ইউজার লগইন
ব্লগ
ডায়েরি
দু'একটা দিন বাপের মত
দু'একটা দিন মায়ের
দু'একটা দিন স্বামীর মত
দু'একটা দিন জা-য়ের।
কিছুটাক্ষন চাল ও চুলা
বৃষ অথবা মীন
এভাবেইতো দুপুর গড়ায়
পাশ ফিরে শোয় দিন।
পাশ ফিরে শোয় দিন ও বছর
ঘুমায় জীবনখানি
পাশ ফিরে রয় গোপন অসুখ
পাশ ফেরে হাতছানি।
বীজ পড়ে রয় বীজগণিতে
ফলের চিন্তা লুটায়
সুখ পড়ে রয় ট্রাফিক জ্যামে
দুঃখ ফেরে নটায়।
আমার প্রতি তোমার যে টান
তোমার প্রতি আমার
একটা বিড়াল সে উষ্ণতায়
গড়ে যৌথ খামার।
আমার যত নরম ছিল,
কোমল ছিল, আলো
ঢেকে দিলাম আজকে সবই
-প্রসাধনই ভাল।
হাত ঢেকেছি, মুখ ঢেকেছি
শোক ঢেকেছি শাকে
বুকের ভেতর রোদ ঢুকেছে
তবুও কোন ফাঁকে।
সে রোদ আমার তরল আগুন
সে রোদ আমার টু-জি
সে রোদ দিয়ে, পাঠক, আমি
তোমার মুখকে খুঁজি.....
(বর্তমান) প্যাচালঃ রোমান্সিচ্ছা
১। আমার বাবা হিমুর বাপের মত আমারে মহামানব বানাতে না চাইলেও জ্ঞানী বানাতে চাইছিলো, সো সরাসরি দৈনিক ইত্তেফাক দিয়েই বর্নপরিচয় ও পড়তে শেখানো হৈছিলো। কিন্তু ইত্তেফাক থেকে আমি পড়া শুরু করলাম কচি-কাচার আসর-সাহিত্য সামিয়িকী (না বুইঝাই)-সিনেমার বিজ্ঞাপণ আর মোস্ট ইম্পর্টেন্টলী রাশি ফল।
মেষ রাশির জাতক আমি, দৈনিকি "রোমান্স শুভ" থাকে। রোমান্স শব্দটাই কেমন চনমনে উত্তেজনা জাগানোর মত। কিভাবে যেন বুঝছিলাম রোমান্স মানে "ইয়ে" মানে "বিয়ে" আর কি। হয়তো রাজ্জাক-কবরী বা ববিতার সিনেমার একনিষ্ঠ দর্শক হিসেবে সিনেমার শেষে তাদের "মেলামেশা" পরবর্তী বিয়ে ও কাহিনীর সমাপ্তি দেখেই বিয়ের গুরুত্ব ও রোমান্সের সাথে এর অবিচ্ছেদ্য সম্পর্কের সম্বন্ধে ধারনা পাইছিলাম। তাই ছোট বেলা থেকেই আমার বিয়ের খুব শখ, কারন রোমান্সের খুব শখ।
অনুবাদ-অক্ষম একাকীত্ব এবং আমি…….।
আমার পৃথিবী জুড়ে কেবলি স্বপ্ন ভঙ্গের শব্দ।
পথ হাটছি অবিরাম………
শুধু হেটেই চলেছি…..।
প্রচন্ড ক্লান্তি এসে ভর করে। থেমে যেতে চায় আমার অনিশ্চিত পদযাত্রা।
তারপরও আমি হেটে চলি বন্ধুহীন, ভালোবাসাহীন।
বন্ধু,
আমার কথা ভেবে কখনো কি তুমি আনমনা হও?
কোন জোৎস্না ভেজা রাতে মনে পড়ে কি আমার কথা?
ভালোবাসা দিতে যদি কার্পন্য এতোই
তাহলে ঘৃনাই দাও নূন্যতম
অন্তত কিছু তো পাবো
হিমাঙ্ক অতল শৈত্য উপেক্ষা অথবা
তবু কিছু দাওগো পাষান
কাঙালের ভাঙা হাত একেবারে
ফিরিয়ে দিওনা।
উত্তরাধিকারঃ প্রাসঙ্গিক বিষয়ে (অ)প্রাসঙ্গিক ভাবনা
জজ হবার খায়েশ নিয়ে ৬ষ্ঠ বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষা দিচ্ছি। গতকাল “পারিবারিকসম্পর্ক বিষয়ক আইন” এর লিখিত পরীক্ষা দিয়ে আসলাম। যেহেতু পরীক্ষার জন্যে প্রয়োজনীয় পড়াশুনার পরিমান অত্যন্ত কম, কাজেই লেখার সময় অনেক ভাবনাচিন্তা করে লিখতে হয়। পরীক্ষায় উত্তর লিখতে গিয়েই ভাবতে ভাবতে একটা বিষয়ের দিকে আমার মনোযোগ চলে গেল, এবং আজকের লেখার বিষয়টা সেই ভাবনা থেকেই উৎসরিত।
"LIKE" একটি অন্তর্জাল ভিত্তিক সামাজিক ব্যাধি !!!
নয়া একখান অসুখের প্রাদুর্ভাব দেখা যাইতাছে ইদানিং।
মানুষ যেমন আজকাল আর তার নিজের সামাজিকতার শারীরিক সংযুক্তি অন্তর্জালের মাঝে বদলি করেছে। তেমনি অন্তর্জালের মাঝে দেখা দিয়েছে কিছু রোগের প্রাদুর্ভাব। তার মধ্যে একটি হলো “LIKE” ম্যানিয়া। এই রোগ এখন মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়েছে অন্তর্জালের প্রতিটি কোনায় কোনায়। অন্তর্জালের ফেইস বুক নামক সামাজিক পরিবেশটিতে এর আক্রমন হয়েছে সবচেয়ে বেশী।
ব্লেড
বানাতে চাইছে ব্লেড রক্ত মুর্ছালোক
এ শুধু রক্ত নয়, আগাগোড়া পাপের মোড়ক
প্রায়শ্চিত্ব শূণ্য সব অচৈতন্য বোধে
ব্লেড ঝলকায় অন্ধ অতিত ক্রোধে
বর্তমানের ভোগ্য পণ্য বিষ
ব্লেড চিনে গেছে জন্মের ইবলিশ
ফেঁড়ে ফেলে দিতে পাপের জুয়াচুরি
ব্লেড হয়ে গেছে সোজাসাপ্টা ছুরি
টাটকা রক্তের নেষা পরীক্ষিত
ব্লেডের হিংসা জীবনে বিচ্চুরিত
গর্ভফুলের জন্মের ছলাকলা
এসো তবে ব্লেড দুই ফাঁক করো গলা.....
(c)MNI, 05.01.12
{বিদায় বন্ধুরা, আমি আমার লেখক জীবনের ইতি টানলাম।}
চলমান থ্রেডের একটি বিচ্ছিন্ন অংশ- ১৪
প্রথম দু'টির পর টোয়াইলাইটের পরের পর্বগুলো আর দেখা হয় নি। তাই বুঝি সেদিন একজন এসেছিলো স্বপ্নে। স্বপ্নের মহানাগরিক প্রেক্ষাপটটা অচেনা ছিলো না। পরিচিত শহর, রাস্তা, ধুলা-বালি-কিংকর। দেখে দেখে মুগ্ধ দু'জন শুধু বুঝতে পারছিলাম না, সেটা কোন দেশ। অথচ আজন্ম পরিচিত মনে হচ্ছিলো সবকিছু।
আমরা যে হোটেলটায় গিয়ে উঠেছিলাম, সেটা ছিলো ঠিক পরিচিত একজনের বাসার মতো করে সাজানো। এমনকি টেবিলের লম্বা বাঁশি দু'টোও ছিলো সেগুলোর নির্ধারিত জায়গাতেই। আমি লম্বাটে মনিটরের নোটবুকটায় চালিয়ে দিয়েছিলাম শতাব্দীপ্রাচীন কোনো এক গ্রন্থের সিনেমারূপ। আর সেটা আমাদেরকে ক্রমাগত ঠেলে ঠেলে নিয়ে যাচ্ছিলো বর্তমান থেকে দূরে, দূর থেকে দূরান্তে।
আনন্দগুলো যেন অতীতের সম্পত্তি, আর যন্ত্রণাগুলো বর্তমানের...
ইদানিং নানা অদ্ভুত চিন্তা মাথায় ভর করে। এই যেমন, কয়েকদিন ধরে কেবলই মনে হচ্ছে - 'ভালো আছি' কথাটা চিরকালের জন্যে পাস্ট টেন্সের অধিকারে চলে গেছে; প্রতিটি মধুর ঘটনাই যেমন যায়! নিশ্চয়ই ভাবছেন - শুধু মধুর ঘটনাই কেন অতীত হতে যাবে? অতীত তো হয়ে যায় সব ঘটনাই - আজকের বর্তমান, আগামীকাল হয়ে যাবে অতীত, এমনকি এই মুহূর্তের বর্তমান একটু পরই চলে যাবে অতীত কালের দখলে! হ্যাঁ, আপনাদের মতো আমিও সেটা জানি - এই ধরনের চিন্তার প্যাটার্নের সঙ্গে আমরা সবাই কমবেশি পরিচিত। কিন্তু কিছু সত্য যেন কখনো-কখনো সবার চোখের আড়ালে থাকে, যেগুলো নিয়ে সম্ভবত খুব বেশি ভাবি না আমরা। অন্তত আমার সেরকমই মনে হচ্ছে আজকাল!
নদী
অমোঘপুরের ছাত্র আমি
বিধির পদ্য বোধে লিখি
জলের শব্দ নকল করে
পাখির মত গাইতে শিখি
এইতো সেদিন একটা পরী
ভিষণ রাগে, জোরসে হাঁকে
"সাহস কত! আমার পাখা
চুরিয়ে এনে নদী আঁকে!"
আঁকা বলে হেলা করলে
শোন, এও নাচতে জানে
ঢেউও আছে, স্রোতও আছে
বেলাল্লা হয় ঝড়তুফানে।
আমার কাছে নদীই সব
ঝর্ণা হয়ে সাগরে আসা
জীবননদী, সময়নদী
নদী আমার মাতৃভাষা।
গতপরশু নদীর ভাষায়
চা চাইতেই এক দোকানি
বল্লো," আমি নদীভাঙ্গা,
নদীর ভাষা আমিও জানি"।
নদীর ভাষা কঠিন অতি
ভোকাবিউলারি শেখা লাগে
সিনটেক্সের এর শক্ত বাঁধে
না বলা সব ইচ্ছা জাগে।
আমিতো ভাই নদীপাগল
জীবন গেল নদীসুখে
বুড়িগঙ্গায় ঢেউ উঠলেই
আঁছড়ে পড়ে আমার বুকে।
তাইতো আমি নদী পড়ি
নদী শিখি, নদী থাকি
পরীর পাখা চুরি করে
হারিয়ে যাওয়া নদী আঁকি।
চাঁদবেনে যায় সওদা সমেত
বেহুলা লাশ ও লাস্য নিয়ে
মারমেইড গায়, " জীবন হল
জলের সাথে জলের বিয়ে।"
দল ভিত্তিক ছাত্ররাজনীতির অপরিহার্যতা !!!!!
ইসলামী ছাত্ররাজনীতির ধারক বাহক ছাত্র শিবির-কে দিয়েই আমার ছাত্র রাজনীতির সাথে পরিচয়। তারপর অনেক কাল পের হলাম, অনেক কিছু দেখলাম, শুনলাম, শিখলাম নিজেও জড়িত ছিলাম। এখন আমার কাছে মনে হয় এককালের সর্বেসর্বা ছাত্ররাজনীতি তার নিজস্ব জৌলুস হারিয়ে বিষফোঁড়ায় রুপ নিয়েছে। বর্তমান কালের ছাত্ররাজনীতির সাধারণ ব্যবচ্ছেদ করলে তাকে দুই ভাবে ভাগ করা যায়, একটি দল ভিত্তিক যা প্রায় নব্বই ভাগের বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়। অপরটি সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের অধিকার আদায়ের রাজনীতি যা অলিক প্রায়। আমার দেখা দল ভিত্তিক ছাত্ররাজনীতির চেহারা বড়ই কুৎসিত। এর সাথে জড়িত খুব কম সংখ্যক ছাত্রই আছে যার ছাত্রদের অধিকার সম্পর্কে নুন্যতম ধারনা আছে। থাকলেও তার কোন পরোয়া তারা করেনা। উপড়ের সারির নেতাদের বেশিরভাগ-ই হন ত্রিশোর্ধ অছাত্ররা যার বেশিরভাগই হয় কোন আইন কলেজ বা হোমিওপ্যাথি কলেজের রেজিস্টারভুক্ত ছাত্র। কালের বিভিন্
চলমান থ্রেডের একটি বিচ্ছিন্ন অংশ- ১৩
আমার প্রিয় জিনিসগুলোর তালিকা তৈরি করলে উপরের দিকে থাকবে বোধহয় আমার লাইটার। যেটা দিয়ে আমি ধূম্রশলাকাগুলোয় অগ্নিসংযোগ করি। আমি ধূমপান করতে পছন্দ করি, পছন্দ করি মানুষকে ধূমপানে উদ্বুদ্ধ করতেও। আমার ধারণা; কাজটা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে, কিন্তু মনের জন্য নয়। আমি অবশ্য আজ পর্যন্ত স্বাস্থ্যজনিত ক্ষতির শিকার হই নি। হয়তো কোনোদিন হবো। ধূমপানে কি কি ক্ষতি হয়, সে সম্পর্কে ধারণা পাওয়াটা কঠিন না। আমি ধারণাগুলো থেকে বেছে বেছে যেটাকে পছন্দ করেছি, সেটা হচ্ছে ক্যানসার। আমার যদি ধূমপানজনিত কোনো সংকটে পড়তেই হয়, তাহলে আমি শ্বাসনালীর ক্যানসারে আক্রান্ত হতে চাই।
ঝলমলিয়ায় সনাতন মেলায় - ২
সনাতন বিশ্বাস ঢাকার চারুকলা থেকে পাশ করা অকাল প্রয়াত প্রতিভাবান চিত্রশিল্পী। অবাক লাগে এই অজ পাড়া গাঁর সাধারণ বাড়ি থেকে একজন রাজধানীর চিত্রশিল্পের অঙ্গনে নাম লিখিয়েছিলেন। তার থেকেও অবাক লাগে মৃত্যুর পরও বন্ধুরা বছরের বছর কী চমক্প্রদ আয়োজন করে যাচ্ছে বন্ধু স্মরণে। সনাতন মেলা মূলতঃ সানতনের চিত্রশিল্পী বন্ধুদের উদ্যোগে প্রতি বছর হয়ে থেকে ঝলমলিয়ায় সনাতনের বাড়িতে। সনাতন স্মরণে র্যালি, গ্রামের ছোট ছোট শিশুদের রং তুলিতে ছবি আঁকা প্রতিযোগিতা, সনাতনের চিত্র প্রদর্শনী, মাতম, গানের আসর এসব নিয়েই সনাতন মেলা। আর এই সব আয়োজন তার বন্ধুরা করে যাচ্ছে বছরের পর বছর। কী অসাধারণ বন্ধুত্ব!

আরেকটি ধ্বংসের কাহিনি...
পদার্থ বিজ্ঞানের ভাষায় আমাদের দেশের সব কিছুরই যেন এন্ট্রপি বাড়ছে। যেখানে তাকাই সমস্যা আর সমস্যা। অপরিকল্পিত সম্পদ শোষন কোথায় নিয়ে গিয়ে আমাদের ফেলবে এখন হয়ত আমরা বুঝতে পারছি না, কিন্তু এই সবকিছুরই প্রভাব আমাদেরকেই ভোগ করতে হবে এক সময়, তা প্রায় নিশ্চিত। যাইহোক, কে শুনবে কার কথা? অনেকদিন পর আসলে যে জন্য লেখা শুরু করেছি, একটি ধ্বংস কাহিনি শুনানোর জন্য।
চট্টগ্রামের হালদা নদী। অনেকে হয়ত এই নদীর নাম শুনে থাকবেন। গবেষকদের মতে হালদা পৃথিবীর একমাত্র জোয়ার-ভাটার নদী যেখান থেকে সরাসরি রুই জাতীয় মাছের (রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালিবাউশ) নিষিক্ত ডিম সংগ্রহ করা হয়। পৃথিবীর আর কোন জোয়ার-ভাটার নদী থেকে সরাসরি ডিম আহরণের রেকর্ড আজ পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

ক্ষরণ
বাবা-মা কেন যে আমার নাম রেখেছিলেন মহাত্মা, তা আমি কখনো ভেবে-চিন্তে বের করতে পারি নি। কখনো মহৎ কোনো কাণ্ড না ঘটিয়েই জীবনের ঝাড়া ৩০ টি বছর পার করে এলাম। মহৎ হওয়ার সুযোগগুলো মাঝে-সাঝে আশপাশ দিয়ে ঘুরে গেলেও, আমাকে তার ভেতরে পুরোপুরি প্রবেশ করতে দেয় নি কখনো। হয়তো সেটা ছিলো সাহসের ঘাটতিজনিত সমস্যা। কখনোই আমি খুব বেশি সাহসী ছিলাম না। যে কারণে মহৎ হবার আশঙ্কা দেখা দিলেই আরো বেশি করে গুটিয়ে যেতাম নিজের ভেতর। এটা যে ইচ্ছে করতাম, তাও না। নিজে নিজেই হয়ে যেতো। তারপরও কেউ নাম কি জানতে চাইলে, আমি বলতাম মহাত্মা। বলার সময় মনে মনে বলতাম, আসলে নামটা হওয়া উচিত ছিলো স্বল্পাত্মা।
শেখার মজা!
ছোট্টবেলাতে সহজ উপায়ে পড়া মুখস্ত করার কতো যে বুদ্ধি বের করা হতো। সব টিচারই ধরে কেবল ঠোটস্থ করাতেন না পড়া, কেউ কেউ ছিলেন বুঝাতেন, আর যেন সহজে পড়া মনে ধরে তাই কিছু মজার মজার পদ্ধতি ব্যবহার করতেন। কিন্তু সাধারনত প্রাইভেট টিউটর কিবা কোচিং-এর স্যাররাই এমনটা করতেন। স্কুলে থাকতে একেকবার একেকজনা এইসব রকমারি পদ্ধতি হাজির করে বাহবা কুড়াতাম। সরল অঙ্ক, ইতিহাস, গনিত সব বিষয়েরই কিছু না কিছু এমনি সহজ উপায় ছিলো। “বাবার হইলো আবার জ্বর, সারিলো ঔষধে!” লাইনটা থেকে একবারেই ইতিহাসের সম্রাটদের নাম ক্রমানুসারে মনে রাখতে পারতাম। বাবর> হুমায়ূন>আকবর> জাহাঙ্গীর> শাজাহান>ঔরংজেব। পুরো মুঘল সাম্রাজ্যের হোতারা পরপর একলাইনে হাজির!