ইউজার লগইন
ব্লগ
বাবার জন্য কয়েক ছত্র...
পিতৃশোক কি মৃত্যর চেয়ে ভারী ? জানি না,তবে বাবাকে স্মরণ করলে মনে মনে সাহস পাই।শক্তি অনুভব করি।মনে হয় মাথার উপর একটা শীতল হাত অহর্নিশ ছায়া দিয়ে যাচ্ছে।না হয় এতো প্রতিকূলতা সামলে উঠি কিভাবে ?
২০০৬ সালের ২৭জানুয়ারী যেন আমাদের মাথার উপর থেকে যেন আকাশ সরে গিয়েছিল।
বাবাকে নিয়ে লিখা হয়নি কখনো।আমার বাবাও বিখ্যাত কোন ব্যক্তি নন তবে আমার বাবা ছিলেন সাধারণের ভিড়ে অসাধারণ একজন মানুষ।আত্মকেন্দ্রীকতা কখনো বাবাকে স্পর্শ করতে পারেনি।কারো জন্য কিছু করে বাবা কখনো প্রতিদান আশা করতো না।বলতো কারো জন্য কিছু করতে পারার আত্মতৃপ্তি টুকুই আসল।বাবাকে দেখে আমি বুঝতে শিখেছিলাম –মানুষ মানুষের জন্যে।
.পরজন্ম বিশ্বাস করি না;না হয় বলতাম-বাবা বার বার যেন তোমার ঔরসে জন্মাই।।
জন্তু জানোয়ার না সৃষ্টির সেরা মানুষই মানুষের শত্রু।
গত ফেব্রোয়ারী,০৫,২০১৪ তারিখ রাতে রেকর্ড করা ভুত এফ এম শুনছিলাম। এখানে এফ এম ব্যান্ড শুনা যায় না, তাই এবার ঢাকা গেলে, ছেলে ৭টি রেকর্ড করা ভুত এফ এম দিয়ে দেয়। শুনতে শুনতে নিদ্রাদেবী এসে চোখের চারপাশে ঘুরঘুর করছিল। সারাদিনের কাজের শেষে ঘুমুতে যাবার এ সময়টা আমার সব চাইতে প্রিয়। আমার এক চাচা আমাকে শিখিয়ে ছিলেন যখন ঘুমুতে যাবি, সাড়া দিনের সকল জঞ্জাল মাথা থেকে কিক আউট করবি। দেখবি সহজে ঘুম এসে যাবে। উনি আরও একটা কথা বলতেন, তুই যেদিন এ দুনিয়াতে এসেছিলি কি নিয়ে এসেছিলি, তাই কোন কিছু নাই বা কিছু পাওয়ার জন্য নিজের অন্তরের শান্তি নষ্ট করার প্রয়োজন আছে কি? আর যখন যাবি যেমন এসেছিলে, তেমনি যেতে হবে। সারাদিন কর্মের খাতিরে কিছু চিন্তা তো আসবেই কিন্তু আল্লাহ্ রাতটাকে দিয়েছেন বিশ্রামের জন্য, তাই সব চিন্তা ঝেড়ে ফেলে মস্তিস্কটা ফাকা করে নিবি তবেই নিদ্রাদেবী উজার করে তাঁর কোলে টেনে নেবে। আমি যতদুর পারি এটা করার চেষ্টা করি।
ঘর
এক জীবনে এই সত্য বারবার জেনেছি
প্রবল ঘরের নেশাই মানুষকে ঘরছাড়া করে।
শেষবেলা
মোমের ফোঁটার মতো ঝরেছিল চোখ
চৌকাঠে আজো তার দাগ পড়ে আছে।
কোন না কোন বিকেল জুড়ে ঘর-বারান্দাময় প্রখর কৃষ্ণচুড়ার ঘোর ;অন্ধকারের তর্জনী ভেদ করা দুর্দান্ত চাঁদনী এবং স্বপ্নের ঝালরে মোড়া অলৌকিক কোন রাত।
যে জীবনে স্বপ্নগুলো ঘাসফড়িংয়ের মতো পেলবমোহনসবুজ ছিল ;ছিল কুয়াশার সিঁড়ি ভেঙ্গে ভেঙ্গে ফুটে ওঠা স্নিগ্ধ রোদের মতো; সেইসব সুদূরের স্পর্শাতীত দৃশ্যকল্প
ফ্রেমবন্ধী ছবি-ইতিহাস।মায়ার কাজল মুছে গেলে পৃথিবীর ভিন্ন রং ,ভিন্ন রূপ-রস।স্মৃতির কবরে ঢাকা আনন্দের আয়ু।
বাড়ীটা তেমনি আছে। জানালার শার্সির ফাঁকে ঢুকে পড়া শিশুস্কুলের সমস্ত কলরব-খুনসুটি; শৈশব-শৈশব নস্টালজিয়ার বিকেল-দুপুর ; ঝুলবারান্দায় চড়ুইয়ের হুটোপাটি, আলস্যে গড়িয়ে পড়া এক খন্ড রোদ।
সব অবিকল।
শুধু আমিই আর এই বাড়িতে থাকিনা।
বইমেলা ২০১৪: টুকটাক অভিজ্ঞতার খসড়া-২
নয়. বিশ্ববিদ্যালয় এর শিক্ষার্থীজীবন সমাপ্তির পর প্রতিদিনের বইমেলায় কারণে-আকারণে ঘুরঘুর করে ক্লান্ত হয়ে পড়ার ব্যক্তিগত রেওয়াজটা একেবারেই পাল্টেগেছে। সে অনেকদিন আগে। বইমেলায় এ অনিয়মিত উপস্থিতির অন্যতম কারণ কর্মকাবিননামার দৃশ্যমান-অদৃশ্যমান কঠিন শাসন। তার সাথে অতিনগরায়নের ফল-ট্রাফিকজ্যামবন্দী এ নাগরিক শহর। এ নগরজীবনে বিকেল পাঁচটা নাগাদ চুক্তিভিত্তিক শ্রমঢেলে, গুলশান থেকে বাংলা একাডেমি চত্বর কিংবা এবারের সোহরাওয়ার্দী উদ্যান-এ পৌছানো, তাও আবার মেলার সরকারি বাতি বন্ধকরে দেয়ার শেষসীমা- রাত আটটা-সাড়ে আটটার আগেই, মোটাদাগে অসম্ভব। অতএব শুক্র-শনি- এ দু’দিনই ভরসা। কিন্তু মাঝেমাঝে সে সম্ভাবনাও বেহাত হয়ে যায় দুর্লঙ্ঘনীয় সংসারী-জীবনের দাপুটে কর্তব্যে। ব্যতিক্রম ছিল গতবছর। সংসারকাবিন আর কর্মকাবিন, কোনটাই আটকাতে পারে নি। বরং সংসার জীবনের নিত্যপ্রতিপক্ষ-কন্যা-স্ত্রী মিলে ঘুরঘুর করেছি। প্রায় প্রতিদিন। তবে বইমেলায় নয়; শাহবাগ-এ। পরিবার-পরিজন, বন্ধু-সহপাঠি মিলে এক নতুন বাংলাদেশকে পর্যবেক্ষণ করেছি। আর সেকারণে গত বছর, মেলার খুব কাছে থেকেও মেলায় যাওয়া হয়নি বললেই চলে।
keno
বিয়ে শুধুমাত্র অঙ্গীকারপত্রে সাক্ষর করে নতুন জীবনধারার সাথে নিজেকে মানিয়ে নেওয়া নয় বরং একটা পরিকল্পনার বাস্তবায়ন। প্রাক-কৈশোরে জীবনসঙ্গী বেছে নেওয়ার ভাবনা তৈরি হওয়ার আগেই যে পরিকল্পনা শুরু হয়ে যায়। শাররীক আগ্রহের বদলেকৈশোরকাল শুরু হওয়ার আগেই সামাজিক প্রেষণাতে জীবনসঙ্গী বেছে নেওয়ার মানসিক প্রস্তুতি শুরু হয়। তারপর সময়ের সাথে সেই পরিকল্পনা আরও স্পষ্ট, আরও সংবদ্ধ হয়। বিবাহ উদযাপনের প্রতিটি সামাজিক উৎসব এই পরিকল্পনায় নতুন নতুন অনুসঙ্গ যোগ করে। সুতরাং যৌবনকাল শুরু হওয়ার আগেই নিজের জীবনসঙ্গী এবং বিবাহ উৎসবের খসরা ছবিটা মোটামুটি আঁকা থাকে কল্পনায়।
দাপুটে খিস্তি
রফিক মুদীর দোকানে হাসিমুখে এগিয়ে গেলো। গা থেকে ভুড় ভুড় করে বের হওয়া বিরানীর গন্ধ শুনে শামসু জিজ্ঞেস করে বসলো,"কিরে, হাজীর বিরিয়ানি?"
রফিক মুচকি হাসি দিয়ে বললো,"নিজ হাতে বিরানী পাকালাম। চল সবাই। মেলা দিন এক সাথে খাওয়া হয় না।"
শামসুর সাথে বসে ছিলো ঝন্টু, ফনু, কচি স হ উঠতি বয়সের বখাটেদের দল। সবাই রফিককে অনুসরন করলো তার নতুন ফ্লাট বাড়িতে। সবার মুখে মুচকি হাসি। রফিক নীচতলার কেচীগেটের তালা খুলবার সময় ঝন্টু জিজ্ঞেস করলো,"রফিক, ফারুকের সাথে আর তর কথা হইছিলো? তোরা দুই জন যে রাতে চান্দার টাকা নিয়া ঝগড়া করলি এরপর তো আর এলাকায় দেখলাম না। দুই দিন ধইরা পোলাটার খবর নাই।"
রফিকের গেট খুলে ভেতরে ঢুকতে ঢুকতে বললো,"আমারও আর দেখা হয়নি। আছে কোথাও হয়তো। তোর ৫০০ টাকা এখনও দেয় নাই?"
ঝন্টু কিছু বলার আগে শামসুর অট্ট হাসি দিয়ে মুখ ফসকালো,"আর ৫০০! দেখ কোথায় গিয়া চান্দার টাকা নিয়া মৌজ মাস্তি করতাছে।"
বিজ্ঞাপনে নারীর অবস্থান ও কিছু ভাবনা
বাংলাদেশে নারী নির্যাতন নিয়ে নাই বা বললাম, এসব সবাই জানে। পুরুষতান্তিক এই সমাজে নারীদের প্রতি মনোভাব কতোটা নিচু, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এই মানসিকতার পরিবর্তন না হলে দেশ কতোখানি এগিয়ে যাবে, তা সহজেই অনুমেয়। মানসিকতার পরিবর্তনে মিডিয়ার করণীয় অনেক হওয়া সত্ত্বেও মিডিয়া অনেক আপত্তিকর কাজও করে যাচ্ছে।
প্রসঙ্গ মিডিয়ায় নারী ও বিজ্ঞাপনে নারীদের অবস্থান। মিডিয়া জগতে যেসব নারীদের পদচারণা ঘটছে তাদের সম্পর্কে আমাদের ধারণা একটু ভিন্ন হয় সচরাচর। আর দশটা সাধারণ মেয়েদের মতো তাদের ভাবা হয়না কারণ আমাদের মতো পুরুষতান্ত্রিক সমাজে তারা যথেষ্ট স্বাধীনতার বদৌলতেই আজ মিডিয়ার মতো জায়গায় অবস্থান করে নিয়েছেন। দেশের মানুষ বিশেষত নারীরা তাদের দেখে অনুপ্রাণিত হয়, তাই তাদের গুরুত্ব আছে বৈ কি।
বই মেলা ঘিরে কিছু টুকরো স্মৃতি
প্রতিবছরের মতো এবারও এসেছে ফেব্রুয়ারী মাস। ভাষার মাস,ভালোবাসার মাস,বই মেলার মাস।
একুশের বইমেলা ঘিরে আমার খুব সামান্যই স্মৃতি। যখন ভার্সিটিতে পড়তাম একুশের বইমেলা উপলক্ষে বিভিন্ন চ্যানেলে বিকাল ৩টার পর থেকে সরাসরি মেলা প্রাঙ্গন থেকে বইমেলা দেখানো হতো।প্রতিদিন মেলায় আসা নতুন নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন হতো।আবার কবি সাহিত্যিকদেরকে তাদের অনুভূতি সম্পর্কে উপস্থাপক অনেক কথা জানতে চাইতেন।আমি বুভুক্ষের মতো সেই অনুষ্ঠান গুলো দেখতাম।আর ভাবতাম আহ কবে যে একটু বই মেলায় যেতে পারব।
সেই প্রাণের মেলায় প্রথম গিয়েছি ২০০৮ সালে।সাথে ছিল আমার মেজো ভাই রিমন,ভাতিজা আরাফাত এবং ভাতিজি আরিফা।খুব সম্ভবত সেদিন ছিল ১৪ ফেব্রুয়ারী।শুক্রবার।বন্ধের দিন থাকায় স্বাভাবিক ভাবেই ভিড় ছিল মাত্রাতিরিক্ত বেশি।তার ওপর ছিল ভালবাসা দিবস।
এরপর আমি মিলিয়ে যেতে পারি, কোনোদিন ফিরে আসবো কিনা জানি না!
হুমায়ুন আহমেদের একটা বই ছিল নাম 'তুমি'। সেই বইয়ের ভুমিকায় লেখা ছিল নাম 'তুমি' নাম দিতে ইচ্ছে হলো তাই দিলাম, উপন্যাসের সাথে কোনো মিল নেই শিরোনামের। সেরকম এই পোষ্টের শিরোনামের সাথেও আমার পোষ্টের বক্তব্যের কোনো মিল নেই। তাও দিয়ে দিলাম নাম অযথাই, ইচ্ছে হলো তাই। তাহলে এই নামের উৎপত্তি কোথা থেকে?
আমাদের ক্যালকুলাস
নানুর বাসা বলতে বেশীর ভাগ মানুষের হয়তো গ্রামের বাড়ি, মেঠো পথ, চারদিকে সবুজে ঘেরা সুন্দর কোন প্রকৃতির কথা মনে পড়ে। কিন্তু আমার কাছে নানুর বাসার কথা মনে হলে কোন সুন্দর প্রকৃতি, চাঁদের নরম আলো গায়ে মাখা কিংবা মজার কোন খাবারের কথা মনে পড়েনা। আমার কেবলই মনে পড়ে একটি মুখ। খুউব সুন্দর দেখতে একটি মুখ। যে মুখটি এই ইট, পাথর, সিমেন্টে ঘেরা জরাজীর্ণ ঢাকা শহরের একাকীত্ব গায়ে মেখে সারাক্ষণ শুধু আমাদের প্রতীক্ষায় প্রহর গুনতো। মাফ করে দিও নানু আমাকে। যে তুমি আমাকে এতো বড় করেছো সেই তোমার বৃদ্ধ বয়সে তোমার জন্য আমার হাতে কোন সময় ছিলোনা।
নষ্ট স্মৃতি
তোমায় রোমন্থন করি
তব ভাষায় নষ্ট
স্মৃতির মাঝে,
যা মম তরে অমৃত
সম।।
তব সকল স্মৃতিকে রোমন্থন করি
মম পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের পরিসীমার সকল
অনুভূতির দিয়ে।।
দোতলার বারান্দা থেকে
বাউন্ডারি ওয়াল বরাবর
লেবু, পেয়ার, পেপে গাছে
থোকা থোকা ফল গুলো
তব শরীর নামক
অবয়ব খানির নির্দিষ্ট
কিছু অংগের স্মৃতি
মানস পটে
জাগরূক করে তোলে।
আমি পলকে রূমাঞ্চিত
হই।
তোমাকে পড়ে মনে
সেটা কি নষ্ট স্মৃতি।।
তবু আমি আমার ভাবনার সাগর
কেন,
পুকুরেও যেতে চাই না।
জানি আমি আমার নিজকে
ধরে রাখতে পারব না।
আমি/ আমরা যে প্রকৃতি দাস
তাকে এড়িয়ে যায়
এ সাধ্য কার??
তাকিয়ে দেখ
বাউন্ডারি ওয়ালের
ওপারে বাঁশের ঝাড়।
দুটি চুড়ুই পাখি
মনে হয় সদ্য বিবাহিত
নইলে এত!
এত,আমোদে মাতবে কেন?
চারদিকে হাজারও পাখির কোলাহল
তাতে ওদের কোনই ভ্রুক্ষেপ নেই।
থাকবেই বা কেন?
ফিরে তাকাও অদুর অতীতে
আমার কথা বাদ দাও,
তব মনে কি জাগবে না স্মৃতি।
তাকে কি তুমি নষ্ট বলবে।
বললে বল, আমি বলব না।
আমি বলব সুখ, মহা সুখ স্মৃতি।
খন্ডখানি জমি পরে
ধরিছে মাছ, কিশোর যুবা,
দেখিছে বৃদ্ধ বৃদ্ধা।
মিষ্টি, দই, রসমালাই
গতকাল একটি কন্সট্রাকশন আইটেম চেক করার সময় ধরা পড়ল আইটেমটির রিকুইজিশনে (চাহিদা পত্র) পরিমাণ কম দেয়া হয়েছে। রেশপেক্টিভ ইঞ্জিনিয়ারসহ অনেকেই একাউন্টেড এর রুমে বসে কথা বলছিলাম। আমি বললাম যা চেয়েছি তাই আসুক পরে দেখা যাবে। একজন বললেন স্যার যে পরিমাণ ওয়েস্টেজ দেয়া হয়েছে কাভার হয়ে যাবে। শ্মশ্রুমণ্ডিত আমার এক প্রিয় সহকর্মী প্রাক্কলন ও সাইটের কাজে পাকা তাকে জিজ্ঞেস করলাম, উনি যা জবাব দিলেন তা বলার আগে একটু ভুমিকায় যেতে হয়। যদিও ভুমিকাটি উনি বলেন নি, সরাসরিই বলেছিলেন।
এক ব্যাক্তির অন্য আর একজনের সাথে বিরোধ থাকার কারনে সখ হল, সে প্রতিপক্ষের সেরা গরুটি বিষ প্রয়োগে হত্যা করবে। কিন্তু এত বড় গরু মারতে হলে তাঁর জন্য কটটুকু বিষ কিনতে হবে তা তাঁর জানা ছিল না। তাই সে চাচা সম্পর্কিত এক মুরুব্বীর কাছ থেকে পরামর্শ চাইল। চাচাজানটি ছিলেন আবার হাজী মানুষ, তিনি কি করে এহেন খারাপ কাজ করার পরামর্শ দিতে পারেন। তাই তিনি ছন্দাকারে বললেন,
হাজী মানুষ কিছু কইতেও পারি না,
যত বড় গরু এক পোয়ার কম মরবেও না।
বাড়ী থেকে ফিরে, বইমেলা ফার্স্ট লুক!
সবাইকেই ফিরতে হয়, আমাকেও তাই ফিরতে হলো বাড়ী থেকে। যদিও শরীরের কন্ডিশন আশাব্যাঞ্জক না, ঠান্ডা লেগে মাথা খালি ভনভন করছিল গত কাল পরশু। আজ একটু কম, তবে শরীরটা কেমন জানি অসস্তিকর ঠেকছে। এক ডাক্তারকে ফোন দিলাম তিনি বললেন বসে থাকা লোকজনেরই এই সব হয়, শরীর মেজমেজ করে সাথে মাথা ভনভন করবে। যারা কাজের লোক তাদের নাকি এসব হয় না! শুনে পিত্তি জ্বলে গেল, তাই কাজ নিয়ে বসলাম। বই পড়ছিলাম, তার আগে ঘন্টা খানেক চায়ের দোকানে বসলাম, নিউএইজ পত্রিকা কিনে হেডলাইনে চোখ রাখলাম। এই তো বাসায় ফিরে জোহরের নামায পড়ে ভাবলাম একটা ব্লগ লিখতে থাকি- যতদুর লেখা যায়, পছন্দ না হলে পোষ্ট করবো না প্রথম পাতায়!
ভালবাসা কেন এত অসহায় ?
--- এই যে অভিমানী
---- হুমম ৷
-- চিনতে পারছো না ?
- তোমার চেহারাটাতো ভুলের মতো নয় ৷
- অনেকদিন পর দেখা তাই না ?
- হুমম প্রায় ৭ বছর ৷
- কেমন আছো ?
- সবসময় ভালোই থাকি ৷
- আজ এই রাস্তায় ?
- নিশ্চুপ বিকেলে প্রতিদিনে হাটি ৷তুমি হঠাৎই!
- গতকালেই দেশে ফিরেছি ৷মনে আছে এই রাস্তায় হাত
ধরে হাটার কথা ?
- সবই স্মৃতি ৷
- তো অভিমানী বিয়ে করেছ ?
- স্কুল জীবনে কোন এক কিশোরীকে বিশ্বাস
করেছিলাম ৷
- কেন শুধু শুধু অপেক্ষা করছো ?
- কেউ ফিরবে বলেতো কথা দেয় নি ৷ তোমার
কোলে কে?
- আমার ছেলে নির্বাক ৷
- আমার পছন্দের নামটাই রেখেছ?
- চকলেট খাওয়াবানা?
- কতদিন কিটকাট দেখি নি ৷
- এখনো ভালোবাসো ?
- জানিনা তবে এখন আর কারো জন্য কষ্ট পাই না ৷
কারো কলের অপেক্ষা করি না ৷
- আর অভিমান ?
- সেটা সবার উপর করা য়ায় না ৷যার উপর
করি সেইতো ছেরে যায় ৷করে লাভ কী ৷
- এখনও কবিতা লিখো ?
- অবাঞ্ছিত লাইন ৷
- আর গল্প ?
- গল্পের রাণী হারিয়ে গেছে ৷
- নতুন কাউকে খুজে নাও ৷
- কেউতো পুরাতন হয়নি ৷
- কেন শুধু শুধু বাচ্চাদের মতো এমন করো ? ৷
ভালো থেকো ৷নিজের যত্ন নিও ৷
- বলেছি তো কখনো খারাপ থাকি না ৷
ফটোগ্রাফী এবং গবেষণা
একটা অসাধারণ ছবির পেছনে অনেক কষ্টের গল্প থাকে... যা আমরা জানি না। জানতে চাইও না। আমরা কখনো ভাবতে চাইনা ফটোগ্রাফারের ভিউটা। আমরা বই এবং ম্যাগাজিনে দূর্দান্ত সব ছবি দেখি... কিন্তু এইসব ছবিটা দেখেই ওয়াও বলেই আমাদের কাজ শেষ ... কিন্তু কখনো খুজি না যে, ছবিটা তোলার পেছনে একজন ফটোগ্রাফারকে কতদুর যেতে হইছে? কত সময় ব্যায় করতে হইছে? কতটা অর্থ ব্যয় করতে হইছে?
বিখ্যাত সব ফটোগ্রাফারদের কার্যক্রম পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, ছবির বিষয় নিয়ে গবেষণায় তার অনেক সময় চলে যায়। যেটা আমরা কখনোই করি না ... আমরা যেই কাজটা করছি... এক দঙ্গল লোক বিশাল বিশাল ক্যামেরা নিয়া বের হইলাম... যাইয়া ধুমাইয়া কোপাইয়া চাইলা আসলাম। এভাবে এক্সিডেন্টালী ভালো ছবি আসে না তা না। অবশ্যই আসে... সেটা উল্লেখ করার মত নয়।