ইউজার লগইন
ব্লগ
তুমি ঠিক
মরমার আগে দাদু বলেছিলেন। তোকে দিয়ে কিছু হলোনা। এতো এতো পড়াশুনা করলি।
প্রকৃতির রূপ..........
স্বপ্নপরীর ডানায় ভর দিয়ে ভাসি
প্রকৃতি আজ করেছে আমায় নিমন্ত্রণ
ফুলে ফুলে পাতায় পাতায় ভেসে বেড়াই....
প্রকৃতির সাথে হয় যে আলিঙ্গন ।
প্রকৃতির রূপে মুগ্ধ আমি
চোখে নাই কোন ভয়
তাকাই যেদিক নয়ন ভরে
দূর হয়ে যায় যত সংশয় ।
প্রজাপতিরা উড়ে বেড়ায়
মন ছুঁয়ে যায় আমার এ অনুক্ষণ
দুচোখ ভরা স্বপ্ন নিয়ে
সাজাই রঙিন জীবন
=====================
আজ প্রথম কিছু লিখার প্রচেষ্টা এই ব্লগে.........আশাকরি খারাপভাবে নিবেন না ।
ধন্যবাদ সবাইকে
মুরগা কাহানী
সেই কোন অতীতে এক মনিষী বলে গেছিলেন শুয়োরের খোয়াড়। তারপর কত দিন আর রাত-কত সকাল-কত দুপুর-কত নীরব-কত চান্নি রাইত-কাটাখালীতে কতো স্রোত-কতো কচুরীপানা-কতো ব্রীজ-কতো কালভার্ট-কতো বাত্তি-কতো খাম্বা-কতো জঙ্গল-কতো ষ্টেশান-কতো মাষ্টার-কতো সারেং-কতো নদী মরে গেলো-কতো নারী ভালোবাসাহীন প্রেমেবিক্রির খেলায় মাতলো-কতো পুরুষ তার কাপুরুষোচিত পৌরুষ দিয়ে এসিড নিক্ষেপ করলো-কত শিশু পপকর্ণ-পপকর্ন বলে রাস্তায় রাস্তায় চিতকার দিলো-কতো হকার এক টাকা-দুই টাকা-তিন টাকা দামে পেপার বিক্রি করলো-কতো গাড়ীর নীচে তারেক মাসুদ-মিশুক মুনীরেরা মারা গেলো-কতো এয়ার আহমেদ দেশের মাটিতে শেশ শয্যা পাতবে বলে প্রান দিলো-কতো তাজুল-কতো দিপালী সাহা-কতো রউফুন বসুনিয়া-কতো মোজাম্মেল-কতো মাষ্টার’দা-কতো প্রীতিলতা-কতো ময়েজউদ্দিন-কতো তাজউদ্দিন-কতো মুক্তিযোদ্ধা লাথি-উষ্ঠা খেলো।তারপরে ব্রয়লার প্রজাতির মুরগা জন্ম নিলো ঘরে ঘরে; আনাচে কানাচে। ভরে গেলো মুরগায়। মাংশ খাওন যাইবো মাগার আন্ডা দিবোনা। আন্ডার হালি হইলো ৪০ টেকা। আন্ডা খাইবার চাইতাছো তো তাইলে লেয়ার নামে আরেকটা মুরগা আছে হেইডা লালন পালন করো।
আজকের রাত...
আজকের রাত...
ওগো চন্দ্রমুখী, চলে এসো আজ এ গভীর রাতে,
বিনিদ্র রজনী উষ্ণতায় যাক তোমারই সাথে।
ভুলে যেতে চাই হারানো সুরের সেই দুঃখ-বেলা,
বৃষ্টিভেজা স্বপ্ন, তুলির আঁচড়ে প্রেম-প্রেম খেলা,
কৃষ্ণকলি নামে কপট ললনা, চপল ছলনা,
প্রিয়াহারা রাতে অন্তঃক্ষরণের নীরব কলনা।
মিটি মিটি করে হলুদ, কমলা, লাল পিলসুজ!
পেটো মাদুরেতে শুয়ে আছি এক যুবক অবুঝ।
তুমি ছাড়া আজ ক্লিষ্ট তরুণের নাই কেউ ভবে।
ধূমায়িত ঘর। নীরবতা ভাঙে ঘুঙুরের রবে।
অপ্সরা-নাচন দোলায় দুলুক অবরুদ্ধ আর্য,
কাঁপুক! কাঁপুক! ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে জালসাজি বার্য!
বাঁকা ঠোঁটে হাসো, হরিনী চোখেতে করা ইশারায়
কামনার পাশে বাঁধো এলোকেশী প্রতন আমায়।
রঙিন ঠোঁটেতে ছুঁয়ে ছুঁয়ে যাও আমার অধর,
ঘামে ঘামে ভেসে যায় যদি যাক কমানার জ্বর।
রঙিন জলেতে চুর হয়ে র'বো তব দেহ-খাপে,
নীথর হৃদয় জাগবে তোমার বক্ষবৃন্ত-তাপে।
দেবাশিস্ মুখার্জি
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১২
[১৮×১৮; অক্ষরবৃন্ত; ৬+৬+৬]
আমি কেউনা

ধলাই নদীর ক্ষরস্ত্রোতা ঢেউয়ে
ডুবে আর ভেসে উঠে-
মুছে গেছে সখী আমার
কলংককাজল-বেহায়া চোখ।
পাহাড়ে তোমার পা ছুয়ে-
আসা জল-কান্না
মিশে গিয়ে; গমকে
চমকে-পাড় থেকে দূরে।
কাছে চেয়ে-দূরে গেলাম-
ভাবনার রেললাইন-
পাশা-পাশি আজীবন,
দেখা হবেনা-আমি কেউনা।
শুধু কালকেউটে সময়,
দংশন-বিষে নীল-
চলে যাবার বেলায়
যায়না ভোলা-যায়না।
হাওর-নদী-সবুজ পাতা
হাত দিয়ে যেও বুকে,
মিশে গেছে প্রেমিক-বাউল বিকেলে
সন্ধা-কালোয় ঢেকে।
রাতের পাখি-ভোরে উড়ে যায়,
আমি কেউনা-শুধু উড়ে আসা ঝরা পাতা-
উদাসী বায়।
যদি মনে পড়ে-খুলে দিও দখিন জানালা
ছুঁয়ে যাবো-একাকী নীলপদ্মে আর তোমার
রাঙ্গা পায়।
ছবিঃ নেট থেকে
“ব”তে বাংলাদেশ, “ব”তে বুরুন্ডি..

বাসায় প্রাণী তিন খানা, এর মধ্যে অধম মোটামুটি ১৪-১৫ ঘণ্টা বাহিরে থাকি। সারা মাসে এসি ঘণ্টা খানেকও চলে না। বাকি যাহা কিছু যন্ত্রপাতি – অতি নগন্য, ব্যবহারের হার ও অতি সাধারণ। গত মাসের বৈদ্যুতিক বিল আসিয়াছে ৩,৯৭৩ টাকা মাত্র। ইহা ইতিপূর্বের যেকোন সময়ের সর্বোচ্চ বিলের চাইতে দ্বিগুনেরও বেশী। বিদ্যুত অফিসে কমপ্লেন দিয়াছিলাম, চেক করিয়া বলিলো সব নাকি ঠিক আছে।
এই ৩,৯৭৩ টাকার ব্যক্তিগত বৈদ্যুতিক বিল ব্যতীত, এপার্টমেন্টের কমন বৈদ্যুতিক বিল ও জেনারেটরের তৈলের খরচের আনুপাতিক হিসাবে আরো ২,০০০ টাকার উপর আমাকে বহন করিতে হইবে। তাহা হইলে, তিন সদস্য বিশিষ্ট পরিবারের মোট বৈদ্যুতিক খরচ দাঁড়ায় ৬,০০০ টাকা, মাথাপিছু ২,০০০ টাকা। এই হিসাবে জেনারেটরের রক্ষণাবেক্ষণ কিংবা অবচয় ধরা হয় নাই। এমনকি, অতি সাম্প্রতিক বর্ধিত বৈদ্যুতিক বিলের প্রভাবও ইহাতে পড়ে নাই।
শিক্ষকদের এমপিওভুক্তি নিয়ে এতো জটিলতা কেন?
গত সেপ্টেম্বরের ২ তারিখে বেসরকারি কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ঢাকায় এসে এমপিওভুক্তির দাবিতে পুনরায় আন্দোলন শুরু করেছেন। এর আগেও একবার তাঁরা ঢাকায় আন্দোলন করেছিলেন এবং সেসময় বিভিন্ন ধরনের আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁদের আন্দোলন সেপ্টেম্বরের ১ তারিখ পর্যন্ত স্থগিত রাখা হয়েছিল। সম্ভবত তাঁদের আশা ছিল- সরকার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এমপিওভুক্তির দাবি মেনে নেবে। রাস্তাঘাট অবরোধ করে বা এ ধরনের কর্মসূচি দিয়ে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে আন্দোলন করাটা আইনের চোখে অপরাধ কিনা জানি না; তবে মানুষজন আজকাল এ ধরনের কর্মসূচি ভালো চোখে দেখে না। অন্যদিকে এদেশে যতোক্ষণ না মানুষজন রাস্তায় নামছে ততোক্ষণ তাদের কথা সরকার কানে তুলে না। সেপ্টেম্বরের ১ তারিখ পর্যন্ত স্থগিত আন্দোলন তাই স্বাভাবিকভাবেই দুই তারিখ থেকে নতুনভাবে শুরু হয়েছে। তার বেশ কিছু আগের আন্দোলনে শিক্ষকরা রাস্তা অবরোধ করেছিলেন শাহবাগে। সরকারের পুলিশ বাহিনী বীরত্ব দেখিয়েছিল শিক্ষকদের পিটিয়ে। অবশ্য এবার পুরোপুরি রাস্তা অবরোধ না করে শিক্ষকরা প্রেসক্লাবে রাস্তার পাশে শুয়ে-বসে আন্দোলন চালাচ্ছেন। সরকার তাঁদের দাবি কতোটুকু শুনছে বা শুনলেও আদৌ পাত্তা দিচ্ছে কিনা জান
গল্পের ফড়িঙ
কোথায় পাই বল এতটুকু মাঠ- পুষ্পল বাতাস যেখানে শর্তহীন
আর পেলব ফড়িঙেরা
মুখের ফাঁক দিয়ে গল্প ওড়ায়...
আমার মাতামহী জানে-
আজে আমি পকেটে গল্পের অভাব নিয়ে ঘুরি!
সহজ কান্নার জন্য আমার একটি নিরাপদ বালিশ দরকার।
তোমার কাছে আমি জমি চাইনি
কেননা সহস্র ধার্মিক লাঙ্গলের ফলা তোমাকে চষে চষে রক্তের বানিজ্য করে যাচ্ছে...
তোমার ক্ষতের 'পরে এই চাওয়া বড় অশোভন হবে।
এই ঘূর্ণিত দিনে আমি এক বেসামাল ঘুড়ি!
কোথায় খুঁজে পাই এতটুকু মাঠ- নিরাপদ বালিশ-গল্প ফড়িঙ?
ভূমিহীনের বালিশ বিলাস সাজে না,
হে আমার নারী,
অন্তত গল্পের ফড়িঙ হয়ে জানালায় আসো।
ঢাকা শহর ঢাকা নয়
আজ থেকে প্রায় বিশ বছর আগে প্রথম পা রেখছিলাম ঢাকা শহরে।ঢাকায় যাওয়া উপলক্ষে সেবার অনেক প্রথমের মুখোমুখিই হয়েছিলাম।সময়টা ছিল ১৯৯২ সালের ফেব্রুয়ারী মাস।বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যনেজম্যান্ট (বিআইবিএম)এ বাবার দু’সপ্তাহের এক ট্রেনিংকে কেন্দ্র করেই আমাদের স্ব-পরিবারে ঢাকায় যাওয়া।আমি তখন সবে মাত্র আগ্রাবাদ স্কুলে ক্লাস সিক্সে ভর্তি হয়েছি।যেহেতু বছরের শুরুর দিকে মাত্র তাই পড়ালেখার কোনো চাপ নেই।ঠিক এমন সময়ে ঢাকায় বেড়াতে যাওয়ার সুযোগ-খুশি আর কারে কয় টাইপের অবস্থা।আমাদের বেশির ভাগ আত্মীয় স্বজনই ঢাকায় থাকে।আমরাই শুধু চট্টগ্রামে থাকি।আর তাই বাবার দু’সপ্তাহের ট্রেনিংএর সময়টাতে চট্টগ্রামে আমরা একা থাকব কিভাবে এসব ভাবনার কারণেই শেষ সিদ্ধান্ত হয় সবাই মিলে ঢাকায় ঘুরে আসার।
কলি কথা ৩ (কলি-কাতা টু ফুলকলি-পাখির কাকলির কাশ্মীরে)
(ধন্যবাদ মেসবাহ ভাইকে...ঝটিকে তার ভ্রমণ সমাধা করার জন্য। আসলে তিনি লেখার এমন দৌড় না দিলে আমারও লেখা হতো না..)
দিল্লী হইতে কাশ্মীর- সারপ্রাইজ হইলো চৌচিড়:
দিল্লী থেকে কাশ্মীরের উদ্দেশ্য যাত্রা শুরুর আগে একটু ফ্ল্যাশব্যাক না বললেই নয়। ভ্রমণের শুরু থেকেই বর বেচারা আমাকে সিমলা- মানালির গল্প বলে আসছে। কিন্তু সে ঠিক করেছে কাশ্মীর ভ্রমণ। সারপ্রাইজ দিবে বলে কিছুই বলেনি। কিন্তু ফাঁপড়ের ফেসবুক কি আর প্রেম বোঝে! একদিন ইনবক্সে দেখলাম মেসেজ এসেছে, তোমরা নাকী কাশ্মীর যাও? আমরাও যাচ্ছি..
বলা বাহুল্য যে বন্ধু দম্পতির সাথে কলিকাতায় আহার সাড়লাম, তাদেরই একজন। কোন সন্দেহ নাই মেসেজ পেয়ে মনে একসাথে হাফডজন লাড্ডু ফুটলো..রিপ্লাই দিলাম, "সারপ্রাইজ খোলাশা করার জন্য ধন্যবাদ".. বন্ধুটি চম্পট..আমিও মুখে তালা দিলাম..
দুইদিন পর অফিসে গেলাম। এক সহকর্মী ভরা মজলিশে ঘোষণা দিলেন, এই তোরা নাকী কাশ্মীর যাস..! কোনমতে পালালাম.. বেচারা বর এতো কষ্ট করছে সারপ্রাইজ দেয়ার.তাকে অন্তত নিজে থেকে বলার সুযোগ দিতে চুপ রইলাম.. দিল্লীতে পৌঁছানোর পর সে না বলা পর্যন্ত কিছুই বললাম না।..
এবার ফিরে আসি ভ্রমণে..
আমাদের ভারত ভ্রমন- শেষ
ট্রেন স্টেশন থেকে সাতজন উজবুকের মত ব্যাগ কাঁধে নিয়ে বেরিয়ে এলাম। ছোটন একটু দুরত্ব রেখে হাঁটছে আমাদের কাছ থেকে। ওকে চিবিয়ে খেয়ে ফেলতে পারলে মনের ঝাল কিছুটা কমতো। ওকে পাত্তা না দিয়ে অঞ্জনের সাথে পরামর্শ করলাম। আমি আর অঞ্জন রেল স্টেশনে রয়ে গেলাম। অন্যদের বললাম, হোটেলে চলে যেতে। স্টেশনের পাশেই হোটেল। হাঁটা পথ। বললাম, সেখানে যেয়ে ৩ টা রুম নিতে। আমরা গেলাম পরের দিনের টিকেট করতে। খুব বেশি ঝামেলা না করেই পরের দিনের রাজধানীর ৭ টা টিকেট পেয়ে গেলাম। টিকেট নিয়ে আমরা প্রথমে খেতে গেলাম। অবেলায় কি খাব ! ফাস্ট ফুড আর দু'গ্লাস টাটকা আমের জুস খেলাম। তারপর আস্তে আস্তে হোটেলের দিকে। হোটেলে ফিরে সবাইকে বলে দিলাম- কালকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত আমাদের কোনো কাজ নাই। যে যার মত ঘুরতে পারে। যখন খুশি খেয়ে নিবে। বাট কাল বিকাল ৪ টায় সবাই হোটেলে থাকবে।


asasasad
মতিঝিলের একটা কোণা দিয়ে হাঁটতেছিলাম। ওই যে, রাজউক আর রাষ্ট্রপতির বাড়ির চিপা দিয়ে একটা রোড চলে গেছে না একদম শাপলা পর্যন্ত? সেই রাস্তাটা দিয়ে। খর দুপুর। কোনো বিশেষ কারণ ছাড়া। রাস্তায় হাঁটছি।
এমনটা সাধারণত ঘটে না। কারণ দুপুরের দিকে অফিসের ব্যস্ততাটাই আমাকে বেশি করে তাড়িয়ে নিয়ে বেড়ায়। আজ সেটা নেই। সপ্তাহের মাঝামাঝি এই একটা দিনে আমি অফিসের কল্যাণে ছুটি উপভোগ করি।
হাঁটতে হাঁটতে রাজউক ভবনের প্রায় কাছেই চলে আসলাম। আর একটু সামনেই উন্নয়ন কর্তৃপক্ষদের কর্মস্থল। রাস্তাটা দিয়ে বের হলেই দেখতে পাবো দুইদিক দিয়ে অবিরাম গতিতে চলাচল করছে অসংখ্য গাড়ি-ঘোড়া। স্যরি ঘোড়া মনে হয় দেখতে পাবো না। ঘোড়ার গাড়িগুলো এদিকে আসে না। ওগুলো গুলিস্তানের গোলাপ শাহ মাজার থেকে সদরঘাট ওভারব্রীজ পর্যন্ত যায়। একেকজনের কাছ থেকে ১০ টাকা করে নেয়।
খুদে লিরিক
আমাকে হারিয়ে যেতে দাও
আমারি হারানো পথে ।
আমাকে ভেসে যেতে দাও
ভেঙে যাওয়া স্বপ্নরথে ।।
খুঁজোনা আমায় আকাশের নীলে ।
পাবেনা আমায় উদাস গাংচিলে ।।
ডেকোনা , আমি আর ফিরবো না
ফেলে আসা ধূসর অতীতে ।
কখনো হিসাব মেলাবো না
জীবনের কোন লাভ ক্ষতিতে ।।
ঝাপসা দুচোখ , বৃষ্টি কাঁদে ।
জড়াবোনা আর জীবনের ফাঁদে ।।
আমাকে হারিয়ে যেতে দাও
আমারি হারানো পথে ।
………………অত:পর সবাই লুংগিকে আরো উপরে তুলিয়া ধরিতে উদ্যত হইল
(মোবাস্বির ভাই এবং তাসবীর ভাই এর মত দুইজন গুণী মানুষের বিরল গবেষনার ফসল হল অনুসন্ধানী এই লেখাটি । তাই প্রথমেই তাদেরকে জানাই অসীম কৃতগ্ঞতা)
সহকর্মীরা প্রায়ই নাফিজকে নিয়ে ঠাট্টা, বিদ্রুপ করে।
কারন নাফিজ ‘লুংগি পরে। তাদের মতে নাফিজের এই লুংগি পরিধানের কারনে দেশ অতলে ডুবে যাচ্ছে। হ্যাঁ এটা হয়ত আংশিক সত্য যে দেশ ডুবে যাচ্ছে। কিন্তু তা যে নাফিজের লুংগি পরার কারনেই হচ্ছে, এটা সে কোনভাবেই মানতে রাজী নয়।
বরং বর্তমান প্রেক্ষাপটে লুংগির বহুবিধ অন্তর্নিহীত তাৎপর্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে ছড়িয়ে দেওয়ার ব্যাপারে নাফিজ আগের যে কোন সময়ের তুলনায় বেশী সংকল্পবদ্ধ।
অগত্যা একদিন লুংগি নিয়ে কুৎসা রটনাকারীদের সবাইকে নাফিজ ডাকলো।
- বললো ‘আপনাদের অনেকের মনে হয়ত গোপন কৌতুহল আছে আমার পরনের বস্তু খানা নিয়ে? হয়ত আপনাদের জানতে ইচ্ছে করে, কী এমন জাদুকরী বৈশিষ্টের কারনে টিটকারী, নাকসিটকানোকে উপেক্ষা করে ঐ বিশেষ বস্তুখানা আমি পরিয়া চলেছি’?
ঐ বিশেষ বস্তুটি অন্যকিছু নয়—বহুল পরিচিত‘লুংগি’।
ভালো থাকবেনা মানে কি!
কবীর সুমনের এই শিরোনামের গানটা আমার ভীষন প্রিয়। নিজের অজস্র মন খারাপের দিন অঞ্জন, সায়ান, কবীর সুমনের গানই ভরসা। তবে মন খারাপকে জয় করার সহজ উপায় বাইরে বের হয়ে প্যাচাল পারা। কত লোক আপনার সামনে দিয়ে যাবে তাদের অনেককে আগেও দেখছেন সেই সুবাদে আলাপ শুরু করে দেন। দেখবেন মানুষের একস্পিরিয়েন্স দিন যাপনের গল্প কত অনন্য। এর একটা গল্প শুনলেই আপনার মন ভালো হয়ে যাবে। সেই কথা থাক অন্য কোনোদিন বলবো। আজ সারাদিন কেমন গেলো তাই নিয়ে বলি।