ইউজার লগইন
ব্লগ
আমার সিসিমপুর (৩)
১। গতকল বিকালে আমি আমার বোনের বাসায় যাচ্ছিলাম। ভাইয়া আমাকে বলল আসার সময় আরভিনকে নিয়ে এসো। আজকে ওদের রাতে বাইরে খেতে নিয়ে যাবো। তো আমি আসার সময় নিয়ে আসলাম আরভিনকে।
সন্ধ্যায় আরভিন, তাহিয়া খেলছে। নিজেদের মতো গল্প করছে।
আরভিনঃ তাহিয়া, তুমি বড় হয়ে কি হতে চাও?
তাহিয়াঃ আমি!!! আমি বড় হয়ে ইঞ্জিনিয়ার হতে চাই। তুমি কি হতে চাও আরভিন?
আরভিনঃ আমি? হিরো!! একটা হিরো হতে চাই।
তুমি কি হতে চাও তোম্মা?
আমিঃ আমি তো বড় হয়েই গেছি আব্বু। কিন্তু কিছুই হতে পারি নি।
আরভিনঃ কেন তোম্মা?
আমিঃ ছোটবেলায় যে আমি লক্ষী হয়ে পড়াশুনা করিনি। তাই আমি বড় হয়ে কিছুই হতে পারিনি।
আরভিনঃ তাহলে কি তুমি ফকির তোম্মা?
আমিঃ
হ্যাঁ বাবা আমি ফকির। দেখোনা বাইরে যাওয়ার সময় আমাকে দিদু, দাদানের কাছ থেকে টাকা নিয়ে যেতে হয়?
দুইজনঃ ওহ। আচ্ছা। 
৩ ডিসেম্বর '৭১
বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রাম নতুন মাত্রা পায়। পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে শুরু হয় সম্মুখযুদ্ধ। মিত্রবাহিনীর সাথে সম্মিলিতভাবে সম্মুখযুদ্ধে এগিয়ে যায় বীর বাঙ্গালী। এদিনেই বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সার্থক হামলায় নারায়ণগঞ্জের গোদনাইল ও চট্টগ্রামের ফুয়েল পাম্প মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বীর মুক্তিযোদ্ধারা এ সময় একের পর এক যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন ও ক্ষতিগ্রস্ত করে পাকিস্তানি সেনাদের ফাঁদে পড়া ইঁদুরের মতো কোণঠাসা করে তোলে।
আবোল তাবোল- ৬
# # # # #
অনেক দিন পর, খুব মন ভাল একটা দিন গেল আজ। গতকাল এক্সাম শেষ হয়ে গেছে। এটা একটা বড় কারণ। আজ থেকে আবারও ছুটি, বছরখানেকের জন্য স্বস্তি। কোথাও ঘুরে আসতে পারলে ভাল ছিল, আপাতত সময় সুযোগ হবে বলে মনে হচ্ছে না।
কোনো কিছু পাওয়ার আগে পর্যন্তই বেশি থাকে তার আবেদন ,আর পাওয়ার পর থেকেই শুরু হয় আর সময়ের সাথে সাথে বাড়তে থাকে তা হারিয়ে ফেলার শঙ্কা। কি বিচিত্র এই মানব মন!
কাল সারারাত জেগে থাকায় আজ ফজরের নামায জামাতেই পড়তে পারছি। তার তার ধারাবাহিকতায়ই হয়তো দিনের বাকি চার ওয়াক্তও কিভাবে কিভাবে জানি জামাতের সাথে পড়া হয়ে গেছে। বেশ অনেক দিন পর, এইক্ষেত্রেও। এটাও একটা কারণ বটে।
রঞ্জনা আমি আর আসবো না
অঞ্জন দত্তের ভক্ত কে কে? আমি হাত তুললাম। গান শুনতে তো ভালই লাগে, গান দেখতেও ভাল লাগে। বৃষ্টির এই গানটার তুলনা কোন গানটির সংগে দেবো?
আমি বৃষ্টি দেখেছি
বৃষ্টির ছবি একেছি
আমি রোদে পুড়ে
ঘুরে ঘুরে অনেক কেঁদেছি
এই অঞ্জন দত্তের আরো পরিচয় আছে। অঞ্জন দত্ত অভিনয় করেন। সেই যে মৃনাল সেনের খারিজের অঞ্জন দত্ত। আবার অপর্না সেনের যুগান্ততেও ছিলেন তিনি। অভিনয় ভাল করেন না এটা বলা যাবে না।
অঞ্জন দত্ত সিনেমা পরিচালনাও করেন। অবশ্য পরিচালক অঞ্জন দত্ত আমাকে খুব মুগ্ধ করেছে তা বলা যাবে না। খুব বেশি মনোযোগ দিয়ে দেখেছি তাও না। কাল দেখলাম। ছবির নাম-রঞ্জনা আমি আর আসবো না

বোতাম আঁটানো বুকপকেটে
আপদের বেড়াজাল ছিন্ন ভিন্ন ,
ওরা এগোয় আরেক ধাপ ।
বিষাদের নিলীমায় আকাশে ভেসে বেড়ায়
দু'একটা হতবাক রোদপোড়া গাংচিল ।
আধারও ভেসে বেড়ায় ,
পিছু পিছু তেড়ে আসে
বারে বারে হিংস্র ছায়ার মতন।
দিকবিদিক কত ছড়ানো হতাশাগুলো
ঠাঁই পায় চিরতরে
বোতাম আঁটানো এই বুক পকেটে ।
২ ডিসেম্বর ১৯৭১
এদিন মুক্তির সংগ্রামে উত্তাল ছিল বাংলার মাটি; বিজয় দ্বারপ্রান্তে। পাকবাহিনী পিছু হটছে। এদিনে মুক্তিবাহিনী ঘোড়াশালে পাকবাহিনীর অবস্থানের ওপর চারদিক থেকে আক্রমণ করে ২৭ পাক হানাদারকে হত্যা করতে সক্ষম হয়। এখান থেকে বেশ কিছু গোলাবারুদ উদ্ধার করে মুক্তিবাহিনী। এদিকে, আজমপুর রেলওয়ে স্টেশন মুক্তিবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে এলেও পাকবাহিনী তাদের বিপর্যস্ত অবস্থা কাটিয়ে উঠে মুক্তিবাহিনীর ওপর পাল্টা আক্রমণ করে। এই আক্রমণে মুক্তিবাহিনী পুনরায় তাঁদের অবস্থান সুদৃঢ় করে তিন দিক থেকে শত্রুকে আক্রমণ করলে পাকবাহিনী আজমপুর রেলওয়ে স্টেশন ছেড়ে পালিয়ে যায়।এদিকে, চট্টগ্রামে মুক্তিবাহিনীর গেরিলারা উত্তরে ফটিকছড়ি ও রাউজান থানা এবং দক্ষিণে আনোয়ারার অধিকাংশ স্থান তাঁদের দখলে আনতে সক্ষম হয়।পাক কমান্ডার মোছলেহ উদ্দিন ভালুকা থেকে একদল রাজাকারকে সঙ্গে নিয়ে কাঁঠালি গ্রামে লুটপাট এবং অগ্নিসংযোগ করতে এলে মুক্তিবাহিনী
একটা অসম্পূর্ণ গল্প
প্রথম দেখার কালে বন্ধু
কথা দিয়াছিলে...
স্কুলজীবনে যে ক'জন বালিকার প্রতি মন থেকে অনুরাগ অনুভব করেছিলাম, তাদের মধ্যে হৃদিতা আর টুয়ী ছিলো সবচে' দারুন। দুঃখের কথা; শেন ওয়ার্ন আর স্টুয়ার্ট ম্যাকগিল সমসাময়িক হওয়ায়, ম্যাকগিলের প্রতিভার প্রতি সুবিচার করতে পারে নি ইতিহাস। তেমনি টুয়ীর প্রতিও সুবিচার করতে পারি নি আমি। পরবর্তীতে এ দুঃখ ভুলতে পেরেছিলাম, হৃদিতার বিয়ের অনুষ্ঠানে টুয়ীর সঙ্গে দেখা হয়ে যাওয়াতে। তখনও 'বিয়া হইসে তাতে কি/ হলুদে তো গিয়েছি' গান বের হয় নি। স্বাভাবিক ভাবেই মন ভার হয়ে থাকার কথা। ছিলোও।
সেই সময় টুয়ীকে দেখে তাই নিজেকে মনে হয়েছিলো, দ্রুতগামী কোনো জাহাজের পাশে লাফিয়ে লাফিয়ে পাল্লা দিতে থাকা একটা উড়ুক্কু মাছ। মেয়েরা অনেক অসাধারণ প্রকৃতির হয়। হৃদিতার সঙ্গে ভাব করার মতো একটা গর্হিত অপরাধকেও টুয়ী সেদিন অকপটে মাফ করে দিয়েছিলো।
সত্য মিথ্যা
একটা সময় । যখন সবকিছু শূণ্যের দিকে ধাবমান । আসলে কিছু ছিলোওনা , না ছিলো কোন আলোও । শুধু একটা ঘর পড়ে ছিলো নির্জনতার আবেশে নীরব । ঘরটাতে সত্যিই ছিলোনা আলো , না ছিলো আঁধারও। ঘরটা ছিলো বেবাগী, আরেক ঘরের ছত্রছায়ায় । সে ঘরটা ছিল অন্য আরেক ঘরের গর্ভে । হঠাত্ ঘরগুলোয় ক্রমান্বয়ে আন্দোলন । ভিতর বাহির সর্বত্র তোলপাড় । দেয়ালে দেয়াল তোলা তুমুল ঝড়ের মেঘ । মেঘে মেঘে গর্জন । তবু সে গর্জনে ভীত হবার মত কেউই ছিলনা কোন ঘরে । তাই কোন ঘরেই ছিলনা কোন আয়না , কিংবা আয়নায় কাঁপা কাঁপা অস্ফুট কারো হাসিমুখ । কেউ ছিলোনা যে গভীর নিরীক্ষণের পর বলবে , আসলে আয়নাও মিথ্যে বলে । সুতরাং এরপর এক স্বয়ম্ভু মিথ্যের স্বপ্রজনন । তার অব্যাহত বংশ বিস্তার । জনুতে জনুতে স্বয়ংসম্পূর্ণ মিথ্যেরই বীজ । যদিবা তা সত্যেরও হতে পারতো আর তাহলে কোন এক কালেতো সেই প্রচ্ছন্ন সত্যটাও দেখা দিতো ! কিন্তু সেটাতো দৈবের ব্যর্থতা । আসলে ব্যর্থ কারা ?
ক্রনিক্যাল অফ ঢাকা সিটি অথবা ঢাকা শহরের কিচ্ছা
কর্মজীবী বাপ-মা পোলাপাইনের যত্নআত্তির কথা মাথায় রাইখা নানিবাড়ির ৫০ গজের মধ্যে বাড়ি ভাড়া নিয়া থাকতো। আমাগো সেই ভাড়া বাড়িটারে মাঝে মাঝে স্বপ্নে দেখি। একটা ট্রাই সাইকেলে কইরা বিশাল লিভিং রুমের এই পার থেইকা ঐ পার পর্যন্ত ঘুইরা বেরাইতেছি প্রায় চল্লিশের আমি। ওল্ড টাউন কইলেই মানুষের কল্পনায় যেই চিপা রাস্তা, নোংরা ডাস্টবিন আর চওড়া ড্রেনের ছবি ভাইসা উঠে বালক আমি সেইটার লগে খুবেকটা তাল মিলাইবার পারি না। পুরান ঢাকা মানেই চকবাজারের ব্যবসায়িগো রাইতে ঘুমানের জায়গা...এরা সকাল হইলেই ভীড় ঠেইলা বাজারে যায়, সকালে ডাইল-ভাজি পরোটা, দুপুরে তেহারী আর রাইতে কাচ্চি বিরিয়ানি খায়। পুরান ঢাকা মানেই সাদা আদ্দির পাঞ্জাবী আর ভুড়িওয়ালা মানুষের আনাগোনা। যখন এমনসব ছবি আঁকতে দেখি আমার পরিচিত অভিবাসী বন্ধুগো তখন আসলেই তালগোল পাকাই। আমার শৈশবের পুরান ঢাকায় ব্যবসায়ি নাসির ছিলো, মেডিক্যাল কলেজে পড়া চশমা পরা ভদ্রমামুন ভাই ছিলো,
সিয়োন ফ্রী ব্যাপিষ্ট চার্চ
লেখতে ইচ্ছা করে অনেক কিছু কিন্তু জিপির নেট যে জাহান্নাম তাতে আগ্রহ পাই না।আর টিভি দেখে পড়াশুনা করে চায়ের দোকানে দেদারসে সময় চলে যায় আর বাকি সময় যায় ফেসবুকে।এই বুইড়া বয়সে যে এমন ফেসবুকের ভিমরতি পাবে তা আগে ভাবি নাই।আগে ব্লগে বসলেই নিজেরে দেশের সব চেয়ে সচেতন নাগরিক মনে হতো!তখন কেউ ফেসবুকের আলাপ করলেই বলতাম ভাই আমাদের আজাইরা সময় নাই যে ফেসবুকে বসবো!এখন কালের বিবর্তনে ফেসবুক ছাড়া জীবনটারে চা-হীন জীবন মনে হয়।যাই হোক তাই কাজ কাম না থাকলে ফেসবুকেই বসে বসে সামাজিক যোগাযোগ মেইন্টেন করি!
অসার কথা
বাথরুমে গেলে নাকি মানুষের মনে দেশ ও জাতির জন্য যাবতীয় উন্নত চিন্তাভাবনার মেশিন চালু হয়। বেশীরভাগ ভাবনা অবশ্য তোয়ালে দিয়ে হাতমুখ মুছতে মুছতেই উধাও হয়ে যায়। সেরকম কিছু 'উন্নত' চিন্তাভাবনার খসড়া লিখে রাখছিলাম। আজকে অনেকদিন পর পোষ্ট লেখার সুযোগ পেয়ে সেগুলো শেয়ার করছি।
১) রাজনীতি নিয়ে কিছু লেখালেখি আবারো শুরু করার ইচ্ছে জাগছে। কিন্তু সময় আর মুডের মধ্যে ঐক্যমত হচ্ছে না। (আমি লিখছি না বলে বেয়াক্কেলগুলোর বোধোদয় হচ্ছে না)
২) উপেক্ষা প্রতিরক্ষার অন্যতম উপায়। রাজনীতিকে উপেক্ষা করে নিজেকে রক্ষা করছি মানসিক চাপ থেকে। কিন্তু পরিস্থিতিকে উপেক্ষা করে কতোদিন টিকে থাকা যায়? নগরে আগুন লাগলে দেবালয়ও অক্ষত থাকে না। ইতিমধ্যে মাসের বাজার খরচে টান পড়তে শুরু করেছে ঠিকই। দ্রব্যমূল্যই রাজনীতি টেনে আনে। (গোলাম আজমের টানে যেমন খালেদা ভাষন দেয়)
ধুসর চিঠি উজ্জ্বল স্মৃতি
ধুসর চিঠি – উজ্জল স্মৃতি
এ টি এম কাদের
- ক্যম্পাস ছেড়ে গ্রামের বাড়ি চলে এসেছি প্রায় দু’মাস। বিদায়ের আগে বন্ধুদের সাথে ঠিকানা বিনিময় করেছি । কথা ছিল সবাই যোগাযোগ রাখবে । কেউ কথা রাখেনি । বেশ ক’জনকে লিখে ও সাড়া পাইনি । অনেকটা হতাশ দিন কাটছিল । এক দিন দুপুরে পুকুর পাড়ে হিজল ছায়ায় বসেছিলাম, পিয়ন একটা নীল খাম ধরিয়ে দিয়ে গেল । ছাত্রাবাস থেকে রিডাইরেক্ট হয়ে এসেছে । অপরিচিত হাতের লেখা । বেশ আগ্রহ নিয়ে খুললাম । সুন্দর হস্তাক্ষর । লিখেছে,
- প্রিয় বুলবুল,
১ ডিসেম্বর '৭১
একাত্তরের এদিনে মুক্তিযোদ্ধারা অপারেশন চালিয়ে ঢাকায় দুইজন মুসলিম লীগ কর্মীকে হত্যা করে। বাকী দুইজনকে বুলেটবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এদিকে, মুক্তিযোদ্ধারা শেষরাতের দিকে সিলেটের শমসেরনগরে অতর্কিতে আক্রমণ চালিয়ে পাকবাহিনীকে নাজেহাল করে তোলে। মুক্তিবাহিনীর তীব্র আক্রমণে পাকবাহিনী এই এলাকা থেকে পালাতে শুরু করে। মুক্তিবাহিনী টেংরাটিলা ও দুয়ারাবাজার মুক্ত ঘোষণা করে। মুক্তিবাহিনীর অপারেশন অব্যাহত থাকায় পাকবাহিনী এই জেলার গারা, আলিরগাঁও, পিরিজপুর থেকে তাদের বাহিনী গুটিয়ে নিতে বাধ্য হয়।
এদিকে, পিপলস পার্টির ঢাকা অফিস বোমা বিস্ফোরণের ফলে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। জুলফিকার আলী ভুট্টো দুই মাস আগে এ অফিস উদ্বোধন করেন। রাঙ্গামাটিতে ব্যাপটিস্ট মিশনে হানাদার বাহিনী কর্তৃক আক্রান্ত হয়ে চার্লস আর. হাউজার নামে একজন ধর্মযাজক এবং বহু বাঙালি সন্ন্যাসী নিহত হন।
ক্ষুদ্র কোনো চরিত্র
কখনো কখনো মৃদু হাওয়া ছুয়ে যায় আমাকে, আমি অনুভব করি শীতল পরশ প্রতিটি শিহরণে। পৃথিবীর সবচাইতে সুন্দর কিছুর রেন্কিং করলে এটা প্রথমেই থাকবে। আকাশটা মেঘলা, চারিদিকে তেমন গরম পড়েনি, রাস্তাটাও ফাকা। বোধ হয় এই নগর ঘুমিয়ে দেখছে অদ্ভুৎ এক
স্বপ্ন, আমি সেই স্বপ্নের ক্ষুদ্র কোনো চরিত্র!
কখনও কখনও একা এই আমি,
বড়ও অসহায় মনে হয় নিজেকে
চারিদিকে তাকিয়ে দেখি কত মানুষ আমার চারিধারে
তবু আজ কেন জানি বড়ও নিঃস্ব আমি
আমার বেদনা গুলো বলার মতো
কাউকেই খুজে পাইনা আমার পাশে,
বড় রাস্তার ফাঁকে ছোট্ট একটা অন্ধকার গলির মাঝে
মুখ থুবড়ে পরে থাকা সেই , একাকী কিশোর
যার মাঝে শত বেদনা লুইয়ে আছে
কিন্তু বলার মতো কেউ নাই,
হঠাৎ পাশে একটি ছায়া দেখে চমকে উঠে
এক জন এসেছে তাঁর সকল বেদনা
ভাগ করার জন্য !!!
সস্থির নিঃশ্বাসে নিজের কিছু অসহ্য বেদনার
সাথী করে নেয় সেই ছায়াটিকে
চাকরানী।
একটা বাচ্চা। খুব আদরের। যখন সে জন্ম নিলো তখন সবার মনে আনন্দের বন্যা বয়ে গেল। নানাবাড়িতে সে একমাত্র "নাতি"। কাজেই এক্সট্রা খাতির। অনেক পরিচর্যা।
বাড়িতে অনেকদিন কোন ছেলেসন্তান হয় নি। অনেক দিন পর একটা ছেলে সন্তান আসার পর সবাই মহাখুশী। ছেলেটির মাকে অকথ্য মানসিক নির্যাতন চালানো হত কেন না, ১৯৮৪ সালে ছেলেটির বাবার প্রেম করে বিয়ে করা পরিবারের আর কেউই মেনে নেয় নি। যদিও ছেলেটির বাবা চিকিৎসক আর মা মাস্টার্স পাশ করা মেধাবী মেয়ে। সন্তানটিকে জন্ম দেওয়ার পর থেকে পরিবারে সেই মা-এর আদর অনেক খানি বেড়ে গেল। মা টি যেন হাতে পেল ঈদের চাঁদ। ছেলেটি একদিন অনেক বড় হবে। কখনো কারো পেছনে পড়ে থাকবে না। ছেলেটিকে নিয়ে শুরু হলো সে মা-এর পথচলা। সঙ্গী ছেলেটির বাবা। আর পিছনে রয়েছে পুরো পরিবার।