ইউজার লগইন
ব্লগ
একটা সিরিয়াস সাহিত্য আলোচনা
এটা একটা সাহিত্য আলোচনা পোস্ট। আমার হাতে একটি প্রকাশনা রয়েছে। একটি লিটল ম্যাগ। লিটল ম্যাগটি ঢাকার বাইরে থেকে প্রকাশিত। এটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশের আনাচে কানাচে নানা ধরণের প্রতিভা রয়েছে। সৃজনশীল কর্মকান্ডে নিয়োজিত মানুষের সংখ্যাও কম নয়। তাদের তুলে আনতে না পারলে দেশ আগাবে না। আমার মতো ক্ষুদ্র মানুষের এই প্রয়াস যদি দেশের সাহিত্যের মনোন্নয়নে কিছুটা অবদান রাখতে পারে তাহলেই এই প্রচেষ্টা স্বার্থক হবে।
১.

12 WAY TO EARN MONEY FROM ONLINE, PAYMENT GUARANTEED
ইহা অনস্বীকার্য যে, একবিংশ শতাব্দিতে ইন্টারনেট প্রযুক্তি মানুষের মনে এক নবচেতনার দ্ধার উম্মুক্ত করেছে, সভ্যতার ক্রমবিকাশে রয়েছে যেমন এর বিরাট ইতিবাচক ভূমিকা, রয়েছে কতিপয় নৈতিবাচক ভূমিকা, তবে সামগ্রিক বিচারে বিশ্বব্যপী এই প্রযুক্তির ইতিবাচক ভূমিকাই অগ্রগণ্য, বিশ্বব্যপী ইন্টারনেট প্রযুক্তির নৈতিবাচক প্রভাবের জন্য মানুষের বিকৃত চিনত্মাধারাই যে বিশেষভাবে দায়ী ইহা বলার আর অবকাশ নেই, পরিশুদ্ধ চিনত্মাধারার অসংখ্য মানুষ যেহেতু এর মাধ্যমে প্রতিনিয়ত বিভিন্নভাবে উপকৃত হচ্ছে তাই এর কল্যানকর দিকটিকে অস্বীকৃতি জানানোর কোন সুযোগ নেই৷ ইন্টারনেট প্রযুক্তি পিছিয়ে থাকা দেশগুলোতে বিনোদনের মত একটি বস্তু হলেও পশ্চিমা বিশ্বে শিল্পরূপে সমাদৃত, প্রতিবেশি দেশ ভারত, শৃলংকা এবং পাকিসত্মানেও ইন্টারনেট প্রযুক্তি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের প্রধান মাধ্যমরূপে পরিগনিত৷ ইন্টারনেট প্রযুক্তির সঠিক ইতিবাচক ব্যবহার দেশগুলোকে এগিয়ে
বিচ্ছিন্ন পংক্তিগুলো
বাতাসের দেওয়াল তৈরী হয় অগোছালো নদীতীরে
স্পর্শপাপ বাঁচিয়ে বেড়ে ওঠা ফুলেরা
এলোমেলো হয়।
অস্ফুট আবেগ এবং শরীরের গান মিলেমিশে একাকার
কুয়াশাঘোর মাখা চোখ জুড়ে ছেঁড়াখোঁড়া ছবি
একই নিঃশ্বাসে মিশে থাকা অনাকাংখিত উত্তাপ
আর, অতৃপ্তির ছোপছোপ দাগ।
শিরোনামহীন সম্পর্কের দায় জুড়ে থাকে বর্তমানের সবটা
দৃশ্যতঃ ঘোরাক্রান্ত হই নানাবিধ সম্পর্কে
ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে বাস্তবতা
ঘোর ঘোর ঘণঘোর...
________________________________________
ডিস্ক্লেইমার:- এই পঞ্চাশ শব্দের যন্ত্রণাটা বড়ই পেইনফুল 
সহজ পাঠ
(১)
জানি না।
জানলেও, মানি না
লাল, নীল, সবুজ যাই দেখি, মিশাই
সাদা আমার প্রিয়, সাদাতেই হারাই।
(২)
নিমন্ত্রণ পেয়েছিলাম একটা, একসময়
বন্ধ খামের গায়ে, ভুল অক্ষরে নাম আমার, বুঝিনি।
পাশাপাশি যিনি, ভুলের মাতমরত
তাকে দিয়ে বলেছিলাম, ‘আপনার জন্য”।
সেই শেষ, কিছু শুরুর আগেই।
(৩)
তোমাকে বলিনি কখনো ? লুকোচুরিতে আমার ভীষন ভয় !
এমনি এক কানামাছি খেলার ফাঁকে
হারিয়েছিলাম আমার শখের সোনালী ট্রয়।
(৪)
যতদূর যাও, থাক যেখানেই, যার কাছাকাছিই,
মনে রেখ, দুজনে বেশ পাশাপাশি, হেঁটে হেঁটে
রমনার এবাকে ওবাকে
বকুল কুড়িয়েছিলাম একদিন।
(৫)
যা লিখি, পাঠাই। নুপুর কিনেছি একটা জানাই
জানি, খুব যত্নে, গুছিয়ে,
প্রায় সবই একে একে সাজাও।
মাঝে মাঝেই এদিক সেদিক উলটে পালটে পড়,
চুল বাঁধ, ঠোঁট রাঙাও,
একটা সুদীর্ঘ চুম্বনের বিপরীত ক্রিয়া
শরীর খেয়ে হয়ে উঠেছো আমার নিরাপত্তা দেয়াল
পাসওয়ার্ডের প্রতিটা অক্ষরে এক একটা শেকল খন্ডে
ঝুলে থাকা
বেঁচে গেছো ভেবে কফের সমুদ্রে বেলচা ভরা
উড়াতে গেলে নিশ্বাস
তোমাকে আমার শরীরও মনে হয় না
দন্ডিত অ-নারী, অ-যোনী আর অক্ষত নাবালিকার
বিন্দু বিন্দু পলায়ন
হৃদয় খেয়ে হয়ে উঠেছো আমার ঝুঁকিপূর্ণ ভুমি
টালমাটাল স্পর্শে কেমন সন্দেহে বলো ভালোবাসি
দূরে থাকা
মরে গেছো ভেবে এমন কফিনে শেষ পেরেক ঠোকা
আটকে দিতে স্মৃতি
তোমাকে আমার কেবল হৃদয়হীন মনে হয়
বিরলপ্রজন্মা নারী, যোনীময়, প্রেমময়
আকড়ে ধরি
র্যাব কি নিজেরাই বিচার শুরু করে দিল? এ তো ভয়াবহ অবস্থা.....
শুরুতেই একটা গল্প তৈরি করি...
রাত প্রায় ১২টা... রহিম দ্রুত পা চালাচ্ছে... জায়গাটা ভাল না... প্রায়ই ছিনতাই হয়... কয়েকদিন আগেও রহিমের মোবাইলটা নিয়ে গেছে... বৈষয়িক কারণেই রহিম এখনো একটা মোবাইল কিনতে পারে নাই... ভুশ্ করে একটা কালো গাড়ি তাকে অতিক্রম করে চলে গেল.. রহীম নিশ্চিত হলো যে এখন আর কোন ভয় নেই... মানুষ ভাবে এক আর হয় আরেক... কালো গাড়িটা কিছুদুর গিয়েই আবার ফেরত এসে থামল রহীমের কাছে... ৪/৫ জন কালো পোষাক পড়া লোক আগ্নেয়াস্ত্র উচিয়ে তাকে গাড়িতে তুলে নিয়ে গেল...
একটা রপ্তানীমুখি পোশাক কারখানায় রহিম লাইন সুপারভাইজার হিসেবে কর্মরত ছিল। ওইদিন শিপমেন্টের কারণে প্রচণ্ড কাজ থাকায় রহিমের গার্মেন্টস থেকে ফিরতে প্রায় মাঝ রাত। গাজীপুর মেইনরোডের উপরেই গার্মেন্টস। প্রায় দুই কিলোমিটার ভেতরে রহিম থাকে। প্রতিদিন হেঁটে হেঁটেই তারা যাতায়াত।
'বান' নেমেছে জীবনে
বান নেমেছে জীবনে
সন্ধ্যার আকাশে লাল রক্তিম আভা
আলো ছায়ার অন্যরকম মায়া।
নদীর কুলে কাশ বনে কাশফুলের মেলা,
ডিঙ্গী আর কোষা নৌকায় মাঝিদের হাঁকডাক।
দীঘল কাল কেশে ঢেউ খেলে নদীর মত
নীড়ে ফেরা পাখির দল থমকে যায়
তোমার হাসির শব্দে ,ঝর্না ভেবে ভুল করে।
লাজুকতা নিয়ে পাশাপাশি বসে থাক
সৌন্দর্যের এক অনন্য মূর্তি হয়ে ।
তোমার চোখে চোখ রেখে খুঁজে পেতে চাই
জীবনের সুখ প্রতি দিন ।
হায়রে নিয়তি , সব কেড়ে নিলে
বানের জলে ,ঘর-বাড়ী আর ফসলের মাঠ ।
কোথায় পাব ঠাই , স্বার্থপরে ঘেরা এই ধরা'য়
পরিশেষে ছুটে যাই তোমার পানে ।
ওমা একি হল তোমার , পড়নে লাল শাড়ী
হাতে কাঁচের চুড়ি , গলায় মুক্তার মালা।
এখানে ও বুঝি বান নেমেছে
নিঃস্ব করে দিয়ে আমায় নামায় পথের প'রে ।
বান নেমেছে জীবনে আমার এখানে সেখানে
বানের স্রোতে ভাসছি আমি ,জীবন পারাবারে।
শিরোনামহীন ৬
খুব অস্থির একটা সময় যাচ্ছে , ডিজুস অস্থির না সময়ের অস্থিরতা । রোবোটিক জীবনে মন বলে যেটুকু অবশিষ্ট আছে তাও কেমন জানি থমকে আছে। নিজের সম্পর্কে আমি একটা কথাই মনে করি '' উদ্দেশ্যহীন পথচলা , যেন পানিতে ভেসে থাকা খড়কুটো '' । এতো দিন মনে হয় পঁচা বুড়িগঙ্গায় নাক বন্ধ করে ভেসেছি আর ধীরে ধীরে পথ চলেছি আর এখন মনে হচ্ছে সমুদ্রে আছি তবে ভেসে নয় হাবুডুবু অবস্থায়।
অনেকদিন পর আসলাম এবিতে । ভালো আছেন সবাই???? উপরে লেখা প্যারাটা আসলেই এখনকার আমি। কোনো দিক পাচ্ছি না।
শীত চলে আসছে , সবুজের পাহাড় হয়ে যাচ্ছে অন্তঃসার শূণ্য।
পুরানো শখের নতুন একটা ক্যামেরা কিনলাম কিন্তু তারপর থেকেই লন্ডনের মন খারাপ হয়ে গেছে , সারাদিন শুধু কান্দে। যাও একটু হাসে তাও পাইনা কোনো জীবন্ত সঙ্গী।
কি লিখবো , লিখছি ?? কি জানি !!
পেচ্ছাপেচ্ছি্ আবারও
১.
আমাদের সবচেয়ে পছন্দের কাজ আড্ডা। কিন্তু মেসবাহ ভাই ঐতিহাসিক ল্যাব এইড ছেড়ে দেওয়ার পর আমরা আড্ডার সংকটে ভুগছি। আড্ডার নতুন জায়গা বের করার জন্য একটি কমিটি করা হয়েছে। কমিটির কাজ আড্ডার জায়গা খুঁজে বের করা। এরই মধ্যে কমিটি কাজ শুরু করে দিয়েছে।
একদিন কমিটি গেল নিকেতনে। মৌসুম থাকে বিরাট এক বাড়ি নিয়ে। ফুটবল খেলাও সম্ভব। সমস্যা একটাই। একটু দূরে। মৌসুমরে একটা অনুরোধ। বাসাটা একটা এদিকে আনা যায় কী না ভেবে দেখতে পারেন। আপনে না লক্ষী। 
আরেকটা জায়গা দেখতে গেলাম গত বৃহস্পতিবার। শ্যামলী, টুটুলের বাসায়। এইটাও মন্দ না। যাওয়ার সময় টুটুলদের বাসার জন্য আইসক্রিম নিয়ে সেই আইসক্রিম নিজেরাই খেয়ে শেষ করা যায়। নাজ না থাকলেও যাওয়া যায় কীনা সেটা পরীক্ষা করে আসলাম। এখন টুটুল না থাকলেও যাওয়া যায় কী না পরীক্ষা করে দেখতে হবে। 
ফতোয়াবাজ...

যুগের বিবর্তনের বাধা-ধরা নিয়মে---
কিংবা সভ্যতার আত্যাগ্রহ আমন্ত্রণের বানীতে---
অবহেলিত আদম-সমাজের চরম ক্লান্তির শেষ-লগ্নে---
তুমি এলে মুক্তির মিছিলের পিছে পিছে---
নষ্ট-পচা গলিতো মূল্যবোধের ক্ষতে হতে---
কালিমায় লিপ্ত ধ্যান-ধারণায় করে---
স্বার্থের বিষাক্ত ছোবলে---
সমাজের চরিত্রে মানবের কলুষতার আবরণে!!!
ধর্মের চৌহদ্দিরের ম্লান কদর্যের ঘায়ে---
শান্তির সূর্যের তরী ডুবায়ে---
অবিশ্রান্ত ডুবুরীর মতো তোলো দুঃস্বপ্নের প্রবাল যত।।।।।।
যুগের ঋষিদের তরে খড়্গ নেড়ে নেড়ে---
নির্ভীক সৈনিকের মতো---
মুক্তির অন্বেষায় সদা জাগ্রত ধর্ম-ভীরুর আলখাল্লা চিরে---
অর্বাচীনের মতো নিজের কথার ভীড়ে---
সরলাদের জীবন নিয়ে খেলো অবিরত!!!
মুখে সৌম্য ছায়া, তায় ঘিরে ওঠে গরল---
আড়ালে ’পরে রয় কপট-ভনিতা!!!
যুদ্ধাপরাধ ইস্যূ চিরতরে ধামাচাপা পড়ে যাওয়ার জন্য একটি ট্রাইব্যূনালের ব্যর্থতাই যথেষ্ট
যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ঘোষণা দেয়ার পর থেকেই একে বাধাগ্রস্থ করার চেষ্টা চালিয়েছে একটি পক্ষ। এক সময় দেশের সব রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহকে ‘যুদ্ধাপরাধ ইস্যূ বানচালের ষড়যন্ত্র’ হিসেবে ট্যাগিং করার একটা প্রবণতা তৈরি হয়েছিলো। তখন এই ট্যাগিং-এর সমালোচনা করেছিলেন অনেকেই। কিন্তু নিজেদের সব কাজের মাধ্যমে জামাত যে কেবলই যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকে বাধা দেয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে, সে দিকে কবে নজর দিয়েছে কে?
ডিজিটাল বিড়াল!
ডিজিটাল বাংলাদেশে
বিড়ালগুলো হায়!
মাছ-মাংস কাঁটা রেখে
দুধ নাহি খায়।
আদ্যিকালের বিড়ালেরা
দিব্যি মানতো পোষ
ডিজিটাল যুগে এসে
মাছ-মাংসে বেহুঁশ।
আরাম প্রিয় বিড়ালের
নেই তো এখন সুখ
মাছ-মাংসেই অভ্যস্ত
সেজেছে রাজপুত।
বিড়ালের গোঁফ-দাড়ি
এখন যেমন নেই
চুক চুক দুধের শব্দ
আছে শুধু পুরাণেই।
ডিজিটাল বিড়ালের
হলো কি যে দশা!
গেরস্তের ঘুম হারাম
নতুন এক হতাশা।
পাল্টে গেছে বিড়ালের
আসল চরিত্র
ফরমালিনের ভেজালে
বিপন্ন ধরিত্র।
গরুর খাঁটি দুধ এখন
গল্পেতে কেবল
দুধ প্রিয় বিড়াল তাই
খুঁজে ফেরে জল।
৩০.০৮.২০১১
আমার না লেখা গল্পের ডিসক্লেইমার
আগে একটা ব্লগে লিখেছিলাম আমি কাল্পনিক কিছুই লিখতে পারি না। এবি’তে আসার পর থেকে এত সুন্দর সুন্দর গল্প-কবিতা পড়ি আর ভাবি, আমি কেন লিখতে পারি না!!
তারপর ভাবলাম চেষ্টা করে দেখি। ভালো না হোক খারাপ হবে! কিন্তু কি যন্ত্রণা! একটা কিছু চিন্তা করে শুরু করি ঠিকই তারপর রাস্তাঘাট উল্টাপাল্টা করে কি অবস্থা। ব্যাপারটা অনেকটা দাঁড়ায় ধানমন্ডি থেকে মিরপুর যাবো বলে রওনা হই, একটু পর দেখি উত্তরায় চলে আসছি।
এরমধ্যে একদিন তাতা’পুর সাথে কথা হচ্ছে। তাতা’পু বলে নতুন কিছু লিখিস না কেন? বললাম লিখবো। ভূতের গল্প লিখবো ঠিক করছি। এবি’তে তো কেউ ভূতের গল্প লিখে না।
তাতা’পু হেসে বলল, দে তাড়াতাড়ি দে।
আমি ফান করে বললেও তাতা'পু তাড়া দিলো। কই তোর ভূতের গল্প??
তিনটা কবিতা...
পলায়ণ পর্ব
ছেলেটা শৈশবে সহজেই লুকিয়েছে
যেখানে-সেখানে
মায়ের আঁচল, চৌকির তলায়।
বালক বেলার সাথে শহরের পরিচয়
হলে; লুকোতে চাইলেই
শহরের আড়ালে চলে যেতো
ডুবন্ত সুর্যের সাথে
চোখেচোখে, গল্পে গল্পে সময় কাটাতে।
কখনোবা পথরেখা আঁকতে আঁকতে
পাল্টে দিতো শহরের পুরনো চেহারা,
শহরটার শরীরে যতো বাঁক, চড়াই-উৎড়াই,
রূপের তিলক...সবটার ঘ্রাণ নিতো
লুকিয়ে লুকিয়ে।
রোমাঞ্চিত, শিহরিত আর
অনিয়মের কৈশোর থিতু হলে
নানা রঙ – নানা ঘ্রাণ – নানা ঘোরে
ঘোরাঘুরি, ঘুড়ির মতোন
বাউলি কাটতে কাটতে
সুযোগ-সন্ধানী।
লুকোবার জন্য বেছে নিলো অরণ্য, পাহাড়,
সাগরের ঢেউ...
তাকে খুঁজতে গেলে
রহস্যের বেড়া এসে পথ আটকাতো।
তবু,
বয়সের সাথে কীযে হোলো!
ছেলেটা চাইলেই নিজেকে অদৃশ্য করে দেয়ার ক্ষমতা
হারিয়েছে, হারিয়েছে হারিয়ে যাবার
সাধ্য, মায়া জনিত বন্ধনে...
সারাজীবন লুকিয়ে থাকা
এখন এই সময়, আমি ও তোমরা
অনেকদিন আকাশ ছুঁইনা,
হাঁটি নিঃশব্দে ছায়ায়। লুকিয়ে যতটুকু শিকড় ছড়ানো যায়, ছড়াই,
বাধা এলে গুটিয়ে ফেলি গন্তব্য, একে বেঁকে এগলি ওগলি পেরিয়ে খুব সাবধানে ফিরে আসি।
কখনো বা কেউ কিংবা দুজনে বসে খুনসুটিরত, নির্লজ্জ ভারী শব্দ সকল,
কোন কোনদিন দিব্যি কাউকে বলতে শুনি নিষিদ্ধ আহবান,
জমে জমে নীলে ছেঁয়েছে জমিন, তাকাই না।
ক্ষয়ে যাওয়া মেরুদন্ড নিয়ে হামাগুড়িতেও বড় কষ্ট আজ
ছোবল হানতেও ভুলে গেছি অনেকদিন কিংবা
আমার থেকেও বিষধর যে জন তাকে খেলতে দেখতেই ভাল লাগে আজকাল।
জল, সবুজ ছাপিয়ে যে লাল ছড়ায় পশ্চিমে,
তার কাছাকাছি হলেও,ও পাশে থাকলেও,
মাথা নিচু, চুপ, কোন কবিতা পড়ি না ।
মাঝে মাঝে এসবেও বড় ক্লান্ত,
পথ চলতে, মাটি খুড়তে বড়ই অস্বস্তি হয়
পায়ের বুড়ো আঙ্গুলে তাকিয়ে থাকতে থাকতে মনে হয়,
বড্ড অচেনা কোন শ্বাপদের রক্তাক্ত নখর শান্ত কিছুটা,
স্থির সাময়িক
বড় কোন লক্ষ্যের জন্য।