ইউজার লগইন
ব্লগ
তুমি এলেনা
তুমি এলেনা
তোমার জন্য আমি অপেক্ষার প্রহর গুণে চলছি,
ভালোবাসার পসরা সাজিয়ে গাঁথছি নকশি কাঁথার বুনন,
আমার চোখের জলে হাসছে সুতোয় আঁকা জলকন্যা।
তুমি এলেনা
তোমার পথ ভিজে পথ ভিজে আছে শিশিরের কান্নায়,
রোজ রাতে জেগে থাকে বাগানের চারাগাছগুলি,
ওদের কান্নার শব্দে আমার চোখের পাতা মেলেনা,
তুমি এলেনা।
তোমার জন্য নিষ্ঠুর আকাশ আর আবির মাখেনা,
বিমুগ্ধ বাতাস কনকনে জল নিয়ে ফিরে আসে
মলিন সন্নাসী হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে রাধাচূড়ার মাতৃগর্ভ।
তবু তুমি এলেনা
তোমার অপেক্ষায় বিনিদ্র রজনী কাটছেনা আমার,
তোমার স্পর্শ ফিরে আসছেনা বরফশীতল হয়ে,
চিবুক গড়িয়েও ঝরছেনা এক বিন্দু নোনা জল।
একটু একটু করে শুধু চির ধরছে ধমনী, শিরা, উপশিরায়।
তুমি আসবেও না, জানি।
হাঁটবে না আমার পাথরে গড়া হাত ধরে,
তোমার ছোঁয়ায়ও আর থামবেনা আমার চুলের উড্ডয়ন,
নিঃশব্দ চুম্বনে কাটবেনা কোন পুর্ণিমা,
ক্যাপ্টেন হায়দার
রুমীর মৃত্যুর পরের ঘটনা। একদিন কয়েকজন
সহকর্মী নিয়ে জাহানারা ইমামের বাসায় এসে হাজির হলেন
ক্যাপ্টেন হায়দার্। জাহানারা ইমাম তখন স্বামী আর
ছেলে হারিয়ে শোকার্ত অবস্থায়। কোথাও
সমবেদনা জানাবে তা না। ক্যাপ্টেন হায়দার করে বসলেন
অন্য কাজ। জাহানারা ইমাম কে বললেন,
- আমার একজন বডিগার্ড দরকার্।
আমি কি জামী কে কিছুদিনের জন্য আমার
কাছে রাখতে পারি
বুঝতে হবে ,ক্যাপ্টেম হায়দার বলে কথা। কনভেনশাল
ওয়েতে শোক জ্ঞ্যাপনের আনুষ্ঠানিকতা তার সাথে যায়না।
বরং উল্টো এক কথায় প্রিয়জন হারানো বাড়িতে নতুন এক
বিশ্বাস ফিরিয়ে আনলেন।
এমনি ক্যারিজম্যাটিক ছিলেন হায়দার
মেলাঘরের প্রশিক্ষনে প্রথম দিন যখন ১৮-১৯ বছরের
সদ্য কৌশোর পেরোনো আপাত
বাচ্চা ছেলেগুলো কে দেখে আর্মির অন্যরা মুখ
টিপে হাসছিল।
খালেদ মোশাররফ এনে দাড় করিয়ে দিলেন
পাকিস্তান আর্মির স্পেশাল কমান্ডো ব্যাটিলিয়নের ক্যাপ্টেন
আশা
শুধু একটাই আশা
সুখ নয়, চাই শান্তি,
হোক না সে এক চিমটি
স্রষ্টার কাছে এই মোর মিনতি।
শুধু একটাই আশা
সরকারী কিংবা প্রাইভেট, হোক না সে একটা চাকুরী
যেন করতে পারি শুধু হালাল রুজি।
শুধু একটাই আশা
সুন্দর চেহেরা নয়,চাই সুন্দর মন
হোক না সে কৃষঙ্কলির মতন।
শুধু একটাই আশা
অট্টলিকা নয়, চাই একটা কুঁড়েঘর
যেখানে হবে মোর স্বপ্নের বাসর।
শুধু একটাই আশা
ছেলে কিংবা মেয়ে নয়,চাই সুসন্তান
যে করবে মা –বাবায় সম্মান।
শুধু একটাই আশা
মরুভুমি নয়,চাই সবুজে ঘেরা গ্রাম
যা দেখলে জুড়াবে মন ও প্রান।
শুধু একটাই আশা
এ প্লাস নয়, চাই শিক্ষার আলো
যা দিয়ে শিশুরা ঘুচাবে সমাজের কালো।
শুধু একটাই আশা
ইডেন গার্ডেন চাই না, চাই ছোট একটা মাঠ
যেখানে খেলবে শিশুরা এক ঝাক।
শুধু একটাই আশা
ঝগড়া কিংবা বিবাদ নয়, চাই শান্তির বার্তা
মিলেমিশে থাকবে প্রজা আর কর্তা।
শুধু একটাই আশা
দ্রুতগামী সময়, মায়ার খেলা!
অনেক কিছু লিখতে ইচ্ছে করে। কিন্তু লিখবো লিখবো করেও আর হয়ে উঠে না। আর যখন লেখার জন্য বসি তখন মনে হয় জমে থাক কথা, সব লিখে লাভ কি। কিন্তু আজ আমি লিখবোই। একটা বিশাল পোষ্ট লেখার ইচ্ছে। কারন আমার কত বন্ধু আছে যারা এক লেখাই সাতদিন ধরে লিখে, ড্রাফট করে, শেষে আর লেখাটা ব্লগে তো থাক কোথাও আলোর মুখ দেখে না। আমি অবশ্য সেরকম না। আমি তাৎক্ষনিক স্বকীয়তায় বিশ্বাসী। যা যখন ভাবি, তাই নিয়ে লিখতে ইচ্ছে করে। সেই ভাবনা শেষ, লেখার তেমন ইচ্ছেও থাকে না। তবে এখন সেই অবস্থার সামান্য চেঞ্জ আনার চেষ্টায় আছি, কিছু লেখার বিষয় জমিয়ে রেখে, এক সাথে এক পোষ্টে তা লিখে দেয়া। দেখা যাক কত দূর কি হয়!
সুন্দর পৃথিবী অসুন্দর মানুষ...
আমার একমাত্র মেয়েটা ধর্ষিত হয়েছে আজ ৪দিন।হাসপাতালের বেডে শুয়ে সে তার আঠারো বছরের জীবনের সব সুন্দর মুহূর্তগুলো স্মৃতিচারণ করছে,আমার খেয়াল সেদিকে ছিলো না।মেয়ের বিছানার সাদা চাদরের দিকে তাকিয়ে ছিলাম,দেখছিলাম কিভাবে সাদা চাদর রক্তে লাল হয় আপন মনেই ভাবছিলাম হাসপাতালের বিছানার চাদরগুলোর রঙ সাদা হওয়ার কি খুব প্রয়োজন ছিলো??
মেয়ের মা বেঁচে থাকলে এইরকম বিব্রতকর অবস্থায় আমাকে পরতে হত না।আমি সামনে থাকায় ডাক্তারের কোনো প্রশ্নের উত্তরই মেয়ে দিতে পারছে না।
৫ম দিন রাতে আমার মেয়ে হঠাৎ করে আমাকে জিজ্ঞেস করলো "আচ্ছা বাবা পৃথিবীটা এতো কুৎছিত কেনো'??
সে উত্তরের অপেক্ষা না করেই কুৎছিত পৃথিবীকে বিদায় জানালো।
লেট নাইট কুকিং
দরজা জানালা বন্ধ করা। তারপরও মনে হচ্ছে বেড়ার ফুটো দিয়ে শির শির করে বাতাস ঢুকছে ঘরে। রাত প্রায় শেষ। একটু পরেই মাইকে আজান দেবে। ঘণ্টা কয়েক ধরে ইন্টারনেটে বার্তাচালাচালি করে যখন খুব খিদে লেগেছে তখন একটু ফেসবুকে ঢুকে পড়লাম। আর দেখি একটু আগেই সুফিয়া কামাল হলের একটি রুমে "লেট নাইট কুকিং'' শেষে খাবার দাবারগুলো সযত্নে পরিবেশন করে রাখা হয়েছে।
থালার মাঝখানে একবাটি ভাত উল্টো করে রাখা, চাইনিজদের মত করে। তার পাশে চিংড়ি মাছের কি একটা তরকারি। ভাতের উপরে একটু ধনে পাতা। আর গোলাপ ফুলের মত করে কাঁটা একটা টমেটো। ছবির ক্যাপশনে লিখেছে ''লেট নাইট কুকিং। শ্রিম্প উইথ সবজি, আর কি চাই? কার কার খিদে পেয়েছে??''
আগুন পাখি এবং স্বপ্ন
আজকাল স্বপ্ন দেখাটা অভ্যাস হয়ে গেছে।দেখতে না চাইলেও জোর করে স্বপ্ন দেখায় চোখ জোড়া।বিছানায় শুলেই স্বপ্ন দেখি।পাবলিক বাসে বসে স্বপ্ন দেখি।জেগে থেকে স্বপ্ন দেখি।দেখতে চাই না,তবু দেখি.....
শুয়ে থেকেই আকাশ ছোঁয়া যায়, স্বপ্নগুলোর কালার
প্রিন্ট-আউট নেয়া যায়, তারপর
সেগুলো দুমড়ে মুচড়ে ছুঁড়ে ফেলা যায় বাস্তবতার
ওয়েইস্ট বক্সের পাকস্থলীতে।
শুয়ে থেকেই আকাশ দেখা যায়। মাথার ওপর হাহাকার,পায়ের
পাতায় অবসন্নতা।
আকাশ ছুঁই শুয়ে থেকেই।বাস্তবতা নাড়া দেয়।ঘরে ১৮ বছরের ছেলে।বেকার।কোথাও চান্স হয় নি।স্বপ্ন গুলো কালার প্রিন্ট আউট থেকে সাদাকালো হতে সময় নেয় না মোটেও। উ হু,সাদাকালো না।ধূসর। মরুভূমির মরিচীকার মতন।এক পা এগুলেই ভাবি এই তো আর কিছুদূর। বৃদ্ধ, ক্লান্ত,পরিশ্রান্ত দেহটাকে টেনে নিয়ে যাই স্বপ্নের কাছে।গন্তব্যে আবিষ্কার করি সবই মিছে,প্রতারণা। আর কিছু দূর.....
যুদ্ধের খেরোপাতা!
ছোটবেলা বাবা শোনাত অদ্ভুত সব গল্প। তার গল্পের ঝুড়ি থেকে ছড়িয়ে শব্দমালাগুলো আমার শৈশব কৈশোরের বড় একটা সময় মন্ত্রমুগ্ধ করে রেখেছে। কখনো মনে হতো যদি আমি হতেম দিগ্বীজয়ী হালাকু খাঁ তাহলে আমার পতাকা চীন ছাড়িয়ে আরও দক্ষিনে সম্প্রসারিত করতাম। যে আলেকজান্ডার ভারতবর্ষে এসে তার বিজয় রথ থামিয়ে দেয় আমি সেই ভারতবর্ষকে আমার রাজধানী। অথবা যদি হতেম সেই এলেন কোয়ার্টারমাইন, তাহলে তাহলে প্রেইরী অঞ্চলের সবুজ বুক চীড়ে জেগে উঠা পাহাড়ের গোপন গূহ্যদ্বার পেরিয়ে চলে যেতাম সেই চিরযৌবনের দেশে যেখানে মৃত্যু জরা ব্যাধী কখনো কাউকে ছিনিয়ে নেবে না।
গ্রন্থালোচনাঃ বোবাকাহিনী
ক্রীসমাসের ছুটিতে কিছুটা কাউচ পটেটো হয়ে বাইরের তুষারপাত দেখেছি আর হাতে ছিলো গরমা গরম সবুজ চায়ের সাথে পড়া না পড়া কয়েকটি বই আর কিছু দুর্দান্ত সিনেমা। ছোটবেলা থেকে পল্লীকবি জসীমউদ্দিনের কবিতা পড়েছি তবে সেগুলো বেশীরভাগই টেক্সট বইয়ে। সহজ সরল জীবন কথা, গ্রামীন রুপ এই তার লেখার প্রধান উপজীব্য বলে ধারনা ছিলো। নিজেদের শহুরে জীবনের সাথে অনেক সময় রিলেট করতে পারিনি বলে বেশীর ভাগ সময় আগের যুগে গ্রামে এমন হতো এই মনোভাব নিয়ে পড়ে গেছি।
আমার বাড়ি যাইও ভোমর, বসতে দেব পিঁড়ে,
জলপান যে করতে দেব শালি ধানের চিঁড়ে।
শালি ধানের চিঁড়ে দেব, বিন্নি ধানের খই,
বাড়ির গাছের কবরী কলা গামছা বাঁধা দই।
কিংবা
আসমানীরে দেখতে যদি তোমরা সবে চাও,
রহিমদ্দির ছোট্ট বাড়ি রসুলপুরে যাও।
বাড়ি তো নয় পাখির বাসা ভেন্না পাতার ছানি,
একটুখানি বৃষ্টি হলেই গড়িয়ে পড়ে পানি।
একটুখানি হাওয়া দিলেই ঘর নড়বড় করে,
অপেক্ষা !!!
অপেক্ষা!!!
ব্যস্ত মানুষ, ব্যস্ত গাড়ী
রাস্তায় দাঁড়িয়ে একলা আমি।
ব্যস্ত রাস্তায় খুজি তাকে
হারিয়েছি যাকে অনেক আগে।
ভোরের শিশির হয়ে আসবে সে
হয়তো কোন সবুজ মাঠে,
বলাকা বাসের জানালা দিয়ে
হয়তো সে ডাকবে আমাকে।
ক্লান্ত দুপুর কিংবা পড়ন্ত বিকেলে
আসবে সে নদীর জলে।
কোন এক গোধূলি লগ্নে
আসবে সে চায়ের কাপে।
মাঝ রাতে সপ্নের ঘোরে
হয়তো আসবে সে গল্প শোনাতে,
কোন এক ছুটির সকালে
হয়তো আসবে সে চিলেকোঠার কোনে।
আসবে যখনি পাবে আমায়
আছি শুধু তোমারি অপেক্ষায়!!!
দিনপঞ্জিকা
ক্ষমা চেয়ে নিলাম।কাল লিখা প্রকাশ করার পরও কোন অজ্ঞাত কারনে সরিয়ে নিয়েছিলাম।তার জন্য ক্ষমা করবেন।
গুরুজন, আমার ছোট,বড় ভাই,বোন সবাই মাফ করবেন। এই ধরনের লিখার জন্য। ছোট ভাই হিসাবে মাফ করবেন।
আমার সিগারেট খাওয়ার কথা যখন বাসায়
জানলো,তখন আম্মার যে হাউ কাউ,
এখনো সেটা থামেনি, এবং আমার ধুমপানের অভ্যাশ
নিয়ে তার কান্ডকলাপ জোড়া লাগিয়ে একটা বেশ
বই লেখা যায়।
যাই হোক, সেটা অন্য আলাপ, এখন বাবার কথা।
বাবার রিএকশন কিছু ছিলো না। তবে সে বোধ হয়
একটু কষ্ট পাইছিল।
আমাকে একদিন বললো, "রৌদ , যে সিগারেটই
খাও, ভালোটা খাবে। কমদামী না "
তখন মেজাজা খারাপ হইছিল খুব।
আম্মা বিড়ি খাওয়ার কথা জানার পর আমার
অর্থনৈতিক অবস্থার যে ধ্বস নামছিল,
তা থেকে আজো পরিপুর্ণভাবে উঠতে পারি নাই।
তারপর আরেকদিন সে কিঞ্চিত বিরক্ত হয়েই
কি বিষ রেখেছ ঢেলে...
কখনও কি ভালোবাসা জীবনের কানাগলি দিয়ে
ভুল করে হেঁটে যাবে পথ?
কোথাও ধুসর দূরে...
ঝাঁক বেঁধে নামে যদি
নম্র-নীল আলোর কপোত!
অবকাশ নামক ফাঁকিবাজি
ক্যামন আছি সত্তি জানি না। সময় দরকার। পড়াশোনা, কাজ কর্ম সারা এবং গুছিয়ে চিন্তা করার জন্য। হয়ত পিছিয়ে পড়ছি। কিন্তু অবকাশটাও দরকার বলে মনে হচ্ছে।
আমার আসলে একটা অবকাশ দরকার। অন্তত একটা বছর। হয়ত তাই হতে যাচ্ছে। তাই যদি হয় তবে জীবনের পরবর্তী বছরগুলোর একটা পরিকল্পনা ও দিক নির্দেশনা প্রস্তুত করে ফেলতে হবে এর ভিতরেই।
অনেক কাজ করা দরকার। প্রধানত শিক্ষামূলক। বই পড়া এবং ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা করা। পরিস্থিতি যথেষ্ট ঘোলাটে হয়ে আছে বলে জীবন নিয়ে এখন কিছু ভাবাও প্রায় অসম্ভব। ফাইনাল পরীক্ষার পর চাকরি খোঁজার সুযোগ আছে হয়ত, কিন্তু সেটা করা ঠিক হবে না বলে কেউ কেউ বলছে। আমারও সেটাই মনে হচ্ছে। কেননা তাতে আমি এই অবকাশটা পাবো না।
কেন ভয়ে ভয়ে কেটে যাবে একটা জীবন?
সময় গুলো কেমন নির্বিকার ভঙ্গিতে কেটে যাচ্ছে। বয়স বেড়ে যাচ্ছে প্রতিদিন।শীতের ঝরা পাতার মধ্যে ঝরে পড়ার দিকেই হয়তো এগিয়ে চলছি। অথচ জীবনে যে কিছুই করা হলো না এখনো। না ব্যক্তি জীবনে, না সামাজিক জীবনে। এমন কোনো কাজই তো করলাম না যে কাজটার কারণে জীবনের কোনো না কোনো সময় মনে হবে আমি অন্তত চেষ্টা করেছি ভালো কিছু করার।চেষ্টা সার্থক হয়েছে না কি বৃথা গেল সেটা পরের ব্যাপার।
বাইরে কাজ করতে গেলে বুঝা যায় নারী জীবনের চলার পথটা কত বেশি অমসৃণ। পায়ে পায়ে যেন কাঁটা বিছানো থাকে। তার মানে এই নয় যে ঘরে থাকা নারীদের জীবন পুরোপুরি ভীতিহীন কিংবা সীমাহীন আনন্দময়।
আমার এক বস একদিন কথা প্রসঙ্গে বলেছিলেন, ওনার সারা জীবনের চেষ্টা ছিল ওনাকে যেন কেউ কোনোদিন ভয় না পায়। আমরা ক’জন সহকর্মী একসাথে জিজ্ঞেস করলাম কেন স্যার।
নিরানন্দ নিউ ইয়ার

মন খারাপ করে নিজের রুমে চুপচাপ বসে আছে ফারদিন । গতকাল নিউ ইয়ার গিয়েছে । সেই হিসেবে মন ভাল থাকার কথা । এনজয় সে ঠিকই করেছে তার বন্ধুদের সাথে । কিন্তু ওর মনটি খারাপ অন্য কারনে । কাল সকালে উঠেই সাদিয়াকে নিউ ইয়ারের শুভেচ্ছা দিয়েছিল মেসেজে । কিন্তু সাদিয়া এখনও মেসেজের কোন উত্তর দেয়নি । ফারদিন ওকে কয়েকবার কলও দিয়েছিল ওর ফোন নাম্বারে । কলব্যাক করা তো দূরে থাক একটা কল এখন পর্যন্ত রিসিভডও করেনি সাদিয়া । সে কারনেই মন আরও বেশি খারাপ । নিউ ইয়ার টাই গেল নিরানন্দ ।
মেয়েটি ওরই ক্লাসের । ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের ভিতরে একজন । মেয়েটিকে সে অসম্ভব ভালবাসে । কিন্তু মেয়েটি ওকে ভালবাসে কিনা আজও সে তা বুঝতে পারেনি ।