অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১২ জন অতিথি অনলাইন

কৈশোর, মা এবং স্বাধীনতা

এত দিন জানতাম বিয়ের পর ছেলের যদি একটা ভুল হয় মা বলেন বউএর জন্য এমনটা হয়েছে। তাই ভেবেছিলাম বিয়ে না করে এই বউ-শাশুড়ীর ক্যাচালের হাত থেকে রক্ষা পাব।কিন্তু এখনতো দেখছি শুধু বউ না ছেলের মেয়েবন্ধুটাও এই সমস্যা থেকে রেহাই পায় না। আমার এক বন্ধুর কথা বলছি।বেচারা!কোন ভুতের কিল খেয়ে একটা প্রেম করতে গিয়েছিল। তার আবার অতিরিক্ত সাহস। যা করবো সবাইকে জানিয়ে করব পর্দার অন্তরালে নয় এমন একতা মনোভাব নিয়ে সবাইকে জানিয়ে বেড়াল তার প্রেমের কথা।সবার আগে জানাল তার মাকে। ঐটাই কাল হল তার জন্য। এখন ছেলে যদি মায়ের সাথে একটূ উঁচু স্বরে কথা বলে মা মনে করে ওই হতচ্ছাড়া মেয়েটার জন্নুই তার খোকন সোনা তার সাথে এমন করছে।বেচারার জীবন একেবারে দফারফা। সেদিন বাসায় গেলাম তার আন্টি আমায় বলল তার ছেলে সারাদিন অই মেয়ের সাথে কথা বলে।অই মেয়ের সাথে কথা না বলে কথা গুলো তার সাথে শেয়ার করলে তো খুব একটা ক্ষতিতো আর হয় না।তাও ঠিক মায়ের সাথেতো শ

পুনর্মুষিকোভব

মহাসড়কটি ধরে কিছু দূর এগুলেই চোখে পড়ে গ্রামটি।

আর পাঁচ-দশটা গ্রাম থেকে আলাদা কিছু না। পাশাপাশি থাকা চৌচালা বাড়ী গুলো , উঠোন, গোয়াল ঘর , মাটির রাস্তা আর গাছ-গাছালি জড়সড় করে চেনা দৃশ্যপট তৈরী করা।

সে গ্রামে বাতাসের তুলিতে রৌদ্রের জলরঙ দিয়ে আঁকা হয় সহজ সরল মানুষগুলোর জীবনের ক্যানভাস । গ্রামের আরেক পাশে বিস্তীর্ন ফসলী মাঠ, সে মাঠে আকাশ আর মাটি কথা বলে ফিসফিসিয়ে।

প্রথম কারন: আমরা বন্ধুকে কেন ভালো লাগলো।

আজ আমি এই ব্লগে সদস্য হয়েছি। আর আমার প্রথম পোষ্টটিই ছিলো নিয়ম ভেংগে। মানে আমি এমন একটি পোষ্ট দিয়েছিলাম যা আগে অন্য ব্লগে পোষ্ট হয়েছিলো। যথারিতি আমার সেই পোষ্টে মন্তব্য এসেছে। দুই ধরনের মন্তব্য ছিলো। এক ধরনের মন্তব্য পোষ্টটির বক্তব্যের ভিত্তিতে আর আরেক ধরনের মন্তব্য ছিলো (সম্ভবত এ্যডমিন থেকে) আমার নিয়ম ভাংগার কারনে। তো আমি আমরা বন্ধুর সকল নতুন বন্ধুদেরকে একটা বিষয় না জানিয়ে থাকেত পারছিনা না। আমার ঐ নিয়ম ভাংগা পোষ্টে আমি যে মন্তব্যটি শেষে করেছিলাম সেটা সবার সাথে একটু শেয়ার করতে চাইছি।

পেচ্ছাপেচ্ছি: ভার্সন ২০১১

বছরের প্রথম দিনে পোস্ট না দিলে মনটা খারাপ থাকবে সারাবছর। তাই ভাবলাম লিখেই ফেলি। আর পোস্ট দেওয়ার ক্ষেত্রে পেচ্ছাপেচ্ছিই আমার সবচেয়ে পছন্দ।
১.
এখন পড়ছি নির্মল সেনের আমার জবানবন্দী। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক ও সাংবাদিক জীবনের গল্প। সমাজতন্ত্রী এই রাজনীতিবিদ আজীবন সবার মনে থাকবেন একটা লাইনের জন্যই-স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি চাই
গোলাপি এখন ট্রেনে সিনেমায় ভিলেন এটিএম শামসুজ্জামান একবার একজনকে গালি দিয়ে বলছিল-শালা কমিউনিষ্ট। সে সময়ে সমাজতন্ত্রের এতো খারাপ অবস্থা ছিল না। এখন আগের দিনের সেইসব বিপ্লবীদের পরিণতি দেখে সেই গালিটা মাঝে মধ্যে দিতেও ইচ্ছা করে।
তারচেয়ে সেই পুরান কবিতাটা বলি...
আমার যে বন্ধুরা পৃথিবীকে বদলাবে বলেছিল
ত্বর সইতে না পেরে
এখন তারা নিজেরাই নিজেদের বদলে ফেলছে।

(সুভাষ মুখোপাধ্যায়)

পিকনিকের আরো কিছু প্যাচাল

mesbah
দাদাভাই মেসবাহ যাযাদের ছবি দিয়া পিকনিকের প্যাচাল শুরু করলাম। কেন করলাম এইটা ব্যাখ্যা করার জরুর না, সবাই জানে। এবি পিকনিক মানেই দাদাভাই।
bus
সাড়ে ৮ টার মধ্যে শাহবাগ থেকে বাসে উঠতে হবে। রিক্সায় উঠে হিসাব করলাম টায়টায় গিয়ে পৌছাব। কিন্তু চালাক বাবাজী ভুল করে প্রেসক্লাব ঘুরে যাওয়াতে পাঁচ মিনিট দেরী। দাদাভাই চিল্লাচিল্লি করবে এইটা জানা। উনি বেহুদাই আমার সাথে ফাপর লন। আর এখন তো দেরী! গিয়া দেখি সবাই চলে এসছে। চরম ত্যাক্ত চেহারা নিয়া ভাই ঝাড়ি মাইরা বাসে উঠাইলেন, এক পেয়ালা চা খাইতে চাইছিলাম ধমক দিয়া বসায় রাখলেন।

শুভ হোক নতুন বর্ষ... শুরু হোক নতুন করে

দেশবাসী সব্বাই জানে যে, যেকোন উৎসবে লাইক ঈদ/নববর্ষে কিছু দরদী ভাইয়ের হঠাৎ দরদ উথলাইয়া ওঠে। সমস্ত মহল্লায় পোস্টারে শায়লাব ... ওমুক ভাই ঈদের/নববর্ষের শুভেচ্ছা জানাইছেন... কারন কি? সামনে নির্বাচন Smile ... আর তাই বিভিন্ন ভাইজানদের আমাদের জন্য দরদ উথলাইয়া ওঠে Smile

এবার কিন্তু সত্যি নির্বাচন সন্নিকটে... আবার ভাইবেননা যে আমি ইলেকশন সামনে দেইখা এইটা নির্বাচনী পোস্ট দিছি Wink ... লোকজন ভুইলা যাইতারে দেইখা এইটা একটা বাইচা আছি টাইপ পোস্ট Wink

কয়েকদিন আগেই আমরা একটি দুর্দান্ত পিকনিক কাটিয়ে এলাম। চমৎকার একটা দিন আমাদের ছিল। আর তাই পিকনিকের পেছনে থাকা কিছু অসাধারন মানুষকে একটু ধন্যবাদ না দিলে তো হপে না।

ভুং ভাং ফটো ব্লগ

সবাইকে ২০১১ এর শুভেচ্ছা এবং সবার জন্য শুভকামনা। নতুন বছর সবার অনেক ভালো কাটুক।
হঠাৎ করেই ২৭ ডিসেম্বর, ২০১০ ঘুরতে বের বান্দরবন, কক্সবাজার। ব্যাপক ঘুরাঘুরি করে গতকাল ফিরে এলাম।আমি ছবি ভালো তুলতে পারি না আর আমার খুব ভালো ক্যামেরাও নেই। তবু সাহস করে কয়েকটা ছবি দিলাম।

NILGIRI
নিলগিরি

nilgirite amra
নিলগিরিতে আমরা সবাই

Nilachol
নীলাচল

meghla
মেঘলা, বান্দরবন

meghla
মেঘলা, বান্দরবন

ডাইরী ১১৫

১.
দরজা খোলা থাকলেও আমি দাঁড়িয়ে থেকেছি। অনুমতি ছাড়া প্রবেশ নিষেধ।

২.
মন খারাপ হতেই হারিয়ে ফেলেছি পথ। মন ভালো হলে পথ ভুলে যাই।

৩.
ক্রমশঃ নিখূত হতে থাকি। বিষের পেয়ালা সামনে রেখে মরনের সাথে একরাত কথা বলি। বিষ বাষ্প হয়ে উড়ে গেলে আমি বেঁচে যাই। মৃত্যুর চাইতে বড় খুত আর কি আছে জগতে!

৪.
সবকিছু জড়িয়ে ধরতে নেই। তবু আমি অপেক্ষায় থাকি, ভুল করে পা হড়কে থেমে গেলে সময়, আমি আলগোছে তারে ধরে তুলে নেবো মুঠোয় মুঠোয়।

একজন দেশদরদী

P002msmall.jpg সারাটি বছর কেমন কেমন করে যেন চলে যায়, কখনও মনের মাঝে তাঁর স্মৃতি একবারও উথলে ওঠে কিনা তা মনে পড়েনা । সবাই যখন পরস্পরকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানায় আর আনন্দে উদ্বেলিত হতে থাকে, তখন মন আমার আক্রান্ত হয় স্মৃতিভারে । ষোল বছর আগের একটা শীতের সকাল । জানুয়ারির এক তারিখ, অফিসে যাবার প্রস্তুতির এক পর্যায়ে তাড়াহুড়া করে সকালের নাস্তা করছিলাম । এমন সময় টেলিফোন বাজল – আমার ছেলে কর্ডলেস ফোনের রিসিভারটা এনে হাতে দিল । ও প্রান্ত থেকে একবার শুধু ‘চাচা’ ডাক শুনতে পেলাম, এরপর সব চুপচাপ । একটু পরেই বড় ভাইয়ের কন্ঠ ভেসে এলো, তিনি বললেন, “আমরা পিতৃহীন হয়ে গেলামরে !” টুকটাক প্রশ্ন করে স্বাভাবিকভাবে জেনে নিলাম অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য । আমার স্ত্রী,পুত্র,কন্যা টেলিফোন আলাপ শুনেই যা বুঝবার তা বুঝে নিয়েছে ।

মেঘলা দিনের মেইল-শৌভিনিস্ট-মেমোরিঝ (স্ট্রিক্টলি ১৮+)

সে আমার কুটিকালের কথা। বয়স কম কম।পনেরো ষোল। যা-ই শুনি ভাল্লাগে... যা-ই দেখি হইতে ইচ্ছা করে। মুভি দেখতে বইসা নায়কের মুখে ডায়লগ ''আ'ম ফ্রম ডিসি'' শুইনাই মনে হয় ''নাহ, আ'ম ফ্রম সিলেট কথাটা তত হট শুনায় না; আমেরিকা যাইতেই হয়, গিয়া ওয়াশিংটন ডিসি তে থাকা শুরু করতে হইব; কেউ জিগাইলে কইমু আ'ম ফ্রম ডিসি... সাউন্ডস কুল''। সেইসব উথাল-পাথাল দিন... নাইনে তো পড়ছিলাম-ই ঠেলার চেয়ে টানা সহজ; মাসুদ রানা'র ''টানে, কিন্তু বাধনে জড়ায় না'' পইড়া বুঝি টানা শেষে বাধনে না জড়ানর-ও একটা স্টেপ আছে- মাসুদ রানাও হইতে হয়; নিউটন দেখি গণিত, পদার্থ মায় জো্যতির্বিগ্যানেও পা রাখছেন; ইবনে সিনা'ই বা ভুলি কেমনে? চারদিকে সব বিরাট বিকট হাতছানি; সব দেখতে মন্চায়, সব হইতে সাহস পাই। এই সব হওয়া না হওয়ার ভীড়ে আর কিছুই ঠিক করা হয়ে উঠেনা কি হইতে হইব।

বন্ধুদের প্রতি খোলাচিঠি

এই লেখাটার একটা ইনট্রো দেয়া দরকার। লেখাটা খুবই ব্যাক্তিগত। কিন্তু যে জমানা পড়েছে, প্রাইভেট স্পেস বলে কিছু নেই।আমার চিটাগাং এর কিছু বন্ধু গোপনে গোপনে প্রেম করে এই খবরের প্রতিক্রিয়া হিসাবে এটা তাদের উদ্দশ্যে লেখা। কিন্তু বন্ধু বাফড়া বললো যে রেফারেন্চ না থাকলেও এটা পড়া যেতে পারে। তার কথায় বিশ্বাস করেই এটা পোস্ট করা...

বন্ধুদের প্রতি খোলাচিঠি

যাইবি দক্ষিনে, বলিবি পশ্চিমে, রহিবি পুরবমুখে
গোপন পিরিতি গোপনে রাখিবি তবে ত রহিবি সুখে
গোপন পিরিতি গোপনে রাখিবি সাধিবি মনের কাজ
সাপের মুখেতে ভেকেরে নাচাবি তবে তো রসিকরাজ

বউ কাব্য

উদরাজী নাকি বউরে ভীষণ ভয় পায় (আমার কথা না মেসবাহ’র মত ) । সেদিন জানা গেলো টুটুলও তার বউকে....। অবশ্য জগতে দুই-একজন বীর পুরুষ ছাড়া সবাই বউকে কম-বেশি সমীহ করে। এজন্যেই অনেকে পিকনিকে বউ নিয়া যাইতে সাহস পায় নাই। উদরাজী নাকি একবার বিড়ম্বনায় পড়ছিল...। আমি নিজেও খুব একটা সাহসী পুরুষ নই। বিয়ের আগে মানুষ যখন বউ নিয়া নানা রঙ্গীন স্বপ্নে বিভোর থাকে, আমি তখন দাম্পত্য জীবন এবং বউ সম্পর্কিত কিছু অনুকাব্য রচনা করেছিলাম। যার অনেকগুলোই পরবর্তিতে দাম্পত্য জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতার সংগে কাকতালীয় ভাবে মিলে গেছে। সেইসব অনুকাব্যের বেশ কয়েকটি এবির বন্ধুদের জন্য এখানে উদ্ধৃত করলাম। আগেই বলে রাখছি, এই অনুকাব্য গুলোর বেশ কয়েকটি ইতিপুর্বে বিভিন্ন পত্র/পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।

১.মা বলে বউয়ের ভেড়া
বউ বলে বলদ
জানিনি কোথায় গলদ !

২.আমার বউ আমায়
পেয়ে অভিভূত
আমি তার বশীভূত

ডাইরী ১১৪

১.
দৌড়তে দৌড়তে টের পাই বয়সী বায়স এসে খুটে খেয়ে গেছে ফুসফুস-হৃৎপিন্ড এবং যকৃত। অথচ থামলেই স্মৃতির চাবুক আছড়ে পরবে পিঠে ও পাজরে। দৌড়তে দৌড়তে টের পেয়েছি বন্ধুর পথ বড় সমতল ঠেকে মায়োপিক চোখে। যদিও ছন্দপতন হলে সম্ভাবনার গিলোটিন বিভাজন এঁকে দিবে শরীরে ও শিরে।

দৌড়ে দৌড়ে কোথাও পৌছবো নাকি...দৌড়ে দৌড়ে কতদূর যায় ঘূণে ও ঘোরে আবিষ্ট শরীর?

২.
শীতে ও সর্দিতে বেঁচে বর্তে থাকা যায়। একেকটা হাঁচিতে মনে হয় ফিরে এসেছি সম্বিতে। কান খাঁড়া করে যখন শুনেছি অপসংস্কৃতি...তখন তারা শিল্প হয়ে বেজে যায় এক বিকাল-দুই সকাল-স্বপ্নাবধি। বৈচিত্রের মনোটনিতে গিয়েছি ফেসে এই বেলা।

৩.
বহুদিন পর এক টুকরো সময় পেয়েছি কুড়িয়ে। আবারো তাই সাদা কালো, হরফে হরফ, আবেগের অ্যালিগরি...

অপনষ্টক

১.
বড় কষ্টে গড়া এ মহাসংসারও একদিন নুয়ে পড়বে
আর আমি তো কোন নশ্বর।

২.
আমাদের মসজিদের ইমামটা বোধহয় মারা যাবে
ওর ফজরের আযান দিতে খুব কষ্ট হয়
আমি ওর কথা ভাবি,
আচ্ছা কিসের ভরসায় ও সারাটাজীবন কাটিয়ে দিলো
একদিনও আযান মিস না করে?

৩.
বুজে যাওয়া চোখ মেলে দেখি
আলো এসে গেছে।
তাহলে?
এখন আরো একটা দিন
আমার সামনে।

৪.
হাতুড়ি দিয়ে দেয়ালে পেরেক ঠুকতে খুব মজা,
আমার একদিন কন্ঠনালীতে পেরেক ঠুকে
আজীবনের নেশা মেটাতে ইচ্ছে হয়।

৫.
প্রিয় বিছানা আমার
তোমার প্রতিটি ক্যাঁচ-ক্যাঁচ
আমাকে তোমায় উপলব্ধি করতে
সাহায্য করে, জেনে রেখো।

৬.
কয়েকটা ছোট ছোট বৃষ্টির ফোঁটা কার্ণিশ বেয়ে
পলিথিনের ওপর পড়ে সুরের জাল বুনে ফেলতে পারে।
আমার শরীরটা এত অকাট যে বৃষ্টির ফোঁটারা

জীবিকা অথবা জীবন- ৭

সকালের দিকে রাতের বাসি ভাত-তরকারি খাওয়ার পর আর কিছু করার থাকে না মনু মিয়ার। দুপুরের খানিকটা আগে দিয়ে যদি সালমা বেগম তাকে রান্নাঘরে ডাকেন তো কিছু তরি-তরকারি বা মাছ-গোস্ত কেটেকুটে চাল ধূয়ে দেওয়ার পর ফের খাওয়ার আগ পর্যন্ত তার তেমন কাজকর্ম থাকে না। দুপুরের খাওয়ার পর হাঁড়ি-বাসন-কোসন পরিষ্কার করে গাইটাকে কিছু খেতে দেয়। কোনো দিন কলের মুখে দীর্ঘ পাইপ লাগিয়ে সেই পানি দিয়ে ফেলে দেওয়া গন্ধসাবান দিয়ে ডলে গাইটাকে গোসল করায়। গাইয়ের জন্য সাবান দেখে একদিন রহমান সাহেব আর সালমা বেগম দুজনেই হাসতে হাসতে যেন পড়ে যাবেন এমন হয়। রহমান সাহেব বলেছিলেন, গরুরে সাবান দিয়া গোসল দিতে কই দেখছস? আরো জমিদারেও মনে কয় এমন করবো না!

মনু মিয়া গাইটার শরীরে সাবান ডলতে ডলতে হেসে বলেছিলো, টুকরা-টাকরা সাবান কতডি জমছে! হালায় না দিয়া কাম লাগাইতাছি!

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ