অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও ১৩ জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

বাংলাদেশ আয়ারল্যান্ড ম্যাচ :: ভালবাসা সাকিব বাহিনীর জন্য

হ্যালো সাকিব...
কয়েকদিন আগে তুমি একটা সাক্ষাৎকার দিয়েছিলে না... একটা জাতীয় দৈনিকে? পত্রিকাটা হাতে নিয়েই ক্যামন একটা ভাললাগার আচ্ছান্নতার মধ্যেই তোমার সাক্ষাৎকার পড়েছি। তোমার কথা পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিল আমিই সাকিব। তোমাকে কে কি প্রশ্ন করে ছিল সেটা কিন্তু তখন বিবেচ্য হয় নি।

ক্যানো জানো?
বিশ্বকাপ নিয়ে এই আমাদের ... বাংলাদেশের... বাংলাদেশীদের স্বপ্ন এখন তোমার হাতে। তোমার দলের প্রতিটা সদস্যই মনে হয় এক একটি আমি। তোমার হাতেই বাংলাদেশের স্বপ্ন। তুমিতো সেটা জানো।

তুমিতো জানো...
আমরা তৃতীয় বিশ্বের সবচাইতে দরিদ্রতম দেশ। এই কয়েকদিন আগেই আমার প্রিয় ঢাকা হয়েছে বসবাসের অযোগ্য শহরের মধ্যে দ্বিতীয়। তোমরা সেই অযোগ্য শহরেই খেলাধুলা করে বেড়ে উঠেছে... আবার এই আসরের খেলা গুলোও খেলবে। এই অযোগ্য শহরের মানুষের জন্য... এই দরিদ্র দেশটার দু:খি মানুষের জন্য।

তুমিতো জানো...

খুঁজবো কোথায় তাকে, দুচোখে হারাই যাকে

যখন থেকে সায়ান পড়তে গেলো এ্যামেরিকা তখন থেকেই দুজনের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি চরম আকার ধারন করেছে। ঝগড়া করতে করতে এক সময় ক্লান্ত হয়ে পড়ে তিতলি। দুজনের মধ্যে ভৌগোলিক ব্যবধান আর সময়ের ব্যবধানতো আছেই তার সাথে আছে নিদারুন মানসিক চাপ। চব্বিশ ঘন্টা যার ভাবনায় সে বুঁদ হয়ে থাকে সারা পৃথিবী থেকে তাকে লুকিয়ে রাখার যন্ত্রনা। সারাদিন মনে মনে যাকে ভেবে তার সময় কাটে, মুখে কখনো তার নাম উচ্চারন না করতে পারার ব্যাথা। প্রাত্যহিক জীবনের সাথে লুকোচুরি খেলে কতো কষ্টে সায়ানের জন্য সময়টুকু সে যোগাড় করে রাখে তা সায়ান যেন আজকাল বুঝতেই পারে না। সায়ানের সবকিছুতেই দেরী হয় নইলে সে ব্যস্ত, সময় নেই, নাকি তিতলিকে এড়িয়ে যাওয়ার বাহানা এগুলো তার। তবে কি বদলে যাচ্ছে তার সায়ান একটু একটু করে? আগেতো এতো ইনকনসিডারেট ছিল না, তিতলির সুবিধাই ছিল সায়ানের বড় চাওয়া, তিতলির সান্নিধ্যই ছিল তার বড় পাওয়া। কি করবে সে?

মোজাইকের সাদা, কালো আর লাল পাথরগুলো

সেবার কোট ডি’ ভোয়ায় জঙ্গলের ওপর দিয়ে উড়ে যাবার সময়, এক যৎসামান্য ফাঁকা জায়গায় কোনো বলা-কওয়া ছাড়াই যখন আমাদের হেলিকপ্টার থামানো হলো, তখন বেশ খানিকটা অবাক হয়েছিলাম। অবশ্য আমাদের ক্যপ্টেন কারণটা সঙ্গে সঙ্গেই ব্যাখ্যা করলেন। অনাকাঙ্খিত এ বিরতির জন্য দুঃখ-টুঃখ প্রকাশ শেষে তিনি যে কৈফিয়ত দাখিল করলেন, তা মূলতঃ কারিগরী ত্রুটি সারানোর সঙ্গে সম্পৃক্ত। আমার মতো অজপাড়াগেঁয়ে মূর্খের সে কারণ বোধগম্য হলো না। শুধু বিলম্বটুকু মেনে নিলাম খুশিমনে। আফ্রিকার জঙ্গলেও কোনোদিন পর্দাপণের সুযোগ পাবো, এত অচিন্ত্যনীয়।

আজ ১২ই ফাল্গুন। আমাদের ‘নাজমুল হুদা’ ভাইয়ের জন্ম দিন।

জন্মদিন এলে মনে একটা দোলা লেগে যায়। আজ আমি এই স্বাদের/রসের দুনিয়ায় এসেছিলাম! ভবের এই রঙ্গীলা মাজারে! বয়স বাড়ার সাথে সাথে এই দোল খাওয়াটা কমে যেতে থাকে। অন্য কারো ক্ষেত্রে কিনা জানি না আমার ক্ষেত্রে তা প্রকট হয়ে উঠছে এখন! একসময় ছিল যখন বুক ফুলে বলতাম আজ আমার ২৫তম জন্মদিন! কিন্তু এখন আর তা বলি না। ভয়ে বুক কাঁপে। কেহ বয়স জানতে চাইলে, পাশ কেটে বড় রাস্তা থেকে নেমে সরু ধান ক্ষেতের আইল দিয়ে বাড়ী চলে যাই! এটাকে মনে হয় বয়স লুকানো বলে!

এবিসি ফ্যান্টাসী কাপ: সেকেন্ড লেগ

১.
ভূমিকা আর না বাড়াই। কি করতে হবে তা তো সবাই জানেনই! তো, নেমে পড়ুন। ১২ টা স্কোর আর কে জিতবে -- এই অনুমান লিখে দিন।
(খেলোয়াড়ের নাম দেয়ার দরকার নেই, কারণ আপনার দেয়া স্কোরের ক্রম আর ঐদিন বাংলাদেশের ব্যাটিং অর্ডারকে একই ধরে হিসাব করা হবে।)

মনে রাখবেন, শেষ ম্যাচ পর্যন্ত আপনার চ্যাম্পিয়ন হবার সম্ভাবনা আছে

২.
একই সাথে আলোচনাও চলুক।
আগামী ম্যাচে দল কেমন হওয়া উচিত। টসে জিতলে ব্যাটিং নেয়া উচিত কিনা। থার্ড পাওয়ার প্লে কত ওভারের দিকে নেয়া উচিত, অথবা অন্য যে কোনো কিছু নিয়ে।

৩.
প্রথম লেগ শেষে ফলাফল:

নাগনাগিন ৩৭৩.৮
রায়হান রেঞ্জার্স ১৩৫.৮
আলমুহাররাক ১৩৫.২
বীর টাইগার ১৩১.৪
লীনা টাইগার্স ১৩১.২
অরিত্র দ্য গ্রেট ১২৮.২

গো.আযমের ভাষাসৈনিক স্ট্যাটাস এবং উমরের কলাম 'ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর ভেলকিবাজি'

Shomoy pole
দৈনিক আমাদের সময় গু.আযম বাংলাভাষা আন্দোলনের একজন সেনানী কিনা এবিষয়ে জরিপ পরিচালনা করে। ভাষা আন্দোলনে জড়িত থাকুক আর না থাকুক ভোটিংয়ে জয়লাভ করায় (জরিপে ছাগুরা অংশ নিয়েছে এটা বলাবাহুল্য) ছাগুরা চ্রম অর্গাজম লাভ করছে এবং ব্লগাস্ফিয়ারে (বিশেষত সামুতে) জাবর কাটছে ।

প্রিয় কাঠবিড়ালীরা হারিয়ে গেছে

এই বৃষ্টিভেজা রাতে তুমি নেই বলে/ সময় আমার কাটে না। আর্টসেলের অর্থহীন একটি গান। একই গানে বলা হয়েছে বৃষ্টিভেজা রাত ও বসন্তের সন্ধ্যার কথা। ধরে নিচ্ছি বসন্তের রাতে বৃষ্টি হয়েছে। তাহলে অবশ্য বেশ রোমান্টিক একটি আবহাওয়া তৈরী হয়। আমি সে আশায় এখনো শীতের কম্বল গুছিয়ে ফেলি নি। কোনো একদিন বৃষ্টি নামবে অঝোর ধারায়। তুমি আর আমি কম্বলের ভেতর থেকে কচ্ছপের মতো মাথা বের করে ইনটু দ্য ওয়াইল্ড দেখবো।
২১-এ ফেব্রুয়ারির বিকেলে চার ফোঁটা বৃষ্টি হয়েছিলো। ঠিক চার ফোঁটা না, মনে হয় চার কোটি আশি লাখ ফোঁটা। গড় হিসেবে আমার ভাগে যা পড়ার কথা কাকতলীয়ভাবে পড়েছেও তাই। কমও না, বেশিও না।
সেদিন বসে বসে মৌতাতের আরেঞ্জমেন্ট করছি, শুনলাম একটা ছেলে একটি মেয়েকে বলছে, এই সম্পর্কটা চুকলে তো ভালোই। জিমে গিয়ে ব্যায়াম শুরু কইরা দিমু।

কারখানা...(নয়)

ভডকায় সিপ দিতে দিতে ফোন বেজে উঠে। এমন সময়গুলোতে সাদ সাধারণতঃ কল রিসিভ করে না। কিন্তু কি মনে করে আন নোওন নাম্বারটাও সে ধরে ফেলে।
: হ্যালো! সাদ...
: হ্যা বলছি...
: সাদ আমি তোমার রমিলা ফুফু...বাবা একটা খবর দিতে তোমারে ফোন করলাম। আজকে সকালে তোমার এহতেশাম দাদু মারা গেছেন।
সাদ ঠিক ভেবে উঠতে পারে না এমন একটা খবর প্রাপ্তির পর তার কি প্রতিক্রিয়া থাকা দরকার। কিন্তু তার কেমন অস্থির লাগতে শুরু করে। সাদ কেমন নিষ্পৃহ টোনে বলে,
: আচ্ছা...
: তুমি ভালো আছো বাবা?
: হ্যা ফুফু...আপনাদের ওদিকে অনেকদিন যাওয়া হয় না।
: হ্যা বাবা, তুমি ব্যস্ত থাকো শুনছি তোমার মা’র কাছে...

তুমি বিভ্রাট!

অবশেষে অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে ঠিকানা যোগাড় করতে পারলাম । একদিন বিকেলে যেয়ে হানা দিলাম লীমা আপার বাসায় । জুলাই মাস – অসম্ভব গরম পড়ছে ক’দিন থেকে । ঠিকানা মিলিয়ে বাসায় যখন পৌঁছালাম, তখন মনে হচ্ছিল এত কষ্ট করে না-এলেই ভালো হত। ঘেমে নেয়ে উঠেছি, কলিং বেল টিপতেই লীমা আপা দরজা খুলে দিলেন। ভেতরে ঢুকবার আগেই সে-ই আগের মত করে তার হাত ধরে অভিমানী কন্ঠে জানালাম কত অনুযোগ, কত অভিযোগ। তার দিক থেকে আন্তরিকতার কোন ঘাটতি ছিলনা। তবুও তাকে কেমন যেন একটু নিষ্প্রাণ মনে হচ্ছিল। সেই চঞ্চলতা নেই তার মধ্যে, বেশ একটু ভারিক্কী গিন্নী-গিন্নী ভাব। তালপাতার সেপাই লীমা আপা এখন আর আগের মত শুকনা নেই, এখন তাকে মোটাদের দলেই বরং ফেলা যায়। যা’হোক, ড্রয়িং রুমে বসলাম-খুলে গেলো দু’জনের মুখের আগল। পুরাতন দিনের কত কথা, কত স্মৃতি রোমন্থন, তারই ফাঁকে জানতে পারলাম যে দুলাভাই অফিস থেকে ফিরে রেস্ট নিচ্ছেন, ছেলেমেয়েরা কেউ খেলতে আর কেউবা প্রাই

বাংলার বাঘ

১৯ই ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশের খেলা দেখে খুবেই ভাল লেগেছে। আগে আশা করতাম বাংলাদেশ ভাল খেলবে আর এখন ভরসা করছি বাংলাদেশের ক্রিকেটার দের উপর। ভারত ভাল টিম তাদের রয়েছে অনেক অভিগ্যতা এবং প্রথম সারির বলার ও ব্যাটসম্যান । তাদের জন্য ৩৭০ করা খুব ১টি বিরাট কিছুনা। কিন্তু আমাদের ২৮৩ রান ভারতের বিপরিতে অনেক কিছু প্রমান করে। এখন আমাদের ব্যাটসম্যানরা অনেক চাপ নিয়েও ২৮৩ করতে পারে। তাই তাদের উপর আমার ভরসা আছে, আছে দোআ এবং আশা করি ১৬ কোটি বাঙালি বাংলার বাঘদের জন্য দোআ করবে যাতে তারা আরো ভাল করতে পারে।

আমার যাদুমনি (৩)

এই ছবি গুলো "আই সি সি ওয়ার্ল্ড কাপ ক্রিকেট ২০১১" এর বোনাস।
কাল রাতে ছবি গুলো ফেইসবুক এ শেয়ার করা মাত্র লাইক আর কমেন্ট এর নটিফিকেশনের জোয়ার দেখে আমি ভাগন্তি দিছিলাম। এখনো সেখানে যাইনাই, ভাবলাম আগে এইখানে শেয়ার করে নেই।

1_2.jpg
ছবি ১: বাংলাদেশ বাংলাদেশ জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ Smile

2_1.jpg
ছবি ২: বাংলাদেশ দলের জয়ের জন্য দোয়া দুরুদে ব্যস্ত ঋহান Wink

6.1.jpg
ছবি ৩: আই সি সি ট্রফিটা দেখা যায় দরজার উপরের স্টোররুমে Shock

3_2.jpg

আমার উপকূলে ভেঙ্গে পড়া ঢেউগুলো

আমাকে একটু বলবেন কেন আপনি যখন সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে নিজের জগতে ডুবে যান, তখন একটা সুখী প্রান্তর দেখতে পান না? যেখানে উঁচু-নিচু মসৃণ সবুজ ঘাসের জমিন আর ছোট ছোট নীল জলের দীঘি থাকে। থাকে ঝাউগাছের সারি। একটা গলফ্ স্টিক থাকে আপনার হাতে। থাকে একটা সাজানো বল। আপনাকে বলটা মারতে হবে। কেন পারেন না?
মস্তিষ্ককে আক্রান্ত করে রেখে যায় একটি কথা। মানুষের অন্তিম প্রাপ্তিটা কি? সেটা কি জীবনের শেষ মূহুর্তে পাওয়া যায়? মনে হয় না। একেবারে আক্ষরিক অর্থেই যাকে বলে শেষ মূহুর্ত, সেসময় ভালো কিছু দেয়া প্রকৃতির স্বভাববিরুদ্ধ। প্রকৃতি একটা ভালোকে সৃষ্টি করে অনেক পরিকল্পনা করে। যার জন্য সেই ভালোটি তৈরী, সে নিজে সেটা উপভোগ না করা পর্যন্ত তা মহাকালে মিলিয়ে যেতে পারে না।

মাধ্যমিক শিক্ষার প্রতি নজর দেওয়া দরকার

গত দু’দশকে বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষায় যে পরিমাণ উদ্যোগ, মনোযোগ বা সহায়তা দেখা গেছে, মাধ্যমিক শিক্ষা তার ছিটেফোঁটা পায় নি। মূলত ১৯৯০-এর পর থেকে সবার জন্য শিক্ষা, বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন ও সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যে বাংলাদেশের কমিটমেন্টের কারণে এবং প্রাথমিক স্তরে রুগ্ন অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য সরকারকে বাধ্যতামূলকভাবেই এ সেক্টরে বিশেষ নজর দিতে হয়েছিল। দেশকে নিরক্ষরতামুক্ত করতে, বিশেষত দরিদ্র পরিবারের ঝরে পড়া ছেলেমেয়েদের পুনরায় শিক্ষার ব্যবস্থা করতে এনজিওরাও এসময় এগিয়ে আসে। বিদেশ থেকেও এ সময়কালে প্রচুর সহায়তা এসেছে। সেগুলোর সিংহভাগই প্রাথমিক শিক্ষাকে কেন্দ্র করে এবং তাদের সহায়তায় দেশের দুটো বড় প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কার্যক্রম ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে। শুরু হচ্ছে তৃতীয়টির কাজ। বলা যায়, সবার জন্য শিক্ষা বাস্তবায়নে যতোটুকু মনোযোগ পাওয়া দরকার, প্রাথমিক শিক্ষা সেক্টর ততোটুকু বা বেশি মনোযোগ

একটি বাংলাদেশ

অনেকদিন ধরে ব্লগ লিখি না, লেখা আসে না। নানা আইডিয়া মাথার মধ্যে গিজ গিজ করছে...কিন্তু লিখতে পারিনা। লিখতে বসলেই রাজ্যর ক্লান্তি এসে ভর করে, কী-বোর্ডে আঙ্গুল চলে না। অল্পতেই ধৈর্য হারাই। জানিনা এমন কেন হচ্ছে ! কিছুদিন কম্পু থেকে দুরে ছিলাম, এই জন্যই কি এমন হচ্ছে ! কে জানে !
আজ অনেকটা ধনু ভাঙ্গা পণ করে কম্পুতে বসেছি, এলেবেলে যাই মনে আসে, লিখবো। অন্তত একটা কিছু না লিখে আজ আর উঠছি না।

নিজের দেশে বিশ্বকাপ হচ্ছে। চারিদিকে উৎসবের আমেজ। রাজধানী ঢাকাকে নববধূর মতো সাজানো হয়েছে। আমরা জানি বধূটি মোটেও সুন্দরী নয়, কসমেটিক পলিশের মাধ্যমে তার কুশ্রী অঙ্গে কৃত্রিম সৌন্দর্যের প্রলেপ দেয়া হয়েছে। তবুও তাকে দেখতে সুন্দর লাগছে। বিশেষ করে রাতের ঢাকা এখন যেন এক যৌবনবতী তরুণী, যার শরীরের পরতে পরতে লুকিয়ে আছে রহস্যময় সৌন্দর্য আর অনাবিল আকর্ষন।

একুশের স্মৃতি (বিস্মৃতি)

টেলিভিশনে একুশের অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার করা হচ্ছে । কী সুন্দর ঝকঝকে ছবি ! কী ছিমছাম দৃশ্য, চোখ জুড়িয়ে যায় ! আমার স্মৃতিতে সেই কোন অতীতের ঝাপসা কিছু অস্পষ্ট দৃশ্য – কোনভাবেই স্থির হয়ে দাঁড়াচ্ছেনা, স্পষ্ট হচ্ছেনা । এতগুলো বছর চলে গেছে – কতকিছু বদলে গেছে । বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে গেছে কত সুখ-দুঃখ বিজড়িত ঘটনা। ১৯৬৯ সালের পর আর কোন একুশে ফেব্রুয়ারিতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যাওয়া হয়নি আমার, এর পরের আর কোন একুশে ফেব্রুয়ারিতে ঢাকাতেই থাকা হয়নি।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ