ইউজার লগইন
ব্লগ
দিননামা...
আজকে বাসায় ফেরার সময় পরিচয় ঘটলো লোকটার সাথে। জগদ্দুনিয়ার উপর মহা বিলা খাওয়া। বাসের ভাড়া, তেলের দাম, মোহাম্মদপুর-শ্যামলী এলাকার বাসের টিকিট সিস্টেম তুইলা দেওয়া, বড়লোকদের ট্যাক্স ফাকি দেওয়ার অভ্যাস ব্লা ব্লা ব্লা। লোকটার দাবী অনুযায়ী তার বয়স ৬২। যদিও আধো অন্ধকারে তার গলার ত্বকে রিংকেল খুঁজতে অপারগ হইলাম আমি। আলোতে গেলে কিছু দেখা যাইতো হয়তো। তার পরনের ব্লেজারটা শাব্দিক অর্থেই ব্লেজার। পুরানা স্যুটের কোট না পইরা এই বয়সেও তার স্টাইল সচেতনতা ইন্টারেস্টিং; চশমার বাইফোকালবাহী অক্সিডাইজ্ড ফ্রেইমটা হয়তো বাজারের সবচে দামী উদাহরণ নয় কিন্তু রুচিশীলতায় এই বয়সের মানে মুক্তিযুদ্ধের সময় ২২ বছরের যুবকের জন্য বেশ আইডেন্টিফাইড। শুদ্ধ প্রমিত উচ্চারনের শব্দচয়নে রাজশাহীর হালকা টানটারে আমার চাঁদের কলঙ্কের মতোন লাগলো।
জোনাকীর অভিমানে পুড়ে যাওয়া গন্ধরাজ
*
ওয়ালেট ভর্তি অস্থিরতা নিয়ে ঘুরে বেড়ানো এদিক ওদিক
মাঝে মাঝে ছড়িয়ে রাখা টেবিলের বার্ণিশড সমতলে
অস্থিরতা বিলাস পালিত হলো আজ সারাদিন ধরে।
উইন্ডশীল্ড জুড়ে সারাক্ষণ ছবি এঁকে চলেছে
রাগী রাগী চেহারার বৃষ্টি সাপের দল।
উল্লিখিত উপাত্তটি সবার জন্য উন্মুক্ত নয়
সাইনবোর্ড নিয়ে মোড়ে মোড়ে দাঁড়িয়ে পুলিশ এবং ওরা। তাই,
উড়ে গেছে পরিযায়ী বালিহাঁস
ঠোঁটে মেখে নিয়ে ধুলোবালি আর সবুজের গান।
সযত্নে সাজিয়ে রাখি ভঙ্গুর সময়ের ঘ্রাণ
আর, জোনাকীর অভিমানে পুড়ে যাওয়া একটা গন্ধরাজের ঝোপ।
" বড় শকুন এখন খাঁচায়" ধন্যবাদ এই সরকারকে, বাংলাদেশীদের মান ফিরিয়ে দেওয়ার জন্যে
বয়েস আমার ত্রিশ পাড় হয়েছে বছর তিনেক আগে, তাই বলতে পারছি না চল্লিশ বছর আগে থেকে অপেক্ষায় আছি। বয়েস যখন আট কি দশ, তখন একটা ছবি দেখতাম প্রায় সময়ই, প্রথম দেখতান সাদা কালো পোস্টারে, তারপর কিছুদিন পরে কালো আর লাল। ছবিটা ছিলো হাতে আঁকা। আমার দেখা আমার এই ত্রিশোর্ধ জীবনে সবচেয়ে সহজ, দারুন হাতে আঁকা, ভয়ংকর এক হায়েনার ছবি। পাঁচ আঙ্গুলের একটা হাত ছিল যাতে ছিল হায়েনার নখর। আধ হাত জিব দেখে মনে হতো এই বুঝি কারো রক্ত খেয়ে এলো,মুখের দুপাশে দুটু বড় বড় দাঁত যার থেকে রক্ত ঝরছে । চোখে ছিল মোটা ফ্রেমের চশমা। মাথায় কালো টুপি তাতে চাঁদ তারা। প্রথম বয়সে মনে হতো কোন এক দানবের ছবি, ভয় পেতাম বেশ। কিন্তু আরেকটু বড় হয়ে বুঝলাম এই দানবতো ইহজগতে বিদ্যমান। নাম জানলাম গোলাম আযম। আস্তে আস্তে তার দানবীয় কির্তিকলাপের সাথে পরিচিত হতে থাকলাম কিছু বই পড়ে আর মায়ের কাছে শুনে। প্রথম বয়সে ওই ছবি দেখে পাওয়া
আজকের দিনটির জন্যই তো অপেক্ষা করে আছি

গোলাম আযম কারাগারে। বয়সের দোহাই দিয়ে গ্রেপ্তার এড়াতে চেয়েছিল। অথচ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের যুদ্ধাপরাধীদের খুজে বের করে ৯০ বছর বয়সে জেলে নেওয়ার উদাহরণ রয়েছে। মিশরের হোসনি মোবারকের বয়স ৯০, বিচার হচ্ছে। গোলাম আযমের কিছু কুর্কীর্তির বিবরণ দিয়ে আজকের দিনটি স্মরণীয় রাখতেই এই পোস্ট।
১.
১৯৯২ সালের গণআদালতে গোলাম আযমের বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপন করেছিলেন অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। আত্মজীবনীতে তিনি সেই অভিযোগপত্রটি উল্লেখ করেছেন। ২০০৮ সালে এটি প্রথম আলোতে ছাপা হয়েছিল। ব্লগার তানভীরের ব্লগেও এটি পাওয়া যাবে।

জোনাকীর অভিমানে পুড়ে যাওয়া রজনীগন্ধা
*
ওয়ালেট ভর্তি অস্থিরতা নিয়ে ঘুরে বেড়ানো এদিক ওদিক
মাঝে মাঝে ছড়িয়ে রাখা টেবিলের বার্ণিশড সমতলে
অস্থিরতা বিলাস পালিত হলো আজ সারাদিন ধরে।
উইন্ডশীল্ড জুড়ে সারাক্ষণ ছবি এঁকে চলেছে
রাগী রাগী চেহারার বৃষ্টি সাপের দল।
উল্লিখিত উপাত্তটি সবার জন্য উন্মুক্ত নয়
সাইনবোর্ড নিয়ে মোড়ে মোড়ে দাঁড়িয়ে পুলিশ এবং ওরা। তাই,
উড়ে গেছে পরিযায়ী বালিহাঁস
ঠোঁটে মেখে নিয়ে ধুলোবালি আর সবুজের গান।
সযত্নে সাজিয়ে রাখি ভঙ্গুর সময়ের ঘ্রাণ
আর, জোনাকীর অভিমানে পুড়ে যাওয়া একটা রজনীগন্ধার ঝোপ।
শাড়ী
মাঝে মাঝে একটা দৃশ্যেই আটকে যায় জীবন, একই দৃশ্যের পুনরাবৃত্তি ঘটতে থাকে কল্পনায়, ইদানিং একটা শিশুর চোখে জলন্ত আগুণের প্রতিবিম্ব দেখি, সে আগুণে পুড়ে যাচ্ছে একটা পুতুল, আর আকাশ অন্ধকার করে নামছে বৃষ্টি, আগুণের আঁচ মরে যাওয়া রান্না ঘরের পাশ থেকে শিশুটা সন্তর্পনে ঢুকছে সেখানে, ভেঙে যাওয়া মাটির সানকির নীচে আধবলগ দেওয়া ভাত পরে আছে, কয়েকটা মুরগিছানা আর শিশুটা খুঁটে খাচ্ছে সে ভাত।
কোনো শিরোনামই মাথায় নেই।
অনেকদিন ধরেই ভাবছি কিছু লিখবো । কিন্তু লিখা হয়ে উঠেনা।
অভাবটা সময়ের নয়। অভাবটা মগজের!!!
কি নিয়ে লিখবো?
লিখার বিষয় যে নেই তাও নয়। কিন্তু বঙ্কিম এর মতে কোনো লেখাতে যে অর্থব্যক্তি ও প্রাঞ্জলতা থাকতে হয়। আমার লেখাগুলো তার ধারে কাছ দিয়েও যায়না। না থাকে অর্থব্যক্তি না থাকে প্রাঞ্জলতা । তারপরেও হাত লিখার জন্য নিশপিশ করে। মগজের কোষে কোষে ঘুরে বেড়ায় হাজারো ভাবনা। লিখতে বসলেই সব হাওয়া। মাথাটা একেবারে ফাঁকা হয়ে যায়। গোবরটুকুও পর্যন্ত থাকেনা।
আরে ভাই গোবর থাকলেও তো কিছু একটা দাড় করানো যেতো। নিজের যখন এই অবস্থা তখন আর কি করা। বসে বসে অন্যের লেখা পরে নিজেকে ধইন্য করার চেষ্টা করি।
কে বেশি ছাড় দেয়?
আমি মনে করি ছাড় দেয়ার ৰেত্রে নারীর চেয়ে পুরম্নষরাই এগিয়ে। যদিও পুরম্নষরা মায়া-মমতায় নারীর চেয়ে পিছিয়ে। নারী মমতাময়ী হলেও ছাড় দেয় কম।
বিয়ের ব্যাপারে নারীর চেয়ে পুরম্নষরাই ছাড় দেয় বেশি। যেমন_ একজন পুরম্নষ যোগ্যতাসম্পন্ন হয়েও একজন কম শিৰিত বেকার মেয়েকে বিয়ে করে তার ভরন পোষণ করতে পারে। কিন্তু নারীরা তা পারেনা। তারা বিয়ের সময় অবশ্যই যোগ্যতাসম্পন্ন ভালো পয়সাওয়ালা দেখে মত দেয়। বিয়ের পর স্বামীকে অবশ্যই উপাজর্ন করতে হবে। কিন্তু নারীর তা না করলেও চলে। আজ পর্যনত্ম যোগ্যতাসম্পন্ন কোনো নারীকে বলতে শুনি নাই যে তার স্বামী বেকার হলেই চলবে এবং তার চেয়ে কম শিৰিত হলেই হবে। অথবা সে অঢেল টাকা না হলেও চলবে। অথবা কোনো নারী কখনো তার স্বামীর ভরন পোষনের দায়িত্ব নিয়ে বিয়ে করেনি। অথচ পুরম্নষরা ঠিকই তা করে।
টেস্ট পোস্ট
এখনো ভোর হয় / শিশির ঝড়ায় রাত্রি / পাখিরা গায় গান / দিন শেষে রাত আসে
কিন্তু আমার আর গ্রামে যাওয়া হয় না। অনেকগুলো হাতের মাঝে অন্যতম হাত হলো অজুহাত। যে কোন কারনে পই পই করে আমরা এই হাতের সদ্বব্যবহার করি... করতে হয়। শিশির ভেজা ঘাসের উপর দিয়ে নগ্ন পায়ে হাটা হয় না... নগ্ন পায়ে আমার প্রভাত ফেরী করা হয় না। সারা রাত জেগে শহীদ মিনারকে সাজানো হয় না। যান্ত্রিকতায় বাসবাসে যন্ত্র হয়ে যাওয়ায় যন্ত্রের যত দোষ। আমি সুফি মানুষ... বাইতুল মোকাররমের খতিব। আমার কোন দোষ নাই।
সৃজনশীল
আমার আজকের পোস্টের নাম সৃজনশীল । অর্থাৎ বাংলাদেশের শিক্ষাবোর্ডের সৃজনশীল পদ্ধতির প্রস্তুতি আমার পরিবারে। হঠাৎ করেই খবর দিল প্রথম শ্রেনীতে পড়ুয়া আমার ছোটটা স্কুল থেকে এসে --মা ছোনো না মিস্ বলেছে আমাডের নাকি ২০ পয়ছা ছিজন করে পরীক্ষা হবে।

বার বার জিজ্ঞাসা করেও কিছুই বুঝলাম না। ডাইরী আতিপাতি করে খুঁজ়েও কিছু পেলাম না। আমি আবার সেই মা যে ভুলেও বাচ্চার স্কুলের গেটের ভিতরে প্রবেশ করতে চাই না । ছেলের মুখে এই কথা শুনে মনে হল এবারে আর রক্ষা নেই টিচারের কাছে যেতেই হবে।
মেজটা ক্লাশ ফোরে। সে বলল, তাদের টিচার বলেছে প্রতিটি সাব্জেক্টের ২০% আমাদের সৃজনশীল হবে ।
বুঝলাম ছেলেও আমাকে এই কথাই বলেছে। ওকে সৃজনশীল পদ্ধতিতে পড়াতে শুরু করলাম।
ড্রাফ্ট
অল্প কিছুদিন হলো ভিনদেশে আছি। দেশে ফিরেও যাবো কয়েক মাসের মধ্যে। দেশে থাকতে ঐ শ্রেনীর প্রানী ছিলাম যাদেরকে আম্মারা একদম মুখে তুলে খাইয়ে দেন। এমনিতে আমাদের সব ভাইবোনকে দেখলেই বুঝা যায় আমরা 'খানে-পিনে' ঘরের মানুষ। ছোটকালে সবার মাঝে আমি অবশ্য সবার থেকে কিঞ্ছিত দুর্বল ছিলাম। সে কারনে আম্মা আমাকে খাওয়ার ক্ষেত্রে অন্যদের চেয়ে স্পেশাল ট্রিটমেন্ট দিতেন। এখন অন্য ভাইবোনদের সাথে তাল মিলিয়ে আমারো স্বাস্থ্য মাশাল্লাহ
তার আদলে মন খেলে
রান লোলা রান (১৯৯৮) দেখলাম। মুভিটা দেখতে বলেছিলেন আহাদ স্যার। বেশ ক'বছর আগে। এতদিন সুযোগ হয় নি। আজ হলো। আমার প্রিয় স্যার আজকের এই ক্ষণে, কেমন আছেন জানি না। ঘুমিয়ে থাকার কথা। কিন্তু তাঁর ছাত্র আমি এখন, নির্বাক মুগ্ধ হয়ে মনিটরের সামনে বসে আছি। মুভিটা দেখে।
এইটা টম টাইকারের আরেকটা মাস্টার-পিস্। এক সিনেমা ব্যাটা তিনবার দেখায়ে ছাড়ে। ২০ মিনিটের মধ্যে এক লাখ ডয়েশ মার্ক নিয়ে বয়ফ্রেন্ডের কাছে পৌঁছুতে হবে লোলাকে। নাহলে ঘটে যাবে বিরাট অঘটন। বয়ফ্রেন্ড হয়তো কোনো শপিং মল লুটপাট শুরু করে দিতে পারে, যার পরিণতি আসলে নির্মম হতেই বাধ্য। কারণ উন্নত বিশ্বের আইন-শৃংখলায় আছে বিপুল কড়াকড়ি।
মা
তীব্র মাঘের যন্ত্রণা তবু ভালবাসার ওম
সাদা পালক ছুঁয়ে গেছে
আমার জন্মলগ্নে? নাকি জন্ম জন্মান্তরের
সাদা বালিহাঁস ছিলে মা?
তোমার সদ্য কৈশোর পেরুনো দুহাতে
ছোট্ট এ হাত ছুঁয়ে ছিলে তুমি?
পিদিমের আলোয় কেঁপেছিলে তুমি?
মনে নেই মা
কিছূই মনে নেই। ।
সাদা মোমবাতি, সাদা তুলো, খুব সাদা ভিজে ন্যাতা
অসংবৃত রাত্রিতে প্রথম আলো-
ছোট্ট হৃদপিন্ড দেখে কেঁদেছিলে তুমি?
নারীর বন্ধন ব্যাথায় হেসেছিলে তুমি?
মনে নেই মা
কিছূই মনে নেই ।
আজ আরো একবার
তোমার আঁচলে খুঁজে পেতে চাই
সাদা পালকের ওম
তোমার পাঁজর ছুঁয়ে হতে চাই
স্রোতস্বিণী ফেনীল চিৎকার। ।।
বৃষ্টিপাপ অথবা দৃষ্টিপাপ
*
উত্তুরে বাতাসে বৃষ্টিক্ষত ছড়িয়ে যায় ক্যান্সারের দ্রুততায়
টুপ টাপ টুপ টাপ টুপ
জলেদের ছন্দপতন জমা হয় নাগরিক পাপোষে।
অস্থির সন্ধ্যা, মুখ গুঁজে দেয় রাতের কনুইয়ের ভাঁজে
কপাল জুড়ে আলো ছড়াতে থাকা চাঁদের টিপটা বার বার ঢেকে যায়
মেঘেদের এলোচুলে।
বৃষ্টিপাপ অথবা দৃষ্টিপাপ আটকা পড়ে যায়
ছড়ানো ছিটানো স্পাইডার ওয়েবের শ্যেন প্রহরায়।
হাসির উচ্ছল পায়রা ওড়ে চতুর্দিকের কোলাহল সাথী করে
যেখানে কংক্রীট পথ, দু'হাত ছড়িয়ে থাকে আলিঙ্গনের আকাঙ্ক্ষায়।
অশান্ত গাড়িগুলো দ্রুতলয়ে দলে যায় পথের কোমলতা
তখন, বাড়ি ফেরার তাড়া জেগে ওঠে মহাশুন্যবাসী নক্ষত্রদের মাঝে।
রাত আর নীরবতা
রাত মানে শুনশান নীরবতা।
তবে এই শহর কখনো শিখে নাই
কিভাবে নীরব হতে হয়।
গভীরতার ভেতরে বেজে ওঠে ক্রিং ক্রিং
রিকশা চালকের সতর্কতা,
আলো আর আঁধারীর ব্যর্থ মেমোরান্ডাম।
কেউ একজন চিৎকার করে ওঠে
আজকে চাঁদের আলোয় বড্ড
অসমান চলেছে পৃথিবী।
অভিযোগে অভিযোগে রাত্তিরের নীরবতা-শুনশান নীরবতা
ভেঙে যায় মুহুর্তে মুহুর্তে। রাত গভীর হলেও
আঁধারের সাদাকালো অভ্যন্তরে
রঙীন নাচের মহড়া চলেছে।
কতো শত সেলিব্রিটি
সেই নাচে
আইটেম নাচে।
খুঁজে দেখতে চেয়ে, খুড়ে দেখতে চেয়ে
আমি কেঁচো বের করে ফেলি
অতীতের সকল গহ্বর থেকে।
এই রাতে, নীরবতা ভেঙে ভীষণ আওয়াজে
আমার রাতের ডিসকোর্সে ফাটল ধরেছে,
পিপাসায় জিহ্বা শুকিয়ে কাঠ।
রাতের আঁধারে তুমি এসে জলের গেলাস,
আমার অতীত-বর্তমান-ভবিষ্যত আর্দ্র করে দেবে
তার অপেক্ষায় থাকি...