ইউজার লগইন
ব্লগ
শূন্যতা
বারবার গ্রাস করে অস্তিত্বহীনতার এক তমসাচ্ছন্ন বোধ।শামুকের খোলের ভিতর গুটানো মাংসপিন্ডকেই 'আমি' বলে ভ্রম হয়।এক কুয়াশামাখা আধো-অন্ধকার ভোরে আচমকা ভেসে আসা এক ঝলক বেলীর গন্ধে আচ্ছন্ন হতে হতে শূন্যতার কথা প্রবল মনে পড়ে।ডানায় তীব্র হাহাকার ছড়াতে ছড়াতে এক ঝাঁক শুভ্রবলাকা নিঃসীম আকাশের দিকে উড়ে যেতে যেতে বলে যায়--'শূন্যতার রং সাদা, কেবলই সাদা'।
জীবনতো বিনাশী নয়।সে শুধু নিজস্ব ভুল--অমৃত ঢেলেছি বিষের পাত্রে।দীর্ঘ শীতঘুমের পরে জেগে দেখি ঘরে-বাইরে আলো-আঁধারির দোলাচল।ঘরের অন্ধকারের সাথে পাল্লা দেয় জানালার বাইরের বীভৎস কালিমালিপ্ত কুয়াশার চাদর।
এই ধুলোবালি-ভীড়ের শহরে কেউ কারো বন্ধু নয়। এক নিঃসঙ্গ -বিবর্ণতাকে সংগী করে সকলেই নিমগ্ন আপন-কোঠরে।
রূপান্তরের সরল নিয়মে আমিও বদলে গেছি।'মেটাফরমসিস' এর তেলাপোকা।
আমিওতো মুখোশ খোঁজার প্রচন্ড অনুসন্ধিৎসায় মানুষের মুখ ভুলে গেছি।
সাময়িক আড্ডাদায়ী পোস্ট
আছেন নাকি জনগন? আড্ডা দিবার মঞ্চাইতেছে। কিছু লেখতে ইচ্ছা কর্তেছে না। খালি আড্ডা দিতে শখ হৈছে। আছেন না নাই???
আছেন নাকি জনগন? আড্ডা দিবার মঞ্চাইতেছে। কিছু লেখতে ইচ্ছা কর্তেছে না। খালি আড্ডা দিতে শখ হৈছে। আছেন না নাই???
আছেন নাকি জনগন? আড্ডা দিবার মঞ্চাইতেছে। কিছু লেখতে ইচ্ছা কর্তেছে না। খালি আড্ডা দিতে শখ হৈছে। আছেন না নাই???
আছেন নাকি জনগন? আড্ডা দিবার মঞ্চাইতেছে। কিছু লেখতে ইচ্ছা কর্তেছে না। খালি আড্ডা দিতে শখ হৈছে। আছেন না নাই???
আছেন নাকি জনগন? আড্ডা দিবার মঞ্চাইতেছে। কিছু লেখতে ইচ্ছা কর্তেছে না। খালি আড্ডা দিতে শখ হৈছে। আছেন না নাই???
আছেন নাকি জনগন? আড্ডা দিবার মঞ্চাইতেছে। কিছু লেখতে ইচ্ছা কর্তেছে না। খালি আড্ডা দিতে শখ হৈছে। আছেন না নাই???
আছেন নাকি জনগন? আড্ডা দিবার মঞ্চাইতেছে। কিছু লেখতে ইচ্ছা কর্তেছে না। খালি আড্ডা দিতে শখ হৈছে। আছেন না নাই???
জীবনের অনেক রঙ
![]()
জীবনে অনেক রঙের ছড়াছড়ি,সারাক্ষণ অভিনয়ে
বেলা হয় পার। কখনও দুষ্ট ছেলে কখনও যুবক
তরুণের পর একদিন পিতা, এরপর মায়ার সংসার
দিনের শেষে হাজারো ক্লান্তি ভরা একরাশ আঁধার।
পাড়ার চায়ের দোকান কিছু বখাটের দখলে
তাকিয়ে দেখি এ সমাজ ডুবে যায় অন্য গোধূলি বেলায়।
নেশার ছোবলে বাঁধা পড়া কিছু তরুন হেঁটে যায়
সভ্য সংস্কৃতি বহু আগেই পালিয়েছে শত লজ্জায়।
ভিনদেশী সভ্যতার চাপে আমি পরাজিত হই
চোখের নোনা জলে ভাসতে দেখি শিষ্টাচার।
তরুনী গুলো হেঁটে চলে উম্মাতাল বুক দুলিয়ে পাড়ায়
সম্ভ্রম লুকানোর বৃথা চেষ্টা করতে নাহি চায় ।
পরিবর্তনের ছোঁয়ায় সয়লাব সব, খালেক এখনো
দিনমজুরি করে সংসার চালায়। আলী কুঁজো পিঠে
আজও মোট বয়ে চলে। নিত্য নতুন গাড়ী হাকিয়ে
ভ্রমন: িসলেট-ভোলাগঞ্জ-মাধবকুন্ড
শহরের ইট-কাঠ-পাথর আর ভােলা লাগছিল না ।ফলে আমােদর "এক্সপ্লোরার ক্লাব অব বাংলাদেশ" এর শােহদ কামাল ভাই যখন প্রস্তাব িদলেন েয িসলেটের হজরত শাহ্জালাল (র:) এর মাজার িজয়ারত এর পাশাপািশ েভালাগঞ্জ এবং মাধব কুন্ড দেখতে যােবন, তখন িনজকে আর আটকে রাখতে পারলামনা। েবাচকা- বুচকী বেধে গতমােসর েকান একদিন রওনা দিেয় িদলাম। আমাদের ক্লাবের েডভীড সিলেটে চাকুরী করে ফলে সে আমাদের সাথে েযাগ দিতে এক মূহুত্ত দেরী করলোনা । আমাদের দেশটা যে কত সুন্দর বলে শেষ করা যাবে না বা আমার পক্ষে সেভাবে বর্ননা করা সম্ভবও নয়। তাই নিচে অানাড়ী হাতে েতালা কিছু ছবির মাধ্যমে প্রকাশের চেষ্টা মাত্র।
১। হজরত শাহ্জালাল (র:) এর মাজার, সকাল বেলা লোকজন আসতে শুরু করছে--
২।মাজার এর পাশে বড় বড় পাতিল, িক রান্না হয় ?
আমার বন্ধুর কোনো ঠিকানা নাই
সহজ করে বললে তিনি ঠিকানা তৈরীতে ভয় পান
ছেড়ে যাওয়ার ভয়ে অদ্যাপি কোনো ঋণ রাখেননি
সম্পদের উপরে ভাসমান কোনো জাহাজ হয়ে ওঠেননি
অথচ আল্লাহ যাকে দেয় তাকে নাকি উজার করে
সকল ভাড়ার ভরে দিয়ে থাকে জ্ঞানে বিজ্ঞানে কাব্যে
আমার বন্ধু তেমন ভাগ্যবর্তিকা
বলতে গেলে মা লক্ষী এসে বসে থাকেন পাশে
যদি সদয় দৃষ্টি দিয়ে আমার বন্ধু কিছু গ্রহণ করে
সরস্বতী শেখতে আসেন রোজ বিকেলে
এমনকি রাধার নতুন কিয়ার কেয়ামত
হুলস্থুল লাগিয়ে দিয়েছে কৃষ্ণালোকে
বৃন্দাবন থেকে ধেয়ে আসছে শ্বেতাঙ্গ শিক্ষার্থীরা
মথুরার দেবালোকে বুঝি লাগলো আগুণ
এমন আমার বন্ধুর গরিমা
আমার বন্ধু বলেন 'মরে যেতে পাই না ভয়
যখন তখন যেখানে সেখানে কিছু বলতেও পাই না ভয়
সোজা সাপ্টে বলে দেবো, জ্বালিয়ে দেবো'
আমার বন্ধুর ঠিকানা বিহীন আস্ফালনে
সকল ঠিকানা-দুরস্ত এনভেলাপ পথ ভুলে যায়
যেখানে সেখানে পড়ে থাকে গন্তব্যহীন
দ্বীপভূমি
ব্যস্ত খগোশের নিরীহ চঞ্চল চোখ
কাঠবেড়ালী কালো ছাই উষ্ণ লোম
অথবা নিপাট ভদ্রলোক ঘুঘুর পেলব পাখা
হঠাৎ চঞ্চল হয়ে বিস্ময়াভূত।
একি শরতের হাত, ভেঁজা সোঁদা গন্ধ!
সেই চিরপরিচিত , গ্রীবার স্ফীত রক্তনালী।
এখন তো কোজাগরী মৌ জোছনার আবাহন
আলো আধাঁরীর বিস্ময়কর অনুভূতি
লাজুক মুহূর্তে বেদনা আনন্দের খন্ডিত দহন
ঘাসফুলে জড়ানো, তারপর---
দ্বীপময় সবুজভূমি বজ্রাহত।
শরত ভালবাসি তোমাকে
জুঁইয়ের গাঢ় গন্ধ, অলকানন্দা,
কলাবতী, কেয়া ঝোপ আর
বাগান বিলাসের স্বচ্ছতা নয়ে
আমি তোমাকে পেতে চেয়েছিলাম।
শূন্যে ছুঁড়ে দেয়া কয়েনের দিকে তাকিয়ে
ব্যাকস্টেজেঃ
প্রৌঢ় দড়াবাজ দাঁড়িয়ে।
জীবনের শেষ দড়াবাজির খেলা দেখাবে বলে
রং মেখে লুকানো, ভাঁজ পড়া চেহারায়
মঞ্চ ফাঁকি দিয়ে আসা টুকরো আলোরা আলতো ছুঁয়ে যাচ্ছে,
বুঝিবা সান্তনার হাতে।
মঞ্চেঃ
চড়া তালে বেজে চলেছে বাজনা
উদ্দাম ড্রাম বিটের সাথে ছন্দ মিলিয়ে এগিয়ে আসছেন প্রেজেন্টার
তার চকচকে জুতোয় পিছলে যাচ্ছে স্পট লাইট
ধাঁধিয়ে দিচ্ছে চোখ, দর্শকদের।
ভরাট গলায় ঘোষিত হচ্ছে খেলা এবং খেলোয়াড়ের নাম।
বাইরেঃ
কুয়াশার মৃদু গন্ধ মাখা রাতের চাদরে
থিতিয়ে আসা ধুলোরা জমছে ধীরে
একঝাঁক রাতজাগা পাখি
নড়েচড়ে বসছে দূরবর্তী গাছের ডালে
নৈশব্দ এবং কোলাহল হাতধরে চলছে এসফল্টের রাস্তা জুড়ে।
আবার ব্যাকস্টেজেঃ
দড়াবাজের কাঁপা হাত খুঁজে নিয়েছে
জীবনের প্রথম রোজগারের কয়েনটাকে, যেটা
এ কেমন চলে যাওয়া...

আজো শশীর রূপের টানে, গহন মনে হিয়ার সনে...
ভুলি আমি এহেন ক্ষণে-তব চন্দ্রপাণা কেমনে?
যেমতি ছিলে আমা পাশ - স্তব্ধ কোন বসন্ত রাশ,
চপলা দর্শী টুটেনা আশ, যেন বা কল্লোল – দোদুল কাশ!
হারায়ে নিশার শয়ন সবি একলা শিহরে মৌণ কবি...
তন্দ্রা ফেরায় সে কোন ছবি - যামিনীর নিশেষে যেমতি রবি!
আমা-তোমা সেই যে জানা, মানতো কি কভু মানা?
আজ কেন তায় দুঃখ আনা -“আশা”-র কেন ভাংছো ডানা!
যাবেই যদি একায় চলে, কেনইবা তবে আমা হলে?
ভালবাসার নিশার ছলে - মোর স্বপনে জেগেই রলে!
ভাবছি আমি নিশি-রাত, “ভালোবাসা”-য় এ কোন জাত...
দুখ নিয়েছি ভরে এ-হাত, কেমনে সহি বলো এ ঘাত!
চিঠি
মৌরী,
সোন্ধ্যার মায়াময় হাতছানি যখন আমাকে ছুঁয়ে যেতে পারেনা, তখন ভাবি এ গোধুলী বেলাটা বুঝি আমার জন্য নয়। বিকেলের সোনাঝরা রোদ গুলো যখন উঁকি দিয়ে আমাকে বলে কাছে আসতে, আমি যেন আমার শরীরের প্রতিটি ভাজে তখনো রোদের তীব্রতা অনুভব করি। অথচ তুমি দেখ, এই সে দিনের কথা যখন চৈত্রের প্রখরতা গুলোও আমার কাছে মনে হত বৃষ্টির ফোঁটার মত। এখন রোদ ভিষণ ভাবে পোড়ায় আমাকে। তাই আর বাইরে যায়না সেই দিনের মত করে। ছয় তলার এই ঘরের পূর্ব দিকেই আমার বাস। তুমি হয়তো সেটা জানতেও। কিন্তু জানালাটা খুলে দেখা হয়না অনেক দিন। ধুলো আর মরিচীকাই ভরেগেছে সব।
রসিক রাজ বকুল ভাই (রম্য গল্প )
বকুল এবং তার বাবা বজলুকে নিয়ে গ্রামের সকলের হাসির অন্ত নাই । দু'জনই বেশ রসিক বলিয়া লোকে তাদের নিয়ে হাসতে বিলম্ব করে না । তারা ও চেষ্টা করে গ্রাম বাসির মনোরঞ্জন করতে। পাড়ায় কার কোন অনুষ্ঠান হলে দু'জনের ডাক সবার আগে পড়িবে । প্রথম দুজন একসাথে নানা অনুষ্ঠানে গেলে ও এখন ব্যাস্ততার কারনে আলাদা ভাবে যায়। তবে দু'ই জন বেশ সাহসি লোক ।
দেশের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে দু'জনের ভালো জ্ঞান আছে। এছাড়া বহিবিশ্ব সম্পর্কে ও তাদের ভাল ধরনা আছে। সেদিন পাড়ায় হাতেম আলীর মেয়ে সখিনার গায়ে হলুদ । সেখানে দাওয়াত পড়িল বকুলের । তার বাবা বজলু তখন পাশের গ্রামে এক বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়েছে।
আমি শখ করে ফটো তুলি । নিজের সদ্য কেনা ডিজিটাল ক্যামেরায়। আফরিন পাশের বাড়ির চাচার মেয়ে , সকালে এসে বলল
টুটুল ভাই আজকে বিকালে কি ফ্রি আছেন ।
শারদীয় 'দেশ' ১৪১৮-কিছু কথা:অন্তরাল ও অন্যান্য
[ডিসক্লেইমার:
আমার বই পড়তে খুব ভাল লাগে।হোক গল্প বা উপন্যাস। নতুন বা পুরানো। বই হলেই হয়। মাঝে মাঝেই ভাবি একেকটা বই পড়ে তা নিয়ে আমার ভাবনা টা সবাইকে জানিয়ে দিই। সাহস পাইনা। ভাবি, আমি কে যে এত্ত ভাল বই নিয়ে কিছু বলব! লীনা আপার অসাধারণ গ্রন্থালোচনা আরো দমিয়ে দেয়। এত ভাল ভাবে গুছিয়ে লেখা,বুঝিয়ে লেখা অসম্ভব! আবার,এগুলি পড়তে পড়তে একটু একটু সাহস পাই। মনে হয়, নিজের কাছে নিজেকে কোন কিছুতেই তুচ্ছ ভাবার কোন মানে হয়না। যা ই লিখি, যতটুকই লিখি -চেষ্টা করতে ক্ষতি কি? তাই এই লেখা। বোদ্ধার দৃষ্টি নয়, নিতান্তই এক পাঠকের চোখে দেখা কিছু লেখা নিয়ে কথকতা।]
বেশ কয়েকদিন হ্ল, মাথায় কোন লেখা আসেনা। প্রত্যেকদিন ভাবি আজ একটা কিছু লিখব,কিছুতেই কিছু হয়না। তাই ভাবলাম আর সবাই যা লিখছে, তা নিয়েই বরং লিখি একটা কিছু।
ক্যালিফোর্নিয়া
ক্যালিফোর্নিয়া হলো আমেরিকানদের স্বপ্নের রাজ্য।
সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড
উন্মাত্তাল '৭১ কলকাতার বনগাঁয়ে পূর্ববঙ্গের হাজার হাজার শরণার্থী আশ্রয় নিয়েছে । স্বদেশ-স্বজনহীন মানবেতর জীবন-যাপন । শরণার্থী ক্যাম্পে তখন ক্ষুধা আর মৃত্যুর সাথে মানুষের সে কী কাণ্ড ! স্বদেশ জ্বলছে , পালিয়ে এসেও এই ক্যাম্পে লড়তে হচ্ছে ক্ষুধার সাথে , মরণের থেকে । একতিল পরিমাণ জায়গাও ফাঁকা নাই ক্যাম্পগুলোতে । কোথাও ত্রান-খাবারের সংবাদ পেলেই সবাই যে যার মতো দৌড়ে খাবার সংগ্রহের লড়াই করে ছিনিয়ে নিচ্ছে । মরা লাশ , কলেরা-ডায়রিয়ায় মরণযন্ত্রণা ভোগা লোকদের সামনে তখন শুধু বাঁচার আকুতি । যে মরণ-ভয় সীমান্তের এপারে টেনে আনল সেই মরণ-ই কীনা অদূরে অবেলায় খলখলিয়ে হাসছে । চারিদিকে বন্যার পানি । মেঘ-বৃষ্টি অবিরাম হচ্ছে । এ যেন মহাপ্রলয়ের তাণ্ডবনৃত্য ।
তিন বেলা
" সকাল বেলা "
মা দাওনা কিছু টাকা।
আমার কাছেতো টাকা নাইরে বাপ।
দূর। তোমরা যে কি !কত করে বললাম আমারে কিছু টাকা দেও। তা যখন দিলে না । আমি স্কুলে যাই।
রাহেলার খুব খারাপ লাগে । একমাত্র ছেলে কিছু টাকা চেয়েছে কোথায় যেন খেলতে যেতে বন্ধুদের সাথে। তাও দিতে পারে নি । কি করবে রাহেলা । অভাবের সংসার তার উপর দ্রব্য মুল্যের বৃদ্ধি । তাদের মত মধ্যেবিত্ত পরিবারকে বর্তমান সমাজে চলতে গেলে যথেষ্ট হিমশিম খেতে হয়। একদিকে ছেলের লেখা পড়ার খরচ , অন্যদিকে সংসার।
জোৎস্না জড়ানো শিহরণ - ১
১
বিছানায় শুয়ে আছে অনুসূয়া। ফুলেল বিছানা। তা বিছানার চাদরে বড় বড় গোলাপের ছাপ। বালিশেও তা। পরিপুষ্ট শরীর। একটা সুখের সৌরভে জেগে উঠেছে। রাত্রিবাসে সে ঘরের আলোতে ছায়াচ্ছন্ন ভাব ধরে আছে। ঘর জুড়ে উত্তরের পর্দা। তা সরালেই সকালের বাহিরের আলো। আজ ছুটির দিন। বাইরের আলোটা কেন জানি মরা।