ইউজার লগইন
ব্লগ
আমাদের ভারত ভ্রমন- শেষ
ট্রেন স্টেশন থেকে সাতজন উজবুকের মত ব্যাগ কাঁধে নিয়ে বেরিয়ে এলাম। ছোটন একটু দুরত্ব রেখে হাঁটছে আমাদের কাছ থেকে। ওকে চিবিয়ে খেয়ে ফেলতে পারলে মনের ঝাল কিছুটা কমতো। ওকে পাত্তা না দিয়ে অঞ্জনের সাথে পরামর্শ করলাম। আমি আর অঞ্জন রেল স্টেশনে রয়ে গেলাম। অন্যদের বললাম, হোটেলে চলে যেতে। স্টেশনের পাশেই হোটেল। হাঁটা পথ। বললাম, সেখানে যেয়ে ৩ টা রুম নিতে। আমরা গেলাম পরের দিনের টিকেট করতে। খুব বেশি ঝামেলা না করেই পরের দিনের রাজধানীর ৭ টা টিকেট পেয়ে গেলাম। টিকেট নিয়ে আমরা প্রথমে খেতে গেলাম। অবেলায় কি খাব ! ফাস্ট ফুড আর দু'গ্লাস টাটকা আমের জুস খেলাম। তারপর আস্তে আস্তে হোটেলের দিকে। হোটেলে ফিরে সবাইকে বলে দিলাম- কালকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত আমাদের কোনো কাজ নাই। যে যার মত ঘুরতে পারে। যখন খুশি খেয়ে নিবে। বাট কাল বিকাল ৪ টায় সবাই হোটেলে থাকবে।


asasasad
মতিঝিলের একটা কোণা দিয়ে হাঁটতেছিলাম। ওই যে, রাজউক আর রাষ্ট্রপতির বাড়ির চিপা দিয়ে একটা রোড চলে গেছে না একদম শাপলা পর্যন্ত? সেই রাস্তাটা দিয়ে। খর দুপুর। কোনো বিশেষ কারণ ছাড়া। রাস্তায় হাঁটছি।
এমনটা সাধারণত ঘটে না। কারণ দুপুরের দিকে অফিসের ব্যস্ততাটাই আমাকে বেশি করে তাড়িয়ে নিয়ে বেড়ায়। আজ সেটা নেই। সপ্তাহের মাঝামাঝি এই একটা দিনে আমি অফিসের কল্যাণে ছুটি উপভোগ করি।
হাঁটতে হাঁটতে রাজউক ভবনের প্রায় কাছেই চলে আসলাম। আর একটু সামনেই উন্নয়ন কর্তৃপক্ষদের কর্মস্থল। রাস্তাটা দিয়ে বের হলেই দেখতে পাবো দুইদিক দিয়ে অবিরাম গতিতে চলাচল করছে অসংখ্য গাড়ি-ঘোড়া। স্যরি ঘোড়া মনে হয় দেখতে পাবো না। ঘোড়ার গাড়িগুলো এদিকে আসে না। ওগুলো গুলিস্তানের গোলাপ শাহ মাজার থেকে সদরঘাট ওভারব্রীজ পর্যন্ত যায়। একেকজনের কাছ থেকে ১০ টাকা করে নেয়।
খুদে লিরিক
আমাকে হারিয়ে যেতে দাও
আমারি হারানো পথে ।
আমাকে ভেসে যেতে দাও
ভেঙে যাওয়া স্বপ্নরথে ।।
খুঁজোনা আমায় আকাশের নীলে ।
পাবেনা আমায় উদাস গাংচিলে ।।
ডেকোনা , আমি আর ফিরবো না
ফেলে আসা ধূসর অতীতে ।
কখনো হিসাব মেলাবো না
জীবনের কোন লাভ ক্ষতিতে ।।
ঝাপসা দুচোখ , বৃষ্টি কাঁদে ।
জড়াবোনা আর জীবনের ফাঁদে ।।
আমাকে হারিয়ে যেতে দাও
আমারি হারানো পথে ।
………………অত:পর সবাই লুংগিকে আরো উপরে তুলিয়া ধরিতে উদ্যত হইল
(মোবাস্বির ভাই এবং তাসবীর ভাই এর মত দুইজন গুণী মানুষের বিরল গবেষনার ফসল হল অনুসন্ধানী এই লেখাটি । তাই প্রথমেই তাদেরকে জানাই অসীম কৃতগ্ঞতা)
সহকর্মীরা প্রায়ই নাফিজকে নিয়ে ঠাট্টা, বিদ্রুপ করে।
কারন নাফিজ ‘লুংগি পরে। তাদের মতে নাফিজের এই লুংগি পরিধানের কারনে দেশ অতলে ডুবে যাচ্ছে। হ্যাঁ এটা হয়ত আংশিক সত্য যে দেশ ডুবে যাচ্ছে। কিন্তু তা যে নাফিজের লুংগি পরার কারনেই হচ্ছে, এটা সে কোনভাবেই মানতে রাজী নয়।
বরং বর্তমান প্রেক্ষাপটে লুংগির বহুবিধ অন্তর্নিহীত তাৎপর্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে ছড়িয়ে দেওয়ার ব্যাপারে নাফিজ আগের যে কোন সময়ের তুলনায় বেশী সংকল্পবদ্ধ।
অগত্যা একদিন লুংগি নিয়ে কুৎসা রটনাকারীদের সবাইকে নাফিজ ডাকলো।
- বললো ‘আপনাদের অনেকের মনে হয়ত গোপন কৌতুহল আছে আমার পরনের বস্তু খানা নিয়ে? হয়ত আপনাদের জানতে ইচ্ছে করে, কী এমন জাদুকরী বৈশিষ্টের কারনে টিটকারী, নাকসিটকানোকে উপেক্ষা করে ঐ বিশেষ বস্তুখানা আমি পরিয়া চলেছি’?
ঐ বিশেষ বস্তুটি অন্যকিছু নয়—বহুল পরিচিত‘লুংগি’।
ভালো থাকবেনা মানে কি!
কবীর সুমনের এই শিরোনামের গানটা আমার ভীষন প্রিয়। নিজের অজস্র মন খারাপের দিন অঞ্জন, সায়ান, কবীর সুমনের গানই ভরসা। তবে মন খারাপকে জয় করার সহজ উপায় বাইরে বের হয়ে প্যাচাল পারা। কত লোক আপনার সামনে দিয়ে যাবে তাদের অনেককে আগেও দেখছেন সেই সুবাদে আলাপ শুরু করে দেন। দেখবেন মানুষের একস্পিরিয়েন্স দিন যাপনের গল্প কত অনন্য। এর একটা গল্প শুনলেই আপনার মন ভালো হয়ে যাবে। সেই কথা থাক অন্য কোনোদিন বলবো। আজ সারাদিন কেমন গেলো তাই নিয়ে বলি।
ইসলামের দৃষ্টিতে ধর্মিয় জ্ঞান অর্জনের গুরত্ব এবং মাদরাসায় না গিয়ে এই জ্ঞান আয়ত্ব করার উপায় !
মুসলিম জাতীর একটি বিরাট অংশ এখনো দৃয়তার সঙ্গে বিশ্বাস করে ধর্মের পাশাপাশি ইসলাম একটি বিশ্বজনীন জীবন দর্শন। বিশ্বস্রষ্টা থেকে আগত এই পবিত্র জীবন দর্শন জাহেলিয়াতের অসংখ্য প্রাচির ভেঙ্গে সমগ্র বিশ্বের আনাচে কানাচে এখন তার বিচরন অথচ এই দর্শনের আগমন ঘটেছিল এক সংকির্ণ পাহাড়ের গুহায় ! এই পবিত্র জীবন দর্শনের কন্টরোধ করার জন্য বিগত দেরহাজার বৎসর যাবত হতভাগ্য মুসলিম ও অমুসলিম সমপ্রদায়ের পক্ষ থেকে কত ষরযন্ত্রই না হয়েছে কিন্তু এই সমস্ত ষরযন্ত্রে ইসলামী জীবন দর্শনের কিছুটা ক্ষতি হলেও সামগ্রিক বিচারে এর কোনই ক্ষতি হয়নি। দিন দিন এর প্রচার প্রসার এবং এই দর্শনের দিকে অমুসলিম সমপ্রদায়ের আগমন কোন অংশেই কম নয়। প্রাশ্চাত্যের মিডিয়াগুলোই এখন বলছে ইউরোপ আমেরিকার শিক্ষিত এবং উচ্চ শিক্ষিত তরুন তরুনীদের মধ্যে ইসলাম গ্রহনের বিষয়টি লক্ষ্য করার মত ! আজ থেকে একশত বৎসর পূর্বে আমেরিকা ও বৃটেনে মসজিদ মাদসারা ছিল ৫০ থেকে আনুমানিক ১০০ টি অথচ এখন মসজিদ মাদসারা এই দুইটি রাষ্টেই কমপক্ষে দশহাজার !
আমাদের ভারত ভ্রমন- ৪
সকাল ৬ টার মধ্যে সবাই রেডি। বাইরে ঝিরঝির বৃষ্টি। সে বৃষ্টির নিকুচি করি। ঝড়-বাদল যাই হোক আমরা আজ তাজমহল দেখতে যাবই। তাজমহল দেখে আবার আজ বিকাল ৫ টার মধ্যে দিল্লী পৌঁছতে হবে। তারপর রাজধানী এক্সপ্রেসে চেপে যাব কোলকাতায়। নিচে নেমে এলাম সবাই। সাত জনের জায়গায় ৫ জন। দুই জন ঘুমাচ্ছে। শত ডাকাডাকিতেও উঠলো না। একজন কোলকাতার বন্ধু ছোটন। অন্যজন অঞ্জন। ঘুম ঘুম চোখে ওরা দুজন বললো, ওরা নাকী অনেকবার তাজমহল দেখেছে- আর দেখার ইচ্ছে নাই। আসলে বৃষ্টিভেজা এই সকালে ক্লান্ত ওরা ঘুম থেকে উঠতে চাচ্ছিলো না... । জীবনে প্রথমবার তাজমহল দেখার উত্তেজনা আর উন্মাদনা নিয়ে নিচে নেমে দেখলাম, আগের রাতের একজন অটো ড্রাইভার এসে বসে আছে। অন্য অটো ড্রাইভার মানে 'কিশোর বাবু' (যিনি ভালো বংলা জানেন) তখনও এসে পৌঁছায় নাই। তাকে ফোন করা হলো। বললো, আসছি... এই 'আসছি' চলতে থাকলো বেলা ৮ টা পর্যন্ত...
বিষাক্ত রূপ
তোমার ঠোটের রং
প্রতিনিয়ত পাল্টে দেয় আমাকে
তোমার চাহনী, হাসি কিংবা...
কিংবা ভেঙ্গচি কাটা
সবই আমাকে নাড়া দেয় ।
তোমার দশটা পাঁচটা ছবি
অথবা টিস্যুর ভাঁজে চুম্বন চিহ্ন
আমাকে প্রায়ই মাতাল করে ।
যে রাতে তোমার হাতের ছোঁয়া
বাড়াতে থাকে হৃদকম্পন
আমি বদলে যাই, বদলে আমাকে যেতে হয়।
তুমি যদি একবার দেখতে
তোমার বিয়ের দিন
তোমাকে কত সুন্দর লাগছিল
যদিও সেটা আমার জন্য নয়।
ভ্রমর এসে মধু খেয়ে যায়
মৌমাছি প্রেমিক মন পালিয়ে বেড়ায় ।
কিছু কিছু রূপ আছে যা মানুষকে অন্ধ করে দিতে পারে । কিছু কিছু চাওয়া আছে যা মানুষকে একমুখী করে তুলে । সকল কিছুই এলোমেল করে দ্যায় ।মাঝে সাঝে কিছু অদ্ভুত লোকদের সাথে আলাপচারিতা হয়, যারা এমন রূপে ঝলসানো । তাদের ঝলসানো জীবনটার একটা রেশ কিন্তু রয়েই যায় শেষ অবদি। এরকম অভিশপ্ত রূপ যেন আর কারো নজরে না আসে, সেই কামনাই করছি । - ধন্যবাদ
ষাঁড়ের দৌড় উৎসব





স্পেনের পাম্পলোনা শহরে ষাঁড়ের দৌড় উৎসব হলো স্পেন এবং পুরো বিশ্বের এক আলোচিত ঘটনা। ১৯১১ সাল থেকে চলে আসছে ষাঁড় আর মানুষের মধ্যে শক্তি পরীক্ষার এ বিপজ্জনক লড়াই আর অ্যাডভেঞ্চারের উৎসব।
শুধু স্পেনের মানুষই নয়, এ উৎসবে যোগ দিতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অ্যাডভেঞ্চার বিলাসীরা প্রতিবছর পাম্পলোনায় এসে জড়ো হন। স্পেনের এ উৎসব যথেষ্ট হইচইয়ে ভরা। চলে জুলাইয়ের সপ্তাহজুড়ে।
কলি-কথা 2 (কলকাতা টু সারপ্রাইজ অঞ্চল ভায়া দিল্লী ...)
# রাজধানী ট্রেনে-যা এলাম জেনে
ট্রেন ছিল বিকেল সাড়ে চারটা নাগাদ। বৃষ্টিস্নাত কোলকাতায় ঘুরে ভরপুর খেয়ে ঘুরাঘুরি শেষে হাওড়ার উদ্দেশ্য রওনা দিলাম। হাতে অনেকক্ষাণী সময়। কারণ হাওড়াতে গিয়ে প্ল্যাটফর্ম খুঁজে পেতে কতক্ষণ লাগবে আদৌ জানি না। যথা সময়ে স্টেশন পৌঁছে জানা গেল প্ল্যাটফর্ম ১১তে গেলে ঠিকঠাকভাবে উঠে যেতে পারবো। গোছানো স্টেশন! ট্রেনও এলো যথাসময়ে। যথাসময় মানে একদমই যথা সময়। বগির বাইরে নাম দেখলাম। নাহ লিস্ট ঠিকই আছে। উঠেই দেখলাম দুই জন ইতিমধ্যে আছেন। আমরা দুইজন। আরো দুইজনের অপেক্ষা।আমাদের দুইজনের সিট হলো মিডল আর লোয়ার ব্যাঙ্কার। উপর তলায় কারা থাকবেন- আমার মনের মধ্যে তখন বিশাল তুফান এটা নিয়ে। ঠিক চারটে ছত্রিশ মিনিটে ট্রেন ছেড়ে দিল। ভাবছি আমাদের "কাদের সাহেব" একবার এসে এখানে ঘুরে গেলেই বুঝতেন সার্ভিস কাকে বলে! থাপড়ানো-চটকানো বাদে নিয়মটাকে অশীথিল করলেই ল্যাঠা চুকে যায়।
স্মৃতি লুকানোর ব্যক্তিগত প্রয়োজন
তারেক মাসুদের সম্পাদিত মুক্তির গানে আমরা যে দলটিতে বিভিন্ন শরনার্থী শিবির আর মুক্তাঞ্চলে মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্বুদ্ধ করতে দেখেছি তারা সবাই বাংলাদেশ মুক্তি সংগ্রামী শিল্পী সংস্থার সদস্য। ১৪৪ লেনিন সরণিতে বাংলাদেশ সহায়ক সমিতির আনুকূল্যে সেখানে এই সংস্থাটি গঠিত হয়। সে দলটির দায়িত্বে ছিলেন ওয়াহিদুল হক, সানজীদা খাতুন। মাহমুদুর রহমান বেনু, জিয়াউদ্দিন তারেক আলি,স্বপন বসু শাহীন সামাদ সহ আরও অনেকে।
বাংলাদেশের বিকল্প ধারার চলচিত্র নির্মাতাদের বিভিন্ন ধরণের ভংচং থাকলেও তারা আদতে তেমন পরিশ্রম করতে অনাগ্রহী। এই যে মুক্তির গানের শিল্পীরা, তারা সবাই বিভিন্ন পথে বিভিন্ন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়ে বাংলাদেশ মুক্তি সংগ্রামী শিল্পী সংস্থা পর্যন্ত পৌঁছাতে পেরেছিলেন। এদের মুক্তির পথযাত্রা নিয়ে চমৎকার, হৃদয়ছোঁয়া চিত্রনাট্য হতে পারে।
আগুনের পরশমনি মুক্তিযুদ্ধকালীন সময় নিয়ে নির্মিত সেরা চলচিত্র মনে হয় আমার কাছে। চিত্রনাট্য, উপস্থাপন, প্রত্যেকের অভিনয়, সংলাপের পরিমিতিবোধ আমাকে প্রথমবার যেমন নাড়া দিয়েছিলো অনেক দিন পর দেখে পুনরায় মনে হলো এমন ছিমছাম ছবি আসলেই খুব কম নির্মিত হয়েছে।
কাপাসিয়া উপ-নির্বাচন: বঙ্গবন্ধুর দৃষ্টিতে
তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ (পুরো নামটা কী ঠিকমত লিখতে পারলাম), সোহেল তাজ মানেই সবাই তাঁকে চেনেন। সুদর্শন স্বাস্থ্যবান তরতাজা তরুণ। লেখাপড়া কোথায় কী করেছেন জানিনা, সেটা খুব গুরুত্বপূর্ণও না, কথা বার্তায় চটপটে। এই যুবক কাপাসিয়া এলাকার সংসদ সদস্য যখন কাপাসিয়া এলাকার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তখন প্রায় সকলেই খুশি হয়েছিলেন। আমার মুরুব্বীস্থানিয় কিছু সুশীল ভদ্রলোককে বলতে শুনেছি, ভাল পরিবারের শিক্ষিত রুচিশীল যুবক, এরকম আরো বেশি ছেলেময়েয়ে নেতৃত্বে আসলে দেশের ভাল হবে, রাজনীতিতে একটা গুণগত পরিবর্তন আসবে ইত্যাদি। তরুণ বয়েসের আরো কিছু ভাল পরিবারের ছেলে এই সংসদে আছে, তাঁদের ব্যাপারেও আমি অনেকের মাঝে এই ধরনের মুগ্ধতা দেখি, এমন কী নাজিউর রহমান মঞ্জুর পুত্রের উপরও একই মাত্রার আস্থা ও প্রশংসা শুনি। এই ধরনের কথা শুনলে আমি সেই অর্থে বিরোধিতাও করতে পারি না কিন্তু আবার মনের মধ্যে কেমন যেন একটু অস্বস্তি বোধ করি। আমি নিজে বিশিষ্ট বা ভাল বংশের মানুষ না সেই জন্যেই বোধ হয়।
আবজাব কথাবার্তা
সন্ধ্যা থেকেই বিদ্যুত নেই। ঘুটঘুটে অন্ধকার চারদিকে। ব্যাঙ ডাকছে অনবরত। একটা/দুইটা জোনাকিপোকা উড়ছে। সেই সন্ধ্যা থেকেই একটা পাখি কু কু করে ডেকে চলেছে।এই পাখিটাকে গ্রামে বলে কুপক্ষি । গ্রামের মানুষ বলে রাতে কুপক্ষি ডাকলে বিপদ-আপদ হয়,অসুখ -বিসুখ হয় । আম্মা চিন্তিত হয়ে দরজা জানালায় শব্দ করছে ,পাখিটা যেন দূরে যায়। কিন্তু পাখিটা ডেকে ডেকে ভয়ের একটা পরিবেশ তৈরী করেছে । কেমন হু হু করা নীরবতা চারদিকে । কত কি মনে পড়ে,কত কি মিস করি! কত কি বদলে যায়! এই জোনাকি পোকাগুলোও।
ছোটবেলায় দেখতাম রোজ রাত নামলেই কত কত জোনাকি পোকা যে ঘরে ঢুকে আলো জ্বালতো! মনে আছে, রোজ জোনাকি পোকা ধরে বোতলের ভেতর জমাতাম। ঘুমানোর আগে লাইট নিভিয়ে দেখতাম বোতলের ভেতরে কি অদ্ভূত আলো জ্বলছে আর নিভছে ।মশারির ভেতর ঢুকে সবগুলো জোনাকি ছেড়ে দিলে সারারাত ঘুরতো মশারির ভেতর । জোনাকিগুলো হারালো কোথায় ? আমার শৈশবের সাথে শৈশবের আনন্দও স্মৃতি হয়ে গেলো কেন ভেবে পাইনা ।
শান্ত মোবাইল দিয়ে কত সুন্দর পোস্ট দেয়,আর আমি এটুকু টাইপ করতেই হাত ব্যথা হয়ে গেলো । শান্ত আসলেই রক্স ।
সঙ্গীত; সুধা স্বর্গসম - ১
প্রথম দেখায় প্রেমে পড়ে যাওয়ার কথা শোনা যায় অনেক সময়।
আমার কেস আলাদা, প্রথম শোনায় ভালোবেসে ফেলেছি!
মানে কণ্ঠ শুনে, বলা উচিৎ গান শুনে!!
আরেকটু ভেঙ্গে বলি,
আমার ভাইয়াও ব্লগার, সচলায়তনে লেখে কম; পড়ে বেশি।
ওর কাছে ব্লগার অনার্য সঙ্গীত এর একটা লেখায় আরেকজন ব্লগারের নিজের কথা সুরে গাওয়া একটা গান শুনেই এই অবস্থা! লেখিকারই একটা লেখায় জানতে পারলাম সামনে নাকি তার গানের এ্যালবাম আসছে বাজারে। এখন মনে হচ্ছে রাতের ঘুম আসলেই হারাম হতে বসেছে, অপেক্ষায়!
যাই হোক, গানের কথায় আসি।
পাওলি বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বেশী ওজনের নারী
তার নাম পাওলিন পর্টার। তবে সবাই 'পাওলি' বলে ডাকে। তার বয়স ৪৭ বছর। পাওলি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার স্যাক্রামেন্টোর বাসিন্দা। তার ওজন ৩১৭ কেজি বা প্রায় ৮ মণ। কি অবাক হলেন? অবাক হওয়ারই কথা। কারণ, এত ওজনের কোনও মহিলার কথা হয়তো এর আগে ...
আপনি শোনেন নি।
। ২০১২ সালের গিনেজ ওয়ার...্ল্ড রেকর্ড বুকে তার নাম উঠেছে বিশ্বের সবচেয়ে ওজনের নারী হিসেবে। পাওলি তার এই স্বাস্থ্য নিয়ে গর্বিত কিন্তু সুখী নয়। বিশাল ওজনের এই শরীর নিয়ে তিনি আছেন নানান সমস্যায়। তিনি তার একার চেষ্টায় গোসল করতে পারেন না। যেতে পারেন না শপিং মলে। সব কাজেই তাকে সাহায্য নিতে হয় অন্যের। সর্বদা তার কাজে এবং তার দেখাশুনায় সহায়তা করে তার একমাত্র ছেলে ডিলান। ডিলানের বয়স এখন ১৬ বছর। ডিলান তার মাকে বিছানা থেকে তুলে চেয়ারে বসায়, মোটর হুইল চেয়ারে বসিয়ে মাকে বাইরে নিয়ে যায় এবং দিন-রাত তার মায়ের ট্রলিতে খাবার সাজিয়ে দেয়।