ইউজার লগইন
ব্লগ
দু'দিনের দুটো অভিজ্ঞতা--ইভটিজিং কি বন্ধ হবেনা?
ঘটনাসূত্র-১
একদিন সন্ধার সময়ে অফিস থেকে বাসায় ফিরছি। বাসার কাছাকাছি রাস্তায় দেখছি, দুটো সুন্দরী কিশোরী মেয়ে যাচ্ছে আর ৩/৪ টি বখাটে ওদের উত্যক্ত শুধু নয় পিছুও ধাওয়া করছে। একটি ছেলে একসময় দৌঁড়ে গিয়ে বেশি সুন্দরী মেয়েটার হাত চেপে ধরতেই, সে কাঁকুতি-মিনতি করতে লাগল, এরে ভাই, ভহাত ছেড়ে দেন আগে; তারপর কী বলবেন বলেন?
আমি সব দাড়িয়ে থেকে দেখায় বখাটেরা কিছুটা ঘাবড়িয়ে যায় বলে মনে হয়। মেয়েটিও আমাকে প্রতিবাদীর মত দাড়াতে দেখে সাহসী হয়। ফলে ওর হাত ছেড়ে দিয়ে চলে যায় ওরা। এরপর মেয়েটি আমার পাশ দিয়ে যেতে থাকলে প্রশ্ন করিঃ তোমরা কি চেন ওদের? বলে, নাহ, আমাকে জোর করে আটকিয়ে বলছে-আমাকে নাকি খুব লাইক করে।
আমি বললাম, এমন ঘটলে ভবিষ্যতে ওভাবে চুপ না থেকে চিৎকার দেবে, যাতে রাস্তার লোক বুঝতে পারি যে, তোমরা বিপদগ্রস্ত? মাথা দুলিয়ে সে বলল, জী- আচ্ছ।!
ঘটনাসূত্র-২
কবিতা: বেরসিক
বিশ্ব ইজতেমায় জু্ম্মার নামাজ পড়ে আসা এক বন্ধু সেদিন জানালেন, নামাজ শেষে ভীড় দেখে খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। এত মানুষ আর এত মানুষ, হাঁটতে হাঁটতে একবার কোনমতে পড়ে যেতে পারলেই কেল্লা ফতে। আর উঠতে হবে না। পেছনের তিন-চার মাইল লম্বা প্রবল জনস্রোত টেরও পাবে না, পায়ের নিচে কিছু পড়লো কি না!
আমি অবাক হলাম। মানুষ যেখানে ওস্তাদের কাছ থেকে রহমত আদায় করার জন্য গেছে, সেখানে একজন যদি পায়ের তলে পড়ে যায়, তাকে ধরে উঠিয়ে দেয়া কি সবার দায়িত্ব না? একটাও এমন দুর্ঘটনা ঘটলে, সেই দেশে কি আরো কোনোদিনো ইজতেমা কবুল হয় কি না কে জানে।
ধরাশায়ী
ধরা কাহিনী সবারই আছে। জীবন মাত্রেই মরণশীল, মানুষ মাত্রেই ধরাশীল। ধরা খাওয়ার মধ্যে কোন লজ্জা নাই, কোলেষ্টেরোলও নাই। তবে ধরা কাহিনী নগদের চেয়ে বাসীই মজাদার। তাই গতকাল যে ধরাটা খেয়েছি সেটা এখন না বলে পুরোনো গুলিই বলছি।
মোবাইল 'ধরা': একটেল
দশ-বারো বছর আগেও ভোররাত থেকে লাইন ধরে হুড়োহুড়ি ধাক্কাধাক্কি করে ত্রিশ চল্লিশ হাজার টাকা খরচ করে মিনিটে ৭ টাকায় কথা বলার সুবর্ণ সুযোগ পাবার জন্য যে কোম্পানীর কানেকশান কিনতো মানুষ, তার নাম গ্রামীণ ফোন। ক্রেতা সামলানোর জন্য পুলিশ ডাকতে হয়েছে সেরকম কোম্পানী পৃথিবীতে খুব বেশী নেই। গ্রামীণের ক্রেতাভাগ্য ঈর্ষনীয় ছিল।
আমি গ্রামীনের লাইনে দাঁড়াইনি কখনো। মোবাইল ফোন বড়লোকের জিনিস, বাসার ল্যান্ডফোনই যথেষ্ট, এই ধারনাটা এক বন্ধু এসে নাড়িয়ে দেয় যখন সে বিদেশ যাবার আগে তার একেটেল মোবাইলটা আমাকে বন্ধুসুলভ দামে 'উপহার' দিয়ে যেতে চাইল।
দক্ষিণ আফ্রিকায় সিরিজ অধরাই থাকল ধোনিদের
দক্ষিণ আফ্রিকায় সিরিজ জয় অধরাই থাকল ধোনিদের। এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে ওয়ানডে জিতলেও সিরিজ জয় করা হয়নি। তাই সেঞ্চুরিয়ানে আজ জিতলে সিরিজের সঙ্গে সঙ্গে ইতিহাসও ধরা দিত ধোনিদের হাতে। কারণ এর আগে স্মিথ-ক্যালিসদের দেশে ভারত কোনো ওয়ানডে সিরিজ জিততে পারেনি। কিন্তু ধোনিরা পারলেন না। অপেক্ষা পরবর্তী কোনো সিরিজ পর্যন্ত।
কারখানা...(তিন)
বিয়েশাদি করে তিন বাচ্চার বাবা হওয়ার পরেও আলভী একটুও পাল্টায় নি। সেই আগের মতোন ঝুটি বেধে ঘোরাঘুরি করে। চল্লিশ বছর বয়স কিন্তু তার রঙ পসন্দ এখনো সেই এলভিস প্রিসলি, গান পসন্দ লেড জেপলিন। একমাস আগে তার জন্মদিনের পার্টিতে বেলুন ফুলিয়ে ঘর সাজানোর বাহানা দেখে জাহিদ টিপ্পনি কেটে ঘুরে দাঁড়ানোর আগেই রাইট হ্যান্ড আপারকাটে নক আউট। কিচ্ছু আসে যায় না আলভীর, জাহিদকে টেনে তুলে ডেটলে ভেজানো তুলোয় রক্ত মুছে এমন ভাব করলো যেনো কিছু হয় নি। কিন্তু এরপর থেকে জাহিদ আড্ডায় আসেনি একবারো। কিন্তু শুক্রবার জুম’আর জামাত শেষ হলেই আলভী সবাইকে ফোন করতে শুরু করে। জাহিদও নিশ্চিত বাদ যায় না। সাদ জানে না জাহিদের সাথে আলভীর কি কথা হয়, কিন্তু নিশ্চিত করে ভাবতে পারে জাহিদের অপমানিত হওয়ার বোধটা আলভী হয়তো বুঝতেই পারেনি। সে একাই যেনো রয়ে গেছে সেই আঠারোর উত্তেজনায় আর বাকীরা চল্লিশ পেরিয়ে খোড়াতে শুরু করেছে বার্ধক্যের পানে।
এইডস থেকে বাঁচার একমাত্র উপায়ঃ পবিত্র ও নিয়ন্ত্রিত জীবন-যাপন
২০০৯ সাল পর্যন্ত মোট এইচআইভি সংক্রমিত মানুষের সংখ্যা ছিলো ৩ কোটি ৩২ লক্ষ। ২০০৯ সালে নতুন করে এইচআইভি সংক্রমিত হয়েছে ২৫ লক্ষ। শুধু ২০০৯এ এইডস এর শিকার হয়ে মারা গেছে ২১ লক্ষ। প্রতিদিন নতুন করে সংক্রমিত হচ্ছে ৬ হাজার ৮০০ জন। প্রতিদিন এইডস এ মারা যাচ্ছে ৫ হাজার ৭০০ জন। এইডস এর বিসত্মার আফ্রিকায় শীর্ষে বিশেষতঃ সাব-সাহারা অঞ্চলে। এ অঞ্চলের বোতসোয়ানায় ১৫-২৪ বছর বয়সী প্রতি ৩ জন, তরম্নণীর মধ্যে ১ জন ও প্রতি ৭ জন তরম্নণের ১ জন এবং লেসোথো, দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়েতে এই বয়স গ্রম্নপের প্রতি ৪ জন তরম্নণীর মধ্যে ১ জন এবং প্রতি ১০ জন তরম্নণের মধ্যে ১ জন এইডস ভাইরাসে আক্রামত্ম।
দিন দিন অলস হয়ে যাচ্ছি
শিবরাম চক্রবর্তীকে একবার তার সারাদিনের রুটিন সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়েছিলো। প্রশ্নকর্তা মনে হয় লেখকের লেখার ধারাটা জানতে চাইছিলেন বা দিনের কোন সময়টাতে লেখক লেখাজোকায় কাটান তাতে হয়তো তার আগ্রহ ছিলো। শিবরাম নিতান্তই অনাগ্রহের সাথে উত্তর দিলেন,
"এই সকালে ঘুম থেকে উঠি, তারপর মুখ-হাত ধুয়ে প্রাত:রাশ সেরে একটু বিছানায় গড়িয়ে নিই। গড়াতে গড়াতে এই বেলা মধ্যাহ্নে চাঁনটা সেরে আবারো কিছু সময় গড়িয়ে নিই। তারপর দুপুরের খাবারটা সেরে একটি ভাত-ঘুম দিই। সন্ধ্যার দিকে উঠে এক কাপ চায়ের সাথে একটু কিছু খেয়ে আবার একটু গড়িয়ে নিই। গড়াতে গড়াতে রাত একটু গভীর হলে রাতের খাবারটা খেয়ে বিছানায় যাই। তারপর ঘুমিয়ে পড়ি। আবার সকালে উঠি......"
কিংকর্তব্যবিমূঢ় (বানান নিশ্চিতভাবে ভুল) প্রশ্নকর্তা হতভম্ব হয়ে লেখকের দিকে তাকিয়ে রইলেন।
অপেক্ষায় আছি দেশি মুরগারা
(উৎসর্গ : এবি'র সকল বৈদেশী বন্ধুগো)
বিদেশ থাকা মানুষগুলান ক্যান জানি
এরাম হয় ! মানি, বিদেশে টেকা কামাই করাটা বড়ই
কষ্টের। তাই বলে দেশে কামাই করাটা কি
খুব সহজ। বুঝিনা আমি। দিনের পর দিন
এরা ঘর-বাড়ি-প্রিয়জন ছেড়ে বাইরে থাকে, কষ্ট হয় এদের জন্য-
যারা পড়াশুনা করতে যায়, তাদের কথা নাহয়
আলাদা। কিন্তু যারা জামাইয়ের সাথে বা
বৌয়ের সাথে থাকে ? চাকরী-ব্যবসা করে ? তারাও দেখি
কেমন জানি !
আমরা যারা দেশে থাকি, বিদেশ যাওনের ইচ্ছা বা
ক্ষমতা নাই- তারাই বরং ভালো আছি।
পেটে-ভাতে আছি, প্রিয়জন নিয়েই আছি। প্রতি সপ্তাহে
আড্ডাই, খাই-দাই। আইজ এরে মুরগা বানাইতো
কাইল অন্যজনরে। হাসিমুখে তা মেনে নেই বা নেয়।
দৈবাৎ ২/১ জন আসে, আমাদের বৈদেশী বন্ধুরা---
আমাদের সাথে আড্ডায়, আমরাও অপেক্ষায় থাকি
মুরগা বানানোর
অথচ স্মৃতি বড়ই যাতনাময়। আমরা ওদের কাউরে
মুরগা বানানোর সুযোগ পাই না। আড্ডা শেষে রাইতে
প্রকীর্ণ কথার আবির
প্রকীর্ণ কথার আবির
-আবু মকসুদ
এবং আমার অনুশোচনা হলো-
বিষফনা তোলা বীভৎস ঘাতক
উড়াল পাখির চোখে গেঁথে দিলো
মৃত্যুর গাঢ় রঙ।
সারিবদ্ধ দুপুর, তার পাড়ে থমকানো
জল, ভীষণ উদ্যমী, জালে
আটকানো বাসনাতাড়িত পাখি
জানতো না মানচিত্রের আজব মারপ্যাঁচ
এইতো সেদিন ঘুড়ির সুতোর মতো
আঙ্গুল ছুঁয়েছে ম্রিয়মাণ চাঁদ,
প্রকীর্ণ কথায় আবির ছড়িয়েছে
আতুর সন্ধ্যায় হেঁটেছে শিকড় অবধি
ভোরের আগেই সাজাতে চেয়েছে
স্বপ্নের গুঁড়ো, করুণাশরীরে আগুন
ভাগাভাগি করতে চায়নি, চেয়েছে
বর্ষার আগেই মেঘকথা শিখে নিতে
অতঃপর—
অবৈধ মেঘ ফুঁড়ে হঠাৎ বৃষ্টি নামলে
মানুষের ভুল জন্ম হয়েছে জ্ঞাত। কাঁটাতারে
ঝুলেছে উড়াল পাখির দেহ, তাই দেখে
আমার মতো সীমারও কেঁদেছে অনুশোচনায়।
মেহেরজান বিতর্ক
যুদ্ধ যেকোনো অর্থেই অমানবিক, আক্রান্ত মানুষ এবং আগ্রাসী মানুষের ভেতরে আচরণগত পার্থক্য থাকবেই ধরে নিয়েও আগ্রাসী মানুষদের সবাই মানবিকতাবোধ রহিত এক দঙ্গল এমনটা অনুমাণ করে সে অনুমানের ভিত্তিতে জীবনযাপন কষ্টকর। তৃতীয় প্রজন্মে এসে আমাদের বিশ্লেষণাত্মক হয়ে উঠবার মতো পরিপক্কতা অর্জিত হয়েছে এমনটা আশা করা অনুচিত হবে না।
দি লাস্ট বেঞ্চার
ইস্কুল জিনিসটাকে আমি দুই চক্ষে দেখতে পারি না। না পারার যথেষ্ট কারণও আছে। জীবনে পয়লাবার যেদিন ইস্কুলে গেছিলাম খোদাতালা তার আগের দিন রাতে শয়তানি করে রেখেছিলেন। নতুন জামা জুতা পরিধান পূর্বক স্ব গর্বে যেইনা স্কুলের সীমানায় পদযুগল রাখলাম ওমনি কাদায় পিছলে ধপাস। এখনো মনে আছে চারিদিকে পোলাপানের সেই হাস্য কলরব। বহু চেষ্টা করেও সেদিন হৃদয়ের রুদ্ধ আবেগটাকে বেঁধে রাখতে পারিনি। নিজের অজান্তেই বেরিয়ে এসেছিল দু-ফোঁটা অশ্রু, সোজা বাংলায় যাকে বলে ভ্যাঁ করে কেঁদে ফেলেছিলাম। পরে স্কুলের আয়া উনাকে আমরা বুবু ডাকতাম আমাকে উদ্ধার করে নিয়ে গেলেন। মেলা আদর টাদর করে ধুয়ে মুছে ক্লাসে পাঠালেন। সেই কবেকার কথা, চেহারাটা ভুলে গেছি অথচ মমতাটুকু আজও মনে আছে। এরপর প্রথম কয়েক দিন প্রথম বেঞ্চে বসে ভাল ছাত্র সাজার প্রাণান্ত চেষ্টা চালালাম। দুই দিনের বুঝে গেলাম ইহা আমার দ্বারা হবে না। পড়া আমার মাথায় কিছুতেই ঢুকে না, যদিও বা কো
এই মন তোমাকে দিলাম : একটি পারিবারিক মিউজিক্যাল ড্রামা

বন্ধু বেঈমান ছবির ব্যাপক সাফল্যের পর দাদাভাই কথাচিত্রের পরিবেশনা এই মন তোমাকে দিলাম। আধুনিক সময়ের একজোড়া তরুন তরুনীর ভালোবাসা ও উচ্ছাস এই ছবির বিষয়বস্তু। নায়ক নায়িকার প্রানবন্ত নাচ গানের সাথে এই ছবির অন্যতম প্রধান আকর্ষণ আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন নৃত্যপটিয়সী অভিনেত্রী তাতিয়ানার জমজমাট নৃত্য।
শিশু শিল্পী মাস্টার ঋহানের অসাধারণ অভিনয় নিশ্চিত ভাবেই দর্শকদের মনিকোঠায় ঠাঁই করে নিবে। এছাড়াও শক্তিমান অভিনেতা শ. হো. মাসুম ও ইয়াজিদ হোসেন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে তাদের দক্ষতার প্রমান রেখেছেন।
ভিডিও পাইরেসি রোধ করুন। ভাল ছবি, পরিবারের সবাইকে নিয়ে দেখার ছবি এই মন তোমাকে দিলাম প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে উপভোগ করুন।
চায়ের আড্ডা.....
আজকের বিকেলটা আমার জন্য একটু অন্যরকম ছিল।আসলে বিকেল থেকে সন্ধ্যা।আমরা বন্ধু'র কয়েকজন বিশিষ্ট বন্ধুর সাথে আজ মুখোমুখী পরিচয় হইল
।ভাবতেই ভাল্লাগতেসে।বাসা থেকে বের হলাম ৪ টায়।১৫-২০ মিনিটের পথ,কিন্তু ১ ঘন্টা লেগে গেল যানজটের কারণে।আমি পৌঁছে দেখলাম আমি সবার শেষে।যাই হোক সবাইরে একটা সালাম দিয়া কইলাম (সালাম দিসি কিনা মনে নাই
) আমি রুমিয়া।বাকিরাও পরিচয় দিলেন।যদিও সবাইরে চেনা যাইতেসিল
এরপর চা (চা টা আসলে কি সেইটা সাঈদ ভাই বলবে
) খেতে ঢুকলাম সবাই।সাঈদ ভাই,নীড়দা,নুশেরাপু,সিরাজী ভাই,মুকুল ভাই সবাইরে খুউবই ভাল্লাগসে।সাঈদ ভাই দেখতে যেমন লম্বা,ভালর দিক থেকেও সেইরকম লম্বা।মাসাল্লাহ।উনারে দেখলে মনে হয়না উনি এত মজা করতে পারে
।সাঈদ ভাইরে অনেক আপ্যায়ন করা হইসে।উনার কাছে ছবি আছে।পোস্টাইলে দেইখেন সবাই
।নুশেরা আপুর পাংখা হই গেসি আমি
আপু দেখতে যেমন সুন্দর,হাস
প্রেম ......... ঢাকা স্টাইল (শেষ পর্ব)
এ ঘটনার কিছুদিন পর এক ছুটির দিনে বেশ ভোরে কঙ্কার ঘুম ভেঙে গেলো। সারা বাড়ির সবাই তখন ঘুমে বিভোর, ছুটির দিনের আয়েশী ঘুম। ক্লাশের পড়াশোনার চাপে আজকাল আর গল্পের বই পড়ার সময়ই পায় না কঙ্কা। ভাবল ঘুম যখন ভেঙ্গেই গেলো শুয়ে না থেকে যাই একটু বই পড়ি। যেই ভাবা সেই কাজ, উঠে কঙ্কা হাত মুখে ধুয়ে চায়ের মগ নিয়ে বই হাতে বসার ঘরে যাচ্ছিল। দরজা জানালা খোলা দেখে আর রান্না ঘরের টুকটাক মৃদু শব্দে কঙ্কা বুঝতে পারল মা একবার উঠে ওদেরকে ডেকে দিয়ে গিয়ে আবার শুয়েছে। খুব সন্তর্পনে কঙ্কা যাচ্ছিল যাতে কারো ঘুম না ভেঙ্গে যায়। বসার ঘরে ঢুকতে ঢুকতেই হঠাৎ অকারণে বারান্দার দিকে চোখ গেলো তার। তার ই.এস.পি বলছিল কিছু একটা ঘটছে ওদিকে। এগিয়ে যেয়ে দেখতে পেলো রাজমিস্ত্রী মজনু হাতে পাইপ নিয়ে দুলে দুলে ছাদের উপর ডাই করে রাখা ইট ভিজাচ্ছে, এমন ভঙ্গিতে ইট ভিজাচ্ছে দেখে জীবন বীমার এ্যাড এর কথা মনে পড়ে গেলো কঙ্কার। জীবন বীমার এ্যাডে যেমন