ইউজার লগইন
ব্লগ
শাড়ী
মাঝে মাঝে একটা দৃশ্যেই আটকে যায় জীবন, একই দৃশ্যের পুনরাবৃত্তি ঘটতে থাকে কল্পনায়, ইদানিং একটা শিশুর চোখে জলন্ত আগুণের প্রতিবিম্ব দেখি, সে আগুণে পুড়ে যাচ্ছে একটা পুতুল, আর আকাশ অন্ধকার করে নামছে বৃষ্টি, আগুণের আঁচ মরে যাওয়া রান্না ঘরের পাশ থেকে শিশুটা সন্তর্পনে ঢুকছে সেখানে, ভেঙে যাওয়া মাটির সানকির নীচে আধবলগ দেওয়া ভাত পরে আছে, কয়েকটা মুরগিছানা আর শিশুটা খুঁটে খাচ্ছে সে ভাত।
কোনো শিরোনামই মাথায় নেই।
অনেকদিন ধরেই ভাবছি কিছু লিখবো । কিন্তু লিখা হয়ে উঠেনা।
অভাবটা সময়ের নয়। অভাবটা মগজের!!!
কি নিয়ে লিখবো?
লিখার বিষয় যে নেই তাও নয়। কিন্তু বঙ্কিম এর মতে কোনো লেখাতে যে অর্থব্যক্তি ও প্রাঞ্জলতা থাকতে হয়। আমার লেখাগুলো তার ধারে কাছ দিয়েও যায়না। না থাকে অর্থব্যক্তি না থাকে প্রাঞ্জলতা । তারপরেও হাত লিখার জন্য নিশপিশ করে। মগজের কোষে কোষে ঘুরে বেড়ায় হাজারো ভাবনা। লিখতে বসলেই সব হাওয়া। মাথাটা একেবারে ফাঁকা হয়ে যায়। গোবরটুকুও পর্যন্ত থাকেনা।
আরে ভাই গোবর থাকলেও তো কিছু একটা দাড় করানো যেতো। নিজের যখন এই অবস্থা তখন আর কি করা। বসে বসে অন্যের লেখা পরে নিজেকে ধইন্য করার চেষ্টা করি।
কে বেশি ছাড় দেয়?
আমি মনে করি ছাড় দেয়ার ৰেত্রে নারীর চেয়ে পুরম্নষরাই এগিয়ে। যদিও পুরম্নষরা মায়া-মমতায় নারীর চেয়ে পিছিয়ে। নারী মমতাময়ী হলেও ছাড় দেয় কম।
বিয়ের ব্যাপারে নারীর চেয়ে পুরম্নষরাই ছাড় দেয় বেশি। যেমন_ একজন পুরম্নষ যোগ্যতাসম্পন্ন হয়েও একজন কম শিৰিত বেকার মেয়েকে বিয়ে করে তার ভরন পোষণ করতে পারে। কিন্তু নারীরা তা পারেনা। তারা বিয়ের সময় অবশ্যই যোগ্যতাসম্পন্ন ভালো পয়সাওয়ালা দেখে মত দেয়। বিয়ের পর স্বামীকে অবশ্যই উপাজর্ন করতে হবে। কিন্তু নারীর তা না করলেও চলে। আজ পর্যনত্ম যোগ্যতাসম্পন্ন কোনো নারীকে বলতে শুনি নাই যে তার স্বামী বেকার হলেই চলবে এবং তার চেয়ে কম শিৰিত হলেই হবে। অথবা সে অঢেল টাকা না হলেও চলবে। অথবা কোনো নারী কখনো তার স্বামীর ভরন পোষনের দায়িত্ব নিয়ে বিয়ে করেনি। অথচ পুরম্নষরা ঠিকই তা করে।
টেস্ট পোস্ট
এখনো ভোর হয় / শিশির ঝড়ায় রাত্রি / পাখিরা গায় গান / দিন শেষে রাত আসে
কিন্তু আমার আর গ্রামে যাওয়া হয় না। অনেকগুলো হাতের মাঝে অন্যতম হাত হলো অজুহাত। যে কোন কারনে পই পই করে আমরা এই হাতের সদ্বব্যবহার করি... করতে হয়। শিশির ভেজা ঘাসের উপর দিয়ে নগ্ন পায়ে হাটা হয় না... নগ্ন পায়ে আমার প্রভাত ফেরী করা হয় না। সারা রাত জেগে শহীদ মিনারকে সাজানো হয় না। যান্ত্রিকতায় বাসবাসে যন্ত্র হয়ে যাওয়ায় যন্ত্রের যত দোষ। আমি সুফি মানুষ... বাইতুল মোকাররমের খতিব। আমার কোন দোষ নাই।
সৃজনশীল
আমার আজকের পোস্টের নাম সৃজনশীল । অর্থাৎ বাংলাদেশের শিক্ষাবোর্ডের সৃজনশীল পদ্ধতির প্রস্তুতি আমার পরিবারে। হঠাৎ করেই খবর দিল প্রথম শ্রেনীতে পড়ুয়া আমার ছোটটা স্কুল থেকে এসে --মা ছোনো না মিস্ বলেছে আমাডের নাকি ২০ পয়ছা ছিজন করে পরীক্ষা হবে।

বার বার জিজ্ঞাসা করেও কিছুই বুঝলাম না। ডাইরী আতিপাতি করে খুঁজ়েও কিছু পেলাম না। আমি আবার সেই মা যে ভুলেও বাচ্চার স্কুলের গেটের ভিতরে প্রবেশ করতে চাই না । ছেলের মুখে এই কথা শুনে মনে হল এবারে আর রক্ষা নেই টিচারের কাছে যেতেই হবে।
মেজটা ক্লাশ ফোরে। সে বলল, তাদের টিচার বলেছে প্রতিটি সাব্জেক্টের ২০% আমাদের সৃজনশীল হবে ।
বুঝলাম ছেলেও আমাকে এই কথাই বলেছে। ওকে সৃজনশীল পদ্ধতিতে পড়াতে শুরু করলাম।
ড্রাফ্ট
অল্প কিছুদিন হলো ভিনদেশে আছি। দেশে ফিরেও যাবো কয়েক মাসের মধ্যে। দেশে থাকতে ঐ শ্রেনীর প্রানী ছিলাম যাদেরকে আম্মারা একদম মুখে তুলে খাইয়ে দেন। এমনিতে আমাদের সব ভাইবোনকে দেখলেই বুঝা যায় আমরা 'খানে-পিনে' ঘরের মানুষ। ছোটকালে সবার মাঝে আমি অবশ্য সবার থেকে কিঞ্ছিত দুর্বল ছিলাম। সে কারনে আম্মা আমাকে খাওয়ার ক্ষেত্রে অন্যদের চেয়ে স্পেশাল ট্রিটমেন্ট দিতেন। এখন অন্য ভাইবোনদের সাথে তাল মিলিয়ে আমারো স্বাস্থ্য মাশাল্লাহ
তার আদলে মন খেলে
রান লোলা রান (১৯৯৮) দেখলাম। মুভিটা দেখতে বলেছিলেন আহাদ স্যার। বেশ ক'বছর আগে। এতদিন সুযোগ হয় নি। আজ হলো। আমার প্রিয় স্যার আজকের এই ক্ষণে, কেমন আছেন জানি না। ঘুমিয়ে থাকার কথা। কিন্তু তাঁর ছাত্র আমি এখন, নির্বাক মুগ্ধ হয়ে মনিটরের সামনে বসে আছি। মুভিটা দেখে।
এইটা টম টাইকারের আরেকটা মাস্টার-পিস্। এক সিনেমা ব্যাটা তিনবার দেখায়ে ছাড়ে। ২০ মিনিটের মধ্যে এক লাখ ডয়েশ মার্ক নিয়ে বয়ফ্রেন্ডের কাছে পৌঁছুতে হবে লোলাকে। নাহলে ঘটে যাবে বিরাট অঘটন। বয়ফ্রেন্ড হয়তো কোনো শপিং মল লুটপাট শুরু করে দিতে পারে, যার পরিণতি আসলে নির্মম হতেই বাধ্য। কারণ উন্নত বিশ্বের আইন-শৃংখলায় আছে বিপুল কড়াকড়ি।
মা
তীব্র মাঘের যন্ত্রণা তবু ভালবাসার ওম
সাদা পালক ছুঁয়ে গেছে
আমার জন্মলগ্নে? নাকি জন্ম জন্মান্তরের
সাদা বালিহাঁস ছিলে মা?
তোমার সদ্য কৈশোর পেরুনো দুহাতে
ছোট্ট এ হাত ছুঁয়ে ছিলে তুমি?
পিদিমের আলোয় কেঁপেছিলে তুমি?
মনে নেই মা
কিছূই মনে নেই। ।
সাদা মোমবাতি, সাদা তুলো, খুব সাদা ভিজে ন্যাতা
অসংবৃত রাত্রিতে প্রথম আলো-
ছোট্ট হৃদপিন্ড দেখে কেঁদেছিলে তুমি?
নারীর বন্ধন ব্যাথায় হেসেছিলে তুমি?
মনে নেই মা
কিছূই মনে নেই ।
আজ আরো একবার
তোমার আঁচলে খুঁজে পেতে চাই
সাদা পালকের ওম
তোমার পাঁজর ছুঁয়ে হতে চাই
স্রোতস্বিণী ফেনীল চিৎকার। ।।
বৃষ্টিপাপ অথবা দৃষ্টিপাপ
*
উত্তুরে বাতাসে বৃষ্টিক্ষত ছড়িয়ে যায় ক্যান্সারের দ্রুততায়
টুপ টাপ টুপ টাপ টুপ
জলেদের ছন্দপতন জমা হয় নাগরিক পাপোষে।
অস্থির সন্ধ্যা, মুখ গুঁজে দেয় রাতের কনুইয়ের ভাঁজে
কপাল জুড়ে আলো ছড়াতে থাকা চাঁদের টিপটা বার বার ঢেকে যায়
মেঘেদের এলোচুলে।
বৃষ্টিপাপ অথবা দৃষ্টিপাপ আটকা পড়ে যায়
ছড়ানো ছিটানো স্পাইডার ওয়েবের শ্যেন প্রহরায়।
হাসির উচ্ছল পায়রা ওড়ে চতুর্দিকের কোলাহল সাথী করে
যেখানে কংক্রীট পথ, দু'হাত ছড়িয়ে থাকে আলিঙ্গনের আকাঙ্ক্ষায়।
অশান্ত গাড়িগুলো দ্রুতলয়ে দলে যায় পথের কোমলতা
তখন, বাড়ি ফেরার তাড়া জেগে ওঠে মহাশুন্যবাসী নক্ষত্রদের মাঝে।
রাত আর নীরবতা
রাত মানে শুনশান নীরবতা।
তবে এই শহর কখনো শিখে নাই
কিভাবে নীরব হতে হয়।
গভীরতার ভেতরে বেজে ওঠে ক্রিং ক্রিং
রিকশা চালকের সতর্কতা,
আলো আর আঁধারীর ব্যর্থ মেমোরান্ডাম।
কেউ একজন চিৎকার করে ওঠে
আজকে চাঁদের আলোয় বড্ড
অসমান চলেছে পৃথিবী।
অভিযোগে অভিযোগে রাত্তিরের নীরবতা-শুনশান নীরবতা
ভেঙে যায় মুহুর্তে মুহুর্তে। রাত গভীর হলেও
আঁধারের সাদাকালো অভ্যন্তরে
রঙীন নাচের মহড়া চলেছে।
কতো শত সেলিব্রিটি
সেই নাচে
আইটেম নাচে।
খুঁজে দেখতে চেয়ে, খুড়ে দেখতে চেয়ে
আমি কেঁচো বের করে ফেলি
অতীতের সকল গহ্বর থেকে।
এই রাতে, নীরবতা ভেঙে ভীষণ আওয়াজে
আমার রাতের ডিসকোর্সে ফাটল ধরেছে,
পিপাসায় জিহ্বা শুকিয়ে কাঠ।
রাতের আঁধারে তুমি এসে জলের গেলাস,
আমার অতীত-বর্তমান-ভবিষ্যত আর্দ্র করে দেবে
তার অপেক্ষায় থাকি...
একটি গামছার আত্মপ্রকাশ
যে কোনও ব্লগে এটিই আমার প্রথম লিখা। নিক হিসেবে গামছা নামটি পছন্দ করার পেছনে ছোট একটি ঘটনা আছে। 'আইলসা' হিসেবে আমার পরিচিতি জগতবিখ্যাত(জগত বলতে এই আর কি বাবা-মা, ভাই-বোন, পাড়া-প্রতিবেশী, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব)। মা বলেন,"কত রবি জ্বলে রে'-র আইলসাগুলার থেকেও তুই আরও বেশি আইলসা"।আমার আলসেমি আর অগোছালো স্বভাবের কারনে আমার ছোট বোন ত্যক্ত-বিরক্ত। একদিন শুয়ে আছি বিছানায়, বোন এসে বলল "এতগুলা কাপড়ের উপর শুয়ে আছেন, কাপড়গুলা একটু গুছায় শুইলেও ত পারেন।" আমি বেশ ভেবে জবাব দিলাম, " আমি হইলাম বিছনায় পইড়া থাকা একটা গামছা।জীবনে দেখছস একটা গামছারে, উইঠা কাপড় গুছাইতেসে?"
চলমান থ্রেডের একটি বিচ্ছিন্ন অংশ- ১৫
আজকাল মনে হয় প্রসন্নতা কেবল
একদিনই অর্জন সম্ভব।
আর অন্য সবসময় বেঁচে থাকতে হবে
অনন্তের অনিশ্চিত ফুটপাতে ফুটপাতে।
আমি দিনমজুরের মতো শীতের সকালে ঠকঠক করে কাঁপি
আমার বন্ধ কাজের ঝাপি; নাহয় একদিন খুললামই না,
তাতে কার কি আসে যায়? নিরন্ন থাকার প্রহর বাড়ে
কেবল আমার। সামন্তদের সঙ্গে এইটুকু তফাত নিয়ে
বেঁচে আছি অকারণে। ওরা কেবল বিলাসীতাটুকু
বিনামূল্যে দেখানোর সুযোগ পায়।
ওদের ভিআইপি বক্সে বসে দেখা স্বপ্নগুলো
হয়তো কোনোদিন সত্যি হবে, অনাগত সেই
পার্থক্য হয়তো আমি আজ ধরতে পারি না, আমার
দুর্বিষহ অতীতকাল বর্তমানের স্রোতে ভেসে এগিয়ে
চলে ভবের পানে, পায়ে জড়ানো বেড়ি বারবার ফেলে
দেয়, মেঠো পথে শরীর থুবড়ায় আর আমি প্রতিদিন একবার
ঘুম থেকে উঠি।
আজকাল মনে হয় প্রসন্নতা কেবল
একদিনই অর্জন সম্ভব,
কেবল একটি মাত্র অপস্থানে
সেটি সমাহিত আছে,
আমাকেও সেখানে যেতে হবে একবার
আমার সিসিমপুর (৪)
১
আমার মায়ের কাছে তাদের ছোটবেলার অনেক গল্প শুনছি। হুজুরের কাছে মাইর খাওয়া, আম-বড়ই কুড়ানো, মাছ ধরা, এমনই বহু হল্প। আজকের কাহিনি যুগে যুগে হুজুরের কাছে পড়ার কাহিনি।
আম্মু, ওনার ভাই-বোনরা যখন ছোটবেলায় হুজুরের কাছে পড়ত, পড়া ভুল করলেই হুজুর মারতেন। হুজুরদের মোটামুটি কমন একটা ব্যাপার হলো ওনারা ছেলেমেয়েদের পড়া দেখিয়ে দিয়েই ঘুমাতে বা ঝিমাতে শুরু করেন। আর হেলেদুলে পড়তে পড়তে একসময় বাচ্চারা ভুল পড়তে শুরু করে। আর হুজুর যখন ঘুম থেকে উঠে ভুল পড়তে শুনেন তখন তিনি মারতে শুরু করেন।
শৈশব
করোতোয়া থেকে আত্রাই হয়ে দিনাজপুরে ঢুকতে না ঢুকতেই নদীটাকে আদর করে সবাই ডাকে কাঞ্চন, পোশাকী নাম পূনর্ভবা নদ, সে নদীতে শৈশবে প্রচন্ড গরমে মাঝে মাঝে দাপাদাপি করতে যেতাম। তখনও কাঞ্চনের এ পার আর ওপারের মাঝের পুরো রেল ব্রীজের নীচেই বয়ে যেতো নদী। শীতে গতরে শীর্ণতা এলে হঠাৎ করেই যুবতী থেকে চঞ্চল কিশোরী হয়ে যেতো কাঞ্চন।
সেইসব শীতের জবুথুবু বিকেলের ম্লান আলোয় বিষন্ন হলে আমি একা সেই কিশোরীর সাথে একক প্রণয়ে মেতে হেঁটে হেঁটে চলে যেতাম অনেকটা পথ। এক হাঁটু পানির ভেতরে প্যান্ট গুটিয়ে নদীর তীর ঘেঁষে হাঁটতে হাঁটতে দু চারটা গ্রাম, গ্রামের হাট ভাঙা আলো পেরিয়ে আরও দুরের কোনো ন্যাড়া মাঠের ধানের গোছায় বসে সিগারেটের ধোঁয়া আর কুয়াশার মাঝে লুকিয়ে থাকতাম কিছুক্ষণ।
হলুদ হিমু কালো র্য্যাব
- হুমায়ুন আহমেদ বাংলা দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় লেখক । ‘হিমু’ তারই সৃষ্ট তরুণ প্রজন্মের প্রিয় নায়ক । আর র্য্যাব নন্দিত/ নিন্দিত/ আলোচিত এক বাহিনী । আমি অতি সাধারন একজন মানুষ । কিন্তু হুমায়ুন আহমেদের কোটি পাঠক-প্রিয় ‘মিশির আলী’ বা ‘হিমু’ তে আমার তেমন আগ্রহ নাই । একজন হার জিরজিরে রুগ্ন বুড়ো কি এক অলীক মন্ত্র বলে দুনিয়ার তাবৎ সমস্যার জঠ ছাড়ান, অন্য জন তরুণ ভবগুরে গোছের । পকেট বিহীন হলুদ পাঞ্জাবী পরে রাত দুপুরে ঢাকার শহর চষে বেড়ান । যত সব আজগুবি চরিত্রের সাথে তার দেখা হয়ে যায় । তার উদ্ভট আচরণ, উল্টাপাল্টা কথাবার্তা, নির্লিপ্ত ভাব র্য্যাবের মতো কিলার বাহিনীর ( অ্যামনেষ্টি, বুদ্ধিজীবি ও শেখ হাছিনা বিরোধী দলে থাকা সময়ের মতানুসারে ) হাত থেকে শুধু প্রাণে বেঁচে যায়না, নিজের জন্য ভক্তি-শ্রদ্ধা ও আদায় করে নেয় । বাস্তবতা বর্জিত কল্প-কথা, জীবন-জীবিকা-পরিবেশের সাথে সামঞ্জস্যহীণ এসব কাহিনী