অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

আমরা বন্ধু ইফতার অনুষ্ঠান ২০১২

প্রিয় ব্লগার বন্ধুরা,

ইফতার অনুষ্ঠানের গরম-গরম ঘোষনা দিতে চলে আসলাম আমি! ব্লগে এতো মহান মহান ব্যক্তি থাকা সত্ত্বেও এই গুরু দায়িত্বটা আয়োজক কমিটির পক্ষ হতে আমার ওপরই দেয়া হয়েছে Shock যাই হউক, গতকালই ঘোষনাটা দেয়ার কথা ছিল তবে আমার ইন্টারনেট বিভ্রাটের কারনে ঘোষনা টা দিতে একটু দেরী করে ফেললাম(এই জন্য আমাকে জিয়াউর রহমান থেকে কম কিছু ভাববেন না দয়া করে Crazy )

ঘোষনাঃ
আমি আশরাফুল ইনসান রনি, ইফতার আয়োজক কমিটির পক্ষ হতে ঘোষনা করছি যে, আগামী ১২ তারিখ, রবিবার ২০১২ইং আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য ইফতার অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে! অনুষ্ঠানটি চাঁদার বিনিময়ে ইফতার কর্মসূচী ভিত্তিতে আয়োজন করা হয়েছে! অনুষ্ঠানে এবি ব্লগের স্বনামধন্য ব্লগাররা উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা যাচ্ছে!

এক নজরে ইফতার অনুষ্ঠানঃ
ইফতার অনুষ্ঠান স্থলঃ ক্যাপ্টেনস ওয়ার্ল্ড (মহাখালী)
তারিখঃ ১২।০৮।১২ - রবিবার
সময়ঃ শুরু বিকেল ৫টা
চাঁদাঃ জন প্রতি ২৫০টাকা

তাঁদের সবার জন্মমাস আগস্ট

2012_08_09_23_2_b.jpg
আগস্ট মাসের জন্মদিনের তালিকাটা খুব সংক্ষেপে একটু বলি। সবার আগে বলতে হয় রহস্য সিনেমা জগতের সেরা মানুষটির কথা—আলফ্রেড হিচকক। আগস্টেই জন্ম নিয়েছিলেন তিনি। আরও একজন পরিচালকের নামও বলতে হয়। তিনি নিজেও অনেকবার হিচককের প্রভাবের কথা বলেছেন। একাধিক সিনেমাও বানিয়েছেন হিচককের আদলে। আলোচিত-সমালোচিত এই পরিচালক রোমান পোলানস্কি। তাঁরও জন্মমাস আগস্ট।
এবার দুজন অভিনেতার কথা বলি। এই দুজনকে ছাড়া সিনেমা জগতের ইতিহাস লেখা সম্ভব নয়। তাঁদেরও জন্মমাস আগস্ট। একজন হলেন রবার্ট ডি নিরো, আরেকজন রবার্ট রেডফোর্ড। মজার ব্যাপার হলো, দুজন আবার সিনেমাও বানিয়েছেন। তবে এ ক্ষেত্রে রবার্ট রেডফোর্ড অনেকটাই এগিয়ে। তিনি সেরা পরিচালকের অস্কারও পেয়েছেন। তবে অভিনয়ের দিক থেকে নিঃসন্দেহে রবার্ট ডি নিরো অনেক এগিয়ে।

অহেতুক

ব্লগে ঢুইকাই দেখি কি জেসন বর্ণ খাড়ায় আছে। টেনশনে পড়ে গেলাম, যাব্বাবাহ্ এ কি কান্ড। এমনিতে বর্ণ লিগেসী মুক্তি পাইতেসে ম্যাট ডেমনরে ছাড়াই, তাই কয়দিন ধরে মনের মধ্যে উথাল-পাতাল; তার উপরে ব্লগে বর্ণ! অবশ্য একটু পরেই বুঝতে পারলাম, এইটা হইলো আমাদের বাউন্ডুলে বর্ণ (এখন বোধহয় সে আবার নাম চেঞ্জ করসে)। যাহোক জেরেমিরেও ভালো পাই। যদিও মিশন ইম্পসিবল ৪: ঘোস্ট প্রোটোকল ছাড়া তার আর কোনো সিনেমাই দেখি নাই। বিশেষ করে দ্য হার্ট লকারে নাকি ব্যটায় এ পর্যন্ত সবচে' ভালো অভিনয় করসে। সিনেমাটা কেন দেখা হয় নাই, ওস্তাদই জানে ভালো। তবে মিশন ইম্পসিবল দেইখা ব্যটারে আমার দারুণ লাগসে! বিশেষ করে হুটহাট দর্শকের চোখে পড়ে যাবার অদ্ভুত একটা ক্ষমতা আছে তার। এই ব্যটার আরো একখান হিট মুভি আছে, কিন্তু সেইটার ভালো প্রিন্ট এখনো নেট-এ আসে নাই। দ্য অ্যাভেঞ্জার্স।

"দেভদাস" ৪

এদিকে নারায়ণ মুখোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী কৌশল্যা অর্থাৎ দেভুর পিতা মাতা বড়ই অস্থির হইতে লাগিলেন। দেভু বিলাত হইতে আসিয়া ঘরের বাহির হয়না, চাকুরির সন্ধান করেনা। সারাক্ষন তাহার ল্যাপটপ খানি খুলিয়া কি যেন কি করিতে থাকে। অপরদিকে পারুর মাতা সুমিত্রাও ইদানিং এই বাড়িতে যাতায়ত বাড়াইয়া দিয়াছে। পূর্বে দেখা যাইতো সকাল দুপুর কি রাত, সুমিত্রা পারু কে কয়েকখানা কাচা লঙ্কা কিংবা একটু চিনি কিংবা ঘি চাহিতে পাঠাইতো, সেই সুমিত্রা নানা ব্যাঞ্জন সাজাইয়া আসিতে শুরু করিয়াছে। তাহার এরুপ ব্যঞ্জনা সাজাইয়া আনা কৌশল্যা স্বাভাবিক ভাবে লইতে পারিতেছে না।

আসন

রুশনি আর কুলসুম
রুশনি যখন স্বামী-সন্তান নিয়ে নিদারুণ অভাবের তাড়নায় দুদিন উপোষ থেকে গ্রাম ছেড়ে শহরে চলে যাওয়ার কঠিন সিদ্ধান্তে অবিচল, ঠিক তার মাস খানেক আগেই তার সুপ্রিয় পড়শি কুলসুম অন্ন-বস্ত্রের সন্ধানে গ্রাম ছেড়ে সপরিবার চলে গিয়েছে। যে কুলসুমকে একদিন না দেখলে, যার সঙ্গে দু-দণ্ড কথা বলতে না পারলে মনে হতো আজ কী একটা জরুরি কাজ যেন বাকি রয়ে গেছে। সেই কুলসুম কেমন যেন অচেনার মতোই কারো দিকে না তাকিয়ে সন্তানদের হাত ধরে আতাউল্লার পিছন পিছন চলে গিয়েছিলো। এমনকি রুশনিকে একবার বলে যাবারও প্রয়োজন বোধ করেনি।

পাঁচ ভাষার পাঁচ ক্লাসিক সিনেমা

পাঁচ ভাষার পাঁচ ক্লাসিক সিনেমা। ইদানীং বেছে বেছে ছবি দেখি। ফলে ভাল ভাল ছবিই দেখা হয় বেশি। দেখার তালিকা থেকে বেছে নেওয়া পাঁচ ক্লাসিক।
............................................................................................................................................................................................................................

১. এ ম্যান এসকেপড: ফ্রেঞ্চ মুভি, পরিচালক বিখ্যাত রবার্ট ব্রাসো, যিনি ভিন্নধারার ছবি করিয়েদের অন্যতম পুরোধা।
escaped.jpg
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার ঘটনা। ফ্রান্স নাজীদের দখলে। নাজী আগ্রাসন প্রতিরোধ করতে গিয়ে ধরা পরেন ফনটেইন। যেতে হয় জেলে। সেখান থেকে পালানোর কাহিনী এ ম্যান এসকেপড।
পালানো নিয়ে একবার ১০ ছবির একটা পোস্ট দিয়েছিলাম। সেটা পড়ে অনেকেই বলেছিলেন, জেল পালানোর সেরা ছবিটিই তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। তারপর সংগ্রহ করলাম মুভিটা।

নিজ দায়িত্বে তালা দিয়ে ঈদে বাড়ি যান : ঠিকাছে

তালা

‘নিজ দায়িত্বে তালা দিয়ে ঈদে বাড়ি যান’

হঠাৎ করে ঢাকা তালা শূন্য হয়ে পরেছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর একটি ঘোষনার পর মানুষ দিকবিদিক হয়ে ছুটছে হার্ডওয়ারের দোকান গুলোতে। কিন্তু কোথাও মিলছে না একটি তালা। ঢাকার সয়াবিন/চিনি সিন্ডিকেট পুরাই তব্দা আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন ক্রিয়েটিভিটি দেখে। এমন একটি হট আইটেমের কথা শোনার পর থেকে তারা এখন কি থেকে কি করবে কোন হুশ পাচ্ছে না। প্রচণ্ড আফসুস খেয়ে তারা বলছে, ১৫ দিন আগেই যদি মন্ত্রী মহোদয় একটু টাচ দিতেন তাহলে সিন্ডিকেট সকল তালা লগ্নি করে বসে থাকতে পারতে। আমদানী কারকরা এখন ব্যাপক সেন্টু খেয়ে ঈদের শপিং বাদ্দিয়ে তালার খোজে হন্যে হয়ে সারা দেশ ঘুরছে।

যোগাযোগমন্ত্রীর অভিযান ও বাস্তবতা

স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে একটি হিন্দি ছবি প্রায়ই দেখানো হয়। অনিল কাপুর অভিনীত ওই ছবিতে দেখানো হয়, একদিনের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হয়ে নায়ক অনিল কাপুর রাজ্যের বিভিন্ন দুর্নীতি দূর করতে উদ্যোগী হন। বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ঘুরে অনিয়মকারী ও দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে অনিল কাপুর ব্যবস্থা নেন। আমাদের মান্যবর যোগাযোগমন্ত্রী জনাব ওবায়দুল কাদের বোধহয় ওই ছবি অনেকবারই দেখেছেন। তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ঘুরে নায়ক ছবির নায়কের মতোই কাজ দেখানোর চেষ্টা করছেন। এতে কতটা কী হচ্ছে, তা নিয়ে বিচার করার দায়িত্ব ভুক্তভোগীদের; কিন্তু এতে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের যে লাভ হচ্ছে, তাতে কোনোই সন্দেহ নেই। টেলিভিশন ও সংবাদপত্রের সাংবাদিকেরা যোগাযোগমন্ত্রীর কল্যাণে প্রতিদিন একটি করে সংবাদ আইটেম পেয়ে যাচ্ছেন, তাদের জন্য এরচেয়ে আনন্দের ব্যাপার আর কী হতে পারে?

"দেভদাস" ৩

- পারু , তোমার পারু ,ওপাশ থেকে শব্দ এলো। অনেকটা ফিসফিসিয়ে যেন কহিলো পারু।
- পারুউউউউউ বলিয়া একটা হালকা চিৎকার করিলো দেভু।

তবে পারুর কন্ঠ শুনিয়া তাহার ভিতরে কোন ঝড় বহিলো না, বজ্রপাত হইলো না, সুনামি আঘাত করিলো না, জমিন ফাটিয়া চৌচিরও হইলো না। শুধু বিলাতি টোনে ইংরেজী তো কহিলো - dude... whazz up ? how is going on? um so glad ...... " ইত্যাদি ইত্যাদি।

দেভুর কন্ঠে এরুপ ইংরেজী শুনিয়া পারু স্তম্ভিত হইয়া রহিলো, কথার খেই হারাইয়া ফেলিয়া মিন মিন করে কহিলো - i m pine , u ?

পারুর কথা শুনিয়া দেভু দীর্ঘশ্বাস গোপন করিয়া কহিলো - কেমন ছিলে এতদিন? তোমাকে কত যে খুঁজেছি, তুমি জানোনা।
-আমাকে কোথায় খুঁজেছ ? আমার কথা কি কখনও মনে পড়তো তোমার বিলাত গিয়া?
- পারু ফেসবুকে তোমাকে খুঁজেছি কত। পাইনি। পার্বতী দিয়া সার্চ করতে করতে আমার আঙ্গুল ব্যাথা হয়ে গেছে, আমি পাইনি। আর তোমার কথা আমার প্রতিদিন একবার হলেও অন্ততঃ মনে পড়তো ।
- ফেসবুকে কি করে পাবে, পাবলিক সার্চ বন্ধ করে রেখেছি যে, আর তোমার আই ডী দাও, আমিই তোমাকে এড কড়িয়া নিবো। প্রতিদিন মাত্র একবার মনে করতে আমাকে? পারু আহ্লাদ করিয়া কহিলো।

আরেকটি কার্যনির্বাহী কমিটি

'আমরা একটা প্রস্তাব নিয়ে এসেছি' - বক্তা সুদর্শন এক যুবা - এই মুহুর্তে আমার সামনে উপবিষ্ট - বয়স বিশের কাছাকাছি - হাল ফ্যাশনের দামী পোশাকে তাকে বেশ মানিয়েছে - যুবক একা নয় - সাথে সমবয়সী আরেক যুবা আর তিন সুদর্শনা - পরিধেয় পোশাক সাক্ষ্য দেয় প্রত্যেকেই অবস্থাপন্ন ঘরের সন্তান - জিজ্ঞাসু চোখে ছেলেটির দিকে তাকালাম পরবর্তী ভাষ্য শোনার জন্য - 'আমাদের একটা সংগঠন আছে - নাম '.......' - আমরা সংগঠনের কার্যনির্বাহী কমিটিতে আপনাকে চাচ্ছি .'

মোটামুটি থতমত খেয়ে গেলাম - ক্ষীণ সন্দেহ হলো - এরা বোধহয় ঠিকানা ভুল করে আমার কাছে চলে এসেছে - আমি পেশায় সুদের কারবারী - ছাপোষা চাকরিজীবি - সাপ্তাহিক এই ছুটির দিনটিতে দেরী করে ঘুম থেকে উঠেছি - পেটে এখনো কিছু পড়েনি - মাথার চুল উসকো খুসকো - পরনের ট্রাউজার মলিন - কুচকানো - টি শার্টের অবস্থাও তথৈবচ - বালতিতে সারা সপ্তাহের ময়লা কাপড় ভিজিয়ে রেখেছি - এখনো ধোয়া হয়নি - দুপুরের আহার সংস্থান নিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন - এই সময় বিনা মেঘে বজ্রপাত - দলটির আগমন - আর তাদের এই অদ্ভুত প্রস্তাব.

aB ইফতার অনুষ্ঠান'১২

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য ইফতার অনুষ্ঠান আয়োজনের চেষ্টা চলতেসে! এই উপলক্ষে আয়োজক কমিটি পুরোদমে কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন! ইফতার অনুষ্ঠান সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হবে খুব শীঘ্রই! আশা করছি এবির সব বন্ধুদের কে পাওয়া যাবে ইফতার অনুস্থানে!

সম্ভাব্য স্থানঃ ক্যাপ্টেনস ওয়ার্ল্ড (মহাখালী)
সম্ভাব্য তারিখঃ আগামী রবিবার, ১২.০৮.১২

আজকে ইফতার করতে বসার আগে অব্যশই একটু দোয়া করবেন আয়োজক কমিটির জন্য, যেন তারা বন্ধুরের জন্য আয়োজন টা সুন্দর ভাবে করতে পারেন!

এইবার একটু আওয়াজ করেন দেখি সবাই Party

বৈদেশ যামু, না যামুনা- ২

আগের পর্ব http://www.amrabondhu.com/aajad/5168
রাইতে ঘুমাইতে ঘুমাইতে ১ টা বাজে কমপক্ষে। শোয়ার পরে লাইট নিভাইতে গেলে ছোট পোলায় চিৎকার দেয়, আর লাইট না নিভাইলে বড় পোলায় চিৎকার দেয়। রাইত মোটামুটি ১ টা বাজলে ছোট পোলায় ঘুমাইতে যায়। প্রথমে শুইয়া মোবাইলের সব ছবি দেখবো। তারপর গান শুনবো। তারপর হঠাৎ তার মনে হৈবো সে 'সি' করবো। আবার উঠতে হয়। তারে 'সি' করাইতে হয়। এরপর শুইবো। বানাইয়া বানাইয়া তারে গল্প শুনাইতে হয়। কারন প্রত্যেকদিন গল্প পাইবো কৈ ? নতুন গল্প না হৈলে আবার সে শুনবো না। গল্প শুনা শেষ কৈরা তার চোখে যখন ঘুম আইবো আইবো করতাছে- হঠাৎ তার মনে হৈবো- পানিতো খাই নাই ! তারপর কৈবো- বাবা/মা, মাম থাবো...। এই ভাবে চলতে চলতে মোটামুটি ঘুমায় সে। আমার ঘুমাতে ঘুমাতে আরো ২০/৩০ মিনিট। ঘুম গেলাম কী গেলাম না, মোবইলে অ্যালার্ম বাজা শুরু করে। ৩ টা ১৫ বাজে। সেহেরি খাইতে উঠি। তারপর সেহেরি খাওনের পর নামাজটা পড়ি। মোটামুটি ৪ টা ৩০ বেজে যায় । আবার ঘুমাইতে যাই ৫ টায়। উঠি ১০ টায়। অফিস টাইম ১১ টায়। এই ভাবেই দিন যাইতেছে...

উপোষের দিন রাত্রী!

আম্মু আব্বুর সাথে যখন বাসায় ছিলাম তখন রোজার দিনগুলান ছিলো একটু বিপদ জনক। নামাজ মসজিদে গিয়ে পড়তে হবে, টিভি দেখা যাবে না বেশি, রোজা রেখে কোরান খতম দিতে হবে। কিন্তু কে শোনে কার কথা! নামাজ পড়তাম কিন্তু মসজিদে যেতাম কম। তারাবীর নাম দিয়ে বের হয়ে দিতাম বন্ধুদের সাথে আড্ডা। আরেকটু ছেলেবেলায় চিটাগাংয়ে ছিলাম তখন প্রত্যেক বিল্ডিংয়ের পিছনে ছিলো বাগান। যেখানে টমেটোই ছিল মেইন সব্জী। সেটা নিয়ে বোম্বাস্টিং খেলাই ছিলো কাজ রাতের বেলা। জামা কাপড়ে লাল লাল টমেটোর দাগে অবস্থা কাহিল। পরে ঘোষনা দিয়ে ক্ষেত বন্ধ করলো। আমরাও তারাবীতে খেলা ছেড়ে দিলাম না। এরপর আরো ডেঞ্জারাস খেলা শুরু করলাম। গোল্লাছূট। লাইট কম মাঠে সেইখানেই এই খেলা শুরু। কিন্তু বিপদ হলো মাঠ টা একটু অসমান তাই প্রতিদিন কেউ না কেউ আহত হয়। শেষে একজনের নাক ভাঙ্গলো। গলগল করে রক্ত পড়ছে। আমার গেঞ্জীতেও রাখলো রক্ত। হাসপাতালে নেয়া হলো। বাসায় ফিরলাম। আম্মু জিগেষ করে লাল কি এগুলা?

অসংলগ্ন

একটা নদীর মৃত্যু হয়েছে সেদিন...

আলফেসানী দাঁড়িয়েছিলো একটা রিকশা কখন এসে টুনটুন নুপুর বাজাবে সেই অপেক্ষায়। সেই রিকশাই এলো, সাথে করে নুপুরের ছন্দের বদলে নিয়ে এলো নদীর মৃত্যু সংবাদ। নদীটার সাথে আলফেসানীর পরিচয় ছিলোনা। শুধু ঢেউয়ের ছন্দটা সে দেখেছিলো কোনো এক আর্ট গ্যালারীর আলো আঁধারীতে।

ঝাঁক বেঁধে দানবেরা ছুটে এসেছিলো মৃত নদীর দৃশ্যমান সম্পদ ছিঁড়ে খুঁড়ে নেওয়ার জন্য। যেটা আলফেসানীর একেবারেই পছন্দ হয়নি। তাই সে জবথবু হয়ে বসে পড়লো গ্যালারীর অন্ধকার সিঁড়ির নীচে। যেখানে তৈলচিত্রদের বৃদ্ধাশ্রম। হঠাতই অন্ধকার ভরে উঠলো ফিসফিস স্বরে। শুনবেনা শুনবেনা করেও আলফেসানী শুনে ফেললো বৃদ্ধ তৈলচিত্রদের একান্ত গোপন কথাগুলো। এর ভেতর কোনো একটা তৈলচিত্র আবার সানাই বাজিয়ে চলেছিলো অবিরাম।

অনাকাঙ্খিত সর্ম্পক

কি লিখিব আজ আমি তোমার স্বরণে..চেনা মানুষটি যখন হয়ে যায় অচেনা, সইতে পারি না আর কষ্টের সীমানা! পৃথিবীতে কত না বিচিত্র মানুষ। কেউ সর্ম্পক করে সময় কাটার প্রয়োজনে, কেউ মনের আত্নতৃপ্তির জন্য কেউবা ভাল একটি বন্ধুত্বতার জন্য, যে নাকি সুখে দুখে সবসময় তার পাশে দাঁড়াবে। কিন্তু আসলে কি বাস্তবে তা হচ্ছে..? জানি না এর পরিসীমা কি বা এর গন্তব্য কোথায়..?

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ