ইউজার লগইন
ব্লগ
আমাদের ভারতপ্রেম, বি.পি.এল ও কিছু প্রশ্ন..
একটা কিছু দেখলেই তা নিয়ে প্রশ্ন করে বসার সেই বয়স পার হয়ে এসেছি অনেক অনেক দিন আগে।
তবু-ও আজকাল মাঝে মাঝেই মাথায় নানান প্রশ্ন জাগে, কার্যকারণ খুঁজে পাইনা। তাই, শেষমেশ বন্ধুদের-ই সরন নিলাম।
ছোট থাকতে বড়দের সাথে কোন খেলায় অংশ নিলে 'দুধভাত' হয়ে খেলতে হত, অর্থাৎ সবকিছুতে অংশ নিলেও তার কিছুই গোণার মধ্যে পড়তো না।
বাংলাদেশের সীমান্তে ভারতীয় সহিংসতা বোধহয় আজকাল সবার কাছে 'দুধভাত' হয়ে গিয়েছে। কয়েকদিন পরপর-ই একটা কিছু হবে, সব পত্র-পত্রিকায় একটুআধটু লেখালেখি হবে। দুই তিন দিন হয়ত ফলোআপ পাওয়া যাবে, তারপর-ই আবার যে-ই কে সে-ই।
আগে তাও রাষ্ট্রপর্যায়ে কিছু আলোচনা হতো, এখন আর সে বালাই-ও নেই।
রাষ্ট্রপক্ষের প্রতিনিধি নির্দ্বিধায় জানিয়ে দেন যে, এত 'তুচ্ছ' বিষয়ে মাথা ঘামিয়ে সময় নষ্ট করার মত 'সময়' রাষ্ট্রের হাতে নেই!
অচেনা
আমার এমন কেন হয়ে যাচ্ছে সব
কিযেন একটা থেকেও হাতড়ে পাচ্ছিনা খুঁজে।
চেনা টেবিল কিংবা টুল
কোথাও যেন এতটুকু যায়গা নেই বসবার।
কাকে যেন কি বলার ছিলো
অথচ মনে আসছে না কিছুই
কে যেন বলেছিলো দেখা করো
তবু দেখা করা হয়না কারো সাথে।
আমি হাটলে পথও কেবল হাটছে
ভাবনার সময় শুধুই মগ্নতা
স্বপ্নের ভেতরে কেমন যেন একটা দেয়াল
আমি কেবলই ভাঙ্গছি আর ভাঙ্গছি
ভাঙ্গতে ভাঙ্গতে মিশে যাচ্ছি ধুলোর কণায় কণায়
রক্তের ভেতরে কিসের যেন একটা অনুভব
বুকের ভেতর কেমন যেন একটা দীর্ঘশ্বাস।
আমার এমন কেন হয়ে যাচ্ছে সব?
আমার কেন এমন হয়ে গেলো?
{(c)MNI, 24.01.12}
উড়ো সোনাপাখি
আজ একটা অন্যমনস্ক পাখি ডেকে গেছে আমায়। বলেছে উড়াল দাও এই শহরের আকাশে। এর অলিগলি রাজপথ ঘুরে উড়তে থাকো তুমি শূণ্যে। উড়তে উড়তে মিলিয়ে যাও শেষ বিন্দুতে।
পাখিটা ঠোঁটে করে নিয়ে এসেছিলো জল। বলেছে- এই নাও রুক্ষ তোমার জিহ্বায় দিলাম তৃষ্ণার অবসান। এবার শুধু উড়তে থাকো সোনাপাখি। যেখানে যখন গিয়েছিলে তুমি, অথবা যাবার কথা ছিলো যেখানে আবার। চষা ক্ষেত, হলদে ফুলের ঝোপ, কিংবা পেরিয়েও যেতে পারো সমুদ্রের ফেনারাজি। তবু থেমো না বিরহী, উড়তে থাকো কেবল। অনন্ত আগুনে শেষ হয়েছে পথ, সীমারেখা নেই অপেক্ষাতে তোমার। উড়ো, উড়ো তুমি সোনাপাখি, মগ্ন চিলের মত ঘুরতে ঘুরতে উড়তে থাকো আকাশের ছায়া তলে।
অনুভূতির ছেঁড়া পাতা - টুকরো স্মৃতি...
আজও বেঁচে আছি..
আজও ঘুম ভেঙে যায় বৃষ্টির সুরে, চেনা অচেনা ডাকে..
আজও হাটি, চলি..খাই, গান গাই..
আজও হাসি, কারও এক দুকথায় চোখের কোল ভিজাই..
আজও বেঁচে আছি..
হাসায়- কাঁদায়-জ্বালিয়ে মারে প্রিয় যত মুখ..
হঠাৎ হাওয়ায় বুক ভেসে যায়, আনন্দেতে দুঃখ উড়াই..
একটুতেই রাগ করে বসি..অভিমান হয়, দুঃখবিলাসি কাব্য করি..
আজও বেঁচে আছি..
খবরের কাগজ পড়ি, দিব্যি দেখে যাই..
সারাদিনে কত মন ভেঙে পড়ে,
কত না জন হারিয়ে যায় হুট করেই..
কত না কচি প্রাণ ভোরের পথে বের হয়ে যায়,
সাঁঝে আর বাড়ি ফেরা হয়না..
ঝড়ে যায় কত তাজা প্রাণ, এক নিমিষেই..
দেখেই যাই..
কিছু ক্ষণ বুকের গভীরে এক দুটা আঁচড় ফেলে, দুদিনেই ভুলে যাই..
আজও বেঁচে আছি..
প্রতিদিনকার বেঁচে থাকার ছলে তিলে তিলে মরে যেতে যেতে,
এই তো দিব্যি বেঁচে আছি..
[হায়াৎ মউৎ সবই তোমার হাতে..তবু-ও..
ও খোদা..
একটাই প্রার্থনা তোমার কাছে..
রিক্যাপচারিং পাস্ট-৮
সমুদ্র খুড়ে কি মেলে বলা মুশকিল, তবে কখনও ক্যারিবিয়ান উপকূলে গেলে দেখার চেষ্টা করতে পারি। নদী খুড়ে থরেবিথরে সাজানো লৌকিক প্রকৃতি মেলে। প্রকৃতি আবার লৌকিক কিভাবে হয় সেটা আমি বুঝতে পারি নদী খুড়তে বসলেই। এ এমন এক প্রকৃতি, নদী পাড়ে, যার সাথে মেশানো গ্রাম, মানুষ - সব যেন বৃক্ষের মত, আকাশের মত, স্রোতের মত একই, শতবর্ষ ধরে। এই লোকাচার প্রকৃতিমনস্ক, এই প্রকৃতি লোকালয়েও নৈসর্গিক। আবার যখন আমি সুন্দরবন যাবো, বিগত কয়েক বৎসর যাবত যার ভাব বুদবুদ দেখা মেলে, তার কোনো ব্যাপ্তির নিদর্শন নাই, আমি অবশ্য অবশ্য নদী খুড়ে স্বপ্নিল এক বৈকালিক আসর তুলে আনবো।
নওতো ছবি
শিল্পীর তুলি আঁকা নওতো ছবি,
শাশ্বত মৃত্তিকায় গড়া মানবী অয়ি !
তবুওকি চিরকাল র’বে ছবি হয়ে—
আমার জীবনে হে পাষাণ হৃদয়ী !
মোনালিসা নওতো গো ক্যানভাসে গড়া,
স্বরগের অস্পরী নও চাঁদ তারা !
কেন তবে মোনালিসা চাঁদিনীর মতো
হাসি দাও আলো দাও, দাওনা ধরা !
যদিও কবিতা তনু, কবিতাতো নও,
ফুল ওতো নও যে শুধু মূক হয়ে রও!
কেন তবে কবিতা বা কুসুমের মতো,
অনুভবে নাহি আসো সুবাস ছড়াও !
ওড টু মাই ফ্যামিলিঃ ৬ (খালাতো/ ফুপাতো/ চাচাতো/মামাতো )
আমার বড়লোক বন্ধুটি খালি তুতো ভাইবইনের গল্প করতে চান। আজ এ মামাতো বিদেশ হইতে আসলো, তো কাইল সে খালাতো গিফট পাঠাইলো, পরশু আবার আরেক চাচতো বিয়া সান্ধাইল, বা বিয়া ভাংলো, ইত্যাদি ইত্যাদি। মোটকথা চরম বিরক্তিকর। সে ফোন দিলেই আমি আর দুস্ত ত্রাহি ত্রাহি কইরা দ্বিগবিদিক দৌড়াইয়ে পালাইতে চাই। লাভ হয়না। ঢাকা শহরের ট্রাফিক জ্যাম নিমেষে পাড়ি দিয়ে তুতোময় বন্ধু ঠিক আমাদের ধরে ফেলে। এরপর চরদখলের মত তুতোআলাপি বন্ধু কলকল করে দখল করতে থাকে আমাদের সময়। আমরা গোমড়া মুখে বসে থাকি, শুনতে শুনতে কানের অবস্থা যায়যায় প্রায়। তাই একদিন উনারে বললাম আচ্ছা, আপনার খালাতো মামাতোদের গল্প তো শুনলাম, আসেন এবার আমারগুলা বলি।
-“শিওর, শিওর, হাউ নাইস!! আমার না কাজিনদের গল্প শুনতে এত্ত মজা লাগে, চিন্তার বাইরে।”
-কন কি? আমি তো কাজিনদের দুইচক্ষে দেখতে পারিনা।
আনটাইটেল্ড রোমান্স
উত্সর্গ : শ্রদ্ধেয় তানবীরা আপুকে, আমার সব কবিতা যার মাথার উপর দিয়ে যায়।

শরমবতী বৌ এর মতো আড়াল নিলে কুসুম রঙের দিন
চক্ষু পোড়ায় জলের মতো নিবিড় সজল তোমার ঠোঁটের ঋন ।
কমলা পিঠের শ্যামলা তিল আর সর্বনেশে তোমার ছলাত্ বুক
চাঁদের মতো জোছনা দিয়ে ভাসিয়ে দেয় মনের জমিন টুক ।
তোমার কাছে বারুদ কাঠি, শুকনো হৃদয় রাস্তা ঘাটে খুব
আমার দারুন আদর মাখা বুক , তবু দিলে গভীর জলে ডুব।
আমার আছে নীল কলমে তরল হয়ে ধুসর রঙা দুখ
হিসেবপটু চতুর মেয়ে, সুখ খুঁজেছ, থাকুক তোমার সুখ।
আমার প্রথম পোস্ট
এবি'তে এটা আমার প্রথম পোস্ট। যেকোন ধরনের ব্লগেই এটা আমার প্রথম লেখা। অনেক আগে কবিতা লিখতাম। সেসব নিতান্তই শিশুতোষ কবিতা ছিলো। সেই খাতাটা আমার কাছে আছে। ইচ্ছা ছিলো সেই কবিতাগুলো এবি'র পাতায় লিখে রাখার। কিন্তু প্রথম পাতার মৃত্যূ এবং তারপর... পোস্টটা পড়ে আজ অনেকদিন পর একটা কবিতা'ই লিখতে ইচ্ছা হলো। আমি মৃত্যূ নিয়ে খুব বেশি ভাবাভাবি করি না। এটা নিয়ে ভেবে অভ্যস্তও নই। তবু ভাবতে বসে খুব অবাক হয়ে খেয়াল করলাম, কিভাবে মারা যেতে চাই সেটা আমি মনে মনে ঠিক করে রেখেছি।
---------------------------------------------------------
মৃত্যূ নিয়ে ভাবতে ভালো লাগে না।
হয়তো আরো অনেক দিন বাঁচার ইচ্ছা আছে আমার।
সবশেষে স্বাভাবিক মৃত্যূ বরণের সুযোগ
পেলেই আমি নিজেকে ধন্য ভাববো।
চাকার তলে পিষ্ট মাথা
উত্তপ্ত পিচের উপর ইতস্তত লেপ্টে থাকা মগজ
রোদ্দুরের কবিতা ২
ভেসে যাক রোদ্দুর যেখানে তার উদারতা ছড়াবে বিস্তৃত
আমাদের নীল সরোবর বয়ে যাক মৃত্যুর মতোন হিমবাহে;
বেগুনি নৌকার পাল কুয়াশার আড়ালে ক্ষয়ে গেলে কার কী!
একা থাক তবে সাদা ঘর, অথবা দখল করে নিক ডাইনী বুড়ি
সুদীর্ঘ পাহাড় বেয়ে ওঠা সিঁড়িতে শ্যাওলা জমে ঢেকে দিক
পায়ের আওয়াজ কিম্বা ইতিহাসের সকল বিবর্ণ অক্ষর।
কুলফি মালাইগুলো বরফের আস্তরনে ধীরে সভ্যতারে
ডাকুক নতুন নামে। নামহীন মরে যাক পরাজিত জন;
রোদ্দুর কখনো যার কোনো নাম রাখে নাই, না রাখুক!
চলে যাক রোদ্দুর নতুন কোনো দেশে। এই ভূমি মৃত্যুর কাছেই
বাঁধা রয়ে যাবে, কোনো এক জ্ঞানী বৃদ্ধ বহুকাল আগে
বলেছিলো দৃঢ় কণ্ঠে, এই ভূমি মৃত্যুর মতোন বিরক্তির!
শীতল শীতল মিহি বরফ বাতাসে চাপা থাকুক মর্গের নীরবতা।
কোনো এক প্রত্নবিদ এসে একদিন ঠিক জেনে যাবে
রোদ্দুর চলে গেছে একবিংশ শতকে আমাদের ছেড়ে...
আত্মমগ্ন কথামালা-৪
স্বর্গফর্গ ইত্যাদি লইয়া চিন্তা ভাবনা বাদ্দিছি বহুদ্দিন হইলো। অনেক দিন আগের চিন্তায় স্বর্গটা বেশ রইদ ঝলমলা আছিলো।
মৃত্যু এবং তারপর...
মুঠোফোনের শব্দে ঘুম ভাঙ্গলো। যথারীতি আপাদমস্তক কম্বলের নীচে আমি, পুরা মরা মানুষের মত। কোন মতে এক হাত বের করে সাইড টেবিল থেকে মুঠোফোনটা টেনে নিলাম কম্বলের নীচে। হ্যালো বলতেই বন্ধু-কলিগের বাবার মৃত্যু-সংবাদ। সত্তর পেরোনো, নানা রোগে ভুগে স্বাভাবিক মৃত্যু। যে দেশে বাস করি, সেখানে স্বাভাবিক মৃত্যুও যে কারও জন্য আজকাল একটা বিশেষ অর্জন!
আমার অধিকাংশ “সত্যায়িত” ছবি, সার্টিফিকেট, চারিত্রিক সনদ এনার মাধ্যমেই করা। খুব জটিল একটা স্বাক্ষর করতেন, তাছাড়া অতি সহজ, সরল এই মানুষটিতে আর কোন জটিলতা দেখিনি। সেজন্যই জীবনে তেমন কিছুই করা সম্ভব হয়নি তার। এই ধরনের মানুষদের এই সমাজে কিছু করতে পারার কথা না।
দিনে দিনে বয়স বাড়ে...
জানুয়ারী মাসটা আমার খুব প্রিয় মাস। স্কুলে ঠিকঠাক মতো ক্লাস হতো না চলতো স্পোর্টস। আর এই চান্সে আমরা আমাদের মতো খেলাধুলায় মত্ত থাকতাম। কিন্তু সবাই না বেশীর ভাগই ছেলে স্কুলে যেয়ে প্যারেডের জন্য কাজ করতো। ঐখানেই থাকতো। আমাদের হাউজ সিস্টেম ছিলো অনেকে ছিলো হাউজের নেতা। তখন তো আর বছরের প্রথম দিনেই বই দিতো না শেখ হাসিনার মতো তাই আমাদের দিন কাটতো খেলাধুলা আর হাসি তামাশা আড্ডা দিয়ে। কিন্তু প্রিন্সিপাল কমান্ডার মোসলেউদ্দিন সাহেব ছিলেন এক পিস তিনি তার জিপ হাকিয়ে আমাদেরকে খুজতেন। মাঝে মধ্যেই ধরা খেতাম। আর খাইলেই সেই মুহুরতেই মাইর স্টার্ট এরপর কলেজে নিয়ে গিয়েই বাস্কেটবল গ্রাউন্ডে দাড় করিয়ে রাখা। এরপর কিছু দিন এই অপমানে মন খারাপ থাকতো। এমন সব অপমান করা মুহুর্তেই আসতো আমার জন্মদিন। খুব মেজাজ খারাপ থাকতো। স্কুলের জীবনে কোন কালেই আমি জন্মদিন নিয়ে খুব একটা ভাবতাম না। বাসাতেও তাই ছিলো জন্মদিন মানেই ভালো মন্
নিঝুমশৃঙ্গার
এই ভাষা তোমাকে দিয়েছিলো দূর পাহাড়ের ওপারে জেগে থাকা একলা এক কাঠঠোকরা পাখি। তুমি হাতের নখের ভিতর লুকিয়ে রেখেছিলে গ্রামের সবচেয়ে শীতল পুকুরটির মানচিত্র। সে কাউকে দেখতে পায় না। এদিক ওদিক তাকায়। একদিন সে কবিতা লিখতো। তার দুয়েকটা কবিতা কয়েকটা ছোটোকাগজে ছাপাও হয়েছিলো। তার সংগ্রহে নেই। কেননা তার চটের একটি ছেড়া ব্যাগে বুকশেল্ফ ধরে না। আজও সে বাসে চেপে পাশের শহরে গিয়েছিলো। তার ভাড়া লাগে না। শহরের একফালি ঘরে আছে হেমলতার বিকলাঙ্গ স্মৃতি। সে দেখতে পারে না। অথবা হয়তো তার নৌকো ছিলো নদীযান। সে তাকে টেনেছিলো এবং গাছ পর্যন্ত তাদেরকে ঝাঁকুনি দিয়েছিলো। আমি মাঠের অন্যান্য আইল থেকে পর্যবেক্ষণ করেছিলাম এবং তাদেরকে ভালোবেসেছিলাম।
রোদ্দুরের কবিতা
দিনশেষে ঘরে ফিরতেই হারে রেরে রেরে করে তেড়ে আসে রোদ্দুর
মিহি বাতাসে তার ঘরবাড়ি উড়ে গেছে, জনপদে ছেয়ে গেছে ধুলোবালিময়
চায়ের গেলাস; চুপসে যাওয়া মানুষেরা চুপচাপ চুমুকে চুমুকে
খেয়ে যায় মেকী উষ্ণতারে, ভরপেট মদিরায় ডুবে গেলে ভালো ছিলো ভেবে
স্বপ্ন নামের দুঃস্বপ্নগুলোকেই ভাসালো এবার কুশিয়ারা কিম্বা তুরাগের বুকে...
যেইভাবে দূর্গাদেবী ডুবে যায় আগামীর বারতায়; বোকা মানুষেরা জানে নাই
দূর্গা চলে গেলে কখনোই ফেরে নাই ভূমণ্ডলে। প্রক্সি দিয়ে যায় সুধীর পাল ও
তার দলবল...রঙতুলিময় দেবী ফাঁকি দিয়ে ভক্তি নিয়ে চলে গেছে দূরে।
অভিযোগের তালিকা মেলে দিয়ে রোদ্দুর, ফোলানো গালে বসে আছে
ঘরের দাওয়ায়। তার চোখ থেকে গড়ানো অশ্রুর রেখায় রেখায় বরফের শ্বেত
শুভ্রতা উজ্জ্বল জ্বলে উঠে।