ইউজার লগইন
ব্লগ
পাখি উড়ে উড়ে উড়ে যায় কোথায়
কংক্রীটের পোড়ামুখো জীবন চলছে নিজের গতিতে। আমি পাশ ফিরে শুই, খাট ককিয়ে ওঠে। আমার চোখে ঘুম ছিলো না। শরীরে ক্লান্তি ছিলো। সেটা মনের ওপরেও প্রভাব খাটাচ্ছিলো, অনেকক্ষণ ধরে। বড় নিরাশা করে পাশ ফিরেছিলাম কি না কে জানে। চাপা একটা নিশ্বাসকে দেখলাম সন্তপর্ণে দরজাটা ভেজিয়ে দিয়ে বের হয়ে যেতে।
একটা মহল্লার কুকুর অযথাই অনেকক্ষণ ধরে নিস্তব্ধতা চিড়ে ঘেউ ঘেউ করে যাচ্ছে। এই শহর সারাদিনে আমার নাক দিয়ে, মুখ দিয়ে বিষ ঢুকিয়েছে শরীরের ভেতর। আমার শ্বাসনালী জ্বলে যায়, তাও ও বিষ ঢোকাতেই থাকে। আহ্ প্রেমিকা, তুমি বড় অদ্ভুত।
পেচ্ছাপেচ্ছি: ভার্সন ২০১১
বছরের প্রথম দিনে পোস্ট না দিলে মনটা খারাপ থাকবে সারাবছর। তাই ভাবলাম লিখেই ফেলি। আর পোস্ট দেওয়ার ক্ষেত্রে পেচ্ছাপেচ্ছিই আমার সবচেয়ে পছন্দ।
১.
এখন পড়ছি নির্মল সেনের আমার জবানবন্দী। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক ও সাংবাদিক জীবনের গল্প। সমাজতন্ত্রী এই রাজনীতিবিদ আজীবন সবার মনে থাকবেন একটা লাইনের জন্যই-স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি চাই।
গোলাপি এখন ট্রেনে সিনেমায় ভিলেন এটিএম শামসুজ্জামান একবার একজনকে গালি দিয়ে বলছিল-শালা কমিউনিষ্ট। সে সময়ে সমাজতন্ত্রের এতো খারাপ অবস্থা ছিল না। এখন আগের দিনের সেইসব বিপ্লবীদের পরিণতি দেখে সেই গালিটা মাঝে মধ্যে দিতেও ইচ্ছা করে।
তারচেয়ে সেই পুরান কবিতাটা বলি...
আমার যে বন্ধুরা পৃথিবীকে বদলাবে বলেছিল
ত্বর সইতে না পেরে
এখন তারা নিজেরাই নিজেদের বদলে ফেলছে।
(সুভাষ মুখোপাধ্যায়)
পিকনিকের আরো কিছু প্যাচাল

দাদাভাই মেসবাহ যাযাদের ছবি দিয়া পিকনিকের প্যাচাল শুরু করলাম। কেন করলাম এইটা ব্যাখ্যা করার জরুর না, সবাই জানে। এবি পিকনিক মানেই দাদাভাই।

সাড়ে ৮ টার মধ্যে শাহবাগ থেকে বাসে উঠতে হবে। রিক্সায় উঠে হিসাব করলাম টায়টায় গিয়ে পৌছাব। কিন্তু চালাক বাবাজী ভুল করে প্রেসক্লাব ঘুরে যাওয়াতে পাঁচ মিনিট দেরী। দাদাভাই চিল্লাচিল্লি করবে এইটা জানা। উনি বেহুদাই আমার সাথে ফাপর লন। আর এখন তো দেরী! গিয়া দেখি সবাই চলে এসছে। চরম ত্যাক্ত চেহারা নিয়া ভাই ঝাড়ি মাইরা বাসে উঠাইলেন, এক পেয়ালা চা খাইতে চাইছিলাম ধমক দিয়া বসায় রাখলেন।
শুভ হোক নতুন বর্ষ... শুরু হোক নতুন করে
দেশবাসী সব্বাই জানে যে, যেকোন উৎসবে লাইক ঈদ/নববর্ষে কিছু দরদী ভাইয়ের হঠাৎ দরদ উথলাইয়া ওঠে। সমস্ত মহল্লায় পোস্টারে শায়লাব ... ওমুক ভাই ঈদের/নববর্ষের শুভেচ্ছা জানাইছেন... কারন কি? সামনে নির্বাচন
... আর তাই বিভিন্ন ভাইজানদের আমাদের জন্য দরদ উথলাইয়া ওঠে 
এবার কিন্তু সত্যি নির্বাচন সন্নিকটে... আবার ভাইবেননা যে আমি ইলেকশন সামনে দেইখা এইটা নির্বাচনী পোস্ট দিছি
... লোকজন ভুইলা যাইতারে দেইখা এইটা একটা বাইচা আছি টাইপ পোস্ট 
কয়েকদিন আগেই আমরা একটি দুর্দান্ত পিকনিক কাটিয়ে এলাম। চমৎকার একটা দিন আমাদের ছিল। আর তাই পিকনিকের পেছনে থাকা কিছু অসাধারন মানুষকে একটু ধন্যবাদ না দিলে তো হপে না।
ভুং ভাং ফটো ব্লগ
সবাইকে ২০১১ এর শুভেচ্ছা এবং সবার জন্য শুভকামনা। নতুন বছর সবার অনেক ভালো কাটুক।
হঠাৎ করেই ২৭ ডিসেম্বর, ২০১০ ঘুরতে বের বান্দরবন, কক্সবাজার। ব্যাপক ঘুরাঘুরি করে গতকাল ফিরে এলাম।আমি ছবি ভালো তুলতে পারি না আর আমার খুব ভালো ক্যামেরাও নেই। তবু সাহস করে কয়েকটা ছবি দিলাম।
নিলগিরি
নিলগিরিতে আমরা সবাই
নীলাচল
মেঘলা, বান্দরবন
মেঘলা, বান্দরবন
ডাইরী ১১৫
১.
দরজা খোলা থাকলেও আমি দাঁড়িয়ে থেকেছি। অনুমতি ছাড়া প্রবেশ নিষেধ।
২.
মন খারাপ হতেই হারিয়ে ফেলেছি পথ। মন ভালো হলে পথ ভুলে যাই।
৩.
ক্রমশঃ নিখূত হতে থাকি। বিষের পেয়ালা সামনে রেখে মরনের সাথে একরাত কথা বলি। বিষ বাষ্প হয়ে উড়ে গেলে আমি বেঁচে যাই। মৃত্যুর চাইতে বড় খুত আর কি আছে জগতে!
৪.
সবকিছু জড়িয়ে ধরতে নেই। তবু আমি অপেক্ষায় থাকি, ভুল করে পা হড়কে থেমে গেলে সময়, আমি আলগোছে তারে ধরে তুলে নেবো মুঠোয় মুঠোয়।
একজন দেশদরদী
সারাটি বছর কেমন কেমন করে যেন চলে যায়, কখনও মনের মাঝে তাঁর স্মৃতি একবারও উথলে ওঠে কিনা তা মনে পড়েনা । সবাই যখন পরস্পরকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানায় আর আনন্দে উদ্বেলিত হতে থাকে, তখন মন আমার আক্রান্ত হয় স্মৃতিভারে । ষোল বছর আগের একটা শীতের সকাল । জানুয়ারির এক তারিখ, অফিসে যাবার প্রস্তুতির এক পর্যায়ে তাড়াহুড়া করে সকালের নাস্তা করছিলাম । এমন সময় টেলিফোন বাজল – আমার ছেলে কর্ডলেস ফোনের রিসিভারটা এনে হাতে দিল । ও প্রান্ত থেকে একবার শুধু ‘চাচা’ ডাক শুনতে পেলাম, এরপর সব চুপচাপ । একটু পরেই বড় ভাইয়ের কন্ঠ ভেসে এলো, তিনি বললেন, “আমরা পিতৃহীন হয়ে গেলামরে !” টুকটাক প্রশ্ন করে স্বাভাবিকভাবে জেনে নিলাম অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য । আমার স্ত্রী,পুত্র,কন্যা টেলিফোন আলাপ শুনেই যা বুঝবার তা বুঝে নিয়েছে ।
মেঘলা দিনের মেইল-শৌভিনিস্ট-মেমোরিঝ (স্ট্রিক্টলি ১৮+)
সে আমার কুটিকালের কথা। বয়স কম কম।পনেরো ষোল। যা-ই শুনি ভাল্লাগে... যা-ই দেখি হইতে ইচ্ছা করে। মুভি দেখতে বইসা নায়কের মুখে ডায়লগ ''আ'ম ফ্রম ডিসি'' শুইনাই মনে হয় ''নাহ, আ'ম ফ্রম সিলেট কথাটা তত হট শুনায় না; আমেরিকা যাইতেই হয়, গিয়া ওয়াশিংটন ডিসি তে থাকা শুরু করতে হইব; কেউ জিগাইলে কইমু আ'ম ফ্রম ডিসি... সাউন্ডস কুল''। সেইসব উথাল-পাথাল দিন... নাইনে তো পড়ছিলাম-ই ঠেলার চেয়ে টানা সহজ; মাসুদ রানা'র ''টানে, কিন্তু বাধনে জড়ায় না'' পইড়া বুঝি টানা শেষে বাধনে না জড়ানর-ও একটা স্টেপ আছে- মাসুদ রানাও হইতে হয়; নিউটন দেখি গণিত, পদার্থ মায় জো্যতির্বিগ্যানেও পা রাখছেন; ইবনে সিনা'ই বা ভুলি কেমনে? চারদিকে সব বিরাট বিকট হাতছানি; সব দেখতে মন্চায়, সব হইতে সাহস পাই। এই সব হওয়া না হওয়ার ভীড়ে আর কিছুই ঠিক করা হয়ে উঠেনা কি হইতে হইব।
অ্যওয়ার্ড গিভিং সেরিমনি ২০১০
একটা পুরানো পেচ্ছাপেছির গল্প বলি, মেসবাহ ভাই একবার রায়হান ভাইকে হালকা চাপ দেয়ার উদ্দেশ্যে বললো
অতীব শ্রদ্ধেয় রায়হান ভাই খালী নিজেরে বুইড়া মনে করে...
ভাই এর জবাবে যে কমেন্ট করলো সেটা ছিলো অদ্ভুত। কমেন্টে একাধিক লাইক দিয়ে কে কয়টা দিলো সেটা দেখানোর ব্যবস্থা নাই। আমি সেই কমেন্টটায় অসংখ্য লাইক দিতে চাই। আর পেচ্ছাপেছিটাতো ছিলো অতি অদ্ভুত।
সকলের অবগতির জন্য বলে রাখি, দুলাভাই (শুধু আমার না সোহেল কাজীরও দুলাভাই) মানে মেসবাহ য়াযাদ এখনও উৎপাদন প্রক্রিয়ায় জড়িত থাকলেও বয়েস কিন্তু কম না উনার। প্রোফাইলের ছবি দেখে কেউ বিভ্রান্ত হইবেন্না, উহা ভাগিনা আই মিন তাহার ছেলের ফটুক।
সম্প্রতি এবির পিকনিকের চমৎকার ছবিগুলো দেখে আমার মনে হয়েছে, সাঈদ ভাইএর জীবনের দারুণ একটা সময় চলছে। তার দ্রুত বিয়ে করে বউ নিয়ে এনজয় শুরু করে দেয়া উচিত।
মাঝরাত্তিরের চিঠি
প্রার্থনায় থাকে চাঁদের আভাস, একটুকরো মেঘ... প্রার্থনায় থাকো তুমি, কিংবা তোমার পাশে গহীন বনের বন্ধুর পথে একটুখানি হাঁটবার কাল। নিশিভোর হওয়া রাতের একটুখানি ধ্রুবতারার আলোও যোগ দিতে চায়, শুরু হয় আমারা একলা রাতের গান। মেঘ-পাহাড়ের বৃষ্টিরা থাকে, থাকে গাঢ় সবুজ পাইনের সারি... বাদামী ফলের ককর্শতায় তাদের রং বদলের পালা। দিন পেরোয়, বছর ঘুরে আসে। রাতগুলো ক্রমশ অন্ধকার হয়, হয় দীর্ঘতর... আপ্রাণ ঘুমেরা ক্রমেই জড়ো হয় মুয়াযযিনের প্রথম ঘুমভাংগানির সুরে। এঁকেবেঁকে চলা এক পাহাড়ী পথ শেষ হয় শহরপ্রান্তের সাদা নৌকোদের দিগন্ত জুড়ে। একটা নেহায়েতই বেকুব চাঁদ অন্য কোন পৃথিবীর সমস্ত শুভ্রতাকে জড়িয়ে ধরে সাগরের খুব কাছে নেমে আসে। পাশেই পড়ে থাকা খাঁ খাঁ শূণ্যতার দিকে তাকিয়ে চোখ বুঁজে ফেলি আর ভাবতে থাকি কতোখানি ক্ষতি হতো পৃথিবীর, এই শূণ্যতাটুকু অশূণ্য হলে?
বন্ধুদের প্রতি খোলাচিঠি
এই লেখাটার একটা ইনট্রো দেয়া দরকার। লেখাটা খুবই ব্যাক্তিগত। কিন্তু যে জমানা পড়েছে, প্রাইভেট স্পেস বলে কিছু নেই।আমার চিটাগাং এর কিছু বন্ধু গোপনে গোপনে প্রেম করে এই খবরের প্রতিক্রিয়া হিসাবে এটা তাদের উদ্দশ্যে লেখা। কিন্তু বন্ধু বাফড়া বললো যে রেফারেন্চ না থাকলেও এটা পড়া যেতে পারে। তার কথায় বিশ্বাস করেই এটা পোস্ট করা...
বন্ধুদের প্রতি খোলাচিঠি
যাইবি দক্ষিনে, বলিবি পশ্চিমে, রহিবি পুরবমুখে
গোপন পিরিতি গোপনে রাখিবি তবে ত রহিবি সুখে
গোপন পিরিতি গোপনে রাখিবি সাধিবি মনের কাজ
সাপের মুখেতে ভেকেরে নাচাবি তবে তো রসিকরাজ
বউ কাব্য
উদরাজী নাকি বউরে ভীষণ ভয় পায় (আমার কথা না মেসবাহ’র মত ) । সেদিন জানা গেলো টুটুলও তার বউকে....। অবশ্য জগতে দুই-একজন বীর পুরুষ ছাড়া সবাই বউকে কম-বেশি সমীহ করে। এজন্যেই অনেকে পিকনিকে বউ নিয়া যাইতে সাহস পায় নাই। উদরাজী নাকি একবার বিড়ম্বনায় পড়ছিল...। আমি নিজেও খুব একটা সাহসী পুরুষ নই। বিয়ের আগে মানুষ যখন বউ নিয়া নানা রঙ্গীন স্বপ্নে বিভোর থাকে, আমি তখন দাম্পত্য জীবন এবং বউ সম্পর্কিত কিছু অনুকাব্য রচনা করেছিলাম। যার অনেকগুলোই পরবর্তিতে দাম্পত্য জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতার সংগে কাকতালীয় ভাবে মিলে গেছে। সেইসব অনুকাব্যের বেশ কয়েকটি এবির বন্ধুদের জন্য এখানে উদ্ধৃত করলাম। আগেই বলে রাখছি, এই অনুকাব্য গুলোর বেশ কয়েকটি ইতিপুর্বে বিভিন্ন পত্র/পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।
১.মা বলে বউয়ের ভেড়া
বউ বলে বলদ
জানিনি কোথায় গলদ !
২.আমার বউ আমায়
পেয়ে অভিভূত
আমি তার বশীভূত
ডাইরী ১১৪
১.
দৌড়তে দৌড়তে টের পাই বয়সী বায়স এসে খুটে খেয়ে গেছে ফুসফুস-হৃৎপিন্ড এবং যকৃত। অথচ থামলেই স্মৃতির চাবুক আছড়ে পরবে পিঠে ও পাজরে। দৌড়তে দৌড়তে টের পেয়েছি বন্ধুর পথ বড় সমতল ঠেকে মায়োপিক চোখে। যদিও ছন্দপতন হলে সম্ভাবনার গিলোটিন বিভাজন এঁকে দিবে শরীরে ও শিরে।
দৌড়ে দৌড়ে কোথাও পৌছবো নাকি...দৌড়ে দৌড়ে কতদূর যায় ঘূণে ও ঘোরে আবিষ্ট শরীর?
২.
শীতে ও সর্দিতে বেঁচে বর্তে থাকা যায়। একেকটা হাঁচিতে মনে হয় ফিরে এসেছি সম্বিতে। কান খাঁড়া করে যখন শুনেছি অপসংস্কৃতি...তখন তারা শিল্প হয়ে বেজে যায় এক বিকাল-দুই সকাল-স্বপ্নাবধি। বৈচিত্রের মনোটনিতে গিয়েছি ফেসে এই বেলা।
৩.
বহুদিন পর এক টুকরো সময় পেয়েছি কুড়িয়ে। আবারো তাই সাদা কালো, হরফে হরফ, আবেগের অ্যালিগরি...
পিকনিক রিপোর্ট

দাদাভাই মেসবাহ যাযাদের ছবি দিয়া পিকনিকের প্রতিবেদন শুরু করলাম। কেন করলাম এইটা ব্যাখ্যা করার জরুর না সবাই জানে। এবি পিকনিক মানেই দাদাভাই।
সাড়ে ৮ টার মধ্যে শাহবাগ থেকে বাসে উঠতে হবে। রিক্সায় উঠে হিসাব করলাম টায়টায় গিয়ে পৌছাব। কিন্তু চালাক বাবাজী ভুল করে প্রেসক্লাব ঘুরে যাওয়াতে পাঁচ মিনিট দেরী। দাদাভাই চিল্লাচিল্লি করবে এইটা জানা। উনি বেহুদাই আমার সাথে ফাপর লন। আর এখন তো দেরী! গিয়া দেখি সবাই চলে এসছে। চরম ত্যাক্ত চেহারা নিয়া ভাই ঝাড়ি মাইরা বাসে উঠাইলেন, এক পেয়ালা চা খাইতে চাইছিলাম ধমক দিয়া বসায় রাখলেন।

অপনষ্টক
১.
বড় কষ্টে গড়া এ মহাসংসারও একদিন নুয়ে পড়বে
আর আমি তো কোন নশ্বর।
২.
আমাদের মসজিদের ইমামটা বোধহয় মারা যাবে
ওর ফজরের আযান দিতে খুব কষ্ট হয়
আমি ওর কথা ভাবি,
আচ্ছা কিসের ভরসায় ও সারাটাজীবন কাটিয়ে দিলো
একদিনও আযান মিস না করে?
৩.
বুজে যাওয়া চোখ মেলে দেখি
আলো এসে গেছে।
তাহলে?
এখন আরো একটা দিন
আমার সামনে।
৪.
হাতুড়ি দিয়ে দেয়ালে পেরেক ঠুকতে খুব মজা,
আমার একদিন কন্ঠনালীতে পেরেক ঠুকে
আজীবনের নেশা মেটাতে ইচ্ছে হয়।
৫.
প্রিয় বিছানা আমার
তোমার প্রতিটি ক্যাঁচ-ক্যাঁচ
আমাকে তোমায় উপলব্ধি করতে
সাহায্য করে, জেনে রেখো।
৬.
কয়েকটা ছোট ছোট বৃষ্টির ফোঁটা কার্ণিশ বেয়ে
পলিথিনের ওপর পড়ে সুরের জাল বুনে ফেলতে পারে।
আমার শরীরটা এত অকাট যে বৃষ্টির ফোঁটারা