ইউজার লগইন
ব্লগ
শিশুকালের কথা ও কবিতা: একদিন আমি
কবিতা পোস্টানো অবশ্যই বিপদজনক একটা কাজ। তারপরও কবিতা পোস্ট করে যাচ্ছি। অপূর্ণতাকে ছাড়িয়ে যাবার নিরন্তর অপচেষ্টা চালানোর এই বিষয়টা আমার ভেতরে কিভাবে আসলো একটু ব্যাখ্যা করি, ছোটবেলায় মোগলি নামের একটা কার্টুন সিরিজ খুব প্রিয় ছিলো। সে সময় খুব মনে মনে চাইতাম একটা বুমেরাং পেতে। পরে টিনটিনেও অনেককে বুমেরাং মারতে দেখেছি। এ জীবনে বুমেরাং পাওয়ার শখ পূরণ হয় নি আজো। পূরণ হয় নি এরকম আরো অনেক শখ। তারপরও সময় থেমে থাকে নি। একবিন্দুও ছাড় দেয় নি কাউকে। হারিয়ে যেতে ইচ্ছে করে ল্যন্ডস্কেপে আঁকা দূরের উইন্ডমিলটার মতো। সেখানে বোধহয় সময়ের এত টানাপোড়েন নেই। ছবির উইন্ডমিলটা সারাজীবন একরকমভাবে ঠাঁয় দাঁড়িয়ে থাকে। আমি ওটাকে হিংসে করি। ভীষণ রকম।
আমার ভেতরে হিংসা প্রচুর। কেউ একটু ভালো লিখলেও আমার খুব হিংসে হয়। মনে হয়, আমি কেন পারি না? এই 'আমি কেন পারি না'ই তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে সারাজীবন ধরে।
ভেতর-বাহির (১৬) /// যেন বোকা আমি এক চালাক স্বর্গে
অর্থনীতি ও সমাজ বিষয়টি ইঞ্জিনিয়ারীং এবং চাকুরী সুবাদে যতবারই পড়তে হয়েছে , আর কিছু মাথায় ঢুকুক আর না ঢুকুক একটা ডায়লগ খুব ভালো করে ঢুকেছিল। আমি প্রায়ই চাপাবাজীতে এই ডায়লগ ব্যবহার করি। ডায়লগটি হলো
“ আমাদের দেশের ৮০ ভাগ সম্পদ ২০ ভাগ জনগনের কাছে কুক্ষিগত আর ২০ ভাগ সম্পদ বাকী ৮০ ভাগ জনগণের কাছে”
এটা পুরনো থিউরী, জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে এই হিসাবের পরিবর্তন ঘটেছে , ৮০ ভাগ সম্পদ ২০ ভাগের নিজের জনগণের কাছে কুক্ষিগত হয়ে পড়েছে...একটা দেশ দরিদ্র হবার পেছনে এই টা অন্যতম কার্যকর একটা থিউরী।
এই থিউরীর কারনে পরিসংখ্যানের প্রোভারটি লেভেল থিউরী হাস্যকর হয়ে ওঠে। আর তাই অমর্ত্য সেন এর মত বিজ্ঞজনরা সেই সব ঘেঠে টেটে নতুন একটা কফিসিয়েন্ট আবিষ্কার করে নোবেল পেয়েও জান। কিন্তু দরিদ্র অবস্থার কোন বাস্তবিক দৃষ্টিগত পরিবর্তন ঘটেই না এই পোড়া দেশে।
একটি শোক সংবাদ
পত্রিকায় যখান ফেলানির সংবাদ পরি... ক্যামন যেন একটা চিনচিনে ব্যাথা বুকের বাম পাশটায়। ১৫ বছরের জ্বলজ্বলে এক কিশোরী। এইতো আর কয়েক দিন পরেই তার দুই হাতে ঝলমাল করবে লাল নিল চুড়িতে... পায়ে মাখা থাকবে রক্তিম লাল আলতা... পায়ে বাজবে রিমিঝিমি নুপুর.... লাল টুকটুকে শাড়ী পরবে... কপালে লাল টিপ দিয়ে আয়নায় নিজেকে দেখবে... আমাদের নিম্নবিত্তদের মাঝে এই স্বপ্নটা সব সময়ই মনের মাঝে লালন করে সকল মেয়ে... স্বপ্ন আসলে শেষ পর্যন্ত স্বপ্নই... সেটা ফেলানি খুব যত্ন করে আমাদের দেখিয়ে দিল। আমরা ঠিক সকাল বেলায় ধোয়া ওঠা চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে দেখি আর আহা... বলে একটা দীর্ঘ্যশ্বাস ফেলি। এই পর্যন্তই... এর পর আবার নেক্সট কেউ। আমি এবং আমরা কেউ কেউ অবশ্য একটু বেশী ... দীর্ঘশ্বাস শেষে একটা ব্লগ ও লিখি। আমাদের দায় শেষ... আসলে এর বেশী কি কিছু করার আছে আমাদের? মাঝে মাঝে বুঝিওনা ঠিক মত
বন্ধু বেঈমান
২০১০ সালের শেষ সপ্তাহে মেসবাহ ভাই গেলেন সেন্টমার্ন্টিন , সাথে নিলেন রাম রাম রাম। টুটুল-নাজ-ঋহান গেলো সিলেট। আমি গেলাম বান্দরবান।লীনাপা একদিনের জন্য তসলিমা নাসরিনের বাড়ি বেড়াতে গেলেন, মাসুম ভাই ইলেকশন নিয়ে মহা ব্যস্ত।মেসেন্জারে কনফারেন্স নাই, ফেসবুকে খোঁচাখুঁচি নাই, ঢাকায় আড্ডা নাই। একজনের মেজাজ বিলা হয়ে গেলো।কারণ অফিসে সারাদিন কি করবেন?এভাবে কি কাজ করা যায়? বান্দরবান থেকে আসার পথে ফেসবুকে গিয়ে দেখলাম আমাদের সেই প্রিয় বন্ধু লিখেছেন...'কাল মানকিগঞ্জ যাবো
।' দেখার সাথে সাথে আমি এসএমএস করলাম যে কাল যাওয়ার প্রোগ্রাম বাতিল করেন,আগামী সপ্তাহে যান, সাথে যাবো।তিনি নিশ্চুপ। ভাবলাম এস এম এস দেখেন নাই অথবা ভাবে আছেন। পরদিন রাতে জিজ্ঞেস করলাম, মানিকগঞ্জ গেছেন কিনা। তিনি নিশ্চুপ। বুঝলাম বিরাট ভাবে আছেন।তবে আমাদের ফেলে ঘুরতে যাওয়ার মতো নিশ্ঠুর হবেন এটা কল্পনাও করিনি।
বিদ্যুৎ ও বাংলাদেশ
বাংলাদেশে বিদ্যুতের অবস্থা নিয়ে প্রত্যেকটা মানুষের ক্ষোভ কম বেশি আছে। তারপরও বলব বিদ্যুতের অবস্থা বাংলাদেশের রাজনীতি, আইন,নিরাপত্তা এগুলোর মতো অতো ভয়াবহ নয়। হয়তো রেশনিং এর ব্যবস্থাপনা ভালো হলে মানুষের বুঝতে সুবিধা হবে আর বুঝতে পারলে সহ্য ক্ষমতাও বাড়বে।তবুও সহ্য ক্ষমতা আর রেশনিং দিয়ে তো আর উন্নয়ন অগ্রগতি সম্ভব নয়, বড় জোর দু/এক মাস পেরিয়ে বছর চলতে পারে, চলছেও তেমন করে। সম্প্রতি ভাড়া ভিত্তিক ও বেসকারি উদ্যোগে বিদ্যুত কেন্দ্র স্থাপনের ব্যবস্থা দেশের মানুষকে দ্রুত আংশিক সমাধান এনে দেবে হয়তো কিন্তু অদূর ভবিষ্যতে দামে বেড়ে গরীবের নাগালের বাইরে চলে যাবে এই কাক্ষিত বিদ্যুত। বিদ্যুত তো আর মুঠোফোন ব্যবস্থার মতো না যে এর গ্রাহক বাড়লে ট্যারিফ (রেট) হ্রাস পাবে, এটা হলো উৎপাদন, সঞ্চালন, বিতরণ ও বিপননের মতো ক্রমানুসারিক সমন্বিত এবং বহু স্তরে বিন্যস্ত এক প্রক্রিয়া যার জন্য প্রয়োজন দীর্ঘ মেয
আমি কি আমাকে হারিয়েছি বাঁকে
প্রতিটি দিন প্রতিটি মূহুর্ত কি লম্বা যায়। চব্বিশ ঘন্টা এতো লম্বা হয় কেনো তিতলি ভেবে পায় না। সপ্তাহের ছয়টা দিনকে তিতলির মাঝে মাঝে বছরের চেয়েও লম্বা মনে হতে থাকে। মনে হয় এ নিদারুন সপ্তাহ আর শেষ হবে না সায়ানের সাথে আর তিতলির দেখা হবে না। শুধু সায়ান যখন পাশে থাকে ঘড়িটা তখন উড়ে চলতে থাকে। এতো আনফেয়ার কেনো এই পৃথিবীটা। অপেক্ষার সময়টা এতো লম্বা আর .........। সায়ান পাশে থাকলে সেই ঘন্টাগুলো যেনো মিনিট থেকে সেকেন্ড - মাইক্রো সেকেন্ড হয়ে উড়ে যায়। কতো কি ভেবে রাখে, দেখা হলে সে সায়ানকে এটা বলবে ওটা জিজ্ঞেস করবে কিন্তু ও সামনে এসে দাঁড়ালে এমন ঝড়ের কাঁপন শুরু হয়, সময় কোথা দিয়ে ওড়ে, ভেবে রাখা কিছুই আর মনেও থাকে না, বলাও হয় না। আর তিতলির মাথাটাকে সায়ানতো কাজও করতে দেয় না। হলে ফিরে ব্যাগ গুছাতে গুছাতে তিতলির আবার রাগ হতে লাগলো। একটু দ্বিধায়ও পরে গেলো। রক্ষনশীল পরিবারের মেয়ে সে। বাবা মা তাকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন
জীবনের প্রথম ছবি ব্লগ...
আমার বাবার একটা কমদামী ইয়াশিকা ক্যামেরা ছিলো। তবে তার ছবি তোলার বিন্দুমাত্র আগ্রহ দেখি নাই কোনো দিন। আমার মায়ের পর্যন্ত সেই ক্যামেরায় হাত দেওনের পার্মিশন ছিলো না। মাঝে সাঝে সেই ক্যামেরা আলমিরা থেইকা বের করা হইতো বাড়িতে বড় কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন হইলে। যদ্দূর মনে পড়ে আমার আর ছোট বোনের পঞ্চম অথবা ষষ্ঠ জন্মদিনে বাবা ক্যামেরা বের কইরা আনলো কিন্তু হাজারো চেষ্টার পরও তাতে কোনো ছবি উঠতেছিলো না। সেই থেইকা কোনো দিন আমাগো বাড়িতে আর ক্যামেরার ফ্ল্যাশ জ্বলতে দেখি নাই। আর যেই কারনে আমার কিশোর বয়স থেইকা তারুণ্য পর্যন্ত পাসপোর্ট সাইজ ছাড়া ছবিতে আবদ্ধ কোনো স্মৃতি নাই। ঘটনাবহুল জীবনের সেইসব পাসপোর্ট সাইজ ছবি গুলিও সংগ্রহের কোনো আগ্রহ হয় নাই আমার।
আই ফট্ এগেইন্সড্ ফ্রিডম ফাইটারস্
বউ এর অনেক বলাবলিতে শেষে রাজী হলো লী। বউকে নিয়ে হালকা শপিংএ গেলো। হাজার হলেও লী নতুন চাকরি পেয়েছে! সেল্ফে সেল্ফে ঘুরতে ঘুরতে হঠাৎ ফোন আসে লীর ফোনে। প্রায় দেড় মাস আগে এক অফিসে ইন্টারভিউ দিয়েছিলো লী। সেখান থেকেই ফোন আসে। ওরা ফোনেই লীকে জব অফার দিলো। আর এও বলে দিলো যে, লী যতো বেতন চেয়েছিলো তাতেই রাজী। কিন্তু সমস্যা অন্য জায়গায়। লীতো মাত্র দুদিন হলো সাইন করেছে আরেক অফিসে। লী কেন জানি ফোনে বলতে পারলো না যে সে জয়েন করতে পারবে না। ফোনেই জানতে পারলো যে পারের দিন সরাসরি এম.ডি-র সাথে সাক্ষাত হবে। লী ভাবলো, এম.ডির সাথে সাক্ষাতেই জানিয়ে দেবে জয়েন না করতে পারার অপারগতার কথা।
পরের দিন:
- এই যে লী আসো, বসো।
- আস্সালামু আলাইকুম স্যার।
- ওয়ালাইকুম সালাম, বসো।
- স্যার কেমন আছেন?
শংখ নদীর উৎসে, আরো গহীন অরণ্যের সন্ধানে
[কাহিনী এক] ..............[কাহিনী- দুই]
[কাহিনী-তিন]
কতোক্ষণ ঘুমিয়েছি বলতে পারবো না। কিন্তু মোটামুটি পোয়াখানেক রক্ত শরীর থেকে মাইনাস হবার পর হুঁশ হলো। গলা, গাল, হাতের কবজি পর্যন্ত ফুলে ঢোল করে ফেলেছে হুলডোজার বাহিনী। ভুলে গিয়েছিলাম অডোমস মেখে শুতে। মোম জ্বালালাম। তারপর বাঁশের কঞ্চি খুঁজে নিয়ে চুলকানির ঝড় তুললাম একটা। গলা, গাল ঠোট যে পরিমান উঁচু হয়েছে স্বয়ং হালাকু খানও ভয় পাবে আমাকে দেখে।
... প্রত্যাশা পূরনের সন্ধিক্ষনে দাড়িয়ে ...
ব্যালকনিতে দাড়িয়ে প্রতিদিন ছোটবেলার খেলার সাথীদের সাত সকালে কাধে স্পাইডারম্যান ব্যাগ ঝুলিয়ে যেতে দেখতে দেখতে মনে হতো , একদিন আমিও ওর মত স্কুলে ভর্তি হবো , একসাথে ক্লাস করবো , স্কুলে কত্ত আনন্দ করবো , বাসায় এসে হুমড়ী খেয়ে বাড়ীর কাজ শেষ করে খেলা করবো ... ঐ সাদা সার্ট আর নীল প্যান্টের স্কুল ড্রেসটাই আমার সবচেয়ে প্রিয় ছিলো , অমন স্কুল ড্রেস পরবো বলে আবদার করতেই পরের দিন আব্বু অফিস থেকে ফেরার পথে আমার জন্য ঠিক ঐরকম ড্রেস কিনে এনেছিলেন ... সেই স্কুল ড্রেসটি আমার আজো পরা হয়নি ...
সাকিব বিক্রি হলো ৪২৫ হাজার ডলারে....
আইপিল অকশনে সাকিব সোল্ড হবার ভিডিও চিত্র
সকাল থেকে দেখছি আর মজা পাচ্ছি। মজা না পাবার কিছু নেই। সেরা সেরা কেউ বিক্রি হচ্ছে , কেউ আনসোল্ড থেকে যাচ্ছে। বেশ মজা!।
সর্বশেষ মজা এবঙ দুঃখ পেলাম ৪টার দিকে আমাদের স্বর্ণ টুকরো সাকিব ও যখন আইপিএল এর ৪র্থ আসরেরর জন্য নিলামে উঠে বিক্রি হতে পারল। বিক্রি হয়েছে মানে আসলে আইপিএল এ চান্স পেযেছে এ জন্য আনন্দ হলো , কিন্তু সাথে যখন দেখলাম মাত্র ৪২৫ হাজার ডলারে সাকিব কে নিয়ে নিল খুব সহজেই কলকাতা নাইট্রাইডার্স তখন একটু খারাপ লাগলো। সে কথা টিভিতে বিশেষজ্ঞরা আলোচনাও করল দেখলাম। ভূয়সী প্রশংসা শুনলাম সাকিবের। গর্বে বুক গেলো ভরে।
আহা , সিগ্রেট !!
ধোঁয়া ওড়ানোতে পারস্য বেজায় পটু ।গাঁয়ের পুরুষেরা যৌবন পেরিয়ে প্রৌড়ত্বের দাঁড়প্রান্তে উপনীত হতে না হতেই তামাক ভরা স্টিলের তামাকদানীর সাথে সবার পকেটে ঠাঁই করে নেয় নোট টোকার মত বিশেষ কিসিমের পাতলা ছোট ছোট কাগজ। সে কাগজে তামাক মুড়ে যত্ন করে বানানো শলাকার মাস্তুলে ধোঁয়া ওড়ে হর-হামেশা । সন্ধ্যার পরে কারও ঘরে ঢুকলে অবধারিতভাবেই কানে আসে শিশা টানার টগরবগড় শব্দ । মোটাসোটা বৃদ্ধাংগুলি সদৃশ আরেক ধরণের শলাকাও চোখে পড়ে খুব বেশি , বয়স হওয়ার জেনেছি তার নাম চুরুট । আর খানিক কোনাচে করে ঝুলে থাকা পাইপ ? সে তো বলতে গেলে ঠোঁটে ঠোঁটে ....
গল্প: ঠিক সন্ধ্যে নামার মুখে, তোমার নাম ধরে কেউ ডাকে
ঢাকা ইউনিভার্সিটির সেন্ট্রাল লাইব্রেরী, দুইতলা। বেটি ফ্রাইডেনের দ্য ফেমিনিন মিসটিক বইটার মধ্যে নাক, চোখ, কান, মন সব ডুবিয়ে হারিয়ে গেছে তিতলি।
মেয়েটার আর ক'দিন পরে সিক্সথ্ সেমিস্টার ফাইনাল। পড়াশোনার ভীষণ চাপ, দেখলেই বোঝা যায়। ওকে একটু দুর থেকে দেখতে দারুণ লাগছে! চেয়ারের ওপর দুই পা তুলে আশপাশের, টেবিল, মোটা ডিকশনারি, জানালার কাঁচ, বাইরের কুয়াশা, পুরো পরিবেশটাকে কেমন জমিয়ে নিয়ে বসে পড়ছে মেয়েটা।
প্রেম যদি চাঁদ দেখা হয়, বিয়ে হচ্ছে চাঁদে গিয়ে চাঁদ দেখা
যাঁরা এখনো একটা প্রেম করতে পারেন নি, তাঁরা সুযোগ পেলেই আক্ষেপ করেন- হায়, জীবনে কিছুই হলো না। এই আক্ষেপ যৌক্তিক। কারণ - ক) প্রেম না করলে ছোট্ট এই জীবনের অনেক সৌন্দর্য অনাবিষ্কৃত থেকে যায়, খ) চাঁদকে ঝলসানো রুটির মতো লাগে।
প্রেমে পড়লে বোঝা যায়- টিপে টিপে বাদাম খাওয়ার মতো সামান্য জিনিসে কী মজা! আর বাদামের খোসাটা যদি অন্যজন ছাড়িয়ে দেয় তাহলে তো কথাই নেই। আবার, প্রেমে পড়লে চাঁদ আপনাকে জোছনার গালিচায় চড়িয়ে উড়িয়ে নিয়ে যাবে রংয়ের রাজ্যে। সুতরাং যাদের প্রেম নেই তাঁরা আক্ষেপ করতে থাকুন। কলার নাড়িয়ে দোয়া করি, দ্রুত প্রেমে পতন ঘটুক আপনাদের।
