ইউজার লগইন
ব্লগ
চরম ফাও প্যাঁচাল-২
বাঙালী যতই অস্বীকার করুক "চন্দ্রবিন্দু"র প্রতি তাদের গভীর প্রেমের কোন ঘাটতিই নেই। শৈশবে তারা "হাঁও মাঁও খাঁও, মাঁনুষের গঁন্ধ পাঁও" জপ করে ভূতের গল্প শোনে, যৌবনে তারা শুঁড়িখানায় যেতে চায়, হরদম শুভ্র দেবের গলার ভীষণ নাঁকি নাঁকি গান শুনে আমোদিত হয় ,আর খানিক বয়স বাড়লে ভুঁড়ি গজায়।
"চন্দ্রবিন্দু"র প্রতি আমার গভীর ভালবাসাও সেই পিচ্চিবেলার বর্ণশিক্ষার প্রথম পাঠ থেকেই।মানুষ যে কারণে আইপড ভালবাসে, যে কারণে যুগে যুগে ভোক্সওয়াগন ভালবেসেছে , ঠিক সে কারণেই আমিও চন্দ্রবিন্দুকে আমার মন দিয়েছিলাম। আকারে ছোট, ভীষণ কিউট আর চাঁদ-তারাসদৃশ মুখশ্রীই কেবল নয় , অন্য আর কোন বর্ণটি আছে যাকে বাকি বর্ণেরা মিলে মাথায় তুলেও রাখে?
আসেন আড্ডা দেই
আমাদের অজুহাত ম্যাডামের কয়দিন ধরে মন উথাল পাথাল হয়ছে।আর এই জন্য নাকি ভুমিকম্পও হইলো।তাও তার মনের উথাল পাথাল কাটে নাই।প্রতিদিন এরে ওরে খুঁচাখুঁচি করবো পোস্ট দেন আড্ডা দিমু।কিন্তু নিজে যে কবে কলম ধরছে তার হিসাব নাই।
আমাদের কমেন্ট শিল্পীর সেই ১৯৫৩ সাল থেকে পোস্ট দিবেন বলে ওয়েট করায়তেছে।ওয়েট আর শেষ হচ্ছে ্না।কবে যে শেষ হবে আল্লাহ মালুম।
আমার মুরুব্বীরেও কয়দিন দেখি না।বুইড়া কালে পড়াশুনা নিয়া বিরাট বিজি হয়ছে মনে হয়।
আর কথা না ৫০ শব্দ মনে হয় পার হয়ছে।আসেন আড্ডা দেই।
চিকলী নদী তীরে গোধূলী বেলায়।
চিকলীর পথে।
চিকলীর পূর্বের আকাশ।
চিকলীর পশ্চীম আকাশ।
শ্যামলে শ্যামল গাছ।
একি অপরূপ সৃষ্টি।
এবারে প্রান্তরে প্রান্তরে হারিয়ে যাবার পালা।

প্রবাসের জীবন চিত্র
একাকী প্রতিদিন নির্ঘুম রাত কাটাই
দেশ-মাতা তোমায় হৃদয়ে রেখে,সেকেন্ড,মিনিট
ঘন্টা,দিন মাস বছর।একের পর এক।
বিশাল অট্রালিকায় করি বসবাস,পাচতারা হোটেলে
খাবার খাই,ফাস্টফুড,রসালো-বিদেশী চটকদার রান্না
। কই মাছের ঝোল আর হেলেঞ্চা শাকের স্বাদ
জিভে জল আনে ,তাই বিস্বাদ লাগে এখানে সব।
ব্যাস্ততা আর কোলাহল নিংড়ে ফেলে জীবনের সব ।
আম্রকাননের শীতল পবনের লোভ জাগে।
নাগরিক কোলাহলে পথ হারাই রাতের পর রাত।
হুট করে ঘুম ভেঙ্গে যায় , মনে পড়ে
মা তোমার স্নেহ মাখা সেই মমতার মুখ।
ভুলে থাকতে তোমায় আবার বীয়ারের পেগে
নিজেকে লুকাতে চাই একের পর এক ।রাত শেষে
ভোরের আহবান , নেই পাখির কিচির মিচির
নেই শিশির ভেজা ঘাসের চাদর । ব্যাস্ত আমি
ছুটে চলি । প্রবাস জীবনের ব্যাস্ত কোলাহল আর
চক বাঁধা জীবনের গণ্ডিতে । দিনের পর দিন
মাসের পর মাস, বছরের পর বছর
প্রবাসের জীবন চিত্র
প্রবাসের জীবন চিত্র
তৌহিদ উল্লাহ শাকিল
একাকী প্রতিদিন নির্ঘুম রাত কাটাই
দেশ-মাতা তোমায় হৃদয়ে রেখে,সেকেন্ড,মিনিট
ঘন্টা,দিন মাস বছর।একের পর এক।
বিশাল অট্রালিকায় করি বসবাস,পাচতারা হোটেলে
খাবার খাই,ফাস্টফুড,রসালো-বিদেশী চটকদার রান্না
। কই মাছের ঝোল আর হেলেঞ্চা শাকের স্বাদ
জিভে জল আনে ,তাই বিস্বাদ লাগে এখানে সব।
ব্যাস্ততা আর কোলাহল নিংড়ে ফেলে জীবনের সব ।
আম্রকাননের শীতল পবনের লোভ জাগে।
নাগরিক কোলাহলে পথ হারাই রাতের পর রাত।
হুট করে ঘুম ভেঙ্গে যায় , মনে পড়ে
মা তোমার স্নেহ মাখা সেই মমতার মুখ।
ভুলে থাকতে তোমায় আবার বীয়ারের পেগে
নিজেকে লুকাতে চাই একের পর এক ।রাত শেষে
ভোরের আহবান , নেই পাখির কিচির মিচির
নেই শিশির ভেজা ঘাসের চাদর । ব্যাস্ত আমি
ছুটে চলি । প্রবাস জীবনের ব্যাস্ত কোলাহল আর
চক বাঁধা জীবনের গণ্ডিতে । দিনের পর দিন
ফাও প্যাচাল
পড়াশোনায় মন বসাতে পারি না ইদানিং , পারি না মানে একদমই না। ভার্সিটিতে বিশাল রিসার্চ বিল্ডিংয়ের উদ্বোধন হয়েছে জানুয়ারীতে। সেখানে নিজের একটা অফিসরুমও বরাদ্দ পেয়েছি, কিন্তু আসা হয় না এই রুমে।ধুলোর স্তর জমে যেত বাংলাদেশ হলে, এখানে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা মাঝের ৬ টি মাস রুম খুলে পরিচ্ছন্ন করে গেছে বলে আগের মত তকতকেই রয়ে গেছে । দিন দুয়েক আগে সিদ্ধান্ত নিলাম সকাল সকাল রুমে চলে আসব । আসার পর ভালই লাগছে , একটা দেয়ালের পুরোটা কাঁচের , সেখান থেকে শহরের অনেকটা অংশ দেখা যায় । খানিক দূরেই বিশ্বের সবচেয়ে বড় ঢেকে রাখা স্টেডিয়াম। এসব দেখে আগডুম বাগডুম করে দু'দিন সন্ধ্যা হয়ে এল। পড়াশোনা জিনিসটা আর হবে কিনা কোনদিন কে জানে
আমার আর কিচ্ছু করার নেই :)
অনেক দিন পোস্ট দেয়া হয় না... কি লিখবো ভেবেই পাই না... অথবা ভাবার সময় পাচ্ছিনা জীবিকার যাতাকলে পিস্ট যাপিত জীবনে... তাই হয়তো মুচকি হাসে জীবন... মাঝে মাঝে মনে হয় ও গান ওয়ালা.. আরেকটা গান গাও... আমার আর কোথাও যা্ওয়ার নেই... কিচ্ছু করার নেই...
কখনো সময় আসে জীবন মুচকি হাসে
ঠিক যেন পড়ে পাওয়া চৌদ্দ আনা
অনেক দিনের পর মিলে যাবে অবসর
আশা রাখি পেয়ে যাব বাকি দু'আনা
আশা নিয়ে ঘর করি আশায় পকেট ভরি
পড়ে গেছে কোন ফাঁকে চেনা আধুলি
হিসেব মেলানো ভার আয় ব্যয় একাকার
চলে গেল সারাদিন এলো গোধূলি
সন্ধ্যে নেবে লুটে অনেকটা চেটেপুটে
অন্ধকারের তবু আছে সীমানা
সীমানা পেরোতে চাই জীবনের গান গাই
আশা রাখি পেয়ে যাব বাকি দু'আনা
প্রকম্পিত ভূমি।
দেড়শ বছরের পুরনো বাসভবনের দ্বিতল এর এক প্রান্তে বসে প্রথম আলো পত্রিকায় চোখ বুলাচ্ছিলাম। পত্রিকার একটি পাতা উড়ে খাটের ঐ পাশে পরেছে। সেটা নেবার জন্য উপুর হচ্ছি আর মনে মনে ভাবছি বাচ্চা দুটি তো পাশের ঘরে টিভি নিয়ে ব্যাস্ত। তবে কে এই প্রকান্ড অট্টালিকা কাঁপিয়ে কাঠের সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠছে। উপুর হবার সাথে সাথেই কি যে হলো, পিছনের এক অদৃশ্য ধাক্কায় মাথা যেয়ে আঘাত করলো দেয়ালে। ঊঃ বলার ও সুজোগ পেলাম না। তার আগেই বুঝলাম ভূমিকম্প হচ্ছে।
জানু খবর শুনছিল। এই সময় পৃথিবী উড়ে গেলেও তার টের পাবার কথা না। এই ধারনা ভুল প্রমানিত করে 'ভূমিকম্প ভূমিকম্প' চিৎকার করতে করতে ছোট দুইটা বাচ্চাকে চিৎকার করে বাইরে যেতে বলে নিজেও দৌড়।
মেঘবন্দী (১০) ... হে বৃষ্টি / কামরুল হাসান রাজন
হে বৃষ্টি
কামরুল হাসান রাজন
হে বৃষ্টি
তুমি অধির হয়ে নেমে এসো
মর্ত্যমান পৃথিবীর বুকে
যেমন করে
কোজাগরী পূর্নিমায়
ধেয়ে আসে চাঁদের আলো
যে অসম্ভব দ্রুততায়
ঐ লঞ্চ যাত্রীর
ছোট্ট ফুসফুসে
ঢুকে পড়ে মেঘনার নোনা জল
তেমনি করে
নেমে এসো
মর্ত্যমান পৃথিবীর বুকে
যেন তুমি এক দুরন্ত প্রেমিক
ছুটে চলছ ক্ষণিকের গোপন অভিসারে
যেখানে আধঘন্টা কিংবা আরো অনেকক্ষণ ধরে
অপেক্ষমাণ তোমার প্রিয়তমা
আবার
যেমন করে
ধীরে ধীরে
সরকারি অফিসের নবীন কর্মচারী
ঘুষ খেতে শেখে
ঠিক
তেমনি করে
মর্ত্যমান পৃথিবীর বুকে নেমে এসো
যেমন করে
হতাশা
রাতদিন চব্বিশ ঘন্টা কর্তব্যরত
ব্যর্থ কবির স্নায়ুতন্ত্রকে গ্রাস করে
তেমনি ধীর লয়ে
এসো নেমে এই মর্ত্যমান পৃথিবীর বুকে
নাকি আজ তুমিও
সাহিত্য সম্পাদকের ভূমিকায় অবতীর্ণ
জীবনের সবচাইতে বড় অভিজ্ঞতা Anyone can ever have...
ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি রাত ২.১০। ঘুম ভাঙ্গলো সুরেলা পাখির গানে। আমার বিছানার পাশের ছাদ ছোয়া স্লাইডিং গ্লাস ছারাও বাড়ির আর সব জানালা বন্ধ তবু এত জোরে পাখির গান শোনা যাচ্ছে যে আমার ঘুম ভেঙ্গে গেছে। মনে মনে ভাবালাম পাখিটা বোধহয় আমাদের বেডরুমের ব্যালকনিতে বসে। ত্বারস্বরে গান করে যাচ্ছে, সুরটা যদিও চমৎকার ছিল তবু রাত ২ টায় গান যত সুমধুরই হোকনা কেন ঘুম ভাঙ্গিয়ে তা শোনালে মেজাজ ভাল থাকবার কথা নয়। জানি এর পরে ২/৩ ঘন্টা আমার আর ঘুম হবে না। ফোন হাতে নিয়ে দেখি শ্রাবনের ভয়েস মেসেজ। সকালে ফোন করব বলে মেসেজ দিয়ে ঘুমানোর চেস্টা চালালাম। কিন্তু এত বড় গানের শব্দে তা সম্ভব হচ্ছে না, পরের চার ঘন্টা জেগে কাটিয়ে সকালের দিকে একটু করে ঘুমিয়ে পরলাম।
বিকশিত আঁধার
: কেনো তুমি তার সাথে?
: তুমি ছিলে না আজ সপ্তাহ দুই।
: তাই বলে ওর সাথে বিছানায় যেতে হবে।
: দেখো, আমার শরীরের চাহিদা আছে, মনেরও আকাঙ্খা আছে।
: দু'টো সপ্তাহই মাত্র। জানো, আমি ফিরে আসছি।
: আমার ওকে ভাল লাগতো। খুবই কিউট।
: আমার চাইতেও বেশি?
: কারো সাথে আমি কারো তুলনা করি না। ওরে আদর দিতে চেয়েছিলাম, পেতেও। কেমন ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকে। আমি তো আরেকটু প্রেমময় হয়ে উঠতে পারি! সে প্রেমে তোমাকেও তো ভেজাতে পারি।
: কি বলছো তুমি? আমাকে ভেজাবে তোমাদের প্রেমে?
: আহ্। ওভাবে দেখছো কেন? আমাদের প্রেমে নয়। আমার প্রেমময়তায়। জানো, ওকে ভালবাসা দিয়ে, ওর ভালবাসা আদায় করে নিয়ে, আমার প্রেমরসের বর্ধিষ্ণু তোমাকে ঢেলে দিতে চাই। তুমি আমার কাছের। তুমিও তাতে পূর্ণ হয়ে উঠো। তোমার শুষ্কতা আমার কাম্য নয়।
: আভিলা, এতবড় অসন্মান করলে তুমি আমাকে! এত দীন-হীন ভেবেছো আমায়! এত বড় অপমান!
ষ্টেশন মাস্টারের গল্প

ষ্টেশন মাস্টারের গল্প
তৌহিদ উল্লাহ শাকিল
এক
লাকসাম রেলওয়ে জংশান।বিশাল এলাকা । অনেক রেল লাইন । চারদিকে রেলের রাস্তা। আখাউড়া , ঢাকা থেকে সব ট্রেন এক রাস্তা দিয়ে প্রবেশ করে ষ্টেশনে । এরপর ভাগ হয়ে যায় সেখান থেকে তিনটি লাইনে। একটি লাইন চলে গেছে চট্রগ্রামের দিকে , অন্যটি নোয়াখালীর দিকে আর বাকি'টি চাঁদপুর অভিমুখে। সবসময় কোলাহল লেগেই আছে ষ্টেশনের মাঝে। নিয়মিত বিরতিতে একটার পর একটা ট্রেন আসছে আর ছুটে যায় তার গন্তব্য অভিমুখে।কত রকমের মানুষ ষ্টেশনে থাকে তার হিসেব নাই । অনেক হকার , ফকির, ছদ্দবেশী পুলিশের লোক এবং নানামুখী যাত্রী তো আছেই। সেই সাথে এই ষ্টেশনে অনেক দিন যাবত আছে নুরু পাগলা।
চিত্রার পারে লাল পিঁপড়ার হস্তী দর্শন !
''বাবার দেশের মাটি ,
দাবদাবায়া হাঁটি !''
এই আত্মপ্রসাদ নিয়ে এখনো বাবার দেশেই আছেন উকিল শশীকান্ত সেনগুপ্ত । কিন্তু ততোদিনে বাংলা হয়েছে দ্বি-খণ্ডিত । ধর্মের ভিত্তিতে দেশভাগ হল । কেউই জানলো না ,বুঝলো না কি থেকে কী হয়ে গেল ! দুই নেতা বৈঠক করে দেশটাকে ভাগাভাগি করে নিলেন । একটা হল পাকিস্তানের অংশ আরেকটা ভারতের । এই পূর্ব-পাকিস্তানের অর্থাৎ আজকের বাংলাদেশের চিত্রা পারের নড়াইলের বাসিন্দা শশীকান্ত সেনগুপ্ত । ১৯৪৭ এর দেশভাগের ফলে শশীকান্তের গ্রামের অধিকাংশ হিন্দুরা ভয়ে আতঙ্কে দেশ ছেড়ে পালাতে লাগলো । শশীকান্ত অনড় । তাঁর এককথা
... এই চিত্রা নদী ছেড়ে স্বর্গেও সুখ নাই !

যোগ্য ছেলে সোহেল তাজ
প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজ
মন্ত্রিসভায় নেইকো আজ
যোগ্য বাপের যোগ্য ছেলে
বড় গলায় সবাই বলে।
গেলেন তিনি ছুটিতে
কলঙ্ক দিয়ে কার টুঁটিতে
সবার জানা সে কথা
বলতে মানা অযথা।
পদটি ছিল স্বরাষ্ট্র
রর্য্যাব র্পুলিশের কারবার
জনতার অভিযোগে
করেন তিনি দরবার।
যোগ্য বাপের উত্তরসূরি
নয়তো ধোঁকাবাজ
অযোগ্যদের তাড়নায়
পেলেন তিনি লাজ।
রর্য্যাব-পুলিশের ক্রসফায়ার
ভুল ধরেছেন সাম হোয়ার
সত্য কথা বলতে মানা
ছিল না তো তার জানা।
খাঁটি কথা সহজভাবে
বলেন সোহেল তাজ
বিস্ময়ে ভাবেন উকিল
হলো এ কী কাজ।
মান-অভিমান নয়তো জেদে
রয়েই গেলেন দূরে
মন্ত্রিসভার কমলো সংখ্যা
এলেন না তিনি ফিরে।
সন্তানের গাএ মা'র বদদোয়া লাগা সংক্রান্ত মীমাংসার গল্প
শের-ই-খুদা হযরত আলী একবার ছেলেদের মজলিসে নিজের পেশীবহুল শরীর দেখে নিজেই মুগ্ধ হচ্ছিলেন। পুত্র ইমাম হোসেন বসে ছিলেন সেখানে। বললেন, আমার মা'র মনের পবিত্র রূপের কাছে এ সৌন্দর্য তুচ্ছ। আলী দৌড়ে স্ত্রী'র কাছে গেলেন। দেখাও সেই সৌন্দর্য। যা তুমি এমনকি লুকিয়ে রেখেছো নিজের স্বামীর কাছেও!
এতো শারীরিক কোনো সৌন্দর্য নয়, যে খালি চোখে দেখা যাবে। তোমায় সে রূপ কিভাবে দেখাই প্রিয়? শুধালেন বিবি ফাতিমা নিজেই। সঙ্গে হযরত আলীর স্ত্রী এ অভিশাপও দিয়ে বসলেন- যে গোপনে তাকে দেখেছে, সে যেন ভাতৃঘাতি যুদ্ধে জীবন হারায়।
আলী বললেন, অভিশাপ কাকে দিলে? এ তো তোমার নিজের ছেলে। আল্লাহর মর্জিতেই সে তোমার মনের পবিত্রতা সম্পর্কে জানে। বাতেনি মসজিদে* গিয়ে তোমার সেই রূপ দেখে এসেছে।