ইউজার লগইন
ব্লগ
পরিদর্শন
হাতে অনেক সময়।সাহবাগ এর নুতন প্রজন্ম অনেক নুতন কিছু জানার সুযোগ করে দিয়েছে যার সুএ এই ব্লগ। কিছু দিন দেখে বুঝে তার পর লেখা যাবে।
এমন যদি হয় বাংলাদেশের দুর্নীতিপরায়ণ রাজনীতিক নেতা, সরকারি ,বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং ব্যবসা বানিজ্যের কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা/মালিক যারা চুরি,ঘুষ ও অন্যান্য অনৈতিক কাজে নিয়োজিত থেকে শোষন করে দেশের চরম ক্ষতি করে যাচ্ছেন তারা সবাই কোন এক সকালে স্বতঃস্ফুর্ত হয়ে প্রজন্ম চত্তরে এসে নিম্ন উল্লেখিত স্লোগান দেয়া শুরু করে দিল।
১।চ,এ আমরা সবাই চোর ছিলাম,আর চুরি করমু না।
২।ঘ,এ আমরা সবাই ঘুষ নিতাম ,আর ঘুষ নিমু না।
৩।ক,এ খারাপ কাম করমুনা কান ধইরা মাপ চাই।
এই সব কথার কথা না,এখনো সময় আছে ভাল হইয়া যান। আমরা তো আর পারলাম না কিন্ত এই প্রজন্ম কাউরে ছারবোনা। দেশ ছাইরা যাইবেন ?লাভ হইব না,সেই সব দেশেও প্রজন্ম আছে,শেষে এই কুল ঔ কুল সব শেষ ।যত তারাতারি করেন তত ভাল।
নব প্রজন্ম বাবা,মা,সকল স্বজন দের উদ্ভুদ্ব করুন ।
সময় গেলে সাধন হবে না
বর্তমান পরিস্থিতি দেখে অনেকেই ভয় পাচ্ছে। কেউ কেউ মিউ মিউ স্বরে বলছে কেন শুধু শুধু জামায়াতকে ঘাটাতে যাওয়া।
আসলে সময় না হলে কিছুই হয়না। দেশের মানুষ এতদিন এত বড় অরাজনৈতিক(রাজনৈতিক দলের এজেন্ডাবিহীন) আন্দোলনের মুখোমুখি হয় নি, কারন মানুষ তৈরি ছিলনা। এই আন্দোলন প্রথম শহীদ জননী জাহানারা ইমাম শুরু করেন। তিনি ১৯৯২ সালে ২৬ মার্চ গণআদালত গঠন করেন এবং ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি গঠন করে গোলাম আজমের ফাঁসির সপক্ষে প্রমাণ পান। গণআদালতের রায় গোলাম আজমের ফাঁসি দেয়। ’গণআদালত’ প্রতিষ্ঠা করায় বিএনপি সরকার ২৪ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিসহ জাহানারা ইমামের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ এনে অ-জামিনযোগ্য মামলা দায়ের করে।
২৬ মার্চ ১৯৯৩ সালে স্বাধীনতা দিবসে গণআদালত বার্ষিকীতে জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে গণতদন্ত কমিটি ঘোষিত হয় হয় যুদ্ধাপরাধের তদন্তের জন্য। আরো আটজন যুদ্ধাপরাধীর নাম ঘোষণা করা হয়। এরা হলঃ আব্বাস আলী খান, মতিউর রহমান নিজামী, মোঃ কামরুজ্জামান, আবদুল আলীম, দেলোয়ার হোসেন সাঈদী, মওলানা আবদুল মান্নান, আনোয়ার জাহিদ এবং আবদুল কাদের মোল্লা।
আশেপাশের ঘুরাঘুরি (শান্তিনিকেতন)
১।
ভারত ভ্রমণ নিয়ে পোস্ট দিলাম অথচ ববিতার কথাই লিখলাম না। এই কারণে মাসুম ভাইও আমার পোস্টে কমেন্ট করলো না। আবার ব্লগ জনতারও দাবী ববিতা কাহিনি শুনতে চায়। তাই আজকে আগে ববিতার কথা দিয়েই শুরু করি।
আস্তিক, নাস্তিক এবং ছাগু
্বেশ দীর্ঘ সময় ধরে ব্লগে লেখা হয়ে উঠেনি । লেখার মতো কোনো বিষয় ছিলো না এমন নয়। তবুও লেখা হয়নি। আমি বরাবরই "ব্যাক ব্যাঞ্ছার" ছিলাম। ব্লগ লেখাতে ও তার ব্যতিক্রম নই। যখন ই কোনো লেখা লিখবো বলে স্থির করি তার আগেই তা নিয়ে ব্লগের পাতা ভর্তি হয়ে যায়।। ওই সব লেখা পড়ার পর আর নিজের লেখা হয়ে উঠেনা। আস্তিকতা, নাস্তিকতা কিংবা ছাগু এটাও খুব পুরোনো বিষয় , তবুও আজ লিখতে হচ্ছে এইটা নিয়ে। আশা করি লেখাটা আমি সবাইকে বুঝাতে পারবো । আমার বুঝিয়ে বলার ক্ষমতা কম । তাই যারা পড়বেন তাদের বলছি। পড়ার সময় একটু ধৈর্য্য নিয়ে পড়বেন।
বর্তমানের প্রচলিত তিনটা শব্দ আস্তিক, নাস্তিক এবং ছাগু। সমমনা ব্যতীত অন্য কারো কাছ থেকে এই উপাধি গুলোর কোনোটা না পেয়ে থাকলে বুঝতে হবে আপনি কথা কম বলেন। আর যদি বলে থাকেন , তাহলে এতোদিনে যে কোনো একটা পেয়ে গেছেন । অবশ্য আস্তিক উপাধিতে কেউ গালি দেয়না। তবে আস্তিক শব্দটা নাস্তিক এর বিপরীত হিসেবে মুখে মুখে চলে এসেছে। তাই আস্তিক শব্দটা নিয়ে কিছু বলার নাই।
অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর।
আজকের দিনে এর চাইতে ভালো কোন কবিতা হতে পারে না ...
সাম্যের গান গাই-
আমার চক্ষে পুরুষ-রমণী কোনো ভেদাভেদ নাই!
বিশ্বের যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর
অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর।
বিশ্বে যা কিছু এল পাপ তাপ বেদনা অশ্রুবারি,
অর্ধেক তার আনিয়াছে নর অর্ধেক তার নারী।
নরক কুন্ড বলিয়া তোমা’ করে নারী হেয় জ্ঞান?
তারে বল, আদি-পাপ নারী নহে, সে যে নর শয়তান।
অথবা পাপ যে-শয়তান যে-নর নহে নারী নহে,
ক্লীব সে, তাই নর ও নারীতে সমান মিশিয়া রহে।
এ বিশ্বে যত ফুটিয়াছে ফুল, ফলিয়াছে যত ফল
নারী দিল তাহে রূপ-রস-সূধা-গন্ধ সুনির্মল।
তাজমহলের পাথর দেখেছ, দেখিয়াছ তার প্রাণ?
অন্তরে তার মমতাজ নারী, বাহিরেতে শা-জাহান।
জ্ঞানের লক্ষী, গানের লক্ষী, শষ্য-লক্ষী নারী,
সুষম-লক্ষী নারীওই ফিরিছে রূপে রূপে সঞ্চারী’।
পুরুষ এনেছে দিবসের জ্বালা তপ্ত রৌদ্রদাহ
কামিনী এনেছে যামিনী শান্তি সমীরণ বারিবাহ।
দিবসে দিয়াছে শক্তি সাহস, নিশিথে হয়েছে বঁধু
পুরুষ এসেছে মরুতৃষা লয়ে নারী যোগায়েছে মধু।
শষ্য ক্ষেত্র উর্বর হল,পুরুষ চালাল হাল,
নারী সেই মাঠে শষ্য রোপিয়া করিল সুশ্যামল।
উপস্থিত আছি মহামান্য মডারেটর
১।
অনেকদিন পোস্ট দেই না। জেবীন অনলাইনে পাইলে কাইফা হালুকার পরেই জিজ্ঞাসা করে পোস্ট দেই না কেন? এমন ভাব কোন সে আমি লেখক রাইটিং ব্লকে জর্জরিত ভক্তকুল লেখা না পেয়ে আকুলি বিকুলি করছে। আসলে ঘটনা তা না এই কয়দিনে জীবন অনেক বদলে গেছে। আগে ধুমাইয়া ফেসবুকিং আর ব্লগিং করে দিন পার করলেও এখন আর সেইদিন নাই। সব সময় গোয়েন্দা নজরদারীর মধ্যে থাকতে হয়। পান থেকে চুন খসলেই হয়েছে থাক আর না বলি!
মাসুম ভাই এই লাইনটুকু পড়লেই যা করার করে দিবেনে
২।
গত একমাস ধরেই পোস্ট দিবো দিবো করছি কিন্তু দেয়া হচ্ছে না। সিউলে যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসির দাবীতে মানববন্ধনে অংশগ্রহন করে আসার পরেই একটা ছবি ব্লগ দিবো ভেবে রেখেছিলাম অন্যদের বলে অন্যান্য ব্লগে পোস্ট দিয়েছিও। কিন্তু এসেই জ্বরে পরার কারনে আমি দিতে পারি নাই। ভাবলাম সুস্থ্য হয়ে নেই তারপরে দিবো। সুস্থ্য হওয়ার কয়দিনের মাঝে আবার জ্বরে পড়লাম। জীবনটা ইদানিং জ্বর জ্বর হয়ে গেছে
৩।
কি কি উপায়ে বাঁশের কেল্লা এবং ওই চক্রটিকে রুখে দেয়া যায়?
বাঁশের কেল্লা নামের ফেসবুক পাতাটি ক্রমাগত ভয়ংকর হয়ে উঠছে। একাধিকবার সরকারীভাবে বন্ধ করে দেয়া পরও কোনো লাভ হয় নি। কারণ বন্ধ করার অল্প সময়ের মধ্যেই শিবিরের লোকজন আবার একই নামে একটি করে নতুন পাতা চালু করে ফেলছে। তারপর বাঁশের কেল্লার টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে নতুন পাতাটির লিংক ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। ইন্টারনেট চড়ে বেড়ানো ছাগুর দল মুহূর্তে হুমড়ি খেয়ে পড়ছে সেখানে। চাঁদে দেইল্ল্যা রাজাকারের মুখ দেখা যাওয়ার গুজব এই বাঁশের কেল্লার মাধ্যমেই সারাদেশে ছড়ানো হয়েছিলো। এই ভয়ংকর গুজবটির কারণে সারাদেশে একশ'র বেশি মানুষকে মরতে হয়েছে। সিএনএন-এর আইরিপোর্ট বিভাগে এ ঘ্টনাটি নিয়ে একটি রিপোর্ট করা হয়। সেখানে বলা হয়েছে- কিভাবে ইসলামকে অপব্যবহার করে বাংলাদেশে সন্ত্রাস চালানো হচ্ছে।
৭ই মার্চ!
অনেক দিন ধরে রাতে মশার কামড় খেতে খেতে পোস্ট দেই না। আজ কোনো অদ্ভুত কারনে মনটা খুব খারাপ। তাই ভাবলাম লিখে ফেলি পোস্ট। যদিও মন খারাপ থাকার কোনো কারনই নাই। বন্ধু আড্ডায় দহরম মহরম জীবন। খাচ্ছি দাচ্ছি ঘুমাচ্ছি আর আড্ডা মারছি। দিন চলে যাচ্ছে খুব দ্রুত। সকাল শুরু হয় মাঝ রাতে ঘুমিয়ে পড়ি, সারাদিন বলার মতো কিছুই করিনা তাও দিন যাচ্ছে হাসতে খেলতে খেলতে। আমি জানি যে জীবন আমি চালাই তা অনেকেই ইর্ষা হয়। কিন্তু এতো ভালো থাকার ভিতরেও, অনেক আড্ডার ভীড়েও নিজেকে কেমন জানি অবসাদ গ্রস্থ ক্লান্ত লাগে। এই কথা কোনো বন্ধুকে বললে চিরাচরিত হাসি দিয়ে বলবে প্রেম কর, একবছরের মধ্যে বিয়ে কর। আমি হেসেই উড়িয়ে দেই। নিজেই বাচি না নিজের টেনশনে তারপর আবার প্রেম পীরিতি। এই প্রেম পীরিতির মাদার'স ফাদার। এই সব ইমোশনাল এটাচমেন্ট এখন আর আমার পোষায় না।
কাব্য কহন-০২
গত কয়েক মাস গেছে খুবই ব্যস্ততার ভিতর দিয়ে। তবে ব্লগে আসতে চেষ্টা করেছি নিয়মিত সময়-সুযোগ পেলেই। চাকুরীর বদন্যতায় জীবনটা একটি চক্রে আবদ্ধ হয়ে আছে, বাসা-অফিস-বাসা। তবে এর িভতরেও রয়েছে বিবিধ ব্যস্ততা, যখন অফিস এ থাকি কাজ করি, সহকর্মীদের সাথে কাজের ফাঁকে আলাপ-আলোচনা, নেট এ বিচরণ ইত্যাদি আর যখন রাতে বাসায় ফিরি তখন গৃহস্থালী কাজের ফাঁকে প্ুত্রকে (কাব্য) সময় দিতে দিতে ঘুমানোর সময় চলে আসে । ছুটির দিন গুলোতে কিছুটা সময় পাওয়া গেলেও তা দেখতে দেখতে চলে যায়। গত মাসের ছুটির দিনগুলোর কিছুটা সময় শাহাবাগে কাটানোর চেষ্টা করেছি এবং চেষ্টা সফল হয়েছি।
অনেক দিন ঢাকার বাইরে যাবার জন্য সময় বের করার চেষ্টা করছি, সম্ভব হচ্ছে না
।এভাবেই চলছে জীবন। অনেক দিন কিছু লেখা হয় না। তাই এই আবোল-তাবোল লেখা।
আশেপাশের ঘুরাঘুরি
দেশের বাইরে বলতে আমার শুধু ভারতই যাওয়া হয়েছে। আর ভারত ভ্রমণও আমার জন্য নতুন কিছু না। বছরে একবার না হলেও দু’বছরে একবার যাওয়াই হয়। গত বছর, এমন মার্চ মাসের শুরুতে যখন ডাক পড়ল ভারতীয় পণ্য বর্জনের তখন একাত্নতা জানিয়ে ছিলাম ঠিকই কিন্তু যথেষ্ট সন্দেহ ছিল ঠিক কতদূর বর্জন করতে পারবো ভারত!! কোন কোন ক্ষেত্র/ পণ্য বর্জন করবো আমি ভারতের!! কেননা আমাদের এই হারে ভারত যাওয়ার শুরু আব্বুর চিকিৎসার কারণে।
২০০৩ এ যখন আব্বুর বাইপাস সার্জারি হল, প্রথম ছয় মাসে অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠলো আব্বু। কিন্তু তারপর থেকেই শুরু হলো ইনফেকশন। ইনফেকশনের জন্য দ্বিতীয় বারের মত ওপেন করা হলো। ঢাকার স্বনামধন্য ডাক্তার (?) কি করলেন সেই বিস্তারিত ব্যাখ্যায় না যাই। ইনফেকশন থেকে টিবি হয়ে গেলো। শেষে ভাইয়া কলকাতায় নিয়ে গেল। তৃতীয় বারের মত ওপেন করে ক্লিন করা হলো ইনফেকশন। তারপর থেকেই আমাদের এই ভ্রমণ, আব্বুর চেক আপের উদ্দ্যেশে। এত যখন পয়সা নাই সিঙ্গাপুর, ব্যাংকক করার জন্যে তখন ভারতই আমাদের ভরসা।
কোন মালায় তোমায় বরি

আমার স্বপনে লেখা তোমার গাঁথা
হৃদয়ে লেখা সে কবিতা কাগজ পায় না
মানিব্যগের সব শব্দের নোট ভাঙ্গিয়েও বড় নিঃস্ব হই
কী করে একটা তর্জনী জাদুর কাঠি হয়!
কী করে তুমি পার আজো!
এত্তো বড়ো একটা বঙ্গোপসাগর, এত্তো বড় চলন বিল
বিশাল এক সুন্দরবন,
কতগুলো নদী তোমার মায়ের মত- পদ্মা মেঘনা যমুনা,
কোটি কোটি প্রাণ
কী করে ধরলে এসব এক সুতোয় গাঁথা তোমার পাঞ্জাবিতে!
আমি অবাক হয়ে যাই
কার কবিতা লিখবো যে নিজেই কবি
কী করে আঁকব তোমার ছবি পেন্সিলে
যখন বাংলাদেশের মুখ দেখি ওমুখে!
আমি বাংলাদেশের মুখ দেখি তোমার রক্তাক্ত বুকে
যৌথখামারে ঘুঘু চরল ছাগলে খেয়ে গেল ধান।
সেই যে ছিনতাই হল আমার স্বপ্ন তোমার প্রাণের সাথে
আজো আমি ঘোর অমাবসে, তোমায় খুঁজি তারার পানে চেয়ে।
আমার নেতা, তোমায় ফিরে পাবো আমি
শাহবাগের লক্ষ জনতার ভিড়ে,
স্বেচ্ছা শ্রম দিয়ে যাওয়া নিবেদকের চিঠিতে,
নিজের ছেলে দাবী করে পরশীকে বাঁচাতে যাওয়া মায়ের মুখে,
মাথায় বাঁধা ওই শিশুর পতাকাতে,
স্মৃতিকথা - ৪
হাজার বছর ধরে আমি পথ হাঁটিতেছি পৃথিবীর পথে
সিংহল সমুদ্র থেকে নিশীথের অন্ধকারে মালয় সাগরে
জীবন গিয়েছে চলে, আমাদের কুড়ি কুড়ি বছরের পার
তখন, আবার যদি দেখা হয়ে তোমার আমার!
তখন, মুখোমুখি আমি আর শৈশব, মাঝখানে ব্যবধান-
কুড়ি অথবা ত্রিশ অথবা চল্লিশ...
তের কি বায়ান্ন এর মতই আমাদের রাজনৈতিক সম্পদ ?
বিশ্বের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসে যে সব আন্দোলন জাতীয় চেতনা ও জন আকাঙ্ক্ষার প্রতিধ্বনি, কেবল সেইসব আন্দোলনই গণতন্ত্রকে প্রকৃত অর্থে বিকাশ ও শানিত করেছে। জাতীয় চেতনা ভিত্তিক এইসব আন্দোলন দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য যেমন অতীব প্রয়োজন, সমাজ ও সংস্কৃতির মানবিক বিকাশের জন্য অপরিহার্য অংশ। শাহবাগের তরুণদের নবজাগরণ যে স্বাধীন বাংলাদেশের রাজনৈতিক সম্পদ ও ভবিষ্যৎ পথ প্রদর্শক হিসাবে আবির্ভাব হল, এই বাস্তবতাটিকে স্বীকার না করলে আমাদের স্বভাবজাত অজ্ঞতাটাই প্রকাশ পাবে। রাজনৈতিক সম্পদ এই অর্থে যে ২০১৩ সালের এই চেতনা শক্তিটিই বাংলার ইতিহাসের পাতায় ১৯৫২ সালকে গৌরবময় ও সমৃদ্ধশালি করেছে। এই চেতনায় যে রাজনীতিটি আছে তা চলমান রাজনৈতিক চর্চার বাইরের এক নতুন শক্তি ও বেগবান অনুঘটক। এই দিকনির্দেশক রাজনৈতিক চেতনাটি যেমন ১৯৫২ সালেও আমাদের স্বাধীনতার পথ দেখিয়েছিল, তেমনি আজ ২০১৩ সালে এসে আহব্বান জানাচ্ছে প্রিয় জন্মভূমি থেকে ১৯৭১ সালের পরাজিত অপশক্তিকে নির্মূল করার জন্য। যারা এই চেতনার নির্মাতা তারা হল নতুন প্রজন্ম ,তরুণ সমাজ। এই সব আদর্শিক প্রেরনা ও চেতনার প্রতিফলন বাংলাদেশের ইতিহাসে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে ঘটে
১০০!
ব্লগে সাধারনত সংখ্যা পুরন হবার বা বর্ষপূর্তি পালনের পোস্ট গুলান হয় ন্যাকামি আর আদিখ্যেতায় পরিপুর্ন। তবে আমার প্রতি পোস্টেই যেহেতু দিন যাপনের ন্যাকামি থাকে এই খানেও তা থাকবে ভালো ভাবেই। আসলে এই জীবনে ভাবি নাই যে কোনো ব্লগে আমার পোস্ট থাকবে ১০০ টা। দীর্ঘ সামুর জীবনে মাত্র তিরিশ পয়ত্রিশটা পোস্ট দিছি। যার বেশীর ভাগই আড্ডা টাইপ কিংবা নিজের আপডেট জানানো। এরপর কেটে গেলো কত সময় আমি সাপ্তাহিক বুধবার, নিউএইজ, সমকালে সাপ্তাহিক, সাপ্তাহিক ২০০০ য়ে সমানে চিঠি/ পাঠকের লেখা লিখে কাটিয়েছি। নিজের লেখা ছাপাতে দেখে অনেক আনন্দ পেয়েছি। তবে সব চাইতে আনন্দ পাইছি যায় যায় দিনের নয়া ভার্সন মৌচাকে ঢিলে । এক বন্ধুর দুঃখের প্রেম কাহিনী নিজের নামে ছাপিয়ে দিছি। কি যে আনন্দ!
কয়েকটি আঙুল সম্পর্কীত লিরিক
১.
হাত পুড়ে যেতে পারে ভেবে
আঙুল বাড়িয়ে দিলে ভয়ে,
আমার শরীর তখন উষ্ণতা বেড়ে
পুড়তে পুড়তে ফুটতে থেকেছে তরল সোনা;
আঙুলেই তবে ঘটে যাক গ্যালভানাইজেশন...
নাহয় সোনার মোড়কেই
তুমি নির্দেশনা দিয়ো পরবর্তী প্রজন্মরে...আর
কখনো সখনো নিজেরেও।
২.
আঙুল তুলতেই নিজেরে মুজিব মনে হতে থাকে
সাথে সাথে আঙুল নামিয়ে উচু স্বরে ধরেছি শ্লোগান
নিজেরে তখন নূর হোসেনের মতো লাগে...
যেকীনা মৃত্যুরে ডেকে এনে ভালোবেসেছিলো।
৩.
আঙুলে বন্ধন গড়ে তোমার আমার বন্ধুত্বের যোগ।
যেদিন আঙুল কেটে আমি নদীতে ভাসাবো
সেদিন থেকেই আমাদের শত্রুতা শুরু হবে।
৪.
স্মৃতিময়তায় তোমার তর্জনী আছে।
আমারে নির্দেশ করছিলে কোথাও মিশে যেতে
নির্দেশনার চে' বেশি ভালোবাসি তোমার চিৎকার-চোখ
এমনকি আঙুলটারেও...