ইউজার লগইন
ব্লগ
কতো বারও ভেবেছিনু আপনা ভুলিয়া!
শিরোনামটার যথারীতি বিশেষ কোনো তাৎপর্য নাই। গানটা আগেই অনেকবার শুনে থাকতে পারি কিন্তু একটা অতি সাধারন রবীন্দ্রসংগীত যেমন ভালো লাগে তেমনি লেগেছে। কিন্তু সেদিন ক্লাসে যাচ্ছিলাম এমবিএ বিল্ডিংয়ের পাশে যে বিশাল মাঠ সেখানে রাস্তার এককোনায় বসে একমেয়ে তার প্রেমিকের কাধে মাথা রেখে গানটা গাইতেছে। আহা কতো অসাধারন একটা সিন। আমি কিছুক্ষণ সময় দাঁড়িয়ে রইলাম মোবাইল গুতাগুতির উসিলায় মেয়েটার গলা ভারী মিস্টি। মনে হচ্ছে শুভমিতা বা লোপামুদ্রা গেয়ে চলছে। বাসায় এসে পড়লাম সেই গানের প্রেমে। বারবার বহু শিল্পীর গাওয়া একি গানই বারবার শুনতেছি। এরকম আমার ক্ষেত্রে অনেকবার হয়। মুল গান ভালো শিল্পীর কাছে ভালো লাগে নি। মানুষের মুখে শুনে শুনে সেই গানটায় ব্যাপক আশক্তি বাড়িয়েছি। এইটার একটার বড় কারন হতে পারে রেডিও। ছোটবেলায় রেডিওতে গান শুনে মুখস্থ করতাম তো তাই আশেপাশের মানুষজন কি গান গায় শুনার চেস্টায় থাকতাম। তখন আরেকটা জিনিস প্রায় হতো আমি গায়েবী ভাবে গান শুনতাম। মনে হতো কেউ আমার প্রিয় একটা গান গাচ্ছে। যদিও বড় হয়ে জেনে গেছি ইহা ঘোর ছাড়া আর তেমন কিছু না। গায়েবী গান আসলে নিজের মনেই গেয়ে চলছে অবিরাম!
কলংকের কালঘুম
যে কাঙাল চলে গেছে তাকে আমি
শালিকের পিঠে
সহস্র স্বর্ণমুদ্রার মত রোদের ভিতর খুঁজি
কত বিরহ , কলংকের কালঘুম
যে আমাকে গুছিয়ে দিয়েছে, দিয়ে চলে গেছে
খুলে নিয়ে আলপিন, শিখিয়েছে পালক পরাতে
অগুনতি হাহাকারে-----
পাথর সরিয়ে শিখিয়েছে মর্ম
কুড়িয়ে নিতেও
মৃত্যু তুলে তুলে যে আমাকে দেখিয়েছে
আমিযে হতে চাই তার মতই
ছুরিতে আঙুল কেটে গেছে
দংশন কিছু বাকি
বুঝা পড়া বাকি
কিন্তু সে নিয়তি
কাঙাল করে না আমাকে
বন্ধু - ২
আড্ডাবাজি চলে যখন তখন, ক্লাসের ফাঁকে, ক্লাসের পরে , দিনে রাতে, যখন যেমন ইচ্ছা তেমন। বাঁধা দেবার কেউ নাই, শাসন করার কেউ নাই, কোন নিয়ম কানুনের বালাই নাই। সে যেন এক আদিম উল্লাসের সময় । আজ এত বছর পর মনে হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐ কয়টা বছর যেন ছিল আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়। ভাবি, ইস, যদি আরেকবার ফিরে পেতাম ! তাইলে মনে হয় একদম সব কিছু প্রোগ্রাম করে করতাম যেন কোথাও কিছু বাদ না পড়ে।
শাদ্দাদের ভূস্বর্গ এবং আরাফাত শান্তর রোদে পুড়া (পর্ব-১)
শান্ত ভাই সকালে ব্লগে ঢুকে আপনার লেখা “দেখো মা পুড়ছি আমি রোদ্দুরে” পড়ে মনটা এতই বিষন্ন হয়ে গেল যে আপনার লেখায় কোন মন্তব্য করব সেই ধৈর্য টুকুও ছিল না। কোন কারনে যদি বাবা ও পিঠাপিঠি বড় ভাইয়ের কথা মনে পড়ে তবে আমি আজও সকল শক্তি হাড়িয়ে ফেলি। বাবা ১৯৮২ সালে আর ভাইটি ২০০০ সালে চলে গেছেন না ফেরার দেশে। ভাইটি আমার পিঠাপঠি হওয়াতে তার সাথে আমার অসংখ্য স্মৃতি, আমার লেখাপড়া আরাম আয়েস সকল কিছুর ব্যবস্থা ও দেখাশুনা করত ও। তাই এ বয়সেও আমি যখন একা থাকি ওর জন্য কত রাত কাঁদি হিসেবে নেই। ভাইটি চলে যাবার আগে বাবার জন্য অহর্নিশি কেঁদেছি। আপনি হয়ত ভাবছেন আপনার গল্পের সাথে আমার এ স্মৃতি কাতরতার কারন কি?
বৃক্ষবাসীর কথা

এটা কোন ভুতুড়ে বৃক্ষ নয়। শতবর্ষী(!) তেতুল গাছ। অনিন্দ্য স্বন্ধ্যায় এক অবিস্মরনীয় নাটক মঞ্চস্থ হল মে ১৭, ২০১৩ এ। ব্রম্মপুত্র নদের তীর ঘেষে যে পার্কটি, তার প্রবেশ পথেই এই মঞ্চ ”প্রেরণাঙ্গন”। অবিশ্বাস্য দক্ষতায় শিল্পীগণ (রূপক বৃক্ষবাসী) গাছের ডালে বসে, শেষভাগে লাফিয়ে, ঝাঁপিয়ে রাজাকার বধে দর্শক- শ্রোতাকে শিহরিত করে জানিয়ে গেলেন ইতিহাস, চেতনা ও প্রজন্ম ভাবনা বৃক্ষবাসীর কথা’র (নাটকের নাম) ছলে। রাজাকারমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার শপথে এ এক নান্দনিক উপস্থাপনা।

মঞ্চ সজ্জ্বা, আলো প্রক্ষেপণ, সংলাপ চয়ন, অভিনয় শৈলী সবকিছূতেই মুন্সীয়ানার ছাপ। ধন্যবাদ ময়মনসিংহ জেলার উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী কে। ধন্যবাদ এর নাট্য বিভাগ ও সংশ্লীষ্ট কলাকুশলীকে এমন ধারা উপস্থাপনার জন্য।
শিশুরাই দেশ গড়ার কল।
শিশুরাই দেশ গড়ার কল।
বিঃ দ্রঃ (এই কবিতাটি আমার নয়। আমার ছেলে জোনাঈদের লেখা দ্বিতীয় কবিতা )
দিন আসে দিন যায়
আমার চিন্তা বাড়ে ভাই,
স্যারের প্রশ্নের শেষ নাই
আমাদের পড়া বাড়ে ভাই।
রাতের আকাশে তারা অশেষ,
ছাত্রদের নাই সিলেবাসের শেষ।
বাবাক শুধাই তোমরাও এত পড়তে
বাবা বলল,সে কি আর বলতে
আকাশের যেমন অন্ত নাই
পড়ার তেমন শেষ নাই।
পড়াশুনাই হল আসল বল
আজকের শিশুরাই দেশ গড়ার কল।
০৭/০৬/২০১৩ইং
বুয়েটের বাপ(পর্ব-৬)
অনেকদিন কেটে গেল, ছেলে আবার লিখেছে বাবাকে শহরে এসে কিছুদিনের জন্য বেরিয়ে যেতে। চাচা তো এটাই চেয়েছিল সেবার বেশী পাওয়ারের চশমা কিনে যে ঠকাটা ঠকেছে তার ব্যাথা আজও মনে হলে কলিজা ফানা ফানা হয়ে যায়। টাকার শোকের চেয়ে বড় শোক আর হয় না, চাচা এটা হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছেন।
দিনক্ষণ ঠিক করে আবার চাচা শহরে গেলেন। এবার বুড়িকে সাথে নিতে চাইলেও বুড়ি বলল আপনেই যান, আমি দেখি পরের বার যামুনে।
প্রকৃতিশোভা

নগরের কাঁচ দালানের বুকে উদীয়মান সূর্য
চেয়ে থাকে যুবতীর আপেল পীণের মত।
সে সুন্দর অথচ ধরা যায় না
হীরের মত তার শোভা ধাঁধায়।
টিয়ের মত এক টুনটুনি ছোটাছুটি করে
লাল লাল ঠোঁটে কারুকলা নিয়ে
তার বিজাতীয় পেখমের চারুকলায় স্ববর্ণীয় তুলি
সে জলে মিশে রঙের মত, দুধে আলতা গায়।
প্রকৃতি তুই বরফগলা নদী হলি, শীতের হু হু বাতাস হলি
ঠোঁটের কাছে মরুর শ্বাস হলি
অমন সুঢৌল অঙ্গ নিয়ে মন মাতালি
কে দিয়েছে এমন আবেশী নূপুর তোর পায়?
সাগরপারের কাঁচপাথরের সবুজ হলি, বকের দুটি ডানা নিলি
শাপলাফুলের পরাগ খেলি কালোজলের দিঘী হলি।
কঁচি লাউয়ের পায়ে পায়ে স্বরলীপির খেলায়
পাগল হওয়ার মৌসুম হল স্বপন আশার মায়ায়।
গাঢ় সবুজ পাহাড়ের তন্বী ভাঁজে ভাঁজে
লুকিয়ে থাকা রহস্য গোকুল গন্ধ আনে;
তার স্রোতের মত মেরুদন্ড দিয়ে উষ্ণপ্রস্রবণের জোয়ার
মনে হয় দু'দন্ড শীতলতায় ঘুমিয়ে পড়ি গাছের আবছায়।
তার নাভিমূলে এঁকে যায় বিশ্বকর্মা নিখুঁত পেয়ালা
উপত্যকার 'পরে যেন এক মাদকের গুমট জলা।
দেখো মা পুড়ছি আমি রোদ্দুরে!
শিরোনামটা বেশী ভারিক্কি হয়ে গেলো। আমি এতো ভালো ভালোয় দিন পার করে যদি এই ধরনের শিরোনাম দিয়ে পোস্ট দেই তাহলে তা খুব একটা শোভন হয় না। আসলে শিরোনামটা নটোবর নটআউট সিনেমায় রুপমের একটা গান থেকে নেয়া। সিনেমাটা দারুন। এতো দারুন স্মার্ট শতভাগ বাংলা সিনেমা অনেক দিন দেখি নাই। মিস্টি কমেডীর মিস্টি ইন্টারটেইনেমন্টের ছবি। নবাগত বাংলাদেশি নায়ক মোস্তফা প্রকাশ নামের ছেলেটার অভিনয়ে মুগ্ধ হইছি ব্যাপক। এবং প্রত্যেকেই চরিত্র অনুযায়ী অসাধারন অভিনয়ে, দেবজ্যোতি মিশ্রর দারুন মিউজিক ডিরেকশনে ছবিটা আমার দেখা কলকাতার অন্যতম সেরা ছবি। যদিও ছবিটা তেমন ব্যাবসা করতে পারে নি তাও এরকম মিস্টি ছবি অনেকদিন দেখা হয় নাই। ছবির ডায়লগের কাব্য ও সমগ্র ছবি জুড়ে কবিগুরুর উপস্থিতি দারুন লাগে। টাইটেল এনিমেশন, ঝকঝকে প্রিন্ট মন কেড়ে নেয়। এরকম আরবান বাঙ্গালীয়ানা ছবি আর চোখে পড়ে নাই! কলকাতার ছবি যা দেখছি তা নিয়ে আরেকদিন লিখবো। আজ এখানেই অফ যাই!
আশরাফুলঃএক হতাশার, এক স্বপ্ন ভঙ্গের কাব্য
জ্ঞান হওয়ার আগে থেকেই ক্রিকেটের সাথে পরিচয়, আর জ্ঞান হওয়ার পর থেকেই ক্রিকেটের সাথে প্রেম। মনে ১৯৯৯ সালে অভিষেক বিশ্বকাপেই যখন বাংলাদেশ যখন পাকিস্তানকে হারিয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করে তখন আআআমার পাঁচ কি ছয় বছর। সেদিনের ছোট্ট আমি কিছু না বুঝেই বড়দের সাথে বাঁধহীন উল্লাসে মেতে উঠেছিলাম। তখন থেকেই বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্রায় প্রত্যেকটি জয়-পরাজয়ের সাক্ষী হয়ে আছি। ক্রিকেটারদের সাফল্য-ব্যর্থতায় হেসেছি-কেঁদেছি। সাক্ষী হয়ে আছি ২০০৪এ ভারতকে মাটিতে নামিয়ে আনা জয়ের, ২০০৫এ জিম্বাবুয়ে, অস্ট্রেলিয়া বধ, ২০০৬এ শ্রী-লঙ্কান সিংহকে খাঁচায় পুরা, কিংবা ২০০৭ বিশ্বকাপের অবিস্মরনীয় সাফল্যের। শুধু দলের ভাল সময়ে আনন্দ করেছি তাই নয়, দল যখন খারাপ খেলেছে তখন মন খারাপ করেছি, কিন্তু গালি দেইনি; আশায় বুক বেধেছি পরের খেলার জন্য। গত বছর ২২'শে মার্চ যখন এশিয়া কাপের ফাইনালে পাকিস্তানের কাছে মাত্র ২ রানে হেরে যাই তখন সবার সাথে আমিও চোখের পানি ফেলেছি; সেই সাথে তাদের জন্য গর্বও অনুভব করেছি আমরা ১৬ কোটি বাঙ্গালী। এরকম হাজারো আনন্দের-গর্বের আমৃতি আমাদের উপহার দিয়েছেন ক্রিকেটাররা। হাজার দুঃখ-কষ্টে জর্জরিত, দারিদ
বন্ধু
আমার লেখার বয়স হাতে গোনা যায়। বলা যায় মাত্র কয়দিন আগে ফেসবুকে রাসেল এর একটা লেখা পড়ে ওই লিঙ্ক থেকে এই ব্লগে আমার প্রবেশ। এর আগে সত্যি বলতে আমি আর কোন ব্লগ কখনো পড়ি নাই, লেখা তো দুরের কথা। এই ব্লগের সুন্দর মনের মানুষদের অদ্ভুত সব লেখা পড়ে শুধু মুগ্ধ নই, নিজেও কিছু লেখার সাহস পেলাম। যদিও খুব ভাল করে জানি আমার লেখা কিছুই হয়না, তবুও যখন কেউ সেটা পড়ে সুন্দর মন্তব্য করেন অদ্ভুত ভাল লাগে , অনেকটা ছেলের হাতে লাঠিওয়ালা চকোলেট দিলে যেমন খুশি হয় ঠিক তেমন। সত্যি !
যতই ব্যস্ত থাকি মোবাইল দিয়ে হলেও যখন তখন লগিন করে দেখি নতুন কে কি লিখল, নিমিশে পড়ে ফেলি। ভাল লাগে। রাসেল, আরাফাত শান্ত, তানভীরা, আহসান হাবীব, বিষন্ন বাউন্ডুলে আরো কতজন , কি অদ্ভুত সব সুন্দর বিষয় নিয়ে লিখেন, পড়ি , মুগ্ধ হইআর নিজে কিছু লেখার সাহস খুঁজি। অনেক ভুল ভাল লিখি। সবাই ক্ষমা করবেন প্লিজ।
পরাজিত মানুষের ইতিহাস থাকে না
পরাজিত মানুষদের ইতিহাস থাকে না, তারা ইতিহাসের পাতায় নাম লেখাতে প্রতিনিয়ত আত্মাহুতি দেয়, প্রচন্ড নির্যাতন সহ্য করে, প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই করে, গণমাধ্যমের সহানুভুতি -ঘৃণা পায়, তাদের মানবেতর জীবনযাপন ও লড়াই মানবাধিকার সংস্থার স্বীকৃতি পায় কিন্তু বিজয়ের আস্বাদ তারা পায় না।
পূর্বপুরুষের পাপের জের টানা এবং নিত্যনির্যাতিত হওয়ার গল্পগুলোর একপেশে উপস্থাপন থাকে বিজয়ীর গাঁথায় কিন্তু পরাজিতের জবানীতে তার আত্মঅধিকার এবং স্বীকৃতির লড়াইয়ের গল্প ততটা প্রচারিত হয় না।
যেমন ধরা যাক রোহিঙ্গাদের কথা, আমাদের সীমান্তবর্তী রোসাঙ্গ রাজ্যের বাসিন্দা তারা, রোসাঙ্গ রাজাদের রাজসভা আলোকিত করেছে চট্টগ্রামের কবিরা, তারা সেখানে মধ্যযুগের বাঙলা সাহিত্যের স্বর্ণযুগের সূচনা করেছিলো, চট্টগ্রামের আব্দুল করিম সাহিত্যবিশারদ তার জীবনের দীর্ঘ একটা সময় এইসব কবিদের সাহিত্য সংগ্রহ ও সম্পাদনা করে অতিবাহিত করেছেন।
সিরাজউদদৌলা যখন কোলকাতা অবরোধ করলেন তখন একজন ইংরেজ সেনাপতির চট্টগ্রাম অভিমুখে আরকান রাজ্য দখল করতে যান, তাদের ধারাবাহিক আক্রমণে অবশেষে আরকান রাজ্য ব্রিটিশ উপনিবেশের অংশভুক্ত হয়।
স্বর্ণালী অপ্সরী !!!
যখন ভালোবাসতে শুরু করেছিলাম তখন তুমি তেমন জনপ্রিয় ছিলেনা। তারপর কেটে গিয়েছে অনেক সময়। কিন্তু তুমি সেই সোনালী পোশাকে মোরানো ফর্সা ধবধবেই রয়ে গেছো।
স্বর্ণালী অপ্সরী !!! হ্যাঁ এটাই বুঝি তোমার জন্য সবথেকে ভালো নাম।
হে সোনালী পোশাকে আবৃত শ্বেতশুভ্র অপ্সরী , তোমাকে সবচেয়ে অপরূপা কোথায় লাগে?
দুই আঙ্গুলের ফাকে নাকি দুই ঠোঁটের মাঝে ?
তোমায় চুমুতে ভরিয়ে দেই আমি সর্বদা। যুগে যুগে কত্তো মহামানবরা তোমায় একটি চুমু দেওয়া কে শত নারীর ঠোঁটের চেয়েও মূল্যবান বলেছে।
তুমি এখনো সুন্দর ওই সোনালী ঘরে। তোমার সৌন্দর্য আরো বেড়ে যায় যখন তুমি জ্বলন্ত অবস্থায় থাকো দুই আঙ্গুলের ফাকে অথবা দু'ঠোঁটের ফাকে।
তুমি একাকিত্বের সঙ্গি। তুমি অবসরের সাথী। তুমি মানসিক প্রশান্তি জোগাও প্রচন্ড ব্যাস্ত সময়ে। করে তোলো উতফুল্ল অনেক চিন্তার মাঝেও। নতুনভাবে ভাবতে সাহায্য করো যখন ভাবনার সীমান্তে পৌঁছে যাই।
মাঝে মাঝে তোমারই কারনে প্রেমিকার সাথে হয়ে যায় তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ !!!! মাঝেমধ্যে তোমার জন্য মা'র সামনে চকলেট খেতে খেতে যাই।
কিশোর বেলার কিশোর থ্রিলার
সেই ছেলেবেলায়, প্রাইমারীর গণ্ডি শেষ করেছি কি করিনি ঠিক মনে পড়ছে না। প্রতিদিন দুপুরে বাসার সবারই নিয়ম করে ঘুমানোর আদেশ ছিল, আমার কখনই দুপুরে ঘুম হত না। মন উদাস করা গ্রীষ্মের সেই দুপুরে একা একা ঘরের কোণে বসে ‘আরব্য রজনীর দেশে’ নামক একটি বই পড়ছিলাম। সেই-ই প্রথম শুরু পাঠ্য বইয়ের বাইরে বই পড়া। মামা ঘুম থেকে উঠে বইটা হাতে দেখে বলে উঠল-এখনই উপন্যাস পড়া শুরু করেছো! কণ্ঠে অনেকটা তাচ্ছিল্যের সুর। আমি বুঝতে পারিনি কি এমন ভুল করলাম, মনে মনে ভাবছিলাম-এটা পড়া কি নিষেধ নাকি!
ধীরে ধীরে মাথার ভিতরে সেই যে বইয়ের পোকা ঢুকে পড়ে আর বের হয় না। ছেলেবেলায় আমি একটু ঘরকুনো টাইপের ছিলাম। গ্রাম থেকে চলে আসার পর শহরটাকে নিজের করতে বেশ কিছুটা সময় পার হয়ে গিয়েছিল। তারপর শুরু হল নতুন স্কুল জীবন। নতুন বন্ধু, নতুন জগৎ! একসময় বন্ধুদের কল্যাণে পেয়ে গেলাম বিশাল বইয়ের খনি! ‘সেবা প্রকাশনী’ আমার সামনে উন্মোচিত করে দিল এক নতুন দিগন্ত! শুরু হল আমার নতুন অভিযান, অসাধারণ এক এডভেঞ্চার!
বিজ্ঞান তোমাকে ছালাম(শেষ পর্ব)
প্রথমে চলুন দেখি আগুনের উৎস গুলি কি কি?
ক শ্রেনীর আগুন – সাধারন ধাহ্য বস্তু যেমন, কাঠ,কাপড়, পেপার, খড়, রবার, প্লাষ্টিক ইত্যাদি।
খ শ্রেনীর আগুন- এই ধরনের আগুনের উৎস হল, ধাহ্য তরল পদার্থ যেমন পেট্রোল,কেরসিন,তৈল জাতীয় পদার্থ,গ্রীজ, তেল রং, ইত্যাদি।
গ শ্রেনীর আগুন- এই ধরনের আগুনের উৎস হল ধাহ্য গ্যাস।
ঘ শ্রেণীর আগুন- ধায্য ধাতব শ্রেনীর জিনিস যেমন, ম্যাগ্নেসিয়াম,টিটেনিয়াম, সোডিয়াম, লিথিয়াম, এবং পটাসিয়াম ইত্যাদি।
ঙ-শ্রেণীর আগুন- রান্নার কাজে ব্যবহৃত তেল বা ফ্যাট জাতীয় বস্তু।
চ শ্রেনীর আগুন- বিদ্যুৎ চালিত যন্ত্রপাতি, বা বৈদুতিক তারে সর্টসার্কিট জনিত আগুন।
আগুনের উৎস গুলো দেখা হল, এবার চলুন কোন ধরনের আগুন নিভাতে কোন ধরনের অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র ব্যবহার করা যায়।
ধরন ও যে ধরনের আগুনের উপর ব্যবহার উপযোগী
পানি- ক
ফোম/ক্রিম- ক,খ
ড্রাই পাউডার----- ক,খ, গ,ঘ,ঙ
কার্বন-ডাই- অক্সাইড- খ,ঙ
হেলন ১২১১/বি সি এফ- এখন সাধরনত ব্যবহার করা হয় না।