অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও ১৮ জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

ওড টু মাই ফ্যামিলি- ২

ঢাকা থেকে আগে গ্রামের বাড়ি যাওয়া একটা ঘটনা ছিলো।

সাত দিন আগে থেকে মা শুরু করতো, "আর ৬ দিন পর রাজশাহী যাবে তো তুমি, যাও এখন হাত-মুখ ধুয়ে পড়তে বস", কিংবা (অতি জঘন্য কোন খাবার দেখায়ে) "৫ দিন পর রাজশাহী, দুধটা শেষ কর"--- আমরা দাঁতে দাঁত চেপে কোনরকমে অপ্রিয় কাজগুলো করে ফেলতাম আর কতদিনে সাত দিন ঘুরে ৫, ৪, ৩, ২, ১ হবে তার অপেক্ষায় দিনানিপাত করতাম। সময় তখন বড়ই গাদ্দার ছিলো, এমন আস্তে কাটতো! আর এদিকে আমাদের মধ্যে টানটান উত্তেজনা ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট ম্যাচের মত বাড়তেই থাকতো।

প্রেমিকের ভালমন্দ

(আমার প্রতিটি লেখার মত এটিও প্রাত্যহিক জীবনের কথোপকথনের ফলে তৈরী।আমার এক বন্ধূর 'আমার প্রেমিক ভাল না' টাইপের অভিযোগ থেকেই আমি বিষয়টি নিয়ে ভাবি।)

মানুষ ভাংগা চেয়ারেরই প্রেমে পড়ে।

প্রেমের ইনিশিয়াল ইমপেক্ট মারাত্নক, মানুষ সরাসরি ভেংগে পড়ে। তবে ধকল কাটিয়ে উঠার পর মানুষের মনে হয় আসলে সে ভাংগা চেয়ারেরই প্রেমে পড়েছে। তিন পা নিয়ে দেয়ালে হেলান দিয়ে দাঁড়ায় এমন চেয়ার। সারফেসে পেরেক ওঠা, 'বসলে-নড়াচড়া-বারণ' এমন চেয়ার।

সমস্যা আপনার মধ্যে:

ক্ষমা করো হে নারী

আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবস । এদিনে তোমাদের নিয়ে টিভিমিডিয়া টক শো করবে,পত্রিকায় বিশেষ পাতা বেরুবে , ব্লগাস্ফিয়ারে প্রচুর পোস্ট আসবে (নারীর সম্মানে পোস্ট স্টিকি হবে কোথাও ), ফেসবুকে ষ্ট্যাটাসের বন্যা বইবে কিন্তু তুমি নারীই থেকে যাবে বেলা শেষে । বস্তুত:দুনিয়ার সমস্ত আবিস্কারে
ইতিহাস বিনির্মানে
অধিকার আদায়ের সংগ্রামে তথা মুক্তির লড়াইয়ে
সাহিত্যে ধর্ম দর্শনে বিজ্ঞানে সংস্কৃতিতে
যুগে যুগে তোমরা রেখেছে অবদান
কিন্তু পুরুষতান্ত্রিক ইতিহাস তোমাদের কথা চেপে গেছে
সমাজ তোমাদের কথা ভুলিয়ে দিতে চেয়েছে
আর শিশ্নকেন্দ্রীক সাহিত্য সমালোচনা তোমাদের অস্বীকার করেছে ।
আজ আমাদের এ দীনতা ও অপরাধ ক্ষমা করো হে নারী ।

ও নদীরে - - - -

091a.jpgএখন মনে হয়, আমার শৈশব ও কৈশোর কেটেছে যে গ্রামে ও যে নদীর তীরে তা ভারী সুন্দর! বাংলাদেশের আর দশটি গ্রামের মতই বৈচিত্রহীন একটা গ্রাম। আর সে গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া তারও চেয়ে বৈচিত্রহীন একটা নদী। বাংলাদেশে নদীর কত সুন্দর সুন্দর নাম, মেঘনা, যমুনা, সুরমা, করতোয়া, রূপসা, তিস্তা, চিত্রা, শীতলক্ষ্যা, কুশিয়ারা, আরও কত কি! এমন সুন্দর একটা নামের নদীর পাশের কোন একটা গ্রামে আমার জন্ম হয়নি। যে গ্রামে জন্মেছি, তার পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া নদীটির নাম শুনলে সবাই নাক কুঁচকায় – সেটার নাম মাথাভাঙ্গা। আমরা ছোট বেলায় লিখতাম মাথাভাঙা, উচ্চারণও করতাম তাই-ই, এখনও। কিন্তু কালে কালে আর সব কিছুর মতই মাথাভাঙা এখন হয়ে গেছে মাথাভাঙ্গা।

যাপিত জীবন: ছেলেবেলার খেলা

ফুটবল, ক্রিকেট, ডাংগুটি, তাস(সিগারেটে প্যাকেট), হকি ইত্যাদি সব খেলাই খেলতাম ছোটোবেলায়। যদিও কোনোটার পারফর্মেন্স উল্লেখ করার মত না, মহল্লা লেভেলেই। সারাজীবনে শুধুমাত্র একবারই পুরস্কার পেয়েছিলাম। সেটা মহল্লার খেলাতে। দৌড়ে আর মোরগ লড়াইয়ে প্রথম। কিন্তু এর বাইরে কোনো প্রতিযোগিতায়ই পুরস্কারের ধারে কাছে যাইতে পারি নাই। মান ভালো না হলেও খেলায় আমার আগ্রহ সব সময়। জয় পরাজয় কিছু নয় অংশ গ্রহন করাই বড় কথা এই দর্শনে বিশ্বাসি হয়ে খেলায় লেগে থাকতাম।

আমাদের ছেলেবেলায় ফুটবল ছিল প্রধান খেলা। কিন্তু আমার জন্য আরামদায়ক ছিলনা। কারণ আমার শরীর নরম। খালি পায়ে খেলতাম। এদিকে অন্যদের পা ছিল লোহার মত শক্ত। কতবার ল্যাং খেয়ে পা ফুলে ব্যাথায় কাতড়েছি। তারপরও খেলে গেছি, মানে বলের পিছনে দৌড়ানো আর কি।

আমার যাদুমনি (৫)

1_3.jpg

2_2.jpg

3_3.jpg

4_4.jpg
খেলা খেলা আর খেলা Smile

5_5.jpg
খেলা করবে আর মারামারি করবেনা? সেও কি হয়? Tongue

6_2.jpg
মারামারি করে একজন চিৎপটাং! Crazy

7_3.jpg

8_2.jpg

9_1.jpg
ঋহান ঋহান ঋহান.....................

10_2.jpg

খৃষ্টপর দুই সেঞ্চুরী

খৃষ্টপর দুই সেঞ্চুরির সিঁধেল অন্ধকারে
নায়কেরা কেমন বদ বখত হয়ে গেলো
আলোকালো আর কালোআলো তারকা থেকে
উৎক্ষেপণ যন্ত্রে চেপে নেমে এলো মাই ফুটে!

পানির বদলে গ্লাস ভেঙে খাই অটুট তৃষ্ণা মুখে
চাদরের হাতলে পিলোবন্দি ঘুরি রাতের দূর্বাঘাসে
যেখানে পতন তারও তলে গভীর খাদের বাঁকে
এক চুমুক অধর গিলে - আবার নায়ক হয়ে ফেরে!

আস্তিনে মোছা সফল গোঁফের সতেজ সফেদ ডাটা
কেবল চালান করে দিচ্ছি হেঁসেলের প্রয়োজন ভেবে
আরো কিছু পরে যদি কোনো গোয়েন্দা তল্লাশী চলে
দেখিয়ে দেবো সুয়ারেজের ছিপিটা কিভাবে খোলে!

ব্যানার সমালোচনাঃ- যেদিন তর্জনি'র "যাদুকরি" ইশারাতে জেগে উঠেছিলো মানুষ, মুক্তির আস্বাদে

নিজের বাংলা গেয়ান লৈয়া খুব বেশি গর্ব করনের মতন কিছু নাই, হিন্দিও শুইনা বুঝি এরম।
এই গেয়ান লৈয়াই কিছু লেখনের টেরাই দিতেছি।

হিন্দিতেঃ-
আলাদীন কি পাস এক যাদুই চেরাগ থি.............
বা
ইস গাঁও মে এক যাদুগর রেহতা হ্যাঁয়, জিনকো পাস এক যাদুই জুতা হ্যাঁয়।
বা
উন আঁখোকি যাদুই ইশারেপে ম্যাঁয় ঘায়েল হুঁয়া........

বাংলাতেঃ-
ক্রিস এঙ্গেল বা ডেভিড ব্লেইনের থেকে আমার ডেভিড কপার ফিল্ডের যাদুই বেশি ভালো লাগে।
বা
যাদুর পেন্সিল, আআহা যাদুর পেন্সিল
থাকতো যদি এমন একটা যাদুর পেন্সিল।

হিন্দিতে যতবার যাদুই লিখছি, ততবারই কইলাম যাদুই এর মিনিং বাংলায় যাদুর অর্থ লয়।

যেরাম হিন্দি শব্দগুলারে বাংলায় কইতে গেলে আমি এমনে কমু যে

একাত্তরের এদিনে-বঙ্গবন্ধু বললেন -এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ। বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসের অবিস্মরণীয় একটি দিন। একাত্তরের এই দিনে স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রমনার রেসকোর্স ময়দানের জনসমুদ্রে ঘোষণা করেছিলেন পাকিস্তানের অপশাসন ও নিষ্পেষণ থেকে বাঙালির মুক্তির মূলমন্ত্র। এই ভাষণটির তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ছিল তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের মানুষকে স্বাধীনতা যুদ্ধে উদ্বুদ্ধ করা।কবি নির্মলেন্দু গুণ শেখ মুজিবের সাত মার্চের ভাষণকে বলেছেন একটি মহাকাব্য। আর সেই মহাকাব্যের মহাকবি হচ্ছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। কবি গুণের কবিতায় বঙ্গবন্ধুকে কবি অভিহিত করার প্রতিধ্বনি শোনা গেছে লন্ডনের সানডে টাইমস পত্রিকার মতো কাগজে। কাগজটি শেখ মুজিবকে নাম দিয়েছিল 'এ পোয়েট অব পলিটিক্স' ।

চলুন ফিরে যাই একাত্তরে-

গল্প: হরেক রংএর মার্বেল

১.
সেদিন ঘর থেকে মাত্র বের হয়েছি, সিঁড়িতে একটা কালো হুলো দেখলাম। বেড়ালের চোখ সবসময়ই দর্শনীয়। আমি বেড়াল দেখলেই তার চোখের দিকে তাকাই। ছোটবেলায় মার্বেল জমানোর শখ ছিলো। এখন অবশ্য যেরকম সুন্দর সুন্দর মার্বেল ক্যম্পাস আর এ্যলিফ্যন্ট রোডের ফুটপাথে বিক্রি করে, সেরকম মার্বেল তখন পাওয়া যেতো না। সবুজ বা ঘন কালো রংএর মার্বেল ছিলো শুধু। সেরকম মার্বেল জমিয়েছিলাম এক হাজার। যার বেশিরভাগ খেলে খেলে জেতা। বেড়ালের চোখ আমার কাছে মার্বেলের মতো লাগে। শুনেছি ভুত মরে নাকি মার্বেল হয়।

সাইকেলটা একটা সীজনাল খোর। যখন যে সীজন চলে, তখনকার সহজলভ্য খাদ্যটি সে প্রচুর পরিমাণে খেতে থাকে। বর্ষার সময় সে কাদা খায়। গরমকালে খায় ধুলা। প্রতিদিন কমপক্ষে ১০ মিনিট ধুলা না ঝাড়লে জিনিসটা মনুষ্য সমাজে চলার মতো চেহারায় আসে না। আনমনে ধুলা ঝাড়তে ঝাড়তে ভাবছিলাম, সামনে দিয়ে বেড়াল চলে যাওয়াটা অপয়াই হয় কি না কে জানে।

রিপোষ্ট কবিতা প্রথম পর্ব

এইটা মুকুলের জন্য রিপোষ্ট করলাম, মুকুল কইলো অনেক দিন ধইরা সে আমার কবিতাওউবিতা পড়ে না, লিখা হয় নাই কইয়া পুরানা মাল গছায়া দিলাম

ভালোবাসা সর্বগ্রাসী

০১.
ভালোবাসা সর্বগ্রাসী, অস্তিত্ব গিলে খেতে চায়
ডাঙ্গার প্রাণী ডুবে অগাধ জলে ,প্রেমের বরশী গিলে বৃথা তড়পায়।

০২.

আমি কীটস হলে ভালো হতো, বলতাম "আমার নাম লেখা ছিলো জলে"

আমি হারিয়ে নিজের নাম ঘুরছি শহরে
তুমিহীনা এ নগর পোড়ে বিরহ অঙ্গারে ।

০৩.
তোমার দুয়ারে দাঁড়িয়ে আছি, আসবো?
নিছক আবেগ বক্ষে ধরে
নিকষ কালো অন্ধকারে
একলা একাই দাঁড়িয়ে আছি, আসবো?

উপড়ে নেওয়া শেকড়ে এখনও লেগে আছে রক্ত আর অশ্রুকণা
সারাদিনের সঞ্চিত খড়কুটোয় এলোমেলো ঘুমায়াছে ক্লান্ত চড়াই
কড়া নেড়ে নেড়ে নিস্তব্ধ মহল্লার সবকটা জানালায় জ্বলে উঠলো আলো,
অসময়ে চলে যাওয়া ভালো।

শিশির দু পায়ে পিষে আমি ফিরে যাই...

০৪.

আমার যাদুমনি (৪)

আজকের ছবি গুলো বিভিন্ন দিনের, বিভিন্ন মূহুর্তে তোলা। আসলে স্টকে অনেক অনেক ছবি আছে ঋহানের। কিন্তু সেগুলো থেকে যে ভালো গুলো বেছে আলাদা করবো, সময়ের অভাবে সেটা হয়না। আর এত এত ছবি'র মাঝে কোনটা দিলে ভালো হয় বুঝে পাইনা। হাতের কাছে যে কয়টা পেলাম তার মাঝে যেগুলো ভালো লাগলো সেগুলোই দিয়ে দিলাম।

1.JPG
খেলার ফাঁকে

3.JPG
ঋহানঃ পোলাপাইন কিবোর্ডটাও ঠিক মত চালাইতে শিখে নাই। এই দেখো সবাই, এইভাবে লেখালেখি করতে হয় Wink

4_3.jpg
ক্ষুধার্ত ঋহান Sad

5_3.jpg

অসাধারণ একটি শিক্ষামূলক গল্প

একদা এক বিরাটাকার জাহাজে যান্ত্রিক গোলযোগ পরিলক্ষিত হয়। জাহাজ মেরামতের অভিপ্রায়ে মালিকের চেষ্টায় কোন ত্রুটি দৃষ্টিগোচর হয়নি। আজ এক জনকে, কাল অন্য জনকে, পরশু আরেকজনকে দিয়ে চেষ্টা চালিয়েই যাইতেছিল। কিন্তু কাহারো পক্ষেই এই জাহাজটিকে মেরামত করা সম্ভব হইতেছিল না। দেশ বিদেশের বিভিন্ন বিশেষজ্ঞরা আপ্রাণ চেষ্টা করিয়াও যখন কোন কুল কিনারা করিতে পারিতেছিল না তখন এক বৃদ্ধ লোকের ডাক পরিল। কারণ বৃদ্ধার যৌবনকালে এমন একটি সমস্যার সমাধান করিয়াছিল বলিয়া জনশ্রুত আছে।

বয়োবৃদ্ধ ভদ্রলোক বিশাল এক যন্ত্রপাতির বাক্স লইয়া হাজির হইয়া দ্রুতই কাজে নামিয়া পরিল। সে ইঞ্জিনের শুরু হইতে শেষ পর্যন্ত খুবই সতর্কতার সহিত পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে পরখ করিয়া দেখিল। জাহাজের মালিক বৃদ্ধার সহিত সর্বক্ষণ লাগিয়া থাকিল এবং বোঝার চেষ্টা করিল বৃদ্ধা কিভাবে জাহাজ মেরামত করিবে।

লজ্জা এবং অন্যান্য........

প্রথম লজ্জা আমাদের অন্যরকম এবং অবিশ্বাস্য পরাজয়ের। দ্বিতীয় লজ্জা আমাদের হতাশার অতিরিক্ত বহিঃপ্রকাশে। আমরা কি এখনো পর্যাপ্ত সভ্য হতে পারিনি যে এভাবে ইট ছুড়ে অতিথিকে তাড়িয়ে দিতে হবে। আমদের মানসিকতা এতটা নিচু আর কতভাবে দেখাবো ? আমাদের তামিম, সাকিবরা ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের বিপক্ষে দাঁড়াতে পারেনি, কেন পারেনি বিশ্লেষণ করে পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন। আমি ক্রীড়া বিশ্লেষক নই, আমি গতকালের খেলার বিশ্লেষণ করতেও বসিনি। আমার আপত্তি, অতিথির গাড়িতে ইট ছোঁড়া নিয়ে। যতটা লজ্জা আমাদের পরাজয়ে, তারও চেয়ে বেশি লজ্জা আমাদের আচরনে। তামিম সাকিবদের জয় যদি আমাদের উল্লাশে মাতিয়ে দিতে পারে, তবে তাদের পরাজয় আমাদের স্পর্শ করে না কেন? কেন আমরা ভুলে যাই জয় পরাজয় জীবনেরই অংশ, আর পরাজয় কখনো খুব খারাপ ভাবেও আসতে পারে।

এক অসম প্রেমের কাহিনী

মাঝে মাঝে অবাক হয়ে ভাবি, জানার আছে কত কিছু। সামু ব্লগে প্রথম চোখে পড়েছিলো মাঙ্গা শব্দটি। এরপরে আমার নিজের ব্লগেও শব্দটি পেয়েছি বিভিন্ন সময়। এই সেদিনই পড়লাম নাম নাই আর ভাস্করদা'র লেখায়। কোন্ ধরনের এ্যনিমেশনকে মাঙ্গা নামে ডাকা হয় সেটি জানতাম ঠিকই, কিন্তু এছাড়া জানা ছিলো না প্রায় আর কিছুই।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা