ইউজার লগইন
ব্লগ
অন্ধকারের আলো
মেয়েটি দরজা খুলতেই ভূত দেখার মত চমকে উঠলাম ! এ কাকে দেখছি আমি ! আমার মুখের দিকে চোখ পড়তেই যেন নিজেকে লুকাতে রুমের ভিতরের দিকে দৌড়ে পালালো ও। আমিও কিছুটা ইতস্থত বোধ করছিলাম, রুমের ভিতরে ঢুকবো কি ঢুকবো না ভেবে কিছুক্ষণ দরজায় দাঁড়িয়ে থাকার পর অবশেষে ভিতরে প্রবেশ করলাম। ও তখনও আমার দিকে পিছন ফিরে নিজেকে লুকাতে ব্যস্ত।
আমারও তখন একই অবস্থা। আমরা কেউই ভাবিনি এই পরিবেশে এভাবে আমাদের দেখা হবে ! অনেকক্ষণ পর আমিই মুখ খুললাম। কেমন আছ পরী! পরী আড়ষ্ট ভঙ্গিতে আমার দিকে ঘুরে নীচে তাকিয়ে ছিল, লজ্জা ও সংকোচে আমার দিকে তাকাতে পারছিল না। আমি দেখতে পেলাম ওর চোখ দুটো ভেজা ! অনেকক্ষণ পর ও বলল- আমি তো ভাই কচুরিপানা, স্রোতের তোড়ে এখানে ভেসে এসেছি, আপনাকে এখানে দেখব ভাবি নাই !
পেচ্ছাপেছি: ইহা কীভাবে খায়?
১. দুনিয়াতে দেখার মতো অনেক মজার জিনিস আছে- সমস্যা হইলো কোনটা মজার আর কোনটা অ-মজার সেইটা পার্থক্য করার ক্ষমতাটা সবার থাকে না। যানজটের কারণে আজকে যদি মধ্যবাড্ডা এলাকাটা বন্ধ করে দেয় সরকার বা সিটি করপোরেশন, তাহলে হয়তো অধিকাংশ মানুষ বিরক্ত হবে, কিন্তু আমার মজা পাওয়া ছাড়া কোনো উপায় থাকবে না। কারণ আমাকে প্রতিদিন ঘণ্টাখানিক যানজট ঠেলে ওই এলাকাটা পার হতে হয়; দিন দিন বিরক্ত হতে হতে এখন এমন একটা স্যাচুরেশন পয়েন্টে পৌঁছে গেছি যে, মজা পাওয়া ছাড়া কোনো উপায় নেই। এই লেখায় যদি আপনারা কমেন্ট করেন, তাহলেও যেমন মজা পাবো, কোনো কমেন্ট না করলেও কিন্তু একইভাবে মজা পাবো! সুতরাং আপনি কমেন্ট করবেন কি করবেন না, সেইটা আপনার ভাবনা! আমার মজা পাওয়া থেকে আমাকে আপনি কোনোভাবেই বিরত রাখতে পারবেন না।
মেরেছ কলসির কানা... তাই বলে কি প্রেম দিব না?
মেরেছি কলসির কানা... তাই বলে কি প্রেম দিব না?
এটা কোন কথা হইলো? কেউ ভুল কইরা কলসির কানা ছুইড়া মারতেই পারে... এই মারন না মারনটা তার বুঝের উপর নির্ভর করে। বুঝলে কি এম্নে কইরা আস্ত কলসি ছুইড়া মার্তো? তো? আম্রাও কি তাইলে অবুঝের মত আচরণ করবো? তাইলে আমার বিচক্ষনতা কৈ রইলো?
শুধু চোখ দু'টো জেগে থাকে
১.
প্রিয় হুমায়ূন আহমেদকে ভালোবাসি। তার মায়াবী সান্নিধ্যে জীবনের সেই গুরুত্বপূর্ণ সময়টি কেটেছে, যেটি কাটাতে আমি পাড়ি দিয়ে এসেছিলাম ৪.৫৪ বিলিয়ন বছরের পথ।
অনেক ছোট্টবেলার কথা। আম্মু একবার জন্মদিনে আমাকে গল্পের বই কিনে দেয়ার জন্য নিয়ে গেলেন লাকী প্লাজার দোতলায়। একটা বিখ্যাত বইয়ের দোকানে। দোকানের নামটা মনে পড়ছে না, কিন্তু খুবই পরিচিত একটা দোকান ওটা। সেখানে গিয়ে আম্মু আমাকে ভূত ভূতং ভূতৌ নামের একটা 'মাঝারি' গল্পের বই কিনে দিলেন। আম্মুই আমাকে ছোটবেলায় গল্পের বই কিনে দিতেন।
ঝরাপাতা কথকতা # ১ # আনমনে..
একেকটা দিন আসে খুব ভাল যায়, কিন্তু তার মাঝেই ছোট্ট কোন কাঁটা বড় বেশি হয়ে বুকে লাগে।
একেকটা রাত বড্ড বেশি নীরব, অন্ধকার মনে হয়। কোন কারন ছাড়া কিংবা তুচ্ছ কোন কারনে খুব কান্না লাগে।
মাঝে মাঝে মনে হয় নিজেকে খুব ভাল চিনি আবার হঠাৎ হঠাৎ খুব অচেনা মনে হয়।
এই হয়তো মাথায় আসে লাইফে চলার পথের রাস্তাটা একটু মেরামত করবো,
পরক্ষনেই অন্য কিছুতে মেতে উঠি।
নিজে অন্যদের ভুল বুঝতে পারি কিন্তু অন্য কেউ আমাকে ভুল বুঝলে সেটা একদমই নিতে পারিনা।
কারও কারও দিকে রাগ উঠলে খুব খারাপ লাগে আবার কখনো খুব অসহায় লাগে নিজেকে।
ভাবি, আমার জন্য যেন কেউ কষ্ট না পায়।
তাও, কষ্ট দিয়ে ফেলি। জেনে, না জেনে।
ভাবি, কারও দিকেই রাগ করবো না। দুঃখ পেলেও ভুলে যাব।
মন সেটা মানলে তো!
জীবনটা যেভাবেই কেটে যাক না কেন,
ভাবি - মনের ভেতর টা আকাশের মত করে রাখবো।
তাও হয়ে উঠে না।
তবুও,
ভেবে যাই -
আনমনে..।
সেই সুরে কাছে দূরে জলে স্থলে বাজায় বাঁশি
আমার আগের পোস্টের সবগুলো কমেন্টের উত্তরই আমি দেবো। তবে সেজন্য আমার একটু সময় লাগবে। কারণ কমেন্টগুলোর প্রত্যেকটি আমার হৃদয়কে আলাদা আলাদা ভাবে স্পর্শ করেছে। তাই ওগুলোর প্রতি পূর্ণ সুবিচার করাটা আমার নিজের জন্যই জরুরি ভীষণ!
আসলে 'লেখালেখি'-কে আমি যেভাবে দেখি সেটা আমার ধারণা, এই ২০১২'র প্রেক্ষাপটে বেশ খানিকটা বেমানান। আমি মনে করি, বাংলা সাহিত্যের ভেতরেই কথাবার্তা সীমিত রাখি, রবীঠাকুর বা মানিক বন্দোপাধ্যায়; মানিকটা বেশি হেল্পফুল হবে মনে হয় এখানে- যা কিছু লিখে গেছেন; সেগুলোই কেবল প্রকৃত 'লেখা'। অবশ্য এ দু'জনই শুধু নয়। তাদের মতো আরো অনেকের নাম লিখে বড় করা যায় এই তালিকা। যেমন জীবনানন্দ দাশের কথাই ধরা যাক। এই কয়েকটি লাইন একটু দেখুন-
চোখদুটো ঘুমে ভরে
ঝরা ফসলের গান বুকে নিয়ে আজ ফিরে যাই ঘরে!
ফুরায়ে গিয়েছে যা ছিল গোপন- স্বপন কদিন রয়!
এসেছে গোধূলি গোলাপীবরণ-এ তবু গোধূলি নয়!
সারাটি রাত্রি তারাটির সাথে তারাটিরই কথা হয়,
আমাদের মুখ সারাটি রাত্রি মাটির বুকের পরে!
কি অসাধারণ! কি ভীষণ অসাধারণ!!
সবাই কে সালাম ।
সবাইকে আগে সালাম জানাচ্ছি ।
আশা করি সবাই আল্লাহর রহমতে ভালই আছেন ।
আমার বন্ধু ব্লগ অনেক পোস্ট আগে পরেছি, ঘুরেছি কিন্তু এটি আমার বন্ধু ব্লগে প্রথম পোস্ট । এর আগেও অন্য ব্লগে লিখেছি এখনও লিখছি । এই ব্লগে এই প্রথম এলাম । আশা করি এখানেও ভাল মত লিখতে পারব । সবাই ভাল থাকবেন ।
সহজসাধ্য নৈতিকতা
আমাদের প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থায় ধর্ম সকল নৈতিকতার গ্রহনযোগ্য উৎস হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ইশ্বরের সন্তুষ্টি- অসন্তুষ্টি ভালো এবং মন্দ আচরণের প্রভেদাত্মক সীমারেখা, যে সীমারেখার একপাশে সকল আচরণ যা ইশ্বরকে সন্তুষ্ট করে এবং অন্য পাশে সকল আচরণ যা ইশ্বরকে অসন্তুষ্ট করে। মাণদন্ড নির্ধারণের এই প্রথায় অনেক ধরনের সীমাবদ্ধতা থাকলেও এটাই মোটামুটি শিক্ষাব্যবস্থা আচরিত নৈতিকতাশিক্ষাসহায়।
ও নদীরে (২)
কথা আমি রেখেছিলাম মেঘনার কাছে। আমাদের এক সনাতনধর্মী বান্ধবী হঠাৎ সপরিবারে ভারত চলে যাবার কথা শুনলাম। আমরা সেই ক্লাস ফাইভ থেকে একসাথে পড়েছি। এইচএসসির পর যখন শুনলাম আমার জুটি ভাঙ্গতে যাচ্ছে তখন মনে মনে ভাবলাম এতবছরের স্মৃতিকে মেঘনাতেই না হয় দাফন করব। কষ্ট কম হবে। নাগালের ভেতর থাকা সব বন্ধু বান্ধবীকে ল্যান্ডফোনে ফোন দিলাম। ২২ এপ্রিল ১৯৯৭, বাইরে একটা নিদারুণ রোদাক্রান্ত দিন। রোদে ভাজা ভাজা যাকে বলে। সাড়ে ৯টার ভেতর সব মীরপুর দশ নাম্বার গোল চক্করে জড়ো হয়ে গেলাম। গোণাগুণতি করে দেখা গেল জেরীন ছাড়া সবাই-লিমা, মাবরুকা,কাজলা, শর্মিলা,সোহাগ, জিমি, শামীম,রিপন, খালেদ,শর্মিলার কাজিন পলাশী এবং আমি লোচন;-ওরে বাবা এ তো বিরাট বহর। আমরা একটা বাসে উঠলাম- উদ্দেশ্য গুলিস্তান যাওয়া। পকেটের অবস্থা সবার যা ইচ্ছা তাই। ৫০- ১০০ এভাবে করে যা টাকা পাওয়া গেল সব একসাথে একজনের কাছে দিলাম। গুলিস্তান পৌঁছতে পৌঁছতে গরমে ঘেমে নেয়ে সবাই একাকার। খালেদের স্বাস্থ্য ভালো সে বেচারা একেবারে হাঁসফাঁস করছে গরমে। কিছু যে কিনে খাবো সে অবস্থাও নেই। টাকার সংকট।
আমার শেকড়- মায়াময়, স্মৃতিময় গ্রাম
সারা বিশ্বের মধ্যে আমার দেশ । আর দেশের মধ্যে আমার গ্রাম। আমার প্রিয় জায়গা। প্রানের জায়গা। এখানেই আমার শেকড়। যদিও বাবার চাকরীর সুবাদে আমার জন্ম হয়েছে রাঙামাটিতে। তাতে কি ? এই গ্রামে আমার পৈত্রিক নিবাস। বাপ-দাদা চৌদ্দ পুরুষের ভিটা বাড়ি এখানে। বছরে একবার অন্তত যাওয়া হয় গ্রামে। বিশেষ ক্ষেত্রে একাধিকবারও যাই। সেটা হাতে গোনা ২/১ দিন। আবার কখনো ৪/৬ ঘন্টার জন্য। দেখা গেলো, বৃহস্পতিবার রাতের বাসে যাই। শুক্রবার দুপুরের পরে আবার ঢাকার পথে। এই যা, আমার গ্রামের নামটাইতো বলা হলোনা। অদ্ভুত একটা নাম আমাদের গ্রামের। 'আটিয়া তলী'। এটি লক্ষীপুর জেলায়। অনেকে আবার লক্ষীপুর বললে চেনেন না। সাবেক নোয়াখালী জেলার নতুন জেলা আমাদের এই লক্ষীপুর।
গল্প : এক খর দুপুরে কঙক্রীটের ঝাড়ে
মতিঝিলের একটা কোণা দিয়ে হাঁটছিলাম।
ওই যে, রাজউক আর রাষ্ট্রপতির বাড়ির চিপা দিয়ে একটা রোড চলে গেছে না একদম শাপলা চত্বর পর্যন্ত? সেই রাস্তাটা দিয়ে। এক খর দুপুরে। কোনো কারণ ছাড়া। হাঁটছি তো হাঁটছিই।
এমনটা সাধারণত ঘটে না। দুপুরের দিকে অফিসের ব্যস্ততাটাই আমাকে বেশি করে তাড়িয়ে নিয়ে বেড়ায়। আজ সেটা নেই। কোনো এক বিচিত্র কারণে, হাহা।
হাঁটতে হাঁটতে রাজউক ভবনের কাছে চলে আসলাম। রাস্তাটা দিয়ে বের হলেই দেখতে পাবো দুইপাশ দিয়ে অবিরাম গতিতে চলাচল করছে অসংখ্য গাড়ি-ঘোড়া।
স্যরি, ঘোড়া মনে হয় দেখতে পাবো না। ঘোড়ার গাড়িগুলো এদিকে আসে না। ওগুলো গুলিস্তানের গোলাপ শাহ মাজার থেকে সদরঘাট ওভারব্রীজ পর্যন্ত যায়।
এখনই যন্ত্রণার যন্ত্রনগরীতে না ঢুকে বরং আরো খানিকটা সময় গলি-ঘুপচিগুলোতে ঘোরাঘুরি করি। গলি-ঘুপচিতেতো আর সবসময় ঘোরাঘুরির সুযোগ মেলে না। একটা সিগারেটের দোকানের সামনে দাঁড়ালাম। একটা সিগারেট খাওয়া যায়।
তখন আমিন কোর্টে ইলিশ ভাজা দিয়ে ভরপেট ভাত খেয়েছি। ইলিশটা টাটকা ছিলো না, কিন্তু ভাজাটা বেশ হয়েছিলো। ভাতের পর পাশের একটা দোকানে দাঁড়িয়ে খেলাম চা।
কলি কথা ৪ - মিশন কাশ্মীর
ঝিলের শহর- নৌকার বহর
দীর্ঘ ৯ ঘণ্টার ট্যাক্সিভ্রমণ শেষে এসে পৌঁছালাম ডাললেক...মনের মাঝে কিছু ছবি আছে আঁকা সেই কবে থেকে। গোলাপী রঙের বাড়ি... নৌকা-বাড়ির সারি...টলটলে জল... ফুল বোঝাই শিকারা আরো কত কি! ডাললেকে পৌঁছানোর সাথে সাথে ক্লান্তি ভাব চলে গেল নিমেষে। তখন উৎকণ্ঠা আর কৌতূহল ভর করেছে আমাদের দুজনের মনের উপর। ভাবছি, কি করে পৌছাবো আমাদের নির্ধারিত হাউজবোটে।এখানে এসে কিভাবে কি করবো- এই চিন্তা যেন দুশ্চিন্তায় পরিণত না হয় একারণে আমরা দিল্লী থেকেই হাউজবোট ঠিক করে এসেছি। কারণ মনে আছে তো, কাশ্মীরে নো ফোন- নো সহজ কমিউনিকেশন..!!
রাতের অতিথি !
উৎসর্গ: অনিমেষ রহমান, আজকের এই দিনে যিনি ভবলোকে পদার্পণ করেছিলেন ! শুভ জন্মদিন আনি’দা !
ঘুমন্ত শহর, কোলাহলহীন সড়ক,
সড়ক বাতি, রাতের নির্জনতা
খোলা পার্ক কিংবা ফাঁকা ফুটপাত,
কেটে যায় খন্ডিত জীবন, দীর্ঘ রাত!
রাতের অতিথি ওরা,
খোঁজে মুক্তির স্বাদ !
উন্মুক্ত আকাশ, সামিয়ানা
উপহাস্যে নির্বাক চাঁদ !
নিয়ন আলোর নীচে
খোঁজে এতটুকু সুখ,
রাত্রি শেষের অপেক্ষায়
ঘরহীন কিছু উটকো মুখ!
এখানে জীবন ধূসর, বর্ণহীন !
বৃষ্টি-কাদা-জল, ভেজা বাতাস,
কেটে যায় কখনো বিনিদ্র প্রহর,
অভিযোগহীন !
তপ্ত হাওয়ায় কি ঘন কুয়াশায় !
কংক্রিটের বিছানা, আলোয়ান বিহীন!
এলিয়ে দেয় ক্লান্ত দেহখানি,
অনাকাঙ্ক্ষিত, কারো কাছে
তবুও ওরা বাঁচে, হয়ে মুক্ত, স্বাধীন !
ব্যাঙাচির জীবন, কি আসে যায় !
অট্টালিকা আকাশ ছোঁয়া
দূরে কিংবা খুব কাছে
বর্ণীল আলোর ঝলকানি !
নিঃসঙ্গতার ছদ্মবেশ
নাম লিখতে পারবো না সমস্যা আছে
ভীষণ অপ্রয়োজনে তবু তোকে ডাকছি কাছে।
ভাঙছি তোকে, গড়ছি তোকে
পদ্য কিংবা কবিতায়-
হঠাৎ অকারণে আমাকে না পেয়ে
ঘুরে ঘুরে দুপুর রোদে
রোদ হয়ে গেলে
রোদ হয়ে গেলে, দুপুর হয়ে গেলে।
একটি শব্দচারী পাখি
নিঃসঙ্গতার ছদ্মবেশে রেললাইনের পাশে
খেলছে মুখোশের সাথে,
দেখেছে লাউয়াছড়া, খুলে ফেলা লেবু বাগানের নগ্নতা।
ডাকবো না তোকে, বারণ আছে
তবু ডাকতে খুব ইচ্ছে করছে।
সুন্দরের অপার দিগন্ত পার্বত্য চট্টগ্রামের পথে……………………..
হামিদ ফয়সল
সুরেলা কন্ঠে উকরা চিং গাইছে……
উত্তন পেগে মেগে মেগে, মেগলা দেবাত তলে
ম পরাণান যেদ মাগে তারা লগে লগে
অনুষ্ঠানের আয়োজক সুরেশ ত্রিপুরাকে জিগ্ঞেস করলাম গানের অর্থ
-উড়ছে পাখি মেঘে মঘে, মেঘলা আকাশের নিচে।
আমার মনও চাইছে যেতে তাদের সাথে সাথে.....
বাহ কী চমৎকার!এই মুহুর্তে মন যা চাইছে ঠিক সে কথারই প্রতিধ্ধনি যেন এই গান জুড়ে।
সত্যিই অপুর্ব কম্পোজিশন। হৃদয়ে টান মারে। গানের তালে তালে জুম নাচের মুদ্রায় একদল উপজাতীয় তরূণী কাঁপিয়ে তুলছে ট্যুরিস্টদের সৌন্দর্য পিয়াসী মন। অনুষ্ঠান এগিয়ে যায় পাহাড়িয়া গানের ছন্দে ছন্দে। আমাদের ক্রুজ বোট ও এগিয়ে যায় কাপ্তাই হ্রদের নীলাভ জল রাশি কেটে কেটে শুভলংয়ের পথে। উপজাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের (রাংগামাটি) বৈচিত্রপূর্ণ পরিবেশনায় আমাদের ক্রুজ বোটের ডেক মূহুর্তেই পরিণত হল একটুকরো পাহাড়ি গ্রামে। মন্ত্রমুগ্ধ আমরা সবাই।
