ইউজার লগইন
ব্লগ
শাহ আলম বাদশা সম্পাদিত ও ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিতব্য ' মাসিক ওয়েব ম্যাগাজিনে' ১০/২/২০১১ তারিখের মধ্য লেখা পাঠান
এটি নিরেট একটি মাসিক সাহিত্য মাগাজিন। ''শিল্পের জন্য শিল্প'' এবং ''জীবনের জন্য শিল্প'' দুটোকেই এখানে প্রাধান্য দেয়া হবে। রাজনীতিবিবর্জিত সৃজনশীল সবধরনের শিল্পসম্মত ও রুচিশীল লেখাই এখানে স্থান পাবে দলমতনির্বিবিশেষে সব লেখকের। মিনি গল্প, ধারাবাহিক উপন্যাস, কল্পকাহিনী, ছড়া-কবিতা, লিমেরিক, রম্যরচনা, অনুবাদ ইত্যাদি এবং লেখার গঠনমূলক সমালোচনাও সাদরে গৃহীত হবে। তবে ওয়েব ম্যাগাজিন বিধায় মিনি সাইজের শৈ্ল্পিক মানসম্মত লেখাকেই অগ্রাধিকার দেয়া হবে। আর ধর্মবিরোধী, সরকারবিরোধী কিংবা দলীয় প্রচারণামূলক কোন লেখাও বিবেচনা করা হবে না।
ম্যাগাজিনের সার্বিক উন্নয়নের জন্য নবীণ-প্রবীণ লেখকদের পরামর্শ সম্মানের সাথেই গ্রহণ করা হবে। ম্যাগাজিন প্রকাশ পাবে প্রতিমাসের ১০ তারিখের মধ্যে এবং প্রকাশিতব্য সংখ্যার জন্য লেখা অবশ্যই পূর্ববর্তী মাসের ২০ তারিখের মধ্যেই সম্পাদকীয় ইমেইল ঠিকানায় পাঠাতে হবে।
তাফসীরে গিয়ানী লুকের বাণী - সাময়িক পোস্ট
কয়দিনে অনেক নতুন বাণী পাইলাম। সব গিয়ানি মানুষের। সেগুলা জেনে একটু তাফসীর করার চেষ্টা করি।
বাণী ১: কোন চলচ্চিত্র সম্পর্কে মন্তব্য করতে হৈলে সেটা অবশ্যই দেইখা নিতে হবে, রিভিউ পড়ে কিছু বলাযাবে না। ।
- আমি বানজারান, বাইসাইকেল থিফ বা শিন্ডলার্স লিস্ট কোনটাই দেখি নাই। তাই আমি এই চলচ্চিত্রগুলা নিয়ে কোন মনতব্য করবো না। এগুলা সবই এক কাতারের সিনেমা। কাতারের নাম আমি দেখি নাই। তা ছাড়া আমি আইজ থেকা বাংলাদেশের সিনেমা নিয়া কোন কথা বলবো না।। আমি বাংলাদেশের সিনেমা দেখি ৫ বছরে একটা।। ১ পার্সেন্টও না ।
বাণী ২: কোন কিছু রেখে-ঢেকে বলার কি দরকার। এই যেমন শারীরিক সম্পর্ক না বলে চো**** বললে সমস্যা কি? জীবন ঘনিষ্ঠতা বৈলা কথা।
পেছনে অশরীরি হাত
একটা মাস চলে গেল। চুপচাপ কোনোকিছুর পরিবর্তন না ঘটিয়ে, কেটে পড়লো কোনো দুঃখ-কষ্ট ছাড়াই। আমিও নির্লিপ্ততার দিকে এক ধাপ এগিয়ে গেলাম। মাথার ভেতর খেলছিলো শুধুই অনগ্রসরতার খতিয়ান; কিছুক্ষণ টানা ঘুষালাম, শক্ত কংক্রীটের মেঝেতে।
টাইএর নটটা পর্যন্ত খুলতে চাচ্ছে না। একটা জড়বস্তুও গলায় ফাঁস হয়ে আটকে বসতে চাইছে। খুব করে অনুভব করছি জীবনের দেয়াল বাওয়ার সময়টির অনুপস্থিতি। জীবনে একটা পর্যায়ে দেয়াল বাওয়ার মতো উচ্চমানের একটি কাজ করতাম। এখন চেষ্টা করলে হয়তো অমন পারবোও না। কিন্তু ওয়ান্স আপন আ টাইম, পারতাম।
পিতৃত্বের মূল্য
পুরুষ বন্ধ্যা প্রাণী(barren animal)- এ অভিযোগের বয়স অনেক।এ বন্ধ্যাত্ব ছোট্ট একটি কণাকে প্রাণ করে তুলতে না পারার, প্রাণকে লালন করতে না পারার। কলকাতার কবি জয়া মিত্র এই অভিযোগের সচ্ছল কাব্যভাষা দিয়েছেন। কবিতাটা খুব প্রিয় বিধায় পুরটাই কোট করছি। পড়ুন:
ওড টু অ্যালিস ওয়াকার
ইভ, তুমি কালো মেয়ে
তাই আদি সরীসৃপ
আদিম রহস্যবার্তা
বলে গেছে তোরই কানে কানে
বলে কি যাদুবিদ্যা বলে
তীব্রতম রূপোল্লাস গোপনে সঙ্চয় করে
গর্ভে ধরতে পারে শুধু তোমার শরীর
গভীর যোনীর মধ্যে
যে রৌদ্র চুঁইয়ে পড়ে
তাকে তুমি পরমরহস্য বলে
প্রাণকণা করে তোল
পুরুষ, সে কতদূরে
কেবল ইন্দ্রিয়সুখ সম্বল করে
অভাগ্য দাঁড়িয়ে থাকে
তোমার রাজ্যের বাইরে দীনহীন
হাতে হাতে মূল্য চুকিয়ে নিয়ে
একা
আমি ডেকে বলছি তোমাকে
ইভ, আদিম জননী নও
জায়া কিংবা ভার্যা নও
জন্ম সাম্রাজ্যের রহস্য ঐশ্বর্যমূলে
অধীশ্বরী তুমি
ভারত ভ্রমণের সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতা ও বাংলাদেশের পর্যটন
বেশ কিছুদিন আগে পর্যটন বিষয়ক একটি লেখা প্রকাশের পর পরিচিত একজন বাংলাদেশের বাইরে পর্যটনের অভিজ্ঞতা আছে কিনা জানতে চেয়েছিলেন। ‘খুব সামান্য’ জবাব দেয়ায় তিনি উপদেশ দিয়েছিলেন- সম্ভব হলে অন্তত পাশের কয়েকটি দেশ যেমন ভারত, ভুটান এবং নেপাল ঘুরে এসে তারপর যেন বাংলাদেশের পর্যটন নিয়ে আশাবাদী হই। গুরুতর কিছু না হলে সাধারণত পাঠক প্রতিক্রিয়াকে সম্মান জানিয়ে একমত হওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু তার বক্তব্যে এমন কিছু দৃঢ়তা ছিল যে কারণে পরবর্তী সময়ে বিষয়টি নিয়ে ভাবতে হয়েছে। নানা দৃষ্টিকোণ থেকে পর্যটন বিষয়ে তার সঙ্গে কিছু আলোচনাও হয়েছে। তার কথায় মনে হয়েছে, বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প নিয়ে আমি যে আশাবাদ ও উচ্ছ্বাস ব্যক্ত করেছি বা করছি, কিছু দেশ ঘুরলে আমার সেই বক্তব্য বদলেও যেতে পারে।
কারখানা...(আট)
অপ্রত্যাশিতভাবেই সাদ বেশ স্বাভাবিক পেইসেই প্রেজেন্টেশন শেষ করে। সবাই বেশ খুশি-সুখী চেহারা নিয়ে বেরিয়ে যখন প্ল্যান করছিলো ওয়েস্টিনে লাঞ্চের জন্য সাদ তখন ছুটি চাওয়ায় বিষয়টা সবার কাছেই আন ইউজ্যুয়াল লাগে। কিন্তু কারো কথায় কান না দিয়ে সে নিজের গাড়িতে উঠে সাই করে বেরিয়ে যায়। যদিও সে নিজেও জানে না তার প্ল্যানটা কি, বাকী দিনটায় সে কি করবে কিংবা আদৌ আজ সে ছুটি কাটাবে কিনা...কিন্তু সাদের মনে হয় আজ তার অস্থিরতার দিন। সে মনে করতে পারে না তার জীবনে ২৫ সেপ্টেম্বরের কোনো মর্তবা রয়েছে কিনা, অথচ তার মনে খচ খচ করতে থাকে আজ ২৫ সেপ্টেম্বর, আজ তার জীবনে কিছু একটা ঘটেছিলো। কিন্তু ঘটনাটা সে কোনো কারনে ভুলে গিয়েছে। এই ভুলে যাওয়াটা অপরাধ। অপরাধের কথা মাথায় আসতে আবার তার নিরুপমার কথা মনে পড়ে। নিরুপমা নিষ্পাপ চেহারার আপটাউন মেয়ে। যে হয়তো রেসপন্সিবলিটির সংজ্ঞা শিখেনি কখনো। জল গড়িয়ে খাওয়ার জন্যও হয়তো তার বাবার বাড়িতে
কবিতা: সমাচার
একটা খবর হচ্ছে, একজন একদিন একজনকে
লুকিয়ে ফেলেছিল বুকের ভেতরে,
তারপর ভুলে গেছে।
স্থান ছেড়ে দেয়ার প্রস্তুতিপর্বে
গোলাপের মতো ফুটলেও
তার স্বামী সেদিন
মুগ্ধ হয় নি ততখানি,
যতখানি হয়েছিলো পড়শীরা।
অথচ অভাজনের
কখনো
সাধ মেটে নি।
ভেজা চন্দনে আগুন ধরে নি
সৎকার হয় নি একটা লাশের,
সেটা বৃষ্টিশেষের
ছন্নছাড়া রোদে, সিক্ত
সময় পেরিয়ে
আর নিজেকে খুঁজে পায় নি।
তারপর গুমোট ঊষ্ণতা বুকে ধরে একজন
মেঘেদের দলে মিশে যায়, আর
কন্ঠসম অপ্রাপ্তির ফেনাগুলো
উপকূলে আছড়ায়।
চলছে এভাবেই,
সুখবর এই যে;
এখনো সে সকালে ঘুমায়
দিনে গাত্রদাহ অনুভব করে
রাত জেগে ডেরায় ফেরে
অশালীনরকম কুকড়ে থাকে,
ভেতরে খুন্তি-শাবলের চাঁড়
পড়তে থাকে অনবরত
শক্তিধর ডায়াফ্রামটা
তবু অক্ষত,
যেন অনুভব না করলে
বা তাকে নিয়ে না ভাবলেই
ভুলে থাকা যায় সবকিছু।
অথচ তারপরও অকারণে আমাকে সে প্রশ্নটা করে আবারো
মাঝে মাঝেও কি তাকে মনে পড়ে না অন্যকারো?
---
একটি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মেইল শভিনিস্ট গল্প...
১৯৭১, ২১ জুন, দিবাগত রাত্র।
কাটা গ্রিলের ফাক দিয়ে ঘরে ঢুকতে গিয়ে ফজলু চোরের মনে পড়ে তার বয়স প্রায় ৪৫ ছাড়িয়েছে। আর সে কারনেই আগের মতোন বাউলি কেটে কোনো রকম শব্দ না করে, গায়ে কোনো আচর না ফেলে ঘরে ঢোকাটা আর সম্ভব হয় না তার পক্ষে। যদিও এসব দক্ষতার কোনো প্রয়োজনই নেই আজকের কাজটা শেষ করার জন্য। সে বেশ ভালোমতোই খবর নিয়েই বেরিয়েছে। গ্রিল না কেটে যদি দরোজার তালা ভেঙেও সে ঢুকতো তাহলেও প্রতিরোধের সম্মুখিন হওয়ার কোনো সম্ভাবনা ছিলো না। কিন্তু পেশাদারী সততা বজায় রাখতেই ফজলু সময়টা বেছে নিয়েছে সেই আগের মতোন মধ্যরাত, দরোজা ভেঙে না ঢুকে জানালার সিঁদ কেটে ঘরে ঢোকার বিষয়টা তার কাছে বেশি পছন্দ হয়েছে।
মেহেরজানঃ একাধিক বিয়েপাগলের সমাহার ও একটি প্রেমের ফোক ফ্যান্টাসি (মুক্তিযুদ্ধের গোলমরিচের গুড়া ফ্রি)
পরিচালকের দাবী এইটা একটা ফোক ফ্যান্টাসী।
.
তইলে আমরা সিনেমার ভিত্রে ঢুকনের আগে টিপিকাল ফোক ফ্যান্টাসীগুলানের মোটামুটি টেমপ্লেটটা দেইখা লই-
১. নায়কের বাপ অত্যাচারী সামন্ত প্রভু।
২. নায়কে আদর্শবাদী, প্রজাগো উপ্রে বাপের অত্যাচারে ত্যাক্ত; চান্স পাইলেই বাপের বিরোধীতা করে।
৩. নায়কে নাইকারে বাপের পুষা গুন্ডাগো আক্রমণের থিকা বাঁচায়। ফলশ্রুতিতে নাইকার লগে পেরেম।
৪. নাইকার বাপ/চাচা এলাকার প্রজাগো লিডার টাইপের, যার নায়কের বাপের লগে বনেনা। আবার সেয় অই অত্যাচারের এগেইন্সটেও অ্যাকশনে যাইবার চায় না তার ফলোয়ারগো কথা ভাইবা।
৫. দুই মুরুব্বীরে ফাকি দিয়া বিদ্রোহী নায়কের লগে নাইকার আগানে বাগানে পেরেম চলে। তাতে হেল্প করে এক/দুইজন ভাঁড় টাইপের লোক। যেইটা আবার নাইকার “জেনুইন” প্রেমিকের চউখে ধরা পইরা যায়।
মেহেরজান : আবার খানিকটা চাবানি
মানুষ যখন বাজার থেইকা গরুর মাংশ কিনে, তখন, অনেক দেইখা শুইনা কিনে। সুতরাং মাংস যার যার মন মতই হয়, রান্না কৈরা আরাম কৈরা খায়।কিন্তু কোরবানীর সময় একজনের ঘরে সব রকম মাংশ পরে। সেই সময় নানারকম মাংশের মাঝে, একধরনের মাংশ পরে, যেই গুলার ভিতরে মজা থাকেনা কোনো, কিন্তু চাবাইয়াও ঐটার কিছু করা যায়না। রাবারের মত, চাবাইতেই থাকে, চাবাইতে থাকে, চাবাইতেই থাকে---------
----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
আমরা আধুনিক মনস্ক, কোনো কিছু না দেইখা তার সমালোচনা করতে রাজি না। সুতরাং, সমালোচনার জন্য দেইখা আসলাম টাইপ একটা ব্যাপার হৈলো আজকের ডিসক্লেইমার, মুহাহাহা।
আমরা বন্ধু ব্লগের বন্ধুগো "সতর্ক" হওনের আহ্বান জানাই!!
ব্লগার রাসেলের গত ২৩শে জানুয়ারী রোজ শনিবারে লেখা "মেহেরজান বিতর্ক" শিরোনামের পোষ্টটা এইমাত্র পড়লাম। পোস্টে সুক্ষ ভাবে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিরোধী বেশ কিছু কথাবার্তা লেখা আছে!!! এবং একই সাথে ৭১-এ পাকি সামরিক বাহিনীর বর্বরতার কথাকে অস্বীকার করা হইছে!!! শুধু তাই না, ততকালীন বাংলাদেশের মুক্তির সংগ্রাম ও বাংলাদেশের মানুষের প্রতি ৭১ এ পাকি সামরিক বাহিনীর সহমর্মিতা ছিল এমন ধারণা দেয়া হইছে!!!! অথচ এই বিষয়গুলি সবার নজর এড়ায়া গেছে দেইখ্যা যারপরনাই টাসখিত হইলাম!!!
যাই হোক রাসেল-এর লেখা পোস্টের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই অসঙ্গতিগুলো নিচে পয়েন্ট আকারে তুলে ধরলাম।
১) রাসেল তার উক্ত পোষ্টে লেখছেঃ
কারখানা...(সাত)
ঘরে ঢুকতেই সাদ দেখে রুনা কিচেনে ঢুকছে। সে টিপটো করে কিচেনের দিকে গেলে দেখে রুনা তার প্রিয় চিঙড়ি ভুনা করছে নারিকেল দিয়ে। সাদ রুনার ঠিক পেছনে গিয়ে দাঁড়ায়, পেছন ফিরে তাকায় আলভী। ওকে রুনার টিশার্ট আর ট্রাউজারে কেমন উদ্ভট দেখাচ্ছে। আলভী রান্নাঘরে সাদের পছন্দের ডিশ রান্না করছে বিষয়টা কেমন অস্বস্তিকর লাগে সাদের কাছে। আলভীও কেমন অপ্রকৃতিস্থের মতোন হেসে হাত বাড়িয়ে দেয় তার দিকে। সাদ হাত ধরতে গিয়ে দেখে হাত কই! এতো পাখির পালক। আলভী কিম্বা রুনা, রুনা কিম্বা আলভী পালক ছাড়িয়ে নিয়ে ছুটে বেরিয়ে যায় কিচেন থেকে। সাদও তার পেছনে ছুটে যায়...ব্যালকনিতে গিয়ে ঘুরে দাঁড়ায় নিরুপমা, সাদের দিকে তাকিয়ে বিভৎস স্বরে আঙুল তুলে বাচ্চাদের মতোন লাফিয়ে লাফিয়ে বলতে থাকে,
: তুমি খুনী, তুমি খুনী...হা হা হা!
বেঁচে থাকা, না থাকা ( ছোট গল্প )
কত বছর কেটেছে জানিনা । বছর গোনা আমাদের হয়ে ওঠেনা । এমনকি সপ্তাহের দিনগুলিরও আমরা হিসেব রাখিনা । মা চাল শেষ হয়ে এলে দু একদিন কাইকুই করে তারপর বাবাকে বলে , বাবা চোখ বড় বড় করে চেয়ে থাকে মায়ের দিকে , তারপর কিছুটা অনিশ্চিত ভাবে বলে " গেলো শুক্রবার না এনেছি "। বাবার মনেই থাকেনা চাল সে এনেছে মাস পেড়িয়ে গিয়েছে । মা'ও মনে করায় না । কিছুটা দয়াপরবশ হয়ে বা কিছুটা বিরক্তিতে । এভাবেই চলছে আমাদের সংসার ।
কারখানা...(ছয়)
উচ্চ মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোতে লুকোছাপা কেমন? কতোজন কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে মৃত্যুবরণকারীর পোস্টমর্টেম হয় এই বিষয়টা একটু খতিয়ে দেখতে হবে। থ্যালামিয়ার প্রতিক্রিয়া নাকি তিনদিন পরেও দেখা দিতে পারে। এই তিনদিন যদি শরীর খারাপের বাহানা থাকে তবুও কি বিষয়টা নিয়ে নাড়াচাড়া হবে খুব বেশিদূর? সাদ একটু এলোমেলো হয়ে যায়। তার মনে হয় নিরুপমার মৃত্যু যদি নিজ চোখে না দেখে তাহলে তার কি খুব ভালো লাগবে? নিরুপমা তার সামনেই ভেসে যাচ্ছে রক্তের স্রোতে, উপড়ানো চোখে কেবল একজন পরাজিত রমনীর করুণামাখা দৃষ্টি এমন নাহলে কি তার মৃত্যুর কোন অর্থ তৈরী হবে সাদের বিক্ষুব্ধ হৃদয়ে?
মোহাম্মদপুর গার্লস হাইস্কুলে ২০১১ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছে এডমিডকার্ড(প্রবেশপত্র) বিক্রয়!!!???
আগামী ২ ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে ২০১১ সালের এসএসসি পরীক্ষা। ছাত্র-ছাত্রীরা কেমন টেনশনে আছে তাকি বলার অপেক্ষা রাখে? পরীক্ষার আর মাত্র একসপ্তাহ বাকি থাকলেও আমার মেয়েসহ কোন পরীক্ষার্থীই আজ(২৬/০১/১১) পর্যন্ত ঐ স্কুলের এডমিডকার্ড(প্রবেশপত্র)পায়নি, যা মারাত্মক এক টেনশনের কারণও বৈকি!
অন্য স্কুলের খবর জানিনা, কিন্তু আমার মেয়ের স্কুল মোহাম্মদপুর গার্লস হাইস্কুলে আজই ছিলো ২০১১ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান। ফলে বিদায় অনুষ্ঠান থাকায় আমার মেয়েসহ সব পরীক্ষার্থীরাই এডমিডকার্ডটি পাবার অধিকারসহ আশা করেই গিয়েছিলো আজ বিদায় অনুষ্ঠানে; এটা কি তাদের কোন অন্যায় আশা বা দাবী ছিলো?
অথচ বিদায় অনুষ্ঠানে তাদের কাছে প্রাপ্য পরীক্ষার এডমিডকার্ডটি হস্তান্তর না করে মাত্র একটি করে গন্ধবিহীন অর্কিড ফুল দিয়েই বিদায় জানানো হয়?