ইউজার লগইন
ব্লগ
প্রেম ......... ঢাকা স্টাইল (১)
কঙ্কাদের বাড়িতে আজ দারুন হৈচৈ চলছে, ‘সীমা’ পালিয়েছে। এতোদিন ধরে চোখে চোখে রেখেও কোন লাভ হলো না কঙ্কার মায়ের। পাখি শেষ পর্যন্ত ফুড়ুত করে উড়েই গেলো। এখন কি করে তাই নিয়ে সবাই দিশেহারা। ‘সীমা’ কঙ্কার মায়ের বাপের বাড়ির দেশ থেকে আনা লোক। সীমার বাবা মা ভাই বোন যাকে বলে সীমাদের পরিবারের সবাই কোন না কোন ভাবে কঙ্কার মায়ের বাপের বাড়ির কারো না কারো কাছে আছে। অনেক দিনের সম্পর্ক তাদের সাথে তাই ব্যাপারটাকে অবহেলা করার জোও নেই কঙ্কাদের পরিবারের, এক গ্রামের লোক, হোক গরীব কিন্তু এক গ্রামেরতো। গ্রামে যদি কথা রটে কঙ্কাদের বাসায় থেকে সীমার সর্বনাশ হয়েছে তাহলে আর গ্রামে মুখ দেখানো যাবে না, সবাই ছি ছি করবে। গ্রামেতো আর শত্রুর অভাব নেই তাছাড়া ভবিষ্যতে আবার লোকের দরকার হলে কথাটা বারবার উঠবে। আজকাল গার্মেন্টস আর গ্রামীন ব্যাংক হয়েতো পোয়া বারো। হয় বাড়ি বসে বসে হাস মুরগী পালবে নয় ঢাকা এসে চাকুরী করবে কিন্তু ঝিগিরি আজ
নো মাশরাফি, নো ক্রিকেট
(রায়হান ভাইয়ের অনুরোধে আসলে এই পোস্টের অবতারণা করতে হইলো। ৬০ দশকে ভারতের ব্যাটসম্যান মুস্তাক আলীরে ইডেন গার্ডেন টেস্টে দলভূক্ত না করনের পর সারা ভারত জুইড়া বিক্ষোভ শুরু হয়, তখনকার একটা শ্লোগান থেইকা শিরোনামটা ধার করলাম)
শখৎ মামার চোখে কেন শসা দেয় না
যদ্যপি আমার গুরু
শুঁড়ি বাড়ি যায়
তথাপি আমার গুরু
শ্রী নিত্যানন্দ রায়।
তারপরেও গুরুর ইদানিং কালের কার্যকলাপ আমাদের কেমন যেন এক চিন্তায় ফেলে দেয়। কিছুদিন আগেও যে কাজে তাকে নিয়ে চিন্তাও করা যেতনা বর্তমানে একটার পর একটা সেসব কাজ করে আমাদের ভাবনায় ফেলে দিচ্ছেন।
মাসুম ভাইয়ের এহেন পরিবর্তন নিয়া আমরা টাস্কিত। যারা গত বছর উনার পিকনিকের পারফরমেন্স সম্পর্কে সম্যক অবগত আছেন, এবছর অনুরূপ পারমেন্স না দেখে হতাশ হয়েছেন। কিন্তু কারণ কী এ হেন পরিবর্তনের?
উনি আগে কখনো কোনো ছেলের সাথে কোলাকুলির ধারে কাছে যেতেননা। রাসেলরা দুই একবার ট্রাই করলে বলতেন, দূরে গিয়া মর। কিন্তু কি আশ্চর্য্য! সেদিন দেখলাম মীরকে বুকে নিতে চাচ্ছেন।
অস্ত্রের ব্যবহার সবখানেই, নড়বড়ে নড়াইল
সামনে সেচ মৌসুম তাই ভাবছিলাম বিদ্যুতের উপর আরেকটা লেখা লিখব আর তাতে একটু রাজনৈতিক আলাপও থাকবে কারণ সরকার সম্প্রতি যে হলুদ কার্ড দেখেছে তার প্রধান কারণ সমূহের মধ্যে যেমন অনিয়ন্ত্রিত দলীয় আচারণ আছে তেমন মূদ্রাস্ফিতি, আইন শৃংখলা ও বিদ্যুৎ স্বল্পতাও সমান ভাবেই আছে । কিন্তু আজ আর বিদ্যুৎ নিয়ে লেখা হবে না, একটা নিউজ শুনবার পর কোন ভাবেই ওটা ছাড়া আর কোন কিছুতে মন নিতে পারছিনা । বাংলাদেশ বিশ্বকাপের দল ঘোষনা করেছে আর তার জের ধরে নড়াইলে হরতাল, বাংলাদেশের বড় অস্ত্রের আরেক দফা ব্যবহার।
টুন টুন টুইন-১
#১. ভেবেছিলাম কার নাম কোনটা তা ওদের বুঝতে অনেক সময় লাগবে। কিন্তু তা লাগেনি। ওরা কেমন করে যেন ঠিকি বুঝেছিলো কার নাম কি। ঠিক বুঝলাম না, ওরা কনফিউজ্ড হলোনা ক্যানো? যাই হোক, একজনের নাম জারা আর আরেকজন জুন্না। আমার জমজ মেয়ে। ওদেরকে সব সময় এক সাথে রেখেছি, ডেকেছি আর তাই আমার ধারনা হয়েছিলো টুইনরা হয়তো সহজে বুঝতে পারবে না কার নাম কোনটা। 
দিনের অভিজ্ঞতা ২
বিকেল ৫টায় আনুষ্ঠানিক সমাপ্তির আগে এফ আর খান অনুরোধ করে বলেছিলেন "আগামী কাল অবশ্যই সবাই সকাল ৯টার সময় উপস্থিত থাকবেন।" জাপান এরোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সীর সদস্যরা সবাই দুপুরের ভেতরেই ঢাকা ত্যাগ করবেন, সে কারণে আগামী কাল হাতে কলমে শিক্ষার সম্পূর্ণ বিষয়টাই দুপুরের আগে শেষ করে ফেলতে হবে।
গদাইলস্করি চালে বাসা থেকে বের হয়ে হন্তদন্ত হয়ে যখন ছুটছি তখন ঘড়িতে ৯টা ছুঁইছুঁই। পায়ে হেঁটে যতটা দ্রুত যাওয়া সম্ভব, হনহনিয়ে হেঁটে ঠিক ততটুকু দ্রুতই মাঝের পথ অতিক্রম করছি, সেকেন্ডের কাঁটা এগিয়ে যাচ্ছে, ঘড়িতে দেখলাম ৯টা বেজে ৩ মিনিট, গেটের সামনে এসে দাঁড়িয়ে গতকালের পোশাকী পুলিশকে খুঁজি, তিনি আমাকে দেখে মাথা নেড়ে জানালেন আমি চলে যেতে পারি। তারপরও যখন পৌঁছালাম তখন ৯টা ৫।
কইলজার ভিতর গাত্থি রাইখুম তোঁয়ারে
ইদানীংএর কোনো এক নাটকে কাকে যেন গুন গুন করে একটা গান গাইতে শুনেছিলাম। তাও এক লাইন মাত্র। সেই একলাইনই গেঁথে গিয়েছিলো মনের ভেতর। একেকটা গান একবার শোনা শুরু হলে সেইটা শুনতে শুনতে ছিবড়ে না হওয়া পর্যন্ত ছাড়ি না। ওইদিন ব্লগার নাম নাইএর গান পোস্ট দেখে আফসুস হইলো। আমারো খুবই গান পোস্ট দিতে ইচ্ছা করে, কিন্তু পারি না। এই গানটা সালমা'র গলায় খেলছেও ভালো,
সিনার লগে বাঁধি রাইখুম
কি নিয়ে আলাপ করি সেটা বুঝতে পারছি না। নাটকের কথা বলা যায়। বাংলা টিভি নাটকগুলো বেশ ভালো হচ্ছে। আমার কখনো নায়িকাদের প্রতি স্থায়ী ভালবাসা জন্মায় না। কারণ স্থায়ীত্ব দেখা দিলে বার বার প্রিয় নায়িকা চেঞ্জ করা সমস্যা। এটা শুধু নাটকে না, মুভির ক্ষেত্রেও।
নেপাল শিক্ষা ভ্রমণ:বিষ্ণু দি, মাদারস গ্রুপ এবং নেপালী নারীবাদী প্রতিরোধের উপাখ্যান

বিষ্ণু দি‘র সাথে দেখা করার লোভটা তৈরি হয় কাঠমান্ডু পৌছাবার পরই। নানা আলোচনা-গল্পে একই নামের পুনপৌনিক উচ্চারণ দেখে ভেতরে ভেতরে সে আগ্রহ দানাবাঁধতে থাকে। ডালপালা গজাতে থাকে আরও দ্রুত গতিতে। ভিনে ও শ্বেতা আপার কাছে আগেই শুনেছি যে, বিষ্ণু দি পোখারায় থাকেন। নেপালকে হিমালয় কন্যা বলা হলে পোখারা সম্ভবত সে হিমালয় কন্যার হৃদয়-প্রাণ। যেন প্রকৃতি অকৃপনভাবে ঢেলে দিয়েছে তার সমস্ত সৌন্দর্য। কাঠমান্ডু থেকে প্রায় ৭-৮ ঘন্টার বাসযাত্রা দুরত্বের পর্যটন শহর পোখারা যাবার পথে আঁকাবাঁকা, উচু-নিচু পাহাড়ী শ্যমলিমা আর দূর হিমালয়ের দুধশুভ্রু আভা থেকে বিচ্ছুরিত সৌন্দর্য উপভোগ এর সাথে একটি বাড়তি আনন্দ হিসেবে যুক্ত হয় বিষ্ণু দির সাথে সাক্ষাতের সম্ভাবনা।
বান্দর খেলা ও ফার্স্ট বয়দের গল্প
আশি নব্বই এর দশক বা আরও আগে যাবার দরকার নাই, এখনও বাংলার অনেক বিদ্যালয় আছে যেখানে ক্লাশের পড়া আদায় শেষে যারা পড়া বুঝিয়ে দিতে আপারোগ থাকে তাদের কান মলে দিতে একেবারে প্রথম দিক থেকে মেধাবী ২/৩ জনের ডাক পড়ে মাষ্টামশাই এর কাছ থেকে।। ঐ বয়সে ঐ ডাক যে কি সম্মানের আর কর্ম সম্পাদন যে কি নায়কোচিত তা কেবল কম মানুষই আনুধাবন করতে পারবেন। এ সুযোগের অভাব জনিত কারণে ক্লাশের বাকী সব ছেলেই ঐ ২/৩ বীর শিশু পুরুষকে হিংসা করে আর ভেতরে ভেতরে তাদের মতো হবার , তাদের বন্ধুত্ব পাবার জন্য চেষ্টা করে। এমন শৈশবের হিরোরা কেবল তাদের মেধা, ক্ষীপ্রতা,যোগ্যতা, দক্ষতা থাকার কারণে হারিয়ে যায়, দেশে তাদের যা অবস্থা হয় তা বলে বুঝানোর না, ঠিক ঝরে যাওয়া একটা পাতা ক্লোরোফিল উজাড় করে ঝরে পড়ে গেলে যেমন তার মূল্য থাকে না ঠিক তেমন।
নিঠুর হে
নানা,
তোমার কি মনে আছে আজ আমার বয়স কত হল ? রাতটা পোহালে আমার বয়স দুই বছর পূর্ণ হয়ে যাবে । জানুয়ারির ১৯ তারিখ, আমার অভিশপ্ত জীবনের শুরু এ পৃথিবীতে । আমার জন্মদিনে তোমাদের কোন আয়োজন নেই মনে হচ্ছে । কেনই বা থাকবে – আমার মত একটা জড়বস্তুকে নিয়ে কি কোন আনন্দ করতে পারে কেউ? নানা, তোমার কি মনে আছে আমি এ পৃথিবীতে এসে একটুও কাঁদিনি- ডাক্তার-নার্সরা অনেক চেষ্টা করেও আমাকে কাঁদাতে পারেনি । নাকে নল ঢুকিয়ে তারা আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছিল । তারা তো আমার ভবিষ্যৎ ভালভাবেই বুঝতে পেরেছিল, তবু তারা কেন আমাকে বাঁচিয়ে রাখল !
কারখানা...(এক)
এক.
প্যাট্রিক ইয়োহানসনের গল্প - যা আছে সব খেয়ে ফেলে
ব্যাপারটা শুরু হয়েছিল হট-ডগ খাবার এক স্থানীয় প্রতিযোগিতা থেকে। লু ভারবেইন সেখানে প্রথম হয়ে প্রাদেশিক প্রতিযোগিতার জন্য মনোনীত হয়। প্রাদেশিক প্রতিযোগিতায় সে দ্বিতীয় হলেও প্রথম স্থান অধিকারীর পেট খারাপ হলে লু-কেই জাতীয় প্রতিযোগিতায় পাঠানো হয়। সেখানে এক খ্যাংড়া-কাঠি জাপানী মেয়ে প্রথম হয়, আর লু অনেক পেছনে থেকে তৃতীয়।
এমন ফলাফলে লু মোটেও ঘাবড়ালো না। সে কঠোর ট্রেনিং নেবার সিদ্ধান্ত নিলো। সে শহরের সব হট-ডগ খেয়ে ফেল্লো। এরপর প্রদেশের সব হট-ডগ, এমনকি সে গোটা মহাদেশের মাংস দিয়ে বানানো খাবারের ঘাটতিও সে তৈরি করে ফেল্লো।
লু খেয়েই চল্লো। হ্যামবার্গার, পাই, বিস্কুট - যা কিছু তার পেটে ধরে স-অ-ব। আর সে বেলুনের মতো ফুলতে লাগলো, আগাছার মতো বাড়তে থাকলো। ব্যাপারটা দেখতে স্যুররিয়ালিস্টিক হয়ে গেলো।
» স্ত্রীর চেয়ে শালী সুন্দরী এখন আমি কি করি চাই শালী ?
undefined$1,000,000.00 Jackpot No Entry No Entry 11, 47, 12, 41, 09, 52
Win a Car No Entry No Entry 11, 13, 19, 40, 27, 42
Pay Off Your Mortgage No Entry No Entry 12, 09, 04, 06, 35, 05
$10,000.00 FastCASH No Entry No Entry 22, 27, 08, 11, 16, 10
$100,000.00 Giveaway No Entry No Entry 46, 11, 36, 25, 33, 15
$10,000,000.00 SuperBucks No Entry No Entry 28, 15, 03, 41, 23, 46, 27
বিবিধ নিজস্ব হাবিজাবি...
-
ইদানিং, কেন জানিনা, সব কিছু থেকে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছি। সময় বয়ে যাচ্ছে, আমিও বয়ে যাচ্ছি সময়ের সাথে। যেন যেতে হয় বলেই।
-
সিগারেট জ্বালাই অভ্যেসে। কিছুক্ষণ পর আর স্বাদ পাইনা, ছুঁড়ে ফেলে দেই।
-
অফিসের ছাদে উঠলে কিনারে গিয়ে দাঁড়াই। নীচে তাকালে পেটের ভেতর শিরশির করে। হাঁটুর পেছনের শিরশিরে অনুভূতিটা মেরুদন্ড বেয়ে উঠে আসে। উচ্চতা ভীতি আমার সারাজীবনই। তবু, চাদের কিনারে দাঁড়িয়ে কেমন বিচিত্র আনন্দ পাই। নীচে রাস্তাতে লাফিয়ে পড়তে ইচ্ছে হয়। পারিনা। হয়তো দায়িত্ববোধ বেশী, নয়তো সাহস হয় না। বিল্ডিং ফুঁড়ে বেরিয়ে আসা রড এক হাতে ধরে মাথাটাকে বের করে দেই ছাদের সীমানার বাইরে। হয়তো আশা করি একদিন মাথা ঘুরে পড়ে যাবো। পেটের ভেতরের, হাঁটুর পেছনের শিরশিরানি উপভোগ করি।
-