ইউজার লগইন
ব্লগ
রাংটিয়া, সমতল ও পাহাড়ীয়া এলাকা।
বাংলাদেশের শেরপুর দিয়ে ভারত বর্ডারে কাছাকাছি একটি জায়গার নাম রাংটিয়া। সমতল ও পাহাড়ীয়া এলাকা। পাহাড় ভাগাভাগিতে আমরা অনেক কম জায়গা পেয়েছি। পাহাড়ীয়া এলাকার বেশীর ভাগ এলাকাই ভারতের! পাহাড়ের গাছপালা ও পরিবেশ দেখতে চাইলে আপনি রাংটিয়ায় গিয়ে গজনীতে যেতে পারেন। ঢাকা থেকে খুব ভাল রাস্তা। ময়মনসিংহ, শম্ভুগঞ্জ হয়ে আপনি সরাসরি রাংটিয়া চলে যেতে পারেন। দিনে যেয়ে দিনে ফিরে আসা সম্বব, তা না হলে নালিতাবাড়িতে এক রাত কাটিয়ে পরদিন মধুটিলা ইকোপার্ক দেখে ফিরতে পারেন। টাওয়ারের উপর উঠে বিশুদ্ব হাওয়া খেতে খেতে মনটা এমনিতে চাঙ্গা হয়ে যাবে।

বন্ধুদের নিয়ে বের হয়ে যান।
শুধুই ছবি- ভাল বা মন্দ
কোনদিন ভাল একটা ছবি তুলতে পেরেছি বলে মনে পড়েনা । তবু ক্যামেরা চালাই- কোন কিছু না ভেবেই । আবার ছবি আপলোড-ডাউনলোড বা সাইজ-রিসাইজ মাথায় ঢোকেনা । যদিবা কোন গুতোগাতা খেয়ে ঢুকে পড়ে, তা বের হয়ে যেতে সময় লাগেনা মোটেও ।
এবারের পিকনিকের ছবি সবার দেখা হয়ে গেছে ইতিমধ্যে । তবু আমারও ইচ্ছা হলো ডানা মেলবার ।
এই সেই বাস, যা এবার সবাই পছন্দ করেছে -
রাজধানী স্কুলের সামনে দীর্ঘ প্রতীক্ষা-
স্বাস্থ্য রক্ষায় হাসির কোন বিকল্প নাই
সেন্ট মার্টিন (দুশো বছর পরে)
মুখবন্ধঃ ২০০৮ সালের ৩১শে ডিসেম্বর সেন্ট মার্টিনে ছিলাম দুদিন। আরো থাকার খুবই ইচ্ছে ছিলো কিন্তু নিরন্তর ব্যস্ততা দিলো না আমায় অবসর। “ফার ফ্রম দি ম্যাডিং ক্রাউড” এ ধরতে গেলে প্রায় রিমোট অঞ্চলে যেয়ে আমার মন প্রশান্তিতে ভরে ছিলো। গাড়ি নাই, কারেন্ট আসে মাত্র দু এক ঘন্টার জন্যে, গরম পানি নাই, মোবাইলের নেট ওয়ার্ক নাই, ল্যাপটপ নাই, ফেসবুক নাই, ব্লগ নাই আহা কি শান্তি কতোদিন পর। এই মুগ্ধতার রেশ বহুদিন আমার মনে ছিলো আরো বহুদিন থাকবে আমি জানি। আমি স্বভাবগত ভাবেই ক্ষ্যাত টাইপের মানুষ, বহুদিন বিদেশে থেকেও ক্ষ্যাতত্ব ঘুচে নাই। কয়লা ধুলে যা হয় আর কি। আমার কেনো যেনো ওয়েল এ্যরেঞ্জড ভ্যাকেশেনের থেকে এসব খাওয়ার ঠিক নাই, শোওয়ার ঠিক নাই টাইপ ভ্যাকেশন খুব ভালো লাগে। নীল দিগন্ত নামে এক রিসোর্টে গেছি রিসোর্ট দেখতে, পাশে লেকমতো কেটেছে তারা তাতে দেখি সাপ দৌড়াদোড়ি করে খেলছে, পানির ওপর থেকে দেখে প্রশান্তিতে মনটা ভ
ছবি, পিকনিকের আরো ছবি
পিকনিকের যা যা ছবি দেওয়া দরকার, সবাই অলরেডি দিয়ে দিয়েছেন। ছবি তোলার অভ্যাস আমার নাই; তাছাড়া বড় বড় কামানসাইজ ক্যামেরাও আমার নাই। তারপরও বেশ কিছু ছবি তুলেছিলাম এবির পিকনিকে। ফটোগ্রাফারেরা বকা-টকা দিবেন না, সেই আশায় কিছু ছবি পোস্টালাম।
১.

সুস্বাদু পাউরুটি-কলা দিয়ে নাস্তা চলছে...
২.

মারাত্মক খাটা-খাটনি করার জন্য মেসবাহ ভাই ও অন্যদের ফুল উপহার।
৩.

আমার বন্ধু 
৪.
জীবিকা অথবা জীবন- ৬
চারটা মোরগ আর ষোলোটা মুরগির ভেতর দশটা মুরগি ডিম দেয়। প্রতিদিন সকালে গোয়াল ঘরের কাজ সেরে গুনেগুনে মোরগ মুরগিগুলোকে পাশের দেয়ালের সঙ্গে লাগানো তিনদিকে তারের জাল দিয়ে ঢাকা আলাদা খাঁচায় ঢুকিয়ে দিয়ে খুদ-কুঁড়ো খেতে দিয়ে মুরগির খোঁয়াড় পরিষ্কার করার আগে ডিম আছে কি না উঁকি মেরে দেখে মনু মিয়া। সে এখানে আসার আগে সব ডিম নিয়ে যেতো আজগর চকিদার। রহমান সাহেব আর সালমা বেগম স্বাস্থ্য আর বয়সের কারণে ডিম-দুধ খাওয়া ছেড়ে দিয়েছেন অনেক দিন।
মনু মিয়া অবাক হয়ে বলেছিলো, কন কি নানি? মুরগার পিছে যত খাওন খরচ যায় হেই ট্যাহা ডিমা বেইচ্যাই পাওনের কতা! চহিদাররে দিলে খরচ কমলো কেমনে?
মনু মিয়ার কথা শুনে সালমা বেগম হাসতে হাসতে বাঁকা হয় যান। শেষে রহমান সাহেবকে ডেকে বলেন, মন্টুর বাপ হুনছো পাগলের কথা?
রহমান সাহেব স্ত্রীর কথা বুঝতে না পেরে বলেন, কোন কথা?
বোনাস লাইফ
শিরোনামটা শুদ্ধ হলো কিনা বুঝতে পারছি না। ইংরেজিতে আমার খদল একেবারেই নেই। এই দেখুন ইংরেজি ভীতিতে দখলটাও খদল হয়ে যাচ্ছে!
যাই হোক। নিচের ঘটনাগুলো পড়ুন।
১
ছোটবেলায় আমার বয়স যখন ১০, একবার গাব গাছের ডাল ভেঙে নিচে পড়ে গিয়েছিলাম। ভাগ্যিস ডাল আর মাটির মাঝখানে লাউয়ের মাচা ছিল। পতনকালে মাঝপথে ওখানে আটকে পড়ায় এখন পর্যন্ত আরও ২৫ বছর বেঁচে আছি।
২
বয়স তখন ১২ বছর। ভাই বোন সবাই মিলে পুকুরে মাছ ধরছি। দুপুরবেলা হয়রান হয়ে ঘরে এসে এক মগ রেডিমেড শরবত খেয়েছি ঢকঢক করে। ওমা খেয়ে তো হেচকি দিতে দিতে মরে যাওয়ার দশা! আব্বা পানের সাথে তামাক পাতা (সাদা পাতা) খেতেন। তামাক পাতা ধোয়া পানিই আমি শরবত মনে করে খেয়ে ফেলেছিলাম। পরে মা বোনেরা তেঁতুল খাইয়ে আমাকে সে যাত্রা বাঁচিয়েছেন।
৩
হাফ-ওয়াল,লাল-নীল ফুল ও একজন আইন্সটাইনের উপলব্ধি
অপেক্ষার এই সময়গুলোতে ক্যাফের সাম্নের হাফ-ওয়াল টাকে বড্ড আপন মনে হয় আমার । বাচ্চাকালে দেখা এক্টা বিজ্ঞাপনের কথা মনে পড়ে গেলো । পশ্চিমের শীতবস্ত্রের মোড়কে আচ্ছাদিত এক বঙ্গ ললনা নাচন-কুদন করে আমাদের জানাতেন যে , গ্রীষ্ম-বর্ষা-শীতে ত্বকের যত্ন নিতে, তিব্বত পমেট-ই তার একমাত্র সঙ্গী । কিন্তু সৌভাগ্যবশত (কিম্বা দুর্ভাগ্যবশত),সেই ললনার মেকাপ বিহীন মুখমন্ডল দেখবার পর হতে, তিব্বত পমেট এর সঙ্গ লাভের যৌক্তিকতা খুজে পাইনি আজও । কিন্তু যৌক্তিকতা বোধহয় স্থান,কাল,পাত্রের উপর নির্ভরশীল । বুয়েট এর স্থাপন কালে কোন যুক্তিতে, এরকম আপাত-দৃষ্টিতে আধা সম্পূর্ণ একটি দেয়াল বানানো হয়েছিল তা প্রায়ই আমার 'কিছু না করার সময়' গুলোতে চিন্তার খোরাক যোগান দেয় । কোনো দূরদর্শী প্রেমিক প্রকৌশলী হয়ত তখন বুঝে থাকবেন যে, আজ হতে কয়েক যুগ পরে এই হাফ-ওয়ালটাই এ যুগের প্রেম-প্রকৌশল এর ছাত্রদের কাছে তিব্বত পমেটের মত গ্রীষ্ম-বর্ষা-শীত
কতিপয় কোশ্চেনের উত্তর দিয়ে পুরষ্কার জিতে নিন
এবি পিকনিক নিয়ে নানাজনে নানান ধরনের পোস্ট দিয়েছেন। আমি আর সেসবের মধ্যে না যাই। পিকনিকে যারা অংশ নিয়েছেন, সবাই বিয়াপক জ্ঞানী...। কিন্তু কে কতোটা জ্ঞানী, সেটা জানার জন্য আসেন সবাই মিলে কতিপয় কোশ্চেনের উত্তর দেবার চেষ্টা করি। এতে প্রমানিত হবে কার আই কিউ কত মাত্রার।
ক) ল্যাবএইড থেকে গাড়ী ছাড়ার কথা ৭.৩০ মিনিটে। সব ঠিক ঠাক থাকা স্বত্বেও ঠিক সময়ে বাস ছাড়া যায়নি... এর কারন কী ?
১. জয়িতার দেরীতে আসা
২. ডেকোরেটারের মালামাল না পৌঁছানো
৩. বাসের ড্রাইভারকে খুঁজে না পাওয়া
খ) ৮.৩০ মিনিটে শাহবাগ বাস গেলেও ছাড়তে দেরীর কারন...
১. বাফড়াকে খুঁজে না পাওয়া
২. রায়হান ভাইয়ের আসতে দেরী
৩. উদরাজীর না আসা
গ) ৯ টায় রাজধানী স্কুলের সামনে বাস যাবার পরও কেনো বিলম্বে ছাড়তে হলো...
১. জেবীনের আসতে বিলম্ব
পিকনিক রঙ্গ
১. সেরা ধরা খাওয়া......
সবাই বাসে বসে আছে। কিন্তু বাস আর ছাড়ে না। মেসবাহ ভাই বাস ছাড়তে কিছুতেই রাজী হচ্ছেন না। সবাই অস্থির, কিন্তু মেসবাই অনড়। কাহিনী কী? কাহিনী হচ্ছে একটা ফোন। মেসবাহ ভাইয়ের হলুদ ফোনে একটা ফোন আসে, আর মেসবাহ ভাই গাড়ি ছাড়তে না করে।
বিষয় হচ্ছে একজন আসছে, তাকে পিকনিকে নিয়ে যেতে হবে। সে আসলো ৪০ মিনিট পর। সাথে ফুল ফ্যামিলি। আসলো গাড়িতেই।
এসেই বলে, আপনাদের বাসরে তাহলে আমরা ফলো করি........
২. আবারও সেরা ধরা খাওয়া.......
রায়হান ভাইয়ের একটা মন্তব্য.......আপনার এই কালেকশনটা ভাল হয় নাই।
এর ব্যাখ্যা করা সম্ভব না।
৩. সেরা জামাই.....
সবাই ঘুরে বেড়ালো, বউ তাস খেললো, তিনি ভাল করে খেতেও পারলেন না, কিন্তু ছেলেকে খাওয়াতে হলো...
তার দুঃখে চক্ষে পানি চইলা আসছিলো। আমার একার না, অনেকেরই।
আমরা বন্ধু পিকনিক ২০১০
যে সকল বন্ধুরা ২৪ তারিখের পিকনিকে গিয়েছিলেন তাদের অনেকেই ইতিমধ্যে ব্লগে ছবিসহ পোস্ট দিয়েছেন, বা ছবি দেখেছেন । দেখেছেন আর স্মৃতিকাতর হয়েছেন । আবার কবে পিকনিকে যাবেন আর এমন মজা করবেন তা নিয়ে বিস্তর গবেষণাও করেছেন অনেকে । অনেকে পিকনিকে যান নাই, কেউ বা চাঁদা দিয়েও যেতে পারেন নাই, আবার দেশে না-থাকার কারণে অনেকেই অংশ নিতে পারেন নাই । এমন অনেকে হয়তো আছেন যাদের সময় ছিল, সুযোগ ছিল কিন্তু ছুটির দিনে দিবানিদ্রার মায়া ত্যাগ করতে ইচ্ছা না-করায় যাওয়া হয়ে ওঠেনি ।
পিকনিক নিয়ে বেশ কয়েকটি পোস্ট প্রকাশিত হয়েছে ইতিমধ্যে । আশা করা যাচ্ছে যে, আরো রসালো ও জ্ঞানগর্ভ পোস্ট অল্পদিনের মধ্যে পড়বার সুযোগ হবে । এসকল পোস্ট সব সময়ই উপাদেয় হয়ে থাকে, কখনো পুষ্টিকরও । দেহের পুষ্টি বা মনের পুষ্টি তা অবশ্য পুষ্টিবিদগণ গবেষণা করে নতুন নতুন তথ্য দিতে পারবেন ।
আমাদের গাজীপুর
গাজীপুর জেলা সাধারণ তথ্য :
ইতিহাস আর ঐতিহ্যের সংশ্লেষে কালোওীর্ণ মহিমায় আর বর্ণিল দীপ্তিতে ভাস্বর অপার সম্ভানায় ভরপুর গাজীপুর জেলা। ইতিহাস খ্যাত ভাওয়াল পরগণার গহীণ বনাঞ্চল আর গৈরিক মৃওিকাকোষের টেকটিলায় দৃষ্টিনন্দন ঐতিহাসিক এ জনপদ ১৯৮৪ সালের ১ মার্চ গাজীপুর জেলা হিসেবে আত্নপ্রকাশ করে।
প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যময় অপার সৌন্দর্যমন্ডিত, অর্থনৈতিক অতিগুরুত্বপূর্ণ গাজীপুর জেলার আপনাকে
স্বাগতম ।
শিক্ষা:-
শিক্ষা প্রতিবেদন:
কবিতার চলাচল
কবিতার কাছে সব বলা যায়,
প্রিয়জনের শপথের চেয়েও যে বেশী আপন
নিজের সেই একান্ত গোপনীয়তা, সেতো কবিতায় প্রকাশ।
কবিতাই পারে মুখোশ খুলতে,
অতিমানবকে টেনে হিঁচড়ে জনারণ্যে দাঁড় করাতে
কবিতাই পারঙ্গম।
কবিতারা যুদ্ধ করে।
রেসের ময়দানে দাঁড়িয়ে জ্বালাময়ী ভাষন , সে তো কবিতাই।
আবার সীমাহীন আকাশ, সফেন সমুদ্র আর
অবারিত সবুজ
এক একটা নিটোল কবিতা নয় কি?
কবিতা মহাকালের মত, প্রাচীন জনপদের মত।
নরম কোন গানের মত।
আবার ঝরে পড়া বৃষ্টির শব্দ-
জাল বুনে বুনে কখনও
তৈরী করে কবিতা।
কবিতা নারী হতে জানে,
হতে জানে আবেগী যুবক-
তুলতুলে শিশুও হয় কখনও।
আর হয় প্রাচীন, অভিজ্ঞ কোন বৃদ্ধ কবিতা।
ঝুলে পড়া চামরায়
ত্বকের প্রতিটি ভাঁজে ভাঁজে জমা হয় যার অশেষ বাণী;
কবিতারা মানুষের মিছিলের মত;
তাদের হাতে প্রজ্জ্বলিত মশালের মত;
কবিতা কেঁপে কেঁপে ওঠা হাওয়ার মত;
কবিতা যুদ্ধ শেষে ঘরে ফেরা কিশোরের মত।
হানাহানি আর নৈতিক দৈন্যতার পৃথিবীতে প্রভুযিশুর জন্মদিন শুভ বড়দিন

শুভ বড়দিন!
ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের কাছে যিনি ঈসা (আঃ) বিশ্বের তাবৎ খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীদের কাছে তিনিই যিশু; মানবজাতির পথপদর্শক। মানবজাতির ত্রাতা বা উদ্ধারকর্তা হিসেবে পৃথিবীতে আবির্ভাব হয়েছিল প্রভুযিশুর। হিংসা, বিদ্বেষ, পঙ্কিলতাপূর্ণ সেসময়কার পৃথিবীর মানুষকে সুপথে আনার জন্যই তার আবির্ভাব হয়েছিল।
ছবিতে ছবিতে পিকনিকের গপ্পো
আমাদের সবার আকাঙ্খিত , প্রতিক্ষীত পিকনিক হয়ে গেল গতকাল ২৪শে ডিসেম্বর।
মেসবাহ ভাইয়ের অক্লান্ত পরিশ্রম আমাদের পিকনিকের প্রেরনার উৎস।
ভাড়া করা হয়েছিল বি আর টি সি'র নতুন চাইনিজ বাস । এবার জয়িতা চাকার উপর না বসাতে বাসের টায়ার নষ্ট হয়নাই, আমরাও কোথাও নেমে চা খাইতে পারি নাই। মেসবাহ ভাই কে চায়ের কথা বললেই বলেন - নো-টি
লাস্ট স্টপেজ - রাজধানী স্কুল থেকে যাত্রা করে বাস । বাসে উঠেই দেয়া হয় নাস্তা
বিড়ম্বনার শেষ কোথায়
নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে শীত পড়ে বেশ । এই শীতের মধ্যে পরীক্ষা দিতে যায় ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা । আমরা মনে করি তাদের না-জানি কত কষ্ট হয় ! আসলে কিন্তু তারা থাকে আনন্দে – পরীক্ষা শেষ হলেই ছুটি, ছুটিতে কোথাও বেড়াতে যাওয়া আর সবচেয়ে আনন্দ যেটা সেটা হচ্ছে নতুন ক্লাশ-নতুন বইয়ের ঘ্রাণ পাবার আহ্বান । আর যারা আরও ছোট, তারা তো থাকে মহা মহাআনন্দে । তাদের স্বপ্ন স্কুলে ভর্তি হওয়া – বাবা-মা বলেছে আর ক’টাদিন পরেই তাকে স্কুলে ভর্তি করে দেবে ।