ইউজার লগইন
ব্লগ
চলমান থ্রেডের একটি বিচ্ছিন্ন অংশ- ১২
আমি চলে যাবার সময় অবশ্যই
বারবার পেছনে ফিরে তাকাবো
দেখার জন্য কেউ কি দুঃখী মুখে
অপেক্ষা করছে কিনা।
যখন দেখবো কেউ অপেক্ষায় নেই
তখন সম্ভবত লঘুপায়ে
মাথা নিচু করে হেঁটে হেঁটে
পার হয়ে যাবো পৃথিবীর সীমানা।
---
আস্থার রেখা কে দেবে এঁকে
. . . . .
. . . . . .
. . . . . .
. . . . .
. . . . . . . . . . . .
. . . . . . . .
. . . .
. . . . . . .
. . . .
১. আছি জনসমুদ্রে ডুবে,
তবু কেউ নেই,
আমি একাকী চলেছি অথবা ভেঙেছি,
টুকরো করেছি,
ধুলোয় মিশিয়ে পথে নামিয়েছি
এই আমিকেই !
২. আমি চেনা অচেনার জটিল ধাঁধায়
ছেড়েছি আবার ধরেছি হাত,
আমি ঝড়ের তুমুল মেঘের কান্না
শুষে নিলাম এ দুই চোখে ।
আমি চিনেছি রাতি, চিনেছি সকাল,
চিনিনাই তবু একটাও হাত ।
আমি , আজো খুঁজি ফিরে শূণ্য হাতে
আস্থার রেখা কে দেবে এঁকে !!
জেন যেভাবে জেন হয়ে উঠে...
......................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................
সামাজিক সংস্কার
মানস গঠন যেমনই হোক না কেনো, চুড়ান্ত বিবেচনায় শুঁয়োপোকা প্রজাপতি হয়ে উঠবে কি না তা নির্ধারণ করে সামাজিক বাস্তবতা। উদারনৈতিক যৌক্তিক মানুষেরাও সামাজিক বাস্তবতায় প্রতিক্রিয়াশীল হয়ে উঠতে পারে
প্যারিচাঁদ মিত্রের ''আলালের ঘরের দুলাল'' আমার উপন্যাস মনে হয় নি, যদিও উপন্যাসের কোনো নির্ধারিত কাঠামো নেই, বিষয়বস্তু নেই, কিন্তু তারপরও " আলালের ঘরের দুলালকে ঠিক উপন্যাস বলা যাচ্ছে না, বরং এই ধারাবাহিক লেখাটিতে এক ধরণের সামাজিক সংকটকে চিহ্নিত করে সে বিষয়ে কিঞ্চিৎ শ্লেষ আছে।
উপন্যাস হিসেবে " আলালের ঘরের দুলাল" বিশ্লেষণ কিংবা ঔপন্যাসিক হিসেবে "প্যারিচাঁদ মিত্র''কে যাচাই করতে যাওয়ার মতো বোদ্ধা হয়ে উঠি নি, আমি বরং আমার অনুধাবনটুকুই বলি, ডি রোজারিও'র শিষ্যদের ভেতরে অনেকেই উত্তাল ত্রিশে( এ ক্ষেত্রে উনবিংশ শতাব্দীর তিন ও চার এর দশক) প্রচলিত সমাজকাঠামোর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিলেন।
একটা আশার কথা
মেজাজটা বেজায় খিঁচড়ে আছে। এমন কুলক্ষুণে সময়ও আসে জীবনে? পত্নীভ্রাতাতে কানায় কানায় ভরা এক দেশে বাস করি। সেই দেশের প্রধানমন্ত্রী যখন খুশি তখন চাল-ডাল-অকটেন-সিগারেট সবকিছুর দাম যত খুশি তত ঘোষণা দিয়ে বাড়িয়ে দেন। জনগণের জন্মনালি টেনে ধরে খিঁচ খেয়ে বসে থাকার মধ্যে তিনি যে কি আনন্দ পান, আল্লামালুম! একটা বিপুল ব্যবধানে বিজয়ী নির্বাচিত সরকারের মেয়াদ দুই বছর বাকি থাকতেই চোখ বন্ধ করে বলে দেয়া যায়, এরা পরের ইলেকশনে কোনোমতেই জিতে ক্ষমতায় আসতে পারবে না। তবে এটা বলে দিতে পেরেও কোনো লাভ হচ্ছে না। বিধি যথারীতি বামেই থাকছে। কারণ কোনো বিকল্প নেই আমাদের কাছে।
যন্ত্রের ভাষা পুরোদস্তুর আয়ত্তের পরেই
যন্ত্রের ভাষা রপ্ত করার পরেই ছিলো সস্নেহে প্রশ্ন
আন্তরিকতায়, কেমন আছো জানপাখি?
এই শীতে একটু উষ্ণতায় আরো নৈকট্যের ডেরায়
রক্ষাকবচের মত মানবীয় হয়ে উঠি!
যন্ত্রের ভাষা পুরোদস্তুর আয়ত্তের পরেই
কেবল মনুষ্যত্ব জাগ্রত দেখি
আমাদের প্রজননে ফুলফলে পরিপুষ্ট
শিশুবৃক্ষগুলোর পঠন-পাঠন দ্রুত হলেই সুখি
... যন্ত্র হতে হতে এখন অযান্ত্রিক তন্ত্রমন্ত্র ভালো বুঝি
এই যে দেখো সকল প্রহসনের ম্যারাথন থেকে
কিভাবে দৃপ্ত পদক্ষেপে তোমাকেই আলাদা দেখি
আবেগে, কম্পনে, প্রাণে, প্রমাণে নিখুঁত মানবী
চলমান থ্রেডের একটি বিচ্ছিন্ন অংশ- ১১
তারপর এক বছর আগে ছেড়ে যাওয়া প্রেমিকার মতো করে
ভেজা কুয়াশারা এসে সেই গাল দু’টো ছুঁয়ে দিতো,
আর সে খুব ভালোভাবে চাদরটা টেনে নিয়ে
নির্জন রাস্তায় তাড়াতাড়ি পা চালাতো।
কেউ জানতো না
হতাশারা প্রতিরাতে
একবার, তাকে খুন করে
যেতো আর, সে নিরন্তর খুঁড়তো
নিজেরই শবাধার
এই নরম মাটির বুকে।
অলিখিত জীবন যে সীমান্ত এঁকে যায়
জেনে রেখো দুইপাশে তার শুধু
কষ্টই থাকে হায়।
---
অনেক লাইক এন্ড ধৈন্যা
ভাই
"নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক"
আপ্নের বানানি ব্যানার্টা দেইখা মাঝ্রাইতে মন্দিল খুশ হই গেসে। আপ্নেরে চিক্কুর পাইড়া মাইকে ধৈন্যা এত্ত সৌন্দর্য ব্যানার বানানির লাইগা।

লগে কয়েক হাজার লাইক...
বছরটা ভুলে যেতে পারলে ভালো হতো
২০১১ সালকে বিশ্বের অনেক দেশের অর্থমন্ত্রীরাই ভুলে যেতে চাইবেন। বিদায়ী বছরটি অর্থনীতির জন্য ভালো ছিল না। পুরোটা সময় কেটেছে মন্দার আশঙ্কার মধ্যে। বিশেষ করে, ইউরোপের জন্য বছরটি ছিল ভুলে যাওয়ার।
শেষ সময়ে এসে সামান্য হলেও আশার আলো দেখাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ভারত, চীন ও ব্রাজিলের মতো উঠতি অর্থনীতির দেশগুলোর অর্থনীতিও কিছুটা ভালো। তবে পুরো বিশ্বকে টেনে তোলার মতো আশাবাদী হতে পারছেন না কেউই। মন্দা কাটছে, এ কথা বলা যাচ্ছে না।
সারা বিশ্বে মন্দা, তাই বাংলাদেশের অর্থনীতিও চাপের মুখে—এমনটি বলার অবকাশ অবশ্য আমাদের অর্থমন্ত্রীর নেই। বাংলাদেশের অর্থনীতির চাপ এসেছে ভেতর থেকে। বিশ্বমন্দা সেই চাপকে আরেকটু দীর্ঘায়িত করছে। বাংলাদেশের জন্য ২০১১ সাল মূলত নীতির দুর্বলতা, সমন্বয়হীনতা ও সিদ্ধান্তহীনতার বছর।
অন্তর্জালিক যোগাযোগ
আবেগ নিয়ন্ত্রন করার অক্ষমতা কিংবা হঠাৎ সাময়িক উত্তেজনার বশে চরম সিদ্ধান্ত নিয়ে আত্মহত্যার সংবাদ শুনে বিষয়টা দু:খজনক কিংবা অগ্রহনযোগ্য এর বাইরে আদতে বলার কিছুই থাকে না অনেক সময়। আমাদের মানসিক অনুভুতিগুলো নিয়ন্ত্রনের কোনো কার্যকরী প্রশিক্ষণ আমরা পাই না, আমাদের অনুভুতিগুলো কাউকে না কাউকে জানাতে হয়, নিজের ভেতরের অনুভুতির দহন যখন দগ্ধ করে তখন বন্ধুর কাঁধে হাত-মাথা- রেখে তার কাছে উন্মুক্ত হয়ে নিজের দগ্ধাবশেষ রেখে আসতে হয়। দু:খজনক, লজ্জাস্কর, অপমানের কিংবা আনন্দের অনুভুতিগুলো নিজের ভেতরে জমিয়ে রাখা সব সময় সম্ভব হয় না।
বাঙ্গালীর জাতীয় প্রার্থণা
- ' আমাগো শেখ মজিব আইলে বেবাক ঠিক হ’য়া যাইব’ ! ফুটপাত ধরে হাঁটছিলাম, কচি কন্ঠের কথা ক’টি কানে এলো । দাঁড়ালাম । অপর্ণা চরণ গার্ল স্কুলের (নন্দন কানন) অপজিটে যেখানে এখন ইলেক্ট্রিক মার্কেটটি গড়ে উঠেছে, সেখানটা তখনো খালি । প্রকান্ড কড়াই গাছ ক’টি চার দিকে ডাল পালা মেলে দাঁড়িয়ে । ১ জানুয়ারী ’৭২ এর সকাল । হাড় কাঁপানো শীত । নব বর্ষের সোনা রোদ তখনো কোর্ট হিলের ওপারে আটকে আছে, এপাশে তার উষ্ণ সোনালী ছোঁয়া পৌঁছায়নি । ৮ / ১০ বছরের দু’টি বালক তখনো যাদের নাম পথকলি বা টোকাই হয়নি, কুড়িয়ে পাওয়া কাগজ, ঝড়া পাতা আর ছোট ছোট শুকনো ডালপালা দিয়ে আগুন জ্বেলে শীত তাড়াবার প্রাণান্ত চেষ্টা করছে । কাছে গেলাম । আগুনের দিকে হাত মেলে দিতে দিতে বল্লাম, ‘খুব শীত ! তাইনা’ ? ওরা এ ওর প্রতি তাকাল । তারপর আলতো মাথা দোলালো, যেন এ আপদ আবার কোত্থেকে !
দেখলাম ২০১২ নামলেন আমাদের শ্যামলীতে
শ্যামলী এলাকার যেই প্রান্তে থাকতেছি সেইখানে হৈ-হল্লা চলতেছে। মহল্লার ছেলেরা রাস্তায় মরিচ বাতিতে আগুন দিয়া ছোটাছুটি করতেছে, বেশ শবেবরাত-শবেবরাত আমেজ। তাদের সাথে এলাকার রিকসাওয়ালা-দিনমজুর শ্রেণীর সমবয়সী কিছু তরুণও হাততালি ফাইফরমাসে ব্যস্ত। অ্যালকোহলের শ্লথ ভাবটা টের পাওয়া যায় ছেলেদের দৌড়াদৌড়িতে। বেশ ট্রান্সকালচারাল ব্যাপার-স্যাপার। বারান্দায় দাঁড়াইয়া মানুষের ভেতরকার প্রাণের ছটা দেখি। দূরে অন্য কোনো উৎসবে বাজী ফুটলো বেশ কয়েকটা। পথের জমায়েত বাড়তেছে ধীরে ধীরে। যদিও কোনো নারীর উপস্থিতি নাই সেইখানে। তারা আছে জানালায় আর বারান্দার গ্রীলে। মানুষের উত্তেজনায় ঈর্ষান্বিত হইয়া ঘরে ঢুকি। ধারাবিবরণী লিখতে লিখতে খেয়াল হয় শব্দহীন হইছে চারপাশ। বুঝতে পারি সবার চোখ আর মনযোগ ঘড়ির কাঁটার সাথে টিক টিক। ডিজিটাল ঘড়িতে যেনো বোধি আছে। শব্দহীনতার শব্দ টের পাওয়া যায়।
এসব দেখি কবির হাট-বাজার
কখনো কখনো কবিতা লেখার চেষ্টা আমার বদঅভ্যাসগুলোর মধ্যে একটি। আবার কখনো বা গল্পও লিখতে চেষ্টা করি। তবে নিজেকে কখনো কবি বা গল্পকার হিসেবে দাবি করার মত কলিজা যে আমার নেই তা আমি অকপটেই সবসময় সবার কাছে স্বীকার করি। কখনো কখনো কেউ কেউ আমাকে বারবার প্ররোচিত করেছে, কেন একটা বই বের করছি না। তাদেরকে কিভাবে বলি আমি আসলে দুর্বল মনের মানুষ। ওটার কথা ভাবতে আমার সাহস হয় না। হাজার হাজার লেখকের মূল্যবান বইয়ের ফাঁকে আমার কায়া সাদৃশ্য একটি বই পাঠক বিনা অথর্ব অপেক্ষা করে রয়েছে যুগের পর যুগ। কিংবা কোন এক নিভৃত কোণে তা চমৎকার ব্যাবস্থা করেছে উই-ইঁদুরের অন্নসংস্থানের, এ কথা মনে হলেই আমার কলজে শুকিয়ে আসে। ল্যাংড়া, বোবা, কালা যাই হোক সমাজের সবার কাছে তা বোঝার মত হলেও সন্তানটি কিন্তু জন্মদাতার প্রিয়ই থাকে। তার সামাণ্য অবহেলা জন্মদাতার বুকের মধ্যে শেলের মত বিঁধে। এছাড়া প্রমথ চৌধুরী বলেছিলেন “মুদ্রণ যন্ত্র সহজ লভ্য হওয়
গল্প: অ্যাম্ফিটামাইন এবং ঝাকড়া চুলের মেয়েটি
১.
ইয়াবা একটা থাই শব্দ। যার অর্থ হচ্ছে পাগলা ওষুধ। হৃদয় কবে এই পাগলা ওষুধ প্রথম নিয়েছিলো, সেটা ওর স্পষ্ট মনে আছে। যদিও মুহসীন হলের অনেক রুমেই ইয়াবা নেয়া হয়। তবে হৃদয়রা জিনিসটা একটু এড়িয়েই চলতো প্রথম প্রথম।
বর্ষশেষের হাবিজাবি
লেখকের গল্প আর পরিচালকের ছবি:
নৌকাডুবি সিনেমাটা দেখতে দেখতে মনে হল এই নৌকাডুবি টা আসলে রবীন্দ্রনাথের নৌকাডুবি না এটা ঋতুপর্নের নৌকাডুবি, রাবিন্দ্রিক আবহে রবীন্দ্রনাথের চরিত্রগুলো দিয়ে রবীন্দ্রনাথের গল্প দিয়েই ঋতুপর্ণ তার গল্প বলেছেন অন্য একটা ছবি একেছেন।। রবীন্দ্রনাথের কমলার মতন ঋতুপর্নের কমলা শুধু দ্বিধাহীন ভাবে স্বামি নামক টেমপ্লেট কে ভালোবাসতে পারলো না বরং যে রমেশ কে নলীনাক্ষ ভেবে ভালোবেসেছিলো আসল নলীনাক্ষকে পেয়েও রমেশের জন্য দূর্বলতা নিয়ে আসল নকলের দ্বিধায় আমার আরো বেশি আপন হল মনে হলো এমনি তো হওয়া উচিৎ। মন তো শুধু সাদা কালো নয় মনের হিসেবে বরং ধুসর জায়াগাটাই বেশি থাকে। তবে গল্পের রমেশের দ্বিধা, রমেশের মনে একবার হেমনলিনী একবার কমলার আসা যাওয়াটা ঋতুপর্ন মুছে দিলো বরং কমলার প্রতি সবটুকুনি আবেগহীন কর্তব্য কেন দেখাল বুঝলাম না (স্বজন থুক্কু স্বজাতিপ্রীতি নাকি?)।