ইউজার লগইন
ব্লগ
একটি গামছার আত্মপ্রকাশ
যে কোনও ব্লগে এটিই আমার প্রথম লিখা। নিক হিসেবে গামছা নামটি পছন্দ করার পেছনে ছোট একটি ঘটনা আছে। 'আইলসা' হিসেবে আমার পরিচিতি জগতবিখ্যাত(জগত বলতে এই আর কি বাবা-মা, ভাই-বোন, পাড়া-প্রতিবেশী, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব)। মা বলেন,"কত রবি জ্বলে রে'-র আইলসাগুলার থেকেও তুই আরও বেশি আইলসা"।আমার আলসেমি আর অগোছালো স্বভাবের কারনে আমার ছোট বোন ত্যক্ত-বিরক্ত। একদিন শুয়ে আছি বিছানায়, বোন এসে বলল "এতগুলা কাপড়ের উপর শুয়ে আছেন, কাপড়গুলা একটু গুছায় শুইলেও ত পারেন।" আমি বেশ ভেবে জবাব দিলাম, " আমি হইলাম বিছনায় পইড়া থাকা একটা গামছা।জীবনে দেখছস একটা গামছারে, উইঠা কাপড় গুছাইতেসে?"
চলমান থ্রেডের একটি বিচ্ছিন্ন অংশ- ১৫
আজকাল মনে হয় প্রসন্নতা কেবল
একদিনই অর্জন সম্ভব।
আর অন্য সবসময় বেঁচে থাকতে হবে
অনন্তের অনিশ্চিত ফুটপাতে ফুটপাতে।
আমি দিনমজুরের মতো শীতের সকালে ঠকঠক করে কাঁপি
আমার বন্ধ কাজের ঝাপি; নাহয় একদিন খুললামই না,
তাতে কার কি আসে যায়? নিরন্ন থাকার প্রহর বাড়ে
কেবল আমার। সামন্তদের সঙ্গে এইটুকু তফাত নিয়ে
বেঁচে আছি অকারণে। ওরা কেবল বিলাসীতাটুকু
বিনামূল্যে দেখানোর সুযোগ পায়।
ওদের ভিআইপি বক্সে বসে দেখা স্বপ্নগুলো
হয়তো কোনোদিন সত্যি হবে, অনাগত সেই
পার্থক্য হয়তো আমি আজ ধরতে পারি না, আমার
দুর্বিষহ অতীতকাল বর্তমানের স্রোতে ভেসে এগিয়ে
চলে ভবের পানে, পায়ে জড়ানো বেড়ি বারবার ফেলে
দেয়, মেঠো পথে শরীর থুবড়ায় আর আমি প্রতিদিন একবার
ঘুম থেকে উঠি।
আজকাল মনে হয় প্রসন্নতা কেবল
একদিনই অর্জন সম্ভব,
কেবল একটি মাত্র অপস্থানে
সেটি সমাহিত আছে,
আমাকেও সেখানে যেতে হবে একবার
আমার সিসিমপুর (৪)
১
আমার মায়ের কাছে তাদের ছোটবেলার অনেক গল্প শুনছি। হুজুরের কাছে মাইর খাওয়া, আম-বড়ই কুড়ানো, মাছ ধরা, এমনই বহু হল্প। আজকের কাহিনি যুগে যুগে হুজুরের কাছে পড়ার কাহিনি।
আম্মু, ওনার ভাই-বোনরা যখন ছোটবেলায় হুজুরের কাছে পড়ত, পড়া ভুল করলেই হুজুর মারতেন। হুজুরদের মোটামুটি কমন একটা ব্যাপার হলো ওনারা ছেলেমেয়েদের পড়া দেখিয়ে দিয়েই ঘুমাতে বা ঝিমাতে শুরু করেন। আর হেলেদুলে পড়তে পড়তে একসময় বাচ্চারা ভুল পড়তে শুরু করে। আর হুজুর যখন ঘুম থেকে উঠে ভুল পড়তে শুনেন তখন তিনি মারতে শুরু করেন।
শৈশব
করোতোয়া থেকে আত্রাই হয়ে দিনাজপুরে ঢুকতে না ঢুকতেই নদীটাকে আদর করে সবাই ডাকে কাঞ্চন, পোশাকী নাম পূনর্ভবা নদ, সে নদীতে শৈশবে প্রচন্ড গরমে মাঝে মাঝে দাপাদাপি করতে যেতাম। তখনও কাঞ্চনের এ পার আর ওপারের মাঝের পুরো রেল ব্রীজের নীচেই বয়ে যেতো নদী। শীতে গতরে শীর্ণতা এলে হঠাৎ করেই যুবতী থেকে চঞ্চল কিশোরী হয়ে যেতো কাঞ্চন।
সেইসব শীতের জবুথুবু বিকেলের ম্লান আলোয় বিষন্ন হলে আমি একা সেই কিশোরীর সাথে একক প্রণয়ে মেতে হেঁটে হেঁটে চলে যেতাম অনেকটা পথ। এক হাঁটু পানির ভেতরে প্যান্ট গুটিয়ে নদীর তীর ঘেঁষে হাঁটতে হাঁটতে দু চারটা গ্রাম, গ্রামের হাট ভাঙা আলো পেরিয়ে আরও দুরের কোনো ন্যাড়া মাঠের ধানের গোছায় বসে সিগারেটের ধোঁয়া আর কুয়াশার মাঝে লুকিয়ে থাকতাম কিছুক্ষণ।
হলুদ হিমু কালো র্য্যাব
- হুমায়ুন আহমেদ বাংলা দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় লেখক । ‘হিমু’ তারই সৃষ্ট তরুণ প্রজন্মের প্রিয় নায়ক । আর র্য্যাব নন্দিত/ নিন্দিত/ আলোচিত এক বাহিনী । আমি অতি সাধারন একজন মানুষ । কিন্তু হুমায়ুন আহমেদের কোটি পাঠক-প্রিয় ‘মিশির আলী’ বা ‘হিমু’ তে আমার তেমন আগ্রহ নাই । একজন হার জিরজিরে রুগ্ন বুড়ো কি এক অলীক মন্ত্র বলে দুনিয়ার তাবৎ সমস্যার জঠ ছাড়ান, অন্য জন তরুণ ভবগুরে গোছের । পকেট বিহীন হলুদ পাঞ্জাবী পরে রাত দুপুরে ঢাকার শহর চষে বেড়ান । যত সব আজগুবি চরিত্রের সাথে তার দেখা হয়ে যায় । তার উদ্ভট আচরণ, উল্টাপাল্টা কথাবার্তা, নির্লিপ্ত ভাব র্য্যাবের মতো কিলার বাহিনীর ( অ্যামনেষ্টি, বুদ্ধিজীবি ও শেখ হাছিনা বিরোধী দলে থাকা সময়ের মতানুসারে ) হাত থেকে শুধু প্রাণে বেঁচে যায়না, নিজের জন্য ভক্তি-শ্রদ্ধা ও আদায় করে নেয় । বাস্তবতা বর্জিত কল্প-কথা, জীবন-জীবিকা-পরিবেশের সাথে সামঞ্জস্যহীণ এসব কাহিনী
এটা কি হওয়া উচিত না?
আমাদের দেশে নারী নির্যাতনের বিচার হয়। নির্যাতনের বিরুদ্ধে আইনও রয়েছে। কিন্তু পুরুষ নির্যাতনের বিচার হয়না। নারি নির্যাতিত হলে সে গলা ফাটিয়ে কান্না করে সবাইকে জানিয়ে বিচার চাইতে পারে। কিন্তু পুরুষরা তা পারেনা। আমাদের দেশে কি কোনো পুরুষ নির্যাতিত হয়না? হয় নারীর চেয়ে বেশি হয়। কিন্তু বিচারের ক্ষেত্রে পুরুষরা অসহায়। তারা নারীর মত কাঁদতেও পারেনা বিচারও চাইতে পারেনা। অসহ্য মানসিক যন্ত্রনায় তারা নিজের ভিতরে ভিতরে জ্বলে পুড়ে শেষ হয়। আমাদের দেশে স্ত্রী দ্বারাই পুরুষরা নির্যাতিত হয়। পুরুষের পাশাপাশি যদি নারী সব কাজ করতে পারে তাহলে নারী নির্যাতন রোধ আইনের পাশাপাশি পুরুষ নির্যাতন রোধ আইন পাশ করা হচ্ছে না কেন? এটা কি হওয়া উচিত না?
বিরক্তিকর বিজ্ঞাপন বিরতি
দিন দিন বাংলা নাটকের মান কমলেও প্রচুর নাটক প্রচার হচ্ছে বাংলাদেশের চ্যানেলগুলোতে। এর মধ্যে কিছু ভাল মানের নাটক হয়। সেগুলো ইচ্ছা থাকা সত্তেও দেখা হয়না। শুধুমাত্র বিজ্ঞাপন বিরতির কারণে। একবার বিজ্ঞাপন শুরু হলে তা যেন শেষ হতে চায়না। অথচ আমাদের নাটকের তুলনায় প্রতিবেশী দেশের নাটক খুব ভাল না হলেও দর্শক ঠিকই দেখছে শুধু বিজ্ঞাপন বিরতি কম হওয়ায়। আমরা যে বলি পাশের দেশে আমাদের চ্যানেল চলেনা। তা চালু করার ব্যাপারে আমরা তাদের কাছে আবেদন করি। যদি চালু করে আমাদের চ্যানেলগুলো পাশের দেশে তাহলে কি সেখানকার দর্শকরা আমাদের বিজ্ঞাপন বিরতির কারণে অনুষ্ঠানগুলো দেখবে বলে মনে হয়না। বরং উল্টা গালাগালি করবে। একবার দেখলে দ্বিতীয়বার আমাদের চ্যানেলে তারা ঢুকবেনা। কারণ আমরই তো সংবাদ ছাড়া কোনো অনুষ্ঠান দেখিনা। কতরকম যে বাজে মন্তব্য বেরোতে চায় তা প্রকাশ নাই বা করলাম। আমাদের চ্যানেলগুলোর বিরতিহীন বিজ্ঞাপন প্রচার দেখে মনে হ
বদলে যাওয়া মানে কি?
বদলে যাওয়া মানে নিজেকে বদলে ফেলা। আমরা দৈনিক প্রথম আলোর স্লোগানে এ লেখা যেখানে সেখানে দেখতে পাই। সবাই নিজেকে বদলে ফেললে কি ঠিক হয়ে যাবে? তাহলে তো যে ভালো ছিল সে খারাপ হয়ে যাবে আর মন্দলোক ভালো হয়ে যাবে। আসলে বলা উচিত নিজের বদ অভ্যাসগুলো বদলে ফেলুন। আমি কি কোনো ভুল বললাম?
ঝলমলিয়ায় সনাতন মেলায় - ৪ : লালদা স্পেশাল
আগেই বলেছি ঝলমলিয়ায় যাওয়া হয় লালদার শ্যুটিং এর ছবি তোলার ইচ্ছা থেকে। যদিও এবার তিনি খুব বেশি শ্যুটিং করেন নাই। এবার তিনি মেইনলি পানির নিচের শ্যুটিং করেছেন । এটা করতে গিয়ে আরেক কান্ড। আমরা যখন ঝলমলিয়া যাই তখন শৈতপ্রবাহ চলছে। প্রচন্ড শীত। পানির ধারে কাছে যাই না। যে কাপড়ে গিয়েছি সেটা আর খুলিনা। এমন অবস্থায় লালদা পানির নিচের শট নিতে গিয়া ফুলপ্যান্ট ভিজিয়ে এসেছে কাপতে কাপতে। এক্স্ট্রা কাপড়ও নেন নাই। পরে অন্যজনের থেকে ট্রাউজার নিয়ে পড়তে হয়েছে।
আজকের পর্বের বিষয় লালদার সেইসব শ্যুটিংয়ের ছবি ।



মুখোশে কি বিষণ্নতা ঢাকে!
শুভ'র কবিতাটা পড়তে পড়তে মনে হইলো এই অনুভূতিগুলি আসলে আজকে ছবির হাটে যারা ছিলো তাদের সবার। তাই এই লেখাটারে রায়েহাত শুভ'র নামেই উৎসর্গ করতেছি। আশা করি একইরকম বিষয়ে কবিতা লেখাটারে কাবিল কর্ম হিসাবে নিবেন না কেউ, এইটা একান্তই ইচ্ছার স্বাধীনতা। মানে লেখাটারে নিজের স্বাধীনতা ধইরা নিয়াই লিখলাম। ...............................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................
মজা পাইলাম না মজা
মজা পাইলাম না মজা
হাতে নিয়ে তাই গজা
মাছি উড়ে ভন ভন
গজা হয় ফন ফন!!!!
ফন ফন ভন ভন
চারদিকে সব ভেজাল
আসল জিনিষ কেনার জন্য
খোজতেছি তাই কাঠাল!!!!!!
কাঠালের আঠা কঠিন জিনিষ
তাহাতে নাই ভেজাল
আঠা যদি খাওয়ার হইতো
পাইতাম একটা কপাল!!!!!!!
পিরিতি কাঠালের আঠা
লোক সমাজে কথা
পিরিত ঘাইটা আঠার সন্ধান
পাইলাম নাতো সেথা!!!!!!
==========================================
ফোনেটিকে লিখেছি ,তাই বানান ভুল হইতেই পারে,মাফ করে দিবেন
হাজির হয়েছি গুরু
দুটি চোখ নিয়ে হাজির হয়েছি গুরু/তোমার দরগায়/আমিতো আয়না চিনি না/দেখিনি নিজের হা হা কার/ভেতরে হাউজে কাওসার হয়ে আছে মরু।
দুটি পা নিয়ে হাজির হয়েছি গুরু/পদাবলীর লীলা কি শেষ?/লাল হয়ে আছে ভীতরের জিহ্বাটা/লা হয়ে আছে আলিফ/আল্লাহু জিকিরে জাহের বাতেন হলো তরু।
দুটি হাত নিয়ে হাজির হয়েছি গুরু/হস্ত পদের অভাবে বন্ধ কান/কাজের অউরসে জন্মঅন্ধ কাম/ধরাধামে বাজে নীল শব্দের দোতারা/আমার হাতে পড়ালো তোমার নামের হাতকড়া করুণ।
দুটি কান নিয়ে হাজির হয়েছি প্রভু/ইন্দ্রিয় নিয়ে ইন্দ্র রাজার বাহাস/জাহাজ ভেড়ালো তোমার কীর্তণ তীরে/তবুও তাবুর ভেতরে আলোক গেল/বলো বীজের ভেতরে গেল কোন ভীরু?
একটি অঙ্গ নিয়ে হাজির হয়েছি গুরু/দেখি অঙ্গ দুটি ভঙ্গ সীমার নাম/তুমি তবে কোন খন্ডে বলো?/তোমারও অধীক নামে/নেমে যেতে যেতে আসে আমার কাছে পথ যতো হোক সরু।
বদলি বিষণ্ণতার শব্দ
*
চোখ দুটোতে কাজলের বদলে বিষণ্ণতা মাখা।
আয়নায় কি দেখেছিলে নিজেকে আজ?
চুলে চিরুনী বোলাবার সময়?
নয়তো পথে আসতে তাকিয়েছিলে কি কোনো চকচকে সারফেসে?
আমি জানি,
যতবারই তুমি নিজের প্রতিচ্ছবি দেখেছিলে,
ততবারই নিজেকে লুকিয়েছিলে নিজের কাছ থেকে।
কেন,
বিষণ্ণতার সাথে এমন লুকোচুরি খেলে যাওয়া?
নিজের সাথে নিজের মিথ্যাচার?
আমি বুঝিনা তোমাকে,
আসলে বুঝতে চাইনা।
শুধু জানি তোমার বিষণ্ণতা আমাকেও স্পর্শ করে।
কুয়াশা যেভাবে আলতো স্পর্শে জড়িয়ে থাকে হলদে খড়ের স্তুপ
ভিজিয়ে দেয় নিজের অশ্রুতে।
তোমার বিষণ্ণতাও আমাকে ঘিরে ফেলে মন খারাপের কুয়াশায়।
মাঠ ফেলে রেখে আসি পিছনে,
বিষণ্ণতা লেপ্টে নিয়ে আমার দু'চোখে।
আর কিছু নাই, একটা দুঃসম্পর্কের কথাই কেবল উল্লেখযোগ্য
আমার একটা ধারণা হচ্ছে- এই কঠিন-কঠোর পৃথিবীতে কেউ আসলে কাউকে খুব একটা বোঝে না। যার মূল কারণ এর কাঠিন্য। তাই আগের লাইনে 'কঠিন-কঠোর' দুইটি শব্দ ব্যবহার করেছি। আমাদের চারপাশের পৃথিবীটা এত কঠিন যে, জন্মদাত্রী মা’কেও আমরা বঞ্চিত করি। বাবা’কে দূর দূর করে তাড়িয়ে দিই জীবন থেকে। শুনেছি স্নেহ নাকি সর্বদা নিম্নগামী। যে নিচের দিকে মানুষ হৃদয় নিংড়ানো স্নেহের বস্তা উপুড় করে দেয়, সেই নিচ থেকেই আবার চলে আসে উপরের জনের সঙ্গে করা অন্যায়ের প্রতিশোধ। মানুষ কি ভীষণ অসহায়!
ঝলমলিয়ায় সনাতন মেলায় - ৩
মাতম করা মানে বিলাপ করা এইটা জানা ছিল। কিন্তু এর জন্য যে একটা দলই থাকে এবং ওরা অনুষ্ঠানে মাতমে অংশ নেয় জানা ছিলনা। সন্ধ্যার অনুষ্ঠানে প্রথমেই ছিল সনাতনের স্মরণে মাতম। সন্ধ্যা হতেই ঢাক ঢোল শিঙ্গা ইত্যাদি নিয়ে মাতম দল হাজির। সনাতনের পরিবার ও মাতম দল বাদ্য বাজনা বাজিয়ে সনাতনের সমাধির চারপাশ ঘুরে ঘুরে প্রদক্ষিণ করে। কয়েকবার করার পর পরিবারের মহিলারা পারিবারিক গুরুর ছবির সামনে না অর্ঘ্য দিয়ে পূজা করে। আর মাতম দল বাজাতে থাকে ঢাক বাদ্য। যার যেটা সাথে আছে। সে এক অভূতপূর্ব পরিবেশ। আলো আধারি, মোমের আলো তার মধ্যে মাতম বাজনা লিখে প্রকাশ করার মত ভাষা আমার নাই। ছবিতেও আসলে ঠিক রূপটা প্রকাশ সম্ভব না । একমাত্র উপষ্থিত থাকলেই সেই সময়ের পরিবেশ বোঝা সম্ভব। মাতম পর্ব শেষ হয় সনাতনের মার মন্ত্র পড়ার মাধ্যমে।
