ইউজার লগইন
ব্লগ
বন্ধুরে, তোদের মন পাইলাম না!
অনেকদিন পর গতকাল রাতে চা পানের সেই ফেলে আসা সময়কে ফিরিয়ে আনলাম। এক সিটিংয়েই হাফডজন কাপ ভর্তি চা, বাপের ঘরের কথা। কতদিন খাওয়া হয় না এরকম করে। চায়ের দোকানে দুই কিংবা তিনকাপের বেশী চা এখন ভুলেও খাই না। বসেই থাকি শুধু বেঞ্চে। আজ খেলাম তার কারন আছে, কারন গতকাল সন্ধ্যায় পুলকের জন্মদিন ছিল। কিন্তু দুঃখের কথা হলো আমার কাছেও টাকা নাই, পুলকের কাছেও টাকা নাই, আবীরের কাছেও টাকা নাই। তাই বারেক সাহেবের দোকানে বাকী চাহিয়া লজ্জা দিয়ে দেদারসে নিজেকে ও সবাই মিলে চা সিগারেট খাওয়ানো হলো। আমি যেহেতু সিগারেট খাই না সেহেতু চা খেয়েই সন্ধ্যার খিদেটার একটা দফারফা করলাম। চেচামেচি করে এক আড্ডা দিলাম। তারপর আবার আমার এক পরিচিত মামা, ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগ নেতা মদ খেয়ে মাতাল, তার সাথে মশকরা করলাম। আমাকে মুগ্ধ করে সব সময় মাতালরাই। মাতালরা এত অদ্ভুত এক জাতি হয়ে যায় মদ্যপানের, পর তা এক দেখার মত সিন। একটু আগেই যে হাজী সাব হয়ে
মিঁয়ায়ায়ায়ায়াও..
অচেনা এক বেড়াল ছানা,
নেই তো কোন চিন পরিচয় -
হঠাত্ দেখা;
তাতেই বুঝি খুব সে চেনা।
এক নিমিষে,
হঠাত্ করেই;
খুললো বুঝি স্মৃতির দুয়ার।
খুলতে দুয়ার,
স্মৃতির প্রহর;
লাল সাদা বল -
রোমশ কত বেড়ালছানা।
অসময় কিংবা সময়,
উচিয়ে লেজ খানি তার;
ঘেঁসে গা পায়ের সাথে -
দুরে তায় যায় না ঠেলা।
শীতে তার,
মোদের সাথেই স্বপন বোনা।
লেপের নীচে কুসুম গরম,
ভেড়া নয়;
দুধ আর মাছ যে গোনা।
দুষ্টুমি আর তিড়িংবিড়িং,
তারই মাঝে -
একেকটা ক্ষন হাতের কাছে;
ঠিক সে হাজির।
বুঁজে চোখ,
উচিয়ে গলা
খেয়ে যায় আদর শত।
খুনসুঁটি?
তাও সে বোঝে,
আলতো কামড়;
আচড় কত।
স্মৃতির দুয়ার বন্ধ হতেই,
কল্পনাতে ফিরলে হঠাত্;
মিষ্টি সুরে
যায় যে শোনা -
মিঁয়ায়ায়ায়ায়ায়াও..!
সিদ্ধান্ত
প্রতি মুহূর্তের প্রতিটা সিদ্ধান্তের সম্মিলিত ফলাফল জীবন। পরিস্থিতি বিবেচনা করে একটামাত্র সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং সেই সিদ্ধান্তে স্থির থেকেই পরবর্তী ঘটনাগুলোর মুখোমুখি হওয়ার ভেতরেই জীবনের আনন্দ-বিভ্রম-সংশয়- জটিলতা। এরপরও আমরা প্রতি মুহূর্তেই সিদ্ধান্ত নেই। পোশাক-পরিচ্ছদ থেকে শুরু করে দুপুর-রাতের খাওয়ার মেন্যু আমাদের সারাদিনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সিদ্ধান্তের ফলাফল এবং যতই হালকা করে দেখি না কেনো এই প্রতিটা সিদ্ধান্ত কোনো না কোনোভাবে ভবিষ্যতকে প্রভাবিত করে। সময়ের সাথে প্রতিটা সিদ্ধান্তের গুরুত্ব বাড়ে, পরিণামের ভয়াবহতা বাড়ে, অর্থমূল্য এবং ধকলের পরিমাণও বাড়ে, ফলে একটা নির্দিষ্ট বয়েসের পর শুধুমাত্র শার্টের রঙ আর খাওয়ার মেন্যুর বাইরে বড় কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয় না।
অন্যরূপ
জীবন মানেই দেয়া আর নেয়া । শুনলেই মনে হয় যেন লেন দেন ।
খুব ঠুনকো আর সস্তা মনে হয় এমন শুনলে । কিন্তু জীবন মানে আসোলেই তাই ।
দেয়া নেয়া না হলে সম্পর্ক গভীরতা হারায় । তারপর আস্তে আস্তে কোথায় যেন একেবারেই হারিয়ে যায়।
মানুষের বাইরের চেহারা রক্ত মাংশের হলেও আসোলে ওটা কিন্তু একটা মুখোশ ছাড়া
আর কিছু নয় । সব মানুষের দুইটা রুপ আছে । একটা সবাই দেখতে পায় ,আরেকটা খালি চোখে দেখা যায়না কিন্তু চেষ্টা করলেই উপলব্দি করা সম্ভব।
মানুষের দুই রকম চেহারা চিনতে না পারাই মঙ্গল। চিনতে পারলে কষ্ট বাড়ে।
বাবা মা, ভাই বোন, আত্মীয়স্বজন, ছেলে মেয়ে, স্বামী স্ত্রী, শালা শালী, দেবর ননদ, প্রতিবেশী, সহপাঠি, সহকর্মী, প্রেমিক প্রেমিকা , বন্ধু বান্ধবী, নেতা কর্মী, মনিব কর্মচারী -কত রকমের সম্পর্ক আছে। সব সম্পর্কই টিকে থাকে দেয়া নেয়ার কারনেই। দেয়া নেয়া কম হলে সম্পর্কে টানা পোড়ন শুরু হয়ে যায়।
আমাদের ঘরে ঘরে রাজনৈতিক নেতা প্রয়োজন একজন করে......
আমাদের ঘরে ঘরে রাজনৈতিক নেতা প্রয়োজন একজন করে......
কথাটি ক্ষোভের নয়, বাস্তবতা বিবেচনায়। এই দেশে সবকিছুতে রাজনৈতিক মেরুকরণ এমন অবস্থায় পৌঁছেছে যে হয় চুপ চাপ সকল অত্যাচার সহ্য করে যেতে হবে নতুবা প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ হতে হবে। একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হয়ে আজ একথা বলতে বাধ্য হলাম।
ক্লান্ত পথিক
ক্লান্ত পথিক
----------------

ছুটে চলেছি
অজানা লক্ষহীন সময়ের পদচিহ্ন ধরে ,
জীবন নামে
আঁকা বাঁকা পথে পথে।
ছুটে চলার ক্লান্তিতে
রণ ক্লান্ত পথিক আমি
ছুটে চলেছি
সুতা কাটা ঘুড়ির মত
আন্ধ ভাবে জীবনের স্রোতের টানে।
জীবন শুরুর তেজদিপ্ত মনে
জমেছে ক্লান্তি , ঘুণে ধরা ইচ্ছে গুলিই
জমেছে না পাবার অপূর্ণতা।
তার পরেও ---
টেনে চলেছি নিজেকে
ভার বাহী পশুর মত,
ছুটে চলেছি তবুও
হাজার বছরের ইতিহাস হয়ে
হারানোর কিছু নেই বলে।
লক্ষ নেই স্বপ্ন নেই তবুও চলা
সামনে এগিয়ে যাওয়া
পিছনে রেখে পদচিহ্নের বক্র রেখা।
২১-০৮-১৪ইং,১.৪৩am
গণমাধ্যমে শেখ মুজিবুর রহমান
১৯৭৫এর ১৫ই আগস্ট থেকে ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করার আগ পর্যন্ত শেখ মুজিবুর রহমান সরকারনিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যমে ব্রাত্য ছিলেন এই সত্য অস্বীকারের কোনো উপায় নেই। কিন্তু শুধুমাত্র আওয়ামী লীগের নেতা হিসেবেই শেখ মুজিবুর রহমানের অস্তিত্ব স্বীকারে বাংলাদেশের গণমাধ্যম অনাগ্রহী ছিলো কিংবা শেখ মুজিবুর রহমানের কথা বলার জন্যে লোকজনকে সরকারি রোষের মুখোমুখি হতে হয়েছে এটা সচেতন রাজনৈতিক মিথ্যাচার। শেখ মুজিবুর রহমান নিহত হওয়ার পর ২১ বছর গণমাধ্যম থেকে নির্বাসিত ছিলেন এটার অন্যতম কারণ সরকারনিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যম যে কাঠামো মেনে গড়ে উঠেছে এবং যে কাঠামো ও নীতিমালা অনুসরণ করে সরকারনিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যম সম্প্রচারিত হয় সেই গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রন কাঠামো সব সময়ই রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্ঠিতদের চেহারা দেখাতেই ব্যস্ত ছিলো এবং এই গঠনকাঠামোতে সম্ভবত এক ধরণের অলিখিত বিধি আছে- যে বিধি অনুসারে সরকারের বিরোধী মতবাদকে সম্
এই শহরের স্বপ্নগুলো লুকিয়ে যায় সব আঁধারে!
লিখছি না, লিখছি না করে চলে গেল এক সপ্তাহ কিংবা তারও বেশী কিছু দিন। না লিখলেও নিয়ম করে ব্লগ দেখি। নতুন লেখা আসলে পড়ি, পুরোনো লেখাও পড়া হয় মাঝে মাঝে। নিজের লেখা পড়ি কম, কি পড়বো সব একই কথা বারবার নানান শিরোনামে লেখা। বৈচিত্র্যতা নেই একদম। তাই নতুন লেখা লিখতে বসেই এখন ঝুকি নিতে হয় নিজের কাছেই। যে একই কথা আর কতবার লেখবো! তাও সময় পেলেই সে সহজ ঝুকিতেই গা ভাসিয়ে লিখতে বসি। লিখি কি আর করা যাবে। লিখতে পারিনা তেমন ভালো কিছু। আমার মতো প্রতিভাহীন মানুষ না হয় একটু ভাড়ামী করে একই কথা একই রকমের দিনলিপি লিখেই গেল একটা শীতল ব্লগে। তাতে কার আর কি আসলো গেল?
জাতীয় শোকদিবসে রাষ্ট্রের স্থপতি স্মরণে
পিতৃমাতৃ হত্যার দায় কাঁধে থাকা সন্তানের বিকাশ ও উন্নয়ন যেমন অবিরত প্রশ্নসাপেক্ষ, ঠিক তেমনি রাষ্ট্রের স্থপতি হত্যার দায় কাঁধে থাকা জাতিরও বিকাশ প্রশ্নাতীত নয়। স্বাধীন বাংলাদেশের জন্মের এত বছর পরেও এটি দিবালোকের মতো সত্য হয়ে আছে। সত্যটা প্রতিদিনের হলেও ১৫ আগস্ট-এলে বড়বেশি স্পষ্ট হয়। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের দায় শুধু রাষ্ট্রের স্থপতিহত্যাজনিত নয়; ইতিহাসের সর্বাপেক্ষা নির্মম হত্যাকান্ডের বিচারকার্য বন্ধ করে রাখারও। বছরের পর বছর। নেতা, রাষ্ট্রনায়ক, শাসক অথবা ব্যক্তিমানুষ হিসেবে তিনি অতিপ্রাকৃত ছিলেন, সীমাবদ্ধতার উর্ধ্বে ছিলেন- এমন কথা কখনো বলি না, বিশ্বাসও করি না। তারপরও তাঁর তুলনা তিনি নিজেই; অন্যকারও সাথে নয়। ৭৫’ পরবর্তী কোন নেতার সাথে তুলনার প্রয়াস তো রীতিমতো অসুস্থ্যতা; অবশ্যই একটি রাজনৈতিক ভাঁড়ামি। ‘দুই বাঙালীর লাহোর যাত্রা’-নামে সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর একটা বই আছে। এতে তিনি পঁচাত্তুর পরবর্তী নয়;
রাজকন্যার প্রথম জন্মদিনে ভালোবাসা
এমন আধুনিক সময়েও কেন জানি বিবাহবার্ষিকীটা পালন করা হয়ে ওঠেনি আমাদের।আমাদের রাজকন্যার হয়তো বিষয়টি পছন্দ হয়নি।এমন যুগেও তার বাবা-মায়ের এমন বেরসিকের মতো আচরন তার বোধহয় ভালো লাগেনি।আর তাই তো বাবা-মায়ের বিশেষ দিনটিকে আরও বেশি বিশেষ করে তোলার জন্য বাবা-মায়ের চতুর্থ বিবাহবার্ষিকীতে পৃথিবী আলো করে এসেছে আমাদের রাজকন্যা জাইফা।আলোকিত করেছে আমাদের।শুভ জন্মদিন মা।অনেক অনেক ভালোবাসা তোমার জন্য।
সাপলুড়ু
শিউলি চিরকুটে চোখ বুলিয়েই বলে উঠলেন-
-উনি কোথায়? হ্যাঁ, চলে আসতে বলুন।
-স্যার বাসার গেটে; গাড়িতে । আপনি একটু আসবেন?
দুতলার সিঁড়ি ভেঙ্গে সঙ্গে সঙ্গে বেরিয়ে পড়েন তিনি। আজ মৃত্তিকা আর আকাশের প্রথম সাক্ষাৎ।
তাঁর পুরো শরীর থরথর করে কাঁপছে- কাঁপুনির মাত্রা এত তীব্র হতে পারে তিনি তা ঘূণাক্ষরেও ভাবেননি। ভাবতে পারার কথাও নয়। দীর্ঘ আঠারো বছর পর এ রকম কেউ ভাবতে পারে না। শিউলি কাঁপছেন আর ভাবছেন- কীভাবে তাঁকে রিসিভ করবেন ।
২.
অঞ্জন বলছে - 'টিভি দেখো না!"
অঞ্জন দত্তের অতি বিখ্যাত গান, কবীর সুমনের এক সাক্ষাৎকারে পড়েছিলাম তিনি বলছেন-- এই গানটা ছাড়া বাচ্চাদের জন্য কোনো সিমপ্লিস্টিক গান আর তিনি শুনেন নাই বাংলায়। বাচ্চারাও অঞ্জনের কথা শুনে নাই, আমিও শুনি নাই। শয়তানের বোকা বাক্সটা দেখেই চলছি। আর এবার টিভির পর্দাতেই ধরা দিলো অঞ্জন দত্ত। অনুষ্ঠানটা দেশ টিভির পর্দাতে দেখতে যে কি কষ্ট হলো তাই একটু ভাবি। বাড়ীর সবাই ঘুমাচ্ছে, শিয়ালের ডাক চারিপাশ থেকে, একদম গ্রামীন নিঝুম নিস্তব্ধতা। এর ভেতরে টিভি দেখা বিশাল ঝামেলার। কানে হেডফোন রাখতে রাখতে আমি অল্প সাউন্ড শুনি না আবার। তাই আমার সাউন্ডে হয়তো সবার ঘুমে সমস্যা হয়েছিল, তবে কেউ কিছু বলে নাই, খালি আব্বু এসে বকা দিয়ে ছিল- তাও টিভি অফ করি নাই। বিজ্ঞাপন বিরতির জ্বালায় যদিও খুবই অতিষ্ঠ ছিলাম তবুও পুরো অনুষ্ঠানটাই দেখলাম মুগ্ধ হয়ে। অঞ্জন দত্তের সব পুরোনো গানই তো প্রায় মুখস্থ তাই আমার কাছে নিজেই নিজের এক্সাম নিই।
টু ডু লিস্ট
আমাদের বাসায় অনেক পুরোনো একটা হারকিউলিস কিংবা হার্ভে সাইকেল ছিলো, সেটার সামনের হেডলাইট জ্বালানোর জন্যে আলাদা একটা ডাইনেমো ছিলো, সাইকেলের চাকার সাথে কোনো একটা প্রক্রিয়ায় সেই ডাইনেমো জুড়ে দেওয়া যেতো আর হেড লাইটের আলোর উজ্জ্বলতা নির্ভর করতো সাইকেলের গতির উপরে। যত দ্রুত চাকা ঘুরতো তত বেশী উজ্জ্বল হতো হেডলাইটের আলো। তবে আমি যখন কিছুটা বড় তখন সাইকেলটা প্রায় বাতিল, কোম্পানীর নামের ঐতিহ্যের বাইরে সেখানে আর বিশেষ কোনো সম্বল ছিলো না। কিছুদিন আমার আগ্রহের বিষয় ছিলো ডায়ানেমো লাগানো হেডলাইটটা- ডায়ানেমো সম্পর্কে অল্প-স্বল্প পড়াও হয়েছিলো বাবার কল্যানে- যদিও এর পেছনের তাত্ত্বিক কারণ জানতে আমাকে অপেক্ষা করতে হয়েছে আরও এক যুগ। তবে ডায়ানেমোর সরল গঠন, সেটা কারা তৈরী করলো এইসব সাধারণ জ্ঞান আমার ছিলো। শৈশবের আগ্রহে ডায়ানেমোটা ভেঙে ফেলতে খুব বেশী সময় লাগে নি। অযান্ত্রিক হলেও এই হার্ভে হারকিউলিস টাইপ সাইকেলগুলোতে
তপ্ত স্বাধীনতা
হাসপাতাল জিনিসটা আমার মনে বেশ সুখকর অনুভূতির জন্ম দেয়। ছোটবেলায় যখন দাদাকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করালো তখন দেখা গেলো বাসায় একটা উৎসবের মেজাজ চালু হয়ে গেলো। বাবার তেমন কোনো ভ্রূক্ষেপ ছিলো না, কিন্তু মা এর কাজের শেষ নেই। যেখানে বাসায় সপ্তাহে একবার গোস্ত রাঁধা হতো সেখানে দুদিন পর পর মুরগীর স্যুপ। মুরগীর স্যুপ বানানো হলে বাকী কলিজা গোস্তের টুকরো দিয়ে ভাত খেতাম আর মনে মনে ভাবতাম স্বর্গে কি এত সুন্দর খাবার পাওয়া যায়? সমস্যা নেই, দাদা বুড়ো মানুষ। একবার যেহেতু হাসপাতালে পা দিয়েছেন সেহেতু বার বার দেবেন। কচি লাউ শাকের ডগার চচ্চরী, সাথে শিং মাছের ঝোলে কাচা পেঁপের কোমল রং পেটের ক্ষুধাকে কয়েকগুন বাড়িয়ে দিতো। আমার মা কেমন রাধুনি সেটা কাউকে বিচার করতে হবে না, তার হাতের রান্না যে আমাকে মন্ত্রমুগ্ধ করেছে সেই ছোটবেলা থেকেই এই ভেবেই আমি চিরসুখী।
ক্রিয়াভিত্তিক ছয়তলা ভবন,ভবানিদির বাড়ির সামনে কৃষ্ণচূড়া,রাধা কি বৃক্ষে থাকেন ! নাকি রাধা ঐ ভবানিদি
(ক্রিয়াভিত্তিক ছয়তলা ভবন,ভবানিদির বাড়ির সামনে কৃষ্ণচূড়া,রাধা কি বৃক্ষে থাকেন ! নাকি রাধা ঐ ভবানিদি)
বাতাসে ইস্কাপন
মধ্যমাতাস
বিদুৎ গজিয়েছে মাঠে ঘাটে।
গজাল মাছটা দিয়েছে ডুব
উর্দ্ধাকাশ সন্ত্রাস
সম্ভ্রম হয়ে থাক ভুতের শরীর।
পূর্বেভুত কোনো ছায়াতলা
অন্ত:স্থ হা হু তাস
কলকব্জা মানে লাঙলের গতিবিধি।
আগামী মাস কার্তিক
কর্তৃত বিহ্বলতা যেন উত্থান গ্রন্থের নাম হয় আউলিয়া।
এইখানে কারো নামের সাথে ইতিহাস নাই,শুন্যের সাথেও না।