবিধে আছে। সকালে অফিসে যেতে হয় না। যদি সেটা করা লাগতো, তাহলে আমিও হয়তো দ্রুত ঘুমিয়ে পড়ায় অভ্যস্ত হয়ে যেতাম।
দিননামা...
আজকে বাসায় ফেরার সময় পরিচয় ঘটলো লোকটার সাথে। জগদ্দুনিয়ার উপর মহা বিলা খাওয়া। বাসের ভাড়া, তেলের দাম, মোহাম্মদপুর-শ্যামলী এলাকার বাসের টিকিট সিস্টেম তুইলা দেওয়া, বড়লোকদের ট্যাক্স ফাকি দেওয়ার অভ্যাস ব্লা ব্লা ব্লা। লোকটার দাবী অনুযায়ী তার বয়স ৬২। যদিও আধো অন্ধকারে তার গলার ত্বকে রিংকেল খুঁজতে অপারগ হইলাম আমি। আলোতে গেলে কিছু দেখা যাইতো হয়তো। তার পরনের ব্লেজারটা শাব্দিক অর্থেই ব্লেজার। পুরানা স্যুটের কোট না পইরা এই বয়সেও তার স্টাইল সচেতনতা ইন্টারেস্টিং; চশমার বাইফোকালবাহী অক্সিডাইজ্ড ফ্রেইমটা হয়তো বাজারের সবচে দামী উদাহরণ নয় কিন্তু রুচিশীলতায় এই বয়সের মানে মুক্তিযুদ্ধের সময় ২২ বছরের যুবকের জন্য বেশ আইডেন্টিফাইড। শুদ্ধ প্রমিত উচ্চারনের শব্দচয়নে রাজশাহীর হালকা টানটারে আমার চাঁদের কলঙ্কের মতোন লাগলো।
জোনাকীর অভিমানে পুড়ে যাওয়া গন্ধরাজ
*
ওয়ালেট ভর্তি অস্থিরতা নিয়ে ঘুরে বেড়ানো এদিক ওদিক
মাঝে মাঝে ছড়িয়ে রাখা টেবিলের বার্ণিশড সমতলে
অস্থিরতা বিলাস পালিত হলো আজ সারাদিন ধরে।
উইন্ডশীল্ড জুড়ে সারাক্ষণ ছবি এঁকে চলেছে
রাগী রাগী চেহারার বৃষ্টি সাপের দল।
উল্লিখিত উপাত্তটি সবার জন্য উন্মুক্ত নয়
সাইনবোর্ড নিয়ে মোড়ে মোড়ে দাঁড়িয়ে পুলিশ এবং ওরা। তাই,
উড়ে গেছে পরিযায়ী বালিহাঁস
ঠোঁটে মেখে নিয়ে ধুলোবালি আর সবুজের গান।
সযত্নে সাজিয়ে রাখি ভঙ্গুর সময়ের ঘ্রাণ
আর, জোনাকীর অভিমানে পুড়ে যাওয়া একটা গন্ধরাজের ঝোপ।
" বড় শকুন এখন খাঁচায়" ধন্যবাদ এই সরকারকে, বাংলাদেশীদের মান ফিরিয়ে দেওয়ার জন্যে
বয়েস আমার ত্রিশ পাড় হয়েছে বছর তিনেক আগে, তাই বলতে পারছি না চল্লিশ বছর আগে থেকে অপেক্ষায় আছি। বয়েস যখন আট কি দশ, তখন একটা ছবি দেখতাম প্রায় সময়ই, প্রথম দেখতান সাদা কালো পোস্টারে, তারপর কিছুদিন পরে কালো আর লাল। ছবিটা ছিলো হাতে আঁকা। আমার দেখা আমার এই ত্রিশোর্ধ জীবনে সবচেয়ে সহজ, দারুন হাতে আঁকা, ভয়ংকর এক হায়েনার ছবি। পাঁচ আঙ্গুলের একটা হাত ছিল যাতে ছিল হায়েনার নখর। আধ হাত জিব দেখে মনে হতো এই বুঝি কারো রক্ত খেয়ে এলো,মুখের দুপাশে দুটু বড় বড় দাঁত যার থেকে রক্ত ঝরছে । চোখে ছিল মোটা ফ্রেমের চশমা। মাথায় কালো টুপি তাতে চাঁদ তারা। প্রথম বয়সে মনে হতো কোন এক দানবের ছবি, ভয় পেতাম বেশ। কিন্তু আরেকটু বড় হয়ে বুঝলাম এই দানবতো ইহজগতে বিদ্যমান। নাম জানলাম গোলাম আযম। আস্তে আস্তে তার দানবীয় কির্তিকলাপের সাথে পরিচিত হতে থাকলাম কিছু বই পড়ে আর মায়ের কাছে শুনে। প্রথম বয়সে ওই ছবি দেখে পাওয়া
আজকের দিনটির জন্যই তো অপেক্ষা করে আছি

গোলাম আযম কারাগারে। বয়সের দোহাই দিয়ে গ্রেপ্তার এড়াতে চেয়েছিল। অথচ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের যুদ্ধাপরাধীদের খুজে বের করে ৯০ বছর বয়সে জেলে নেওয়ার উদাহরণ রয়েছে। মিশরের হোসনি মোবারকের বয়স ৯০, বিচার হচ্ছে। গোলাম আযমের কিছু কুর্কীর্তির বিবরণ দিয়ে আজকের দিনটি স্মরণীয় রাখতেই এই পোস্ট।
১.
১৯৯২ সালের গণআদালতে গোলাম আযমের বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপন করেছিলেন অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। আত্মজীবনীতে তিনি সেই অভিযোগপত্রটি উল্লেখ করেছেন। ২০০৮ সালে এটি প্রথম আলোতে ছাপা হয়েছিল। ব্লগার তানভীরের ব্লগেও এটি পাওয়া যাবে।

জোনাকীর অভিমানে পুড়ে যাওয়া রজনীগন্ধা
*
ওয়ালেট ভর্তি অস্থিরতা নিয়ে ঘুরে বেড়ানো এদিক ওদিক
মাঝে মাঝে ছড়িয়ে রাখা টেবিলের বার্ণিশড সমতলে
অস্থিরতা বিলাস পালিত হলো আজ সারাদিন ধরে।
উইন্ডশীল্ড জুড়ে সারাক্ষণ ছবি এঁকে চলেছে
রাগী রাগী চেহারার বৃষ্টি সাপের দল।
উল্লিখিত উপাত্তটি সবার জন্য উন্মুক্ত নয়
সাইনবোর্ড নিয়ে মোড়ে মোড়ে দাঁড়িয়ে পুলিশ এবং ওরা। তাই,
উড়ে গেছে পরিযায়ী বালিহাঁস
ঠোঁটে মেখে নিয়ে ধুলোবালি আর সবুজের গান।
সযত্নে সাজিয়ে রাখি ভঙ্গুর সময়ের ঘ্রাণ
আর, জোনাকীর অভিমানে পুড়ে যাওয়া একটা রজনীগন্ধার ঝোপ।