ইউজার লগইন
ব্লগ
আবারও বিশ্বকাপ, আবারও বিশ্লেষক
ক্রিকেটের শৈত্য প্রবাহে কাঁপছে বাংলাদেশ। আবহাওয়াবিদদের প্রেডিকশান অনুযায়ী আরো ২/৩ দিন চলবে হিমেল হাওয়ার তান্ডব, কিন্তু বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের অস্থিরতা কবে কাটবে সেটা আপনারাই ভালো বলতে পারবেন। গতো ফুটবল বিশ্বকাপের সময় যতোটা উদ্বেগ উৎকণ্ঠা ছিলো এবার পারদরেখা তার চাইতে অনেক উপরেই থাকবে সেটা নিঃসংশয়ে বলে দেয়া যায়। নিজের দেশে বিশ্বকাপ বলে কথা। তার উপর গতো বেশ ক'মাস ধরে দেশের ক্রিকেটে বইছে জয়ের সুবাতাস। টিম বাংলাদেশের শুরুটা গতো বছর খুব ভালো না হলেও ধীরে ধীরে যে উন্নতির গ্রাফটা উপরে উঠেছে সেটা তাদের গতো বেশ কয়েকটা সিরিজের ফলাফলে নজর বুলালেই বোঝা যাবে। বাংলাদেশ দল ক্রিকেট বিশ্বকাপ জিতে নেবে এমন স্বপ্ন না দেখলেও তারা আশাব্যঞ্জক ক্রিকেট খেলে দেশ বিদেশের ক্রিকেট দর্শকদের মনোযোগ আকর্ষণ করবে এমনটা ভাবতে খুব একটা সাহসের প্রয়োজন হয় না।
পাখি উড়ে উড়ে উড়ে যায় কোথায়
কংক্রীটের পোড়ামুখো জীবন চলছে নিজের গতিতে। আমি পাশ ফিরে শুই, খাট ককিয়ে ওঠে। আমার চোখে ঘুম ছিলো না। শরীরে ক্লান্তি ছিলো। সেটা মনের ওপরেও প্রভাব খাটাচ্ছিলো, অনেকক্ষণ ধরে। বড় নিরাশা করে পাশ ফিরেছিলাম কি না কে জানে। চাপা একটা নিঃশ্বাসকে দেখলাম সন্তপর্ণে দরজাটা ভেজিয়ে দিয়ে বের হয়ে যেতে।
একটা মহল্লার কুকুর অযথাই অনেকক্ষণ ধরে নিস্তব্ধতা চিড়ে ঘেউ ঘেউ করে যাচ্ছে। এই শহর সারাদিনে আমার নাক দিয়ে, মুখ দিয়ে বিষ ঢুকিয়েছে শরীরের ভেতর। আমার শ্বাসনালী জ্বলে যায়, ও তাও আমার ভেতর বিষ ঢালতেই থাকে। আহারে জীবন, তুমি বড় অদ্ভুত।
নতুন বছরে কি ভাবছেন ?
নতুন শতাব্দীর দশম বছরটিকে ঝেঁটিয়ে বিদায় করে দিয়ে এসেছে নতুন বছর। সবার মনে এখন নতুন ভাব, চোখে নতুন খোয়াব। তাই...মানুষ কি ভাবছে নতুন বছরে ? বছরের প্রথম দিনে মনে এই প্রশ্নের উদয় হতেই বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের অনুভূতি জানতে ইচ্ছে হলো। ‘চ্যারিটি বিগেইনস এট হোম’-এই প্রবাদ বাক্যের অনুসরণে প্রথমে জানতে চাইলাম নিজের স্ত্রীর প্রতিক্রিয়া। ‘নতুন বছরে কি ভাবছো ?’ আমার এই প্রশ্নের উত্তরে প্রথমে একটু থমকে যান তিনি। তারপর... সরাসরি আমার চোখের দিকে তাকিয়ে বলেন, ‘সত্যি কথা বলবো ? ‘হ্যাঁ নি:সংকোচে বলতে পার’। আমি অভয় দেই। ‘ভাবছি তোমাকে কিভাবে সাইজ করা যায়’। ‘তার মানে ?’ ভড়কে গিয়ে প্রশ্ন করি। ‘ইদানীং তুমি কেমন জানি বদলে যাচ্ছ, আগের মতো আমাকে আর ভালোবাসো না। গত ঈদে একটা ভালো শাড়ীও দাওনি, ইদানীং আবার বড্ড রাত করে বাসায় ফির, বাসায় এসে আবার কম্পিউটার নিয়ে বসে পড়ো...। আচ্ছা তুমি আমাকে কি মনে করো বলতো !
নাম বনাম
আমরা বন্ধু ব্লগে এম. এ. সিরাজীকে দেখে অবাকই হয়েছি। আমার নামের সাথে এত মিল! প্রথমে ভেবেছি- এটা বুঝি আমি নিজেই। মাইনুলের এম, এইচের এ। পরে ভদ্রলোকের প্রোফাইল দেখে বুঝলাম- লোকটা আমি নই। আমিতো ভার্সিটি লাইফ শেষ করে এসেছি সেই ১১ বছর আগে। তবে অনেকে ভাবতে পারেন এম. এ. সিরাজী নামে আমি বুঝি আরেকটা একাউন্ট খুলেছি!
নাম নিয়ে এহেন বিড়ম্বনার গল্প শোনাবার জন্যই এই পোস্টের অবতারণা। একটা ধাঁধা দিয়ে শুরু করব, কৌতুক দিয়ে শেষ করব।
১। আচ্ছা বলুন তো, কী এমন জিনিস, যা একেবারেই আপনার; কিন্তু আপনি ব্যবহার করেন কম, অন্যরা সারাদিন ব্যবহার করে?
ঠিক ধরেছেন। এটা হচ্ছে আপনার নাম।
কথায় আছেনা, মক্কার মানুষ হজ্ব পায়না
আচ্ছা বন্ধুরা, আমার এই কথাগুলি কি আপনারা বিশ্বাস করবেন? আমি software quality assurance & testing department-এ কাজ করি। ডেস্কটপ ও ওয়েব এ্যাপ্লীকেশন টেষ্ট করা ও তার কোয়ালিটি নিশ্চিত করা আমার কাজ। আমি যদি বলি যদিও আমার অফিসে পিসি ও ইন্টারনেট আছে, আমার বাসায় কোন পিসি বা নেট কানেকশন নেই, তবে বিশ্বাস যোগ্য হবে? হবে না, তাই না? বা একটা হোটেলের একজন বাবুর্চী যদি বলে সে খাদ্যাভাবে কষ্ট পায় সেটাও হয়তো আমরা বিশ্বাস করবো না, তাই না?
হ্যালো ২০১১
সারা বছর দেশের জন্যে মন খারাপ থাকে। ঘোলা আকাশ, শীত, ঠান্ডা, মন খারাপ করা অন্ধকার বরফে দেশের জন্য আরো অস্থির লাগে। এই অন্ধকারকে কিছুটা মৃদ্যু করতেই বুঝিবা ক্রীসমাসে সব শপিং মল, বাড়ি, রেষ্টুরেন্টে, রাস্তায় প্রচুর টুনি বাল্ব ব্যবহার করা হয়। ক্রীসমাস এখানে পারিবারিক উৎসব। সবাই বাড়ি ফেরেন, মা – বাবা, নানী – দাদীদের সাথে দেখা করেন। খুব নিরিবিলি চুপচাপ। রাস্তায় ধরতে গেলে কোন লোক দেখা যায় না ক্রীসমাস ইভ থেকে সেকেন্ড ক্রীসমাস ডে পর্যন্ত। সবাই জেগে ওঠে আবার থার্টি ফাষ্ট ইভে। ক্রীসমাসের থেকে অনেক বেশি আনন্দ, উৎসব এবং খরচ হয় এইদিনে। বারবার একটি লাইন মাথায় ঘুরে, আজ থার্টি ফাষ্ট, আজ পশ্চিমের ঘরে ঘরে আনন্দ। সন্ধ্যে থেকে চারধারে ঠুস ঠাস, ফুশ শব্দ সাথে আলোর ঝলকানি। প্রতিটি দিন যেমনই লাগুক, এই একটি দিন নেদারল্যান্ডসে আমার খুবই আনন্দের দিন। মনে হয়, না খুব খারাপ নেই, বরং ভাবি ঠিকাছে। বারোটা এক মিনিটে কানে তাল
কৈশোর, মা এবং স্বাধীনতা
এত দিন জানতাম বিয়ের পর ছেলের যদি একটা ভুল হয় মা বলেন বউএর জন্য এমনটা হয়েছে। তাই ভেবেছিলাম বিয়ে না করে এই বউ-শাশুড়ীর ক্যাচালের হাত থেকে রক্ষা পাব।কিন্তু এখনতো দেখছি শুধু বউ না ছেলের মেয়েবন্ধুটাও এই সমস্যা থেকে রেহাই পায় না। আমার এক বন্ধুর কথা বলছি।বেচারা!কোন ভুতের কিল খেয়ে একটা প্রেম করতে গিয়েছিল। তার আবার অতিরিক্ত সাহস। যা করবো সবাইকে জানিয়ে করব পর্দার অন্তরালে নয় এমন একতা মনোভাব নিয়ে সবাইকে জানিয়ে বেড়াল তার প্রেমের কথা।সবার আগে জানাল তার মাকে। ঐটাই কাল হল তার জন্য। এখন ছেলে যদি মায়ের সাথে একটূ উঁচু স্বরে কথা বলে মা মনে করে ওই হতচ্ছাড়া মেয়েটার জন্নুই তার খোকন সোনা তার সাথে এমন করছে।বেচারার জীবন একেবারে দফারফা। সেদিন বাসায় গেলাম তার আন্টি আমায় বলল তার ছেলে সারাদিন অই মেয়ের সাথে কথা বলে।অই মেয়ের সাথে কথা না বলে কথা গুলো তার সাথে শেয়ার করলে তো খুব একটা ক্ষতিতো আর হয় না।তাও ঠিক মায়ের সাথেতো শ
পুনর্মুষিকোভব
মহাসড়কটি ধরে কিছু দূর এগুলেই চোখে পড়ে গ্রামটি।
আর পাঁচ-দশটা গ্রাম থেকে আলাদা কিছু না। পাশাপাশি থাকা চৌচালা বাড়ী গুলো , উঠোন, গোয়াল ঘর , মাটির রাস্তা আর গাছ-গাছালি জড়সড় করে চেনা দৃশ্যপট তৈরী করা।
সে গ্রামে বাতাসের তুলিতে রৌদ্রের জলরঙ দিয়ে আঁকা হয় সহজ সরল মানুষগুলোর জীবনের ক্যানভাস । গ্রামের আরেক পাশে বিস্তীর্ন ফসলী মাঠ, সে মাঠে আকাশ আর মাটি কথা বলে ফিসফিসিয়ে।
প্রথম কারন: আমরা বন্ধুকে কেন ভালো লাগলো।
আজ আমি এই ব্লগে সদস্য হয়েছি। আর আমার প্রথম পোষ্টটিই ছিলো নিয়ম ভেংগে। মানে আমি এমন একটি পোষ্ট দিয়েছিলাম যা আগে অন্য ব্লগে পোষ্ট হয়েছিলো। যথারিতি আমার সেই পোষ্টে মন্তব্য এসেছে। দুই ধরনের মন্তব্য ছিলো। এক ধরনের মন্তব্য পোষ্টটির বক্তব্যের ভিত্তিতে আর আরেক ধরনের মন্তব্য ছিলো (সম্ভবত এ্যডমিন থেকে) আমার নিয়ম ভাংগার কারনে। তো আমি আমরা বন্ধুর সকল নতুন বন্ধুদেরকে একটা বিষয় না জানিয়ে থাকেত পারছিনা না। আমার ঐ নিয়ম ভাংগা পোষ্টে আমি যে মন্তব্যটি শেষে করেছিলাম সেটা সবার সাথে একটু শেয়ার করতে চাইছি।
শিশুর সাথে কখনই এই কাজটি করবেন না...
যদি পড়বার মুড না থাকে তবে এই পোষ্টটির একটি পডকাষ্ট পাবেন এখানে অন্যথায় পড়া চালিয়ে যান।
আমার এই লেখা শিশুদের জন্য নয়, বড়দের জন্য। যারা শিশুদের সাথে ভুল করে নানা সময় অন্যায় করি। ক্ষতি করি আমাদের প্রিয় সন্তানদের, ভাগ্নে-ভাগ্নীদের, ভাতিজা-ভাতিজীদের...
পাখি উড়ে উড়ে উড়ে যায় কোথায়
কংক্রীটের পোড়ামুখো জীবন চলছে নিজের গতিতে। আমি পাশ ফিরে শুই, খাট ককিয়ে ওঠে। আমার চোখে ঘুম ছিলো না। শরীরে ক্লান্তি ছিলো। সেটা মনের ওপরেও প্রভাব খাটাচ্ছিলো, অনেকক্ষণ ধরে। বড় নিরাশা করে পাশ ফিরেছিলাম কি না কে জানে। চাপা একটা নিশ্বাসকে দেখলাম সন্তপর্ণে দরজাটা ভেজিয়ে দিয়ে বের হয়ে যেতে।
একটা মহল্লার কুকুর অযথাই অনেকক্ষণ ধরে নিস্তব্ধতা চিড়ে ঘেউ ঘেউ করে যাচ্ছে। এই শহর সারাদিনে আমার নাক দিয়ে, মুখ দিয়ে বিষ ঢুকিয়েছে শরীরের ভেতর। আমার শ্বাসনালী জ্বলে যায়, তাও ও বিষ ঢোকাতেই থাকে। আহ্ প্রেমিকা, তুমি বড় অদ্ভুত।
পেচ্ছাপেচ্ছি: ভার্সন ২০১১
বছরের প্রথম দিনে পোস্ট না দিলে মনটা খারাপ থাকবে সারাবছর। তাই ভাবলাম লিখেই ফেলি। আর পোস্ট দেওয়ার ক্ষেত্রে পেচ্ছাপেচ্ছিই আমার সবচেয়ে পছন্দ।
১.
এখন পড়ছি নির্মল সেনের আমার জবানবন্দী। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক ও সাংবাদিক জীবনের গল্প। সমাজতন্ত্রী এই রাজনীতিবিদ আজীবন সবার মনে থাকবেন একটা লাইনের জন্যই-স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি চাই।
গোলাপি এখন ট্রেনে সিনেমায় ভিলেন এটিএম শামসুজ্জামান একবার একজনকে গালি দিয়ে বলছিল-শালা কমিউনিষ্ট। সে সময়ে সমাজতন্ত্রের এতো খারাপ অবস্থা ছিল না। এখন আগের দিনের সেইসব বিপ্লবীদের পরিণতি দেখে সেই গালিটা মাঝে মধ্যে দিতেও ইচ্ছা করে।
তারচেয়ে সেই পুরান কবিতাটা বলি...
আমার যে বন্ধুরা পৃথিবীকে বদলাবে বলেছিল
ত্বর সইতে না পেরে
এখন তারা নিজেরাই নিজেদের বদলে ফেলছে।
(সুভাষ মুখোপাধ্যায়)
পিকনিকের আরো কিছু প্যাচাল

দাদাভাই মেসবাহ যাযাদের ছবি দিয়া পিকনিকের প্যাচাল শুরু করলাম। কেন করলাম এইটা ব্যাখ্যা করার জরুর না, সবাই জানে। এবি পিকনিক মানেই দাদাভাই।

সাড়ে ৮ টার মধ্যে শাহবাগ থেকে বাসে উঠতে হবে। রিক্সায় উঠে হিসাব করলাম টায়টায় গিয়ে পৌছাব। কিন্তু চালাক বাবাজী ভুল করে প্রেসক্লাব ঘুরে যাওয়াতে পাঁচ মিনিট দেরী। দাদাভাই চিল্লাচিল্লি করবে এইটা জানা। উনি বেহুদাই আমার সাথে ফাপর লন। আর এখন তো দেরী! গিয়া দেখি সবাই চলে এসছে। চরম ত্যাক্ত চেহারা নিয়া ভাই ঝাড়ি মাইরা বাসে উঠাইলেন, এক পেয়ালা চা খাইতে চাইছিলাম ধমক দিয়া বসায় রাখলেন।
শুভ হোক নতুন বর্ষ... শুরু হোক নতুন করে
দেশবাসী সব্বাই জানে যে, যেকোন উৎসবে লাইক ঈদ/নববর্ষে কিছু দরদী ভাইয়ের হঠাৎ দরদ উথলাইয়া ওঠে। সমস্ত মহল্লায় পোস্টারে শায়লাব ... ওমুক ভাই ঈদের/নববর্ষের শুভেচ্ছা জানাইছেন... কারন কি? সামনে নির্বাচন
... আর তাই বিভিন্ন ভাইজানদের আমাদের জন্য দরদ উথলাইয়া ওঠে 
এবার কিন্তু সত্যি নির্বাচন সন্নিকটে... আবার ভাইবেননা যে আমি ইলেকশন সামনে দেইখা এইটা নির্বাচনী পোস্ট দিছি
... লোকজন ভুইলা যাইতারে দেইখা এইটা একটা বাইচা আছি টাইপ পোস্ট 
কয়েকদিন আগেই আমরা একটি দুর্দান্ত পিকনিক কাটিয়ে এলাম। চমৎকার একটা দিন আমাদের ছিল। আর তাই পিকনিকের পেছনে থাকা কিছু অসাধারন মানুষকে একটু ধন্যবাদ না দিলে তো হপে না।
ভুং ভাং ফটো ব্লগ
সবাইকে ২০১১ এর শুভেচ্ছা এবং সবার জন্য শুভকামনা। নতুন বছর সবার অনেক ভালো কাটুক।
হঠাৎ করেই ২৭ ডিসেম্বর, ২০১০ ঘুরতে বের বান্দরবন, কক্সবাজার। ব্যাপক ঘুরাঘুরি করে গতকাল ফিরে এলাম।আমি ছবি ভালো তুলতে পারি না আর আমার খুব ভালো ক্যামেরাও নেই। তবু সাহস করে কয়েকটা ছবি দিলাম।
নিলগিরি
নিলগিরিতে আমরা সবাই
নীলাচল
মেঘলা, বান্দরবন
মেঘলা, বান্দরবন