অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

আমার বর্ণমালা, আমার পাঠশালা ।

তখন আমাদের কতো বয়স, আমরা জানিনা । কতোইবা হবে...চার কী পাঁচ । কী দিন ছিলো আমাদের । নাওয়া নেই, খাওয়া নেই সারাদিন খেলাধুলা আর হৈ হুল্লোড় । অজপাড়াগাঁয়ের সেই সোনালি দিনগুলি আজ আর নেই । বছর পাঁচেক আগেও এই ভাঁটির গ্রামে কোনো বৈদ্যুতিক আলো ছিলোনা । কিন্তু আজ ঘরে ঘরে সৌরবিদ্যুৎ । এমন কী এই বৈদ্যুতিক ক্রাইসিসের মধ্যেও এই ভাঁটির গ্রামে বিদ্যুৎ আসার সব বন্দোবস্থ প্রায় হয়ে গেছে । বিদুতের খুঁটিও ঘরের দ্বারে দ্বারে ফেলে রাখা হয়েছে । হঠাৎ করে গ্রামটা যেনো এক অজানা শিহরণে শিহরিত হয়ে উঠলো । চোখের সামনে পুরো গ্রামটা কেমন জানি বদলে গেলো ।

নন্দ ঘোষের ভাই

কোথায় রে ভাই নন্দ ঘোষ ? 

সব কিছুতে আমার দোষ !

যেই খানেতে যাই ঘটে

শুধুই আমার নাম রটে

ব্যাঙের হলে সর্দি জ্বর

ভাঙলে কারো পুরান ঘর

আগাম যদি বৃষ্টি হয়

ঢাকায় জ্যামের সৃষ্টি হয়

বাড়ায় যদি তেলের দাম

কাকরা জপে বেলের নাম

গাড়ীর তলে মরলে কেউ

সাগর জলে উঠলে ঢেউ

কেউ যদি হয় ভোটেই ফেল

সবাই দেখে দারুন খেল

চোখ বুজেঁ সব হাত তুলে

আমার নামে  রব তুলে

জানায় সারা বিশ্বকে

চেনায় অধম নিঃস্বকে

এই ব্যাটাই ডোবায় সব

এর মাথাতেই ভাঙ্গো টব

যাচাই বাছাই বিচার নাই

এই ব্যাটাটার কল্লা চাই

কেউ শোনে না আমার স্বর

শাপ হয়ে যায় আমার বর

নন্দ দাদা, আয় না ভাই

তোর বুকেতে মুখ লুকাই

তুই ছাড়া কেউ নেই আপন

তাই জানালাম নিমন্ত্রন

খেলা শেখা---

Photo0339.jpg

বিলিয়ার্ড আমি কখনওই খেলিনি। যখন খেলা শেখার সময় ছিল তখন বিলিয়ার্ড খেলবার জায়গা পাইনি। বিলিয়ার্ড সম্পর্কে আমার জ্ঞান এই টিভির পর্দা পর্যন্তই। মঝে মাঝে ইচ্ছা করেছে খেলাটা শিখতে কিন্তু তেমন আগ্রহবোধ করিনি।

একদিন লনটেনিস খেলে ফিরে এসে চা এর কাপটা নিয়ে বিলিয়ার্ড রুমে চলে এলাম। দুই জন খেলছে কয়েকজন দেখছে। হেল্প বয় রেস্টার হাতে দাড়িঁয়ে আছে। একজন পয়েন্ট বোর্ডের কাছে পয়েন্ট কাউন্ট করছে। বেশ রাজকীয় খেলা। সবুজ বোর্ড , ঠিক মাঝাখানে মাথার দুই হাত উপরে চারটি নিয়ন বাতি। বোর্ডের উপর হলুদ ও লাল বল। খেলোয়াররা ঘুরে ঘুরে খেলছে। প্রত্যেকের হাতে একটি করে কিউ (যে স্টিকটি দিয়ে খেলা হয় তাকে কিউ বলে)। খুব গম্ভীর গম্ভীর সবাই। আমার বেশ মজাই লাগলো।

ও বৈশাখী

সেদিন পয়লা বৈশাখ ছিল। দিনটি আমার জীবনে নতুন কোনো রং নিয়ে কখনো আসেনি। তার ওপর সেদিন আমার জ্বর ছিল। বিছানায় শুয়ে শুয়ে কাতরাচ্ছি। জ্বর বাড়ে। একশ এক, একশ দুই। একটা ঘোর। তন্দ্রা। ছটফটানি। ঘুম, ঘোর, তন্দ্রা মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়। এক অন্য রকম জগতে হাবুডুবু খাওয়ার মতো। যেন অনেকগুলো অন্ধকার দলা পাকিয়ে ধেয়ে আসছে আমার দিকে। বাঁচাও! বাঁচাও! কখনো যেন বা পড়ে যাচ্ছি। মাটিতে। মাটি ভেদ করে পাতালে। পতন! পতন! আবার কখনো যেন উড়ছি আকাশে। উড়তে উড়তে একেবারে সূর্যের কাছাকাছি। উফ, কত উষ্ণতা, কত আলো! চোখ ধাঁধিয়ে যায়, শরীর পুড়ে যায়। পানি চাই, পানি!...
টুংটাং। এটা কি পানির শব্দ? না তো!
সহন আছেন?

দেশপ্রেম

প্রতিবেশী দেশ ভারতে ইঁদুর হত্যার জন্য ৫ বছর করাদণ্ডের আইন করা হয়েছে। অথচ, আমাদের দেশে মানুষ হত্যা করেও অধিকাংশ খুনি কোনো রকম দণ্ডের আওতায় আসে না। আমার এমন মন্তব্যে প্রতিবাদী সুরে সহকর্মী ‘রশীদা আপা’ বলে উঠলেন, ‘নিজের দেশকে এতোটা অবহেলা করবেন না। দেশকে ভালোবাসুন।’ নিজের দেশ, নিজের সংস্কৃতিকে কে না ভালোবাসে। আমার মধ্যেও এর কমতি নেই। তবে এর ঘাটতি আছে আমাদের রাজনীতিবিদ, জনপ্রতিনিধি ও মন্ত্রীদের। তাইতো প্রতিবেশী দেশের কাছ থেকে তাদের শিক্ষা নেয়া উচিত। অন্যায় কাজের স্বীকৃতি দেয়া মানে দেশপ্রেম নয়। অন্য দেশের ভালো কাজের প্রশংসা করলে নিজের দেশকে খাটো করা হয়- এমনটি ভাবার অবকাশ নেই। বরং অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়ে ন্যায় প্রতিষ্ঠাই হচ্ছে প্রকৃত দেশপ্রেম। যা দেশকে মনে-প্রাণে ভালোবাসার শামিল। তাই অন্যায়কে ‘না’ এবং শাস্তিকে ‘হ্যাঁ’ বলুন।

উৎসর্গ

আমারও কষ্ট আছে,
অনুভূতি আছে, বুঝতে পারি
পৃথিবীর সমস্ত কার্যাবলী, কিন্তু
কেবল বলতে পারিনা, কারণ
আমার সে ক্ষমতা নেই, স্রষ্টা আমাকে
তা দান করেননি, তোমাদের মতো করে
কষ্ঠগুলো, অনুভূতিগুলো ব্যক্ত করবার।

আমার তখন খুব কষ্ট হয়
যখন দেখি, তোমরা সভ্য বলে
দাবী কর, অথচ কাজ কর
অসভ্যের মতো করে, তারপরও দাবী
করো আমরা সভ্য !
আমার খুব লজ্জা হয়, যখন দেখি
সর্বশ্রেষ্ঠ হয়েও জানোয়ারের মতো
জঘন্য আচরণ কর!
তোমাদের এ আচরণ জানোয়ারগণকে
হার মানায়‍!

আমি কারো
সন্তান, কারো পুত্র কিংবা কন্যা,
কারো জনক কিংবা জননী,
কারো না কারো স্বামী বা স্ত্রী,
কিংবা কারো প্রেমিক-প্রেমিকা।
তবুও স্রষ্টা আমাদের সৃষ্টি করেছেন,
তোমাদের খুশী করবার জন্য।
আমার এই প্রাণের বিনিময়ে হে
সভ্যতা সৃষ্টিকারী, সর্বশ্রেষ্ঠ জীব
তোমার মনের পশুত্বকে যদি কবর দিতে পার,
তবেই আমার এই প্রাণকে উৎসর্গ করা, স্বার্থক হবে।

গরুর খাঁটি দুধ

বাজার থেকে আনছি কিনে খাঁটি গরুর দুধ !
আসল কথা গরুই খাঁটি নয় তো খাঁটি দুধ !
আগের দিনে দুধের সাথে মিশেল দিতো পানি।
দুধটা ভেজাল সত্যি ছিলো বিষাক্ত নয় জানি
দিন বদলের পরে
বদলে গেলো ভেজাল দেয়া আপন নিয়ম ধরে
খাঁটি গরুর দুধ কিনে নেয়, মিশায় পানি খাঁটি
তার পরে যে দেয় ডুবিয়ে ফরমালিনের বাটি
ফরমালিনে ভেজাল আছে বলছি না তা আমি
সস্তা জিনিস মিশাচ্ছে না সকল কিছুই দামী
সকল খাঁটির মিশেল নিয়ে দুধের প্যাকেট আসে।
স্বাস্থ্য বানাই আপন মনে দুধ খেয়ে সব হাসে !

শিরোনামহীন ২

দুই বছর ধইরা লন্ডনে থাকার পরও এখন নাকি আবার ইংরেজী জানি কিনা তার পরীক্ষা দেওন লাগবো Shock Shock তাই দিয়া আসলাম আই ই এল টি এস পরীক্ষা Sad Sad সকাল বেলার আরামের ঘুম হারাম কইরা গেলাম তবে গিয়া লাভ হয় নাই .................ঘুমাইতে ঘুমাইতে পরীক্ষা দেয়ার ফলসরূপ লিসেনিংয়ের প্রথম কয়টা প্রশ্ন উত্তর হাওয়া Sad Sad লাভের মধ্যে লাভ হইলো স্পিকিং এ মহিলা এক্সামিনারের লগে ভালোই গেজাইলাম Wink ফাউয়ের উপর পিজা হাটের দাওয়াত দিয়া দিলাম Wink

দেশের খবরাখবর জানি নিয়মিত পত্রিকা আর ব্লগ পড়ার কারনে আর বন্ধুদের যত হতাশা যানজট ( ওরা যদি লন্ডনের চিপা রাস্তার যানজট দেখত ) নিয়া Sad নেটের স্পিড নাকি বাড়ছে তবে এইখানে ৭ mbps পাওয়ার পরও যখন কল সেন্টারে স্পিড নিয়া আজাইরা গেজাই তখন মনে হয় কূয়ার ব্যাঙ সমুদ্রে পড়লে নাকি কয় সাগরের পানি লোনা কেন Tongue Tongue Tongue Tongue

মধ্যবিত্তের গালিবিষয়ক রোমাঞ্চ

মধ্যবিত্তের গালি বিষয়ক রোমাঞ্চ অসস্তিকর ভাবনার করুণ প্রকাশ, তাদের অসস্তিকর যৌন অবদমন এবং অবৈধ যৌনকোল্পনার সবটুকু হাস্যকর ভাবে প্রকাশিত হয় তাদের গালি বিষয়ক প্রক্রিয়াটিতে।

কাউকে গালি দেওয়া তেমন বাজে কোনো বিষয় না, গালি দেওয়া স্বাভাবিক অনুভুতির প্রকাশ, ক্ষোভ প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে গালি নিজের উচ্চকিত আবেগ প্রশমনে সহায়ক ভুমিকা পালন করে, কিন্তু গালি দিয়ে নিজের ঝাল ঝারবার প্রক্রিয়াটিতে অবধারিত ভাবেই নিজের কাছে অসস্তিকর সঙ্গম ভাবনাগুলোর উপস্থিতি দৃষ্টিকটু, সে ভীতি তাড়া করতে থাকে তাদের, নিজের উচ্চারণে নিজের দুর্বলতাই প্রকাশ পায়।

পুড়বো বলে.....

পুড়ে যাবো তাই
ঊননের খোজ নিচ্ছিলাম
লাকড়ি, হিটার নাকি সিলিন্ডার গ্যাস
কে স্বযত্নে পোড়াবে?

নেমিছিলাম বাজার জরীপে
লাকড়িটা নাকি পোড়াই বেশি
লোডশেডিং এ হিটারে ঝুকি থেকে যায়
সিলিন্ডারে ক্ষত- বিক্ষত হবার সম্ভাবনাটাই বেশি।

যখন ছাই হবার শতভাগ নিশ্চয়তা চাইলাম
জরীপে উঠে এলো তোমার নাম
পোড়াতে তোমার চেয়ে কার্যকর জ্বালানী
এই মূহুর্তে পৃথিবীতে দ্বিতীয়টি নেই।

জমানো কথা-কাব্য

১.
ছল করে যে চলে গেলো,
সে কি হারালো? নাকি হেরে গেলো?
আমি হলাম ব্যাথিত তবু হয়তো জিতে গেলাম.....
"ছলনায় বাচার চেয়ে নিশব হয়ে বাচাই শ্রেয়"

সময়ের অর্জনে আমাদের ভুল ছিলো।
বর্তমানে তার দাম চুকাই, চোখের জলে....
সময় করেছে প্রতারিত!!!
হায়,মানুষ চীরকাল অসহায় সময়ের কাছে

গ্রহন যোগ্যতা নেই যেনেও, আকড়ে থাকি
তোমার জীবনের আশে পাশে....
সভ্যতার দোহই দিয়ে আপন করেছো পর...
তবু্ আপনের খোজে বেচে রই অননত বছর।

অন্ধকারের উৎস থেকে

১.
জীবনানন্দ দাশের বনলতা সেন জীবনে কবে প্রথম পড়েছিলাম মনে নেই। ক্যাডেট কলেজে একবার আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় বনলতা সেনকে ঠিক করা হয়েছিল। ক্যাডেট কলেজের নিয়ম হচ্ছে একটা কবিতাই নির্ধারণ করে দেয়া হতো। প্রতি হাউজ থেকে দুজন করে মোট ৬ জন একই কবিতা আবৃত্তি করতো। মনে আছে সেবার আমরা প্রায় সবাই বনলতা সেন মুখস্ত করেছিলাম। একটা অসাধারণ প্রেমের কবিতা হয়েই রয়েছে বনলতা সেন। স্বীকার করছি কবিতার প্রতিটি লাইন বোঝার চেষ্টা আমি কখনো করিনি।
ড. আকবর আলী খান মূলত আমলা। ইতিহাসের ছাত্র। পরবর্তীতে অর্থনীতিতেও উচ্চতর লেখাপড়া করেছেন। তাঁর একটা সাক্ষাৎকার পড়েছিলাম। অনেক বিষয়ের মধ্যে বনলতা সেনও ছিল। তিনি বনলতা সেনের একটি ব্যাখ্যা দাঁড় করিয়েছেন। সেটাই জানালেন। বলেছিলাম বিস্তারিত নিয়ে একটা বই লিখবেন।

বনলতা সেন

হাজার বছর ধরে আমি পথ হাঁটিতেছি পৃথিবীর পথে,

কৈফিয়ত

আমার ব্লগটা ওপেন করতেই চোখে পড়লো ‘লেখালেখি ছাড়াই বের হয়ে গেলেন’। বিষয়টি আমার কাছেও ভালো মনে হয়নি। প্রথম দিনেই শূন্যব্লগে বিদায় নিলাম। কৈফিয়ত হিসেবে বলবো- একজন কর্মজীবী একটা কাজেই সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু আমার ক্ষেত্রে বিষয়টি মোটেও প্রযোজ্য নয়। কারণ, সংসারের জুট ঝামেলার পরও আমাকে কর্ম করতে হয় ৩টি- সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা এবং বিকাল ৫টা থেকে রাত ১০টা। মাঝখানে এক ঘণ্টা আরেকটি কাজে ঢুঁ মারতে হয়। কাজেই ইচ্ছা থাকলেও ‘ধর মুরগি, কর জবাই’ প্রবাদটি আমার ক্ষেত্রে হয়ে ওঠে না। তবে অঙ্গীকার করছি- নিয়মিত এবং ভালো কিছু লিখার।

"যাত্রা "

অদ্ভূত সব বর্ণিল বিস্মৃতি..
স্মৃতির বিষন্ন কারাগারে,

আধখানা সুখের আধময়লা অনুভুতি..
আর নির্মম বাস্তব ;
চেনা পথজুড়ে অচেনা ঝাপসা চোখ
কলের গাড়ির তীক্ষ্ণ হুইসেল ..

পুরনো আকাশ , পুরনো মেঘ ..
একলা রাত্তিরে বর্ণিল আকাশে
একলা তারা গোনা প্রহর..

হাতে পুরনো কাব্য ,উপন্যাস ...
কিংবা খবরের কাগজের
প্রথম পাতা ,

আধো ঘুম আর জেগে থাকার মাঝে
পুরনো শৈশবে হেঁটে যাওয়া ,

কোনো পুরনো স্মৃতি ...
রোমন্থন করে
আনমনে হেসে ওঠা ,

বিস্তীর্ণ জনসমুদ্র পিছে পড়ে...
পড়ে থাকুক নদী - পাহাড় আর
কষ্টময় বর্তমান ..

কতদিন পর
শিকল ভেঙে,
আজ মুক্ত হলাম পাখির মত ..
ভাসলাম সাদা মেঘের ভেলায়..

ধুলোমাখা রাজপথ..
অস্থির কোলাহল.. আর ..
কলের আওয়াজ আস্তাকুঁড়ে ছুঁড়ে ফেলে..
রং ভরা কিছু অতীতকে মুঠোয় পুরে...
একরাশ স্বপ্নকে সঙ্গী বানিয়ে ...
আজ আবার পথিক হলাম..

আমি চললাম..
এই আমার একলা পথ ,

টুকরো সংবাদ টুকরো ভাবনা

যদে দেওয়ার মতো কোনো সংবাদ থাকে তাহলে সে সংবাদ হলো অনেক দিন পর কিবোর্ড কেনা হলো, কিংবা অন্যভাবে বলা যায় কিবোর্ড কিনতে বাধ্য হলাম। নিতান্ত বাধ্য না হলে কোনো পরিবর্তনে যেতে আগ্রহী না আমি, এতদিন অনেক কৌশলে কাজ চললেও সকালে বন্ধুর সাথে কথা বলার সময় বুঝলাম কিবোর্ডের ম্যাল ফাংশন গুরুতর, এখন 'এম' কাজ করছে না। আমার শব্দভান্ডার সীমিত, সুতরাং 'এম' কিংবা 'ম' নেই এমন শব্দ বাছাই করে দীর্ঘ সময় আলোচনা করা রীতিমতো অসম্ভব, নতুন কিবোর্ডে নতুন লেখা বলা যায় এটা।
[১ ]
আমাদের জাতীয় চরিত্র উপলব্ধিতে হাইকোর্ট যে বিভ্রান্তিতে ছিলো গতকাল সেটা সংশোধন করেছে সুপ্রীম কোর্ট, তারা ফতোয়া বিষয়ে ফতোয়া জারী করেছে, বলেছে ফতোয়া জায়েজ কিন্তু কাউকেই মানসিক কিংবা শাররিক শাস্তি প্রদান করা যাবে না।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা