ইউজার লগইন
ব্লগ
সেই সুরে কাছে দূরে জলে স্থলে বাজায় বাঁশি
আমার আগের পোস্টের সবগুলো কমেন্টের উত্তরই আমি দেবো। তবে সেজন্য আমার একটু সময় লাগবে। কারণ কমেন্টগুলোর প্রত্যেকটি আমার হৃদয়কে আলাদা আলাদা ভাবে স্পর্শ করেছে। তাই ওগুলোর প্রতি পূর্ণ সুবিচার করাটা আমার নিজের জন্যই জরুরি ভীষণ!
আসলে 'লেখালেখি'-কে আমি যেভাবে দেখি সেটা আমার ধারণা, এই ২০১২'র প্রেক্ষাপটে বেশ খানিকটা বেমানান। আমি মনে করি, বাংলা সাহিত্যের ভেতরেই কথাবার্তা সীমিত রাখি, রবীঠাকুর বা মানিক বন্দোপাধ্যায়; মানিকটা বেশি হেল্পফুল হবে মনে হয় এখানে- যা কিছু লিখে গেছেন; সেগুলোই কেবল প্রকৃত 'লেখা'। অবশ্য এ দু'জনই শুধু নয়। তাদের মতো আরো অনেকের নাম লিখে বড় করা যায় এই তালিকা। যেমন জীবনানন্দ দাশের কথাই ধরা যাক। এই কয়েকটি লাইন একটু দেখুন-
চোখদুটো ঘুমে ভরে
ঝরা ফসলের গান বুকে নিয়ে আজ ফিরে যাই ঘরে!
ফুরায়ে গিয়েছে যা ছিল গোপন- স্বপন কদিন রয়!
এসেছে গোধূলি গোলাপীবরণ-এ তবু গোধূলি নয়!
সারাটি রাত্রি তারাটির সাথে তারাটিরই কথা হয়,
আমাদের মুখ সারাটি রাত্রি মাটির বুকের পরে!
কি অসাধারণ! কি ভীষণ অসাধারণ!!
সবাই কে সালাম ।
সবাইকে আগে সালাম জানাচ্ছি ।
আশা করি সবাই আল্লাহর রহমতে ভালই আছেন ।
আমার বন্ধু ব্লগ অনেক পোস্ট আগে পরেছি, ঘুরেছি কিন্তু এটি আমার বন্ধু ব্লগে প্রথম পোস্ট । এর আগেও অন্য ব্লগে লিখেছি এখনও লিখছি । এই ব্লগে এই প্রথম এলাম । আশা করি এখানেও ভাল মত লিখতে পারব । সবাই ভাল থাকবেন ।
সহজসাধ্য নৈতিকতা
আমাদের প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থায় ধর্ম সকল নৈতিকতার গ্রহনযোগ্য উৎস হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ইশ্বরের সন্তুষ্টি- অসন্তুষ্টি ভালো এবং মন্দ আচরণের প্রভেদাত্মক সীমারেখা, যে সীমারেখার একপাশে সকল আচরণ যা ইশ্বরকে সন্তুষ্ট করে এবং অন্য পাশে সকল আচরণ যা ইশ্বরকে অসন্তুষ্ট করে। মাণদন্ড নির্ধারণের এই প্রথায় অনেক ধরনের সীমাবদ্ধতা থাকলেও এটাই মোটামুটি শিক্ষাব্যবস্থা আচরিত নৈতিকতাশিক্ষাসহায়।
ও নদীরে (২)
কথা আমি রেখেছিলাম মেঘনার কাছে। আমাদের এক সনাতনধর্মী বান্ধবী হঠাৎ সপরিবারে ভারত চলে যাবার কথা শুনলাম। আমরা সেই ক্লাস ফাইভ থেকে একসাথে পড়েছি। এইচএসসির পর যখন শুনলাম আমার জুটি ভাঙ্গতে যাচ্ছে তখন মনে মনে ভাবলাম এতবছরের স্মৃতিকে মেঘনাতেই না হয় দাফন করব। কষ্ট কম হবে। নাগালের ভেতর থাকা সব বন্ধু বান্ধবীকে ল্যান্ডফোনে ফোন দিলাম। ২২ এপ্রিল ১৯৯৭, বাইরে একটা নিদারুণ রোদাক্রান্ত দিন। রোদে ভাজা ভাজা যাকে বলে। সাড়ে ৯টার ভেতর সব মীরপুর দশ নাম্বার গোল চক্করে জড়ো হয়ে গেলাম। গোণাগুণতি করে দেখা গেল জেরীন ছাড়া সবাই-লিমা, মাবরুকা,কাজলা, শর্মিলা,সোহাগ, জিমি, শামীম,রিপন, খালেদ,শর্মিলার কাজিন পলাশী এবং আমি লোচন;-ওরে বাবা এ তো বিরাট বহর। আমরা একটা বাসে উঠলাম- উদ্দেশ্য গুলিস্তান যাওয়া। পকেটের অবস্থা সবার যা ইচ্ছা তাই। ৫০- ১০০ এভাবে করে যা টাকা পাওয়া গেল সব একসাথে একজনের কাছে দিলাম। গুলিস্তান পৌঁছতে পৌঁছতে গরমে ঘেমে নেয়ে সবাই একাকার। খালেদের স্বাস্থ্য ভালো সে বেচারা একেবারে হাঁসফাঁস করছে গরমে। কিছু যে কিনে খাবো সে অবস্থাও নেই। টাকার সংকট।
আমার শেকড়- মায়াময়, স্মৃতিময় গ্রাম
সারা বিশ্বের মধ্যে আমার দেশ । আর দেশের মধ্যে আমার গ্রাম। আমার প্রিয় জায়গা। প্রানের জায়গা। এখানেই আমার শেকড়। যদিও বাবার চাকরীর সুবাদে আমার জন্ম হয়েছে রাঙামাটিতে। তাতে কি ? এই গ্রামে আমার পৈত্রিক নিবাস। বাপ-দাদা চৌদ্দ পুরুষের ভিটা বাড়ি এখানে। বছরে একবার অন্তত যাওয়া হয় গ্রামে। বিশেষ ক্ষেত্রে একাধিকবারও যাই। সেটা হাতে গোনা ২/১ দিন। আবার কখনো ৪/৬ ঘন্টার জন্য। দেখা গেলো, বৃহস্পতিবার রাতের বাসে যাই। শুক্রবার দুপুরের পরে আবার ঢাকার পথে। এই যা, আমার গ্রামের নামটাইতো বলা হলোনা। অদ্ভুত একটা নাম আমাদের গ্রামের। 'আটিয়া তলী'। এটি লক্ষীপুর জেলায়। অনেকে আবার লক্ষীপুর বললে চেনেন না। সাবেক নোয়াখালী জেলার নতুন জেলা আমাদের এই লক্ষীপুর।
গল্প : এক খর দুপুরে কঙক্রীটের ঝাড়ে
মতিঝিলের একটা কোণা দিয়ে হাঁটছিলাম।
ওই যে, রাজউক আর রাষ্ট্রপতির বাড়ির চিপা দিয়ে একটা রোড চলে গেছে না একদম শাপলা চত্বর পর্যন্ত? সেই রাস্তাটা দিয়ে। এক খর দুপুরে। কোনো কারণ ছাড়া। হাঁটছি তো হাঁটছিই।
এমনটা সাধারণত ঘটে না। দুপুরের দিকে অফিসের ব্যস্ততাটাই আমাকে বেশি করে তাড়িয়ে নিয়ে বেড়ায়। আজ সেটা নেই। কোনো এক বিচিত্র কারণে, হাহা।
হাঁটতে হাঁটতে রাজউক ভবনের কাছে চলে আসলাম। রাস্তাটা দিয়ে বের হলেই দেখতে পাবো দুইপাশ দিয়ে অবিরাম গতিতে চলাচল করছে অসংখ্য গাড়ি-ঘোড়া।
স্যরি, ঘোড়া মনে হয় দেখতে পাবো না। ঘোড়ার গাড়িগুলো এদিকে আসে না। ওগুলো গুলিস্তানের গোলাপ শাহ মাজার থেকে সদরঘাট ওভারব্রীজ পর্যন্ত যায়।
এখনই যন্ত্রণার যন্ত্রনগরীতে না ঢুকে বরং আরো খানিকটা সময় গলি-ঘুপচিগুলোতে ঘোরাঘুরি করি। গলি-ঘুপচিতেতো আর সবসময় ঘোরাঘুরির সুযোগ মেলে না। একটা সিগারেটের দোকানের সামনে দাঁড়ালাম। একটা সিগারেট খাওয়া যায়।
তখন আমিন কোর্টে ইলিশ ভাজা দিয়ে ভরপেট ভাত খেয়েছি। ইলিশটা টাটকা ছিলো না, কিন্তু ভাজাটা বেশ হয়েছিলো। ভাতের পর পাশের একটা দোকানে দাঁড়িয়ে খেলাম চা।
কলি কথা ৪ - মিশন কাশ্মীর
ঝিলের শহর- নৌকার বহর
দীর্ঘ ৯ ঘণ্টার ট্যাক্সিভ্রমণ শেষে এসে পৌঁছালাম ডাললেক...মনের মাঝে কিছু ছবি আছে আঁকা সেই কবে থেকে। গোলাপী রঙের বাড়ি... নৌকা-বাড়ির সারি...টলটলে জল... ফুল বোঝাই শিকারা আরো কত কি! ডাললেকে পৌঁছানোর সাথে সাথে ক্লান্তি ভাব চলে গেল নিমেষে। তখন উৎকণ্ঠা আর কৌতূহল ভর করেছে আমাদের দুজনের মনের উপর। ভাবছি, কি করে পৌছাবো আমাদের নির্ধারিত হাউজবোটে।এখানে এসে কিভাবে কি করবো- এই চিন্তা যেন দুশ্চিন্তায় পরিণত না হয় একারণে আমরা দিল্লী থেকেই হাউজবোট ঠিক করে এসেছি। কারণ মনে আছে তো, কাশ্মীরে নো ফোন- নো সহজ কমিউনিকেশন..!!
রাতের অতিথি !
উৎসর্গ: অনিমেষ রহমান, আজকের এই দিনে যিনি ভবলোকে পদার্পণ করেছিলেন ! শুভ জন্মদিন আনি’দা !
ঘুমন্ত শহর, কোলাহলহীন সড়ক,
সড়ক বাতি, রাতের নির্জনতা
খোলা পার্ক কিংবা ফাঁকা ফুটপাত,
কেটে যায় খন্ডিত জীবন, দীর্ঘ রাত!
রাতের অতিথি ওরা,
খোঁজে মুক্তির স্বাদ !
উন্মুক্ত আকাশ, সামিয়ানা
উপহাস্যে নির্বাক চাঁদ !
নিয়ন আলোর নীচে
খোঁজে এতটুকু সুখ,
রাত্রি শেষের অপেক্ষায়
ঘরহীন কিছু উটকো মুখ!
এখানে জীবন ধূসর, বর্ণহীন !
বৃষ্টি-কাদা-জল, ভেজা বাতাস,
কেটে যায় কখনো বিনিদ্র প্রহর,
অভিযোগহীন !
তপ্ত হাওয়ায় কি ঘন কুয়াশায় !
কংক্রিটের বিছানা, আলোয়ান বিহীন!
এলিয়ে দেয় ক্লান্ত দেহখানি,
অনাকাঙ্ক্ষিত, কারো কাছে
তবুও ওরা বাঁচে, হয়ে মুক্ত, স্বাধীন !
ব্যাঙাচির জীবন, কি আসে যায় !
অট্টালিকা আকাশ ছোঁয়া
দূরে কিংবা খুব কাছে
বর্ণীল আলোর ঝলকানি !
নিঃসঙ্গতার ছদ্মবেশ
নাম লিখতে পারবো না সমস্যা আছে
ভীষণ অপ্রয়োজনে তবু তোকে ডাকছি কাছে।
ভাঙছি তোকে, গড়ছি তোকে
পদ্য কিংবা কবিতায়-
হঠাৎ অকারণে আমাকে না পেয়ে
ঘুরে ঘুরে দুপুর রোদে
রোদ হয়ে গেলে
রোদ হয়ে গেলে, দুপুর হয়ে গেলে।
একটি শব্দচারী পাখি
নিঃসঙ্গতার ছদ্মবেশে রেললাইনের পাশে
খেলছে মুখোশের সাথে,
দেখেছে লাউয়াছড়া, খুলে ফেলা লেবু বাগানের নগ্নতা।
ডাকবো না তোকে, বারণ আছে
তবু ডাকতে খুব ইচ্ছে করছে।
সুন্দরের অপার দিগন্ত পার্বত্য চট্টগ্রামের পথে……………………..
হামিদ ফয়সল
সুরেলা কন্ঠে উকরা চিং গাইছে……
উত্তন পেগে মেগে মেগে, মেগলা দেবাত তলে
ম পরাণান যেদ মাগে তারা লগে লগে
অনুষ্ঠানের আয়োজক সুরেশ ত্রিপুরাকে জিগ্ঞেস করলাম গানের অর্থ
-উড়ছে পাখি মেঘে মঘে, মেঘলা আকাশের নিচে।
আমার মনও চাইছে যেতে তাদের সাথে সাথে.....
বাহ কী চমৎকার!এই মুহুর্তে মন যা চাইছে ঠিক সে কথারই প্রতিধ্ধনি যেন এই গান জুড়ে।
সত্যিই অপুর্ব কম্পোজিশন। হৃদয়ে টান মারে। গানের তালে তালে জুম নাচের মুদ্রায় একদল উপজাতীয় তরূণী কাঁপিয়ে তুলছে ট্যুরিস্টদের সৌন্দর্য পিয়াসী মন। অনুষ্ঠান এগিয়ে যায় পাহাড়িয়া গানের ছন্দে ছন্দে। আমাদের ক্রুজ বোট ও এগিয়ে যায় কাপ্তাই হ্রদের নীলাভ জল রাশি কেটে কেটে শুভলংয়ের পথে। উপজাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের (রাংগামাটি) বৈচিত্রপূর্ণ পরিবেশনায় আমাদের ক্রুজ বোটের ডেক মূহুর্তেই পরিণত হল একটুকরো পাহাড়ি গ্রামে। মন্ত্রমুগ্ধ আমরা সবাই।
সাজানো ঘর
সতের বছর ধরে তিল তিল করে সাজিয়েছে সে। যেখানে যে জিনিসটি মনে ধরেছে কেনার চেষ্টা করেছে। সেই পছন্দের জিনিসটি এনে তুলেছে নিজের ঘরটিতে। এ ঘরের প্রতিটি ইট, বালু, সিমেন্টে জড়িয়ে আছে সে। তার নকশী করা কাঁথা, বিছানার চাদর, বালিশের কভার সব কিছু যেখানে সে রেখেছে সেখানেই আছে। শোকেজের কাঁচের তৈজসপত্র, আলমারিতে রাখা ভাঁজে ভাঁজে সাজানো শাড়ি, গহনা সব কিছু আছে। দেয়ালে টানানো ছবিতে কী সুন্দর হাসি। তিনপুত্র নিয়ে সাজানো ঘর। ঘরের সামনে ছোট্ট ফুলের বাগান। একটু দূরে পেয়ারা গাছ, জাম্বুরা গাছ, জলপাই গাছ সব আছে। শুধু সে মানুষটি নেই। সতের বছর আগে নতুন বউ হয়ে যে এসেছিল এ বাড়িতে। পুরনো ভাঙা ঘর দেখে সে কী বিস্ময়! বাবা কেমন করে পছন্দ করল এ বাড়ি!
ড্রাইভিং লাইসেন্স
সুখে থাকলে ভুতে কিলোয়, তো সেই ভুতের কিল খেয়ে মধ্যপ্রাচ্যর আরাম ছেড়ে যখন কানাডাতে বসত গাড়লাম, সেই তখনকার কথা। বাড়ি ভাড়া, ব্যাংকের একাউন্ট খোলা, বাচ্চাদের স্কুলের রেজিসট্রেশনের পরে আমার স্বামি আমাদেরকে নিয়ে গেলেন ড্রাইভিং লাইসেন্স অফিসে। ফ্রন্টডেস্কের হাস্যমুখি সুন্দরী জানালেন আমেরিকা এবং জাপানের ড্রাইভিং লাইসেন্সকে তারা রেকগনাইজ করে, বাকি সব্বার পরীক্ষা দিয়ে পাস করতে হয়। পরীক্ষা আবার ধাপে ধাপে তিন পর্বে। শুনেই তিনি লাইনে দাড়ালেন প্রথম পর্বের জন্য। ডেস্কের বয়স্ক মহিলা পরামর্শ দিলেন নিয়ম কানন জানার জন্য, পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য বই কিনত।
ও নদীরে...
ও নদীরে...
মন ভালো নেই মন ভালো নেই মন ভালো নেই, এখন আমার ওষ্ঠে লাগে না কোন প্রিয় স্বাদ...এমন অবস্থাতে বার বার ছুটে গিয়েছি নানা বয়সে, নতুন নতুন বন্ধুদের সাথে একই জায়গায়। আমার একটা নদী ছিল, সে নদীকে আমি কাছের বন্ধু সবার সাথে বছরের পর বছর ভাগাভাগি করে নিয়েছি, বন্ধুরাও সে নদীকে ভালোই বেসেছে তার পাড়ে অজস্র কারখানা না হওয়া পর্যন্ত - আমার সে নদীর নাম মেঘনা। গ্রামের বাড়ী কুমিল্লা হবার সুবাদে যাতায়াতের পথে মেঘনাকে ঝলক পলকে দেখেছি হয়তো কিন্তু মেঘনাতে দাপাদাপির শুরু ৯৫ সালের ৯ মার্চ থেকে। মীরপুর ১০নম্বরে ই.হক কোচিং সেন্টারের শাখায় কিছুদিন এইচএসসির শুরুতে পড়েছিলাম। সেখানে আমাদের টিচার ছিল সুজন ভাই। আমার জন্মদিনের পরের দিন আমাকে ঘুরতে নিয়ে যাবেন – আরেক টিচার ইলোরা এবং বন্ধু উজ্জ্বল। অনেকেই যাবে বললেও যাবার সময় আর কারো দেখা মিললো না। আমরা মাইক্রোতে না বাসে গিয়েছি মনে পড়ছে না।
চুল কাটা দরকার: আবার বেড়ে যায়, কী আর করা, আবার কাটতে হবে
বয়েস হয়েছে, প্রতিদিনই বেড়ে যাচ্ছে। দেখতে দেখতে কম তো দেখলাম না। দেশ বিশ্ব কথা থেকে কোথায় চলে গেছে। ছোটবেলায় মফস্বল শহরে একটা বই কিনার জন্যে চিত্তরঞ্জন সাহার ৭৪নম্বর ফরাশগঞ্জের ঠিকানায় চিঠি দিয়ে বসে থাকতাম, দিন দশেক পরে পোষ্টফিস থেকে খবর আসতো, ভিপি ডাকযোগে বই এসেছে টাকা নিয়ে নিয়ে যেতে হবে বই আনতে। আর আজকে, হাহ। অনেক কিছু বদলেছে- কিন্তু কিছু কিছু জিনিস এখনো একই আছে, এবং মনে হচ্ছে আমার বাকি জবন একরকমই থাকবে। একটা হচ্ছে আমার কেশ, আরেকটা হচ্ছে ধর্মীয় অনুভূতি নিয়ে মুল্লাদের মাঝে মাঝে উত্তেজনা। এই দুইটাই মাঝে মাঝেই একটু বৃদ্ধি পায়, আমি একটু চিন্তিত হই। তারপর যথানিয়মে এদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হয় এবং সাইজ হয়ে যায়। কিন্তু আবার বারে আবার আবার। একটু পার্থক্যও অবশ্য আছে। বয়েসের সাথে সাথে কেশের ঘনত্ব পুরুত্ব কমেছে, কোন কোন ক্ষেত্রে বর্ণপরিবর্তনও হয়েছে। কিন্তু মুল্লাদের বিশেষ পরিবর্তন হয়নাই। সেটা অবশ্য হবেও না কারণ মুল্লাদের কাজই হচ্ছে পরিবর্তনে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা। সেই বিষয়টার বিস্তারিত এখানে না, এখানে আজকে কোন গুরুগম্ভীর কিছু বলতে বসি নাই। নিতান্তই হালকা ফুলকা কথাবার্তা,
ভিঝ্যুয়াল ডিকশনারী - ৩ ..... এন্ড হ্যাপি বার্থ ডে টু মাই ডিয়ার সৈয়দ মুজতবা আলী...
simulacrum - সিমুলাক্রাম দেইখা আক্রাম খানের কথা মাথায় আসলে কেরফা আছে... নাহ... আকরাম খান রে নিয়া কিছু না... একবার এক ম্যাচে দেখি বাংলাদেশের পক্ষে মাখন (MAKhan) নামের এক প্লেয়ার খেলতাছে... কিরে বাংলাদেশ টীমে মাখন টাইপ প্লেয়ার খেলে... খবরই পাইলাম না... পরে দেখি এইটা মোহাম্মদ আতাহার আলী খান... শার্ট ভাজ খায়া M A Khan মাখন হয়া গেছে... পরে আতাহার আলী ভাজ খুলাতে আনন্দ দেখলাম... কি কইতে কি কই... মানুষ যখন কি দেখতে কি দেখে তখনই সিমুলাক্রাম দেখা হয়... ধরেন আকাশে মেঘ ভাইসা যাইতাছে... মেঘের টুকরা দেইখা হঠা্ত মনে হইল আরে এইটাতো আমগো বিলাইয়ের মুখের লাহান লাগে... এইটাই হইল সিমুলাক্রাম... ইন প্লুরাল সিমুলাক্রা... আহেন ভিঝ্যুাল পার্টে আসি... তার আগে হেনতেন করি...
দোস্ত এন্টোনিও ঘাউডি তার স্টুডেন্ট দের কাজ দিছিল আশপাশ থেকে বিভিন্ন ফর্ম (!!) খুইজা আনতে.. ভাই আছে ভাবে... মাঝে মাঝে পুলাপানদের নিয়া মাঠের মধে্য ক্লাস করে , মাঝে মাঝে গাছের ছায়ায়... এইটা নাকি প্রতিবেশের সাথে মিইল্ল্যা পড়াশুনা... যাউগ্গা পুলাপানদের কাজ দিছিলো আশপাশ থিকা ফর্ম খুইজা আনার... পুলাপানরা লয়া আইলো নীচের তেলেসমাতি...