ইউজার লগইন
ব্লগ
এটা কি হওয়া উচিত না?
আমাদের দেশে নারী নির্যাতনের বিচার হয়। নির্যাতনের বিরুদ্ধে আইনও রয়েছে। কিন্তু পুরুষ নির্যাতনের বিচার হয়না। নারি নির্যাতিত হলে সে গলা ফাটিয়ে কান্না করে সবাইকে জানিয়ে বিচার চাইতে পারে। কিন্তু পুরুষরা তা পারেনা। আমাদের দেশে কি কোনো পুরুষ নির্যাতিত হয়না? হয় নারীর চেয়ে বেশি হয়। কিন্তু বিচারের ক্ষেত্রে পুরুষরা অসহায়। তারা নারীর মত কাঁদতেও পারেনা বিচারও চাইতে পারেনা। অসহ্য মানসিক যন্ত্রনায় তারা নিজের ভিতরে ভিতরে জ্বলে পুড়ে শেষ হয়। আমাদের দেশে স্ত্রী দ্বারাই পুরুষরা নির্যাতিত হয়। পুরুষের পাশাপাশি যদি নারী সব কাজ করতে পারে তাহলে নারী নির্যাতন রোধ আইনের পাশাপাশি পুরুষ নির্যাতন রোধ আইন পাশ করা হচ্ছে না কেন? এটা কি হওয়া উচিত না?
বিরক্তিকর বিজ্ঞাপন বিরতি
দিন দিন বাংলা নাটকের মান কমলেও প্রচুর নাটক প্রচার হচ্ছে বাংলাদেশের চ্যানেলগুলোতে। এর মধ্যে কিছু ভাল মানের নাটক হয়। সেগুলো ইচ্ছা থাকা সত্তেও দেখা হয়না। শুধুমাত্র বিজ্ঞাপন বিরতির কারণে। একবার বিজ্ঞাপন শুরু হলে তা যেন শেষ হতে চায়না। অথচ আমাদের নাটকের তুলনায় প্রতিবেশী দেশের নাটক খুব ভাল না হলেও দর্শক ঠিকই দেখছে শুধু বিজ্ঞাপন বিরতি কম হওয়ায়। আমরা যে বলি পাশের দেশে আমাদের চ্যানেল চলেনা। তা চালু করার ব্যাপারে আমরা তাদের কাছে আবেদন করি। যদি চালু করে আমাদের চ্যানেলগুলো পাশের দেশে তাহলে কি সেখানকার দর্শকরা আমাদের বিজ্ঞাপন বিরতির কারণে অনুষ্ঠানগুলো দেখবে বলে মনে হয়না। বরং উল্টা গালাগালি করবে। একবার দেখলে দ্বিতীয়বার আমাদের চ্যানেলে তারা ঢুকবেনা। কারণ আমরই তো সংবাদ ছাড়া কোনো অনুষ্ঠান দেখিনা। কতরকম যে বাজে মন্তব্য বেরোতে চায় তা প্রকাশ নাই বা করলাম। আমাদের চ্যানেলগুলোর বিরতিহীন বিজ্ঞাপন প্রচার দেখে মনে হ
বদলে যাওয়া মানে কি?
বদলে যাওয়া মানে নিজেকে বদলে ফেলা। আমরা দৈনিক প্রথম আলোর স্লোগানে এ লেখা যেখানে সেখানে দেখতে পাই। সবাই নিজেকে বদলে ফেললে কি ঠিক হয়ে যাবে? তাহলে তো যে ভালো ছিল সে খারাপ হয়ে যাবে আর মন্দলোক ভালো হয়ে যাবে। আসলে বলা উচিত নিজের বদ অভ্যাসগুলো বদলে ফেলুন। আমি কি কোনো ভুল বললাম?
ঝলমলিয়ায় সনাতন মেলায় - ৪ : লালদা স্পেশাল
আগেই বলেছি ঝলমলিয়ায় যাওয়া হয় লালদার শ্যুটিং এর ছবি তোলার ইচ্ছা থেকে। যদিও এবার তিনি খুব বেশি শ্যুটিং করেন নাই। এবার তিনি মেইনলি পানির নিচের শ্যুটিং করেছেন । এটা করতে গিয়ে আরেক কান্ড। আমরা যখন ঝলমলিয়া যাই তখন শৈতপ্রবাহ চলছে। প্রচন্ড শীত। পানির ধারে কাছে যাই না। যে কাপড়ে গিয়েছি সেটা আর খুলিনা। এমন অবস্থায় লালদা পানির নিচের শট নিতে গিয়া ফুলপ্যান্ট ভিজিয়ে এসেছে কাপতে কাপতে। এক্স্ট্রা কাপড়ও নেন নাই। পরে অন্যজনের থেকে ট্রাউজার নিয়ে পড়তে হয়েছে।
আজকের পর্বের বিষয় লালদার সেইসব শ্যুটিংয়ের ছবি ।



মুখোশে কি বিষণ্নতা ঢাকে!
শুভ'র কবিতাটা পড়তে পড়তে মনে হইলো এই অনুভূতিগুলি আসলে আজকে ছবির হাটে যারা ছিলো তাদের সবার। তাই এই লেখাটারে রায়েহাত শুভ'র নামেই উৎসর্গ করতেছি। আশা করি একইরকম বিষয়ে কবিতা লেখাটারে কাবিল কর্ম হিসাবে নিবেন না কেউ, এইটা একান্তই ইচ্ছার স্বাধীনতা। মানে লেখাটারে নিজের স্বাধীনতা ধইরা নিয়াই লিখলাম। ...............................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................
মজা পাইলাম না মজা
মজা পাইলাম না মজা
হাতে নিয়ে তাই গজা
মাছি উড়ে ভন ভন
গজা হয় ফন ফন!!!!
ফন ফন ভন ভন
চারদিকে সব ভেজাল
আসল জিনিষ কেনার জন্য
খোজতেছি তাই কাঠাল!!!!!!
কাঠালের আঠা কঠিন জিনিষ
তাহাতে নাই ভেজাল
আঠা যদি খাওয়ার হইতো
পাইতাম একটা কপাল!!!!!!!
পিরিতি কাঠালের আঠা
লোক সমাজে কথা
পিরিত ঘাইটা আঠার সন্ধান
পাইলাম নাতো সেথা!!!!!!
==========================================
ফোনেটিকে লিখেছি ,তাই বানান ভুল হইতেই পারে,মাফ করে দিবেন
হাজির হয়েছি গুরু
দুটি চোখ নিয়ে হাজির হয়েছি গুরু/তোমার দরগায়/আমিতো আয়না চিনি না/দেখিনি নিজের হা হা কার/ভেতরে হাউজে কাওসার হয়ে আছে মরু।
দুটি পা নিয়ে হাজির হয়েছি গুরু/পদাবলীর লীলা কি শেষ?/লাল হয়ে আছে ভীতরের জিহ্বাটা/লা হয়ে আছে আলিফ/আল্লাহু জিকিরে জাহের বাতেন হলো তরু।
দুটি হাত নিয়ে হাজির হয়েছি গুরু/হস্ত পদের অভাবে বন্ধ কান/কাজের অউরসে জন্মঅন্ধ কাম/ধরাধামে বাজে নীল শব্দের দোতারা/আমার হাতে পড়ালো তোমার নামের হাতকড়া করুণ।
দুটি কান নিয়ে হাজির হয়েছি প্রভু/ইন্দ্রিয় নিয়ে ইন্দ্র রাজার বাহাস/জাহাজ ভেড়ালো তোমার কীর্তণ তীরে/তবুও তাবুর ভেতরে আলোক গেল/বলো বীজের ভেতরে গেল কোন ভীরু?
একটি অঙ্গ নিয়ে হাজির হয়েছি গুরু/দেখি অঙ্গ দুটি ভঙ্গ সীমার নাম/তুমি তবে কোন খন্ডে বলো?/তোমারও অধীক নামে/নেমে যেতে যেতে আসে আমার কাছে পথ যতো হোক সরু।
বদলি বিষণ্ণতার শব্দ
*
চোখ দুটোতে কাজলের বদলে বিষণ্ণতা মাখা।
আয়নায় কি দেখেছিলে নিজেকে আজ?
চুলে চিরুনী বোলাবার সময়?
নয়তো পথে আসতে তাকিয়েছিলে কি কোনো চকচকে সারফেসে?
আমি জানি,
যতবারই তুমি নিজের প্রতিচ্ছবি দেখেছিলে,
ততবারই নিজেকে লুকিয়েছিলে নিজের কাছ থেকে।
কেন,
বিষণ্ণতার সাথে এমন লুকোচুরি খেলে যাওয়া?
নিজের সাথে নিজের মিথ্যাচার?
আমি বুঝিনা তোমাকে,
আসলে বুঝতে চাইনা।
শুধু জানি তোমার বিষণ্ণতা আমাকেও স্পর্শ করে।
কুয়াশা যেভাবে আলতো স্পর্শে জড়িয়ে থাকে হলদে খড়ের স্তুপ
ভিজিয়ে দেয় নিজের অশ্রুতে।
তোমার বিষণ্ণতাও আমাকে ঘিরে ফেলে মন খারাপের কুয়াশায়।
মাঠ ফেলে রেখে আসি পিছনে,
বিষণ্ণতা লেপ্টে নিয়ে আমার দু'চোখে।
আর কিছু নাই, একটা দুঃসম্পর্কের কথাই কেবল উল্লেখযোগ্য
আমার একটা ধারণা হচ্ছে- এই কঠিন-কঠোর পৃথিবীতে কেউ আসলে কাউকে খুব একটা বোঝে না। যার মূল কারণ এর কাঠিন্য। তাই আগের লাইনে 'কঠিন-কঠোর' দুইটি শব্দ ব্যবহার করেছি। আমাদের চারপাশের পৃথিবীটা এত কঠিন যে, জন্মদাত্রী মা’কেও আমরা বঞ্চিত করি। বাবা’কে দূর দূর করে তাড়িয়ে দিই জীবন থেকে। শুনেছি স্নেহ নাকি সর্বদা নিম্নগামী। যে নিচের দিকে মানুষ হৃদয় নিংড়ানো স্নেহের বস্তা উপুড় করে দেয়, সেই নিচ থেকেই আবার চলে আসে উপরের জনের সঙ্গে করা অন্যায়ের প্রতিশোধ। মানুষ কি ভীষণ অসহায়!
ঝলমলিয়ায় সনাতন মেলায় - ৩
মাতম করা মানে বিলাপ করা এইটা জানা ছিল। কিন্তু এর জন্য যে একটা দলই থাকে এবং ওরা অনুষ্ঠানে মাতমে অংশ নেয় জানা ছিলনা। সন্ধ্যার অনুষ্ঠানে প্রথমেই ছিল সনাতনের স্মরণে মাতম। সন্ধ্যা হতেই ঢাক ঢোল শিঙ্গা ইত্যাদি নিয়ে মাতম দল হাজির। সনাতনের পরিবার ও মাতম দল বাদ্য বাজনা বাজিয়ে সনাতনের সমাধির চারপাশ ঘুরে ঘুরে প্রদক্ষিণ করে। কয়েকবার করার পর পরিবারের মহিলারা পারিবারিক গুরুর ছবির সামনে না অর্ঘ্য দিয়ে পূজা করে। আর মাতম দল বাজাতে থাকে ঢাক বাদ্য। যার যেটা সাথে আছে। সে এক অভূতপূর্ব পরিবেশ। আলো আধারি, মোমের আলো তার মধ্যে মাতম বাজনা লিখে প্রকাশ করার মত ভাষা আমার নাই। ছবিতেও আসলে ঠিক রূপটা প্রকাশ সম্ভব না । একমাত্র উপষ্থিত থাকলেই সেই সময়ের পরিবেশ বোঝা সম্ভব। মাতম পর্ব শেষ হয় সনাতনের মার মন্ত্র পড়ার মাধ্যমে।

ডায়েরি
দু'একটা দিন বাপের মত
দু'একটা দিন মায়ের
দু'একটা দিন স্বামীর মত
দু'একটা দিন জা-য়ের।
কিছুটাক্ষন চাল ও চুলা
বৃষ অথবা মীন
এভাবেইতো দুপুর গড়ায়
পাশ ফিরে শোয় দিন।
পাশ ফিরে শোয় দিন ও বছর
ঘুমায় জীবনখানি
পাশ ফিরে রয় গোপন অসুখ
পাশ ফেরে হাতছানি।
বীজ পড়ে রয় বীজগণিতে
ফলের চিন্তা লুটায়
সুখ পড়ে রয় ট্রাফিক জ্যামে
দুঃখ ফেরে নটায়।
আমার প্রতি তোমার যে টান
তোমার প্রতি আমার
একটা বিড়াল সে উষ্ণতায়
গড়ে যৌথ খামার।
আমার যত নরম ছিল,
কোমল ছিল, আলো
ঢেকে দিলাম আজকে সবই
-প্রসাধনই ভাল।
হাত ঢেকেছি, মুখ ঢেকেছি
শোক ঢেকেছি শাকে
বুকের ভেতর রোদ ঢুকেছে
তবুও কোন ফাঁকে।
সে রোদ আমার তরল আগুন
সে রোদ আমার টু-জি
সে রোদ দিয়ে, পাঠক, আমি
তোমার মুখকে খুঁজি.....
(বর্তমান) প্যাচালঃ রোমান্সিচ্ছা
১। আমার বাবা হিমুর বাপের মত আমারে মহামানব বানাতে না চাইলেও জ্ঞানী বানাতে চাইছিলো, সো সরাসরি দৈনিক ইত্তেফাক দিয়েই বর্নপরিচয় ও পড়তে শেখানো হৈছিলো। কিন্তু ইত্তেফাক থেকে আমি পড়া শুরু করলাম কচি-কাচার আসর-সাহিত্য সামিয়িকী (না বুইঝাই)-সিনেমার বিজ্ঞাপণ আর মোস্ট ইম্পর্টেন্টলী রাশি ফল।
মেষ রাশির জাতক আমি, দৈনিকি "রোমান্স শুভ" থাকে। রোমান্স শব্দটাই কেমন চনমনে উত্তেজনা জাগানোর মত। কিভাবে যেন বুঝছিলাম রোমান্স মানে "ইয়ে" মানে "বিয়ে" আর কি। হয়তো রাজ্জাক-কবরী বা ববিতার সিনেমার একনিষ্ঠ দর্শক হিসেবে সিনেমার শেষে তাদের "মেলামেশা" পরবর্তী বিয়ে ও কাহিনীর সমাপ্তি দেখেই বিয়ের গুরুত্ব ও রোমান্সের সাথে এর অবিচ্ছেদ্য সম্পর্কের সম্বন্ধে ধারনা পাইছিলাম। তাই ছোট বেলা থেকেই আমার বিয়ের খুব শখ, কারন রোমান্সের খুব শখ।
অনুবাদ-অক্ষম একাকীত্ব এবং আমি…….।
আমার পৃথিবী জুড়ে কেবলি স্বপ্ন ভঙ্গের শব্দ।
পথ হাটছি অবিরাম………
শুধু হেটেই চলেছি…..।
প্রচন্ড ক্লান্তি এসে ভর করে। থেমে যেতে চায় আমার অনিশ্চিত পদযাত্রা।
তারপরও আমি হেটে চলি বন্ধুহীন, ভালোবাসাহীন।
বন্ধু,
আমার কথা ভেবে কখনো কি তুমি আনমনা হও?
কোন জোৎস্না ভেজা রাতে মনে পড়ে কি আমার কথা?
ভালোবাসা দিতে যদি কার্পন্য এতোই
তাহলে ঘৃনাই দাও নূন্যতম
অন্তত কিছু তো পাবো
হিমাঙ্ক অতল শৈত্য উপেক্ষা অথবা
তবু কিছু দাওগো পাষান
কাঙালের ভাঙা হাত একেবারে
ফিরিয়ে দিওনা।
উত্তরাধিকারঃ প্রাসঙ্গিক বিষয়ে (অ)প্রাসঙ্গিক ভাবনা
জজ হবার খায়েশ নিয়ে ৬ষ্ঠ বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষা দিচ্ছি। গতকাল “পারিবারিকসম্পর্ক বিষয়ক আইন” এর লিখিত পরীক্ষা দিয়ে আসলাম। যেহেতু পরীক্ষার জন্যে প্রয়োজনীয় পড়াশুনার পরিমান অত্যন্ত কম, কাজেই লেখার সময় অনেক ভাবনাচিন্তা করে লিখতে হয়। পরীক্ষায় উত্তর লিখতে গিয়েই ভাবতে ভাবতে একটা বিষয়ের দিকে আমার মনোযোগ চলে গেল, এবং আজকের লেখার বিষয়টা সেই ভাবনা থেকেই উৎসরিত।
"LIKE" একটি অন্তর্জাল ভিত্তিক সামাজিক ব্যাধি !!!
নয়া একখান অসুখের প্রাদুর্ভাব দেখা যাইতাছে ইদানিং।
মানুষ যেমন আজকাল আর তার নিজের সামাজিকতার শারীরিক সংযুক্তি অন্তর্জালের মাঝে বদলি করেছে। তেমনি অন্তর্জালের মাঝে দেখা দিয়েছে কিছু রোগের প্রাদুর্ভাব। তার মধ্যে একটি হলো “LIKE” ম্যানিয়া। এই রোগ এখন মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়েছে অন্তর্জালের প্রতিটি কোনায় কোনায়। অন্তর্জালের ফেইস বুক নামক সামাজিক পরিবেশটিতে এর আক্রমন হয়েছে সবচেয়ে বেশী।