জানতে ইচ্ছে করে
অনেকদিন আগে একটা গল্প শুনেছিলাম, এরকম-
এক কৃষক কয়েকজন মজুর নিয়োগ করেন তার পাটের জমি কোপানোর জন্য। মজুরদের মধ্যে একজনের ছিল একটি চোখ নষ্ট, তাই সবাই তাকে 'কানা' বলে ডাকত।
কোপানো শেষে জমির মালিক গেলেন কোপানি কেমন হলো তা দেখতে। কিন্তু কৃষক দেখলেন জমিতে অনেক আগাছা এখনো বিদ্যমান। তিনি জমির এক জায়গায় গিয়ে মজুরদের ডেকে বললেন - এই জায়গাটা কে পরিস্কার করেছে রে?
শ্রমিকদের কর্তা ব্যক্তি বলল - এই জায়গাটা আমাদের 'কানায়' পরিস্কার করছে। মালিক কিছুদূর যেয়ে আরো একটা জায়গা দেখিয়ে বললেন- এই জায়গাতেও আগাছা আছে, এখানে কে কাজ করছে?
'আর কেডায়- ঐ কানায়' - কর্তা শ্রমিকের উত্তর। এভাবে মালিক এখানে সেখানে যেয়ে যতবার জিজ্ঞেস করে প্রতিবারই ঐ একই উত্তর- "কানায়"।
জমির মালিক এবার গম্ভীর হয়ে ভারী গলায় বলল- সবই যদি কানায় করছে তয় তোরা কি করছস? তোরা কি বইয়া বইয়া কানার পিট খাউজাইছস?
জেলার নাম কুষ্টিয়া
গত পাঁচদিন কুষ্টিয়া কাটিয়ে আসলাম।এবার শহরের আমার প্রিয় জায়গা গুলাতে আমি ইচ্ছা করেই যাইনি বা যাওয়া হয়ে উঠেনি।জায়গাগুলো মনের মধ্যে যেভাবে আছে সেভাবেই থাকুক সেই কারনে। কিন্তু কুষ্টিয়া মনে হয় আগের মতোই আছে।সেই রকম নিরিবিলি।যে রকম দেখে আসছি ছোটবেলা থেকে।এই শহরটা আমার জন্মস্থান কিন্তু এই জীবনে এই শহরে আমার গোটা তিরিশদিনও থাকা হয় নাই।ছোটবেলাতে নানাবাড়ি গেলে আমরা ছোটরা স্কুলের সমাজ বই নিয়ে বসতাম দেশের কোন বিভাগ বেশি ভালো এই নিয়ে বরাবরের মতো আমি আর আমার এক খালাতোভাই থাকতাম রাজশাহীর পক্ষে আর বাড়ির অন্যরা থাকতো খুলনা বিভাগের পক্ষে।তখন খুব মন খারাপ হতো কারন জন্মস্থান আমার কুষ্টিয়া হলেও আমি খুলনা বিভাগের লোক হতে পারতাম না বলে।
ছবি ব্লগ: হারিয়ে যাওয়ার ঠিকানা...
বুড়া বয়সেই ছবি তোলার শখটা মাথায় চাপলো। যখন তারুণ্যে উদ্দাম ছিলাম, তখন ক্যামেরা কিননের সামর্থ্য ছিলো না...তখন ছবি নিয়া নানারকম এক্সপেরিমেন্টাল আগ্রহ কাজ করতো। তখন এলোমেলো হাটতাম-ঘুরতাম। এর ফাকে ফাকে খালি চোখে অবলোকন করতাম লাখো ছবির ফ্রেইম। মধ্যবয়স পার কইরা এখন আর আগের মতোন উদ্দেশ্যহীন থাকতে পারি না। কোথাও ঘুরতে যাওনের লেইগা পরিকল্পণা লাগে। পরিকল্পণার পারফেকশনের ভক্তও হইয়া উঠি মাঝে সাঝে।
গতোমাসের শেষ দিনে পেশাগত কাজে ঢাকার পাশেই মানিকগঞ্জের ত্বরা গ্রামে গেছিলাম। সাধারণতঃ কাজের সময় আমার কেনো জানি ছবি তুলতে শখ হয় না। তয় ঐদিন এক তরুণ বন্ধু আমার সাথে যাইবো বইলা গো ধরলো। সে উঠতি ফটোগ্রাফার। অকুস্থলে পৌছাইয়া তারে ক্যামেরা বাইর করতে দেইখা আমিও ভাব ধইরা কয়টা ছবি তুললাম। মনে হইলো ছবিগুলি ব্লগে শেয়ার করা যায়...
বই মেলা এবং একটি নতুন বই
ফেব্রুয়ারী মাস মানেই ভাষার মাস। আর এই মাসেরই আরেকটা অবিচ্ছেদ্য অংশ বই মেলা। আমারা যে এখনো নষ্ট হয়ে যাই নি তার প্রমাণ বই মেলা। এতো জ্ঞানপিপাসু লোকের ভীড় দেখে এখনো বোঝা যায় আমরা আমাদের আত্মার মৃত্যু ঘটতে দেইনি। সাহিত্যের রস এখনো আমাদের মন থেকে মুছে যায় নি। যাই হোক এইসব দার্শনিক টাইপ কথা না বলে মূল কথায় আসি। কথাটা একটা বই নিয়ে। ছোটদের জন্য লেখা একটি বই। বহুল ব্লগ আলোচিত মাইনুল এইচ সিরাজীর ‘প্রেম পৃথিবীর পাঁচালি’ বইটি কিনতে গিয়ে বইটি চোখে পড়ে। শাহানা সিরাজীর ‘প্রজাপতির দেশে’। ‘প্রেম পৃথিবীর পাঁচালি’ নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। উনার লেখা আমি সবসময়ই পছন্দ করি। উনার এই বইটাও আমার প্রত্যাশা পূরণ করেছে। এখন আসছি ‘প্রজাপতির দেশে’ বইটার কথায়। প্রথমেই বলি বইয়ের প্রচ্ছদের কথা। মামুন হোসাইন ছোটদের কথা মাথায় রেখে মানানসই একটি প্রচ্ছদ তৈরি করেছেন। যথেষ্ট আই ক্যাচিং। লেখিকা শাহানা সিরাজী বইটিকে শিশু-কিশোর
ওরা বড় হবে,চড়বে গাড়ী / আর আমি কাটবো ঘাস!
আমাকে নিয়ে কোন সময়ই আমি উচ্চ ধারনা করি না।নিজেকে কোন সময়ই বড় কিছু এই জীবনে কখনোই মনে হয় নাই।এইটা কোন বিনয় বা লোক দেখানো ভদ্রতা না এইটা নিজের একান্ত বোধের জায়গা!সুতরাং লোকজন আমার অক্ষমতা নিয়ে কিছু ভৎসনা করবে এইটা মেনে নেওয়া ছাড়া আমার আর কোন গতি নাই।অন্যের জন্য কিছু করতে পারলে নিজের অনেক ভাল লাগে তাই করে দেই সাধ্যের ভেতরে থাকলে।এই যেমন কথা ছিলো আমার এক বন্ধুর ছোট ভাই চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় আসবে তার জন্য ফিরতি টিকেট কাটতে হবে ট্রেনের। আমিও অনুপ্রানিত হয়ে ছুটির শনিবারে কমলাপুরে যেয়ে টিকেট কাটলাম। এরপর কয় সে আসবে না মেজাজটা প্রচন্ড গরম হইলো সেই বন্ধু মাফটাফ চেয়ে তো অস্থির কি আর করা যাব.. গেলাম আবার টিকেট ফেরত দিতে ভাবলাম একটু ব্যাবসা করা যাক ফেরত না দিয়ে বেচে দিলাম এক চাচার কাছে ১৬৫ টাকার টিকেট বেচলাম ২০০ টাকায়।ভালৈ লাগলো ব্যাবসাটা করতে সেই আনন্দে কেটে আনলাম জামালপুর যাবার টিকেট।
মাসব্যাপী কার্নিভাল ০৬
সপরিবারে ঢাকার রাস্তায় নামবার একটাই বিপদ, মুখে কুলুপ এঁটে রাখতে হয়, সিগন্যালে গাড়ী থেমে আছে, ঠিক পেছনেই একটা ৯২ মডেলের টয়োটা বিশ্রীভাবে হর্ণ বাজাচ্ছে, মেজাজ তিরিক্ষি, মিশুকের পেছনের ফাঁক দিয়ে তাকালাম, যদি সত্যযুগ হতো তাহলে সে আগুণে বিস্ফোরিত হতো গাড়ীটা কিন্তু কলিকালে এইসব ঘটে না। ভীষণ ইচ্ছা করতেছে নীচে নেমে ড্রাইভারের কলার চেপে নামিয়ে বলি ' বাঞ্চোত তোমার হোগা দিয়া হর্ণ ভইরা তার পর বাজাবো, এই সিগন্যালে হর্ণ বাজায়া উইড়া যাইবা তুমি?' কোলে ছেলেকে নিয়ে এই স্বরস্বতী পূজার দিন এইসব বলা হয়ে উঠে না। পেছনে টয়োটার হর্ণ বাজতে থাকে
আমার বই: সাদা-কালোর অর্থনীতি

আজ বের হয়েছে বইটি। দিব্য প্রকাশ থেকে। মূল্য ১২০ টাকা। আজ বের হলো বলে আবারো বিজ্ঞাপন দেওয়ার লোভ সামলানো গেল না। বইটির সবচেয়ে ভাল অংশ তুলে দিলাম, আর সেটি হল মুখবন্ধ, বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের লেখা।
মুখবন্ধ
সান্ধ্যাকালীন ব্লগরব্লগর প্রচেষ্টা
১.
রাতে একটা মেজবানের দাওয়াত আছে। চট্টগ্রামের মেজবান জিনিসটা প্রায় সবার মতো আমারও পছন্দ। কিন্তু আজকের দাওয়াতের জায়গাটা নাপছন্দ আমার, হৈ হৈ করে খানাপিনার ব্যবস্থা নাই ওখানে। খেতে হবে চুপচাপ, ছুরি কাটায় কেবলি টুংটাং। সবকিছু খুব বেশী সাজানো গোছানো সুশৃংখল, সুন্দর। এত বেশী শুভ্রতা ভালো লাগে না অনভ্যস্ত চোখে। বেয়নেট দেয়া রাইফেল হাতে উর্দিপরা সিপাহির নিরাপত্তা ছাউনিতে এখনো স্বস্তিবোধ করি না। হাসি হাসি চোয়াল ব্যাথা করা কাষ্ঠহাসি, বড়লোকী দাওয়াতের বিড়ম্বনা। তবু কর্মসুত্রের দাওয়াতে না গিয়েও হয় না।
২.
যখন কিছু লিখতে ইচ্ছে করে, কিন্তু মাথার ভেতরে কোন বাক্য কাজ করে না সেরকম দুঃসময়ে যেসব এলোমেলো বাক্য পয়দা হয় তাকে কোবতে বলে ভুল হতে পারে। যেমন-
বেহিসেবি কথা বলার একজন বন্ধু দরকার
বেয়াড়া সময় কাটানোর একটা জীবন
বেসামাল হারিয়ে যাবার একটা অরণ্য আর
বেহুদা লেখালেখি করার একটা খাতা
স্বপ্ন
গত পরশু রাতের ঘট্না। আম্মা স্বপ্নে দেখলেন, আমার পিতা আসছেন দেখা করতে। উনি হজ্জ্বে যাবেন। আমাকেও সাথে নিতে চান। হজ্জ্ব করতে যাওয়া মুসলমানের জন্য অত্যন্ত খুশির খবর। স্বপ্নে আম্মার খুশি হওয়ারই কথা। কিন্তু আম্মা খুশি হন না।
স্বপ্নে যদিও জীবিত মানুষ হিসেবেই আসেন আব্বা। কিন্তু আম্মার অবচেতন মনে কু-ডাক ডেকে উঠে। মৃত মানুষ তাঁর সন্তানকে সাথে নিতে চাওয়া হয়তো কোন বিশেষ ইঙ্গিত বহন করে! তাঁর মন বাধা দেয়। "না, আমার ছোট ছেলেকে আপনার সাথে যেতে দিবো না। আপনি একাই যান।", আম্মা স্বপ্নে আব্বার উদ্দেশ্যে বলে উঠেন। আব্বা চলে যান।
ভিঝ্যুয়াল ডিকশনারি- ১ (স্ট্রিক্টলী ১৮+)
ভাবলাম একখান ভিঝ্যুয়াল ডিকশনারি সিরিঝ চালু করি। যেই ভাবা সেই কাজ 
চলেন তাইলে শুরু করি 

চিত্র-১ - মেনিফেস্ট সারপেন্ট
মেনিফেস্ট সারপেন্ট (manifest serpent)-
মেনিফেস্ট সারপেন্ট বলতে গিয়া বুঝায় যেমন ধরেন ''ক্লীয়ার এন্ড প্রেঝেন্ট ডেন্জার'' টাইপের বিপদরে। ধরেন আমি ক্ষতিকর ব্যাক্তি এইটা যদি আমার হাবভাবে কাজে কর্মে ক্লীয়ার ফুইটা উঠে তবে আমারে বলে মেনিফেস্ট সারপেন্ট। চিত্র ১'এ অনেকটা মেনিফেস্ট সারপেন্টের মত আচরণ করতঃ সরাসরি'ই কারো প্রতি অনুভূতি জানিয়ে দেয়া হচ্ছে

চিত্র-২ - সারপেন্ট ইন দ্য গ্রাস
সারপেন্ট ইন দ্য গ্রাস (serpent in the grass)-
শুভ জন্মদিন বাবা
প্রিয় আব্বা,
যদি তুমি যাও, আমিও তোমার সঙ্গে যাবো
১.
এক ধরনের মানুষ আছে; যারা কোনকিছুর সাতে কিংবা পাঁচে থাকেন না, বিশেষতঃ যখন দীঘির জলের মতো স্থির হয়ে থাকে জীবন। যখন চারিদিকে চলতে থাকে শান্তির বাতাস।
তবে কোনো গন্ডগোল হলে এঁরাই কিন্তু সবার আগে মানুষের জন্য নিজের জীবন বিলিয়ে দিতে এগিয়ে আসেন। মাদাগাস্কার ইস্কেপ টু আফ্রিকা'তে মেলমিন চরিত্রটা ঠিক এমনই লেগেছিলো আমার কাছে। যদিও মেলমিন মানুষ না, একটা জিরাফ। তবে ওর চালচলন, কথা-বার্তা, চিন্তা আর প্রেমে পড়ার ধরণ মানুষের মতোই।
এ্যনিমেশন আমার কাছে একটা আশ্রয় কেন্দ্রর মতো। যখন আর পারি না, আমি ওর কাছে আশ্রয় নিই। আমার সবচে' প্রিয় এ্যনিমেশন ওয়াল-ই। মাঝে মাঝে নিজেকে ওয়াল-ই'ই মনে হয়। বুড়ো, জং ধরা, অসম্ভব কিউট কিন্তু ব্যাকডেটেড একটা রোবট; পৃথিবী পরিত্যক্ত হয়ে যাওয়ার পর সেখানকার জঞ্জাল সাফ করা এবং সেগুলো জমিয়ে আকাশছোঁয়া কিউব বানানো যার ডিউটি।
সব ধরনের ক্রিকেট থেকে সৌরভের অবসর
কলকাতা নাইট রাইডার্সের জীবন শুরু হয়েছিল ২০০৮ সালে। ওই বছরই সৌরভ গাঙ্গুলী বিদায় জানিয়েছিলেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে। এরপর থেকে নাইট রাইডার্সের পাশাপাশি খেলেছেন বাংলা দলের হয়ে। কিন্তু এবার আইপিএলের কোনো দলের হয়েই খেলার সুযোগ না পেয়ে ক্ষোভে আজ সোমবার সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন কলকাতার এই ‘বরপুত্র’।
‘আমি আইপিএলে খেলার কোনো সম্ভাবনা দেখছি না। ফলে খেলা চালিয়ে যাওয়ারও কোনো সম্ভাবনা নেই। কারণ আইপিএলে নিজেকে ফিট রাখার জন্যই রঞ্জি ট্রফিতে খেলেছি আমি।’ ভারতের একটি টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাত্কারে ক্রিকেটকে চিরতরে বিদায় জানানোর সিদ্ধান্তটি জানিয়ে বলেছেন সৌরভ।
এখানে জয়ী হবার বদলে ক্ষমা চাইতে ভালো লাগে

১.
আমাদের বারান্দায় ঘরের চৌকাঠে
কড়ি কাঠে চেয়ারে টেবিলে আর খাটে
দু:খ তার লেখে নাম।
(শামসুর রাহমান)
২.
হাত দেখার একটা নিয়ম আছে। হাত ধরে বলতে হয়, আপনি সবার জন্য এতো করেন, এতো ভাবেন কিন্তু সবাই আপনাকে নিয়ে ঠিক সেভাবে ভাবে না। সবাই আপনাকে বুঝতে পারে না।
সবাই নিজেকে নিয়ে এটাই ভাবে। কিন্তু নিজেও যে কত মানুষকে কষ্ট দেয়. দুঃখ দেয় সেটা বুঝতে পারে না, মনে রাখে না।
এই অংশটুকু আমি নিজেকেই উৎস্বর্গ করলাম।
৩.
ভালো হোক মন্দ হোক যায় মেঘ আকাশে ছড়িয়ে
আমাকে জড়িয়ে ধরে হাওয়া তার বন্ধনে বাহুর।
বুকে রাখে, মুখে রাখে – ‘না রাখিও সুখে প্রিয়সখি!
যদি পারো দু:খ দাও আমি দু:খ পেতে ভালোবাসি
দাও দু:খ, দু:খ দাও – আমি দু:খ পেতে ভালোবাসি।
অনেকদিন পর মগবাজার ওভারব্রীজ দেখা।
আজ হরতাল। হরতালে কার কি ক্ষতি হয় আমার জানা নাই। তবে আমার ক্ষতি মানসিক ও আর্থিক। হরতাল হলে আমার রিক্সায় অফিসে আসতে হয়। অফিস থেকে ফিরার পথে হেঁটে যাবার কথা চিন্তা করলেও অফিসে আসার সময় তা চিন্তা করতে পারি না। কারন সময় মত অফিসে হাজির হতে হবে। অফিস ছুটির পর রাতে রিক্সায় উঠা কিংবা হেঁটে যাওয়াতে আমার আর্থিক ক্ষতির সাথে মানসিক সমস্যা হয়, কখন ঠ্যক খেলাম, কখন মামুরা এসে বলবে - চিল্যাবি না, কি কি আছে দিয়ে দে! ঘড়ি দে, মোবাইল দে, মানিব্যাগ দে! লুকাইয়া কই টাকা রাখছস, দিয়া দে! নাইলে ভুঁড়ি নামাইয়া দিমু। বাংলামটর থেকে মগবাজার হয়ে মৌছাক - মোটামুটি হাইজ্যাকারদের স্বর্গক্ষেত্র বলা চলে! আজকাল নাকি প্রাইভেট কারে হ্যাইজাক ভাইরা এসে রিক্সার সামনে দাঁড়ায়! গতকাল এমনই কথা শুনলাম, কিছুদিন আগে নাইট ডিউটি করে সকালে বাসায় যেতে এমন একটা ঘটনা দেখেছিলাম সাইন্সল্যাবের মোড়ে।