ইউজার লগইন
ব্লগ
আমাদের গাজীপুর
গাজীপুর জেলা সাধারণ তথ্য :
ইতিহাস আর ঐতিহ্যের সংশ্লেষে কালোওীর্ণ মহিমায় আর বর্ণিল দীপ্তিতে ভাস্বর অপার সম্ভানায় ভরপুর গাজীপুর জেলা। ইতিহাস খ্যাত ভাওয়াল পরগণার গহীণ বনাঞ্চল আর গৈরিক মৃওিকাকোষের টেকটিলায় দৃষ্টিনন্দন ঐতিহাসিক এ জনপদ ১৯৮৪ সালের ১ মার্চ গাজীপুর জেলা হিসেবে আত্নপ্রকাশ করে।
প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যময় অপার সৌন্দর্যমন্ডিত, অর্থনৈতিক অতিগুরুত্বপূর্ণ গাজীপুর জেলার আপনাকে
স্বাগতম ।
শিক্ষা:-
শিক্ষা প্রতিবেদন:
কবিতার চলাচল
কবিতার কাছে সব বলা যায়,
প্রিয়জনের শপথের চেয়েও যে বেশী আপন
নিজের সেই একান্ত গোপনীয়তা, সেতো কবিতায় প্রকাশ।
কবিতাই পারে মুখোশ খুলতে,
অতিমানবকে টেনে হিঁচড়ে জনারণ্যে দাঁড় করাতে
কবিতাই পারঙ্গম।
কবিতারা যুদ্ধ করে।
রেসের ময়দানে দাঁড়িয়ে জ্বালাময়ী ভাষন , সে তো কবিতাই।
আবার সীমাহীন আকাশ, সফেন সমুদ্র আর
অবারিত সবুজ
এক একটা নিটোল কবিতা নয় কি?
কবিতা মহাকালের মত, প্রাচীন জনপদের মত।
নরম কোন গানের মত।
আবার ঝরে পড়া বৃষ্টির শব্দ-
জাল বুনে বুনে কখনও
তৈরী করে কবিতা।
কবিতা নারী হতে জানে,
হতে জানে আবেগী যুবক-
তুলতুলে শিশুও হয় কখনও।
আর হয় প্রাচীন, অভিজ্ঞ কোন বৃদ্ধ কবিতা।
ঝুলে পড়া চামরায়
ত্বকের প্রতিটি ভাঁজে ভাঁজে জমা হয় যার অশেষ বাণী;
কবিতারা মানুষের মিছিলের মত;
তাদের হাতে প্রজ্জ্বলিত মশালের মত;
কবিতা কেঁপে কেঁপে ওঠা হাওয়ার মত;
কবিতা যুদ্ধ শেষে ঘরে ফেরা কিশোরের মত।
হানাহানি আর নৈতিক দৈন্যতার পৃথিবীতে প্রভুযিশুর জন্মদিন শুভ বড়দিন

শুভ বড়দিন!
ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের কাছে যিনি ঈসা (আঃ) বিশ্বের তাবৎ খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীদের কাছে তিনিই যিশু; মানবজাতির পথপদর্শক। মানবজাতির ত্রাতা বা উদ্ধারকর্তা হিসেবে পৃথিবীতে আবির্ভাব হয়েছিল প্রভুযিশুর। হিংসা, বিদ্বেষ, পঙ্কিলতাপূর্ণ সেসময়কার পৃথিবীর মানুষকে সুপথে আনার জন্যই তার আবির্ভাব হয়েছিল।
ছবিতে ছবিতে পিকনিকের গপ্পো
আমাদের সবার আকাঙ্খিত , প্রতিক্ষীত পিকনিক হয়ে গেল গতকাল ২৪শে ডিসেম্বর।
মেসবাহ ভাইয়ের অক্লান্ত পরিশ্রম আমাদের পিকনিকের প্রেরনার উৎস।
ভাড়া করা হয়েছিল বি আর টি সি'র নতুন চাইনিজ বাস । এবার জয়িতা চাকার উপর না বসাতে বাসের টায়ার নষ্ট হয়নাই, আমরাও কোথাও নেমে চা খাইতে পারি নাই। মেসবাহ ভাই কে চায়ের কথা বললেই বলেন - নো-টি
লাস্ট স্টপেজ - রাজধানী স্কুল থেকে যাত্রা করে বাস । বাসে উঠেই দেয়া হয় নাস্তা
বিড়ম্বনার শেষ কোথায়
নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে শীত পড়ে বেশ । এই শীতের মধ্যে পরীক্ষা দিতে যায় ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা । আমরা মনে করি তাদের না-জানি কত কষ্ট হয় ! আসলে কিন্তু তারা থাকে আনন্দে – পরীক্ষা শেষ হলেই ছুটি, ছুটিতে কোথাও বেড়াতে যাওয়া আর সবচেয়ে আনন্দ যেটা সেটা হচ্ছে নতুন ক্লাশ-নতুন বইয়ের ঘ্রাণ পাবার আহ্বান । আর যারা আরও ছোট, তারা তো থাকে মহা মহাআনন্দে । তাদের স্বপ্ন স্কুলে ভর্তি হওয়া – বাবা-মা বলেছে আর ক’টাদিন পরেই তাকে স্কুলে ভর্তি করে দেবে ।
জব্বর একখান পিকনিক হইলো
আহারে যারা যায় নাই, তারা কি মিসটাই না করলো... ! সারাদিন আনন্দ-ফুর্তি, হৈচৈ, গানা-বাজনা আর...খাওয়া-দাওয়াতো ছিলোই। স্পেশাল আইটেম হিসেবে আরো ছিল গরম গরম ভাপাপিঠা। পিকনিক স্পটটাও ছিল দেখার মতো। ছবির মতোই সাজানো,গোছানো এবং সুন্দর। সুন্দর,মনোরম পিকনিক স্পট জোগাড় করার জন্য শওকত মাসুমকে এবং সুন্দর পিকনিকের সফল আয়োজনের জন্য মেসবাহ য়াযাদকে পন্চাশ কেজি ধইন্যাপাতা (ধইন্যাপাতা এখন খুবই সস্তা,তাই বেশী কইরা দিতে অসুবিধা নাই)। বেশী কথার প্রয়োজন নাই, আসেন ছবি দ্যাখেন আর যাইতে না পারার দু:খে আফসোস করতে থাকেন...। কি আছে দুনিয়ায়,আজ মরলে কাইল দুই দিন....।(আমার না এইটা উদরাজীর ডায়লগ)।
শুভ জন্মদিন দোস্ত!
এবি'তে এসেছে ২মাস হলো, এক মাঝে অবশ্য নিজের পরিচিতিটা বানিয়ে ফেলেছে ও।
আমার সাথে পরিচয় প্রায় ৪ বছর আগে। পরিচয় হবার পরদিনই ও আমাকে জিজ্ঞেস করলো, "নাজ তোমার কি মন খারাপ?" হ্যাঁ, ঐদিন আমার প্রচন্ড মন খারাপ ছিলো। কিন্তু, ও বুঝলো কি করে? জানিনা একেই হয়তো বন্ধুত্ব বলে!
আমার খারাপ সময়গুলোতে এত এত মানুষের ভীড়ে যাকে আমি সবার সামনে পেয়েছি, যাকে মন খুলে সব কথা বলেছি, যার কাছ থেকে অনেক অনেক অনেক ভাল কিছু সময় পেয়েছি, আজ ওর জন্মদিন ছিলো।
লিজা!
Sorry রে! সব কিছু নিয়ে এখন নিজের মাঝে এতই ব্যস্ত থাকি যে, সারাদিনে তোর একটা খবরও নিতে পারিনি আজ।
মাফ করে দিস দোস্ত 
অনেক অনেক ভালো থাকিস!
ব্রেকিং - আমরা বন্ধু পিকনিক চলছে।
আমরা বন্ধু'র পিকনিক। গাজীপুর চোরাস্তা পেরিয়ে আমরা বন্ধু'র গাড়ী পিকনিক স্পটের কাছাকাছি এগিয়ে চলছে। সকাল ৭;৩০ ল্যাবএইড, ৮;৩০ শাহবাগ মোড় এবং ৯;০০ টায় রাজধানী স্কুলের সামনে থেকে পিকনিকের গাড়ী বন্ধুদের নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। এখানে আপনাদের একটু বলে রাখা ভাল, বাংগালী স্বভাবমত নিধারিত লিফটিং স্পটে হাল্কা একটু দেরী হয়েছে মাত্র। সর্বশেষ খবর পাওয়া থেকে জানা যায়, রাস্তায় অনেক জ্যাম থাকে কারনে নিধারিত সময়ে গাড়ী পিকনিক স্পটে পোছাতে পারবে না। বিশেষ করে হযরত শাজালাল এয়ারপোর্ট চক্কর পার হয়ে টংগী ব্রিজ থেকেই ভয়াবহ জ্যাম দেখা পাওয়া যায়।
শিক্ষাব্যবস্থার জোয়াল টানছে কারা?
অদ্যাবধি পিতৃত্বের সবচেয়ে বড় চাপটা অনুভব করেছি গত ২ মাস যাবত, ছেলেকে স্কুলে দেওয়ার আগে এতটা চাপ অনুভব করিনি কখনও। ছোটোদের ক্লাসে এত বাহারী ধরণের বিষয়াদি আলোচিত হবে এমনটাও ধারণা করি নি, এবং এই চাপ কিংবা তথাকথিত শিক্ষাপদ্ধতিগত যন্ত্রনা এবং আমার নিজের মুঢ়তা কিংবা অদক্ষতায় আমার ব্যক্তিগত আচরণ ততটা পিতৃসুলভ ছিলো না। আমি গত ২ মাসে বেশ কয়েকবার নিজের ভাবনার নিয়ন্ত্রন হারিয়েছি, ছেলের সাথে বিশ্রী রকমের চিৎকার করেছি, কখনও কঠোর হতে হয়েছে, স্কুলের হোমওয়ার্ক, ক্লাশওয়ার্ক নিয়মিত জমা দেওয়া এবং না দেওয়ার এই ক্রমাগত "টাগ অফ ওয়ার" আমার ভেতরের সবচেয়ে নির্দয় অংশটিকে উন্মুক্ত করে দিয়েছি। অবশেষে বেশ জঘন্য একটা পরিস্থিতিতে আমি নিজেই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হলাম "এইসব পদ্ধতিগত যন্ত্রনা" আমি বিন্দুমাত্র আমলে আনবো না, আমি অন্তত শিক্ষা বিষয়ে মাথা ঘামাবো না। হোম ওয়ার্ক, ক্লাশ ওয়ার্ক, স্কুলের গ্রেড কিংবা অন্যসব জটিলতা নিয়
আমাদের গাজীপুর
বাংলা দেশে ৬৪ জেলা আছে । তার মধ্যে গাজীপুর একটি জেলা । গাজীপুর হাতে পারে বাংলা দেশের একটি অন্যতম পর্যটন জায়গা। গাজীপুরে আছে প্রাকৃতিক নানা সুন্দর্য এবং নানা রকমের জায়গা, যা পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষন করবে এবং পাশা পাশা গাজীপুরে ঐতিয্য ধারন করে রাখবে চিরকাল। গাজীপুর নাম করন করা হয়েছে ভাওয়াল রাজাদের আমল ..............................................আসিতেছে (আমাদের গাজীপুর )
হ্যালো কুট্টুস...
হ্যালো কুট্টুস
মাস পাচেক আগে ঋহানের আগমন... এটা সব্বাই জানে
এখন ঋহান ব্যাঙ্গের মত লাফানো শিখছে... এটাও অনেকেই জানে
তাহলে কি বলবো নতুন করে? আসলে বলার কিছু নেই... আবার বলার শেষ ও নেই। এই ধরেন অফিস থেকে ফিরে বাসায় অথবা আব্বুটা তার নানা বাড়ি... আব্বুটার পেছনে গিয়ে চুপি চুপি যদি বলি কুটুস পুটুস... চারিদিকে খোজা শুরু করে শব্দের উৎস। আর খুজে পেলেই তার ভুবন জুড়ানো হাসি। তাছাড়া অন্য কোন ভাবেই তার এটেনশন পাওয়া মুশকিল।
আবার বিছানায় ফেলে ব্যাপক ডলাডলি... ব্যাপক কথাকথি। বোঝায় যাচ্ছে টকেটিভ হবে
... তবে ভাষন না দিলেই হয় । একটা বিষয় বোধগম্য নয়... ঋহন জয়ীতার কোলে গেলেই ঘুমায় যায় ক্যান? 
না বদলানোর শপথ!
কাল বুয়েট যাচ্ছিলাম। নীলক্ষেত থেকে বুয়েট হেঁটেই যাই। কারণ অযথা বেশি টাকা দিবো ক্যান?! প্লাস হাঁটতে সেই রকম ভালো লাগে আমার!
(নিজের ব্যাপারে বলি বাপ্পি দুনিয়ায় একটা কাজই ভালো পারে, সেটা হচ্ছে হাঁটাহাঁটি!)
যাবার পথের রাস্তাটায় ভাত বিক্রি করে কিছু মহিলা। রিকশাওয়ালা/ভ্যানওয়ালারা সেখানে খায়। খিচুড়িও থাকে দেখেছি। একদিন অন্তত খেয়ে দেখার ইচ্ছে আছে! (বাঙালির একদিনের পান্তার মত!) তো কাল যাবার সময় দেখলাম কয়েকজন মিলে একসাথে ভাত খাচ্ছে।
খুব সাধারণ ঘটনা, কিন্তু আমার চোখ আটকে গেলো তাঁদের মুখ দেখে। কী অদ্ভুদ একটা শান্তির ছোঁয়া, মুখে কী অদ্ভুদ সুখানুভূতির আঁচড়!
আমি থমকে দাঁড়ালাম! কেএফসি/নান্দো'স/হ্যালভেশিয়ায়...নানান পার্টি/গেটটুগেদার এ আমার যে সব ছবি আছে। সে সব ছবিতে কি কখনো এই রকম সুখানুভূতি খুঁজে পাওয়া যাবে?
নিজের কাছে নিজেই লজ্জা পেয়ে গেলাম।
কার্পেট ব্যাপারীর জাহাজের খবর
আদিম যুগে যখন মানুষ বাড়িঘর তৈরি করতো তখন আমাদের পিতা আমাদের জন্য ঢাকা শহরের কোন এক কোনায় একটা মাথা গুজবার ঠাঁই তৈরি করেছিলেন। এখন মর্ডান যুগ, চারদিকে হাল ফ্যাশনের ফ্ল্যাট আর আমাদের বাড়িঘর নিতান্তই পুরানো। আমরা বুকে দীর্ঘশ্বাস চেপে একষ্ট ভাইবোনেরা মেনে নিয়েছি, সবার ভাগ্যে সব থাকে না। কিন্তু আমার মা জননী এই কষ্ট সহ্য করতে পারেন না। ওনার বান্ধবীদের নতুন চকচকা ঝকঝকা ফ্ল্যাট, কিচেন ক্যাবিনেট, টাইলস, স্লাইডিং ডোর আরো কতোকি। আর আমাদের প্রায় ছাল ওঠা মেঝে, ঘুনে ধরা দরজা। জননীর দীর্ঘ শ্বাসে প্রকম্পিত হয়ে আমি বললাম, ঠিকাছে টাইলস করাতো আপাততঃ সম্ভব নয়, তোমার ঘরটাকে পুরো কার্পেট করে নাও, তাহলে মেঝে দেখতে হবে না, তোমার বান্ধবীদের কাছেও প্রেষ্টিজ ঠিক থাকবে।
রোদকণা
বিশাল সমুদ্র আহ্বান করে না
লাল পাহাড় ডাকে না
শান্ত নদী স্মরণ করে মাঝরাতে
দূর কাশবনে শুধু মগ্ন নির্জনতা ডাকে।
অনুভূতিহীন দিন কেটে যায় বিরহ-সন্ন্যাসে
শীতল কুয়াশার চাদর সরে
রোদকণা জমে থাকে রূপালী বিভ্রমে।
প্রতারণা করে মেঘ পরাজিত চাতকের সাথে
তবুও বর্ষণ হলে চাতকের জলতৃষ্ণা হয়।
অপেক্ষার সময় প্রসারিত হয়ে
জমে থাকা কথানুড়ি
নিঃশব্দে গড়িয়ে যায় ঝর্ণার ধারে।
স্বপ্নগুলো উড়ে যায় গভীর অরণ্যে।
মা জয়িতা, হারিকেনটা নিয়ে আয় তো।
সালাম সাহেবের বয়স অনেক হল। এখন পুরাপুরি বৃদ্ব কালে আছেন। স্ত্রী তামান্নাও বুড়ি হয়ে গেছেন। একমাত্র ছেলেটাকে অনেক পড়া শুনা শিখিয়েছেন, বিরাট বড় চাকুরী করে আমেরিকায়। মাইক্রোহিট নামের একটা ওয়ার্ল্ড রিকগনাইসড কোম্পানীর অপারেশন ডাইরেক্টর। সারা বছর নানা দেশে ঘুরে বেড়ায়। ছেলেটা নিজের ইচ্ছায় ম্যচাচুসেটস এর এক বনেদী পরিবারে বিবাহ করেছে। বিদেশী ছেলের বউটা অনেক ভাল। বিবাহের পর অনেকবার এসে গেছে।