ইউজার লগইন
ব্লগ
শিশুরা মিথ্যা কথা বলে কেন?
"মিথ্যা বলা মহা পাপ" এই সত্যটা আমরা সবাই মানি। আমরা বড়রা কেন মিথ্যা বলছি সেটা আমরাই ভালো জানি। কিন্তু আমরা কি জানি আমাদের শিশু সন্তানরা কেন মিথ্যা কথা বলে? ওদেরতো মিথ্যা বলার দরকার নেই। আমরা বড়, আর তাই ছোটদের মিথ্যা কথা সহজে ধরে ফেলি। ধরে ফেলি বলে মনে করি আমরা না জানি কতো বড় মাইন্ড রিডার হয়ে গেছি। কিন্তু আসলে যে আমাদের জন্যই আমাদের শিশু সন্তানেরা মিথ্যা কথা বলে, সেটা কি আমরা জানি?
অবান্তর ভাবনা
[সতর্কতাঃ ০২ জানুয়ারি (রবিবার), ২০১১ ১১:০২ অপরাহ্ন আমার ব্লগে প্রকাশিত, 'আমরা বন্ধু' ব্লগের প্রথম পাতায় দেওয়া যাবেনা ] ।
এখন আর কেউ ফোন করেনা আমাকে । যখন আমার ব্যাস্ততা ছিল অঢেল, ধীরে-সুস্থে খাওয়া বা গোসল করবার মত সময়ও যখন আমার ছিল না, তখন টেলিফোনের রিংটোন আমাকে সর্বদা তাড়া করে ফিরতো । এখন আমার ব্যাস্ততা নাই, নাই এমন কোন কাজ, যা যথাসময়ে না-করলে সমূহ ক্ষতির সম্ভাবনা আছে । দিনের পর দিন চলে যায়, আমার মোবাইল পড়ে থাকে অলস, নিথর, বোবা হয়ে। রিংটোন শুনবার আশায় আমার কর্ণযুগল সদাজাগ্রত থাকলেও তাদের হতাশ হতে হয় অহরহ ।
ভেতর-বাহির ( পঞ্চদশ পর্ব) /// ধূমপান বাতিল হলো মদের ভাগাড়ে...
অনেকদিন পরে ভেতর আর বাহির আবার কথা বলতে শুরু করেছে আমার। ভেতর আর বাহিরে ঘটনার ঘনঘটা প্রতুল।
উৎসাহ পেলে চলতে থাকবে ভেতর -বাহির রেল গাড়ী পুনরায়।
ঘুম পায়
ইঁচড়ে পাকা বয়সে আমার এক গুরুবন্ধু বলতো,- 'মানুষের জীবনে তিনটা মাত্র মৌলিক বিষয়, বাকী সব ফালতু। তিনটা হলো, আহার, নিদ্রা, ত্যাগ। বুঝলি'?
আমরা গম্ভীর মুখে মাথা নেড়ে বলেছি, 'হুম বুঝেছি'।
বললো, 'কি বুঝলি বল।'
কি মুসিবত! আহার নিদ্রা না বোঝার কি আছে? তবে ত্যাগ নিয়ে আসলেই সন্দেহ ছিল। কারণ বাবা মা পরিবারকে ত্যাগ করাটাও যদি মৌলিকত্বে পড়ে আমি তাতে নেই। মিনমিন করে বললাম, 'ত্যাগ বাদে সব পারবো। পরিবার ত্যাগ করে থাকা সম্ভব না।'
গর্দভ!!! ধমকে উঠলো সে। 'হাঁদারাম এই ত্যাগ সেই ত্যাগ নয়। ভদ্রভাষায় বলেছি। এটা তোর প্রাত্যাহিক ত্যাগের বিষয়, প্রকৃতির ডাক।'
.
এরকম গুরুকে মান্য না করে যাবে কোন গর্দভ?
.
আজকের কথা সেই তিন মৌলিকত্বের একটা নিয়ে। ঘুম।
.
সবিনয় নিবেদন
আমি ভূতের গলি থেকে বুদ্ধদেব গুহের ভূত বলছি.......
হ্যালো হ্যালো.......আহারে কেউ কোথাও নেই...হ্যালো
প্ল্যান করেছিলাম, গভীর রাতে ঢাকায় ঢুকবো। তাতে কিছুটা হলেও ট্রাফিক জ্যাম এড়ানো যাবে। কিন্তু বিধিবাম। ৫ ঘন্টার লম্বা জার্নি করে রাত ১০ উত্তরায় এসে ছোট্ট যাত্রা বিরতি নিয়ে-১০:৩০ টায় রওনা হলাম, এলিফেন্ট রোড এর উদ্দেশে। ১:৩০ ঘন্টা লাগলো।
আমার বাসা থেকে আজিজ পায়ে হাঁটা পথ। সব ঠেঙ্গিয়ে যেহেতু আজিজের কাছে এসেছি, সেহেতু আজিজে তো একবার যাবই। আর আজিজে যাব ভাবতেই, আজিজের আড্ডার কথা মনে হল, আড্ডাটা দেব কার সঙ্গে? আড্ডা তো আর ভুতের সঙ্গে দেয়া যাবেনা, ভূতের সঙ্গে আড্ডা দিলে তো ভুতের গলিতেই যেতাম। মনে পড়লো আমার বন্ধুদের কথা। "আমরা বন্ধু"দের কথা।
এলোমেলো প্রেমের গল্প
তখন থেকে টেবিলের ওপর মোবাইলটা নেচে যাচ্ছে। হ্যা বেজে যাচ্ছে না নেচে যাচ্ছে। তিতলি বই খুলে বসে আছে বটে টেবিলে কিন্তু সেকি পড়ছে নাকি মোবাইলকে দেখছে বোঝা যাচ্ছে না। আনমনা প্রচন্ড শুধু সেইটুকুই বোঝা যাচ্ছে। তিতলি ভীষন রেগে আছে সায়ানের ওপর। সায়ান বিকেল থেকে সামান্য বিরতি দিয়ে দিয়ে ফোন করেই যাচ্ছে করেই যাচ্ছে, কিন্তু তিতলি কিছুতেই ফোন ধরছে না। বাসায় যেনো কারো কানে না যায়, মোবাইলটাকে ভ্রাইব্রেশনে দিয়ে রেখেছে তিতলি। বিকেল থেকে কতো এসএমএস, কতো কাঁকুতি মিনতি সায়ানের, ফোনটা একবার তোল জান। না তিতলি তুলবেই না, গতো দুই দিন ধরে কি কম কষ্ট পেয়েছে সে যে এখুনি সায়ানের ফোন ধরতে হবে? সায়ানের সব সময় কাজের দোহাই, সে খুব ব্যস্ত। আর তিতলি? তিতলির কি সায়ানের ফোনের অপেক্ষা করা ছাড়া আর কোন কাজ নেই। গতো দুদিন সারাক্ষণ মোবাইল চেক করেছে, নাই কোন ম্যাসেজ, নাই কোন মিসড কল। কাজ থাকলে কি তিতলিকে ভুলে যেতে হবে?
গল্প: কিন্তু পূরণের জন্য মনোনীত হয়ে গিয়েছিল পুরোনো একটা ইচ্ছে
মজার বিষয় হচ্ছে, আমি সবসময় স্বপ্ন দেখেছি, বিদেশে গিয়ে পড়া-শুনা বা দোকানের কাজ বা অন্য যেকোন কিছু করে দেখতে হবে, দেশের বাইরে জীবনটা কেমন; কিন্তু কপালে কখনোই সে সুযোগ জুটলো না।
অথচ তুমি সবসময় চাইতে রুটে ফিরে যেতে, সুযোগ হলে গ্রামে একটা স্থায়ী জীবন গড়ে নিতে, সেই তুমি কি না চলে গেলে সুদূর বিদেশে। আর আমি আটকে থাকলাম আমাদের এই দুইরুমের ফ্ল্যটে। স্বপ্নের এই বাসাটায়।
পৃথিবীটা যে খুবই আজব একটা জায়গা সে কথা কে না জানে? তাও আমি দেখি, ওস্তাদ সবসময় এটা আমাকে জানানোর নানান তরিকা খুঁজে খুঁজে বের করার পেছনে একটা ভালো রকম সময় খাটান।
যে কারণে ছোটকাল থেকে এরকম নানাবিধ ঘটনার মধ্য দিয়ে আমি বার বার জেনেছি, এই পৃথিবী এক আজব জায়গা। বা বলা যায়, আসলে আমাদের নিয়তিই হচ্ছে এমন অবিশ্বাস্য একটা জায়গায় জীবন কাটানো।
রোমান্টিক পতন......
এক
সময়টা তখন একেবারে খারাপ চলছিলো না, ছোট্ট মেয়ে আর বউটাকে নিয়ে গৎবাধা নিয়মে জীবনটা চালিয়ে নিচ্ছিলাম, যেমন সবাই নেয় আর কি। সকলে ল্যাবে যাওয়া, দুপুরে পারলে খেতে আসা, নইলে একেবারে বিকেলে এসে পারিবারিক আবহে চা-নাস্তায় সময় পার। মাঝে মাঝে হাটতে যাওয়া নদীর পাড়ে, নইলে কারও বাসায়। আর উইকেন্ডে বাজার করা সপরিবারে। একটা সুখী পরিবারের সব গৎবাধা উপাদান নিয়েই সুখী আর কি!
কিন্তু সমস্যাটা বাধালো বাদল, আর তার কথিত অতুলনীয়া বউ নীলিমা।
আমার একবছর পর একি ইউনিতে পিএইচডি করতে আসা বাদল। দেখতে শুনতে এভারেজ, কথা-বার্তাতেও। তবে একমাত্র বিশেষত্ব হলো তার প্রতি তিনটি কথার কমপক্ষে একটা দেশে রেখে আসা তার বউ কেন্দ্রিক।
পাতা ঝরার গল্প
তোমাকে পাতা ঝরার গল্প বলি ......
হেমন্তের ঘাসের বুকে ঢলে পড়ে যে বিবর্ণ পাতারা
তাদের শেষ ইচ্ছের কথা বলি তোমায় ।
কোন কালে কোন এক অনার্য বীজের সাধ হয়েছিল মাথা তুলে দাঁড়ানোর
এ ভূ-খন্ডের বুক চিরে
অনুর্বর জলাভূমির কাছে করজোড় করে চেয়েছিল একফোঁটা মাটি
তারপর, সেই মাটির বুকে যুগ যুগ ধরে
রোপিত হয়েছে বীজের শরীর ।
সে বীজ শুনেছে বহু আত্মার ক্রন্দন ।
অজস্র ঘুনপোকার হাহাকার পেরিয়ে
সে বীজ পৌঁছেছে উদ্ধত যৌবনে ।
তার নিটোল শরীরে জমেছে ধীরে ধীরে
সময়ের মেদ ।
তার চোখের পাতায় ঝরে পড়েছে নতুন সূর্যের সোনালী কণা ।
সে বীজ স্বপ্ন বোনে ,
স্বপ্নরা সবুজ পাতা হয়ে তির তির করে কাঁপতে থাকে অচেনা বাতাসে।
কেউ কখনো দেখেনি সে স্বপ্নের রঙ;
কেউ দেখেনা কখনো ।
কেউ জানেনা যে, সেই স্বপ্নরাই অবশেষে ঝরে পড়ে অবিমিশ্র বেদনার ভারে ।
যে জীবন সময়ের পরে রেখাপাত টানে , সময়কে বন্দী করে
ছেলের গায়ে হলুদে গাইবার মতো একটা গান...
ছেলের গায়ে হলুদে গাইবার মতো একটা গান বানিয়েছি আমি। বন্ধুরা শুনবেন নাকি? গানটি এখানে আছে। আমি দেখতে পাচ্ছি আপনারা পঁচা ডিম, আলু ছুঁড়ার জন্য তৈরী। পালাই রে বাবা।
বন্ধুরা আর পঁচা ডিম মাইরেন না, আমার আরেকটা গান আছে, সেইটাও একটু শুইনেন এখান থেকে। আমি বরং অফ্ যাই পুরা শীতটা...
রম্যকবিতা: ওকে মিসেস চার্মিং লেডী, ওকে
এবি'তে কবিতা জাতীয় লেখা পোস্ট করাটা কিছুটা বিপদের বটে। যেমন এই পোস্টটাই, লেখার পর প্রিভিউ দিয়ে দেখি মাথা থেকে হাঁটু পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে, খালি দুই পায়ের পাতা ঢেকে আছে। এ বিষয়ে আগেও আলোচনা হয়েছে। এখানে জুড়ে দিলাম টেকনিক্যল কারণে।
---
সুন্দরী নিজেকে তুমি যতই কালো ভাবো
তোমার চেয়ে বেশি সুন্দর
কাউকে কি আর পাবো?
যাক সে কথা,
শুনি কি খবর তোমার
দিন-কাল যাচ্ছে কেমন
কাটছে কেমন তার?
---
আরে তুমি, বিষয়টা কি এতগুলা দিন পর
কোথা থেকে উদয় হলে
ওহে পিশাচ নর।
চলে তো খুবই গিয়েছিলে
লাগবে না আর বলে
এখন হঠাৎ কেমন করে
আমায় ফোন দিলে?
---
উরিব্বাবা, বিষম তোমার রাগ
এর কাছেতেই হার মেনেছে
আমার অনুরাগ।
বললাম না, যাক সে কথা
ওতে কি লাভ বলো?
আমিও আছি, তুমিও আছ
জীবনটাতো গেল।
---
এই কথাটা ঠিক
আছি কিন্তু বেঁচেই দু'জন
যাই নি মোটেও মরে।
তোমার সঙ্গে হয়তো কখনো
ডাইরী ১১৬
১.
ঘরের মেঝেতে পৃথিবীর মানচিত্র দেখতে দেখতে আমি ঘরকুনো হয়ে যাই। পথ গুলো যদি এমন সরল শূন্য হতো তবে আমি পথিক হতাম। শরীরময় যার এমন অনেক বাস্তবতা লেখা তার পাশে গুটিশুটি মেরে বসে থাকতে পারি এক মহাকাল। যতোক্ষণে মানুষ সৌরজগতের আনাচ কানাচ বেয়ে ইকারুসের মতোন গলে পরে সূর্য্যের শরীরে।
২.
একটা লাইন হঠাৎ করেই জপতে থাকি। কিন্তু তারে চিত্রকল্প বানানোর ফাঁকেই ভুলে যাই সমস্ত শরীর। ভালোবাসা তবে আমার অ্যামনেশিয়া! শব্দের চে' ভালোবাসি শূন্যতারে। স্মৃতির চে ভালোবাসি চাঁদের সাতকাহন। সিঁড়ি বেয়ে যখন ছাদের আড়ালে বসেছি তখন মাথার ভেতরে চাঁদ আর হৃদয়ে অমাবশ্যা।
৩.
ইচ্ছে হলো কারো কন্ঠে ভৈরবী শুনি। আর তাই সেলফোন। তারপর বিডিনিউজ ২৪। কে কোথায় কিভাবে উদযাপন করে নববর্ষ-উইকেন্ড কিম্বা লেইট নাইট পার্টি।
এভাবেই রয়ে গেলো তো পুষ্টি বাকী!
সেন্ট মার্টিন (দুশো বছর পরে) {শেষ পর্ব}
খাওয়া দাওয়া শেষ করে একদল যাবেন ডিস্কোতে। সেখানে স্প্যানিশ, ল্যাটিন, হিন্দী, ইংরেজি গানের সাথে থাকবে কিছু লোকাল নাম্বার। সেন্ট মার্টিনকে ঘিরে বানানো। এল আর বি কিংবা দলছুটের বানানো ওওও উই আর গোয়িং টু সেন্টমার্টিন, কিছু থাকবে র্যাপ আর রিমিক্স। ওরে সাম্পানওয়ালা তুই আমারে করলি দিওয়ানা কিংবা রুপবানে নাচে কোমর দুলাইয়া। আর যারা নাচতে ভালোবাসেন না তাদের জন্য আছে ঝলমল আলো সজ্জিত ক্যাসিনো। সুন্দরী মেয়েরা সেখানে বসে থাকবেন আর চলবে সারা রাত গ্যাম্বলিং। জ্যাকপটের আশায় অনেকেই মন উজাড় করে খেলবেন, কেউ পাবেন কেউ পাবেন না। যারা প্রকৃতির খুব কাছে থাকবেন, অন্যকোন কিছুই তাদের চাই না তারা ক্যাম্প ফায়ার করে তার পাশে গোল হয়ে আকাশের চাঁদকে প্রেয়সী করে কবিতা লিখবেন। সেই আলো আঁধারিতে রাত যখন ভোরের দিকে যাবে সবাই হোটেলের দিকে ফিরবেন। বিছানায় গড়িয়ে প্রস্তুত হবেন পরের দিনের জন্যে। এতো কিছু করার আছে এখানে।
পুরানো সেই দিনের কথা-৫
কিছুদিন আগে ইউনির ডরমিটরী ছেড়ে নতুন বাসাতে উঠেছি।বাসা থেকে পাক্কা উনিশ মিনিট হাটঁতে হয় ল্যাবে যাওয়ার জন্য।কিন্তু প্রতিদিনের এই হাঁটাটা আমি খুব উপভোগ করতেছি কিছুদিন ধরে।হাটঁতে হাটঁতে মনে পড়ে সেই স্কুলে যাওয়ার দিন গুলো।
জীবিকা অথবা জীবন- ৮
সকালের দিকে হঠাৎ করেই বেশ অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন রহমান সাহেব। তাদের ডাক্তার বন্ধু শৈলেশ বর্মন এসে খানিকটা রাগারাগি করলে রহমান সাহেব বন্ধুর হাত ধরে বললেন, দোস্ত তুই আগে আমার কথাটা হোন!
ডাক্তার সরোষে রহমান সাহেবের হাত সরিয়ে দিয়ে বললেন, তরে কইছিলাম দুধ-ডিম আর এইসবের তৈরী হাবিজাবি কিছু না খাইতে। এক ঠ্যাং কবরে গিয়া রইছে অখনও নোলা সামলাইতে পারছ না! কই নাই তর নোলা তরে একদিন শেষ করবো!
খানিকটা বিষন্ন হাসি হেসে রহমান সাহেব বললেন, দোস্ত দশ বছর ধইরা তো একই কথা কইতাছস, অখনও তো মরলাম না!
তাইলে মর! আমি যাই!
না দোস্ত, আমারে অষুধ দিয়া যা। কাইলকা সকালের আগেই আমারে যেমনে হউক সুস্থ হইতে হইবো।
এবার ডাক্তার শৈলেশ বর্মনের মুখে কেমন তাচ্ছিল্যের হাসি ফুটে উঠলো। বললেন, কাইলকা শহিদ মিনার যাইবা। ফুল দিবা। তারপরে তোমার দেশ উদ্ধার হইয়া গেল! অথচ পোলা মাইয়াগুলারে বানাইছস আম্রিকান-জার্মান!