অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১৩ জন অতিথি অনলাইন

বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড ম্যাচ নিয়ে কয়েকটা প্রশ্নঃ

bd win eng_0.jpg

১। তামিম কি ইংল্যান্ডের ২২৫ রান তাড়া করে ব্যাট করতে নেমেছিলো নাকি ৩৩৫ রান ? ৫০ ওভারে ২২৫ রান তাড়া করতে গিয়ে ২৬ বলে ৩৮ রানের চেয়ে তার উইকেটে থাকাটাই বেশী প্রয়োজন ছিলো না ?

২। জুনায়েদ – ইমরুল – সাকিব কি একে অপরকে রান-আউট করতে দৃঢ়-প্রতিজ্ঞ ছিলো ? এত্তোগুলি ম্যাচ এক সাথে খেলার পরে জুনায়েদ – ইমরুল – সাকিবের রানের কলিং এর কোন সমঝোতা নেই কেন ?

৩। মুশফিকুর রহিম কি ইদানিং আশরাফুলের কাছ থেকে ব্যাটিং এর কোচিং নিচ্ছে ?

৪। রকিবুল কে আর কি সুযোগ দেয়া উচিত ? ৪ ম্যাচ মিলে ৭০, সর্বোচ্চ ৩৮ । তার জায়গায় পরের দুই ম্যাচে শাহরিয়ার নাফিসকে খেলানোই ভাল না ?

সে আমাকে সহ্য করেছে, আমি তাকে সহ্য করেছি-দীর্ঘ বারোটি বছর।

দিনটি ছিল ১৯৯৯’এর ১২ মার্চ । তার আর আমার জীবনের সবচে স্মরণীয় দিন (নাকি ধরা খাওয়ার দিন !)। আজ থেকে একযুগ আগে ঠিক এই দিনটিতে আমরা একে অন্যের হাত ধরেছিলাম, জীবনের পথে একসঙ্গে হাঁটবো বলে (মাঝে মাঝে ঝগড়া করবো বলে !), জীবন সঙ্গী (নাকি জীবন যন্ত্রণা !)হবো বলে । শপথ নিয়েছিলাম সারাজীবন পাশাপাশি থাকবো (মাঝে মাঝে ঘর পালাই, সেও রাগ করে বাপের বাড়ি যায়)। তারপর... দেখতে দেখতে বারটি বছর । এই দীর্ঘ সময় আমরা একই ছাদের নিচে বাস করেছি (না করে উপায় নাই), একে অন্যকে সহ্য করেছি, ভালোবেসেছি, ঝগড়া করেছি (পাড়া প্রতিবেশী সাক্ষী), সুখ-দু:খ শেয়ার করেছি, একে অন্যের নি:শ্বাসের ব্যবধানে থেকে রচনা করেছি কতো আনন্দ-বেদনার কাব্য; নির্মাণ করেছি কত স্মৃতি, যাপন করেছি একটি টক-ঝাল-মিষ্টি (এবং তিতা) দাম্পত্য জীবন।

আজকের খেলা

জকের খেলায় একটাই সুসংবাদ বাংলাদেশ জিতেছে। শ্বাসরুদ্ধকর, স্বরণীয় কিংবা অন্য যেকোনো বিশেষণে অভিহিত করা যাবে না এই ম্যাচকে, বরং ম্যাচ জয়ের সম্পূর্ণ কৃতিত্ব শফিউলের। বাংলাদেশের ম্যাচ জয়ের সম্পূর্ণ কৃতিত্ব যদি দিতে হয় তাহলে দিতে হবে একমাত্র শফিউলকে। আয়ারল্যান্ডের সাথে খেলায় তার একটি স্পেলেই বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত হয়েছিলো, এবার ব্যাটিং এ উপরের সারির ব্যাটসম্যানদের লজ্জা দেওয়া তার ব্যাটিং এ বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত হয়েছে। শফিউল বাংলাদেশের জন্য ম্যাচ উইনার বিবেচিত হতে পারে।

...উচ্ছাস...

নিজের উপ্রে মিজাজ খারাপ হৈতেছে টিএসসিতে খেলা দেক্তে যাইনাই বইলা, অহন নিজের হাত-পা নিজেই কাম্রাই আর কান্দি...

হেরপরও আম্গো পুলাপানডি যে খেলা দিলো, ইস্পেশালি শফিউল। শেষ বেলায় আইসাও মাথা ঠান্ডা রাইখা খেইলা যাওয়ায় তারে প্রচুর ধৈন্যা...

কি আর করা, আয়ারল্যান্ডের লগে জিতার পর তুলা উচ্ছাসের দুইটা ছবিই শেয়ার করি...

IMG_4908_e.JPG

IMG_4914_e.JPG

কথোপকথন

003a.jpg আপা, আমার ভয় ভয় করছে !!
কেন, হয়েছে কী, কিসের ভয়, কেনই বা ভয় ?
আমার ভাগনেরা আজ পারবে তো?
আরে, বলিস কি, পারবে না মানে !
জানি তো! তবু লাগে ডর।
দেখিয়ে দেবে আজ কত চা’লে কত ভাত।
তা তো বটেই, বাঘের বাচ্চা বাঘ।
হ্যাঁ, রাখবি মনে, বাঘের বাচ্চা বাঘ!
আপা, দুলাভাইতো এলোনা এখনও !
এইতো, আসবে চলে একটু সবুর কর।
হালুম! আটকে গেলুম কাজে তাইতো একটু দেরী।
সালাম, দুলাভাই, সালাম, ফিরতে এততো দেরী?
আরে ছোট গিন্নি! কাজের ধান্দায় ঘুরি!
দুলাভাই, কী হবে আজ?পারবো তো?
অবশ্যই, বাঘের বেটারা দেখিয়ে দেবে আজ।
কিন্তু ভাগ্নেরা দেখতে যে আমারগুলোর মত!
আছে মনের জোর, আছে এদের নখ, আরও শক্ত দাঁত।
পারলে তো ভালোই, আছি সবাই মিলিয়ে সবার হাত।

ছাত্রলীগের মাস্তানি কি আপনারা সমর্থন করতেছেন?: বুয়েট ছাত্রদের প্রতি প্রশ্ন...

বুয়েটের একজন ছাত্র বাসের ধাক্কায় মারা গেলো কিছু কাল আগে। সারা বুয়েটের ছাত্ররা প্রতিবাদে মূখর হইয়া উঠলো। তারা বিভিন্ন রুটের গাড়ি ভাঙচূড় করলো। প্রতিবাদের প্রকাশে স্বতঃস্ফূর্ত ক্ষোভের রেখাগুলি দৃশ্যমান ছিলো। তাদের এই ক্ষোভে শ্রেণী বিদ্বেষ ছিলো কীনা জানি না, কিন্তু ঐ সময়টাতে বিষয়টা আমার কাছে তেমন মনে হয় নাই। আমি বুয়েটের ছাত্রদের এই বিচ্ছুরিত আগুনের পক্ষে ছিলাম।

শিক্ষক শিক্ষানীতি এবং অন্যান্য প্যাচাল ০১

বাংলাদেশের মতো ছোট্ট একটি দেশে যুগোপযোগী শিক্ষানীতি নেই বলে নীতিনির্ধারণী মহলে আক্ষেপের কমতি নেই, সবারই বক্তব্য শেষ পর্যন্ত একটি বাক্যে গিয়েই সমাপ্ত হয়ে যায়, একটি শিক্ষানীতি থাকলে সেটার সাথে সকল শিক্ষালয়ের শিক্ষাপাঠক্রমের সমঞ্জস্য করা যেতো, কিন্তু গোড়ার কাজটি করা হয় নি। শিক্ষাবিদদের আন্তরিক এবং আন্তরিকতাবিহীন প্রচেষ্টায় অবশেষে শিক্ষানীতি প্রণীত হয়েছে এবং সেই শিক্ষানীতিতে সেক্যুলার বাংলাদেশ নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় জনবল নির্মাণের আশাবাদও ব্যক্ত করা হয়েছে। আমাদের সামনে দৃষ্টান্ত হিসেবে এই শিক্ষানীতি থাকবে এবং সেটার ভিত্তিতে আমরা আমাদের শিক্ষাঙ্গনগুলোর পাঠ্যক্রম সরকারী নীতিমালার সাথে খাপ খাইয়ে নিবো।

এলোমেলো মুভি পোস্ট

রাসেল আমারে ওয়ালে চিকা মারছে। মুভি নিয়ে পোস্ট দাবি করছে। আগের মতো মুভি দেখা তেমন হয় না। মেয়ের স্কুল, অফিসের কাজ সব, ব্যস্ততা এবং বই পড়ার নেশা ও নেট-মুভির সময় কমিয়ে দিয়েছে। আর সব মুভি দেখেই তো আর চীৎকার দিয়ে জানানোর ইচ্ছা হয় না। তাই ভাবছিলাম কি পোস্ট লিখবো। আগের দেখা মুভিগুলোর কথাই ভাবছিলাম। পুরোনো দেখা মুভির কথা ভাবতেই মাথার মধ্যে জানান দিল কিছু মুভি দেখার স্মৃতি। ভাবলাম লেখা শুরু করি, যেসব ছবির নাম মনে আসবে সেগুলোই লিখে দেবো। ধরে নিলাম এই মুভিগুলো কোনো না কোনো কারণে মাথার মধ্যে গেঁথে আছে।
এটা আসলে এলোমেলো মুভি পোস্ট

১. মুলহল্যান্ড ড্রাইভ-ছবিটা দেখে প্রথমে বুঝাই যায় না শেষ পর্যন্ত কি হলো। কোনটা আসল আর কোনটা কল্পনা। দর্শকদের দারুণভাবে বিভ্রান্ত করতে পেরেছে এই ছবি।

ডাইরী ১১৯

এক.
সময় আমাকে জাগায় সকালে, কিন্তু আমি ঠিক ভুলে যাই প্রয়োজন কিংবা প্ল্যান। ঘুম ভাঙতেই বিছানার শরীর ছাড়তে পারি নাই অতএব; আমাকে আকড়ে রেখেছে অ্যামনেশিয়া আর মুহুর্তেরা। অপেক্ষায় থাকি কেউ এসে ডেকে নিয়ে যাবে, চুপিসাড়ে জানাবে আমার অভিনয়ের নিয়মাবলী। শিখে নেয়া বুলি সব আওড়ে যাবো চন্দ্রালেখ্য সুরে।

যেহেতু ভালোবেসেছি অ্যামনেশিয়া, তাই ডুবে ডুবে থাকি মিমিক্রি'র জলাশয়ে। ধরা পড়ে গেলে বোকাচোদা মুখ করে আলাভোলা হই...এমত পাগল মুখোশেরা সব পারে ভেবে, এই বেলা সকলের ক্ষমাটমা জুটে যায়।

দুই.
অ্যামনেশিয়া শুনেছি সব পারে। দুঃখবোধ অথবা নির্জলা রোমান্স সব সাদাখাতা হয়ে যেতে পারে। ভুলে যেতে পারি প্রিয় চলচ্চিত্রকার কিম্বা লেখকের নাম-পরিচয়, চিঙড়ি মাছের বুনো স্বাদ, তেতো জলে কতোটা অ্যালকোহল...এমন অনেক সর্বনাম।

তিন.

তোমাকে ভালোবাসার থেকে মুক্তি চাই

দেখলেই যেমন বিটকেলে পরমাণুভূতি
ঠায় দাড়িয়ে থাকতে অশ্রাব্য গোঙানি শুনি
ব্যাকবেঞ্চিতে যাবতীয় ধীমান
আমার পুরুষ জঙ্ঘাতে প্রথম প্রেমিক পুরুষ!

যার সকল মুখস্থ দেহাবশেষ কেবল ধূসর বনলতা
আরাধ্য অঞ্জলী দিয়ে ফেসবুকের চিত্রে চিত্রে ট্যাগন
দুচারটে অভিমানী ফোড়ন পীড়নের পরে
পুরুষের দুই স্তনের মাঝে প্রেমাংশুর নখের আচড়!

আমার পুরুষ প্রেমিক এবার আমাকে পুরুষ করো
দেহস্থ ভাজের মাঝে হৃদয়ের অবোধনামায়
আমাদের উত্তররমনীদের বিস্ফোরিত উরু থেকে
জন্ম দাও এক যৌন-রাজনীতির আনকোরা পুরুষ!

এসব প্রশ্ন কখনো কর না । বোবা কালা হয়ে থাকো।

কেন ইউনুস প্রশ্নে বিচলিত যুক্তরাষ্ট্র ???
কেন সরকারের ২ বছর পর মনে হলো ইউনুস অবৈধ ভাবে ক্ষমতায় আছেন ?
কেন এতদিন বাংলাদেশ ব্যাংক অবৈধ ব্যাক্তির সাথে লেন দেন করলো ?
কেন এতদিন বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যবস্থা নেয় নাই ইউনুস সাহেবের বিরুদ্ধে?
কেন সেই কুমিরের ছানার মতন একই গল্প - টিনের চাল খুলে নেয়া, লাশ দাফন করতে না দেয়া , গরু নিয়ে যাওয়ার গল্প বলা হচ্ছে ? এর বাইরে আর কি কিছু ঘটে নাই ? কেন ঘটে নাই ? যদিও বা ঘটে সেগুলো কেন আমরা জানিনাই?
কেন পি কে এস এফ দেশে ক্ষুদ্র ঋন চালু করলো ? কেন ইউনুস মডেল ফলো করলো তারা ?
কেন অন্যান্য ক্ষুদ্র ঋন প্রদান কারী এন জি ও দেশে এখনো ক্ষুদ্র ঋন নিয়ে কাজ করছে, যদি এটা এতই খারাপ বিষয় হয় ?
কেন ক্ষুদ্র ঋনের আরো ভালো ফর্মুলা নিয়ে কেউ এগিয়ে আসছে না ?
কেন শেখ হাসিনা ক্ষুদ্র ঋন বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন, যদি এতই খারাপ হয় ?

নৈর্ব্যক্তিক সময়ের শব্দ

কয়েকটা টেলিফোন বেজে উঠেছিল কোথাও
আর, রাতজাগা ঘুমেদের আস্ফালনে চাপা পড়ছিলো
বিবিধ আগুনের তাপ

ত্রিধাবিভক্ত জিহ্বা নিয়ে উল্লসিত সাধুগোত্র
অন্যের রক্তে পানপাত্র ভরে নিচ্ছে অবিরাম

পাথর চোখের কার্নিশে ঘর বাঁধা প্রজাপতি, তোমরা উড়ে চলে যাও
এখানে স্বপ্নের বলি দেয়া হবে কিছুক্ষণ পর
বেজে উঠবে বিকলাঙ্গ নর্তকীর কাঁচের চুড়ি

হাড়ের গভীরে হেঁটে যাওয়া ঘুন পোকা, তুমি কেঁদে উঠোনা
এখনি প্রস্তুত করা হবে রাজকীয় সিংহাসন
অভিষেক হবে ক্লীব জনকের যৌনাচার

কর্মীরা ফিরে চলে গেছে মেঠোপথ অসমাপ্ত রেখে
দায়ভার... একা, অবিরাম সময়ের ।

কালিদাস পণ্ডিতের ধাঁধাঁ - ১

কবি কালিদাস আমাদের কাছে 'কালিদাস পণ্ডিত' নামে বেশী পরিচিত। ‘কালিদাস পণ্ডিত’ কে আপনারা সবাই জানেন। কালিদাস পণ্ডিতকে নূতন করে পরিচয় করে দিয়ে আমি নিজে 'পন্ডিত' সাজতে চাই না। নেট তথা গুগুল টাইপ প্রোগ্রামগুলোই এখন বিরাট বিরাট পন্ডিত! কিছু জানতে হলে লিখে সার্চ করলেই হল। ‘কালিদাস পণ্ডিত’ লিখে সার্চ করে কালিদাস পন্ডিত প্রসঙ্গে জানুন। কালিদাস ছিলেন ধ্রুপদি সংস্কৃত ভাষার এক বিশিষ্ট কবি ও নাট্যকার। কালিদাস প্রাচীন যুগের ভারতীয় কবি। তিনি সংস্কৃত ভাষার শ্রেষ্ঠ কবিরূপে পরিচিত। যদিও তাঁর জীবনকাহিনী সম্পর্কে বিশেষ নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায় না।

kalidas.jpg
(কালিদাস পন্ডিতের আনুমানিক ছবি, হাতে আঁকা)

ওড টু মাই ফ্যামিলি- ২

ঢাকা থেকে আগে গ্রামের বাড়ি যাওয়া একটা ঘটনা ছিলো।

সাত দিন আগে থেকে মা শুরু করতো, "আর ৬ দিন পর রাজশাহী যাবে তো তুমি, যাও এখন হাত-মুখ ধুয়ে পড়তে বস", কিংবা (অতি জঘন্য কোন খাবার দেখায়ে) "৫ দিন পর রাজশাহী, দুধটা শেষ কর"--- আমরা দাঁতে দাঁত চেপে কোনরকমে অপ্রিয় কাজগুলো করে ফেলতাম আর কতদিনে সাত দিন ঘুরে ৫, ৪, ৩, ২, ১ হবে তার অপেক্ষায় দিনানিপাত করতাম। সময় তখন বড়ই গাদ্দার ছিলো, এমন আস্তে কাটতো! আর এদিকে আমাদের মধ্যে টানটান উত্তেজনা ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট ম্যাচের মত বাড়তেই থাকতো।

প্রেমিকের ভালমন্দ

(আমার প্রতিটি লেখার মত এটিও প্রাত্যহিক জীবনের কথোপকথনের ফলে তৈরী।আমার এক বন্ধূর 'আমার প্রেমিক ভাল না' টাইপের অভিযোগ থেকেই আমি বিষয়টি নিয়ে ভাবি।)

মানুষ ভাংগা চেয়ারেরই প্রেমে পড়ে।

প্রেমের ইনিশিয়াল ইমপেক্ট মারাত্নক, মানুষ সরাসরি ভেংগে পড়ে। তবে ধকল কাটিয়ে উঠার পর মানুষের মনে হয় আসলে সে ভাংগা চেয়ারেরই প্রেমে পড়েছে। তিন পা নিয়ে দেয়ালে হেলান দিয়ে দাঁড়ায় এমন চেয়ার। সারফেসে পেরেক ওঠা, 'বসলে-নড়াচড়া-বারণ' এমন চেয়ার।

সমস্যা আপনার মধ্যে:

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ