ইউজার লগইন
ব্লগ
মাতৃভূমি
- - - - - - - -
- - - - -
- - -
- -
-
-
.
. .
. . . .
. . . . . .
. . . . . . . .
. . . . . . . . . . . .
. . . . . . . . . . . . . . . . .
কাজলা মেঘের আঁচল তলে
হাজার নদীর শুদ্ধ জলে
সিক্ত করে করুন ডাঙা ,
সে আমারই মাতৃভূমি ।
ছায়াঘেরা শ্যামল গহন
জুরায় তনু শীতল পবন
পাখপাখালীর কলগুঞ্জন
কোখায় গেলে পাবে তুমি !
রক্তে ভেজা পবিত্র মাটি ,
তারই উপর গতর খাটি
কৃষাণ ফলায় সোনার আঁটি
শ্রদ্ধায় বারে বারে নমি ।
আকুল করে এই বাংলার
স্নেহে ভরা শত উপাচার
মরণেও তাতে পাই যেন ঠাঁই
মাতৃভূমির চরণ চুমি । ।
১১/০৩/০৭
(অন্য কোখাও)
অহেতুক অ্যাবস্ট্রাক্ট (এক)
বেশ ক্লীশে শুনাইলেও আমি আসলে বিলীয়মান মানুষে পরিণত হইছি। যতোক্ষণ নিজের সত্ত্বায় আছি ততোক্ষণ আমি আর বাকিটা সময় আমি জেনব্রত পালনের নামে আসলে স্মৃতি মোছামুছির তাগীদে থাকি। যার কোনো ভিত্তি নাই। জেনরাও পারে নাই সমর্পনের ধারণারে মুইছা ফেলতে। তারা মনহীন স্তরের নামে বাস্তবিক ধর্মের বা ঈশ্বরের বা গৌতম বুদ্ধের কাছে যাইতে চায়। ইহজাগতিকতার সকল দ্বন্দ্বের অবসান ঘটাইয়া তারা অপার্থিব কোনো স্তরের খোঁজাখুঁজি করে। তাতেই তাদের প্রেম। তবে পার্থিব ধারণার বিষয়ে তাদের অনাগ্রহের সূচনা হয় অপার্থিবরে পাইবার বাসনা থেইকাই। কিন্তু যদি ঈশ্বর কিম্বা ধর্ম অথবা গৌতম বুদ্ধ যদি পার্থিব হয়! তাইলে এই বিষয় জেন ধারণা কি বলে?
উরি বাবা!! দেখে যা!! ভাষা, তার ভাষা
দিনে দিনে মানুষ অর্থনৈতিক ভাবে যত স্বয়ংসম্পূর্ণ হচ্ছে ততই তারা অন্যদিকে মনোযোগ দেবার সুযোগ পাচ্ছে। এর একটি ভালো উদাহরণ হচ্ছে ভাষা ও সংস্কৃতি বিষয়ে মানুষের সচেতনতা। গত কয়েক দশকে ফোকলোর সোসাইটির ধারণা বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এই সোসাইটির উদ্দেশ্য হচ্ছে একটি দেশের ভাষা, সংস্কৃতি এবং সাহিত্যিক কর্ম বিশেষ করে প্রায় বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া আন্চলিক সাহিত্য কে সংগ্রহ করা । ইংরেজী ভাষার বিরোধিতা করছি তা নয়, তবে বর্তমান বিশ্বে ইংরেজী একটি আগ্রাসনের সৃষ্টি করেছে। যেমন স্যাটেলাইট চ্যানেলের কল্যাণে আমরা দেখতে পাচ্ছি কেমন করে হিন্দির সাথে ইংরেজী অবলীলায়, অগোচরে মিশে যাচ্ছে। যে কোন শিক্ষিত ভারতীয় কথা বলার ফাকে ফাকে একই বাক্যে অথবা আলাদা ভাবে হিন্দি ও ইংরেজী মিলিয়ে কথা বলছে। বর্তমানে বাংলাদেশেও এই ধারাটি দেখা যাচ্ছে এবং এটা সম্ভবত জনপ্রিয়ও হচ্ছে। হয়তো এটাই স্মার্টনেস।শুধু তাই নয় আমাদের আন্চলিক ভাষাগুলো আরো বেশী বিপদের সম্মুখীন। যেমন এখন অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সিলেটীরা শুদ্ব বাংলা ও সিলেটী মিলিয়ে জগাখিচুড়ি ভাষায় কথা বলেন।
...ইতি, আব্বু। [শুরুরও অনেক আগে]
অনেকদিন ধরেই ভাবছি। আমার মনের ভেতরে চুপটি করে বসে থাকা আমার শিশুকন্যাটা, যার নাম আরো দু'বছর আগেই রেখেছি শুদ্ধ শুচিস্মিতা, তাকে উদ্দেশ্যে অনেকগুলো চিঠি লিখে রাখবো ব্লগে। যার ভিতর দিয়ে সে তার বাবাকে জানতে পারবে। তার মা কে চিনতে পারবে। তার জন্য বাবার আবেগ কেমন ছিলো, তাকে ঘিরে তার বাবার স্বপ্নগুলো কেমন ছিলো, কিভাবে সেই স্বপ্নগুলোর বিবর্তন হ'লো। সব... সব... কিছু জানিয়ে রাখবো ওকে অকপটে। ও যেদিন বারো'তে পা দেবে, সেদিন ওকে ব্লগে বসতে বলবো। পড়তে বলবো ওকে লেখা বাবার লেখা চিঠিগুলো।
ক্রনিক্যাল অফ ঢাকা সিটি অথবা ঢাকা শহরের কিচ্ছা (৩)
(এই পোস্টটা হয়তো লিখতাম না কখনো। রায়েহাত শুভ নামের পছন্দের মানুষটার সাথে বেশ কয়েকদিন দেখা না হইলেও তার অনুরোধটা হঠাৎ মনে পড়লো...তারেই উৎসর্গ করলাম এই শহরে আমার জন্মবিষয়ক পাঁচালী)
আমাদের ভারতপ্রেম, বি.পি.এল ও কিছু প্রশ্ন..
একটা কিছু দেখলেই তা নিয়ে প্রশ্ন করে বসার সেই বয়স পার হয়ে এসেছি অনেক অনেক দিন আগে।
তবু-ও আজকাল মাঝে মাঝেই মাথায় নানান প্রশ্ন জাগে, কার্যকারণ খুঁজে পাইনা। তাই, শেষমেশ বন্ধুদের-ই সরন নিলাম।
ছোট থাকতে বড়দের সাথে কোন খেলায় অংশ নিলে 'দুধভাত' হয়ে খেলতে হত, অর্থাৎ সবকিছুতে অংশ নিলেও তার কিছুই গোণার মধ্যে পড়তো না।
বাংলাদেশের সীমান্তে ভারতীয় সহিংসতা বোধহয় আজকাল সবার কাছে 'দুধভাত' হয়ে গিয়েছে। কয়েকদিন পরপর-ই একটা কিছু হবে, সব পত্র-পত্রিকায় একটুআধটু লেখালেখি হবে। দুই তিন দিন হয়ত ফলোআপ পাওয়া যাবে, তারপর-ই আবার যে-ই কে সে-ই।
আগে তাও রাষ্ট্রপর্যায়ে কিছু আলোচনা হতো, এখন আর সে বালাই-ও নেই।
রাষ্ট্রপক্ষের প্রতিনিধি নির্দ্বিধায় জানিয়ে দেন যে, এত 'তুচ্ছ' বিষয়ে মাথা ঘামিয়ে সময় নষ্ট করার মত 'সময়' রাষ্ট্রের হাতে নেই!
অচেনা
আমার এমন কেন হয়ে যাচ্ছে সব
কিযেন একটা থেকেও হাতড়ে পাচ্ছিনা খুঁজে।
চেনা টেবিল কিংবা টুল
কোথাও যেন এতটুকু যায়গা নেই বসবার।
কাকে যেন কি বলার ছিলো
অথচ মনে আসছে না কিছুই
কে যেন বলেছিলো দেখা করো
তবু দেখা করা হয়না কারো সাথে।
আমি হাটলে পথও কেবল হাটছে
ভাবনার সময় শুধুই মগ্নতা
স্বপ্নের ভেতরে কেমন যেন একটা দেয়াল
আমি কেবলই ভাঙ্গছি আর ভাঙ্গছি
ভাঙ্গতে ভাঙ্গতে মিশে যাচ্ছি ধুলোর কণায় কণায়
রক্তের ভেতরে কিসের যেন একটা অনুভব
বুকের ভেতর কেমন যেন একটা দীর্ঘশ্বাস।
আমার এমন কেন হয়ে যাচ্ছে সব?
আমার কেন এমন হয়ে গেলো?
{(c)MNI, 24.01.12}
উড়ো সোনাপাখি
আজ একটা অন্যমনস্ক পাখি ডেকে গেছে আমায়। বলেছে উড়াল দাও এই শহরের আকাশে। এর অলিগলি রাজপথ ঘুরে উড়তে থাকো তুমি শূণ্যে। উড়তে উড়তে মিলিয়ে যাও শেষ বিন্দুতে।
পাখিটা ঠোঁটে করে নিয়ে এসেছিলো জল। বলেছে- এই নাও রুক্ষ তোমার জিহ্বায় দিলাম তৃষ্ণার অবসান। এবার শুধু উড়তে থাকো সোনাপাখি। যেখানে যখন গিয়েছিলে তুমি, অথবা যাবার কথা ছিলো যেখানে আবার। চষা ক্ষেত, হলদে ফুলের ঝোপ, কিংবা পেরিয়েও যেতে পারো সমুদ্রের ফেনারাজি। তবু থেমো না বিরহী, উড়তে থাকো কেবল। অনন্ত আগুনে শেষ হয়েছে পথ, সীমারেখা নেই অপেক্ষাতে তোমার। উড়ো, উড়ো তুমি সোনাপাখি, মগ্ন চিলের মত ঘুরতে ঘুরতে উড়তে থাকো আকাশের ছায়া তলে।
অনুভূতির ছেঁড়া পাতা - টুকরো স্মৃতি...
আজও বেঁচে আছি..
আজও ঘুম ভেঙে যায় বৃষ্টির সুরে, চেনা অচেনা ডাকে..
আজও হাটি, চলি..খাই, গান গাই..
আজও হাসি, কারও এক দুকথায় চোখের কোল ভিজাই..
আজও বেঁচে আছি..
হাসায়- কাঁদায়-জ্বালিয়ে মারে প্রিয় যত মুখ..
হঠাৎ হাওয়ায় বুক ভেসে যায়, আনন্দেতে দুঃখ উড়াই..
একটুতেই রাগ করে বসি..অভিমান হয়, দুঃখবিলাসি কাব্য করি..
আজও বেঁচে আছি..
খবরের কাগজ পড়ি, দিব্যি দেখে যাই..
সারাদিনে কত মন ভেঙে পড়ে,
কত না জন হারিয়ে যায় হুট করেই..
কত না কচি প্রাণ ভোরের পথে বের হয়ে যায়,
সাঁঝে আর বাড়ি ফেরা হয়না..
ঝড়ে যায় কত তাজা প্রাণ, এক নিমিষেই..
দেখেই যাই..
কিছু ক্ষণ বুকের গভীরে এক দুটা আঁচড় ফেলে, দুদিনেই ভুলে যাই..
আজও বেঁচে আছি..
প্রতিদিনকার বেঁচে থাকার ছলে তিলে তিলে মরে যেতে যেতে,
এই তো দিব্যি বেঁচে আছি..
[হায়াৎ মউৎ সবই তোমার হাতে..তবু-ও..
ও খোদা..
একটাই প্রার্থনা তোমার কাছে..
রিক্যাপচারিং পাস্ট-৮
সমুদ্র খুড়ে কি মেলে বলা মুশকিল, তবে কখনও ক্যারিবিয়ান উপকূলে গেলে দেখার চেষ্টা করতে পারি। নদী খুড়ে থরেবিথরে সাজানো লৌকিক প্রকৃতি মেলে। প্রকৃতি আবার লৌকিক কিভাবে হয় সেটা আমি বুঝতে পারি নদী খুড়তে বসলেই। এ এমন এক প্রকৃতি, নদী পাড়ে, যার সাথে মেশানো গ্রাম, মানুষ - সব যেন বৃক্ষের মত, আকাশের মত, স্রোতের মত একই, শতবর্ষ ধরে। এই লোকাচার প্রকৃতিমনস্ক, এই প্রকৃতি লোকালয়েও নৈসর্গিক। আবার যখন আমি সুন্দরবন যাবো, বিগত কয়েক বৎসর যাবত যার ভাব বুদবুদ দেখা মেলে, তার কোনো ব্যাপ্তির নিদর্শন নাই, আমি অবশ্য অবশ্য নদী খুড়ে স্বপ্নিল এক বৈকালিক আসর তুলে আনবো।
নওতো ছবি
শিল্পীর তুলি আঁকা নওতো ছবি,
শাশ্বত মৃত্তিকায় গড়া মানবী অয়ি !
তবুওকি চিরকাল র’বে ছবি হয়ে—
আমার জীবনে হে পাষাণ হৃদয়ী !
মোনালিসা নওতো গো ক্যানভাসে গড়া,
স্বরগের অস্পরী নও চাঁদ তারা !
কেন তবে মোনালিসা চাঁদিনীর মতো
হাসি দাও আলো দাও, দাওনা ধরা !
যদিও কবিতা তনু, কবিতাতো নও,
ফুল ওতো নও যে শুধু মূক হয়ে রও!
কেন তবে কবিতা বা কুসুমের মতো,
অনুভবে নাহি আসো সুবাস ছড়াও !
ওড টু মাই ফ্যামিলিঃ ৬ (খালাতো/ ফুপাতো/ চাচাতো/মামাতো )
আমার বড়লোক বন্ধুটি খালি তুতো ভাইবইনের গল্প করতে চান। আজ এ মামাতো বিদেশ হইতে আসলো, তো কাইল সে খালাতো গিফট পাঠাইলো, পরশু আবার আরেক চাচতো বিয়া সান্ধাইল, বা বিয়া ভাংলো, ইত্যাদি ইত্যাদি। মোটকথা চরম বিরক্তিকর। সে ফোন দিলেই আমি আর দুস্ত ত্রাহি ত্রাহি কইরা দ্বিগবিদিক দৌড়াইয়ে পালাইতে চাই। লাভ হয়না। ঢাকা শহরের ট্রাফিক জ্যাম নিমেষে পাড়ি দিয়ে তুতোময় বন্ধু ঠিক আমাদের ধরে ফেলে। এরপর চরদখলের মত তুতোআলাপি বন্ধু কলকল করে দখল করতে থাকে আমাদের সময়। আমরা গোমড়া মুখে বসে থাকি, শুনতে শুনতে কানের অবস্থা যায়যায় প্রায়। তাই একদিন উনারে বললাম আচ্ছা, আপনার খালাতো মামাতোদের গল্প তো শুনলাম, আসেন এবার আমারগুলা বলি।
-“শিওর, শিওর, হাউ নাইস!! আমার না কাজিনদের গল্প শুনতে এত্ত মজা লাগে, চিন্তার বাইরে।”
-কন কি? আমি তো কাজিনদের দুইচক্ষে দেখতে পারিনা।
আনটাইটেল্ড রোমান্স
উত্সর্গ : শ্রদ্ধেয় তানবীরা আপুকে, আমার সব কবিতা যার মাথার উপর দিয়ে যায়।

শরমবতী বৌ এর মতো আড়াল নিলে কুসুম রঙের দিন
চক্ষু পোড়ায় জলের মতো নিবিড় সজল তোমার ঠোঁটের ঋন ।
কমলা পিঠের শ্যামলা তিল আর সর্বনেশে তোমার ছলাত্ বুক
চাঁদের মতো জোছনা দিয়ে ভাসিয়ে দেয় মনের জমিন টুক ।
তোমার কাছে বারুদ কাঠি, শুকনো হৃদয় রাস্তা ঘাটে খুব
আমার দারুন আদর মাখা বুক , তবু দিলে গভীর জলে ডুব।
আমার আছে নীল কলমে তরল হয়ে ধুসর রঙা দুখ
হিসেবপটু চতুর মেয়ে, সুখ খুঁজেছ, থাকুক তোমার সুখ।
আমার প্রথম পোস্ট
এবি'তে এটা আমার প্রথম পোস্ট। যেকোন ধরনের ব্লগেই এটা আমার প্রথম লেখা। অনেক আগে কবিতা লিখতাম। সেসব নিতান্তই শিশুতোষ কবিতা ছিলো। সেই খাতাটা আমার কাছে আছে। ইচ্ছা ছিলো সেই কবিতাগুলো এবি'র পাতায় লিখে রাখার। কিন্তু প্রথম পাতার মৃত্যূ এবং তারপর... পোস্টটা পড়ে আজ অনেকদিন পর একটা কবিতা'ই লিখতে ইচ্ছা হলো। আমি মৃত্যূ নিয়ে খুব বেশি ভাবাভাবি করি না। এটা নিয়ে ভেবে অভ্যস্তও নই। তবু ভাবতে বসে খুব অবাক হয়ে খেয়াল করলাম, কিভাবে মারা যেতে চাই সেটা আমি মনে মনে ঠিক করে রেখেছি।
---------------------------------------------------------
মৃত্যূ নিয়ে ভাবতে ভালো লাগে না।
হয়তো আরো অনেক দিন বাঁচার ইচ্ছা আছে আমার।
সবশেষে স্বাভাবিক মৃত্যূ বরণের সুযোগ
পেলেই আমি নিজেকে ধন্য ভাববো।
চাকার তলে পিষ্ট মাথা
উত্তপ্ত পিচের উপর ইতস্তত লেপ্টে থাকা মগজ
রোদ্দুরের কবিতা ২
ভেসে যাক রোদ্দুর যেখানে তার উদারতা ছড়াবে বিস্তৃত
আমাদের নীল সরোবর বয়ে যাক মৃত্যুর মতোন হিমবাহে;
বেগুনি নৌকার পাল কুয়াশার আড়ালে ক্ষয়ে গেলে কার কী!
একা থাক তবে সাদা ঘর, অথবা দখল করে নিক ডাইনী বুড়ি
সুদীর্ঘ পাহাড় বেয়ে ওঠা সিঁড়িতে শ্যাওলা জমে ঢেকে দিক
পায়ের আওয়াজ কিম্বা ইতিহাসের সকল বিবর্ণ অক্ষর।
কুলফি মালাইগুলো বরফের আস্তরনে ধীরে সভ্যতারে
ডাকুক নতুন নামে। নামহীন মরে যাক পরাজিত জন;
রোদ্দুর কখনো যার কোনো নাম রাখে নাই, না রাখুক!
চলে যাক রোদ্দুর নতুন কোনো দেশে। এই ভূমি মৃত্যুর কাছেই
বাঁধা রয়ে যাবে, কোনো এক জ্ঞানী বৃদ্ধ বহুকাল আগে
বলেছিলো দৃঢ় কণ্ঠে, এই ভূমি মৃত্যুর মতোন বিরক্তির!
শীতল শীতল মিহি বরফ বাতাসে চাপা থাকুক মর্গের নীরবতা।
কোনো এক প্রত্নবিদ এসে একদিন ঠিক জেনে যাবে
রোদ্দুর চলে গেছে একবিংশ শতকে আমাদের ছেড়ে...