ইউজার লগইন
ব্লগ
বৃষ্টিবিলাস
দিন প্রতিদিন বাস ধরবার তাড়া-
থাকেই
নিত্যদিনের ছোট্ট রুটিন কাড়া-
থাকেই
সময় চেপে বাসায় ফিরে আসা-
থাকেই
সুতোয় চাপা গানের সুরে ভাসা-
থাকেই
সন্ধ্যারাতের আলোয় ঘেরা ঢাকা-
খাকেই
খুব ট্রাফিকে নীরব বসে থাকা-
থাকেই;
বৃষ্টিভেজা পথে নিয়ন আলো,
"ও রজনীগন্ধা তোমার গন্ধসুধা ঢালো",
দমকা হাওয়ায় জলে ভেজার গান
কান্না-মেঘের ব্যাখ্যাহীন এক টান,
হুড নামিয়ে বর্ষাবেঁধা জল
শহরটাতে বৃষ্টি ভেজার ছল,
গুড়গুড়িয়ে হঠাত্ মেঘে
না ডাকে না,
মন মাতানো মনের মিতা,
আপন মতন, আপন কী তা,
একটু পরশ একটু ভাল লাগা
ঘুমের ঘোরে একটুখানি জাগা,
দিন প্রতিদিন এমনি করে
না থাকে না!!!
গল্প: প্রিয় বর্ষাকে নিয়ে দুই ছত্র
বর্ষা একটা দারুণ ঋতু। বিশেষ করে বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে হুডখোলা রিকশায় ঘোরার মজাই আলাদা। এ সংক্রান্ত একটি ছোট্ট সত্যি গল্প মনে পড়ে গেলো লীনা আপুর প্রকৃতি কথা... ব্লগটা পড়ে। ভাবলাম, লিখে ফেলি। উনাকে অনেকদিন কোনো পোস্ট উৎসর্গও করা হয় না। সেটাও করা হলো এই সুবাদে। 
---
সেবার নম পেন যেতে হয়েছিলো একটা আন্তর্জাতিক শিশু বিষয়ক সম্মেলনের ঢাকনা দিতে। কভার করার বাংলা হিসাবে এই কথাটা ব্যবহার করে আমি খুব মজা পাই। সম্মেলন শুরুর দিন সকালে আকাশে রোদ ঝিকমিক করছিলো। আর ছিলো ঠান্ডা বাতাস।
প্রেমের গল্প লেখার অপচেষ্টা ২
****এটা একটা একেবারেই গভীরতাহীন মিলস এন্ড বুন জাতীয় প্রেমের গল্প।ছোটবেলায় যে গল্পগুলো পড়ে শিহরিত হতাম অকারণেই, কৈশোরের সেই শিহরণকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা। সাহিত্যমূল্য অতিনিম্ন।সাহিত্যমূল্য চিন্তা করলে নিজেকে খুলতে পারছিলাম না।তাই সে চেষ্টায় ইতি দিয়ে শিহরণকেই সঙ্গী মানলাম।*****
"“সামিন, সাম-ইন না" ”বিরক্ত কণ্ঠে ব্যাংকের মহিলাটিকে শুধরে দিচ্ছিলো সে, হঠাত পেছন থেকে ডাক পড়েঃ “"এই তুই সমু না?”"
দুপুর বাজে দু’টো, কাঠফাটা ভ্যাপসা গরম বাইরে।
বাংলাদেশে বাংলা ভাষায় অর্থনীতি চর্চা
বঙ্গদেশে অর্থনৈতিক চিন্তার পথিকৃত রাজা রামমোহন রায় (১৭৭২-১৮৩৩)। চিরস্থায়ী বন্দোবস্তে কৃষকদের দুরবস্থা, সরকারি রাজস্বনীতিতে ত্রুটি, সরকারি ব্যয়ের আধিক্য, ভারত থেকে বৃটেনে সম্পদের বহির্গমন ইত্যাদি নানা বিষয়ে আলোচনার পথ খুলে দিয়েছিলেন রামমোহন রায়। কিন্তু রামমোহন রায় অর্থনীতি সম্বন্ধে বাংলায় কিছু লিখেছিলেন বলে জানা নেই, যদিও অন্যান্য নানা বিষয়ে তাঁর বাংলা রচনায় শ্রেষ্ঠত্ব সর্বজন-স্বীকৃত।
ভারতের প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ ভবতোষ দত্ত একটি স্মারক বক্তৃতায় হুবহু এ কথাই বলেছিলেন। স্মারক বক্তৃতার বিষয় ছিল বাংলায় অর্থনীতি বিস্তার ও চর্চার ইতিহাস। বক্তৃতাটি হাতে নিয়ে নিয়ে একজন সাংবাদিক হিসাবে প্রথম যে কথাটি মনে হয়েছিল, তা হচ্ছে রেফারেন্স তো পাওয়া গেলো। কিন্তু হতাশ হতেও সময় লাগেনি। কারণ পুরো বক্তৃতাটাই সঙ্গত কারণে ভারতের প্রেক্ষাপট থেকে লেখা। আর বক্তৃতাটি দেওয়াও হয়েছিল ১৯৯৫ সালে। এরপরে পদ্মা নদীর পানি অনেক গড়িয়েছে, যদিও সেতু হয়নি।
আমার অপদার্থতাকে মাহাত্ম্য ভেবো না!
আমি মানুষটা বড়ই অসামাজিক। এইটা আদর করে বলা না। অনেক সামাজিক মানুষেরা নিজেকে আদর করে অসামাজিক ডাকে। এইটা তেমন আদুরে অসামাজিক ডাক না। বাস্তবিক অর্থেই অসামাজিক ও সামাজিক ভদ্রতা হীন মানুষ। এইটার প্রাকটিসে থাকতে থাকতে আমার কাছে এইটা নিয়েই একটা নিজের ভেতরে অহমবোধ আছে। এবং চরম দুর্দিনেও আমি ইহা মেইনটেইন করছি দারুন ভাবে। বন্ধুরা এইটাকে ধরে নিছে আমার এটিচিউড হিসেবে। আর আত্মীয় স্ব্জনেরা ধরছে ইহা আনস্মার্টনেস সেচ্ছাচারিতা হিসেবে। তাও আমি আমার এটিচিউড নিয়ে সন্তুষ্ট। মাঝে মাঝে নিজের উপর গ্লানির একটা জায়গা তৈরী হয় খানিক সময় পরেই মনে হয় আমি আমার মতোই। কারোর মতো বা আলগা ভাব দেখানোর সময় অনেক আগেই পেরিয়ে আসছি।
রবীন্দ্রনাথ যদি এ যুগে জন্মাতেন...!
ক্স ফেসবুকে তাঁর এক বা একাধিক এ্যাকাউন্ট থাকতো! অল্পদিনেই ফেসবুক চ্যাট, স্ট্যাটাস দেয়া, বিভিন্নজনের ছবিতে লাইক দেয়া এবং অসংখ্য গ্র“পের সদস্য হতেন। তাঁর প্রকাশিত লেখার কাটিং বিভিন্ন বন্ধুকে ট্যাগ করতেন। এই করতে করতে সময় কেটে যেতো। আসল কাজ লেখালেখি তেমন একটা হতো না! বড়জোর নির্মলেন্দু গুণের মুঠোফোনের কাব্য’র আদলে ফেসবুক কাব্য লেখার চেষ্টা করতেন!
ক্স তাঁর ভক্ত ও অনুরাগীরা সরকারের কাছে দাবি জানাতো, রবীন্দ্রনাথের নামে একটি সড়কের নামকরণ করার জন্য। কিন্তু সরকার কিছুতেই এ দাবি মেনে নিতো না। ফলে ভক্তরা কঠোর আন্দোলনে গিয়ে পুলিশের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হতো। ফলাফল : ভক্তদের একাংশ হতাহত হয়ে হাসপাতালে ঠাঁই নিতো। পরদিন দৈনিকের পাতায় শিরোনাম হতো, পুলিশের হাতে মার খেলো রবি ঠাকুরের ভক্তরা!
ক্স মোবাইলফোন কোম্পানি একটেল নাম পাল্টে রবি করেছে। রবি ঠাকুর মোবাইলফোন রবির পরিচালক বরাবর চিঠি লিখতেন, আপনারা তো আমার নাম লইয়া ছিনিমিনি খেলা আরম্ভ করিয়াছেন। তবে কি আমার জন্য একটেল নামটিই বরাদ্দ হইবে?! লোকজন আমাকে কবি একটেল বলিয়া ডাকিলে কি আপনারা খুশি হইবেন!
কে কীভাবে নবজাতকের নামকরণ করবেন
প্রতিটি মানুষেরই নিজ নামের চেয়ে প্রিয়, বড় আপন আর কিছু নাই! চারপাশে তাকালেই এর সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়! নামের মধ্যেই ফুটে ওঠে মানুষের রুচি, বংশ, শিক্ষাদীক্ষা ইত্যকার নানা বিষয়। আগের দিনের বাবা-মা, দাদি-নানিরা নবজাতকের নাম রহিম-করিম, যদু-মধু রেখে দায়িত্ব সারলেও এখনকার গার্জিয়ানরা অনেক সচেতন! যার-যার চরিত্র এবং রুচির ছাপ তারা ঢেলে দেন আত্মজ-আত্মজার নামকরণে! দেখা যাক এমনই কিছু নবজাতকের নাম, কে কীভাবে নামকরণ করবেন-
কবি : অনুসূর্য তিতিবীক্ষা, প্রহর প্রহাদ, পদ্যপ্রজ্ঞা যবনিকা, মার্তণ্ড উদয়াচল, চণ্ডীমঙ্গল কালিকাপ্রসাদ, ধারাপাতিকা বর্ষা
প্রকৃতিবাদী : মৃত্তিকা ঘনিষ্ঠম, অন্তরী লবঙ্গলতিকা, নিপাতক সারসংক্ষুব্ধ, বিহঙ্গবৃক্ষ, সমীরণমলয় দক্ষিণারঞ্জন, সবুজাবতী
খাদক : মিষ্টি, পেয়ারা, বেদানা, আপেল, কইতরি, তরু, বাতাসি, গোল্লা, মধু, আতা, আঙ্গুর, তুষার, কমলা, মিছরি, চিনি
চিত্রশিল্পী : সুতন্বী সুকেশ, অনাদি রজঃস্বলা, বিমূর্তায়ন চৈতন্য, মগ্ন নিমাগ্নিক, তুলিকা মালবিকা, ভূমিকা রঙ্গিলা, পরশটুকুন
কাছের মানুষরা বইয়ের ফ্ল্যাপ লিখলে!
ফ্ল্যাপ লেখক : গলির মোড়ের চা দোকানদার
বইয়ের ধরন : গল্প
কুদ্দুসের নামই যে অনন্য অনার্য এটা জেনেছি মাত্র সপ্তাহখানেক আগে। হঠাৎ সে আমার কাছে এসে বললো, ফ্ল্যাপ লিখে দিতে হবে। তাও আবার গল্পের বইয়ের। আমি সারাদিন চা বানাই, কাস্টমারদের সেবা-খেদমত দিই, পড়ার সময় কই! তবু কুদ্দুস যখন বলেছে না দিয়েও তো পারি না। হাজার হোক, সে আমার কাস্টমার! কাস্টমারের মন জোগানো যে কোনো ব্যবসায়ীর জন্য অতীব জরুরি। দুঃখের কথা হচ্ছে, কুদ্দুসের বইটা আমি পড়ে শেষ করতে পারিনি। অবশ্য শেষ করতে পারবো কি, ওটা শুরুই তো করতে পারিনি। আর সুখের কথা হচ্ছে, বই না পড়েও আমি বুঝেছি কুদ্দুস গল্পকার হিসেবে খুব ভালো। নিজেকে দিয়েই তো সেটা বুঝতে পারি। ও আমার বাকি কাস্টমার। সময়মতো টাকা দেয় না। টাকা দেবে বলে মাসের পর মাস ঘোরায়। হয়তো কোনোদিন বলে বসলো, ভাই, আগামীকাল অবশ্য আপনার সব টাকা দিয়ে দেবো। এখন ১০টা টাকা ধার দেন। পরদিন টাকা পাওয়া দূরে থাক, নগদ দেয়া ১০ টাকাও পাওয়া যায় না!
জলে যায় জলের পোকা, স্কুলে যায় কোলের খোকা
সেদিন দু'টি চড়ুই পাখির কলহ দেখছিলাম। আমি আর দুর্জয়। ওরা ঝগড়া করতে করতে নিজেদের আবাসস্থল ছেড়ে মাটিতে নেমে এসেছিলো। ছেলে চড়ুইটা চড়ুই পাখির ভাষায় চিৎকার করে অন্য চড়ুইদের কাছে সঙ্গীনির নামে বিচার দিচ্ছিলো। আর আশপাশটা ঠিক তখনই নিশ্চুপ হয়ে যেতে দেখে বুঝে ফেললো, দু'টি মানবসন্তান ওদের খেয়াল করছে। সঙ্গে সঙ্গে দুই জন ফুড়ুৎ। চড়ুই পাখিরা কখনোই নিজেদের ঝগড়া মানুষকে দেখতে দিতে চায় না।
সেই ঝগড়ার পুরো সময়টিতে মেয়ে চড়ুইটিকে একবারের জন্যও মুখ খুলতে দেখি নি। ভালবাসা মনে হয় এমনি। সঙ্গীর প্রতি যদি অভিযোগই থাকে, তাহলে কি ভালবাসা থাকা সম্ভব?
ছোট পাখি ছোট পাখি ভাঙচুর হয়ে গেছে শিশুদের খেলনায়, আমাদের দোলনায়…
বয়ে চলা জীবন কাব্যের পান্ডুলিপি ৯
১
দীর্ঘ ১ বছরের উপর হয়ে গেছে। টিভি খুলি না। ভালো লাগেনা। আগে তাও জিওগ্রাফী, ডিসকভারি চ্যানেলে দেখতাম, এখন কিছুই দেখিনা। বাসায় কোন গেস্ট আসলে তার সাথে গিয়ে হয়তো বসি , তখন দেখি। অল্প কিছুক্ষন পরেই বিরক্ত লাগা শুরু হয় । তাই টিভি দেখা হয় না।
২
এক সময় গান শুনতাম প্রচুর। সারাক্ষন গান, ঘুমাতে গেলে গান। এমনকি গান শুনবো বলে ঘুমাইনি কত রাত। সারারাত ধরে গান শুনে কাটিয়ে দিয়েছি কত বার।
এখন গানও শোনা হয় না । মাঝে মধ্যে হয়তো শুনি । কিন্তু সেটা কালে ভদ্রে , কখনো সখনো।
৩
আগে যখন ব্লগ ছিলো না, মাসুম ভাইকেও চিনতাম না। তখন পেপার থেকে মুভির নাম সংগ্রহ করে , অস্কার পাওয়া ছবির লিস্ট ধরে নিয়ে যেতাম সিডি/ডিভিডি কিনতে। ছুটির দিনগুলোতে একের পর এক গোগ্রাসে গিলতে থাকতাম মুভি।
নতুন কোন মুভি সিনেমা হলে মুক্তি পেলে কোন মিস ছিলো না। শঙ্খনীল কারাগার দেখতে গিয়ে শার্টের বোতাম ছিড়েছিলাম, ধাক্কা ধাক্কি করে গ্যারিসনে টিকেটে কেটে দেখি টিকেটের গায়ে "টুল" সিল মারা।
শাহবাগ আমার চেতনার নাম...
বেশ কিছুদিন থেকেই কিছু লোকজন ইনিয়ে বিনেয়ে বলতেছে যে, শাহবাগে লোক নাই ক্যান? কোথায় গণজাগরণ? মিডিয়ার সব ছবি ভুয়া... ব্লা ব্লা ব্লা ব্লা। এদের কথা শুনলে বাঁশের কেল্লার কথা মনে পড়ে। এই অবসরে অনেকের লুঙ্গি দেখলা ঢিলা হইয়া গেছে।
তাদের জন্য বলি
শাহবাগ এখন আর শাহবাগে নেই... ছড়িয়ে পরেছে সারা দেশে... শাহবাগ এখন একটা চেতনার নাম... যে চেতনা আমার হৃদয়ে... যে চেতনাকে ধারণ করছে বাংলার মানুষ... যে চেতনা ছড়িয়ে আছে দেশ থেকে দেশান্তরে... আমরা সেই চেতনাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।
নিচের লেখাটা পড়ার পর আসলে আর কিছু লিখতে পারলামনা। সরি 
======================================
যোগ - বিয়োগের বিক্ষোভ তান্ডব --- দিনের শেষে হিসাব টা ঠিক মিলানো যায় না ... টানাটানি পরে যায় ...
সমর্থন ও সহযোগীতা কতভাবে দেয়া যায় ...? সহযোদ্ধা কতভাবে হওয়া যায় ...? ব্যাক্তি উপস্থিতি ছাড়াও মানসিক , নৈতিক , তাত্ত্বিক, তথ্য নির্ভর সমর্থন ও সহযোগীতার কথা কি আমরা জানি কিংবা বুঝি ??? আমরা তাদের কে চিনি, জানি, অনুভব করতে পারি ...এক ই ধারায় বিরুদ্ধাচরণ এবং পথ কাটা ও যায় ... তাদের কে ও আমরা চিনি, জানি, অনুভব করতে পারি ...
আবোল তাবোল
২০১০। এস এস সি পরীক্ষা শেষ, হাতে অফুরন্ত অবসর। আগে কখনো এত বড় ছুটি পাইনি, তাই পুরো দিশাহারা অবস্থা। সবেমাত্র কৈশোর পার করার উপক্রম করছি, কি হয়ে গেনুরে ভাব নিয়ে চলি। কি করে সময় কাটাব তার একটা রুটিন করে ফেললাম-বই পড়া, আড্ডা দেওয়া, তুমুল খেলাধুলা আর সব বন্ধুদের বাড়িতে বেড়ানো। কিন্তু দেখা গেল, আমরা কেউই রুটিন ঠিক রাখতে পারছি না। রুটিনের প্রথম কাজটি বাদে বাকি কাজগুলো প্রায় হচ্ছিলই না, তাই স্বাভাবিকভাবেই প্রথম কাজ, বই নিয়ে ডুবে রইলাম। একসময় দেখা গেল বাড়ীর সব বই-ই পড়ে ফেলেছি! বেহেশতী জেওর থেকে শুরু করে শরৎ রচনাবলী, পাক সার জমিন সাদ বাদ-বাড়িতে যত বই ছিল তার সবগুলোই আমার হাতে অত্যাচারিত হয়েছে।
কি দেখছি, কি পড়ছি, কি শুনছি
কি দেখবো
মুভি প্রেমীদের আমি দুই ভাগে ভাগ করি। এক ভাগে আছে যারা বিফোর সানরাইজ দেখেছে, আরেক ভাগের মানুষ যারা বিফোর সানরাইজ দেখে নাই।
সেই মেয়েটার কথা মনে আছে। ওই যে, সেলিন (জুলি ডিপলি)। সেই যে ইউরো ট্রেনে দেখা হল ফরাসী এই মেয়েটার সংগে আরেক মার্কিন যুবক জেসির (ইথান হক)। বুদাপেস্ট থেকে ট্রেনে ভিয়েনা। এর মধ্যে দুজনের কথাবার্তা, তারপর ভাললাগা। তারপর দুজনের দুদিকে চলে যাওয়া।

কথা ছিল ঠিক ৬ মাস পর তারা আবার দেখা করবে? দেখা কি হয়েছিল?
ছবিটি ১৯৯৫ সালের। ৬ মাস পর কিন্তু তাদের আর দেখা হয়নি। হয়েছিল ঠিক ৯ বছর পর। সিনেমাটির পরের পর্ব মুক্তি পায় ঠিক নয় বছর পরেই। এই পর্বের নাম বিফোর সানসেট। ঠিক ৯ বছর পরের ঘটনা নিয়েই সিনেমাটি। এই পর্বটিও যারা দেখেননি, তাদের এই জীবন রেখে কি লাভ?

বন্ধুত্বের বয়স বাড়ে না!
সেই ছোটোবেলা থেকেই আমার এই সমস্যার শুরু। আব্বুর চাকরীর সুত্র ধরেই আমাদের বাসাতে কোনো কালেই আত্মীয় স্ব্জনে ঠাসাঠাসি ছিলো না। এমন অনেক বছর গেছে যে কোনো মানুষ- তা রক্ত মাংসের আত্মীয় হোক আর যাই হোক কেউই ছিলো না বাসায়। যে ধরনের পরিবারে মানুষ গর্ব নিয়ে বড় হয় তেমন কোনো যুথবদ্ধ জীবন আমার ছিলো না। বাবা মা ভাই বাবা শেষ। এর বাইরে অনেক দূরে থাকার কারনে আর কোনো আত্মীয় বেড়াতেও আসতো না। কে আসে আর এই জামালপুর থেকে মরার খুলনা কাপ্তাই চিটাগাং বেড়াতে। আর আব্বু আম্মুর ব্যাস্ততার কারনে আমাদের বাড়ীতে যাওয়াও হয়তো কম। দুই বছর একবছরের মাঝখানে ১ বার অল্পকদিনের জন্য বাড়ীতে যাওয়া, মাস খানেক থাকা এই। তাই বাল্যকালে আমার বাড়ীর আত্মীয় স্ব্জন বা গ্রাম কিছুই আপন হয়ে উঠে নি। আমার ভাইয়া তখন আমার চেয়ে বড় বলেই অল্প বিস্তর তার সাথে গ্রামের একটা টান ছিলো। মামা আর ভাইয়া সমবয়সী তাই ভাইয়ার বাড়ীতে থাকার দিনগুলো ভালোই লাগতো। আমার ভালোও লাগতো না, খুব যে যেতেও চাইতাম তাও না। আমার মনে আছে এখন যে মামা রুমমেট তাকে আমি ক্লাস ফোর ফাইভে চিঠি লেখছিলাম যে মামা বাড়িতে আসলে তুমি আমার সাথেই তো থাকো না তাই আমার ভালো লাগে না। আজ হুট করে সেই চি
“ আমরা অসহায় পরছি, আমাগোরে যদি দয়া কইরা একটু স্হান দেন, তয় আপনাগো দেশে থাকতে পারি”
[এটি একাত্তরের গনহত্যাকারী ,গনধর্ষণকারী ও মহাকাব্যিক স্বাধীনতার শত্রু দেইল্যা রাজাকারে ফাঁসির রায় উত্তর জঙ্গি জামায়েত-শিবিরের মধ্যযুগীয় নারকীয় হামলার শিকার এক হিন্দু ধর্মাবলম্বী বৃদ্ধার একটি আবেদন। আবেদনটি করেছেন এই দেশের জনগণের প্রতি।]
![]()
কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধী দেলোয়ার হোসেন সাইদি ওরফে দেইল্ল্যার ( আল্লামা কিংবা মাওলানা জাতীয় পবিত্র শব্দগুলি এই অপরাধীর সাথে ব্যবহার না করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি) ফাঁসির রায় হওয়ার পর স্বাধীনতা বিরোধীদল জামায়েত-ইসলাম ও শিবির দেশব্যাপি মধ্যযুগীয় ধংসাত্নক ও নারকীয় তান্ডব চালিয়েছে। কোন সভ্য, বিবেকবান ও মিনিমাম ধর্মজ্ঞান সম্পন্ন মানুষ এই তাণ্ডব লীলাকে সমর্থন করতে পারে না, পারে কি? দেশের অনেক জেলাতে পশুর মত নিরীহ মানুষ ও পুলিশকে হত্যা , বাড়ি ঘর ও সরকারী অফিস আদালততে অগ্নি সংযোগ , লুটতরাজ ও ভাঙচুর করেছে। পুলিশ প্রশাসনের উপর যে ভাবে হামলা করেছে তা ১৯৭১ সালে রাজারবাগ পুলিশলাইনের উপর পাকিস্তানি সেনাদের হামলাকে স্মরণ করিয়ে দেয়।