অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

ছবিতে ছবিতে পিকনিকের গপ্পো

আমাদের সবার আকাঙ্খিত , প্রতিক্ষীত পিকনিক হয়ে গেল গতকাল ২৪শে ডিসেম্বর।

মেসবাহ ভাইয়ের অক্লান্ত পরিশ্রম আমাদের পিকনিকের প্রেরনার উৎস।

ভাড়া করা হয়েছিল বি আর টি সি'র নতুন চাইনিজ বাস । এবার জয়িতা চাকার উপর না বসাতে বাসের টায়ার নষ্ট হয়নাই, আমরাও কোথাও নেমে চা খাইতে পারি নাই। মেসবাহ ভাই কে চায়ের কথা বললেই বলেন - নো-টি Puzzled

পিকনিক

লাস্ট স্টপেজ - রাজধানী স্কুল থেকে যাত্রা করে বাস । বাসে উঠেই দেয়া হয় নাস্তা

বিমার নাস্তা দর্শন

বিড়ম্বনার শেষ কোথায়

নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে শীত পড়ে বেশ । এই শীতের মধ্যে পরীক্ষা দিতে যায় ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা । আমরা মনে করি তাদের না-জানি কত কষ্ট হয় ! আসলে কিন্তু তারা থাকে আনন্দে – পরীক্ষা শেষ হলেই ছুটি, ছুটিতে কোথাও বেড়াতে যাওয়া আর সবচেয়ে আনন্দ যেটা সেটা হচ্ছে নতুন ক্লাশ-নতুন বইয়ের ঘ্রাণ পাবার আহ্বান । আর যারা আরও ছোট, তারা তো থাকে মহা মহাআনন্দে । তাদের স্বপ্ন স্কুলে ভর্তি হওয়া – বাবা-মা বলেছে আর ক’টাদিন পরেই তাকে স্কুলে ভর্তি করে দেবে ।

জব্বর একখান পিকনিক হইলো

আহারে যারা যায় নাই, তারা কি মিসটাই না করলো... ! সারাদিন আনন্দ-ফুর্তি, হৈচৈ, গানা-বাজনা আর...খাওয়া-দাওয়াতো ছিলোই। স্পেশাল আইটেম হিসেবে আরো ছিল গরম গরম ভাপাপিঠা। পিকনিক স্পটটাও ছিল দেখার মতো। ছবির মতোই সাজানো,গোছানো এবং সুন্দর। সুন্দর,মনোরম পিকনিক স্পট জোগাড় করার জন্য শওকত মাসুমকে এবং সুন্দর পিকনিকের সফল আয়োজনের জন্য মেসবাহ য়াযাদকে পন্চাশ কেজি ধইন্যাপাতা (ধইন্যাপাতা এখন খুবই সস্তা,তাই বেশী কইরা দিতে অসুবিধা নাই)। বেশী কথার প্রয়োজন নাই, আসেন ছবি দ্যাখেন আর যাইতে না পারার দু:খে আফসোস করতে থাকেন...। কি আছে দুনিয়ায়,আজ মরলে কাইল দুই দিন....।(আমার না এইটা উদরাজীর ডায়লগ)।

শুভ জন্মদিন দোস্ত!

এবি'তে এসেছে ২মাস হলো, এক মাঝে অবশ্য নিজের পরিচিতিটা বানিয়ে ফেলেছে ও।

আমার সাথে পরিচয় প্রায় ৪ বছর আগে। পরিচয় হবার পরদিনই ও আমাকে জিজ্ঞেস করলো, "নাজ তোমার কি মন খারাপ?" হ্যাঁ, ঐদিন আমার প্রচন্ড মন খারাপ ছিলো। কিন্তু, ও বুঝলো কি করে? জানিনা একেই হয়তো বন্ধুত্ব বলে!

আমার খারাপ সময়গুলোতে এত এত মানুষের ভীড়ে যাকে আমি সবার সামনে পেয়েছি, যাকে মন খুলে সব কথা বলেছি, যার কাছ থেকে অনেক অনেক অনেক ভাল কিছু সময় পেয়েছি, আজ ওর জন্মদিন ছিলো।

লিজা!
Sorry রে! সব কিছু নিয়ে এখন নিজের মাঝে এতই ব্যস্ত থাকি যে, সারাদিনে তোর একটা খবরও নিতে পারিনি আজ।
মাফ করে দিস দোস্ত Sad

অনেক অনেক ভালো থাকিস!

friendship-quotes.JPG

ব্রেকিং - আমরা বন্ধু পিকনিক চলছে।

আমরা বন্ধু'র পিকনিক। গাজীপুর চোরাস্তা পেরিয়ে আমরা বন্ধু'র গাড়ী পিকনিক স্পটের কাছাকাছি এগিয়ে চলছে। সকাল ৭;৩০ ল্যাবএইড, ৮;৩০ শাহবাগ মোড় এবং ৯;০০ টায় রাজধানী স্কুলের সামনে থেকে পিকনিকের গাড়ী বন্ধুদের নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। এখানে আপনাদের একটু বলে রাখা ভাল, বাংগালী স্বভাবমত নিধারিত লিফটিং স্পটে হাল্কা একটু দেরী হয়েছে মাত্র। সর্বশেষ খবর পাওয়া থেকে জানা যায়, রাস্তায় অনেক জ্যাম থাকে কারনে নিধারিত সময়ে গাড়ী পিকনিক স্পটে পোছাতে পারবে না। বিশেষ করে হযরত শাজালাল এয়ারপোর্ট চক্কর পার হয়ে টংগী ব্রিজ থেকেই ভয়াবহ জ্যাম দেখা পাওয়া যায়।

শিক্ষাব্যবস্থার জোয়াল টানছে কারা?

অদ্যাবধি পিতৃত্বের সবচেয়ে বড় চাপটা অনুভব করেছি গত ২ মাস যাবত, ছেলেকে স্কুলে দেওয়ার আগে এতটা চাপ অনুভব করিনি কখনও। ছোটোদের ক্লাসে এত বাহারী ধরণের বিষয়াদি আলোচিত হবে এমনটাও ধারণা করি নি, এবং এই চাপ কিংবা তথাকথিত শিক্ষাপদ্ধতিগত যন্ত্রনা এবং আমার নিজের মুঢ়তা কিংবা অদক্ষতায় আমার ব্যক্তিগত আচরণ ততটা পিতৃসুলভ ছিলো না। আমি গত ২ মাসে বেশ কয়েকবার নিজের ভাবনার নিয়ন্ত্রন হারিয়েছি, ছেলের সাথে বিশ্রী রকমের চিৎকার করেছি, কখনও কঠোর হতে হয়েছে, স্কুলের হোমওয়ার্ক, ক্লাশওয়ার্ক নিয়মিত জমা দেওয়া এবং না দেওয়ার এই ক্রমাগত "টাগ অফ ওয়ার" আমার ভেতরের সবচেয়ে নির্দয় অংশটিকে উন্মুক্ত করে দিয়েছি। অবশেষে বেশ জঘন্য একটা পরিস্থিতিতে আমি নিজেই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হলাম "এইসব পদ্ধতিগত যন্ত্রনা" আমি বিন্দুমাত্র আমলে আনবো না, আমি অন্তত শিক্ষা বিষয়ে মাথা ঘামাবো না। হোম ওয়ার্ক, ক্লাশ ওয়ার্ক, স্কুলের গ্রেড কিংবা অন্যসব জটিলতা নিয়

আমাদের গাজীপুর

বাংলা দেশে ৬৪ জেলা আছে । তার মধ্যে গাজীপুর একটি জেলা । গাজীপুর হাতে পারে বাংলা দেশের একটি অন্যতম পর্যটন জায়গা। গাজীপুরে আছে প্রাকৃতিক নানা সুন্দর্য এবং নানা রকমের জায়গা, যা পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষন করবে এবং পাশা পাশা গাজীপুরে ঐতিয্য ধারন করে রাখবে চিরকাল। গাজীপুর নাম করন করা হয়েছে ভাওয়াল রাজাদের আমল ..............................................আসিতেছে (আমাদের গাজীপুর )

না বদলানোর শপথ!

কাল বুয়েট যাচ্ছিলাম। নীলক্ষেত থেকে বুয়েট হেঁটেই যাই। কারণ অযথা বেশি টাকা দিবো ক্যান?! প্লাস হাঁটতে সেই রকম ভালো লাগে আমার!
(নিজের ব্যাপারে বলি বাপ্পি দুনিয়ায় একটা কাজই ভালো পারে, সেটা হচ্ছে হাঁটাহাঁটি!)
যাবার পথের রাস্তাটায় ভাত বিক্রি করে কিছু মহিলা। রিকশাওয়ালা/ভ্যানওয়ালারা সেখানে খায়। খিচুড়িও থাকে দেখেছি। একদিন অন্তত খেয়ে দেখার ইচ্ছে আছে! (বাঙালির একদিনের পান্তার মত!) তো কাল যাবার সময় দেখলাম কয়েকজন মিলে একসাথে ভাত খাচ্ছে।
খুব সাধারণ ঘটনা, কিন্তু আমার চোখ আটকে গেলো তাঁদের মুখ দেখে। কী অদ্ভুদ একটা শান্তির ছোঁয়া, মুখে কী অদ্ভুদ সুখানুভূতির আঁচড়!

আমি থমকে দাঁড়ালাম! কেএফসি/নান্দো'স/হ্যালভেশিয়ায়...নানান পার্টি/গেটটুগেদার এ আমার যে সব ছবি আছে। সে সব ছবিতে কি কখনো এই রকম সুখানুভূতি খুঁজে পাওয়া যাবে?
নিজের কাছে নিজেই লজ্জা পেয়ে গেলাম।

কার্পেট ব্যাপারীর জাহাজের খবর

আদিম যুগে যখন মানুষ বাড়িঘর তৈরি করতো তখন আমাদের পিতা আমাদের জন্য ঢাকা শহরের কোন এক কোনায় একটা মাথা গুজবার ঠাঁই তৈরি করেছিলেন। এখন মর্ডান যুগ, চারদিকে হাল ফ্যাশনের ফ্ল্যাট আর আমাদের বাড়িঘর নিতান্তই পুরানো। আমরা বুকে দীর্ঘশ্বাস চেপে একষ্ট ভাইবোনেরা মেনে নিয়েছি, সবার ভাগ্যে সব থাকে না। কিন্তু আমার মা জননী এই কষ্ট সহ্য করতে পারেন না। ওনার বান্ধবীদের নতুন চকচকা ঝকঝকা ফ্ল্যাট, কিচেন ক্যাবিনেট, টাইলস, স্লাইডিং ডোর আরো কতোকি। আর আমাদের প্রায় ছাল ওঠা মেঝে, ঘুনে ধরা দরজা। জননীর দীর্ঘ শ্বাসে প্রকম্পিত হয়ে আমি বললাম, ঠিকাছে টাইলস করাতো আপাততঃ সম্ভব নয়, তোমার ঘরটাকে পুরো কার্পেট করে নাও, তাহলে মেঝে দেখতে হবে না, তোমার বান্ধবীদের কাছেও প্রেষ্টিজ ঠিক থাকবে।

রোদকণা

বিশাল সমুদ্র আহ্বান করে না
লাল পাহাড় ডাকে না
শান্ত নদী স্মরণ করে মাঝরাতে
দূর কাশবনে শুধু মগ্ন নির্জনতা ডাকে।
অনুভূতিহীন দিন কেটে যায় বিরহ-সন্ন্যাসে
শীতল কুয়াশার চাদর সরে
রোদকণা জমে থাকে রূপালী বিভ্রমে।
প্রতারণা করে মেঘ পরাজিত চাতকের সাথে
তবুও বর্ষণ হলে চাতকের জলতৃষ্ণা হয়।
অপেক্ষার সময় প্রসারিত হয়ে
জমে থাকা কথানুড়ি
নিঃশব্দে গড়িয়ে যায় ঝর্ণার ধারে।
স্বপ্নগুলো উড়ে যায় গভীর অরণ্যে।

মা জয়িতা, হারিকেনটা নিয়ে আয় তো।

সালাম সাহেবের বয়স অনেক হল। এখন পুরাপুরি বৃদ্ব কালে আছেন। স্ত্রী তামান্নাও বুড়ি হয়ে গেছেন। একমাত্র ছেলেটাকে অনেক পড়া শুনা শিখিয়েছেন, বিরাট বড় চাকুরী করে আমেরিকায়। মাইক্রোহিট নামের একটা ওয়ার্ল্ড রিকগনাইসড কোম্পানীর অপারেশন ডাইরেক্টর। সারা বছর নানা দেশে ঘুরে বেড়ায়। ছেলেটা নিজের ইচ্ছায় ম্যচাচুসেটস এর এক বনেদী পরিবারে বিবাহ করেছে। বিদেশী ছেলের বউটা অনেক ভাল। বিবাহের পর অনেকবার এসে গেছে।

একটা সুখবর : দাদাভাইয়ের, আমাদেরও

mesbah
সব আড্ডায়ই একজন থাকে যাকে ছাড়া আড্ডা জমেনা। যিনি আড্ডার প্রধান আকর্ষণ। মানে প্রাণ ভোমরা। যিনি আড্ডাকে মাতিয়ে রাখেন, নিস্তেজ ম্যান্দামারা সময়কে আনন্দের ফুল্লধারা বানান। সেইরকম একজন আমাদের মেসবাহ য়াযাদ ওরফে দাদাভাই ওরফে বিনয় কাকু। উনার মত মাইডিয়ার লোক ইহ তল্লাটে খোঁজ দ্যা সার্চ দিলে খুবই কমই পাওয়া যাবে। দাদাভাইয়ের সাথে যারা পরিচিত হয়েছেন তারা এই বিষয়ে দ্বিমত করবেননা এইটা নিশ্চিত।

পিকনিক নিয়া দুইটা শিক্ষামূলক ঘটনা

পিকনিকে তো যাইতাছেন? বউ নিয়া যাবেন? তাহলে আসেন একটা গল্প কই।

একবার এক কামেল লুক বউ আর ছেলে নিয়া গেল পিকনিকে। এই লুকের মূল কাজ বউয়ের পিছন পিছন ঘুর ঘুর করা। নিজের বউয়ের পিছন যে ঘুর ঘুর করতে পারে সে যে কামেল লুক এই নিয়া আর সন্দেহ নাই।

পিকনিক নেতা দাদাভাই সকাল থেইকাই খালি রান্দে, আর রান্দে। কিন্তু রান্দোন আর শেষ হয় না। সকাল যায়, দুপুর গড়ায়, বিকালও যায় যায়। কিন্দু রান্দা চলতাছেই।

পরে দাদাভাই বুদ্ধি কইরা ভাপা পিডাওয়ালারে বসাইয়া দিল। শীতের বিকালে পিডা বানায়, আর সাথে সাথে ফুরুত। লাইনে না খাড়াইলে পিডা নাই।
ঐ লুকের পোলার লাগছে জবর খিদা। সেও আইসা লাইনে খাড়াইতে চায়, কিন্তু কামেল বাপ কয়, যাও, যাও, এখনই খাবার খাইবা। পিডা খাওন লাগবো না।
কিন্তু দাদাভাইয়ের রান্দোন আর শেষ হয় না।

কামেল লুকটা গেল বউয়ের কাছে। যাইয়া শোনে পুত্র তার মায়েরে বলতাছে,

ঘড়ি

বাড়ির পাশেই স্কুল । রাস্তার সমান্তরালে পূর্ব-পশ্চিম লম্বা একটা সেমিপাকা ভবন ।ইটের দেয়ালের উপর টিনের চাল । প্রাইমারী স্কুল আর হাই স্কুল দুই-ই এই একই ভবনে । একেবারে পূর্ব দিকের পাঁচটি কক্ষ প্রাইমারী স্কুলের জন্য নির্ধারিত । সেখানে ক্লাশ ওয়ান থেকে ক্লাশ ফাইভ পর্যন্ত পড়ানো হতো । আর বাকী অংশে সিক্স থেকে নাইন পর্যন্ত । পশ্চিম দিকে উত্তর-দক্ষিণ লম্বা অন্য একটি পাকা দালান (যেটিতে ছাদ ছিল, টিনের চাল দেওয়া বেশ চওড়া বারান্দাও ছিল) । সে দালানে হেডমাস্টার, অন্যান্য শিক্ষক এবং ক্লাশ টেনের জন্য ছিল একটা করে কক্ষ । এই বিল্ডিংয়ের আরও কয়েকটি কক্ষ লাইব্রেরী ও হেডমাস্টারসহ কয়েকজন শিক্ষকের আবাসিক কক্ষ হিসেবে ব্যবহৃত হতো । এই স্কুলে একটানা দশ বছর পড়ার পর স্কুল জীবন সমাপ্ত হয়েছিল ।

”তোমার ব্লগ এতো হিট কেন?”

আমি বলছি না চুপচাপ ব্লগ পড়ে গেলেই চলবে, আমি চাই
কেউ একজন আমার পোস্টে মন্তব্য দিক
শুধু পোস্টের হিট বাড়াবার জন্য
বার বার রিফ্রেশ করতে করতে মাউস প্যাডটা নষ্ট
আমি বলছি না কেবল মন্তব্য দিলেই হবে, আমি চাই
কেউ একটা প্লাস দিক। আমি সিঙ্গেল নিকে
কাউকে মন্তব্য করার জন্য বলছি না।
আমি জানি এই ইন্টারনেটের যুগ
ব্লগারদের মুক্তি দিয়েছে মাত্র একটি নিকে ব্লগানোর দায় থেকে
আমি চাই কেউ একজন জিজ্ঞেস করুক, আমার কাউকে ’ট্যাগিং’ করা লাগবে কিনা
ক্যাচাল পোস্টকে উস্কে দিতে আরো একটা
রিভার্স গেম লাগবে কিনা
ছোটখাট খোঁচাখুঁচি, লাল বাটনে টিপ আমি নিজেও করে নিতে পারি
আমি বলছি না আমাকেই লগইন করতে হবে, আমি চাই
কেউ একজন কমন নিকের পাসওয়ার্ড দিয়ে ব্লগে
লগইন করুক, কেউ আমাকে তাদের ’মালটি নিক’ -টাও দিক
আস্তিক-নাস্তিক সঙ্গী না হোক, কেউ অন্তত আমাকে
জিজ্ঞেস করুক, ”তোমার ব্লগ এত হিট কেন?”

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ