ইউজার লগইন
ব্লগ
সমুদ্রে সৈকত, কক্সবাজার
সমুদ্রে সৈকত, কক্সবাজার…….
শ্যাম পুলক
দূর থেকে ঢেউয়ের গর্জন শুনা যায়
অদৃশ্য মায়াবী সুর তার,
সে সুরে, সে মায়ায় বাঁধে হৃদয় আমার
এ সমুদ্রে সৈকত, কক্সবাজার…….
যতদুর চোখ যায় জলরাশি
মেশেছে আকাশে যা ভালবাসি,
তীরে তীরে সৃজে প্রেম-ফেনা তার
এ সমুদ্রে সৈকত, কক্সবাজার…….
বিশাল সাদা ঢেউয়ে মন দোলে
যেন ভাসি শুভ্রসাদা মেঘের কোলে,
ঢেউয়ে ঢেউয়ে বয় চঞ্চলতা প্রিয়ার
এ সমুদ্রে সৈকত, কক্সবাজার…….
যখন সকালে রোদ এসে ঢেউয়ে পরে
যেন স্বর্ণালী রুপ তার সমুদ্রেজলে,
সে সব যুগের সুবর্ণদেশ; অতীত আশার
এ সমুদ্রে সৈকত, কক্সবাজার…….
সহস্র নারী পুরুষ সমুদ্রে জলে
জলকেলী, প্রেম, খেলা ভেসে চলে,
রহস্য; সমুদ্র যৌবন ও তার বিশালতার
এ সমুদ্রে সৈকত, কক্সবাজার…….
গৌধলীয় রক্তিম আভা জীবনের রণতূর্য
সমুদ্রজলে আধডোবা রক্তরাঙা সূর্য,
সৃষ্ট সে সৌন্দর্য; যেন সবার স্বপ্ন-কল্পনার
এ সমুদ্রে সৈকত, কক্সবাজার…….
অথবা গভীর রাতের কোন চন্দ্রবাতি
শূভ্রজল, মধুর সুর সবার সাথী,
এই তীর নীরবে, আনমনে পা ফেলার
এ সমুদ্রে সৈকত, কক্সবাজার…….
যদি ছেড়েও যাই এ মন বারবার ফিরে তাকায়
ছুডুলোক কিংবা ভদ্রলোক বয়ান
‘রাজনীতি’ কাহাকে বলে? ইহা কি নীতির রাজা না রাজার নীতি। আমি আসলে অনেক আগে থেকেই কনফিউজ ছিলাম-এখোনো আছি। রাজনীতিসচেতনতা কি একটা দেশের মানুষের যোগ্যতা কিংবা অযোগ্যতার মাপকাঠি হতে পারে? হাঁ মাপকাঠি হইতেই পারে। রাজনীতির সবচাইতে গুরুত্বপুর্ণ বিষয় হলো দেশ সম্পর্কে ভাবা। কি করলে কি হতে পারে? কি না করলে কি হতে পারতো? এই যে ভাবা-ভাবি তার নাম রাজনীতি দেওন যায়। অন্ততঃ আমার মতো খুব সাধারন মানুষের কাছে। আর সাধারন মানুষের এই রাজনৈতিক ভাবনায় প্রথমেই চলে আসে গনতান্ত্রিক রাজনীতির কথা। অর্থাৎ যারা রাজনীতি নিয়ে ভাবেন-তারা চান কিংবা না চান তাদের চিন্তা চেতনায় জেগে থাকে গনতন্ত্র। যাক গনতন্ত্র নিয়ে ভাবার আগে রাজনীতি নিয়ে বহুল প্রচলিত জোক্স শুনে নেই-
স্কুল টিচার বাড়ির কাজ হিসেবে রাজনীতির সংজ্ঞা শিখে আসতে বললেন। এক ছাত্র তাই সেটা জানতে তার বাবাকে প্রশ্ন করল।
ছেলে: আচ্ছা বাবা রাজনীতি কি?
বাবা: রাজনীতি হচ্ছে সরকারী দল বা সরকার, বিরোধী দল, শ্রমিকশ্রেনী এবং জনগণকে সাথে নিয়ে দেশের ভবিষ্যৎ উজ্জল করা।
ছেলে: বাবা, সরকার, বিরোধী দল, শ্রমিকশ্রেনী- জনগণ এবং ভবিষ্যতটা একটা খোলাসা করে বুঝিয়ে দাও।
কবিতা : সাইকেডেলিক চৈতি
চৈতি তুমি বরং কিছুটা ভালোবাসা নাও
কিন্তু হারিয়ে যেওনা।
চৈতি তুমি থাকো, তুমি থাকো আমার প্রাণে
প্রিয় চৈতি থাকো
তুমি বাজো আমার কানে।
চৈতি তোমার সঙ্গে আমি আবার,
স্বপ্নখেলায় রং বসাবো
খর দুপুরে শব্দ করে
জং ধরা দরজা হাটাবো;
চৈতি আবার আমি
একাকী ঘরে
আধাঁরভরা কাল কাটাবো,
চৈতি তুমি থাকো।
চৈতি জেনে রেখো,
আমরা মোদের-
মোরা আমাদের
এইটুকু শুধু কথা।
চৈতি তোমায় হারিয়ে তাই
কণাপরিমাণ
পাই নি আমি ব্যাথা।
চৈতি ভালোবাসি।
চৈতি আমি জানি
তুমি আবার আমার,
বারবার তুমি
জন্মাবে শুধু
আমার
এবং শুধুই আমার
ভালোবাসা হবে বলে।
চৈতি তুমি থেকো
আমি আবার খুঁজে
বার করবো
সেই দাবানল,
একটি শুধু
পুরোনো সুযোগ পেলে।
প্রিয় চৈতিমণি আসো,
তোমার স্বামীর বাহু খুলে
এবং চৈতি তুমি ভাসো,
যদি ভেসে থাকো কোনোকালে।
---
আমি ও আমরা
আমরা প্রত্যেকেই সময়ে অসময়ে আত্মহত্যা করতে চাই কিন্তু আত্মহত্যার সাহস আমাদের থাকে না। বিদ্যমান লড়াই এবং ক্রমাগত সামনে এগিয়ে যাওয়ার তাড়ায় ক্লান্ত আমরা এক এক সময়ে চাই এইসব কিছু ভুলে নিরুদ্বেগ সময় কাটাতে- অপরিসীম সময়ের ক্ষত নিয়ে আমরা সব ভুলে যেতে চাই, ঘড়ির কাঁটার মতো দিশা ঠিক রেখে সময়ের কাঁটায় বিক্ষত হতে হতে আমরা মূলত স্মৃতিবিস্মৃত হতে চাই, চাই পাগল হয়ে যেতে।
তবে আমাদের সবাই পাগল হতে পারে না, আমাদের সবাই আত্মহত্যার সাহস পায় না। আশ্চর্য হলো কেউ পাগল হয়ে গেলে আমরা সহানুভুতি কিংবা করুনা অনুভব করি- আমরা জানি আমাদের এই টিক টিক কাঁটা মেনে চলা জীবনের চাপ থেকে মুক্তি পেলেও সে আসলে অনেকটা নিজের কারাগারেই বন্দী। তার এই নিরুদ্বেগ আসলে এক ধরণের ছদ্মমুক্তির আনন্দ, তার জন্য সহানুভুতিটুকুই বরাদ্দ কারন যে নিজের ভেতরেই বন্দী হয়ে আছে। টিটকারি, জনগণের ধাওয়া আর থুতুর জীবনের প্রতি ভীতি থেকে আমরা নিজের মানসিক অবসাদের সাথে তীব্র লড়াই চালিয়ে যাই কিন্তু কেউ আত্মহত্যা করলে আমরা মনে মনে আফসোস করি, ভাবি তার মতো সাহস যদি আমাদের হতো। আমরা মুখে সমবেদনা নিয়ে তাকিয়ে থাকলেও মনে মনে ইর্ষা করি তাকে।
মহিষের হাসি একটি মৃগেল স্বরছেঁড়া কাক
মহিষের হাসি
অন্ধচেতনা ভেঙে আরো গভীর কোনো গহ্বর ডেকেছিলো। তুমুল ঝড়ের আড়ে বটের ফল ঝরে পড়ছিলো লাল বেদানা ফলে। উদাসীন কাদাগন্ধ চিনে রাখে, চিনে রাখে বিপন্ন নিধান। ঘেঁটুফুল ইশ্কুল, বাড়িঘর ভাঁজ করা, সস্তা ছাতার পাড়ে সূর্যচিহ্ন আছে। চেনা চোখ, চোলাইমদের গন্ধ কারো কোলের গণিতে, মনে পড়ে। ত্রিকোণমিতি শিখে ইস্রাফিলকে ধার দিয়েছিলো মহিষের শিং। বালিরঙ হাওয়া ঘুরে হাওয়ার বাহন, চোখের পাপড়ি চিনিয়েছিলো কালিকাপুরাণ। তারপরও বিরান, সুমসাম। নর্দমার পাশে দাঁড়িয়ে একলা শরীর, আঙুলের ফাঁকে চারকোল, কার্টিজ কাগজে ঘষে ঘষে বানায় মহিষের মুখ। অদূরে মহিষ নিষ্পাপ হাসে। নিষ্পাপ তবু এ হাসির অর্থ যে জানে-- সেইই জানে একা।
একটি মৃগেল
মুতিয়া মুরালীধরন কিংবা প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওন
আজকে এক মজার ঘটনা। একটা দরকারী মেইল করছি। সহকর্মী বন্ধু হইলোঃ বিসমিল্লাহ কইয়া সেন্ড করেন। আমিও একি সময় সেন্ড করলাম আর মুখে কইলামঃ বিছমিল্লাহ! বিছমিল্লাহ’র বদৌলতে কাজটা হলে মন্দ হয়না। তবে পাশে থেকে আরেকজন হইলোঃ আপনি মাত্র সিগারেট খেয়েছেন আর সেই মুখেই বিছমিল্লাহ কইছেন-কাম হইবোনা! সাথে সাথে শুরু হইলো হাসা-হাসি। আরেকজন বুজুর্গব্যক্তি তিনি অবশ্য বিড়ি সিগারেট তেমন পান করেননা। তিনি বল্লেন আরো আজব কথা!
-সিগারেট তো আল্লাহ’র সৃষ্টি।
-হাঁ তাইতো!
-আরে না দুনিয়াতে আল্লাহ বলছে মন্দ কাজ থেইক্কা দূরে থাকতে। আরেকজন কোনা থাইক্কা আওয়াজ দিলো।
-আরে দুনিয়াতে আল্লাহ’র ইশারা ছাড়া একটা গাছের পাতাও নড়েনা আর এতো সুন্দর ফিনিশিঙ্গএর সিগারেট সৃষ্টিকর্তার হুকুম ছাড়া সৃষ্টি হবে-এইডা কেমন কথা?
-তার মাইনে হুইস্কি-ব্র্যান্ডি-ডান্ডি কিংবা গুন্ডা-গুন্ডি-আলু-পটল কিংবা তিতহোটলা কিংবা মানবতা বিধ্বংসি আনবিক বোমা সবি সৃষ্টিকর্তার খাজাঞ্চিখানা থেইক্কা নামছে? আরেকজন নামাজী নোট যোগ করলো।
-আপনার সাথে থাইক্কা সবাই ন-আস্তিক হয়ে যাচ্ছে। আমার দিকে তাকাইয়া আরেকজন কইলো।
ফ্রম চিটাগাং
সবাই যখন ব্লগে টাংগুয়ার হাওর থেকে শুরু করে বড় বড় ভারত ভ্রমনের গল্প করে তখন মনটা খারাপ হয়ে উঠে। ভাবতে থাকি আমি জীবনে ঘুরতে খুব কমই গেছি। খালি নিজের মতো করে দিনগুলোই চলে গেছে। এই ছয় বছরের ঢাকা জীবনে আমি সিলেটের ঐদিক গেছি একবার একবার লাকসাম নোয়াখালী একবার খুলনা যাবার কথা ছিলো আমার কারনেই যাওয়া হয় নাই। আর গোটা দশ বারো বার চিটাগাং গেছি এমনিতেই আর জামালপুরে বাড়ী সেখানে তো প্রয়োজনেই যেতে হয়। এটাই ভ্রমনের ইতিহাস। তাই কত জায়গা সমন্ধ্যে কত গল্প পড়ি কত লোকজন সেন্টমার্টিনের গল্প করে কত বন্ধু কতো জায়গায় যেয়ে ভাজা ভাজা করে আসছে। কিন্তু এই অভাগা আমি যার কোনো ভ্রমনেরই গল্প নাই। এই যে এতো এতো বার আমি চিটাগাংয়ে গেছি একটা কাজেও না। মন চাইছে নন এসি বাসে চড়ে এসে পড়ছি। বেশীর ভাগ জার্নি হইছে গোপনে। গোপনে মানে বাসায় জানে না। এই সব গোপনে সফর আসলে রিসকি। তার কারন বাসা থেকে ফোন আসতেছে আর আমি ক্রমাগত জানাচ্ছি যে আমি ঢাকায়। ধরা পড়ার ভয়ে থাকতে হয়। চিটাগাং খুব ঘুরি তাও না। তিন চারজন প্রিয় বন্ধু আর ছয় সাতজন ক্লাসমেট বন্ধু এদের সাথেই দিন কাটাই। অল্প দিনের জন্য আসি হইচই করে চলে যাই। গত নয়মাসে আমি চিটাগাং যাই নাই। কার
কাউন্সিলিং
শিক্ষকতা মোটামুটি একটা "থ্যাংকলেস জব", প্রায় অধিকাংশ সময়ই একজনের অবদানের স্বীকৃতি থাকে না। সাফল্যের কোনো অবদানে স্বীকৃতি না পেলেও ব্যর্থতার সবটুকু দায়ভার বহন করতে হয়। তবে সামান্য কিছু সময়ের জন্য মনে হয় শিক্ষকতা পেশা হিসেবে ততটা খারাপ না, যখন কেউ বাবা-মায়ের চেয়ে বেশী নির্ভরযোগ্য মনে করে এসে সহযোগিতা চায় নিজস্ব ব্যক্তগত সমস্যায় তখন সহযোগিতা করতে পারা কিংবা অনেক দিন পরে কেউ যখন এসে স্মৃতিচারণের ছলে বলে আমাদের প্রচেষ্টা তাদের উপকারে এসেছে তখন মনে হয় আসলেই " উই মেড দ্যাট ডিফারেন্স।" এইসব ক্ষণিক বিজয়ের অনুভুতি অবশ্য সার্বক্ষণিক বিরক্তি কাটাতে পারে না।
কি ছিল তোমার মনে!
০১.
এক্সকিউজ মি! বইটা দেয়া যাবে ?
কেন ? ঠেকছি নাকি!
অনেকদিন খুঁজে পাইনি বইটা। বলতে পারবেন কোথায় পাওয়া যাবে ?
এইতো এখানেই আছে। আমার হাতে।
এটা তো বিক্রির জন্য নয়।
বই আমার। আপনি বলার কে-বিক্রি হবে কি হবে না ?
বিক্রি করবেন ? খুব ভাল হয় তাহলে।
সেটা নির্ভর করছে আপনি কত টাকা দিয়ে কিনতে চান তার উপর।
কত টাকা দিতে হবে?
বেশি না। মাত্র এক হাজার টাকা।
এত ছোট বইয়ের দাম এত!
এটা বইয়ের দাম নয়। আপনার প্রয়োজনের দাম।
দরকার নেই বাবা এত দাম দিয়ে বই কেনার।
তাহলে বইটা আপনার প্রয়োজন নয়। প্রয়োজন ছিল আমার সাথে কথা বলার অজুহাত তৈরি করা-ঠিক বলেছি কিনা বলেন!
২.
আমি চারশ মাইল দূর থেকে শুধু আপনার সাথেই দেখা করতে এসেছি। বলুন তো কেন ?
আপনার কথা শুনে আমার একটা গল্প মনে পড়ল। কিন্তু বলা যাবে না।
বলুন আমি কিছু মনে করব না।
একজন নারীর সাথে এমন গল্প বলা ভয়ানক স্ল্যাং হিসেবে ট্রিট হবে।
আমার সমস্যা নেই আপনি বলুন।
হাবাজাবা বাবা কাহিনী
ওয়েল... আমরা সবাই মোবাইলে বিভিন্ন বাবা জাতীয় প্রতারণার কাহিনী শুইনা আসতেছি বেশ কিছুদিন ধইরাই। ফার্স্টহ্যান্ড এক্সপেরিয়েন্স বইলা একটা কথা আছে। সেই এক্সপেরিয়েন্স আমার হইছে প্রায় ৪/৫ বছর আগে। তো সেইবার জ্বীনের বাদশারে গালাগালি কইরা ভুত ছাড়ায়া দিসিলাম। আরেক ফার্স্টহ্যান্ড এক্সপেরিয়েন্স হইলো আইজ রাইত আড়াইটায়।
ইউজুয়াল্লি অফিস দিনগুলাতে ঘুমাইতে যাই রাইত একটা দেড়টার দিকে। আইজ রাইতেও তাই গেছিলাম। বিজ্ঞানীরা কইয়া থাকে ঘুমাইতে যাইবার ঘন্টা খানিক পর থিকাই আস্তে আস্তে ঘুম গাঢ় হইয়া আসতে থাকে, রেম (REM) ফেম ইত্যাদি কাজকার ঘটে। যাই হউক, বিজ্ঞান কপচাইতে বসি নাই এক্সপেরিয়েন্স কইতে বসছি।
তো রাইত আড়াইটার দিকে হঠাত ফোন বাইজা ঘুমটা ভাঙ্গাইয়া দিলো। অচেনা নাম্বার। ভাব্লাম পরিচিত কোনো দোস্ত বন্ধু হয়তো জরুরী দরকারে ফোন্দিসে।
রিসিভ কইরা হেলু কইলাম, পয়লা কিছু বলে না।
আবার কইলাম, কে বলছেন কারে চাইতেছেন?
এই বার খ্যানখ্যানা গলায় কেউ একজন কইতেছে, তোর সাথে জ্বীনের বাদশা অমুক (খ্যানখ্যানা গলার লাইগা কি বাবা কইছিলো ভুইলা গেছি) বাবা কথা বলতেছি।
বিষণ্ণতার প্রহরে.. [এলোমেলো কাব্যকথন!]
দিন যায়,
অভিমানী দিন।
বুকে জমা
গুমরে মরা
চাপা কষ্ট গুলো,
ভুলে থাকার অভিমানে।
ভোর গুলো আজো,
ঝলমলে হতে না হতেই ফুরিয়ে যায়।
বিষণ্ণ দুপুর গুলো -
বাইরে রৌদ্রোজ্জ্বল আকাশ,
একলা ঘরে সুরের সন্ধান।
বিকেল হলেই -
ধরা বাঁধা জীবনের
বাঁধা ধরা
মুক্ত রাস্তায়
হেঁটে যাওয়া,
পড়ন্ত বেলায় সূর্যাস্তের হাতছানি।
ক্রমে ক্রমে ভরে উঠে,
ডায়রির অভিমানী পাতা যত।
আকাবাকা লেখাগুলোর সাথে ঝাপসা হয়ে আসে,
স্মৃতির দেয়াল - ভুলে যাওয়া ক্ষত।
শুধু পড়ে থাকে,
আরও একটা দিনের অপেক্ষা।।
আমার প্রিয় সেই পাইলট স্কুল ।
আমার হাই স্কুল জীবন কেটেছে সিলেট সরকারি পাইলট হাই স্কুল নামে একটি বিদ্যালয়ে ।আমার স্কুল জীবনে অনেক ঘটনা রয়েছে ।তার কয়েকটি ঘটনা আজ ব্লগ এ তুলে ধরছি ।
১।অঙ্কে ডাবল জিরোঃতখন আমি ক্লাস সিক্স এ পরতাম মানে একেবারে প্রাইমারি পাস করে নতুন হাই স্কুলে ।সিক্স এর অঙ্ক তখন একেবারে বুঝতাম না ।কিভাবেই বা বুঝব কারণ তখন আমার কোন টিচার ছিলনা ।যাই হোক যখন ফার্স্ট টার্ম পরীক্ষা হয়েছিল এর পরিশ্রুতিতে আমি অঙ্কে ডাবল জিরো পেয়েছিলাম ।কিন্তু খাতা আমি বাসাতে দেখাইনি ।আবশ্য এর থেকে পরে পার পেতে পারি নাই ।কারণ আমাদের ক্লাস টিচার নুরুল ইসলাম স্যার আমার বাবাকে ফোন দিয়ে এ কথা জানান ।এমনি স্যার বাসায় এসে পর্যন্ত এই কথা বলে যান । তখন বাসাতে পিটুনি না খেলেও অবস্থা যা হয়েছিল তা আর বলার মত নয় ।
২। টিফিন টাইমে ঘুরাফেরাঃ ক্লাস সিক্সে থাকতে আম্মু আমাকে আনা নেয়া করতেন । আমাকে সময় বলে যেতেন স্কুল থেকে যেন না বের হই । কিন্তু আমি আম্মু চলে যাবার পরই টিফিন টাইমে রাস্তা ঘাটে , নদীর পারে ঘুরতে বের হয়ে যেতাম । একদিন ধরা খাওয়ার পর বাসাতে নিয়ে গিয়ে ধোলাই দিয়েছিলেন।
কণ্ঠ রোধ করা অন্যায়, হোক না সে শয়তানেরই কণ্ঠ
দি পিপল ভার্সেস ল্যারি ফ্লিণ্ট সিনেমার জন্যে শ্রেষ্ঠ পরিচালক হিসেবে গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার নেওয়ার সময় মিলো ফোরম্যান বলছিলেন, 'আমি কখনো হাসলার ম্যাগাজিন কিনি নাই, জীবনেও কিনবো না। যারা বলে হাসলার ম্যাগাজিনকে কুরুচিপূর্ণ বলেন, আমি তাদের সাথে সম্পূর্ণ একমত।'
জোৎস্না জড়ানো শিহরণ - ২
৪
প্রকৃতিও এখন পাল্টাতে শুরু করেছে উত্তর আমেরিকায়। সুরেশ এই শহরে থেকে এই অক্টোবরেও বর্ষা-বৃষ্টির স্বাদ পাচ্ছে। দেশে তো পেয়েছেই। দেশ থেকে ফেরার পর মাসখানেকের উপর হয়ে গেছে। ঠান্ডা বাড়ার বদলে মেঘাচ্ছন্ন আকাশ ও হালকা-পাতলা বৃষ্টিরই দেখা পাচ্ছে। সময়-অসময় বলে এখন কিছু নেই। আকাশের গোমড়ামুখো হওয়া আর প্রেমিকার যখন-তখন মুখ কালো করা সমানুপাতিকভাবেই চলছে। তাই বলে সুরেশ যে বাস্তবিকই কোন প্রেমিকার সাহচর্যে আছে, তা ভেবে বসবেন না। সুরেশের মনের আকাশেও প্রেমিকার আনাগোনা চলছে। সুরেশের কল্পনায় তা শ্রাবণের মেঘের মতই। চাতক পাখির মত বৃষ্টির জন্য সে হাহাকার করছে।
কিছু ভুল রঙের ফুল ফুটে আছে রাজপথে, কিছু মিথ্যে কথার রঙ আমাদের হৃদয়ে ...
শরৎকে বলা চলে শুভ্রতার আরেক রুপ! নদীর তীর ধরে সাদা কাশের অপরুপ রাশি সারিসারি, আকাশে কাশফুলের মতোন গুচ্ছ গুচ্ছ সাদা মেঘের ভেলা, এই বৃষ্টি ঝরছে অঝোরধারায় আবার ঝলমল করে হেসে উঠছে চারিদিক, মেঘ-বৃষ্টি-রোদের এই আলোছায়ার খেলার মাঝেই হঠাৎ হঠাৎই দেখা দেয় দিগন্ত জোড়া সাতরঙ্গা রংধনু, দোলনচাপাঁর মন আবেশ করা সুবাস, শিউলীর মৌ মৌ করা গন্ধের সাথে তার সিদুঁরলাল-সাদা পবিত্র রুপরাজি, মাতাল করা স্নিগ্ধ জ্যোৎস্না – সব মিলিয়েই এই তো শরৎ।
মুস্তফা মনোয়ার বলেছিলেন,
“শরৎ হচ্ছে চমৎকার মেঘের ঋতু, স্পষ্টতার ঋতু। কেননা শরতের আকাশ থাকে ঝকঝকে পরিষ্কার। নীল আকাশের মাঝে টুকরো টুকরো সাদা মেঘ যেন ভেসে বেড়ায়। গ্রামের বধূ যেমন মাটি লেপন করে নিজ গৃহকে নিপুণ করে তোলে, তেমনি শরৎকাল প্রকৃতিকে সুন্দর করে সাজিয়ে দেয়”।