ইউজার লগইন
ব্লগ
স্বচ্ছ জলের কোলাহল পেরিয়ে পূর্বমুখী যাত্রাপথে
পূর্ব ঘটনা...... এক............দুই...........তিন
চার.
দেরী হয়ে গেছে অনেক। কুঁড়েতে গিয়ে ব্যাগটা নিয়ে আসতে অনেক সময় লেগে গেল। এক মাইল হাঁটতে এক ঘন্টা লাগে এখানে। তাড়াতাড়ি দাঁড় বাইতে শুরু করলো ধনু। বিকেলের হিম শীতল হাওয়া দিতে শুরু করেছে। সূর্যকে পেছনে রেখে নৌকা এগিয়ে চললো সামনে। আমি ছইয়ের নীচে হেলান দিয়ে ফোকর দিয়ে আকাশ দেখছি। আকাশের এই নীলটা শুধু এখানে না, সারা পৃথিবীতেই আছে। কিন্তু শংখ নদী ছাড়া দেশের অন্য কোন নদীতে এই নীলের এতটা স্ফটিকস্বচ্ছ বিচ্ছুরণ দেখিনি। পাহাড় চুড়া থেকে থেকে নদীটা দেখে মনে হয় সবুজ পাহাড়ের মাঝখানে কেউ আঁকাবাঁকা নীল আঁচল বিছিয়ে দিয়েছে।
শূন্য
খুব একা লাগে, শূন্যতায় ভরে যায় পৃথিবী
আমি ছুটে চলি আমার প্রার্থিত গন্তব্য ফেলে
জীবনের রাস্তায় কত গলি পথ, কত বাঁক পেরিয়ে
আমি বুঝতে পারি না কিভাবে বিবর্ণ হয়ে যায় জীবন ।
হয়তোবা প্রতিটি গলি আর বাঁকের বর্ননা করতে পারি,
পারি হৃদয়ে হীম শীতল স্রোতের অনুভূতি নিতে
সংজ্ঞাহীন একটা কিছু বেরিয়ে আসতে চায় ভেতর থেকে,
সামনে উপস্থিত প্রশ্ন বোধক চিহ্নটা সরাতে পারি না,
পরাজিত মানুষের কোন শক্তি থাকে না,
আমি আজ তাই, শূন্যে দাঁড়িয়ে থাকা তথা কথিত কেউ ।
অশ্রুহীন দু চোখে ক্লান্তির আঁধার নেমে আসে
মস্তিষ্কের তপ্ত চিন্তাগুলো বাড়িয়ে চলে শূন্যতা,
হৃদয়ের দু কূল ছাপানো হীম শীতল স্রোতে আমি ভেসে যাই।
আর কোমল কন্ঠের কবিতা শান্তি বিলাতে আসবেনা,
দেখা হবেনা এলোকেশী প্রতিমার মুখোবিম্ব
অর্জিত কোন প্রলম্বিত যন্ত্রনায় ডুবে যাবো আমি,
প্রত্যাবর্তনের পূর্বে বার বার ফিরে দেখার সাধে বিভোর থেকে।
তখন আমার বুকের রক্ত জমে যায়
একটি প্রথম দিন সম্পর্কে যদি কেউ আমাকে বলতে বলে তাহলে আমি তৃষার সঙ্গে প্রথমবার দেখা হওয়ার কথা বলবো। আমি দেখলাম আমার সামনের টেবিলে আগুনের মতো একটা মেয়ে এসে বসেছে। পেছনে বসার কারণে শুধু পিঠ, হাত আর ঘাড় দেখতে পাচ্ছিলাম। অবাক হয়ে খেয়াল করলাম সেগুলোও কথা বলে।
ক্লাস শেষ হওয়ার পর যেটা একটা ইনট্রোডাকটরী ক্লাস ছিলো ফার্স্ট ইয়ারের, আমি ওকে সামনা-সামনি দেখলাম। স্টাক শব্দটার বাংলা বোধহয় তব্দা খাওয়া হবে, পুরোপুরি দুইটা তব্দা খাইলাম। একটা খাইলাম, মনীষা কৈরালার মতো সামনের দুইটা দাত একটার ওপর একটা ওভারল্যাপ করেছে দেখে। হাসলে ঝর ঝর করে মুক্তো পড়ে। আরেকেটা তব্দা খাইলাম মেয়েটা সারাক্ষণ হাসছে, এটা দেখে।
সাধারণ কমলা বনাম কিনু কমলা
পরপর দুইদুই বার ধরা খেয়ে তবে এখন অভিজ্ঞ হয়েছি কিনু (কিংবা কেনু) বিষয়ে। কি লজ্জা! শাশুড়ি দেখেই চিনে ফেললেন। বললেন , মামুন এটাতো কমলা না এটা কেনু?
এখন আমি দেখলেই চিনি। চেনা আসলেই খুব সহজ, কিন্তু জানতে তো হবে। কয়জনা আমরা জানি!
না , কেনু প্রজাতির ফলটি খেতে কোন দোষ নেই। পুষ্টি গুনও কম না। একটু টক টক এই যা। আমার মত যারা টক পছন্দ করেন তাদের কাছে বরং ভালোই লাগবে। কিন্তু প্রকৃত পক্ষে আমাদের চিরপরিচিত কমলার স্বাদ ও গন্ধ কোনটাই কেনুর মধ্যে নেই।
ধরা খাবার পর থেকে ফলের দোকানে গিয়ে যে চকচকে সুন্দর বড় বড় আকারের গোটা গোটা কমলা দৃষ্টি আকর্ষন করে সেটাকে কেনু বলা হয়, এই জ্ঞান আহরণ করায় ফল বিক্রেতাকে বলি , এটাতো কেনু, কত করে?
কোনো ভিনগ্রহ
ছুটছি তো ছুটছি আমি অবিরাম
এ ছোটার নেই কোনো শেষ --
পেছনে ফেলে যাচ্ছি একে একে পথ
বাঁকের পর বাঁক
যেনো ট্রেন থেকে দেখা চলন্ত পরিবেশ;
পেছনে ছুটছে গাছপালা নদী পাখি
হারিয়ে যাচ্ছে দৃশ্যাবলী বাড়িঘর সব
হঠাৎ দেখি উধাও হয়ে যাচ্ছে
আমার চিরচেনা প্রিয় বাংলাদেশ!
একি কোনো নতুন ভূখন্ড আবার
নাকি ভিনগ্রহ অচেনা জগত?
যেদিকে তাকাই ঝাঁকঝাঁক শকুন চিল
ছিঁড়েছূঁড়ে খাচ্ছে সোল্লাসে
ফুলেল শিশুর পেলব শরীর।
কারা যেনো কামড়াচ্ছে জীবন্ত লাশ
তানিয়ার শরীরও খুবলে নিচ্ছে অদ্ভুত জীব!
হায়, এখানে বসন্ত নেই কলগুঞ্জন নেই
বয়ে চলেছে কোথাও কোথাও অশ্রনহর!!
দেখে তাই শিউরে উঠি, দেই পেছনছুট----
ছুটতে ছুটতে কবে পার হলো তিনযুগ
এখন খুঁজেও পাইনা আমার সেই সবুজ বাসর
একি মধ্যযুগ, এরা কি তবে ইয়াজুজ-মাজুজ?
সোহেল ভাই------------
মজনু ভাইয়ের চায়ের দোকানের সামনে অনেক দিন পর আজকে সবাই এসেছে, অবশ্য ফুল হাউস বলা যাবে না ফারুক আর নান্নু এখনও এসে পৌঁছায় নি, তবে সবারই আজকে আসবার কথা। কোনো উপলক্ষ্য নেই কিন্তু অনেক দিনের অদর্শণে সবার ভেতরেই একটা দুরত্ব তৈরি হয়েছে, সেই দুরত্ব ঘোচানোর একটা উপলক্ষ্য সোহেল ভাইয়ের নতুন চাকুরি, সোহেল ভাই অবশেষে বিসিএস পোষ্টিং পেয়েছে, সুদুর মাগুড়ায়, যদিও মাগুড়ায় সোহেল ভাইয়ের কোনো জ্ঞাতিগুষ্ঠি নেই, কিন্তু এবার বিসিএসে কোটায় মাগুড়ার চাকুরির পরিমাণ বেশী ছিলো, সে কারণেই সোহেল ভাই নিজের স্থায়ী ঠিকানা দিয়েছিলেন মাগুড়ার মুন্সী পাড়া। সোহেল ভাইয়ের ভালো পরীক্ষা না কি জেলা কোটায় কোন কারণে এটা সম্ভব হলো বলা কঠিন কিন্তু অবশেষে মাগুড়ায় সোহেল ভাইয়ের পোষ্টির হয়েছে, এসি(ল্যান্ড)। সোহেল ভাই উৎফুল্ল, এত দিনের প্রচেষ্টা সফল হয়েছে। মজনু ভাইও বেশ আনন্দিত, আমাদের সবাইকে অনেক দিন পর একসাথে দেখে।
কারখানা...(পাঁচ)
বারিস্তার কাঁচ ঘেরা লাউঞ্জে বসে সাদ অপেক্ষা করে নিরুপমার জন্য। তখন সন্ধ্যা প্রায় সমাগত। ক্যাফে’তে লোকজনের উপস্থিতি ধীরে ধীরে বাড়ছে। বাইরে হালকা বৃষ্টি ঝরছে। সাদ কাঁচের দেয়ালে চোখ রেখে জলের গড়িয়ে পড়া দেখে। গ্রাফিতি’র উপর দিয়ে গেলে জলেরা যেনো অন্যরকম মুখোশ পরে। সাদ অপেক্ষা করে। তার পকেটে হোমিওপ্যাথির শিশি বোতলে ১৫০ গ্রাম থ্যালামিয়া লিকুইড। স্বাদ আর গন্ধহীন থ্যালামিয়া মানুষের রক্তের সাথে মিশে যেতে খানিকটা সময় নেয়। তাই সাথে সাথে অচেতন হওয়ার ঝুঁকিটা নেই। ধীরে ধীরে হয়তো শরীর বিবমিষা বোধ করবে, মাথা ঘুরবে, খাবারে অনীহা দেখা দেবে। তারপর সেই একই প্রতিক্রিয়া, কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট। মৃত্যু ঘটবে হঠাৎ করেই।
আমার প্রথম বই।

গল্প লিখছিলাম মনে মনে। ভাবছিলাম লেখব কি না। মনে মনেই গল্প জমাই না হয়। কিন্তু লেইখা ফেললাম। ব্লগ থাকায় সুবিধা বেশি হল। একই সাথে লেখা আর মতামত জমাইতে থাকলাম। ভাবতে থাকলাম। সমসাময়িক গল্প-উপন্যাস পড়তে থাকলাম। সময়রে বুঝতে থাকলাম। এই করতে করতে আইজ আমার বই প্রকাশের সংবাদ আপনাদের সাথে শেয়ার করতে পারতেছি। বইয়ের ফ্ল্যাপ লিখছেন রুবাইয়াৎ আহমেদ।
---
প্রেম সাতবারই এসেছিল জীবনে- ১
রাজ্জাকের জীবনটাকে বর্ণাঢ্য বলাই যায়। এ পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ প্রেম হয়েছে ৭টা। অর্ধাঙ্গ, সিকি-অঙ্গ অনেক। সেগুলো গণনার বাইরে। বেঁচে থাকলে ১৪টা পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রেম হবে আশা করা যায়। রাজ্জাক নিঃসন্দেহে একদিন হোমো এরশাদকে ছাড়িয়ে যেতে পারবে।
তো আসুন, ৭ পর্বের প্রথম পর্বটা দেখে নিই।
ববিতা রাজ্জাকদের বাড়িতে আসত আত্মীয়তার সূত্রে। রাজের চোখ পড়ল ববির ওপর। যদিও ববি বছর দুয়েকের বড়ই হবে রাজের চেয়ে। তার ওপর মেয়েটা মারাত্মক দেমাগি। রাজ ঘুরঘুর করে। ববি পাত্তা দেয় না। এভাবে প্রতিবারই রাজের বুক খান খান করে দিয়ে ববি চলে যায়। মেওয়া ফলানোর জন্য রাজ সবুর করে। সবুর করে করে ফন্দি আঁটে।
একদিন মেয়েটা চলে যাবার পর রাজ সোজা গিয়ে হাজির হয় মেয়েটার বাড়ি। বাড়িতে শত্রু এলেও ভদ্রতা করা লাগে। ববি তাই রাজকে বসতে বলে। কথা বলতে চায়। কিন্তু আজ ঘটনা উল্টো। রাজ কথা বলে না। ববি অনুরোধ করে- কী হলো বসুন না, কী খবর বলুন?
দূরে কোথাও আছি বসে
কোন একসময় ভাবতাম, কবে বড় হবো?পড়াশোনা করতে হবে না,বাবা-মায়ের কড়া শাসন থাকবে না, ইচ্ছেমতো ঘুরে বেড়াবো,প্রজাপতির মতো পাখা মেলে উড়বো।মনের ক্যানভাসে যত রং আছে, সব রং মেখে নিজেকে রাঙাবো।বড় হতে হতে বাবা-মায়ের সেই কড়া শাসন হারাতে গিয়ে টের পেলাম উচ্ছলতার যে পাখাটায় ভর করে উড়তে চাইতাম সেই পাখাটাই আমি হারিয়ে ফেলছি।আমার শৈশব, কৈশোর, তারুণ্য সব পেছনে পড়ে যাচ্ছে।শৈশবের সময়টা মমতা মাখা, সেই সময়টায় মন ফিরে যায়, মন সিক্ত হয়।কৈশোর পেরিয়ে তারুণ্যে আসার দিনগুলিতে যদি ফিরে যাওয়া যেতো! আমার বন্ধুরা, আমার উচ্ছলতা কোন চোরাবালিতে যে দূরে চলে গেলো! আমি দূরে কোথাও বসে হাত বাড়াই, ছুঁতে পারি না। সেই সময়ের সাথে যোজন যোজন দুরত্ব আমার।
গল্প: জো সুই পাঘদু'
দেখা যাচ্ছে জীবনের গণ্ডিটা আস্তে আস্তে ছোট হয়ে আসছে। ডাইনোসর যুগের একটা ঘটনা মনে করে প্রায়ই পুলকিত হই। একবার ১০ মিনিটের নোটিশে বাড়ি থেকে পালিয়েছিলাম। ডাইনিং টেবিলের ওপর অসমাপ্ত একটা চিরকুট রেখে। যেটাতে লেখা ছিলো, বাইরে গেলাম।
এ বাহির সেই বিকেল কিংবা বেলাশেষে বাহিরে যাওয়া নয়। জুতা-ব্যগ গুছিয়ে নিয়ে চুপ-চাপ কেটে পড়া। যে বন্ধুদের প্ররোচনায় রাত তিনটায় ঘর থেকে বেরিয়ে এক সপ্তাহ পর ফিরেছিলাম, সে বন্ধুদের কেউই আজ বেঁচে নেই। কেউ স্ত্রী’র নীচে, কেউ বিদেশে আবার কেউবা শিল-পাটা না পেয়ে কাগজ-কলম পিষতে গিয়ে পূর্বের জীবন থেকে বিচ্যুত হয়েছেন।
অথচ একটা মহাসময় ছিলো, যখন শেখের টেকের ছয়তলা বাড়িটার ছাদে টাংকির ওপর ছয়জন সারারাত; সম্ভাব্য প্রত্যেকটা কাজের মধ্য দিয়ে আনন্দ টেনে নেয়ার চেষ্টা করেছি। রাশি রাশি আনন্দ দু’হাত ভরে উঠে এসেছে। নিশ্ছিদ্র রাত কখন কোন ফাঁক দিয়ে বের হয়ে গেছে, রোদ উঠে গায়ে জ্বালা ধরিয়ে না দেয়া পর্যন্ত টের পাই নি।
আমার বুড়ো বাবা - ঋহান ও আমি
হঠাৎ মনে সন্দেহ হলো, “সম্ভবত আমার ভেতরে আরেকটা অস্তিত্বের জন্ম হয়েছে”। যেদিন আমার সন্দেহটা যাচাই করতে গেলাম তখন আমার গর্ভে ঋহানের বয়স ৬ সপ্তাহ। ডাক্তার সাহেব উনার বিশেষ যন্ত্র দিয়ে আমাকে দেখালেন একটা ছোট্ট মাংস পিন্ড, শোনালেন তার হৃদ স্পন্দন। ক্ষনিকের জন্য কিছুই বিশ্বাস হলো না।
"মা"?
সেদিন থেকে শুরু হলো মা হিসেবে আমার দিন গননা। ডাক্তার তারিখ দিয়েছিলো ২৭শে জুলাই ২০১০। তার ঠিক ২দিন আগে ২৫শে জুলাই ২০১০, রাত ২:৪০ মিনিটে আমি প্রথম টের পেলাম যে ঋহান আজই চলে আসবে। রাত বেশি হওয়াতে কাউকে ডাকলাম না। ভোর ৫টায় আমার বোন (সে একজন ডাক্তার) কে বললাম। ব্যাথা সহনীয় পর্যায়ে থাকায় কিছুক্ষন অপেক্ষা করে সকাল ৮টায় আমাকে নিয়ে হাস্পাতালে রওয়ানা হল আমার বোন আর মা।
কারখানা...(চার)
বাড়ি ফেরার পথে একটা জটলা দেখে গাড়ি থামায় সাদ। গাড়িটা একটু সামনে নিয়ে পার্ক করে, টিপসি ফিলিঙের শরীর নিয়ে ভাসতে ভাসতে এগিয়ে গিয়ে দেখে অনেক লোকের ভীড়ের মাঝে একজন লোক প্রায় হাত-পা ছড়িয়ে কাঁদছে। তার মাথা তাৎক্ষণিক ভাবে কাজ করে না। একজনের কাঁধে হাত রেখে জিজ্ঞেস করে,
: কি হইছে ভাই?
: আর কইয়েন না এই লোকের মাইয়ার বিয়া সামনের রবিবার। মাইয়ার বয়স হইছে বিশের মতোন। পোলায় করে ব্যবসা। পোলার বাপে যৌতুক চাইছে ৩ লাখ টাকা নগদ আর একটা সোনার চেইন। তো সে এই টাকা যোগাড় করতে রক্তপানি কইরা গতো কয়দিন ধইরা এই দিক ঐদিকে দৌড়াইছে। এখনো পুরা টাকাটা কালেক্ট করবার পারে নাই। তো আইজকা রাইতে কোত্থেইকা হাজার দশেক টাকা আনছিলো।
এদ্দূর বলে সে খেয়াল করে সাদের মনোযোগ কতোটা রয়েছে কাহিনী শোনায়। তারপর আবার শুরু করে...
অতি হালকা প্যাচাল - অলস মস্তিষ্কের অলস চিন্তা ।
অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি , একজন নব্য হুজুরের মোবাইলের রিংটোন হইল "ভিগি হোঠ তেরি ----- পিয়াসা দিল মেরা "
। হিন্দী গানের আগ্রাসনই বলি আর অর্থ না বুঝে সুরের প্রেমে পড়াই বলি । এইসব সেমি অশ্লীল কথাযুক্ত গান কিন্তু এদেশে এখন ব্যাপক জনপ্রিয় ।
ইদানীং মুন্নি বদনাম হুয়ি ডারলিং তেরে লিয়ে আর মাই নেম ইজ শিলা তো সেইরকম জনপ্রিয় । পিচ্চি পোলাপানের মুখে এই গান শুনলে চোক্ষে পানি চলে আসে । মাঝে মাঝে গভীর রাতে কোরাস শোনা যায় - বেবো মে বেবো বা পি লু তেরে ন্যায়নোকা শাবনাম ইত্যাদি ।
অটোগ্রাফ দেখেছেন? গানগুলো শুনছেন?
নানা ব্যস্ততার কারণে সিনেমে দেখা কমে গেছে। অসংখ্য ছবি আছে, দেখা হয় না। সময় আমার সব সময় কেড়ে নিচ্ছে। দেখবো বলে গত শুক্রবার অনেকগুলো সিনেমা কিনলাম। আবার দেখা শুরু করবো ভাবছি। ব্যস্ততা তো থাকবেই, কিন্তু জীবন থেকে আরও অনেক কিছুর মতো সিনেমা দেখার সময়, বই পড়ার সময়, গান শোনার সময় আমি হারিয়ে ফেলতে চাই না।
এখন ছবি দেখা হয় কম। ভাল হয়েছে শুনলেই দেখার আগ্রহ বেশি হয়। আবহমান ছবি নিয়ে লেখার সময় বাতিঘর বলেছিল ছবিটার কথা। সেটা কিনলাম এবং দেখলাম। ছবিটার নাম অটোগ্রাফ।
