ইউজার লগইন
ব্লগ
মাই ড্রিমজ ১
স্বপ্ন জিনিসটা ধ্রুবক না। সময়ের সাথে সাথে স্বপ্নও পাল্টায়। স্বপ্ন, এমন কি দুঃস্বপ্নও আমার কাছে উপভোগ্য। স্বপ্ন বাস্তব হলো কি না, এই হিসাব মেলানোর চেয়ে স্বপ্ন দেখাতেই, উপভোগ করাতেই আমার বেশি আনন্দ।
আমার একটা স্বপ্ন আছে, খুব ছোট্ট একটা সবুজ টিনের ঘরের স্বপ্ন। সেই ঘরের সামনে থাকবে একচিলতে উঠোন। উঠোনের সীমানা ঘিরে থাকবে ঘন দেবদারু গাছ। সীমানার মাঝখানটায় থাকবে মাঝারি একটা বাঁশের গেট। গেটের সামনে, বাড়ি ঢোকার লাল খোয়ার চিকন পথ ছেড়ে, টলমল করবে ছোট্ট একটা ডোবা। এই ডোবায় খুব আদরের সাথে কিছু লাল শাপলা রাখা হবে। এই ডোবার সামনেই থাকবে একটা শাদা রঙ করা কাঠের বেঞ্চ। এই বেঞ্চে হেলান দিয়ে কোন কেশবতী ইচ্ছা করলে মাটিতে চুল ছড়াতে পারবে।
ওপরে সবুজ টিন আর নীচে বাঁধানো মেঝের মাটির ঘরটায় তেমন কিছু থাকবে না। একটা তোষক। সবুজ মশারি। নীল বিছানার চাঁদর। ফিরোজা বালিশ। একটা বড়ো ফ্লাস্ক। দুটো খয়েরি মগ। মেঝেয় ছড়ানো ছিটানো থাকবে বই খাতা আর কলম।
চলবে...
ভাষাচিত্র-০১১ : সাধারণ মানুষের সংলাপ
স্থানীয় বাজারের একটি চায়ের দোকানে বসেছি চা খেতে। চায়ের অর্ডার দিলাম। দোকানের ২০ ইঞ্চি কালার টিভিতে একটি বেসরকারী চ্যানেলে চলছে প্রজন্ম চত্বরের সরাসরি সম্প্রচার। ব্লগার ও অনলাইন এক্টিভিটিস্ট ফোরামের আহবায়ক ইমরান এইচ সরকার ঘোষনা করছেন- একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের বিচারে ফাঁসির রায় হওয়া রাজাকার দেলোয়ার হোসেন সাইদী ও অন্যান্য রাজাকারের ফাঁসি কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত আমরা ঘরে ফিরে যাবোনা। আমাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।.. সম্ভবত ক্যাবল কানেকশানে কোনো ত্রুটির কারনে সম্প্রচারে বিঘ্ন ঘটলো।
দোকানের সামনের বেঞ্চিতে বসে টিভি দেখছিলেন ৭/৮ জন মধ্যবয়স্ক লোক আর একজন প্রবীন। প্রবীন লোকটিকে আমি চিনি। তিনি সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন মানে সরাসরি অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেননি। মুক্তিযোদ্ধাদেরকে নানা প্রয়োজনীয় জিনিস সরবরাহ করতেন। তারা কথা বলছেন টিভির খবরটি নিয়েই..
(আঞ্চলিক বাংলায় বলা তাদের সংলাপগুলো আঞ্চলিক ভাষাতেই প্রকাশ করলাম)
মধ্যবয়স্ক ক: এইগুলা তো দেহি ভালাই সুবিদা পাইয়া লইছে..
মধ্যবয়স্ক খ: সুবিদা ত পাইবোই। তিনবেলা বালা বালা খাওন পাইতাছে।
অবরোহন
দেখো আমি গুম হয়ে যাবো একদিন
লাশ হয়ে পড়ে থাকবো কোনো না কোনো অন্ধ কোণে
আবেগেরা যথানিয়ত পৈশাচিক
চোখের রঙ, চাক্ষুস করেছে শ্বাপদেরে
একদিন কবিতায় কবিতায় আমার দরজা ভেঙে
ঠিকই ঢুকে পড়বে কোনও আততায়ী
কালো কাপড়ে চোখ বেঁধে আমাকে নিয়ে যাবে
গহীন কোনও খাদের ধারে...
মৃত্যুটা যখন হানা দেবে চুরমার আঁধারে
ভাবছি, সেদিন চিনেবো তো তোমায়?
কে তখন দাঁড়িয়ে থেকে নরকে নিয়ে যাবে আমাকে
তুমি নাকি অন্য কেউ
(০৫.০৩.১৩ {c}MNi)
সমুদ্দুর রাখে না জমা সব সাঁতারের দাগ
যাযাবর জীবন সবার হয় না। জগতের বেশীর ভাগ মানুষই, বুড়ো বটগাছের মত শেকড় গেড়ে ঘোর সংসারী হতে ভালোবাসে। শাখা প্রশাখায় ভালবাসার জল সিঞ্চন করে, সেগুলোকে আঁকড়ে ধরে একজায়গায় থিতু থাকে। আসলে যাযাবর হতে হলে, সাহস লাগে। একটা যাযাবর মন লাগে, মনের সঙ্গী লাগে। কোন পিছুটান রাখতে নেই, যাযাবর জীবনে।
আবার সংসারে কিছু গ্রহণ লাগা মানুষও থাকে, যারা একটা ঘোর সংসারী জীবন পায়, কিন্তু মনটা পায় যাযাবরের। ছন্নছাড়া। সংসার মন লাগিয়ে করতে পারেনা। এরা না সংসারী না বিবাগী। এদের মত হতভাগা আর সংসারে দ্বিতীয়টি নেই।
গ্রন্থ আলোচনা: সময়ের পরশপাথর

সময়ের পরশপাথর
ড. মোহাম্মদ আমীন সম্পাদিত
জাগৃতি প্রকাশনী
মূল্য: ছয় শ টাকা
আর দশটা বইয়ের সঙ্গে এই বইটিকে মেলানো যাবে না। কারণ, এ ধরনের বই সহজে দেখা পাওয়া যায় না। বইটির নাম সময়ের পরশপাথর। ড. মোহাম্মদ আমীন সম্পাদিত। এটি একটি স্মারকগ্রস্থ। সাধারণত মৃতব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এ ধরনের গ্রন্থ রচনা ও প্রকাশ করা হয়। এ দিক থেকেও বইটি ব্যতিক্রম।
স্মারকগ্রন্থটি যাকে নিয়ে, ‘তিনি রাজনীতিক, এমপি এবং মন্ত্রী। বিত্ত ও চিত্তে আকাশের মতো উদার। খ্যাতিমান প্রাবন্ধিক, বিচক্ষণ বিশ্লেষক। বংশে বড়, কর্মে পরিছন্ন। চৌকষ কাজে, বিনয়ী ব্যবহারে। দর্শনে স্বচ্ছ। (পৃষ্ঠা. ৯৪)
সতেরো কোটি জানোয়ারের দেশ ?
দাঁড়িটুপি মানেই জামাত না, তাহলে শোলাকিয়ার পীর শাহবাগে গিয়ে সংহতি জানাতেন না
আবার দাঁড়িটুপি মানেই ফেরেশতা না, তাহলে নিজামী, সাঈদী, গোয়াজম, মুজাহিদ এরা সবাই ফেরেশতার কাতারে পড়তো
ইসলাম মানেই যেমন জামাত না, তেমনি জামাত মানেই ইসলাম না
ইসলামের সমালোচনা করা মাত্রই সে জানোয়ার না, তার জীবনের অন্য অনেক মূল্যবোধ থাকতে পারে যাকে শ্রদ্ধা করা যায়
ইসলামকে ভালোবাসা মাত্রই সে অটোম্যাটিকালি মহামানব না, তার জীবনের অনেক মূল্যবোধ থাকতে পারে যেটা ঘৃণিত
ইসলাম পৃথিবীর একমাত্র ধর্ম না, ইসলাম শুধুমাত্র তার অনুসারীদের কাছে শ্রেষ্ঠ ধর্ম
ইসলাম বাংলাদেশেরও একমাত্র ধর্ম না, ইসলাম শুধুমাত্র বাংলাদেশের অনেকগুলো ধর্মের মধ্যে একটা ধর্ম
ধর্মবিশ্বাস কারো জন্য কাজ করে, ধর্মবিশ্বাস কারো জন্য কাজ করেনা। এইজন্য অটোম্যাটিকালি কেউ কারো থেকে উচ্চস্তরের বা নিম্নস্তরের হয়ে যায়না
ধর্মবিশ্বাস এক হলেও তাকে মাথায় তুলে নাচার কিছু নেই, আবার ধর্মবিশ্বাস ভিন্ন হলেই তার বাড়িতে আগুন দেয়ার বা তাকে ধর্ষণ করার কিছু নেই
বন্ধু আড্ডা বই আর বাক্সোর জীবন!
যদি অনেস্টলি জিগেষ করেন আমি কেমন আছি?
অস্থির সময়ের ভিড়ে কিছুক্ষণ!
অস্থির সময় আমাদেরকে এক অনিশ্চিত পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে। আমরা প্রত্যেকেই কম বেশী আতঙ্কিত। তবুও জীবন থেমে থাকবে না, হরতাল, জ্বালাও-পোড়াও, মৃত্যু সবকিছু ছাপিয়ে মানুষ এগিয়ে যাবে জীবনের প্রয়োজনে! এতদিনের পরিচিত যাপিত জীবনে এখন যোগ হয়েছে নতুন আকাঙ্খা! অনেকদিন ধরে বয়ে বেড়ানো স্বপ্নের বাস্তবায়ন! জানি এ পথ মোটেও সহজ নয়, তবুও স্বপ্নের হাত ধরে সবাই এগিয়ে চলি আগামীর পথে!
সেই ছোটবেলা থেকেই গানের সাথে বন্ধুত্ব! ভায়োলিন আমার খুব প্রিয় একটি মিউজিক্যাল ইন্সট্রুমেন্ট, কিছুদিন অবশ্য এটা শেখার ভীমরতিতে পেয়ে বসেছিল তবে সময় আর প্রাক্টিসের অভাবে ভাটা পড়েছে সে চেষ্টায়! তবুও মাঝে মাঝে প্রিয় কিছু সুর শুনি, সবার সাথে শেয়ার করতেই লিঙ্কগুলো দিলাম!
নামতে নামতে নামতে থামবে কোথায়
১.
২০০৮ সালে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে গিয়েছিলাম ওয়ার্ল্ড ইকনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) সম্মেলনে। তখন ফখরুদ্দীন আহমদ প্রধান উপদেষ্টা। সেখানে একটা সেশন ছিল চারজনকে নিয়ে। চারজন হলেন পাকিস্তানের পারভেজ মোশারফ, আফগানিস্তানের হামিদ কারজাই, বাংলাদেশের ড. ফখরুদ্দীন আহমেদ আর ইরাকের উপ প্রধানমন্ত্রী সালেহ। অধিবেশনে বক্তা বাছাইয়ের ক্ষেত্রে আয়োজকরা যে বিশেষ একটি বার্তা দিয়েছিলেন তা হয়তো অনেকেই বুঝতে পারছেন।
সেখানে স্বাভাবিকভাবেই মৌলবাদী জঙ্গীদের প্রসংগ উঠেছিল। পারভেজ মোশাররফ বেশ জোড়ালো গলায় বলেছিলেন, পাকিস্তানে ইসলামী জঙ্গীর বড় কারণ অশিক্ষা ও দারিদ্র। দরিদ্র মানুষদের সহজে এই পথে আনা যায়।
পারভেজ মোশারফের এই যুক্তি অনেকেই মানেন। বেশিরভাগ মানুষ মনে করেন, শিক্ষার বিস্তার হলে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি বাড়বে। তাতে জঙ্গীদের সংখ্যা কমবে।
এই তত্ত্ব সত্য বলে মানতে পারছি না। ব্লগার রাজিবকে যারা মেরেছে তাদের শিক্ষার সমস্যা নেই, অর্থেরও সংকট নেই। এই ছেলেগুলোর সঙ্গে কথা বলেছে আমাদের রিপোর্টাররা। তাদের মুখে যে বর্ণনা শুনলাম তাতে আমি আতঙ্কিত।
সাঈদির চাঁদ বিজয় :: একখান ভার্চ্যুয়াধুনিক গল্প
সব্বাই চাঁদে যাওয়া নিয়ে বিজি... ক্যাম্নে কি? ফজরের আজানের টাইমে চট্টগ্রামের কিছু এলাকায় মাইকে ঘোষনা করা হইলো যে, চাঁদে নাকি সাঈদিরে দেখা যাচ্ছে... ঈমান নড়বরেরা ঝাপাইয়া পড়লো এই কথা শুনে.. কিন্তু এটা ভাবলোনা যে, এইধরনের মিথ্যায় ঈমান নষ্ট হয়।
"চাঁদে দেখা যাচ্ছে সাঈদিকে" যারা এ ধরনের বক্তব্য দিচ্ছে, তাদের ইমান নষ্ট হয়ে যাবে। যদি সাঈদীকে চাঁদে দেখা যায়, তা হলে তো তিনি গ্রেপ্তার নেই। তা হলে তাঁর মুক্তি চাওয়ার দরকার কী। যাঁরা এ ধরনের অপপ্রচারে বিব্রত হবেন, তাঁদের ইমান থাকবে না। নষ্ট নয়ে যাবে।"
প্রথম আলো
এর পর তো ইতিহাস.... সকালে ফেসবুকে এসেই দেখা গেল কত মানুষের চাঁদে যাওয়ার কাহিনি।
মেশিনম্যান খ্যাত সাঈদির চাঁদের ফটুক... যেটা দেখছে চট্টগ্রামের কিছু এলাকার লোকজন

জয় বাংলা
স্লোগানের স্বরলিপি লিখেছে মধ্য আকাশ
স্লোগানের পাঠসূত্র শিখিয়েছে রাতের নিরবতা
এ শহর ঘুমিয়ে গেলে নিয়ম করে
তবু জেগে থাকে স্লোগানের গোখরা
ওরা পাহারা দেয় নদী, সমূদ্র, মাঠ
ছাপ্পান্ন হাজার বর্গ মাইলের বিপুল নকশিকাঁথা।
ওরা হাঁটে আনাচে কাঁনাচে, ওলিতে গলিতে
ঘাটে, মাঠে ঘাটে, খুপড়ি বস্তিতে
নোংরা আবর্জনায় এমনকি ঠাটবাটের প্রাসাদে
ওরা নিয়ম সেধে রাখে গলা
স্লোগানে সানাতে থাকে ক্ষুরধার
দৃপ্ত চাহনি, সতর্ক দেশপ্রেম
রক্ত, অস্থি, মজ্জা, কালো কালো বৈরি ব্যারিকেড
আর শকুনের জন্য ঘৃণার তীব্র তলোয়ার।
লাখো মানুষ যখন তাদের দিকে তাকিয়ে থাকে নিস্পলক
ধ্বংশের গানের মতো, পদ্মার প্লাবনের মতো
শত্র“র সামনে স্লোগান হীমালয় হয়ে দাঁড়ায় মাথা উঁচু করে
মিলিত কণ্ঠের ঢল আসে-আসে-আসে-ওই আসে----
জয় বাংলা..
(২৭.০২.১৩ {c}MNI)
আতংকের ভেতরে!
কার জন্য কেমন দূঃসময় যাচ্ছে তা বলা কঠিন। তবে সময়টা যে খুব একটা ভালো নয় তা সবাই মানবে। অনেকে দুঃসময় বলছে- কিন্তু আমি তাদের সাথে একমত না। একটু খারাপ সময় যাচ্ছে তবে তাকে এতো দূঃসময় বলা ঠিক হবে না। কারন বাংলাদেশে নানা সময়ে নানান ধরনের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার পর্যায়ে গেছে তবে এবার তার মাত্রা ভিন্ন। এবার মুখোমুখি জামাত ভারসেস জনগন, পুলিশ, রাষ্ট্রের নিরাপত্তা। কাল যখন ফেসবুকে সিল্কসিটি পোড়ার ছবি দেখলাম মনে হচ্ছিলো ইরাক আফগানিস্থানের মতোই কোনো যুদ্ধ পরিস্থিতি চলছে। আর প্রতিদিন হালি ডজনে তো মানুষ মরছেই। এদের কেউ পুলিশ বিজিবির সাথে সংঘর্ষে, কেউ বা জ্বালিয়ে দিচ্ছে হিন্দু ঘর বাড়ী আবার কোথাও মানুষ পুলিশ নিজেই আক্রমনের শিকার। আমার দুই বন্ধু আসছে চিটাগাং থেকে। নেভীর শর্টকোর্সের যে অফিসার নেয় তার এক্সাম দিতে। সেখানে একটা গল্প শুনলাম। চুল কাটতে গেছে সোহেল। সোহেল নাপিতরে জিগেষ করলো কি অবস্থা দাদা? তখন নাপিত মনের দুঃখে বলতেছে "আমাদের আর অবস্থা দাদা। বেচে আছি। সোনিয়া গান্ধীরাও আমাদের দেখতে পারেন না আপনারাও মালু বলে গালি দেন যামু কই কন?
সাঈদীর মামলার রায় ও বীরঙ্গনাদের প্রতি ইতিহাসের দায়
ব্লগারদের অনেকেই হয়তো ২০০৯ সালে ব্লগে প্রকাশিত 'একাত্তরে নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ' শীর্ষক আমার লেখাটি পড়েছেন। সেই সময় থেকেই আমি একাত্তরের কিছুটা অনালোচিত এই অধ্যায়টি নিয়ে গবেষণা করে যাচ্ছি। এ সম্পর্কিত কোন বই, জার্নাল, গবেষণাপত্র, নিবন্ধ যখনই কোথাও পেয়েছি তা সংগ্রহ করার চেষ্টা করেছি। সাঈদীর মামলার বিচার প্রক্রিয়ার দিকে বেশ কয়েকটি কারণে আমার আলাদা মনোযোগ ছিল। সাঈদীর মামলা এমন একটি মামলা, যেখানে ধর্ষণের অভিযোগ ছিল, ধর্ষণের জন্য অপহরণ করে আটক রাখার অভিযোগ ছিল, জোরপূর্বক গর্ভধারণে (forced pregnancy) বাধ্য করার অভিযোগ ছিল, এমনকি জেনোসাইডাল রেপ অর্থাৎ গণহত্যাসম্পর্কিত ধর্ষণের অভিযোগও ছিল। এই অভিযোগগুলোতে সাঈদীর কী দণ্ড হয় তাই দেখার অপেক্ষায় ছিলাম। ২৮ ফেব্রুয়ারির ১২০ পৃষ্ঠার রায়ে ৮ ও ১০ নম্বর অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ ফাঁসির মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আদেশ প্রদান করেছে। দুইটি অভিযোগই হত্যাকাণ্ড সম্পর্কিত। ৮ নম্বর অভিযোগে ইব্রাহিম কুট্টিকে হত্যার অভিযোগ আনা হয় সাঈদীর বিরুদ্ধে। ১০ নম্বর অভিযোগে বিসাবালি হত্যার অভিযোগ আনা হয় সাঈদীর বিরুদ্ধে। দুটি অভিযোগেই রাষ্ট্রপক্ষ প্রত্যক্ষ স্
পলাশীর মীর জাফরদের গন্ধ পাচ্ছি !!!
দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসাবে আমাদের সবার প্রথম এবং প্রধান দায়িত্ব হলো দেশকে শত্রুমুক্ত করা। ’৭১ সালে ৩০ লক্ষ শহীদের তাজা রক্ত এবং ২ লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রম হানি এবং হাজার কোটি টাকার ক্ষতির মাধ্যমে বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে স্বাধীন হলেও স্বাধীনতার ৪১ বছর পরও দেশ আজও শত্রুমুক্ত হয়নি। বাংলাদেশ কি ঐতিহাসিকভাবে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মীর জাফরদের জন্ম দিয়ে যাবে ?
বয়েজ ডু ক্রাই টু..
বাসায় মুভি নাইট ছিল আজ।
শুক্রবার দিন, সারাদিনই সবাই ফ্রি। রিল্যাক্স মোডের একটা দিন।
কিছু মুভি জমেছে দেখার মত, মুভিখোর সবাইকে একসাথে পাচ্ছিলাম না - তাই।
সারাদিনেও বেশ কয়েকবার ভেবেছি, সবাইকে নিয়ে দেখতে বসব একটা কিছু।
হয় নাই, সবাই যে যার মত ইজি কাজে বিজি।
ছুটির দিন এলেই একেকজন আমরা সবাই আলিস বালিশ।
বিকেলের দিকে একটু ঘুরাঘুরি আর কয়েক কাপ চা। ব্যাস, দিন শেষ!
রাতের খাবার খেয়ে মামা আর ভাইয়াকে নিয়ে বসলাম মুভি দেখতে।
প্রথমে ছেড়েছিলাম, 'দ্যা বিস্ট অব দ্যা সাউদার্ন ওয়াইল্ড'।
প্রিন্ট মোটামুটি, দেখে ফেলা যায় আর কি। কিন্তু কিছুক্ষণ দেখে মনে হল
একেকজনের যে উচ্চারন - এই মুভি সাবটাইটেল ছাড়া দেখাটা বোকামি হবে!
রেখে দিলেম আরও 'কোন একদিন' এর জন্য।
যাই হোক, কিছুক্ষণ এটা ওটা ঘেঁটে শেষে থিতু হলাম 'অসম্ভব'-এ এসে!
মুভির অরিজিনাল টাইটেল 'ল ইম্পসিবল' , ইংরেজিতে 'দ্যা ইম্পসিবল', এটা ২০১২ সালে ইংরেজি ভাষায় তৈরি একটি স্প্যানিশ ডিজাস্টার ড্রামা।