ইউজার লগইন
ব্লগ
সংগ্রামের ঐতিহ্যয়ের ১৭ই সেপ্টেম্বর, মহান শিক্ষা দিবস।
১৭ই সেপ্টেম্বর ১৯৬২ সাল, পাকিস্তানি শাসন, শোষণ, শিক্ষা সংকোচন নীতির বিরুদ্ধে লরাই করতে গিয়ে শহীদ হন মোস্তফা, ওয়াজিউল্লা, বাবুলসহ নাম না জানা অনেকেই। তাই আমরা তাদের স্মরণে পালন করি "শিক্ষা দিবস"
অবদমন
"এমন সুন্দর মেয়েটাকে এইভাবে কেউ মারে" কান্না শুনে পাশের মসজিদ থেকে হেঁটে এসে মৌলভিসাহেব বললেন : বাবা, কাউকে মুখে মারতে হয় না, মুখটা আল্লাহ নিজের হাতে তৈরি করেন।" ঘাড়গোঁজ করে দাঁড়িয়ে থাকা পুরুষের রোষ তখনও কাটে নি, হাতের কঞ্চি এলোমেলো পাশের পুঁইলতার উপর চালিয়ে মাথানিচু করে ঘরের দাওয়ায় গিয়ে বসে।
মৃতপ্রায় দিগন্তজোড়া
বলা হতো যখন দিগন্ত ঢেকে যেতো তীব্র শীতের সাদা বরফে, তখন রাতের আধারে নেমে আসতো বর্বরতার দেবতা। লুটে নিতো লুটেরা, হত্যা করতো গ্রামের পর গ্রাম, তরুনী কিশোরী নির্বিশেষে হতো ধর্ষিত নিজের আপনজনের সামনে। এভাবে যখন প্রতিটা শীতে একের পর এক গ্রাম জ্বলে ন গরীর লোকালয়ে পা রাখে তখন ছোট রাজকন্যা বিমর্ষ রাজার কানে একটা বুদ্ধি এটে দেয়। বলে এমন একটা দূর্গ বানাতে যার মধ্যে ঢুকলে শত্রুরা পথ হারিয়ে ফেলবে, হীতাহীত জ্ঞান হারিয়ে যুদ্ধ করার সমর্থ খোয়াবে। পাহাড়ের ওপর বিশাল এক গোলকধাঁধার দূর্গ।
এভাবেই শতকের পর শতক প্রাগের দূর্গ সুরক্ষিত করে আপন লোকালয়, জনমনে এনে দেয় স্বস্তি। প্রবল শীত গুটিগুটি পায়ে এগুচ্ছে আমার জানালার শার্ষিতে আর আমি ঢুলুঢুলু চোখে আকিবুকি করি কুয়াশা ঢাকা কাচে। অবিচ্ছন্ন অবসর আমার, তাই বাসায় ফোন করবার ভুলটি করে বসি।
: সকালে খেয়েছিস?
: হ্যা।
: ঠান্ডা কেমন পড়েছে?
: এখনও তেমন না।
: হাতে টাকা পয়সা আছে? ভালো জ্যাকেট?
এমন যদি হত
ঊনিশ তলার উপর থেকে কোন কিছুই স্পষ্ট দেখা সম্ভব না, অথচ আমি ওকে স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি। রিক্সা থেকে নেমে রাস্তা পার হচ্ছে,ওর এক হাতে সিগারেট আর অন্য হাতে কাঁধে ঝোলানো ব্যাগের বেল্টটা ধরা।আজ ও হলুদ টি-শার্ট টা পরে এসেছে,সাথে ওই সবুজ প্যান্টটাও।এই পোশাকে অনিকে দেখলেই তো হাসি পায়।সেদিন লাইব্রেরী রুমে পড়ছিলাম আমি,অনি,রোমেল আর নিশা।এদের মধ্যে পড়ার মত পড়ছিল শুধু নিশাই।বাকি তিনজন ছিলাম হুমায়ূন আহমেদের টি-মাস্টার হয়ে।এই নামটা আমার দেয়া না,নিশার দেয়া।প্রায় প্রতিদিনই আমরা একসাথে পড়তে বসি,নিশা পড়ে আর আমরা যথারীতি ফাইজলামি করি যার ফলস্বরূপ আমাদের এই নাম দেয়া হয়েছে।জীবনে কিছু করতে না পারলেও হুমায়ূন আহমেদ স্যার এর তিনটা চরিত্র তো হতে পেরেছি!
ওইদিন অনি বেশ ফানি মুডে ছিল আর বলির বাখড়া ছিলাম আমি।টপিক টা না হয় বাদই দিলাম!সেদিন ও কেন এত এক্সাইটেড ছিল সেটা বোঝা যাচ্ছিলনা।হঠাৎ রোমেল বলে উঠল, “অনি তোমার ঘাড়ে কিসের দাগ?”বলা বাহুল্য রোমেল ছেলেটা কথাবার্তা কম বলে,নীরবে উপভোগ করাটাই বোধ হয় ওর নীতি।সবাই ওকে তুই করে বললেও রোমেল সবাইকে ‘তুমি’ সম্বোধন করে।
ভাঙ্গা মন নিয়ে তুমি, আর কেঁদোনা
তুমি কখনো পুর্নিমার রাতে বৃষ্টিতে ভিজেছো? ছাদে দাঁড়িয়েতো বৃষ্টিতে ভিজেছো, তাই না? তখন কি রাত ছিলো? খোলা আকাশের নীচে, পূর্নিমা বা অমাবস্যায়? হয়তো লোডশেডিং ছিলো। অথবা ছাদে নও, খোলা মাঠে দাঁড়িয়ে বৃষ্টিতে ভিজেছো। তোমার চুল বেয়ে পানি মিশে গিয়েছিলো ধরনীতে। আচ্ছা, সেদিন কি তোমার মনে খুব কষ্ট ছিলো? তোমার বুকের ভেতর কিছু কি পাক খেয়ে উঠছিলো? আচ্ছা, তুমি কি সেদিন কাঁদছিলে?
"আমার গল্প শুনে কারো চোখে করুনা জল যদি আসে
ভীষন দুঃখ পাবো, আমিতো রয়েছি সুখে এক বুক বেদনা নিয়ে"
- তপন চৌধুরী
তুমি কি আঙ্গুলের ফাঁকে আঙ্গুল গুঁজে দেয়ার মানে জানো? তুমি কতখানি গুনতে পারো? কখনি কি চেষ্টা করেছো জলপ্রপাত হয়ে ভেসে যেতে? পড়ন্ত বিকেলে কি বাঁশির সুর তোমায় পাগল করে? অথৈ জোছনা না জোনাকিপোকা? রাত গভীর হলে কার ছায়া খুঁজো তুমি?
নিঝুম রাতের আধারে, জোনাকিরা মিটিমিটি জ্বলে
তুমি নেই আজ, আমি শুধু আছি, একা বেঁচে আছি
- অবসকিউর
জেনেও করি, না জেনেও করি-পাপ
আমার থাকতে জনম পাপের
আঁধার ঘুচবে কি মনে
জেনেও করি, না জেনেও করি
পাপ...
করি ক্ষনে ক্ষনে।।
তোমার নিয়ামত ভোগ করি খোদা
সকাল দুপুর রাতে,
তোমার সৃষ্টি দেখে নয়ন জুড়াই
সন্ধা সুপ্রভাতে।
তবু শোকর করি না আমি-২
ভাবি না তো খোদা , এসবি তোমার দানে।
জেনেও করি,না জেনেও করি
পাপ...
করি ক্ষনে ক্ষনে।।
তোমার হুকুম তরফ করি সদা সর্বদা।
তবু তোমার করুণা দিয়া
বাঁচাও হে খোদা।
বিনে পয়সায়,বিনা মুল্যে দিলে,
বাতাস পানি নিদ্রা সর্বজনে।
জেনেও করি না জেনেও করি
পাপ...
করি ক্ষনে ক্ষনে।।
ধূসর গোধূলিঃ স্বপ্ন ডানায় চড়ে
পাখির কিচিরমিচির শব্দে ঘুম ভেঙ্গে গেল অয়নের। আড়মোড়া ভেঙ্গে উঠে পড়ল ও। ঘরের বাইরে এসে দেখে সূর্য ওঠেনি তখনো। খাবারঘর থেকে বাবা মার কথা ভেসে আসছে। ছোটদি’র ঘরে উঁকি দিয়ে দেখলো তখনো ঘুমিয়ে আছে বকুল। ঘর থেকে বেরিয়ে উঠানে নেমে এলো ও। সারারাত বৃষ্টি হওয়ায় উঠানটা কাদা জমে কেমন স্যাঁতসেঁতে হয়ে আছে। কাদা এড়িয়ে ঘাসের উপর দিয়ে ঘরের পাশের ছোট ফলের বাগানে চলে আসলো অয়ন। ছোট্ট বাগানটায় বেশকিছু ভাল জাতের ফলের গাছ লাগিয়েছে সাত্তার মাষ্টার। মন্টু গাছগুলোর বেশ যত্ন নেয়, তাইতো বাগানটা সবসময়ই বেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকে। বাগানটি শেষ হলেই বাড়ির পশ্চিমদিকের একেবারে শেষ প্রান্তে বেশ বয়সী একটি হিজল গাছ আর বড় একটি বাঁশের ঝাড়। সকাল আর সন্ধ্যায় এখানে প্রচুর পাখি এসে ভিড় করে। ওদের কিচিরমিচির শব্দে চারিদিক মুখরিত হয়ে ওঠে তখন। অয়নের ভীষণ ভাললাগে পাখিদের এই মিলন মেলা। প্রতিদিন সকালে এই পাখি ডাকার শব্দেই ওর ঘুম ভাঙ্গে। অয়ন বাগানের মাঝখানে আতা গাছটার নীচে এসে দাঁড়াল। গত পরশু নতুন ফোটা পাখির বাচ্চাগুলো খাবারের জন্য কেমন শব্দ করে ডাকছে। দুটো বাচ্চা ফুটেছে, কি সুন্দর!
একজন ফরহাদ মজহার এবং অনৈসলামিক রাজনীতি - দুই
স্বয়ং বুদ্ধিবৃত্তিক রাজাকার ফরহাদ মজহার
মুক্তিযুদ্ধে আদিবাসীদের ভূমিকা
একাত্তর বা মুক্তি সংগ্রামে বাঙালিদের অংশ গ্রহণের পাশা-পাশি এদেশের আদিবাসীরাও অংশগ্রহণ করে। এদেশে পঁয়তাল্লিশটি আদিবাসী সম্প্রদায় রয়েছে। অত্যাচার-নির্যাতনের দিক থেকেও আদিবাসীদের উপর অত্যাচারের মাত্রা কোন অংশে কম ছিল না। কিন্তু রাষ্ট্র, রাজনীতি ও সামাজিক প্রতিবন্ধকতার কারণে বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাসে আদিবাসীদের অবদান সবসময় অবহেলিত। বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামে আদিবাসী নারী-পুরুষ প্রত্যক্ষভাবে মুক্তিসংগ্রামে অংশ নেয়। কিন্তু পরিতাপের বিয়ষ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে আদিবাসীদের অবদান সে রূপভাবে স্থান পায় নি। এতো বছরেও সম্মান মেলে নি সেই সব লড়াকু সৈনিকদের।
ইউনূসের ওপর সুদখোর মহাজনদের অভিশাপ (পর্ব-১)
প্রতিবেশী দেশ ভারতের অমর্ত্য সেনও নোবেল পেয়েছিলেন। কিন্তু তার নোবেল পাওয়া নিয়ে কোনো বিতর্ক হয়নি।
কিন্তু ড. ইউনূস নোবেল পাওয়ার পর দেশে আনন্দের জোয়ার বয়ে গেলেও বিভিন্ন সময়ে নানা কারনে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছেন তিনি। ইদানিং আওয়ামী লীগ সরকারও ইউনূসের ওপর সদয় নয় ।
(আওয়ামী লীগ যে উদ্দেশ্যেই বিরোধীতা করুক না কেন সেটা আমার এ লেখার মূখ্য বিষয় নয়)।
আমাদের ফালতু রাজনৈতিক সংস্কৃতির কারনে বিএনপি ইউনূসের পক্ষে অবস্থান নিলেও এ ব্যাপারে ব্যপক জনমত গড়ে উঠে নি। ইউনূসের নানা কর্মকাণ্ড নিয়ে বিতর্কেরও শেষ নেই। কিছুদিন আগে নোরাডের তহবিল অপসারণের খবর প্রকাশের পর বিতর্কের ঝড় ওঠে। ড. ইউনূস আত্মপক্ষ সমর্থন করতে গিয়ে স্বীকার করেন, কর ফাঁকি দেওয়ার জন্যই তিনি ওই তহবিল অন্য স্থানে অপসারণ করেন। কর ফাঁকি দেওয়ার এ উদ্দেশ্যে তাঁর ধূর্ত ব্যবসায়ীক মানসিকতারই ইঙ্গিত বহন করে।
একজন পতিতা ও কিছু কথা
কয়েকদিন আগে মাদারীপুরের পতিতাপল্লী উচ্ছেদ করা হয়েছে এলাকাকে পাপ কাজ থেকে উদ্ধার করতে এবং সমাজকে কলুষমুক্ত রাখতে! বেশ ক'বছর আগে নারায়ণগঞ্জের টানবাজার থেকেও এভাবেই উচ্ছেদ করা হয়েছিল যৌনকর্মীদের এবং তারপরের ঘটনা আমরা সবাই জানি! এসব যৌনকর্মী ছড়িয়ে পড়েছিল রাস্তাঘাট, আবাসিক এলাকা থেকে শুরু করে হোটেল এবং বস্তিতেও। একটা এলাকাকে পাপমুক্ত করতে গিয়ে গোটা দেশে ছড়িয়ে পড়েছিল! আমি কোনোভাবেই এই পেশার পক্ষে নই; কিন্তু সমাজের সুধীজনদের একটু ভেবে দেখতে অনুরোধ করি, একটা মেয়ে কতটুকু বিপদে পড়লে বা কোন অবস্থায় নিজেকে এই পেশার সঙ্গে যুক্ত করে বা আদৌ তারা নিজেরা স্বেচ্ছায় এ পেশায় যুক্ত হয় কি-না? আমরা যতদিন পর্যন্ত এসব হতভাগা মেয়ের জীবিকা নির্বাহে বিকল্প কোনো ব্যবস্থা করতে পারব না, রাষ্ট্র এবং সমাজ না করবে, ততদিন পর্যন্ত কোনোভাবেই এ পেশাকে নির্মূল করা সম্ভব কি? যদি তা না হয় তাহলে ২-১টি পল্লী উচ্ছেদ করে এসব মেয়েকে ভাসমান করে পুরো সমাজটাই কি পতিতাপল্লী হয়ে উঠবে না?
যেসব সুধীজন এই অসাধারণ সমাজকল্যাণমূলক ভালো কাজটি করে বাহবা কুঁড়িয়েছেন তাদের কাছে আমার সবিনয়ে কিছু প্রশ্ন_
সীমান্ত হত্যার পরিসংখ্যান দেখবার জন্য খানিক সময় ব্যয় করি, আসুন ।
স্টার জলসা, জি সিনেমার ডেইলি সোপ দেখার সময় থেকে খানিক সময় দেই, আসুন । লেহেঙ্গা, সানি লিওনের হাল ফ্যাশনে নিজেকে আবৃত্ত করতে করতে এক নজর চোখ বুলিয়ে নিন । কারণ, আজ আমাদের বিশেষ দিন । বিশেষ দুঃখের দিন । স্টার জলসা, জি সিনেমার কূটনামী সিরিয়াল, লেহেঙ্গা-সানি লিওনের আধুনিক ফ্যাশনের নির্মাতা দেশটি আজ নাঙ্গা হয়েছে । উৎকট নগ্ন শরীরটি দেখিয়েছে । ফেলানীর হত্যাকারীকে তারা বেকসুর খালাস দিয়েছে ।
এইবার পরিসংখ্যান, সংবাদপত্রের উদ্ধৃতি
সীমান্ত আইন লঙ্ঘন করে জিরো পয়েন্ট থেকে বাংলাদেশীদের ধরে নিয়ে যাচ্ছে, হত্যা করছে । গত বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি দিনাজপুর সীমান্তে মিজানুর রহমানের চোখ উপড়ে হত্যা করে- যা পৃথিবীর জঘন্য ও ঘৃণ্য হত্যার একটি অনন্য দৃষ্টান্ত। তাদের মাত্রা এতটাই বেড়ে গেছে যে, সীমান্তে মানুষ পরিবার নিয়ে নিরাপদ মনে করছে না। কয়েক মাস আগে বাংলাদেশের কুমিল্লার একটি সীমান্তে বিনা উস্কানিতে এক বাংলাদেশীকে যে ভাবে বিবস্ত্র করে নির্যাতন করে, ভারতীয় টেলিভিশনের ভিডিও ফুটেজ দেখে হতবাক হয়েছে সারা বিশ্ব। সভ্য সমাজের মানবতা যেন ভূলুণ্ঠিত হয়।
ভাত, ভোট,স্বপ্ন আর গ'তন্ত্র
কল্পলোকের গল্প বলে নেতা দেখায় স্বপ্ন,
ঠা ঠা রোদে চর্ম পুড়ে গিলে নিরন্ন ।
নেতার গলায় মধুর হাঁড়ি,
কানে লাগে মিষ্টি ভারি,
গল্প গিলে অল্প হলেও ভরত যদি পেঠ,
কেইবা অমন খুন বহাতো পোড়া পেটের জন্য !
নেতা-নেতী ভাতের-ভোটের স্বপ্ন ফেরি করে,
(তবু) হা'ভাতেরা হাজার বছর পড়ে থাকে হা করে,
দুগ্ধ-মাখন,হালুয়া-রুটি,
নিজেরা খান লুঠিপুটি,
গলায় তৃপ্তির ঢেকুর তুলে দেন ঊপদেশ সংযমের,
এমন শালার নেড়ির বাচ্চার নেতৃত্ব আজ দেশ জুড়ে ।
চুপি চুপি 'কারচুপি' সব দলে চায় হোক ভোটে,
নিজেরা জিতলে শ'ভাগ সঠিক ! অন্যের বেলায় বটে,
গদি থাকলে হারাম যা যা,
গদি গেলে হালাল সব,
গোদের উপর বিষফোঁড়া 'হর ---' গণের মাথায় 'তাল' পড়ে,
পঁচা ডিমে তা দিয়েও 'গ'তন্ত্রের ছা' ফোটে !
এলোমেলো নদী
মেঘনাতে আমি দিনক্ষণ ঠিক করে যাইনি আর। হঠাৎ মনে হয়েছে দৌড় দিয়েছি। স্প্যানিশ গীটার প্রথম হাতে খড়ি আমার বন্ধু সোহাগের কাছে। সেই উপলক্ষে কোনদিন সকালে তো কোনদিন বিকালে আমরা এক এক জায়গায় বসতাম। এক সকালে সোহাগ এলো দোস্ত লিপুকে নিয়ে। আমরা আইয়ূব বাচ্চুর Ôসেই তুমি বাজাচ্ছি নিষ্ঠার সাথে। লিপু বলে উঠলো ওর না কি অসহ্য লাগছে। সোহাগের মনে তখন কোনভাবেই জাকিয়াকে পটাতে না পারার কষ্ট আর আমার মনে তো ব্যথার স্থায়ী বসতবাড়ী। তিনজনে ভর দুপুর বেলা গুলিস্তান গিয়ে হাজির। মেঘনার পারে গিয়ে দেখি পূজার মৌসুম শেষ করে শত শত বউ ঝি লঞ্চে করে এসে পাড়ে নামছে। আমাদের ঘণ্টার নৌকা পাওয়া দুষ্কর। হুন্ডাই সিমেন্টের কারখানা হব হব। নদীর এপাড়ে বাঁধা ওপাড়ে বাঁধা। টিকটিক করে চলা একটা মুদির দোকানে বসে চা আর নাবিস্কো বিস্কুট খেলাম। তারপর বসলাম গিয়ে ব্রীজের নীচে। চুপচাপ বসে থেকে, পানির দিকে তাকিয়ে একদম চুপ করে বাসে করে ঢাকা চলে এলাম। সেদিন কেন আমরা এত নীরব ছিলাম তিনজনের কেউ সোহাগের মৃত্যুর আগেও না পরেও না জানতে পারিনি।