অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১ জন সদস্য ও ৯ জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

"দেভদাস" - ৫

রমনা উদ্যানের ভিতর দিয়া লাল মিয়া যাইতেছিলেন। তাঁহার কিছু কাজ ছিলো , তাহা সমাপ্ত করিয়া একটু রিফ্রেশ হইবার জন্য উদ্যানের ভিতর দিয়া যাইতেছিলেন এক পানশালায়।

লাল মিয়া চুনের ব্যবসা করিয়া বিস্তর টাকা কামাই করিয়াছেন বলিয়া তাহাকে সকলে চুনালাল বলিয়া ডাকিত। তাহা বিকৃত হইয়া এখন চুনিলাল হইয়াছে। সেই চুনিলাল উদ্যানের মাটিতে একজন কে দাত মুখ খিচিয়া পড়িয়া থাকিতে দেখিয়া দাঁড়াইলো। একজন অজ্ঞান হইয়া মাটিতে পড়িয়া আছে , তাহাকে ঘিরিয়া কয়েকজন উৎসুক ব্যাক্তি দাঁড়াইয়া দেখিতেছে , কিন্তু কেহই তাহাকে সাহায্য করিতে আগাইয়া যাইতেছে না।সে অবস্থায় চুনিলাল সেখানে গিয়া উপস্থিত হইলেন ।

এক বোতল পানি কিনিয়া লইয়া অজ্ঞান ব্যক্তির মুখে ছিটাইলেন । মাথায় ছিটাইলেন। তাঁহার তৎপরতায় সেই ব্যক্তি টি জ্ঞান ফিরিয়া পাইলো। সে দেখিলো তাঁহার সম্মুখে একজন বোতল হাতে বসিয়া, আর কয়েকজন তাহাকে ঘিরিয়া কৌতূহল দৃষ্টিতে তাকাইয়া রহিয়াছে। সে কহিলো - আমি কে ? আমি এখানে কেন ?

উপোষের দিন রাত্রী পার্ট টু

গতকাল ইফতার সংক্রান্ত পোষ্ট গুলা দেখে খুব মন খারাপ হয়ে গেলো। গ্রেট মিস কোনো সন্দেহ নাই। আসলে কাকে জানি বলছিলাম জীবন মানেই যা করছি তার জন্য মেজাজ খারাপ হওয়া আর যা করি নাই তা মিস করা। আর এমন অনেক বার হইছে যে ইচ্ছা করেই যাই নাই পড়ে ভাবছি কেনো যে গেলাম না। এই জন্যই শুভমিতার একখান গান আছে
কেঊ চায় কেউ পায়
কেউ বারবার হেরে যায়!

আমরা বন্ধু ইফতারাড্ডা অভিজ্ঞতা ও অন্যান্য হাবিজাবি..

ইফতার থিকা আইসাই দিছিলাম ঘুম, উইঠা দেখি গ্রুপে আর ব্লগে ৬ নাম্বার বাসের ভীড়! ইশ, কী সুন্দর! Smile

পিসি বিজি তাই ঠিকমতো কমেন্টাইতে পারতেছিনা। কিছু কথা কইতে ইচ্ছা করতাছে তাই মুফাইল নিয়া লিখতে শুইলাম!

এই পরথম এমন কোন আয়োজনে গেলাম। বাসার সবাই অবাক, এত্ত বড় বড় লেখকদের মাঝে আমি কেমনে গেলাম! আমি নিজেই কিঞ্চিত টাসকি। ফ্রেন্ড আর ফ্যামিলির বাইরে এখনো ঠিকমত কথাই কইতে পারি না এমুন আনসোশ্যাল আমি কিনা দিব্যি আমার প্রিয় ব্লগের একটা আড্ডার ইতিহাসে পার্ট হইয়া গেলাম! Shock

এই ফার্স্ট গেলাম তো তাই বেশি কথা ক ইনাই, শুনছি। নেক্সট টাইম বকবক করা শুরু করুম আর তার পরের বার থিকা সবাইরে জ্বালানি শুরু কইরা দেম! Wink

মোটামুটি সবার সাথেই কথা হৈছে। কয়েকজনের সাথে খালি টাইমিং মিলে নাই।

রনি ভাই, মেসবাহ ভাই আর টুটুল ভাই রে একটা ইস্পিশাল থ্যান্কু না দিলে অন্যায় হৈব, এমন দুর্দান্ত একটা আড্ডার জন্য।

আজকের ইফতার ও আড্ডা - ভাল লাগার একটি দিন

তখন বাজে দুপুর ২টা, ইফতারস্থলে গিয়ে জানিয়ে আসতে হবে কতজন আমরা ইফতার করব! কনফার্ম করে আসতে হবে! বের হব, তখন দেখি বাইরে জোর বৃষ্টি হচ্ছে! বের হওয়া পসিবল না কোন ভাবেই! বসে অপেক্ষা করছি বৃষ্টি কমার! কমছেনা, তো চিন্তা করলাম এখন আর না যাই, ৪টার দিকে একবারে গিয়ে সবার যায়গা আমি একাই দখল করে বসে পড়ব!

তার কিছুটাইম পড়েই কনা আপার ফোন, কইলো যে, আমি অফিস থেকে বের হব ৪টায়, তুই আমার সাথে চল! আমিও রাজি হয়ে পড়লাম! কথামত ৪টায় বের হইলাম! এটিএম থেকে টাকা তুলে কনা আপার গাড়ি করে রওনা দিলাম ক্যাপ্টেনস ওয়ার্ল্ড-এর পথে! ১৫মিনিটের মধ্যে পৌঁছে যাই আমরা! সবার প্রথম আমি আর কনা আপায় হাজির হই ক্যাপ্টেনস ওয়ার্ল্ড-এ! গিয়ে কাজ শুরু, সবার জন্য ইফতার অর্ডার করা লাগবে এবং বসার যায়গা রিজার্ভ করতে হবে!

এবি ইফতারের টুকিটাকি কথা

আজই প্রথম দেখা হলো এই ব্লগের পুচকু এক ব্লগার বিষন্ন বাউন্ডুলের সাথে । পুচকু হলে কি হবে সেই কবিতা লিখে!! ছোট ভাইয়াটা বললো, কেন আমরা ফাঁকিবাজি করি, পোষ্ট দেই না। কথা দিলাম...আজ পোষ্ট দিব।অনেকদিন ব্লগে পোষ্ট দেই না। চরম অলস আর ফাঁকিবাজ হয়েছি। কিন্তু আজ এই ব্লগের দারুণ একটা ইফতার আড্ডা আয়োজন করলো রনি...তাকে তো মাইকে ধন্যবাদ দিতেই হবে।সবাইকে নিয়ে একটা আয়োজনের জন্য দিন তারিখ ঠিক করা যে কতটা কষ্ট! তবু রনি সব ঠিকঠাক করলো মোটামুটি একা।ঝাড়িটারি খাওয়া ছাড়াই আমরা মজা করে ইফতার করলাম। সবার সাথে সুন্দর একটা বিকেল, সন্ধ্যা কাটলো। সবাইকেই ধন্যবাদ।আর রনিকে এক বস্তা ধইন্যা। মনটা ভরে গেলো সত্যি।

স্যালুট সাফায়াত জামিল

2012-08-11-13-02-08-Shafaet-Jamil-TM.jpg
৩ নভেম্বর ১৯৭৫। মোশতাক-ফারুক-রশীদদের বিরুদ্ধে পাল্টা অভ্যুত্থান করেছিলেন বিগ্রেডিয়ার খালেদ মোশারফ। এই অভ্যুত্থানে তাঁর প্রধান সঙ্গী ছিলেন ৪৬ ব্রিডেগের প্রধান কর্নেল সাফায়াত জামিল। এই অভ্যুত্থান না হলে বাংলাদেশের অন্যরকম হতো। ফারুক-রশীদদের হাতে থাকতো বাংলাদেশ।
৩ নভেম্বরের অভ্যুত্থানই সম্ভবত বাংলাদেশের একমাত্র অভ্যুত্থান, যার উদ্দেশ্য রাষ্ট্রের ক্ষমতা দখল ছিল না। মূল উদ্দেশ্য ছিল সেনাবাহিনীর চেইন অব কমান্ড প্রতিষ্ঠা এবং নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর। যদিও শেষ পর্যন্ত সফল অভ্যুত্থানকে অনুকূলে আনতে পারেননি খালেদ-সাফায়াত-হাফিজ-ইকবাল-গাফফার-নাসির-লিয়াকত-তাজরা।
পালটা অভ্যুত্থান করেন কর্ণেল তাহেররা। এতে আবার বাংলাদেশ ইতিহাসের মোড় ঘুরে যায়। আমার ব্যক্তিগত অভিমত হচ্ছে তাহেরের অভ্যুত্থানের কারণে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বাংলাদেশের।

সিনেমা নিয়ে কথাবার্তা!

এবি ব্লগের লোকজন খুব ফিল্ম বোদ্ধা টাইপের। অনেকের অনেক পোষ্ট আছে সিনেমা নিয়ে। কত সিনেমার নাম যে জানছি মাসুম ভাইয়ের কাছ থেকে। সেই সামুর আমল থেকেই তিনি জানাচ্ছেন। এখনো এবির মাধ্যমেই সিনেমা নিয়া বলছেন। সামুতে আরো কিছু ব্লগার ছিলেন যারা সিনেমা নিয়ে প্রচুর পোষ্ট দিছে। তখন সেই সব সিনেমার নাম মুখস্থ রাখতাম আর ক্লাসমেট লোকজনকে বলতাম দেখিস। সবাই অবাক হতো তুই কত সিনেমা দেখিস! আমি মনে মনে হেসে বলি দেখি নাতো কিছুই, খালি নেই আতেলের পার্ট। যখন ভাবলাম সিনেমা দেখা উচিত তখন দেখি পিসিতে সিডি প্লেয়ার খালি ডিভিডি প্লেয়ার নাই। আর সিনেমা দেখতে হলে পেন ড্রাইভে করে আনতে হবে। সে এক গেঞ্জামের কাজ। কারন পেন্ড্রাইভ এমন এক জিনিস যা হারাতেই পছন্দ করি আমি। তাও নিজের না বন্ধুদের গুলা। বন্ধুরা রাগ করে কিন্তু কিছু বলে না কারন একটা ডায়লগই দেই "যে সামান্য একটা ডিভাইসের জন্য রাগ করা তোর উচিত হবেনা। আরও বড় কিছু হারাই তখন রাগিস"। আর পুলাপানের সিনেমা রুচি ভালো না। যা টিভিতে দেখাবে সামনের দিন গুলাতে তাই যদি পেন্ড্রাইভ নিয়ে দেখতে হয় দরকার কী এত ঝামেলার।

এলোমেলো ঈদ ভাবনা

তোর সাথে যে নদীর অনেক মিল !
নদীর নামে তোকে তো তাই ডাকি।
রোদ পড়লেই নদীটা ঝিলমিল,
তোকে ভেবেই নদীর ছবি আঁকি। ছবি আঁকি।।

আমরা বন্ধু ইফতার অনুষ্ঠান ২০১২

প্রিয় ব্লগার বন্ধুরা,

ইফতার অনুষ্ঠানের গরম-গরম ঘোষনা দিতে চলে আসলাম আমি! ব্লগে এতো মহান মহান ব্যক্তি থাকা সত্ত্বেও এই গুরু দায়িত্বটা আয়োজক কমিটির পক্ষ হতে আমার ওপরই দেয়া হয়েছে Shock যাই হউক, গতকালই ঘোষনাটা দেয়ার কথা ছিল তবে আমার ইন্টারনেট বিভ্রাটের কারনে ঘোষনা টা দিতে একটু দেরী করে ফেললাম(এই জন্য আমাকে জিয়াউর রহমান থেকে কম কিছু ভাববেন না দয়া করে Crazy )

ঘোষনাঃ
আমি আশরাফুল ইনসান রনি, ইফতার আয়োজক কমিটির পক্ষ হতে ঘোষনা করছি যে, আগামী ১২ তারিখ, রবিবার ২০১২ইং আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য ইফতার অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে! অনুষ্ঠানটি চাঁদার বিনিময়ে ইফতার কর্মসূচী ভিত্তিতে আয়োজন করা হয়েছে! অনুষ্ঠানে এবি ব্লগের স্বনামধন্য ব্লগাররা উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা যাচ্ছে!

এক নজরে ইফতার অনুষ্ঠানঃ
ইফতার অনুষ্ঠান স্থলঃ ক্যাপ্টেনস ওয়ার্ল্ড (মহাখালী)
তারিখঃ ১২।০৮।১২ - রবিবার
সময়ঃ শুরু বিকেল ৫টা
চাঁদাঃ জন প্রতি ২৫০টাকা

তাঁদের সবার জন্মমাস আগস্ট

2012_08_09_23_2_b.jpg
আগস্ট মাসের জন্মদিনের তালিকাটা খুব সংক্ষেপে একটু বলি। সবার আগে বলতে হয় রহস্য সিনেমা জগতের সেরা মানুষটির কথা—আলফ্রেড হিচকক। আগস্টেই জন্ম নিয়েছিলেন তিনি। আরও একজন পরিচালকের নামও বলতে হয়। তিনি নিজেও অনেকবার হিচককের প্রভাবের কথা বলেছেন। একাধিক সিনেমাও বানিয়েছেন হিচককের আদলে। আলোচিত-সমালোচিত এই পরিচালক রোমান পোলানস্কি। তাঁরও জন্মমাস আগস্ট।
এবার দুজন অভিনেতার কথা বলি। এই দুজনকে ছাড়া সিনেমা জগতের ইতিহাস লেখা সম্ভব নয়। তাঁদেরও জন্মমাস আগস্ট। একজন হলেন রবার্ট ডি নিরো, আরেকজন রবার্ট রেডফোর্ড। মজার ব্যাপার হলো, দুজন আবার সিনেমাও বানিয়েছেন। তবে এ ক্ষেত্রে রবার্ট রেডফোর্ড অনেকটাই এগিয়ে। তিনি সেরা পরিচালকের অস্কারও পেয়েছেন। তবে অভিনয়ের দিক থেকে নিঃসন্দেহে রবার্ট ডি নিরো অনেক এগিয়ে।

অহেতুক

ব্লগে ঢুইকাই দেখি কি জেসন বর্ণ খাড়ায় আছে। টেনশনে পড়ে গেলাম, যাব্বাবাহ্ এ কি কান্ড। এমনিতে বর্ণ লিগেসী মুক্তি পাইতেসে ম্যাট ডেমনরে ছাড়াই, তাই কয়দিন ধরে মনের মধ্যে উথাল-পাতাল; তার উপরে ব্লগে বর্ণ! অবশ্য একটু পরেই বুঝতে পারলাম, এইটা হইলো আমাদের বাউন্ডুলে বর্ণ (এখন বোধহয় সে আবার নাম চেঞ্জ করসে)। যাহোক জেরেমিরেও ভালো পাই। যদিও মিশন ইম্পসিবল ৪: ঘোস্ট প্রোটোকল ছাড়া তার আর কোনো সিনেমাই দেখি নাই। বিশেষ করে দ্য হার্ট লকারে নাকি ব্যটায় এ পর্যন্ত সবচে' ভালো অভিনয় করসে। সিনেমাটা কেন দেখা হয় নাই, ওস্তাদই জানে ভালো। তবে মিশন ইম্পসিবল দেইখা ব্যটারে আমার দারুণ লাগসে! বিশেষ করে হুটহাট দর্শকের চোখে পড়ে যাবার অদ্ভুত একটা ক্ষমতা আছে তার। এই ব্যটার আরো একখান হিট মুভি আছে, কিন্তু সেইটার ভালো প্রিন্ট এখনো নেট-এ আসে নাই। দ্য অ্যাভেঞ্জার্স।

"দেভদাস" ৪

এদিকে নারায়ণ মুখোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী কৌশল্যা অর্থাৎ দেভুর পিতা মাতা বড়ই অস্থির হইতে লাগিলেন। দেভু বিলাত হইতে আসিয়া ঘরের বাহির হয়না, চাকুরির সন্ধান করেনা। সারাক্ষন তাহার ল্যাপটপ খানি খুলিয়া কি যেন কি করিতে থাকে। অপরদিকে পারুর মাতা সুমিত্রাও ইদানিং এই বাড়িতে যাতায়ত বাড়াইয়া দিয়াছে। পূর্বে দেখা যাইতো সকাল দুপুর কি রাত, সুমিত্রা পারু কে কয়েকখানা কাচা লঙ্কা কিংবা একটু চিনি কিংবা ঘি চাহিতে পাঠাইতো, সেই সুমিত্রা নানা ব্যাঞ্জন সাজাইয়া আসিতে শুরু করিয়াছে। তাহার এরুপ ব্যঞ্জনা সাজাইয়া আনা কৌশল্যা স্বাভাবিক ভাবে লইতে পারিতেছে না।

আসন

রুশনি আর কুলসুম
রুশনি যখন স্বামী-সন্তান নিয়ে নিদারুণ অভাবের তাড়নায় দুদিন উপোষ থেকে গ্রাম ছেড়ে শহরে চলে যাওয়ার কঠিন সিদ্ধান্তে অবিচল, ঠিক তার মাস খানেক আগেই তার সুপ্রিয় পড়শি কুলসুম অন্ন-বস্ত্রের সন্ধানে গ্রাম ছেড়ে সপরিবার চলে গিয়েছে। যে কুলসুমকে একদিন না দেখলে, যার সঙ্গে দু-দণ্ড কথা বলতে না পারলে মনে হতো আজ কী একটা জরুরি কাজ যেন বাকি রয়ে গেছে। সেই কুলসুম কেমন যেন অচেনার মতোই কারো দিকে না তাকিয়ে সন্তানদের হাত ধরে আতাউল্লার পিছন পিছন চলে গিয়েছিলো। এমনকি রুশনিকে একবার বলে যাবারও প্রয়োজন বোধ করেনি।

পাঁচ ভাষার পাঁচ ক্লাসিক সিনেমা

পাঁচ ভাষার পাঁচ ক্লাসিক সিনেমা। ইদানীং বেছে বেছে ছবি দেখি। ফলে ভাল ভাল ছবিই দেখা হয় বেশি। দেখার তালিকা থেকে বেছে নেওয়া পাঁচ ক্লাসিক।
............................................................................................................................................................................................................................

১. এ ম্যান এসকেপড: ফ্রেঞ্চ মুভি, পরিচালক বিখ্যাত রবার্ট ব্রাসো, যিনি ভিন্নধারার ছবি করিয়েদের অন্যতম পুরোধা।
escaped.jpg
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার ঘটনা। ফ্রান্স নাজীদের দখলে। নাজী আগ্রাসন প্রতিরোধ করতে গিয়ে ধরা পরেন ফনটেইন। যেতে হয় জেলে। সেখান থেকে পালানোর কাহিনী এ ম্যান এসকেপড।
পালানো নিয়ে একবার ১০ ছবির একটা পোস্ট দিয়েছিলাম। সেটা পড়ে অনেকেই বলেছিলেন, জেল পালানোর সেরা ছবিটিই তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। তারপর সংগ্রহ করলাম মুভিটা।

নিজ দায়িত্বে তালা দিয়ে ঈদে বাড়ি যান : ঠিকাছে

তালা

‘নিজ দায়িত্বে তালা দিয়ে ঈদে বাড়ি যান’

হঠাৎ করে ঢাকা তালা শূন্য হয়ে পরেছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর একটি ঘোষনার পর মানুষ দিকবিদিক হয়ে ছুটছে হার্ডওয়ারের দোকান গুলোতে। কিন্তু কোথাও মিলছে না একটি তালা। ঢাকার সয়াবিন/চিনি সিন্ডিকেট পুরাই তব্দা আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন ক্রিয়েটিভিটি দেখে। এমন একটি হট আইটেমের কথা শোনার পর থেকে তারা এখন কি থেকে কি করবে কোন হুশ পাচ্ছে না। প্রচণ্ড আফসুস খেয়ে তারা বলছে, ১৫ দিন আগেই যদি মন্ত্রী মহোদয় একটু টাচ দিতেন তাহলে সিন্ডিকেট সকল তালা লগ্নি করে বসে থাকতে পারতে। আমদানী কারকরা এখন ব্যাপক সেন্টু খেয়ে ঈদের শপিং বাদ্দিয়ে তালার খোজে হন্যে হয়ে সারা দেশ ঘুরছে।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড।

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

● ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ